খিচুরি পোস্ট
স্বপ্ন:
সবার জীবনে প্রেম আসে ..... থুক্কু সবাই ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে এবং ঘুম ভাঙলে বা তার পর বেশির ভাগ স্বপ্নই মনে থাকে না; কিন্তু কিছু কিছু স্বপ্ন মানুষ বার বার দেখে। আমার সেরকম কিছু স্বপ্নের কথা বলি:
১) প্রায় ই স্বপ্নদেখতাম আমি খুব উঁচু থেকে পরে যাচ্ছি ঘুম ভেঙে দেখতাম মাথা বালিশের থেকে পড়ে গেছে।
২)স্বপ্ন দেখতাম আমার জন্মদিনে অনেক গল্পের বই গিফট পেয়েছি সব কাজ শেষ করে যখন বই পড়তে বসবো তখনি ঘুম ভেঙে যেত (সব সময় ঠিক করতাম এর পরের বা স্বপ্ন দেখার সময় আগে বই পড়বো কিন্তু হায় তখন কি জানতাম স্বপ্নে বই পড়া যায় না)
৩)এখনো মাঝে মাঝে ঘুমের মধ্যে ফিজিক্স প্রথমপত্র পরীক্ষা দেই।
আমার ছোটভাইর দুটো স্বপ্ন না বললেই না; সে একবার স্বপ্ন দেখছিলো জ্যাকক্যালিস ছক্কা পিটাইছে সেই বল টিভির স্ক্রীন ভেঙে আমাদের বাসায় চলে আসছে ।
সে যে কি স্বপ্ন দেখতো না কি দেখতো প্রায়ই খাটের নিচ থেকে চিল্লাইতো আমি কোথায় আমি উঠতে পারি না কেন.........
পরীক্ষার হলে করা আকাম সমূহ:
১) ক্লাস সিক্সে মনে হয় সাধারন বিজ্ঞান পরীক্ষায় আসছে "পানি একটি উৎকৃষ্ট দ্রাবক"-- তো আমি চিন্তা করলাম সবাই কত সুন্দর নোৎোট কইরা সাজায় গুছায় লিখে আমি পরীক্ষার হলেই নোট করা সুরু করলাম পানির অপর নাম জীবন।
২)পরীক্ষায় আসছে জোকের বৈজ্ঞানিক নাম আমি বস ইনডিকা ছাড়া আর একটার নামো জানিনা বান্ধবীরে জিগাইলাম সে কয় কেচোরটা জানি জোকের টা জানিনা আমি কইলাম কও দুইজনে কেচোর বৈজ্ঞানিক লিখলাম; খাতা দেয়ার সময় টিচার কয় না লিখলে বুঝতো জোকের বৈজ্ঞানিক নাম জানিনা লিখা প্রমান করছি জোকেরটাও জানিনা কেচোরটাও জানিনা তাই নেগেটিভ মার্কিং।
৩) যা পারতাম সেইটা তা লিখা শেষ বাট পরীক্ষার সময় শেষ হইতে দেরি আছে; আমার পেছনে একপোলা তার পরে আমার বান্ধবী; আমি আমার বান্ধবীরে কইলাম কি অবস্থা তার অবস্থাও আমার মতন আমি কইলাম ল যাইগা এই কইয়া যখন বাইরানোর প্রস্তুতি নিতেছি আর খেজুইরা আলাপ করতেসি খান্ডারনী ম্যাডাম মাঝখানের পোলার খাতা নিয়া গেলো ঐ পোলার জন্য অনেক কষ্ট লাগতেসিলো অবশ্য ১০ মিনিট পর দিয়া দিসে খাতা।
আর ভাব সম্প্রসারন আর রচনায় যে দিস্তার পর দিস্তা কি লিখতাম উপরওয়ালা ও মনে হয় জানে না।
রান্নাঘরে করা আকাম সমূহ:
১)
তখন ক্লাস নাইন/টেনে পড়ি, অনেক কাপ চা খেলেও জীবনে তখন পর্যন্ত চা পাতা
চাক্ষুস করিনাই মানে রান্নার পর যে চাপাতা ফেলে দেয় সেটা দেখসি, চায়ের
প্যাকেটো দেখসি কিন্তু অরান্নাকৃত চা-পাতা দেখিনি।
পরের দিন কি যেন পরীক্ষা ছিলো আমি আবার সব পড়া পরীক্ষার আগের রাত্রের জন্য
রেখে দিতাম আগে পড়লে যদি ভুলে যাই
তো রাতে সবাই শুয়ে পড়ছে আমার পড়তে পড়তে চা পানের ইচ্ছা জাগিলো ভাবিলাম এত
বড় হইছি এককাপ চা বানাইতে পারবো না , হুহ্ (আমার মা আমারে প্রায়ই খোটাদিত
এত বড় হইছো এককাপ চাও তো বানায় খাইতে পার না )।
কড়াইতে মাপিয়া মাপিয়া দুইকাপ জল দিলাম (ইচ্ছা ছিলো বাপীকে ঘুম থিকা তুলিয়া
এককাপ চা খাওয়াবো), দুধ দিলাম, চিনি দিলাম, দুধজল বলক উঠিলে খুজিয়া চায়ের
পাতার কৌটা বের করিয়া চাপাতাও দিলাম কিন্তু চায়ের আর কালা চেন্জ হয় না , আরো চা পাতা দিলাম বর্ন কিন্চিৎ পরিবর্তন হইলো কিন্তু তা চায়ের বর্ন ধারন করেনা বাপীকে ডাকিয়া তুলিলাম ঘুম ঘুম চোখে সে আইসা বললো মনে হয় চা পাতা খারাপ আমাদের খটর-মটরে মাতৃদেবীর ঘুম ভাঙিয়া গেছিলো তিনি আসিয়া কহেন আমি চায়ের পাতার বদলে সরিষা দানা দিসি।
২) আরেক দিন চা বানাতে গিয়া চিনির বদলে লবণ দিসিলাম সেইটা পড়ে অক্ষর বলছিলো চা পাতার বদলে সরিষা; চিনির বদলে লবণ দুধ এর বদলে ইলিশ মাছ দিলেই সুন্দর সরিষা ইলিশ হইয়া যাইতো।
৩) তখন হলে থাকি; এক দিন মনে হইলো খিচুরি খাওয়া দরকার এর আগে চা বানানো ছাড়া আর কিছু করি নাই। চাল-ডাল-তেলনুন সব মশলা একসাথে বসাইয়া চুলায় উঠায় দিলাম কিন্তু জল একটু বেশি দিয়া ফেলছিলাম আর কি পরে খিচুরীর মার গালা লাগছিলো সেই মারগালা খিচুরী অবশ্য খাইতে
অত খারাপ হইছিলো না।
রান্না ঘরের আকাম আরো আছে সেগুলা পরে আরেকদিন
পাকনামি:
আমি তখন আন্ডাবাচ্চা এবং আসলেই নাদান বাচ্চা; আমার এক দিদি তার বরের সাথে ঝগরা করে তার
বাপের বাড়ি আসছে আমরাও কোন কারনে তাদের বাড়ি গেছি তাদের বাড়ি যাইয়া আমি তারে উপদেশ দিছিলাম এভোস্ট্যাট খাইতে তখন এভোস্ট্যাটের এড দিত সংসারে সুখ আনে এভোস্ট্যাট বা এই টাইপ কিছু।
প্রথম পক্ষ: এস এস সি পরীক্ষার পর ৩ মাস বসায় শুয়ে বসে খেয়ে কাটিয়ে আমি মোটামোটি গরু মোটাতাজা করন প্রক্রিয়ায় হাতি হয়ে হয়ে গেছিলাম; যখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে তখনো ঐরকম বাচ্চা হাতি; আমার ছোটভাইরা আমার চেয়ে বেশ ছোট। আমার ছোট ভাইদের মা স্কুলে আনতে যাইতো। আমার একদিন ব্যাচের পড়া আগেই শেষ হয়ে গেছে আমি ওদের স্কুলেগেছি চাবি আনার জন্য আমার ভাইএর বন্ধুর মা মারে প্রথমেই বললো আপনার বোন আপনার মতন সুন্দর না; আমার মা বললো আমার বোন না সে কথা শোনার আগেই কয় আগেই বুঝছিলাম আপনার বোন হইলে চেহারা আরো ভালো হইতো আপনার ননদ আপনার সাথই থাকে না বেরাতে আসছে, আমার মা বললো আমার ননদ না আমার মেয়ে; উনি কয় প্রথম পক্ষ?
বিদ্র: সরিষার অংশটুকু পূর্বে সামুতে প্রকাশিত।





"আমি তারে উপদেশ দিছিলাম এভোস্ট্যাট খাইতে তখন এভোস্ট্যাটের এড দিত সংসারে সুখ আনে এভোস্ট্যাট বা এই টাইপ কিছু..."
আমার এক কাজিন মায়ের আনপ্ল্যানড প্রেগনেন্সির খবর পায়া কইসিলো, "আম্মু এতো রাজা খাইলা তাও তো বাবু চলে আসলো"
রাজা খাওয়ার ব্যাপারটা ভালো হইছে; ইউনিক
বোনাস পাওয়া গেল
আমি তারে উপদেশ দিছিলাম এভোস্ট্যাট খাইতে তখন এভোস্ট্যাটের এড দিত সংসারে সুখ আনে এভোস্ট্যাট বা এই টাইপ কিছু...

অক্ষর এর হিউমারে+রেসিপি জ্ঞানে আমি মুগ্ধ
আমিও মুগ্ধ; লোকজন এইরকম উচ্চমার্গিয় এড বানাইলে আমার কি দোষ
ভাঙ্গা অক্ষরের কথা কেন বলছে বুঝছো? তুমি ওভস্ট্যাটরে কী বানানে লিখছো সেইজন্য। কিন্তু কুশ্চেন হইলো ভাঙ্গা ক্যাম্নে বুঝলো যে বানাম্ভুল হইছে?
আমি তো ভাবছিলাম সে সরিষা ইলিশের মন্তব্য দেইখা অক্ষরের কথা বলসে
এইরকম ভুল কেমনে করলাম 
আমি সেই ১৯৯২ সাল থেকে প্রতি মাসে অন্তত একবার দুঃস্বপ্নে কেমিস্ট্রি সেকেন্ড পেপার (অর্গ্যানিক কেমিস্ট্রি) পরীক্ষা দিই... চরম শীতের রাতেও ঘাম দিয়ে উঠি
কেমিস্ট্রিসেকেন্ড পেপারে আমার কান ঘেষে গুলি চলে গেছে; এইরকম নিরস সাবজেক্টের নাম কে যে রসায়ন রাখসে আজিব
হ কেমিস্ট্রির পুরাটাই মিস্ট্রি
হ এর নাম বদলাইয়া রহস্যায়ন রাখার প্রস্তাব করা যায়; কারকাছে করা লাগবো এই প্রস্তাব বাংলা একাডেমি?
আমার বড়বোন কইতো রস যুক্ত আয়ন অর্থাৎ যে বিষয় পঠনে চোখে জল আসে...
ঠিকই কইতো
হা হা। পোস্ট পড়ে যে মজা পাই নাই তা মন্তব্য পড়ে ফেলাম!
আমাদের এক শিক্ষক ছিলো 'কামাল হোসেন।' যদি-ও পদার্থ আর উচ্চতর গণিতের শিক্ষক তবু-ও একদিন শিক্ষক-সংকটের সময় তিনি রসায়ন ক্লাস নিলেন। সেদিন বুঝলাম রসায়ন আসলেই রস + আয়ন! তার কাছে পরে প্রাইভেট রসায়ন পড়েছিলাম।
কোথায় মজা পেতে হবে তাও তো দেখি বোঝনা
আমার মনে হয় মাঝে মাঝে ব্রাকেটে হাসি/কান্না/দু:খ ... এইসব বৈলা দেয়া উচিত
হ দুই একটা ফিউজ টিউবলাইটের জন্য এই ব্যাবস্থাই নেয়ে লাগবে
অথবা উপযুক্ত ইমো বসায় দিতে হবে
দীর্ঘশ্বাসের ইমো নাই;চোখ দিয়া পানি পরার ইমো নাই; তব্দা খাওয়ার ইমো নাই...........
ব্যাপক মজা পাইলাম আর আমার পরের পোস্টের বিষয়ও পাইয়া গেছি। এর বাবদ আপ্নারে টেকা দিতে পারুম না।
টেকা নাদেন ইট্টু কেতজ্ঞতা স্বীকার দিয়েন
হ, নাইলে কেছ খাইতে পারি।
লেখা সুস্বাদু হৈছে
ধইন্যা
মাড়গালা খিচুড়ি পোস্ট মজা লাগলো
বাইরে আসার পর রান্না নিয়া নানানরকম আকাম করতেছি। কয়দিন আগে মাইক্রোওয়েভে আলুসিদ্ধ করতে গিয়া আলু কয়লা বানাইছি, এরপরে ফায়ার এলার্ম বাইজা বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। আরেকদিন তেহারি বানানোর একটা অপচেষ্টা করছিলাম, ফলাফল পাতিলের তলায় ১ ইঞ্চি পোড়া স্তর।
তেহারি কেমনে বানায় আমি জানিনা আর আলু সিদ্ধকরার জন্য চুলাই ভালো যদি রাইসকুকার ব্যাবহার করেথাকেন তাহলে চাকচাক করে কেটে রাইস কুকারের সাথে যে চালনি থাকে ওটার ওপর দিয়ে ভাতের সাথে একবারে করে ফেলতে পারেন
হু, ঠেইকা শিখার পরে আবার চুলায় ব্যাক করছি। আমার রাইস কুকারে চালনি নাই, তবে চাকচাক করে কাইটা চালের সাথে দিয়ে দিলেও সুন্দর হয়ে যায়। ওভেনে একটু শর্টকাট মারার চেষ্টা করছিলাম আরকি, কানে ধরায়া ছাড়ছে।
@নড়বড়ে ভাইঃ হেহে...বৈদ্যাশ গিয়া এইসব কুখাদ্য খাওনের অর্ভাস আমারো হইছিল। ১১ মাস বাদে যখন দ্যাশে আসলাম, সবাই কয় আমি নাকি সুন্দর সিলিম...
আর বইলেন না রে ভাই, কি যে পেইন! রাস্তার মোড়ে যদি একটা ভাতের হোটেল থাকত
আপ্নেই একটা ভাতের হোটেল খুলে ফেলেন: ভাত -ডাল - ডিমভাজি
লেখা পড়ে হাসতে হাসতে শেষ। দারুণ মজার লেখা।
আমি মূর্খ লোক, লেখাপড়া করি নাই জীবনে। যে কয়টা পরীক্ষা দিতে হইছে, তার সবগুলাতেই আছে দারুণ সব কাহিনী। পরীক্ষাগুলা নিয়া একটা পোস্ট দিমু ভাবতেছি।
স্কুলে থাকতে এক বন্ধুর বাপ মা গ্রামে গেলে সেই খালি বাড়িতে আমরা তিন বন্ধু রাইতমাস্তিতে নামলাম। এক রাতেই বড় হয়া গেলাম। তো সেই রাইতে তিনজনে মিইলা জীবনে পয়লাবার চা বানাইছিলাম। সেইটা একটা বান্ধায়া রাখনের মতো চা হইছিলো।
আপনার এরকম খিচুড়ি পোস্ট রেগুলার পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম
পরীক্ষার কথা আর কইয়েন না রিটেন তো যেমন তেমন যা খুশি তাই লিখা যায় খাতা দেখার সময় তো আর আমারে পাইবোনা কিন্তু ভাইবার সময় হাবিজাবি কইতে সরম লাগতো ; আপনার উমদা কাহিনীগুলাও লিখে ফেলেন।
ভাইবা নিয়াও কাহিনী আছে, কমুনে বিস্তারে
হ পোস্ট দিয়া ফালান
পোস্টা ব্যপাক উমদা হইছে। আমার এই টাইপ মানে মারগালা খিচুরী টাইপের পোস্ট বিস্তর ভালো লাগে। আমি তো কাক্নার লেখার পাঙখা হইয়া যাইতেছি। ফেন কেলাব আবারো খুলতে হইবে মনে হইতেছে।
হ ... এই ফেন কেলাবের মেম্বার হইতাম্ছাই । মারগালা খিচুরী টাইপ লিকহা পড়তে ভালু পাই
আমি কি ফ্যান কেলাব খোলা উপলক্ষে চশমা লাগাকে একটা ফটু খিচবো
অচিন্দা আম্রা তো মচুয়া বাঙালীর ফেনকেলাব খুইলা বইসা আছি এট্টু অনুদানটান দিয়া হেল্পাইবেন তা না...
হি হি হা হা...
হাসো কেন? তুমি নাকি কোরিয়ান মাইয়া গো মন দিল ভাইঙ্গা বিবাহ করতেসো?
পোষ্ট মজার হইছে। পরে আরো বড় কমেন্ট দিমুনে। এখন অফিস থেইকা ফুট দিই।
আরেআমাদের আরা নাকি
নতুন ব্লগে তারাতারি নতুন লিখা ছাড়েন
বাহ্, দারুণ মজা করে লিখলেন। খুব ভালো লাগলো পড়তে
ধন্যবাদ বস
খিচুড়ি নিয়ে আমার হইছিল উলটা। এইটা দেখি হাড়িতে বাড়তেই থাকে বাড়তেই থাকে, বার বার হাড়ি বদলানো মানে বিশাল যন্ত্রনা।
প্রথম পক্ষ একবার আমারেও বলছিলো আমাদের একজন ঠিক লোক। আমি সপ্তায় ছয়দিন ইউনিতে। উনি সকালে আসে সিড়ি মুছতে। শুক্রবারে সকালে আবার টি।এস।সি যাই আবৃত্তি শিখতে। কোনদিনই দেখে না। আবার আব্বুর অল্প বয়সে সব চুল পাকা, আম্মির একটাও পাঁকে নাই। আমাকে দেখে আম্মিকে বলে আপনের ননদ কি বেড়াইতে আসছে? ঃ)
লি আপনার খিচুরী কাহিনি তো মনে হয় আরো সিস্বাদু , লিখে ফেলেন আপু
আমারে পক্ষটক্ষ দূরে থাক রীতিমতো সন্দোই করছিলো। একবার ঢাকায় গেছিলাম কী কামে, বাপের কাছে উঠছি। বাপ একটু উচাপদের চাকর আছিলো, তার ডাইবর সাবেরও ভাবসাব আলাদা। সেই ব্যাটা ডাইবর আমার ক্ষ্যাতাবস্থা দেইখা জিগায়, "আপা কিছু মনে নিয়েন না, আপনি কি স্যারের আপন মেয়ে?"
তারও আগে, কলেজে পড়ি, ঐসময় একজন আমারে ছেলে মনে করছিলো আমারে দেইখা না, আমার ঘর দেইখা (ঘরে ঘুরতে ঘুরতে মেহমান আম্মারে কইছিলো, এইটা আপনার ছেলের ঘর, হ্যাঁ ছেলেরা একটু অগোছালোই থাকে আপা... )
আমার ভাইরা আমার চেয়ে অনেক গুছানো; আমিই বেশি আুলা ঝাউলা ছিলাম; আমার মা তো আমার ছোট ভাইরে একদিন কইসে তোগো সাজগোজের যত জিনিষ কিনা দেয়া লাগে আমার মেয়েরে তার অর্ধেক ও কিনা দেয়া লাগে নাই ।
পোষ্ট পড়ে খিচুড়ি খাইতে মন চাইলো।
রাইন্ধা ফেলেন
ব্যাপক মজা পাইলাম, পোস্ট আর কমেন্টস দুইটা থেকেই। চালায় যান।
ধইন্যা
আমি তারে উপদেশ দিছিলাম এভোস্ট্যাট খাইতে তখন এভোস্ট্যাটের এড দিত সংসারে সুখ আনে এভোস্ট্যাট বা এই টাইপ কিছু...
অক্ষর এর হিউমারে+রেসিপি জ্ঞানে আমি মুগ্ধ
একমত
নাহয় ওভাস্ট্যাট বানাম ভুল কর্সি তাই বইলা এমুন করবেন; বুঝতে হবে তখন আমি ছোট ছিলাম; তাও তো রাজা খাইতে বলি নাই
আমার ভাইরা আমার চেয়ে অনেক গুছানো; আমিই বেশি আুলা ঝাউলা ছিলাম; আমার মা তো আমার ছোট ভাইরে একদিন কইসে তোগো সাজগোজের যত জিনিষ কিনা দেয়া লাগে আমার মেয়েরে তার অর্ধেক ও কিনা দেয়া লাগে নাই ।
কাকনা কি কইতে চায় কাকনা সুন্দরী ...?
জ্বী না সেইটা কইতে চায় না কইতে চায় সে অতটা সৌন্দর্য্য সচেতন আছিলো না
মন্তব্য করুন