ভুতরাজ্যে টুকিটাকি
এখন যারা বড় তারা ছোটবেলায় কমবেশি সবাই ভুতের গল্প শুনেছেন নানী-দাদীর কাছে, তবে এখন যারা ছোট তাদের একটা বড় অংশের সাধারনত এভাগ্য হয় না। তারা বড় হয় শ্রেক-নিমো দেখে আর বড় হয়ে ড্রাকুলা-ভ্যাম্পায়ারের হরহ ফিল্ম দেখে; হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুমার ঝুলির ভুতেরা। আজকের এই পোস্ট গ্রাম-বাংলার ভুতেদের নিয়েই। আসুন আমরা আমাদের ছোট্ট বেলার ভুতেদের কথা মনে করি।
সাধারনত অপঘাতে যারা মারা যায় মানে অপমৃত্যু হয় তারা ইহকালেও স্থান পায় না এবং পরকালেও না ; তারাই ভুত হয়ে ভুত লোকে অবস্থান করে।পুরুষরা যেমন শুধুই মিস্টার এবং মেয়েরা মিস ও মিসেস এই রীতি ভুতদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, ছেলে ভুত রা বিবাহিত-অবিবাহিত নির্বিশেষে ভুত বটে তবে কুমারি মেয়ে ভুতেরা বিয়ের পর পেত্নি থেকে ভুত্নি হয়ে যায় বলে মালুম হয়। গ্রাম বাংলায় পেত্নির প্রকোপ প্রবল এবং এর রকমফের ও আছে যেমন শাকচুন্নি,শ্যাওরাগাছের পেত্নি, ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা সাধারনত মানুষের ওপর ভর করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সাধারণত ওঝারা এসে মরিচ পোড়া,জুতা পোড়া, জুতার বাড়ি ঝাড়ুর বাড়ি তাবিজ কবজ এবং আরো ধুন-ফুন দ্বারা ভুতাশ্রয়ীর দেহ থেকে ভুত ছাড়া করে থাকে।
এছাড়া গ্রাম বাংলার আরেকটি জনপ্রিয় ভুত হচ্ছে মেছো ভুত, রাত্রের দিকে কেউ মাচ নিয়ে জংলা পথে বাড়ি ফিরতে থাকলে ভুতেরা নাকি সুরে মাছ দাবি করিয়া থাকে এবং মুখের কথায় কাজ না হইলে মানে ভয় পাইয়া মাছ ফালায়া দৌড় না দিলে এরা বল প্রয়োগ করে থাকে বলে শোনা যায়। বিভিন্ন ভৌতিক গল্প থেকে প্রতিয়মান মেছোভুতরা গজার মাছ বিশেষ পছন্দ করে। তাদের উপস্থিতি বোঝা যায় বিকট আঁশটে গন্ধে।
এছাড়া আছে স্কন্ধকাটা ভুত, এই ভুত সাধারনত পুরাতন পরিত্যাক্ত জমিদার বাড়ির আসেপাশে থাকে, জমিদার রুষ্ট হয়ে তার সেনাপতির কল্লা নামায় দিলে (সাধারনত জমিদার কন্যাকে ভালোবাসার অপরাধে এই কল্লাকাটাকাটি হয়ে থাকে) সে আমাবস্যা-পূর্নিমার রাতে কল্লাবিহীন হাতে খোলা তরবাড়ি নিয়ে কালো ঘোরার পিঠ চরে লোকজন কে আতঙ্কিত করে।
কিছু আছে জলজ ভুত, তারা পুকুর - ডোবা- নালায় থাকে এবং কেউ স্নান করতে নামলে পা জরায়া ধরে।
এছাড়া আছে মামদো ভুত, মামদো ভুত আমাদের সময়ে ব্যাপক প্রতপত্তি নিয়ে ভয়ংকর ভুত হিসেবে বিবেচিত হলেও আধুনা ফিচকে পোলাপান হুমায়ূন আহমেদের কল্যানে মামদো ভুত কে বন্ধু ভুত বলিয়াই মনে করে থাকে।
লেডিস হোস্টেলে কিছু ভুত থাকে। বেশিরভাগ লেডিস হোস্টেলেই সিলিং ফ্যান টানানোর কোন ব্যাবস্থা থাকেনা কিন্তু কোন এক কালে এইসব হোস্টেলে সিলিং ফ্যান ছিলো এবং সেই সিলিং ফ্যানে ওড়না প্যাচাইয়া জনৈক সুদর্শনা জীবনাবসান ঘটাইয়াছিলো এবং সে আজো এই হোস্টেলের মায়া কাটাইতে পারেনাই এমন শোনাযায়। কোন কোন ক্ষেত্রে সে ভালো নর্তকী থাকে এবং নুপূর পায়ে ঘুরেবেরায়। তাকে দেখুক বা না দেখুক হোস্টেলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ডন্ডায়মান দারোয়ান এরকম কোন ঘটনার কথা উড়ায় দেক বা না দেক হোস্টেলের প্রায় সকলেই ঐ রূপসীর নুপূরের আওয়াজ শুনিয়া থাকে।
পুরুষ হোস্টেলের ভুতেরা সাধারনত খাটে শুয়ে শুয়ে মশারির নিচ থেকে দশহাত দূরের সুইচ টিপিয়া বাত্তি নেভানো ছাড়া আর কিছু করে না।
আরেক শ্রেণীর মায়াময়-মায়াবতী ভুত আছে যারা রাত্রে বিশেষ ব্যাক্তিকে ডাকে এবং সেইব্যাক্তি সেই ডাকে সাড়া দিয়া ঘরের বাইরে চলে যায় আচ্ছন্নের মতন; এজাতিয় ডাক কে নিশির ডাক এবং নিশির ডাক শোনা মানুষ কে নিশিতে পাওয়া মানুষ বলে।
ভুতেদের মেইন কাজ হইতেছে মানুষকে ভয় দেখানো; এছাড়া আর কোন কাজকর্ম তারা করে বলে মনে হয় না;যদিও কিছু ব্যাতিক্রমী ভুত বন্ধুভাবাপন্ন হয়ে থাকে।হুমায়ূন আহমেদের মতে ভুতদেরও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আছে; সেখানে কি করিয়া মানুষকে ভয় দেখাইতে হয় তা শেখানো হয়;তার মতে ভুতেরা আলো খায়, জোছনার আলো তাদের বিশেষ পছন্দ তারা শহরের জন্ডিসবাত্তির হলুদ আলো হজম করতে পারে না তবে টিউব লাইটের আলো খুব একটা পছন্দ না হইলেও খাইয়া থাকে। কেউ কেউ বলে ভুত মরে মার্বেল হয় তবে হুমায়ূন আহমেদের মতে ভুত মরে টুত হয়। টুতদের সম্বন্ধে আমি বিশেষ ভাবে অজ্ঞ তাই আর কিছু লিখলাম না।
গ্রাম বাংলার ভুতেরা সাধারনত বটগাছ, গাবগাছ, তেতুলগাছ, শ্যাওরাগাছ, বাশঝারে থাকে। শহরে এগুলা না পাইয়া এরা মনেহয় খাটের নিচে থাকে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস পিচ্চিকালে আমার কহাটের নিচে এক্টা ভুত ছিলো যেটার খুটখাট শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেলে আমি মামনির খাটে চলে যেতাম ঘুমানোর জন্য।তবে ভয়ংকর ভুতেরা শ্বশান এবং গোড়স্থানে থাকে।
এছাড়া আছে সাধারনভাবে ভুতদের সমগোত্রিয় জ্বীন-পরী,কিন্তু আসলে এরা ভুতদের থেকে আলাদা, এরা অন্যজগতের ঠিকই কিন্তু মৃতদের জগতের না। এরা পরীস্থানে থাকে, এদের রাজধানী কোহেকাফ নগর, এরা আগুনের তৈরী, এরা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অসম্ভব রূপবতি-রূপবান আবং অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারি।মাঝে মাঝে পত্র-পত্রিকায় জ্বীন ডাক্তারের জটিল অপারেশন করে রুগীকে বাচানোর পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়ে থাকে।
রাক্ষস -- খোক্ষস, ডাইনি, দৈত্য-দানো ও ভুতদের থেকে আলাদ, তারা ধরে ধরে মানুষ খায়, বিভিন্ন তন্ত্রমন্ত্র করলেও এরা যে মৃতদের জগৎ থেকে আগত এমন কোন তথ্য পাওয়া যায় নাই।
বিভিন্ন রাক্ষসী বিভিন্ন সময় মানুষের রূপ ধারনকরে মানব সম্প্রদায় কে বিবাহ করিয়া থাকে বিভিন্ন
দৈত্যও মানুষরাজকন্যার প্রেমে পপরিয়া তাকে ছিনতাই করিয়া বিবাহ করতে উদ্যত হয়
তবে সাধারনত ব্যার্থ হয় ডালিম কুমার রা রাজকন্যা ছিনায়া নিয়া আসে।





থিসিস পছন্দ হইছে। একদম ভয় পাই নাই
হোস্টেলের ভূতের মধ্যে আরেকটা থাকে, কেউ কিছু একটা দেখে আতংকে দৌড়াতে দৌড়াতে এসে রুমমেটকে বলে, জানো এইরকম ওইরকম একটা কী যেন দেখে আসছি... তখন রুমমেট সেই রূপ ধরে বলে, "কেমন ছিলো দেখতে, এইরকম?"
তালগাছ বাদ গেছে... ঐটাতে বিশাল লম্বা পেত্নী থাকে
রাক্ষসী রাণীর রূপ ধরে রাজার ঘর করে কিন্তু কোন রাক্ষস রাজার রূপ ধরে আছে এমন গল্প পাই নাই
হ; এইজন্য আমরা ভৌতিককাহিনিকারদের কৃতজ্ঞতা জানাই
আমার দাদার বাপের নাকি একটা পোষা ভুত আছিলো। তিনি সন্ধ্যার পর সেইটার লগে আড্ডা দিতেন। আর সে নাকি তারে বিভিন্ন গাছের ফল পাইড়া খাওয়াইতো...
গবেষণাকর্ম আরো বিস্তারিত হওয়া উচিত।
ভুত নিয়া গবেষনা করতো তাইলে আপনার দায়িত্ব; পূর্বপুরুসের ঋণ বইলা একটা কথা আছে না
একটা কমন গল্প ছোট কালে শুনতাম ...
বর্ষাকাল... কোন রাতের মধ্যভাগ... এক লোক তার স্ত্রী অথবা বাড়ির অন্য কেউ... মারা গেছে... তাকে নিয়ে নৌকায় করে থানা হাসপাতাল থেকে ফিরছে। যাওয়ার সময় একটা গোড়স্থান (কবরস্থান) পরলো... সেখান থেকে এক লোক... সাদা পায়জামা, পাঞ্জাবী, শেত শুভ্র দাড়ি এমন একজন... জিজ্ঞেস করে কোথায় যায় ... সর্বশেষে তাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে বলে। নিতে না চাইলেও দেখা যায় হাফ কিলো দুরত্ব এক পা বাড়িয়ে চলে আসে
এই দিকে যিনি নৌকা চালাচ্ছে .. তিনি টের পান নৌকা অসম্ভব ভারি হয়ে গেছে .. আবার মাঝে মাঝে পানির উপর দিয়ে চলতেছে। চলতে চলতে পথে একটা বাড়ি পরে... বাথরুম পেয়েছে বলে বাড়িতে নেমে গৃহস্তের হেল্প চায় ... গৃহস্ত গরুর গোয়ালে যেতে বলে ... কারণ ভুতে গরু ভয় পায়... গোড়স্থানের ভুতটা লোকটার দেরি দেখে নেমে খুজতে বের হয় ... সাথে সাথে গরু গোয়ালের দড়ি ছিড়ে ভুতকে দৌড়ানি দিয়ে আবার সেই গোড়স্থানে ফেরত পাঠায় (এই সময় অবশ্য বর্ষাকাল বিষয়টা এড়িয়ে যায়
)... দিনে আলো ফুটলে দেখাযায় নৌকা বয়ে আনা লাশের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই... সব খেয়ে ফেলেছে 
এই গল্প আমি শুনি নাই ;এক্ষন শুইনা ভয় পাইলাম; ভয়ে আতঙ্খে
ইউনিভার্সিটির ছেলেদের হলে কিছু শিক্ষার্থী ভুতের আনাগোনা বিষয়েও শুনছিলাম। তারা প্রায়শঃ রুমমেটগো সহযোগিতা করতে গিয়া ভয় পাওয়াইয়া দেয়।
ঐটা লিখসি তো মশারীর নীচ থিকা দশ হাত দূরের সুইচ হাত দিয়া অফ করে দেয়
ভূত ??!!?? ইহা আবার কি জিনিস?? ব্লগে আইসা কাঁকনাদির নাম শুনছি তয় ভূত পেত্নি বইলা কিছু তো শুনি নাই
অদ্য প্রভাতে পরথম শুনলাম 
গবেষণাকর্ম পছন্দ হইছে। এইটা কি প্রকাশিত হইবে?? IEEE হইতে?
ট্রিপল ই এর সাথে ভুতের কি সম্পর্ক ট্রিপল এক্স হইলেও নাহয় ভুত দিয়া সায়েস্তা করা যাইতো
ভূত রচনা ভালো হৈছে। ১০ এ ৭ দেয়া গেলো। রচনায় সূচনা, প্রকারভেদ, উপসংহার ইত্যাদি না থাকায় ৩ নাম্বার কাটা গেলো। আশা করি এরপরের বার এই ত্রুটি আর করিবেন না।
এত ট্যানা না প্যাচাইয়া স্ক্রু-ঢিলা ভুত নিয়া আলোচনা করিনাই দেইখা নাম্বার কাটসেন বললেই হয়
.....ঠিক ভুত না হৈলেও, ভুয় রিলেটেড আরো কিছু জিনিষের কথাও আছে কিন্তু....
জলদানবের মত আছে, পানির তলের শিকল, বেশি গভীর পুকুরে, পুকুরের মাঝে গেলে, কাউরে নীচ থেইকা টাইনা নিয়া যায়...
নিশির ডাকের মত আছে, কানাওয়ালা...নরমালী গোরস্থানের কাছাকাছি গেলে মানুষরে ধরে এইডা, তখন মানুষ দিকভ্রান্ত হৈয়া যায়....বিপদ্জনক যায়গায় একই স্হানে বার বার ঘুরতে থাকে...ঘুইরা ঘুিরা একই যায়গার ফেরৎ আসে, অন্য কেউ আইসা উদ্দার বা ঘুরতে ঘুরতে ঘুমাইয়া/গিয়ান না হারাইলে আর থামাথামি নাই..এইসব ক্ষেত্রে লুঙ্গী উল্টা কৈরা পড়লে ঘোর কাইটা যায় (মহিলাদের কথা জিগাবানা, সেইডা আমি জানিনা)
...আরেকটা আছে বোবায় ধরা....এইডা মনে হয় অনেকেই টের পাইছে....ঘুমের ঘৈরে উমম উমম আওয়াজ করতে থাকে, লড়তে পারেনা...এমন কি শ্বাস ও বন্ধ হৈয়া আসতে পারে...
ইদানীং এইটার সায়েন্টিফিক কারন সবাই জানে, কিন্তু এইটার সম্পর্কে সবচেয়ে ভয়াবহ কথা হৈলো, কেউ কেউ নাকি বোবা রে মারার জন্য রাইতে বালিশের তলে ছুরি নিয়া ঘুমায়, আর বোবায় ধরলে, নিজের বুকে ছুরি বসাইয়া দেয়...
আছে আগুইন্যা হাওয়া, কোনো যায়গা খারাপ হৈলে তো বৌ ঝিয়ের উপর আছর পড়েই, আবার একধরনের হাওয়া আছে নাকি মুভিং, ঐ হাওয়ার চলাচলের রাস্তায় পড়লে, হঠাৎ কৈরা কাঁপুনি দিয়া জ্বর, মুখে ফেনা ইত্যাদি হৈতে পারে...
(একবার আমার মামায় বাঁশের দোকান থেইকা লাফাইতে লাফাইতে আইসা(খুশিতে না জ্বলুনিতে) শার্ট খুইল্লে দেখলাম, ৬ফিট .মামার পিঠের পুরা অর্ধেকটা লাল হৈয়া গেছে, এইবার নানী কৈলো সেই আগুইন্যা হাওয়ার কথা, আমি তখন মোটে সেবা প্রকাশনীর বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে ইন্টার ডাইমেনশনাল ডোর টোর পৈড়া অস্থির, কিছু কৈতে গিয়া, টাইমই পাইনাই... )
আর মাঝে মাঝে তো কেউ বা কাহারা আইসা, কাউরে প্যাকে বা কাদায় গাইথা থুইয়া যায় উপুড় কৈরা...
আমারে একবার ছোটোবেলায় ঢুকাইছিলো(এইটা বড়দের আলাপ), কিন্তু উপুড় কৈরা না, সোজা কৈরাই...।
তা আমি জিগাইলাম, খারাপ কিছু হৈলে আমারে সোজা কৈরা ঢুকাইলো কেন, তা উত্তর পাইলাম, সেই সময় মনে হয় কাছাকাছি কেউ আইসা পড়ছিলো, নাইলে তাড়াহুড়ার মাঝে ছিলো...
যাই হোক, ভাগ্যিস তাড়ার মাঝে ছিলো, নাইলে তোমরা এই বিলাইরে ক্যাম্নে পাইতা...
স্কন্দ কাটা ভূতটা বিদেশি আম্দানী মনে হয়....স্লীপি হলো...অনেক পুরানো ফ্রেইরী টেইল...
জলজ ভুতের কথা লিখছি তো; আর বোবায় আমারেও ধরে মাঝে মাঝে ঐটা ভুতের মইধ্যে পরে না তো; আর আমগো এলাকায় বাতাসরে কয় সাপাবাতাস, ফকির দিয়া ঝাড়ফুক করায়,
স্কন্ধ কাটা ভুত দেশি ভুতই যতদূর জানি; তোমার বালিসের নীচে চাকু রাখার ঘটনায় ভয় গল্পটার কথা মনে পরলো হুমায়ূন আহমেদের ভয় পড়ছো?
ভূত টূতের গল্প না কইরা পরীদের নিয়া ডিটেইলসে কিছু বলেন। ডানাওয়ালা পরী, ডানাকাটা পরী...
পোলাপাইন আর পোলাপাইন নাই
বেদ্দপ হয়া গেছে
সান্টিং দেয়া দরকার
বাব্বাহ! নিজেরা ছিনিয়র হইছেন দেইখা ভূত নিয়া আলুচানা করেন, আর য়াম্রা পরী নিয়া কইতে বললেই দুষ!
এলিয়েন নিয়াও আলোচনা করা যাইতে পারে (সাই ফাই কমেন্ট)
শুরু কইরা দেন তয় এলিয়েন আর ভুতের তেমন কুন পার্থক্য নাই শিক্ষিত মানুষের ভুতই এলিয়েন
এলিয়েঙ্গুলা দেখতে ভালু না। কেমন নীল নীল গায়ের রং
কিছু কিছু এলিয়েন ইচ্ছামতন রূপ ধারন করতে পারে ওগুলারে কয় ডিকয়; ওগুলা পরীর রুপ ধরে আসলে ভালো হয় কি কও?
ডরাইছি বইন....



ভাই ডরের কি দেখসেন যত ঘাটে ঘুরছেন এক ঘাটের সওয়ারীও যদি পেত্নি হইয়া পর্তিশোধ লওয়ার কথা ভাবে আপ্নে শ্যাষ
ভূত দেখি নাই। তয় পেত্নী দেখছি।
ছোটবেলায় কত কাহিনী যে দেখছি, কত গল্প শুনছি!!ভূত ভয় পাই।
কাহিনী শুন্তে মন্চায়
ভূত নিয়া আরো দুইটা গবেষণা প্রবন্ধ!
ভূত বিষয়ক গবেষণাবাংলার ভূত-পেত্নী
এইটা বেশি ভালো
দেশে এখন মানুষই বড় ভূত... ডরানের জন্য আলাদা কইরা আর ভূত কল্পনা করতে হয় না
কঠিন সত্য
ধানমন্ডি গার্লস স্কুলের অডিটরিয়াম নাকি হোষ্টেলের এককর্নারের একটা টয়লেটে নাকি "হাতা ভূত"(নাম দিলাম আমি) দেখা যাইতো, যেটা নাকি কমোড থেকে কনুই পর্যন্ত দেখা দিয়া গায়েবি ডায়লগ দিতো "এসো শূচূ করে দিবো" !!!
জেবীন, তোমার এই কিসিমের গপের স্টক দেখি বিশাল! শেষে না আবার গান্ধা জেবীন নাম পেয়ে যাও
এই গপটা আমিও শুনছি তয় আমারভার্সনে ছিলো ইডেনের বাথরুম;
এক্সফাইলসের একপর্বে দেখাইছিলো কমোডের ভিত্রে থেইকা হাত উইঠা আসে ঐখান থিকাই খুব সম্ভব ঐগল্প ডালপালা মেলসে
নাহ, আমি যেটা শুনেছিলাম, ওইটা ৮৮/৮৯ এর দিকে... এক্সফাইলসের নামনিশানাও ছিলোনা তখন, তাইলে সেই ভুতটাই কি ধানমন্ডি থেকে ইডেনের দিকে রওনা দিছিল মনে হয়!!
আর এক্সফাইলস-ওলারা আমাদের "হাতাভূত" এর আইডিয়া কপি করছিল নাকি!!!
@জেবীন আপাঃ আমি হাসির চোটে কিছু লিখতে পারতেছিনা...হাহাহাহা
নতুন লেখা কই? তোমার শেষ পোস্টের পরে আমি আরো দুইটা দিয়ে ফেলছি।
প্রথম পাতার ডানদিকে তাকালে ব্যাপক লজ্জা লাগে কাক্না। হেডিংটা এ সপ্তাহে আজাইরার শীর্ষে রাখা দরকার..
ব্যাপারটা কিন্চিৎ বিব্রতকরই বটে; প্রতু দা তো পথিকের পোস্টে বলছিলো এই জিনিষ সাময়িক উঠায় দিবে তারাতারি উঠায় না দিলে আম্রা কানু গ্রুপ থিকা আমরা বন্ধুর আলী-ঢালী হয়াযাব মনে হয়;
আপু শেষ পোস্টের পর দুটা নতুন পোস্ট দিসেন কিন্তু ওগুলা নতুন লিখা না কিন্তু ; নতুন লিখার অপেক্ষায়;
ছুডু বেলায় ভুতের গল্প কেন জানি খুব একটা শোনা হয় নাই। হু আ র ভুতের গল্প গুলা খুব মজা লাগতো। একটা ছিল রবীন্দ্রনাথের ভুত। ব্যাপক মজা পাইছিলাম। বোলত ভুতটাও অনেক মজার ছিল। একটা ভুতের নাম ছিল ৎৎঘুঁৎ। নিউটন না আইনেস্টাইনেরও একটা ভুত ছিল যেইটা ফিজিক্সের ল গুলা মানত না। ইদানিং একটা হাস্যকর ভুতের গল্প শুনতেছি। আমার বাসাটা হইল ঠিক গুলশান লেকের ঐ পাড়ে, একটু ভিতরে। লেকের এই পাড়ে, লেক ঘেষে একটু দুরত্বে দুইটা বিশাল উচু বিল্ডিং আছে। একটার নাম মরিয়ম টাওয়ার ১ আরেকটা মরিয়ম টাওয়ার ২। ২ নম্বর টাওয়ারে কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু ১ নম্বর টাওয়ারটা অনেক দিন থেকে দেখি ৬ তলা পর্যন্ত লোকজন থাকে। এর উপরটা পুরাই খালি। এমনকি বাড়ির মালিকও ঐখানে কিছু করে নাই। শুধু ফাউন্ডেশন দেয়া আছে। কোনো ফ্ল্যাটে দরজা জানালা কিছু নাই। একটু অবাক লাগছিল। ভাবছিলাম পরে হয়তও বানাবে। কিন্তু তিন বছর ধরেই এই অবস্থা। একদিন এক দোকানদার বললো, ঐ বাড়িতে নাকি একটা ভুত আছে। কেউ নাকি ঐ বাড়ির ৭ তলার উপরে যায় না কখনো। ঐ ভুত নাকি মহিলা ভুত। বাড়ির মালিকের ছেলের পিছু নিছে। সবার ধারনা ছেলেটার জন্যই নাকি মেয়েটার মারা গেয়ে ভুত হয়ে আছে। দোকানদারের কথা শুনে চলে এসেছি পাত্তা না দিয়ে। পরে একি গল্প আরো অনেকের কাছে শুনলাম। রিকশাওয়ালা, বুয়া, দারোয়ান, এমনকি হুজুর। ঐ ভুত নাকি গান গায়, যথারিতী পায়ে নুপুর থাকে। কাউকে কিছু করে না কিন্তু। খুব নিরীহ। শুধু মালিকের ছেলেকে ভয় দেখায়।
হুমায়ূন আহমেদের ভূত গুলো আসলেই মজার; ভুত-ভুতৌ ভুতং নামে ওনার একটা বই পড়েছিলাম; ব্যাপক;
৭ তলার ভুত টা সংরক্ষনের ব্যাবস্থা কইরেন পারলে ; এই দুর্মূল্যের বাজারে ঢাকা শহরে ভুত পাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়
পরোপকারী ভূতটা বাদ গেছে। রেফারেন্স আমাদের ঘোষ্ট ফিল্মটা ঃ)
অসম্ভব উমদা রচনা, নোবেল পাওয়ার জন্য আমি নমিনেট করলাম। হাসতে হাসতে এখনো মাথা ঘুরতেছে
হ এইটা বাদ পরে গেসে; পরের পর্বে (যদি আসে) আপডেট করে দিব
থেসিস শুইনা নিজেরে ভুত মনে হইতেসে ...
মনে হওয়ার কি আছে আপনি তো ভুত ই
আথংখে হাত পাও...
হ
তয় আরেক্টা কতা কই, আপ্নের নামের বানান ঠিক্করা টা পছ্ন্দৈলোনা। আপ্নিও ক্ষ্যাত থিকা স্মার্ট হয়া গ্যালেন
মন্তব্য করুন