ইউজার লগইন

আমার ভালো লাগার কিছু অজনপ্রিয় চলচ্চিত্র

পথ ও প্রাসাদ - (উৎপল দত্ত, সন্ধা রায়)
আমার দাদু (বাবার বাবা) মারা গেছে অনেক ছোট থাকতে, বোধ-বুদ্ধি হবার আগেই। আমি তাকে পাইনি এবং এ নিয়ে কোন অভাব বোধ ও ছিলো না। পথ ও প্রাসাদ ছবিটা আমি দেখেছি অনেক আগে, কাহিনী পুরোটা মনে নেই। জমিদার বংশের ছেলে ভালোবেসে নিন্মবিত্ত এবং নীচুজাতির মেয়ে সন্ধারায়কে বিয়ে করায় উৎপলদত্ত তার সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন। ওনার ছেলে মারা যাবার পর নাতিকে (শিশু শিল্পি নাম জানিনা) নিজের কাছে নিয়ে আসেন, ছেলের বৌকে মেনে নেন না। দাদু - নাতির সম্পর্ক আর টান পোড়ন নিয়েই ছবিটা এগিয়ে‌ যায়। এই ছবিটা দেখার পর আমি আমার দাদুকে মিস করতে শুরু করি। আমার মনে তখন অনেক রকম ভাবনা আসতো। কেমন হত তার সাথে আমার সম্পর্ক, আমি কি বললে সে কি বলতো আমি কি করলে সে কি করলো ইত্যাদি ইত্যাদি।

উনিশে এপ্রিল - (অপর্না সেন, দেবশ্রী রায়)
মা-মেয়ের সম্পর্কের ছবি। অবশ্য সুধুই মা মেয়ের সম্পর্কের ছবিও বোধয় না। অপেক্ষাকৃত বেশি সফল স্ত্রী কে নিয়ে স্বামির কমপ্লেক্স, দাম্পত্যের ঝড়-ঝাপ্টা, সন্তানের ওপর তার প্রভাব, বয়োসন্ধির সময় ব্যাস্ত মাকে নাপাওয়ার অভিমানটুকু জমা করে রাখা, বাবারমৃত্যুর জন্য মাকেই দোষী সাব্যস্ত করা,  বলা-না বলা অনেক কথার এই সিনেমাটা আমার খুব ভালো লাগার একটা সিনেমা। 
অপর্নাসেন আর দেবশ্রী বোধয় তাদের অভিনয় জীবনের সেরা অভিনয় টা এই সিনেমায় করেছেন।

সেদিন যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিলো (ইন্দ্রানী হালদার, সৌমিত্র, রূপা গাঙ্গুলী)
এটা সম্ভবত জয় গোস্বামির কবিতা নিয়ে বানানো ছবি। ছবির ঘটনা ৎনা গুরুত্বপূর্ন না। ছবিটা আমার ভালো লেগেছিলো এর মেকিং এর জন্য, দৃশ্যায়নের জন্য। পুরো ছবি জুড়ে কেমন একটা কবিতা কবিতা আবহ।

দহন (হুমায়ূন ফরিদী, ববিতা)
এক বেকার যুবকের পরাজিত জীবনের কাহিনী।ববিতার প্রাইভেট টিউটর থাকে সে। এই ছবিটা দেখে আমার যা মনে হয়েছিলো সেটা হল ভালো ছবির জন্য ভালো দর্শক ও লাগে, এই ছবিটা‌ ‌যদি তখনকার দর্শকরা নিত তাহলে আমরা বাংলা ছবিতে হুমায়ূন ফরিদীকে নায়ক হিসেবেই পেতাম, ভিলেন হয়ে সে গালির তুবড়ি ফোটাতো না এবং তার পথেই একজন ডিপজল এসে হয়তো গালির কামান ফাটানোর সু‌যোগ পেত না। আমার সব সময়ি মনে হয় হুমায়ূন ফরিদীর মেধার ব্যাবহার আমাদের পরিচালক রা করতে পারেনি একজন হুমায়ূন ফরিদীর জন্য আমাদের মিডিয়ার আরোকত যুগ অপেক্ষা করা লাগে কে জানে।

পেলিনড্রোম:
পরিচালক যে কি বুঝাইতে চাইছে আর আমি যে কিছুই বুঝলাম না কিন্তু তারপর ও ছবিটা ভালো লাগসিলো। ছবি টা ১৮+। বয়ো:সন্ধির সময়ে এক মেয়ের তীব্র ইচ্ছা হয় মা হওয়ার। তার সেই ইচ্ছা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা নিয়েই সিনেমা। সিনেমাটায় বারবার মেয়েটা চেন্জ হচ্ছিলো মানে একেকবার একেজন মেয়েটার চরিত্রে অভিনয় করছিলো। এই ছবিটার দৃশ্যায়ন ও কেমন অদ্ভূত ছন্নছাড়া ছিলো।

সত্যজিৎ এর কান্চনজঙ্ঘা আমার দেখা হয়নি। সত্যজিৎ এর সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন "আমি কাঞ্চনজঙ্ঘাও পছন্দ করি। এর কারণ এই প্রথম আমার নিজস্ব চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করলাম এবং এটি খুব ব্যক্তিগত ছবি। এটা তার সময় থেকে দশ বা পনের বছরের এগুনো ছিল। আমাদের দর্শক একটি বা এক জোড়া কেন্দ্রীয় চরিত্র দেখতে পছন্দ করে, যাদের মাধ্যমে একটি রৈখিক ন্যারেটিভের মধ্য দিয়ে ছবি দেখতে তারা অভ্যস্ত। কাঞ্চনজঙ্ঘা অনেকগুলো গ্রুপের গল্প বলে এবং গল্পটি কখনো সামনে যায়, কখনো পেছনে। প্রথমে গ্রুপ এক, গ্রুপ দুই, গ্রুপ তিন, গ্রুপ চার; এরপরে আবার গ্রুপ এক, গ্রুপ দুই -- এভাবে গল্প এগিয়ে যায়। এর একটি সাঙ্গীতিক ফর্ম আছে, কিন্তু এটি দর্শকরা গ্রহণ করেন নি। প্রতিক্রিয়া খুব খারাপ ছিল। এমনকি রিভিউগুলোও ভালো হয় নি। কিন্তু পেছনে তাকিয়ে এখন আমি বুঝতে পারি এটা খুবই চমৎকার একটি ছবি। " না দেখেও এটা আমার খুব পছন্দের একটা চলচ্চিত্র। মাঝে মাঝে এটা নাদেখার আফসোস হয়, মাঝে মাঝে মনে হয় এটা দেখে ফেললে না দেখেও প্রিয় এই তালিকাটাশুন্য হয়েযাবে; হয়তো আমার এক্সপেকটেশন এই ছবি পূর্ন করতে পারবে না।

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

একলব্যের পুনর্জন্ম's picture


পেলিন ড্রোম দেখি নাই খালি ঃ)

কাঁকন's picture


তুমি তো বিশাল সিনেমা খোড়;আমার ধারনা ছিলো আমি ছাড়া পথ ও প্রাসাদ আর কেউ দেখে নাই

নুশেরা's picture


ঊনিশে এপ্রিল সেভাবে হিট না হলেও বোধহয় জনপ্রিয় হয়েছিলো, তখনকার পত্রপত্রিকায় সেরকম রিপোর্ট দেখেছিলাম। অপর্ণা সেন বরাবরই দারুণ, তবে দেবশ্রীর সেরা অভিনয় আমার মনে হয় ঊনিশে এপ্রিলে না, ঋতুপর্ণেরই আরেকটা ছবি অসুখ-এ।

শেখ নিয়ামত আলীর দহনের কাস্টিং উদ্ভট লেগেছিলো আমার কাছে, সব চরিত্রেই বয়সের তুলনায় বয়স্ক অভিনেতা-অভিনেত্রী। ববিতা মেইনস্ট্রিম ম্যানারিজম থেকে একদমই বেরুতে পারেননি, প্রবীর মিত্র হাস্যকররকম বেমানান। এক ফরিদী অভিনয় দিয়ে টেনে নিয়ে গেছেন।

পেলিনড্রোম দেখিনাই Sad

কাঁকন's picture


তখনকার পত্র-পত্রিকার কথা তো আপু জানতাম না; এটা দেখার আগে অন্য কোথাও নাম শুনিনি তাই ভেবেছিলাম জনপ্রিয় হয়নাই। দহন এর কাস্টিং এ বয়সের ব্যাপারটা আমারো চোখে লাগছিলো বাট তখন তো এরকম চল ছিলো নাটক - সিনেমায়; কয়দিন আগেও তো আজিজুল হাকিম ভার্সিটির ছাত্র হয়ে বাদাম খাইয়া প্রেম করতো তাই ঐটা ধরিনাই; ববিতা মনেহয় পুরোই ডিরেক্টর'স অভিনেত্রি, অশনি সংকেতের ববিতা বা আলোর মিছিলের ববিতা কেমেইনস্ট্রিম ছবিতেখুঁজে পাওয়া যায় না

রোহান's picture


ববিতা মনেহয় পুরোই ডিরেক্টর'স অভিনেত্রী....

 

একদম মনের কথা বলছেন... মেইনস্ট্রীমের ববিতারে দেইখা এর লিগা মনডা খারাপ হয়...

আহমেদ রাকিব's picture


হ, অশনি সংকেত দেখতে দেখতে আমার মিস লংকার কথা মনে পইড়া কত্তবার যে হাসি পাইছে হিসাব নাই।

মামুন ম. আজিজ's picture


কানু গণ দেখি...ফিল্ম বিশেষজ্ঞো বটে..........................

কাঁকন's picture


কানু গ্রুপ সবি কিছুতেই বিশেষ অজ্ঞSmile

একলব্যের পুনর্জন্ম's picture


ওইটা জয় এর কবিতা না দিদি - ঊপন্যাস ই - তবে পুরাটাই কবিতাতে লেখা । বেশ মোটা বই ।

১০

কাঁকন's picture


পড়িনাই তো এই জিনিষ; কার কাছে যেন শুনছিলাম কবিতা তাই লিখছি

১১

মুকুল's picture


আমার প্রিয় চলচ্চিত্র "বেদের মেয়ে জোৎস্না"। Cool

১২

কাঁকন's picture


হ; সামহয়ারে এইটা নিয়া আমার এক্ষান ক্ষুদ্র পোস্ট ছেলো

১৩

মুনীর উদ্দীন শামীম's picture


@ মুকুল ভাই..............এখনো নিশ্চয় খুব মিস করেন...............???

পোস্টের জন্র ধন্যবাদ!

১৪

মুকুল's picture


হ। সেই যুগে তো আর ভিসিডি, ডিভিডি, পিসি ছিলো না। মামাতো ভাইয়ের বিয়াতে ভিসিআর ভাড়া কৈরা আইনা দেখা হইছিলো। সুপার ডুপার হিট ছবি।

"বেদের মেয়ে জোৎস্না আমায় কথা দিয়েছে
আসি আসি বলে জোৎস্না ফাঁকি দিয়েছে"

Tongue out

১৫

নীড় সন্ধানী's picture


ছবি প্রিয় নাকি গানের কলি প্রিয়? Tongue out

১৬

রোহান's picture


আমি এডা হলে গিয়া দেখছিলাম

১৭

কাঁকন's picture


আমি হলে যাইয়া দেখিনাই; আমি তখন ছুট আছিলাম বাপে হলেযাওয়া এলাউ করেনাই, মামা সিডি ভারা কইরা দেখাইছিলো বাট সিনেমা দেইখা হতাশ হইছিলাম; আমার ধারনা ছিলো সিনেমাটা নাগনাগিনীর;তয় গানটাসেইরকম, আসি আসি বলে জোস্না ফাঁকি দিয়েছে কইয়া সিরিয়াস কাঞ্চন যেই মুখব্যাকাটা দেয়

১৮

কাঁকন's picture


আপ্নাকেও ধন্যবাদ

১৯

অপরিচিত_আবির's picture


কাঞ্চনজঙ্ঘা আমার খুবই প্রিয় একটা সত্যজিৎ চলচ্চিত্র। শিগ্গিরই এই ছবিটা নিয়ে লিখার চেষ্টা করবো।

আর আমার ভাত মারার চেষ্টা করার জন্য মাইনাস! Wink

২০

কাঁকন's picture


তোমার ভাত কই মারলাম আমি তো না দেইখা লিখসি তুমি দেইখা লিখবা

২১

ভেবে ভেবে বলি's picture


ঊনিশে এপ্রিল আমারও ভালো লাগে। অন্যগুলো দেখা হয়নি। তবে প্রথমটা দেখতে ইচ্ছে করছে।

২২

কাঁকন's picture


হ্যা উনিশে এপ্রিল আসলেও ভালো ছবি

২৩

অদিতি's picture


আমার খুব পছন্দের একটা ছবি সত্যজিৎ রায়ের 'প্রতিদ্বন্দ্বী'। এর একটা দৃশ্য আছে -সিদ্ধার্থ চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে। অপেক্ষা করছে তার পালা আসার। হঠাৎ সে তাকায় অন্যদের দিকে, দেখা যায় সিদ্ধার্থর চোখে তারা সবাই কংকাল হয়ে গেছে । এভাবেই রায় আনাদের বোঝান সিদ্ধার্থ এক সময় ডাক্তারির ছাত্র ছিল।

আরেকটা পছন্দের ছবি 'মহানগর'। আমরা মনে হয় এই ছবিতে দেখানো মানসিকতা থেকে বের হতে পারিনি।

২৪

কাঁকন's picture


প্রতিদ্বন্দি, মহানগর আমার ও পছন্দের ছবি তবে পথের পাচালীর পর আরেকটা সত্যজীৎ এর ছবির নাম করতে বললে আমি বলবো নায়ক এর কথা; আর সত্যজিৎ এর যে ছবিটা আমার একদম ই ভালো লাগেনি সেটা হল কাপুরুষ-মহাপুরুষ; এটা শুনে অবশ্য আমার সত্যজিৎ ভক্ত বাবা বলছিলো আমার ছবি দেখার চোখ এখনো তৈরী হয়নাই, তাই ভয়ে ভয়ে বললাম

২৫

আহমেদ রাকিব's picture


কাপুরুষ ভাল্লাগে নাই? এট্টূ তব্দা খাইলাম কিন্ত। আমার ভাল্লাগছে। 

২৬

অদ্রোহ's picture


মানুষের মন খুবই বিচিত্র বস্তু ,সে এক এক পরিস্থিতিতে এক এক ধরনের আচরণ করে ।কাঞ্চনজংঘায় এই বিষয়টা খুবই দারুণভাবে এসেছে ।

আচমকা সিনেমা নিয়ে পোস্টাইলেন  যে কাঙ্কন্দি ?? Laughing out loud

২৭

কাঁকন's picture


কান্চন জংঘা দেখা হয়নাই; আচমকা না তো এর আগেসামুতে পোস্টাইছি সিনেমা নিয়া;

২৮

শওকত মাসুম's picture


১। পথ ও প্রাসাদ দেখি নাই। পেলিনড্রোম তাও দেখা নাই।

২. উনিশে এপ্রিল মোটেই অজনপ্রিয় ছবি না। এইটা বেশ বিখ্যাত একটা মুভি। আমার খুবই পছন্দের।

৩।  দহন, ববিতা আছে এইটাই যথেষ্ট। ববিতা থাকলে মুভি ভাল না খারাপ এই প্রশ্ন আসে কেন? দহনে ববিতারে খুবই সুইট লাগছে।

 ৪. আমার অল টাইম প্রিয় তালিকায় অবশ্যই কাঞ্জনজঙ্গা থাকবে। মহাপুরুষ খুবই পচা, কাপুরুষ তো খুবই চমৎকার। কেন জানি আমার প্রতিদ্বন্দ্বীটা ভাল লাগে নাই।

২৯

কাঁকন's picture


১।পথ ও প্রাসাদ টা প্রিয়ন্তিরে দেখাইতে পারেন; যদিও আজকালকার বাচ্চারা সাদাকালো ছবি দেখতে চায় না।

২।  তাই তো দেখতেসে; ভুল ধারনা ছিলো একটা

৩।হ; আমার মনে আছে ১-১৫ পর্যন্ত ববিতা তয় এই ছবিতে ববিতারে আন্টি আন্টি লাগসে

৪।কাপুরুষ-মহাপুরুষ দুইটা আলাদা ছবি নাকি আমি তো সাধুগো ভন্ডামিটার নাম ই কাপুরুষ-মহাপুরুষ জানতাম; কাপুরুষ দেখতে মন চায়

৩০

শওকত মাসুম's picture


কাপুরুষ অসাধারণ। না দেখলে বিশাল মিস। আমি তো কাঞ্চনজঙ্ঘা আর কাপুরুষ অন্তত ১০ বার করে দেখেছি। আবারও দেখবো।

আর  ববিতা Money mouthMoney mouthMoney mouth

৩১

সাঈদ's picture


সিনেমা দেখার ধৈর্য্য হয়না , অবশ্য ভালো সিনেমা দেখতে বসলে না দেখে উঠিনা।

৩২

কাঁকন's picture


Frown

৩৩

টুটুল's picture


কিইইই
আপ্নে ববিতারে আন্টি কৈলেন?
আপ্নার সব পোস্টে মাইনাচ (ডেভুর কাছে রিকুশ .. এক্টা মাইনাচ বাটন শুধু মাত্র এই পোস্টের জন্য দেয়া হোক)

ববিতারে অফমান ... মানি না মানপো না...

৩৪

রোহান's picture


আপ্নে ববিতারে আন্টি কৈলেন?

ববিতারে অফমান ... মানি না মানপো না... কাঁকনাদির বিরুদ্ধে ববিতার ভক্তকূলরে আন্দোলনের ডাক দিয়া গেলাম

 

৩৫

কাঁকন's picture


ববিতারে আন্টি কই নাইঐ বিশেষ সিনেমায় ববিতারে আন্টি আন্টি লাগসে কইছি বুঝতে হবে; পরে না চোখের পলক এও ববিতা আছে ঐ ববিতা নিঃশ্চই আপনার স্বপ্নের নায়িকা না

৩৬

নুশেরা's picture


ঠিক আছে টুটুলদা, আজ থেকে আপনারে টুটুলাংকেল বলা হবে... ববিতান্টির আশেক বইলা কথা  Smile

৩৭

বকলম's picture


Baiju Bawra
আমার প্রিয় ছবি "বেইজু বাউরা" । নায়ক ভারত ভূষণ আর নায়িকা মিনা কুমারী। ছবির গানগুলো খুব গাইবার চেষ্টা করতাম বিশেষত তু গঙ্গা মে মউজু মে যমুনা কি ধারা... http://www.youtube.com/watch?v=oj3t5jOTYmw

আরো পছন্দের তালিকায় দীলিপ কুমারের "দিদার" "রাম সাম" "আজাদ" "উরান কাঠুরা" ইত্যাদি । আর ছোট বয়সে এসব ছবির ভক্ত হয়েছিলাম আমার বাবা আর দুই বড় জেঠার পুরাতন হিন্দি ছায়াছবি প্রীতির কারনে।...

আরও হাজারও প্রিয় ফিল্মের কথা লেখা যাবে ...অমিতাভের "কাভি কাভি" "দো আনজানা" "লাওয়ারীস"

আড্রে হেপবার্ণ এর রোমান হলিডের কথা কি কেউ ভুলতে পারবে?!
"এ ব্রিজ ওন এ রিভার কাউয়াই"?!! এমন হাজারো মুভি বিটিভির মুভি অব দ্য উইক এর কল্যাণে দেখা।

ইদানীং কালের টম হেঙ্স এর মুভির কথা নাই বল্লাম। এমন কত শত মুভি যে প্রিয় তা কি বলে শেষ করার উপায় আছে।

৩৮

বকলম's picture


কোনটা জনপ্রিয় বা কোনটা অজপ্রিয় তার থোরাই খবর রাখতাম কোনো কালে?!! আজও রাখিনা। যাই দেখার সুযোগ পেতাম দেখতাম এখনও তাই। তবে আগের মতো মুভি দেখা হয় না। বয়স আর সময় কোনটিইতো আর আগের মতো নাই (দীর্ঘশ্বাস)...

৩৯

কাঁকন's picture


জনপ্রিয় অজনপ্রিয় এর খেয়াল আমিও যে খুব রাখতাম তা না তবে এগুলো দেখে মনে হয়েছিলো এগুলো নিয়েকোন আলোচনা-সমালোচনা শুনিনি কেন, অনেক আলোচিত ছবিরচেয়ে এগুলো তো কোন অংশেই কম না; তাই শেয়ার করলাম

৪০

কাঁকন's picture


আমার হিন্দি সিনেমা দেখা শুরু এইতো সেদিন ২০০০ সাল থেকে সো পুরোনো ছবি দেখা হয়নি তেমন; তবে আপনার লিখায় যেগুলোর নাম এসেছে সেগুলো বহুল চর্চিত নাম; এ ব্রিজ ওওন এ রিভার কাউয়াই আমিও মুভি অফ দ্যা উইকে দেখেছিলাম; এখন আর মুভি অফ দ্যা উইক দেখায় না

৪১

শাওন৩৫০৪'s picture


..........মু হা হা হা, যেডা দেখোনাই, শুধু সেডাই কমন পড়ছে, সেইটাম ছিনামা ...

৪২

কাঁকন's picture


হুমম ঐটাও দেখে ফেলবো; 

৪৩

রোহান's picture


আমিতো ভাবছিলাম তুমার খালি পেলিনড্রোম কমন পড়বো...

৪৪

আহমেদ রাকিব's picture


হা হা হা হা হা হা

৪৫

আহমেদ রাকিব's picture


পথ ও প্রাসাদ আর পেলিনড্রোম দেখি নাই। বাকি গুলা দেখছি। ঊনিশে এপ্রিল অনেকেই দেখছেন এমন্টাই আশা করতেছিলাম। এটা বেশ নামকরা মুভি। কোনো একটা বিশেষ দিনে, (মনে হয় নারী দিবস) এই মুভিটা উইনিতে ফিল্ম সোসাইটি থেকে প্রচার করা হয়।  কাঞ্চনজঙ্ঘা অসাধারন একটা মুভি। আমার এখনো মনে আছে। উইনিতে থাকতে আমরা ৬ বন্ধু একসাথে থাকতাম। ফিল্ম সোসাইটির সাথে যুক্ত থাকায় আমার কাছে ছিল ভাল ভাল মুভির বিশাল কালেকশন। প্রতি বৃহস্পতি শুক্রবার আসর বসত মুভি দেখার। তেমনি একটা দিনে সব বন্ধুদের নিয়ে বসলাম কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে। ওদের এক এক জনের এক এক রকম টেস্ট ছিল। তাই যেকোন এক্তা মুভি দেখতে বসলেই দেখা যাইত কেউ না কেউ গেঞ্জাম করতেছে। হাউ কাউ কইরা মুভি ঠিক মতন দেখতে দেয় না। তবে এই মুভিটা দেখার সময় অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। শুরুতে একটু নড়বড়ে ভাব হইলেও কিছু সময় যাবার পর পুরা রুম পিন ড্রপ সাইলেন্ট হইয়া গেল। এর পর থেকে মুভি শেষ হওয়া পর্যন্ত কারো মুখে কোনো কথা নাই। সবাই চুপ। এমনকি প্রতিদিন মুভি শেষ হবার পর এটা নিয়া ছোটখাট আলোচনাও হতো। সেদিন মুভি শেষ হবার পর কেউ কোনো কথা না বলে চুপ চাপ চলে গেল। এম্নিতে মুভিটা আমার অনেক প্রিয়। তারপর বন্ধুদের এমন অদ্ভুত আচরনের আরো বিষেষ কিছু হয়ে ছিল। তারপর মাঝে মাঝেই দেখেছি বন্ধুদেরকে একা একা বসে এই মুভি দেখতে। সত্যজিতের অনবদ্য একটা সৃষ্টি। হুমায়ুন ফরিদী বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অভিনেতা। এই বিষয়ে কেউ দ্বিমত করলেও আমি কোনো যুক্তি শুনতে আগ্রহী না। অন্যদের ৫টা কিংবা ১০টা কাজের উদাহরন দিতে পারবেন আপনি। ফরিদীর জন্য কোনো উদাহরন দিতে যাওয়াটা বোকামী।

এই ছবিটা দেখে আমার যা মনে হয়েছিলো সেটা হল ভালো ছবির জন্য ভালো দর্শক ও
লাগে, এই ছবিটা‌ ‌যদি তখনকার দর্শকরা নিত তাহলে আমরা বাংলা ছবিতে হুমায়ূন
ফরিদীকে নায়ক হিসেবেই পেতাম,

পুরা একমত। সেদিন যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল ছবির মেকিং আসলেই ভালো। এরকম কবিতা কবিতা আবহ মনে হয়েছিল একটা ইংরেজীতে মুভির ক্ষেত্রেও। ফাইন্ডিং নেভারল্যান্ড। জনিডেপ আর কেট উইন্সলেটের।

৪৬

কাঁকন's picture


আমার ভারতীয় বাংলা সিনেমা বেশির ভাগ টিভিতে দেখা, কাঞ্চনকঙ্ঘার সম্প্রচারের সাথে আমার কখনো টাইমিং হয়নাই তাই দেখা হয়নাই। তবে না দেখার পরো সত্যজিৎ এর সাক্ষাৎকার টা পড়ার পর থেকে ছবিটার একটা অন্যরকম আবেদন তৈরী হইছে, দেখবো কোন এক দিন।

মাসুম্ভাই  ১-১৫ পর্যন্ত ববিতারে রাখছিলো আমিও বাংলাদেশের মিডিয়া পার্সোনালিটিদের মধ্যে ১-১৫ পর্যন্ত ফরিদীরে রাখতে চাই।

ইংরেজি মুভি সাবটাইটেল পড়ে দেখা লাগে বলেই হয়তো হিন্দি-বাংলার মতন করে ইংলিশ মুভি অনুভব করতে পারিনা।

পথ ও প্রাসাদ এর ডিভিডি জোগার করতে পারবেন কিনা জানি না তবে খুজলে পেলিনড্রোম বোধয় পেয়ে যাবেন

৪৭

নুশেরা's picture


কাঞ্চণজঙ্ঘা সম্ভবতঃ ভারতীয় বাংলা ছবির মধ্যে প্রথম রঙীন ছবি। চিত্রায়ণের সময় আশেপাশে দর্শনীয় অনেক কিছু দেখিয়ে দেয়ার সুযোগ ছিলো, সত্যজিত নাকি অপ্রয়োজনীয় বিবেচনা করে নিষ্ঠুরভাবে সেগুলো এড়িয়ে গেছেন (অভিনেত্রী করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষাতকারে বলেছিলেন পাহাড়গুলো ছেয়ে ছিলো রডোড্রেনডনে; ছবিতে ওগুলো না দেখার আফসোস ছিলো তার)।

কাঞ্চণজঙ্ঘা স্কুলজীবনে দেখেছিলাম, তখনকার চিন্তাভাবনা পরিণত ছিলো না, আবার দেখতে হবে অতি অবশ্যই। সত্যজিতের ছবিগুলোর মধ্যে সাদাকালোগুলো বেশী ভালো লাগে আমার, আলো নিয়ে অনেক দারুণ কাজ দেখা যায়। পরশপাথর, মহানগর, দেবী, নায়ক............. সবগুলোই দেখার মতো।

৪৮

কাঁকন's picture


পরশ পাথরের থিমটাই এত অদ্ভুত;

৪৯

আহমেদ রাকিব's picture


মহানগর মুভিটা কেমন জানি অদ্ভুত। এত সহজ সরল একটা মুভি। কি দারুন সব ডায়লগ। অথচ এরকম স্বাভাবিক জীবন যাপনে কথা বার্তা এত সুইট, কল্পনা করা যায় না। অনেক বেশি জোস লাগছিল এই মুভিটা।  সত্যজিতের কোনো মুভিই কেন জানি খারাপ লাগে নাই। মনে হয় আমি এখানেও পক্ষপাতদোষে দুষ্ট।  Stare

৫০

কাঁকন's picture


মহানগর সত্যজিৎ বানাইছিলো দেইখাই ভালো লাগছে অন্যকেউ এই থিমে বানাইলেশিওর আর্টফিল্ম বানায় ফেলতো

৫১

নুশেরা's picture


পরশপাথরে যে সময়টা দেখায় (একটা তারিখ বা ক্যালেন্ডারের দৃশ্য আছে মনে হয়), সেই সময়ে বিশ্বব্যাপী গোল্ড রিজার্ভে/ দামস্তরে বড় একটা ঘটনা ঘটছিলো। সঠিক মনে নাই, তবে পরশপাথর মুভিটা নিয়ে একটা আর্টিকেলে সেটার প্রাসঙ্গিকতা পড়ছিলাম।

৫২

কাঁকন's picture


সোনার দাম তো এখনো অনেক; আমার বিয়ার সময় মামনি বলছিলো তোর বিয়া এইজন্য দাম বাড়ছে তোর বিয়ার পর ই দাম পইরাযাইবো বাট আমার বিবাহের পরো সোনার দাম নাকি উত্তোরোত্তর বৃদ্ধি পাইতেসে

৫৩

নুশেরা's picture


আমার বিয়ার গহনা আমিই বানাইতে দিছিলাম, তাই দামটা মনে আছে, ৬৪০০ ছিলো ভরি, আট বছর পর এখন নাকি ত্রিশ হাজার ছাড়াইছে

৫৪

একলব্যের পুনর্জন্ম's picture


মাটির গয়না পরলেই হইতো - ইস্মারট লাগে Wink

৫৫

নুশেরা's picture


তুমি সোনার মানুষ মাটির গয়না পিন্দিও। আমি মাটির মানুষ স্বর্ণ পিন্দুম

৫৬

কাঁকন's picture


খিক খিক খিক; সেও আপু সোনাই পিন্দিবো পারলে জামাইরে কইবো হীরা বসানো প্লাটিনামের আংটি দাও

৫৭

কাঁকন's picture


আমার তো মাত্র তিন বছর আগে ১৮০০০ ছিলো তিনবছরে ডাবল হয়ে গেছে প্রায় ; ৬৪০০ এর আসেপাশেই ছিলো নাকি সোনার দাম অনেক দিন হঠাৎ কইরাই হুহু কইরা বারা শুরু কইরা বারতেছে নাকি, আর দাম বাড়ার পর নাকি কর্মকার পট্টিতে ভীর ও বাড়ছে; প্রেস্টিজিয়াস গুড এর নাকি এইটাই ধর্ম, আমি খালি চিন্তা করি মানুষ এত টাকা পায় কই

৫৮

আহমেদ রাকিব's picture


৩৩,০০০ হইছে অহন। আমার এক দোস্ত বিয়া কইরা ফালাইছে। তার কাম হইল কয়দিন বাদে বাদে আমারে ফোন কইরা স্বর্নের দাম কওয়া। আর হুমকি দেয়া যে আমি যখন বিয়া করমু তখন নাকি এইটার দাম ৫০,০০০ হইয়া যাইব। আমি অবশ্য নো চিন্তা ডু ফুর্তি মুডে তারে কই, টেনশন নিস না, পলাইয়া বিয়া করমু। Smile

৫৯

কাঁকন's picture


বাড়ুক ৩৩০০০ টাকা ভরি দিয়াও কিনুমনা (কিনতে পারুম না), ৫০০০০ হইলেও না বরং বারলে যা আছে সেইটার দাম বাড়ে; গুড

৬০

শওকত মাসুম's picture


সেদিন যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিলো...........এইটা জয়ের উপন্যাস, কবিতার ঢং-এ লেখা। সিনেমাটার মধ্যে 

পরিমিতিবোধের একটু অভাব আছে বলে আমার মনে হইছে। 

আর মেঘবালিকা কবিতাটা তো অসাধারণ। খুবই প্রিয়। 

৬১

কাঁকন's picture


আমার অবশ্য সিনেমা দেখার সময় অত কিছু মনে হয় না; ভালো লাগেআর লাগে না

৬২

তায়েফ আহমাদ's picture


একটাও দেখি নাই!Frown

৬৩

কাঁকন's picture


Innocent

৬৪

বিষাক্ত মানুষ's picture


কয়েক দিনের মধ্যে দেখা খুব পছন্দের দুইটা সিনেমার নাম দেই -
# Atonement (2007)
# In America (2002)

৬৫

কাঁকন's picture


দেখা হয় নাই Innocent

৬৬

বিষাক্ত মানুষ's picture


আমার কাছে কিন্তু 'যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিলো' ভাল্লাগছে

৬৭

কাঁকন's picture


আমারোভালো লাগছে; অন্যরকম লাগছে

৬৮

ভাস্কর's picture


ভারতীয় বাংলা ছবি এতো কম দেখছি যে এই পোস্টে মন্তব্য করতে সাহস পাইতেছিলাম না। আমি খালি তিনটা ছবি দেখছি এই তালিকার, উনিশে এপ্রিল,
দহন আর কাঞ্চনজঙ্ঘা। এর মধ্যে সত্যজিৎ রায়ের সেরা ছবি কিনা সেই বিতর্কে না গিয়াই কইতে পারি এই ছবি আমার অনেক পছন্দের। দহনের গল্প কওয়ার ধরণটা অনেক ইউরোপিয়ান করতে চাইছিলেন শেখ নিয়ামত আলী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার এই ছবিরে আমার বিশ্বকর্মার পুত চামচিকার মতোন লাগে। সূর্য্য দীঘল বাড়ি'র মতোন ছবিতে যার পরিচালনার অংশীদারিত্ব আছে তার এইরম খারাপ ছবি দেখতে খুব ভালো লাগে নাই আর কি...

৬৯

কাঁকন's picture


আসলে ইউরোপিয়ান ছবি আমি খুব কম দেখসি আর দহন যখন দেখসি তার আগে কোনো ও ইউরোপিয়ান ছবিই দেখা হয়নাই তাই হয়তো ওনার চেষ্টা টাই আমার ভালো লাগছিলো যেহেতু তুলনা করার মতন উপকরন হাতের কাছে ছিলো না।

৭০

নুশেরা's picture


ভাস্করদার মন্তব্যে জাঝা। ছবির গল্প বলার ধরণটা বিরক্তিকর লাগছিলো, এটুকুর বেশী বুঝিনাই; তবে সূর্য দীঘল বাড়ীর পর শেখ নিয়ামত আলী দহনে এসে হতাশ করছিলেন সেটা বেশ মনে আছে।

৭১

ভাস্কর's picture


নিন্দুকেরা যদিও কয় যে সূর্য দীঘল বাড়ি নির্মাণে মসিহউদ্দিন শাকেরের ভূমিকাই বেশী ছিলো, সেইটা প্রমাণিত হয় দহনের মাধ্যমে...

৭২

নুশেরা's picture


হুমম... মসিহউদ্দিন শাকের এককভাবে কোন মুভি বানান নাই?

৭৩

আশরাফ মাহমুদ's picture


একটা-ও দেখি নি, নামই শুনি নি। Sad

৭৪

কাঁকন's picture


ভালো

৭৫

তানবীরা's picture


উনিশে এপ্রিল, অসুখ, দহন (দুই বাংলার), শ্বেতপাথরের থালা, তিতলি, অরন্যের দিনরাত্রি, মহানগর সবই আমার পছন্দ। বয়স হয়েছে নাম মনে করতে পারছি না নাহলে তালিকা আরো দীর্ঘ হতো, ঃ)

৭৬

কাঁকন's picture


যাক একজন পাওয়া গেল যার এই বাংলার দহন ভালো লাগসে Innocent

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.