হাবিজাবি
১।
কোন বই পড়ে মুগ্ধ হলে সে বই মাথার ভেতর ঢুকে যায়; কখনো কখনো কোন বই পড়ে কি কচুর মাথা লিখছে মনে হলেও সেটা মাথার ভেতর ঢুকে যায়।মনে থাকে দীর্ঘদিন। সিনেমা-নাটকের বেলায় ও একথা প্রযোজ্য। একটা ভালো লাগা গান মানুষ বার বার শুনে, আনমনে গুনগুনিয়ে ওঠে, ভালো লাগার কবিতা নিজের অজান্তেই মনের খেয়ালে খাতায় লিখে ফেলে। কম-বেশি সবারি এরকম হয়। কিন্তু আপনাদের কি কখনো এরকম হয়েছে কোন একটা লাইন মাথার ভেতর ঢুকে গেছে? আমার হয় মাঝে মাঝে, ব্যাপারটা খুব বিরক্তিকর ঝিঝির ডাকের মতন ক্রমাগত মাতারভেতর সেই লাইন বাজতে থাকে। আপনি চাইলেও বন্ধ করতে পারবেন না। অনেক সময়ি অনেক লাইন মাথায় ঢুকেছে বের ও হয়ে গেছে, সব মনেও নেই, যা মনেআছে শেয়ার করি আপনাদের সাথে।
পুতুল নাচের ইতিকথার একটা ডায়লগ "শরীর শরীর তোমার মন নাই কুসুম" আমার মাথার ভেতর ঢুকে গিয়েছিলো, এই উপন্যাসের ব্যাপকতা এই একটালাইন ধারন করে না, কিন্তু এই উপন্যাসের শেষে আমার মাথায় এই একটা লাইন ই ছিলো।
আমার ভাইয়ের টি-শার্টে লিখা ছিলো "নক্ষত্রের ও একদিন মরে যেতে হয়, হয় কি....."-- এর আগে ভালোলাগার এই কবিতা বেশ কবার ই পড়া বা শোনা হয়েছে কিন্তু ভাইএর টি-শার্টের ঐ একটা লাইন ডটডট সহ মাথায় গেথে গিয়েছিলো। মনেহয়েছিলো পৃথিবীর সবচেয়েগুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন নক্ষত্রের ও একদিন মরেযেতে হয়, হয় কি? যদি হয় কেন হয়?
একবার এক ফ্রেন্ড এসএমএস করেছিলো "আমার জলেই টলমল করে আঁখি, তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি"- এই এসএমএস মাথায় তো ঢুকে গেলই সাথে সাথে তার কাব্য প্রতিভায় আমি মহামুগ্ধ; আমার মুগ্ধতার কথা তাকে জানাইয়া বিশাল ধরা খাইছিলাম।
বায়োস্কোপ গানটা শোনার পর "ডাইনে তোমার চাচার বাড়ি, বায়ের দিকে পুকুর ঘাট , সেইভাবনায় বয়স আমার বারেনা" এটা মাথায় ঢুকেগেছিলো। ভাবনায় তো বয়স বেড়ে যাওয়া উচিৎ।
শিরোনামহীন ব্যান্ডের গোধুলী গানটার লাইন"কেন একি মানুষের একি স্পর্শে এত ছোঁয়া...." -- এই লাইনটা এখনো মাঝে মাঝে মাথার ভেতর বাজতে থাকে।
--হুমায়ূন আহমেদের "কে কথা কয়" এ একটা ছড়া ছিলো "জলে কার ছায়া পড়ে কার ছায়া জলে"- এই লাইনটুকুও অনেকদিন জ্বালিয়েছে। এছাড়া লোটা কম্বলের "পৃথিবীতে এসেছিস একটা দাগ ফেলে যা" এই লাইনটাও।
ব্লগিং করতে এসে অমিপিয়ালের "অতীত খুড়ে খুজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি"-লাইনটা মাথায় ঢুকে গিয়েছিলো।
বুলবুল আহমেদ পান্নার "মৃত্যুও ক্রমশ কবিতায় জমাট বাঁধে"-- শিরোনামটাও মাথায় ছিলো অনেক দিন।
কিছুদিন আগে অচিন্দা একটা পোস্টে মন্তব্য করেছিলো "প্রিয় লেখক শওকত ওসমানের একটা গল্প পড়ছিলাম। নামটা ভুলে গিয়েছি।
কাহিনী অনেকটা এমনই। আত্মহত্যার আগে মেয়েটা ইচ্ছামত সাজে। আর আয়নায় তাকিয়ে
বলে 'নাগর একবার চাইয়া দ্যাহো'। " -- এটা পরার পর থেকে আয়নারদিকে তাকালেই মনে হয় "নাগর চাইয়া দেখলা না"
কোথাও পড়া "জোনাকীরা আলো জ্বালে না জোনাকেরা ডেকে যায়"-- মাথায় ছিলো অনেকদিন
২।
একুশে টিভিতে ভ্যালেন্টাইনস ডে তে বাপ্পা-চাঁদনীরে নিয়া একটা স্পেশাল অনুষ্ঠান দেখাইছে, লোকজনের টাকা-পয়সা দরকার তারা অনুষ্ঠান কইরা টাকা পয়সা পাইলে আমার কোন সমস্যা নাই কিন্তু সেলিব্রিটিদের উচিৎ অনুষ্ঠানের একটা মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখা উচিৎ; ফালতু অনুষ্ঠান দেখতে দেখতে যখন চোখ সয়ে আসছে তখন লোকজন আরেককাঠি উপ্রে উইঠা বালতু অনুস্ঠান বানায়তেসে, কার মাথাথিকা যে এগুলা বাইরয়।
দেশে থাকতে অনেক সুন্দর সুন্দর এ্যাড দেখতাম; অনেকদিন পর টিভিতে একটা এড দেখে ভালো লাগলো; ডেটিং সাইটের এড; এক মেয়ে গভীর রাতে বারান্দায় দাঁড়ায়া রোমিও রোমিও চিল্লাইথাকে পাশের ফ্ল্যাট থিকা এক ছেলে বের হইয়া কটিন ঝাড়ি দেয়।
৩।
মায়েরা অনেক কিছু বোঝে; ফোনে গলা শুনেই বুঝে ফেলে মন খারাপ কিন্তু কেন যে বোঝে না তোমার মন খারাপ কেন এই প্রশ্নটা শুনতে ভালো লাগে না; এই প্রশ্ন শোনার যন্ত্রনায় ফোন করতে মন চায় না।
সামুতে হাবিজাবি ২ পর্ব লিখছিলাম; এখানে আবার স্টার্ট করলাম; মনের হাবিজাবি উগরাইতে না পারলে ব্লগায়া ফায়দা কি?





ফোনে গলা শুনেই বুঝে ফেলে মন খারাপ কিন্তু কেন যে বোঝে না তোমার মন খারাপ
কেন এই প্রশ্নটা শুনতে ভালো লাগে না; এই প্রশ্ন শোনার যন্ত্রনায় ফোন করতে
মন চায় না।
ইদানিং এই প্রশ্নটাশুনলেই মেজাজ খারাপ হয়েযায়
আমার এইরম লাইন আছে একটা যেইটা এখনো মাথায় ঢুইকা বইসা আছে,
চমৎকার,
ধরা যাক দু'একটা ইদুর এবার!
অদ্ভুত তো
আমার জননী ফোন করে, এক মিনিটও যায় না, তার আগেই জিগায়, মামণি তুমি কি কানতেছো? একই কাহিনী বার বার। শেষে একদিন কইলাম, তোমার যদি আমার কান্দন শুনার এতো খায়েশ হয়া থাকে তো টাইম ফিক্স করো, একদিন ঝাড়া আধঘন্টা কাইন্দা শুনামু...
===========================================
কাক্না আমি কিন্তু তোমার আগেই সামুতে হাবিজাবি শুরু করছিলাম... এইখানেও করমু খায়েশ ছিলো... যাউগ্যা আম্রা আম্রাই তো, ব্যাপার্না
আমারো মনে হয় আপ্নার পন্থা ধরা লাগবো;
============================================
আন্টি আপনি তো আমকারে ইউনিক কিছু করতেই দিলেন না; আমি চাতে শরিষা দেয়ার আগেই আপনি কালোজিরা দিয়া দিলেন; কাজের মেয়ে কাহিনীতেও কমন পইরা গেলো; এখন হাবিজাবিও যাইহোক ব্যাপার্না গ্রেটম্যান থিংক এলাইক
কানুগ্রুপ বইলা কথা
মামণি তুমি কান্তেছো হবে না - আন্টির জিজ্ঞেস করা উচিত ছিলো , মামণি কি করছো আবার জামাই কান্দে ক্যান ?

পিটায়া লম্বা করনের কাম
ইসস ৫'৫ হাইট আমার এম্নেই

কাকন্দি আপনার মন খারাপ কেন ?
আমার মাথায় অলোয়েজ যেই লাইন্ টা ঘুরে - "আজাইরা আহ্লাদের বাংগিক্ষেত "
সেই কলেজে থাকতে ফ্রেন্ড দের কাছে শিখছিলাম --
--
মনে হয় এইখানে আমি ই সবচে অকাব্যিক
"আজাইরা আহ্লাদের বাংগিক্ষেত "- এইটার আমাদের ভার্সন ছিলো আল্লাদে খল্লা খায়
বাহ এইটাও লাইক করলাম
শিরোনামহীনের গানটা এইরকম..
"আমি জানি না কেন একই মানুষের একই স্পর্ষে কেন এত ছোঁয়া"
আরেক্টু কষ্ট কইরা গানটার লিংক জোগার কইরা দাও মুক্ত/এপু/অন্যান্য
দিয়া দিছে।
Thik ace kina dekhen to didi
http://www.mediafire.com/?uvz4zm3yzvm
ar esnips
http://www.esnips.com/doc/f974ad21-e853-4825-b788-277d29afd2f8/03.-Shironamhin---Godhuly
হ এইটাই; এমনেই ছোটমানুষ ধন্যবাদদিয়া আর ছোট করলাম না
বেসিক ঘটনা হইলো আমি আপ্নারে আসলেই বেশ বড়সড় ভাবতাম কাকন্দি - সেদিন সাঝু কইলো '
আমি ভাবি পোলাপানই তো
এই দীর্ঘ জীবনে এক্জন ইট্টু বড়সড় ভাবছিলো তাও সাঁঝু আমার ভাত মেরে দিলো; সাঁঝুর ভ্যান্চাই
আমার সবচে প্রিয় ডায়ালগ হৈলো
.কিস্যু ভাল্লাগেনা
কেউ এই ডায়লগটাদিলে আমি মুখ ঝামটা দিয়াযে উত্তর দেই (মাঝে মাঝে টেকনিক্যাল কারনে দিতে পারি না) সেইটা হইলো "দূরে গিয়া মরো"
স্কুলে ক্লাস সেভেনে ইংরেজি বইয়ে একটা প্রবন্ধ ছিল সক্রেটিস। সেইখানে সক্রেটিসের সম্পর্কে বলা কথা পড়ে লোকটার প্রতি মোহবিষ্ট হয়ে পড়ি। সেই অবস্থা এখনো সমপরিমান আছে। সেই কিশোর বয়সে অবাক হয়ে ভাবতাম দুই হাজার বছরেরও বেশি আগে এই মানুষটা এমন কথা বলছেন এমন জীবনযাপন করেছেন!
সেই প্রবন্ধে প্লেটোর ডায়লগের এপোলজির কিছুটা অংশ ছিল। মৃত্যুদন্ড দেয়ার পর বিচারকদের উদ্দেশ্যে সক্রেটিসের বলা শেষ লাইনটা তখন সর্বক্ষণ মাথায় বাজত- 'I to die you to live, which is better only God knows'.
ভালো কথা মনে করছেন; তবে আমার মাথায় বাজতো "টু বি অর নট টু বি দ্যাট ইজ দ্যা কোশ্চেন"
দিলেন মাথায় হাবিজাবি ঢুকাইয়া।এমনেই মাতা কোন কালে ঠান্ডা ছিলো না। কোন কিছু ঢুকলে বের হতে টাইম নেয়। কিছু ত জায়গা গেড়ে বসে থেকে যন্ত্রণা দেয়।
সব হাবিজাবি এমন সুন্দর করে ব্লগে লিখেন, পড়তে খুব ভালো লাগলো।
এইরকম উৎসাহব্যান্জক মন্তব্যের জন্য ধইন্যা; আমার হাবিজাবি লিখতে খুবি ভালো লাগে; হাবিজাবি লিখতে না পারলে ব্লগায়া কি লাভ বলেন
হাবিজাবি পইরা ক্যান জানি মন খ্রাপ হৈছে। তাই আবার পড়লাম। কারন পাইলাম না। বিষয়টা কি?
মন খ্রাপ একটা সংক্রামক ব্যাধি
হাবিজাবি পোষ্টও কি দারুন। ইশ একটা লেখতে পারলে মন্দ হইত না। এই ধরনের কিছু লেখতে গেলেই মনে হয় আসলেই এইটা কানু গ্রুপের সম্পত্তি। আপনাদের এই ধরনের পোষ্ট পইড়া যেই মজা সেইটা সবারটাতে মনে হয় আসে না। যাই হোক অপ্রাসংগিক তেলানো বাদ দিলাম, কারন জানি কানু গ্রুপে কোনো পোষ্ট খালি নাই।
পোষ্টে আসি। ১,২,৩ তিনটা তিন ধরনের কথা মিলাইয়া আসলেই হাবিজাবি হইছে। ১ নম্বরটাতো প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা। প্রায় দিনই খেয়াল করে দেখছি, সকাল বেলায় হুট কইরা কোনো একটা গান শুনলে সারাদিন মাথায় ঐ গানটা ঘুরে। এখন গান্টা ভাল হইলেতো ভালোই, মাঝে মাঝে বিরক্তিকর কিছু গান মাথায় ঢুকে সারাদিন খুব বিরক্ত করে। যেমন একদিন সকাল বেলায় চায়ের দোকানে "বুরখা পড়া মেয়ে পাগল করেচে" এই গানটা শুইনা সারাদিন মাথায় এইটা ঘুরছে। আরেকদিন "পোলাতো নয় সে যে আগুনেরই গোলা"
। সাহিত্যের চেয়ে গানটাই আমাকে বেশি যন্ত্রণা করে। কেন জানি সাহিত্যের ভালোলাগাটা বই থেকে বের করে মাথায় নিয়ে পুরা দুনিয়া ঘুরতে হয় না। অসম্ভব ভালো লাগে। মনে থাকে অনেকদিন যে ঐ বইটা অসম্ভব ভালো লেগেছে। কিন্ত আলাদা কোনো কথা বা ডায়লগ অনেকদিন মনে থাকে না। আবার পরলে আবার নতুন করে ভালো লাগে। ঠিক একি ব্যাপার ব্লগের ক্ষেত্রেও। আমার সবচেয়ে প্রিয় পোষ্টের কোনো লাইনই আমার মনে নাই এখন (নিজের লেখা ছাড়া)। কিন্ত ঐ পোষ্ট আবার পড়তে গেলে আবার সেই মুগ্ধতা ছড়ানো অনুভূতি হয়। জানি না কেন এমন হয়। গান ছাড়াও যেটা মাথায় ঘুরে বহুদিন সেটা হলো মুভি, নাটক। মুভি নাটকের দায়লগ আমি হর হামেশাই ব্যবহার করি। বহুব্রিহী নাটকের প্রায় সব ডায়লগ মুখস্ত ছিল। আর এর যথেচ্ছা ব্যবহার করে সবাইকে বিরক্ত করেছি। সবচেয়ে প্রিয় হইল,
পাবলিকের মুখতো আর আপনি বন্ধ করে রাখতে পারবেন না, সত্যি কথাটা তারা একদিন না একদিন বলবেই
গ্ল্যাডিয়েটর মুভিতে রাসেল ক্রোর সেই বিখ্যাত ডায়লগ, কিংবা বিউটিফুল মাইন্ডে নিজের সমস্যা বুঝতে পারার আত্নস্বীকৃতি "The baby never grows old" এসব বহু বহু দিন মাথায় নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি। একটা ভাল মুভি দেখলেই অনেকদিন মাথায় ঘুরতে থাকে। আসলে আমার মাথা মনে হয় একটু অলস টাইপের। একসাথে বেশি জিনিস রাখতে পছন্দ করে না। নয়তো আমার এত প্রিয় একটা বই পুতুল নাচের ইতিকথা, সেটার কোনো লাইন মনে করতে পারছি না।
২। টিভি দেখা বাদ দিছি। শুধু খেলা দেখি। আর অনেকগুলা মুভি চ্যানেল আছে। মাঝে মাঝে মুভি দেখি। এইসব বিরক্তিকর সীমাহীন ঢঙের জিনিষ দেখলে রাগে গা জ্বলে।
৩। আমার আম্মা ফোনে আমার ভয়েস শুনে কখন কি মনে করে সেটা যাপিত জীবন সিরিজে লেখার ইরাদা আছে। সো আপাতত আপ্নারে স্বান্তনা দিলাম। আর এক্তা কথা, অনেক সময় অনেক কিছু ভালো না লাগলেও করতে হয়। তাই এই প্রশ্নের উওরও আপনাকে দিতে হবে।
আহেম আহেম; প্রথম প্যারা পইড়া মুগাম্বো খুশ হুয়া;
এগুলাও মনে দাগ কাটছিলো
আমার ক্ষেত্রে ভালো-মন্দ ব্যাপার না যে কোন একটা কিছু মাথার ভিতর ঢুক্লেই বিরক্ত লাগে। আর আমারো সাধারনত গল্প/উপন্যাসের কোন লাইন মনে থাকে না, কোন বিশেষ লাইন কোন গল্প উপন্যাসকে ধারন ও বোধয় করে না, ঘটনা হল কোন কোন লাইন হুদাই মাথায় ঝিঁঝির ডাক ডাকে।
নাটক-সিনেমার ডায়লগ আমারো মনে থাকে,ব্যাবহার করি বাট ওগুলো যন্ত্রনা করেনা। বহুব্রীহীতে আমার প্রিয় ডায়লগ ছিলো-"বহিষ্কার হও", এছাড়া থামলে ভালো লাগে, কঙ্কা ভাইয়া তিতলী ভাইয়া, মাইরের মইধ্যে ভাইটামিন আছে, ছি ছি তুমি এত খারাপ, সানডে মানডে কোলজ কইরা দিমু, মারবো এখানে লাশ পরবে শ্বসানে
কিছু লাইন মাথায় ঢুকে পড়ে, তা সত্য।
ভালো লাগলো লেখাটি।
ধন্যবাদ; ভালো থাকবেন
মাঝে মাঝে দু একটা গানের কলি এমন কড়া ভাবে মাথায় ঢুকে যায় যে ইচ্ছে করে হাতুড়ির বাড়ি দিয়ে মাথাটা দুভাগ করে ওগুলো বের করি। আমার স্মৃতিশক্তির স্থায়িত্বকাল আবার গোল্ডফিশের থেকে সামান্য বেশি, তাই কোন গানের কলি হয়তো মাথায় ঢুকল কিন্তু প্রানপণে চেষ্টা করেও মনে করতে পারছি না সেটা কোন গান ... হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছি হারানো গানের লাইনগুলি ... এরকমটা প্রায়ই হয়। কিন্তু কেন হয় কে জানে, সামান্য একটা গানের কলি মাথার ভেতর কোন অসামান্য বিক্রিয়া ঘটায় জানতে বড়ই ইচ্ছে করে।
মন্তব্যের সাথে তীব্রভাবে এক্মত; কিছু দিন আগে আমার মাথায় ঢুকছিলো "জাগে জাগে আরমা ইয়ে, জাগে জাগে হাম"-- অনেক চেষ্টা কইরাও গানের প্রথম লাইন, সিনসিনারি কিছুই মনে পরে না আর এই গান মাথায় সব সময় থাকে না যে নেটেসার্চ কইরা বের করবো ; বেকায়দা সময়ে মনে পরে হয়তো মাঝরাতে ঘুম ভাইংগা গেছে তখন অথবা রাস্তায়;
ছোটবেলায় ভালোলাগা বইগুলো বার বার পড়ার অভ্যাস ছিলো। "সূর্য দীঘল বাড়ী" আমি অন্তত ২০ বার পড়ছি। এইরকম আরো বই ছিলো যেগুলো বারে বারে পড়া। বিশেষত: আমসত্ত্ব খেতে খেতে বই পড়তে হেভি লাগতো আমার।
আমসত্ব খাইতে খাইতে বই পড়িনাই বই পড়তাম চা পান করতে করতে
কাঁকন বুঝাইলো, সে বাংলা সাহিত্যের অনেকগুলো উপন্যাস পড়ছে এবং সেখান থেকে কিছু কথার উপমা দিছে... দুঃখের বিষয় হচ্ছে- রায়হান ভাই কাঁকনের চেয়ে এক ডিগ্রি সরেস। তিনি উপমা দিলেন, ইংরেজি থেইকা...। এরেই কয়- সেয়ানে সেয়ানে লড়াই...
তয় সত্য কথা হৈলো, which is better only God knows'.
(কাঁক্নারে ক্ষেপাইয়া কানু গ্রুপের লগে একটা ঝামেলা লাগানোর অপচেষ্টা...)
অগ্রিম সমবেদনা জানায় গেলাম @য়াযাধ ভাই
আমিও জানাইলাম; য়াযাদ ভাই তো এবি তে ভবিষ্যতে আরো পোস্ট দিব
ব্যাপার্না খ্যাতিমান ব্যাক্তিদের সাথে বেহুদা খোচাখোচি কইরা নিজেরে বিখ্যাত কইরা তোলার স্ট্র্যাটেজি পুরানো তবে এই পন্থায় কুখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি আর কি; যাই হোক কু সু সব ই খ্যাতি
উগরাইতে না পারলে ব্লগায়া ফায়দা কি?
কনক্লুশন কিন্তু এইটাই

ভালোলাগলো
হ
হিমুর প্রথম দিকের বই ,সম্ভবত ময়ুরাক্ষীতে ,একটা লাইন ছিল ,হিমু রুপাকে বলছে ,হিমুরা কখনো কারো হাত ধরেনা ...।
এই লাইন অনেক দিন মাথায় ঘুরপাক খেয়েছিল ।
হিমুর প্রথম নারে ভাই সব বই এই এই ডায়লগ আছে আরেকটাডায়লগ আছে প্রকৃতি রহস্য পছন্দ করে না অথচ সে নিজে রহস্যময়
কে কথা কয়? শিরোনামেই অনেক দিন আচ্ছন্ন ছিলাম। বিশেষ করে চৈনিক কবিতা।
এ কি দু পা
ক ং ই খি
টি বা টি
নদ্দিউ নতিম
আমার একটা অসুখ আছে। প্রতিদিন সকালে ঘুম ভাঙার পর পর মাথার ভিতর হাজার হাজার মানুষের কথা শুনি। অর্থহীন সব কথা। এবং সব চেয়ে বিরক্তিকর ব্যপার একটু পর আর মনে করতে পারি না কি কথা বলছিল তারা।
এটা কিন্তু কমন একটা ঘটনা; অনেকেরি হয়; আমারো হয় মাঝে মাঝে;
মাথায় গ্রে ম্যাটার কত জিবির ? নতুন মেমোরি কার্ড লাগাইলেই হয়...
১. রুদ্রর একটা কবিতার লাইন আছে
অভিলাষী মন জোস্নায় না পাক, চন্দ্রেতে পাক সামান্য ঠাই।
এইটা এখনো আমার মাথায়।
২. কবির সেই লাইন...
ভালবেসে মিটলো না সাধ এই জীবনে হায় জীবন এতো ছোট কেনে....
৩. রবীন্দ্রণাথের কিছু লাইন
আমার হাতে তো নাই ভুবনের ভার
মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে চলে
তাহাতে এ জগতে ক্ষতি কার
নামাতে পারি যদি মনোভার
শ্রাবণবরিষণে একদা গৃহকোণে
দু'কথা বলি যদি কাছে তার
তাহাতে আসে যাবে কিবা কার।
এইটা তো ভীষণ প্রিয়, এক বালিকারে বইলা ধরা খাইছিলাম।
সে সব ভার আমার উপর ছাইড়া দিতে চাইছিল
`যে জীবন দোয়েলের ফরিঙের তার সাথে হয়না তো দেখা
এই ভেবে...'
ভালো লাগার অনেক লাইন ই তো অনেক দিন মনে থাকে আমি যেগুলো মাথায় যন্ত্রনা দিত সেগুলোর কথা লিখলাম আর কি;
যাই হোক মাত্তালমতাই কুমিল এর মতন আপ্নার সবকিছুই দেখি বালিকায় আইসা ঠেকে
অনেক লাইন মনে পইড়া গেল ...
রবীন্দ্রনাইথ্যা প্রথম ঃ
কি জানি কিসের ও লাগি প্রান করে হায় হায় ...
আমার স্মরন শুভ সিন্দুরে একটি বিন্দু ...
আমাদের গিয়াছে যে দিন সে দিন কি একেবারেই গিয়াছে? কিছুই কি তার নাই বাকি ...?
দিবসের প্রথম সূর্য্য প্রশ্ন করেছিল স্বত্তার নতুন আবির্ভাবে, কে তুমি?
নির্ঝরের "প্রিয় গাছবন, পাতা ঝরার দিনে তুমিও কি কাঁদো ..." এই লাইন টা আমার সারাজীবন মনে থাকবে ...
শিরোনামহীনের "ইচ্ছে হলে ভালোবাসিস, নাহয় থাকিস যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল ..."
ক-খ-গ এর প্রোফাইলের লাইন ...
এই সব মৃত্যু কোন শেষ নয়, সব নয়, এই সব মৃত্যু থেকে শুরু হয় আমাদের সূর্য্যময় পথ।
কোথায় যেন পড়ছিলাম "রবীন্দ্রনাথের পর আর কিছু লেখার কোন মানে নাই"
এখন মাথায় ঘুরতাছে আংড়েজি লাইন... u put a hole where my heart should be!
Who?
মানে কি?
ভাঙ্গা এখন hole-heartedly লিখতেছে তাইলে
মেয়েটা জিগায় : বাইরে বৃষ্টি হয়?!!!
ছেলেটা কয়: না ভিতরে বৃষ্টি পড়ে।
এই কথা শুনছিলাম, এখনও দেখি মাথায় আছে।
ও এই পোষ্টতো দেখি আগে পড়ছি, কমেন্টও করছি।
খালি কমেন্ট করেন নাই বিশাল কমেন্ট করছেন
"বায়োস্কোপ গানটা শোনার পর 'ডাইনে তোমার চাচার বাড়ি, বায়ের দিকে পুকুর ঘাট , সেইভাবনায় বয়স আমার বারেনা' এটা মাথায় ঢুকেগেছিলো। ভাবনায় তো বয়স বেড়ে যাওয়া উচিৎ।"
এটা ব্যখ্যা আমি জানি, মানে বের করেছি।

প্রথমে লক্ষ্য করো যে গানের শিরোনাম বায়োস্কোপ। বায়োস্কোপ দেখছ কখনো? স্থির চিত্র- অর্থাৎ সময় সেখানে চিত্রে বন্দী। ফলে বয়েস বাড়ে না।
"ডানে চাচার বাড়ি" "বায়ে পুকুরঘাট" - অর্থাৎ সে প্রণয়ের পরিণতি নিয়ে ভাবনায় আছে। পুকুরঘাটের সাথে জলের সম্পর্ক, চাচার বাড়ির সাথে দূর্বত্ব কিংবা মুরুব্বীটাইপ ব্যাপার। ফলে স্মৃতিটুকু বা ভাবনাটুকু একটা জায়গায় এসে আটকে যাচ্ছে, মানে সময়ের সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে না। মানে ভাবনায় বয়েস বাড়ছে না।
বাপ্রে; গান নিয়া থিসিস, তবে ব্যাখ্যা পছন্দ হইছে
মনের হাবিজাবি উগরাইতে না পারলে ব্লগায়া ফায়দা কি?
হক কথা
ho
মন্তব্য করুন