হাবিজাবি (হুমায়ূন আহমেদের চামরা তুলে নেব আমরা; হুমায়ূন আহমেদের চামরা লাগিয়ে দেব আমরা)
১)
"এই পথ যদি না শেষ হয়, তো বাইক চড়লে বেশ হয়
কি জন্ডিস কেস হয় ব্রহ্মা জানে.........."
যদিও যদির বাড়ি নদীতে তবুও কিছুক্ষণের জন্য ভুলে যান যে হুমায়ূন আহমেদ "সানাউল্লাহর মহা বিপদ, হলুদ হিমু কালো র্যাব, ইত্যাদি" বই লিখেছেন, ১০ নম্বর বিপদ সংকেত এর পরিচালক এবং "মহান চৈনিক চিকিৎসক, তারা তিনজন টি মাস্টার, ইত্যাদি" নাটক এর চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক। আপনি বরং মনে করুন নিন্মলিখিত তালিকার বাইরে তার কোন সৃষ্টি/অনাসৃষ্টি নেই:
উপন্যাস/বড়গল্প:
১)নন্দিত নরকে
২)শঙ্খনীল কারাগার
৩)আমার আছে জল
৪)নবনী
৫)রূমালী
৬)শ্রাবন মেঘের দিন
৭)দারুচিনী দ্বীপ, রূপালী দ্বীপ
৮)শুভ্র
৯)শ্যামল ছায়া
১০)জোছনা ও জননীর গল্প
১১)ছায়াবিথী
১২)পেন্সিলে আকা পরী
১৩)প্রিয়তমেষু
১৮)অন্ধকারের গান
১৯)আমাদের সাদা বাড়ি
রহস্যোপন্যাস/অতিপ্রাকৃত গল্প:
১) বৃহন্নলা
২)আমি ই মিসির আলী
৩)বাঘ বন্দী খেলা
৪)দেবী, নিশিথীনি, নিষাদ
৫)অন্যভূবন
বিজ্ঞানিক কল্পগল্প:
১)তোমাদের জন্য ভালোবাসা
২)ফিহা সমীকরণ
৩)শুন্য
৪)নি
৫)অনন্ত নক্ষত্রবিথী
৬)ইরিনা
৭)তারা তিন জন
শিশুতোষ রচনা:
১)তোমাদের জন্য রূপকথা
২)নীল হাতি
৩)একি কাণ্ড
৪)সূর্য্যের দিন
আত্মজীবনিমূলক রচনা:
১)এলেবেলে - ১,২
২)আমার আপন আঁধার
অনুবাদ:
১)অমানুষ
২)এক্সরসিস্ট
৩)সম্রাট
নাটক:
১)এইসব দিনরাত্রি
২)অয়োময়
৩)বহুব্রিহী
৪)কোথাও কেউ নেই
৫)নক্ষত্রের রাত
চলচ্চিত্র:
১) আগুনের পরশমনি
এই তালিকাতে হুমায়ূন আহমেদ সীমাবদ্ধ থাকলে আমরা চায়ের কাপ হাতে আহাউহু করতে পারতাম, লোকছিলো একটা, সাহিত্যের যে শাখায় হাত দিসেসোনা ফলসে কিন্তু এত অল্পতেই থেমে গেলেন বঞ্চিত হলো বাংলা সাহিত্য, চলচ্চিত্র, নাটক, ব্লা ব্লা ব্লা........
কিন্তু ঘটনা তা হয়নাই, ভদ্রলোক লিখতেসে তো লিখতেসে, তার লিখায় অনেকদিন ধইরাই কোন ভ্যারিয়েশন নাই, দীর্ঘদিন হইলো তার নতুন লিখা পড়া হয় না। এহ সময় হুমায়ূন আহমেদের ঈদের নাটকের জন্য অপেক্ষাও বাদ দিসি অনেক দিন। হিমু সেরকম পছন্দ ছিলো না কোন সময় কিন্তু হলুদ হিমু কালো রেব এর আগপর্যন্ত অখাদ্যও লাগে নাই ঠিক, ইদানিং কালের মিসির আলির গল্প পড়লে হুমায়ূন আহমেদরে সবিনয় নিবেদন জানাইতে ইচ্ছে করে স্যার আপনার যা খুশি লেখেন কিন্তু মিসির আলী লেখা বাদদেন, আমার প্রিয় চরিত্রটার ১২ টা বাজায়েন না। কিন্তু তারপরো হুমায়ূন আহমেদ বইমেলা জুড়ে থাকেন অথবা বইমেলা হুমায়ূন আহমেদ জুড়ে থাকে, হয়তো মৃন্ময়ীর মন খারাপ মার্কা একি প্লটের একি স্টাইলের বর্ণনার বস্তাপচা বই লিখে যাচ্ছেন কিন্তু প্রতিবছর কাশেম বিন আবু বকর এর ও হালিখানেক বই বের হয় সেখানে হুমায়ূন আহমেদের বই বের হইলে ক্ষতি কি, ভদ্রলোকের প্রফেশন বই লিখা সে এখন প্রফেশনাল রাইটার সে ডজন ডজন বই লিখে (চাহিদা থাকলে যোগান তো থাকবেই) কারন বাংলাদেশে একটা/দুটা বই লিখে কোটিপতি হওয়া যায় না। আমি কোন সময়ি বোদ্ধা পাঠক ছিলাম না আমি মুগ্ধ পাঠক, চানাচুর আমার প্রিয় খাদ্য, আর কোন গুণ থাকুক বা না থাকুক গল্প বলার গুণ টা হুমায়ূন আহমেদের অসাধারন, যেখানে কোন গল্প নেই সেই নাগল্পও উনি বলেন চমৎকার করে।
এক সময় হুমায়ূন আহমেদের বই পড়তাম, মুগ্ধ হইতাম, তারপর পড়তাম আবিষ্ট হইয়া পড়া শেষে মনে হইতো কি লেখসে টাইম লস, অনেকদিন যাবৎ পড়ি না, কি বালছাল লেখে বইলা পড়া ছাড়ছি অনেক দিন, গাইল ও এরেই দিসি সবচেয়ে বেশি কিন্তু অন্যকেউ যখন তারে নিয়া আজেবাজে কথা বলে তখন বুকের কোথায় যেন স্থূল বেদনা হয়।
২)
নাম করনের সার্থকতা হলো হু আ তার এক আত্মজীবনিমূলক বই এ লিখেছিলেন ঢাকা ভার্সিটির কোন এক হলের প্রক্টর/প্রভোস্ট থাকার সময় ছাত্রনেতারা ওনার বিরুদ্ধে মিছিল করেছিলো "হুমায়ূন আহমেদের চামরা তুলে নেব আমরা" এটায় স্বাভাবিক ভাবেই ওনার মন খারাপ হয়েছিল কিন্তু তখন ওনার মেয়েরা বারান্দায় পাল্টা মিছিল করেছিল "হুমায়ূন আহমেদের চামরা লাগিয়ে দেব আমরা"
৩)
হুমায়ূন আহমেদের সাথে অটোতে শাওন চলে আসে, ব্লগোস্ফিয়ারে বেশিরভাগ হুমায়ূন আলোচনাই শুরু হয় শাওন দিয়া, "আজ রবি বার" এর পর শীলা আর শাওন একসাথে একটা সাক্ষাৎকার দিছিলো সেখানে শাওন হুমায়ূন চাচার অনেক গুণগান করছিলো এরপর শ্রাবন মেঘের দিন/দুই দুয়ারীর পর এক সাক্ষাৎকারে সে হুমায়ূন স্যারের গুণগান করছিলো।রূমালী পড়ার পর আমি অপেক্ষায় ছিলাম শাওন এর মুখে হুমায়ূন ভাই এর গুণগান শোনার কিন্তু ভাই এর কথা শোনার আগেই তাদের বিয়ের কথা শুনলাম, এই বিয়ে আমার অপছন্দ হতে পারে কিন্তু বে আইনি না, হয়তো বা অনৈতিক ও না; ওনার বিয়ে নিয়ে আমার ইনফ্যাক্ট কিছু বলার নেই, আমার খারাপ লেগেছিলো ওনার বিয়ে জাস্টিফাই করার জন্য যখন পাঠকদের কাছে খোলা চিঠি লিখে গুলতেকিন কেই দায়ী করার চেষ্টা করলেন, গুলতেকিন এর সাথে জীবনে কখনোই সুখী ছিলেন না টাইপ কথা বলার চেষ্টা করলেন কারন ওনার বিভিন্ন আত্মজীবনীমূলক লেখা, বিভিন্ন বইএর উৎসর্গপত্রে গুলতেকিন এর জন্য ওনার ভালোবাসা কম উপচায়া পড়ে নাই, আজ সেভালোবাসা নাই থাকতে পারে তাই বলে অতীতের ভালোবাসা/মোহ তো আর মিথ্যে হয়ে যায় না।
৪)
ভালোবাসাবাসির কথায় ভালোবাসার রসায়ন বিষয়ক কিছু কথা বলতে মন চাইলো; নারী-পুরুষের যুগল ভালোবাসা আসলে নিঃস্বার্থ হওয়া সম্ভব না, আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে এজন্যই ভালোবাসেন কারন তাকে ভালোবাসতে আপনার ভালো লাগে, আপনি ভালো বোধ করেন। আপনি তাকে সুখী করতে চান কারন তাকে ভালোবেসে আপনি নিজে সুখী।
৫)
বাফড়ার একটা কমেন্ট পড়ে মনে হল আমার হাবিজাবি পোস্টের নাম চেন্জ করে জগাখিচুরী রাখা উচিৎ। নাম বদলায় দেব নাকি 
৬)
এক যায়গায় দেখলাম "কিউ কি সাস ভি কাভি বহু থি " এর বাংলা নিয়া কিন্চিৎ ঝামেলা হচ্ছে। আমার মনে হয় এর আক্ষরিক অর্থ "কেননা শ্বাশুড়িও এক দিন বৌ ছিলো " আর ভাবানুবাদ "তুমি চলো ডালে ডালে আর আমি চলি পাতায় পাতায় "





পড়লাম, হাপালাম । অনেক সুন্দর করে গোছিয়ে লিখেছেন । হুমায়ুন মানে মুগ্ধতা । চোখবন্ধ করে সীমাহীন মুগ্ধতা । বাংলাদেশের এমন কোন লেখক নেই যিনি হুমায়ুন আহমেদের মতো বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন । আমার অভ্যাস চিত্রকল্পের সন্ধান করা তাতে হুমায়ুনকে ১০০ মার্কে ১০০ না দিলে অবিচার হবে । অখাদ্য হলেও খাই হুমায়ুন পরিবেশিত খাবার । যে যাই বলুক হুমায়ুন হুমায়ুনই ...
"বাংলাদেশের এমন কোন লেখক নেই যিনি হুমায়ুন আহমেদের মতো বাস্তবতাকে তুলে
ধরেছেন ।" -- এটা মনে হয় বেশি বেশি হয়েগেল
আরো কি কি জানি কইতে চাইসিলাম, গুলায়া ফালাইসি ...
সেটাই;
আপনি সব পোস্টেই মেলা কিছু কইতে চান বাট শেষমেষ কিছুই কন না

আমি গত বইমেলায় দেখলাম নন্দিত নরকে কোন প্রকাশনী যেন রিপ্রিন্ট করছে, সাথে সাথে কিনে ফেললাম কারণ আগেরটা হারায় গেছিল। যে লোকের প্রথম বই নন্দিত নরকে, তার এখনকার বই পড়লে মেজাজ খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কি আর করা, লিখা না লিখা তার ইচ্ছা।
ভালো অল্প বলেই তা অল্প; সেটাই লেখা না লেখা তার বিবেচনা
জনপ্রিয়তাই একমাত্র মাপকাঠি না। জয়নাল হাজারী বা সাকাচৌ নিরমল সেনের চেয়ে অনেক জনপ্রিয়, সেটাকে যেন শ্রেসষ্ঠত্েৃ মপাকাঠি হিসাবে যেন না দেখি।
ইদানিং হুমায়ুনের ১টা লেখায় দেখলাম গুলতেকিনের দোষ না দিয়ে নিজের ২য় বিয়েকে জসাটিফাই করছেন। হুমায়ুনের উপন্যাসের কোন না্যিকা মাত্রই আনডার ২০। ম্যাকসিমাম ২৫। এটা বিরাট দুর্বলতা তার।
একজন মানুষ তার জীবনের সব অংশ নিয়েই। ১ম টেসটের পর রিটায়ার করলে আশরাফুলকে একটা বিরাট বিস্ময় হিসাবে জানতাম আমরা। এখনো হ্যত তাই জানি, তবে খারাপ অর্থে ।
আমার তারা তিনজন আর অমানুষও ভালো লাগসিলো।
জনপ্রিয়তা একমাত্র মাপকাঠি না হইলেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ন, ফেলনা না;
ওনার ইচ্ছা হইছে উনি আরেকটা বিয়ে করসে এইখানে আমি জাস্টিফিকেশন চাওয়ার কেউ না আমার শুধু গুলতেকিনরে নিয়া টানাটানিটা ঐসময় ভালো লাগে নাই।
খেলোয়ারদের সাথে বোধয় লেখকদের তুলনা হয় না নানা;
আশরাফুল রে নিয়াঅনেক কথা বলা যায় কিন্তু বড় কথা হইলো আশরাফুলের রিপ্লেসমেন্ট কি আমাদের আসলেই আছে এবং আশরাফুল এরকম হয়ে গেল কেন। আমার নিজের ধারনা আমাদের দেশের ক্রিকেট অবকাঠামোর উন্নতি দরকার, যেই ম্যান্দামারা ঘরোয়া ক্রিকেট সেই খান থেকে উঠে আসা খেলোয়াররা আন্তর্যাতিক পর্যায়ে লড়াই কেবে কিভাবে।অবকাঠামোর উন্নতি না করলে আশরাফুলরে গাইলাইয়া আর কোচ বদলাইয়া কোন লাভ নাই।
অমানুষ তো অনুবাদ তাই প্রথমে বাদ দিছিলাম এখন যোগ করে দিলাম
বাংলাদেশের একটা হাস্যকর পলিসি আছে প্লেয়ার নির্বাচনে। খারাপ করলেই দল থেকে বাদ। এটাই সমস্যা। অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডে ঘটনাটা উল্টা। সেখানে দলে ঢুকতে হলে ভাল খেলে ঢুকতে হবে। সুতরাং আশরাফুলকে বাদ দেয়ার সময় তার রিপ্লেসমেন্ট বিবেচনা করা হয় নাই। এমনকি যেই অভিষেক সেঞ্চুরির কথা বলা হয় আশরাফুলের, সেটাও নির্বাচকদের ভুল। ১৬ বছরের আশরাফুল মেধাবী ছিল ঠিক, তবে বোর্ড ভাবছিল, বুঝি বাংলার টেন্ডুলকার আইসা পড়ছে! ফলাফল ইমপালসিভ ব্যাটিং, চিন্তাভাবনা ছাড়া খেলা। এখন যখন দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে- চাপায় দেয়া হলো, বেচারা আর খেলতেই পারলো না।
আজকের আশরাফুলের যে পতন; তার জন্য আশরাফুলকেই গালি শুনতে হয়, বোর্ডকে শুনতে হয় না। মাঝে মাঝে আমার খারাপ লাগে, হয়তো খারাপ খেলেই দল থেকে বাদ পড়ছে, কিন্তু বিভিন্ন ব্লগে তারে যেভাবে তুলোধুনা করা হয়; মনে হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার কোনো অবদান নাই।
হ সেইটাই; প্রতিভার বিকাশের জন্য পরিচর্যা লাগে;
আর কি অবস্হা দেখছেন মাশরাফি, রকিবুল কি জাতিয় দলের প্লেয়ার কিরকম এটিচুড; পুরাই মনে হয় পারার ক্লাবটাইপ পরিবেশ অথবা আরো ছোট বয়সের বাচ্চাদের বিহেভিয়ার আমারে ব্যাটিং না দিলে ব্যাট নিয়া বাড়ি যামু গা
হ...আরেকটা কাম করতাম ছোট বেলায়, আগে ব্যাটিং পাইলে ব্যাটিং কইরা পলায় যাইতাম
সুযোগ থাকলে ঐডাও জাতীয় দলের কেউ দেখায় দিত
হ
হুমায়ূন এখনো শাওনরে ধইরা রাখতে পারছে এইটা একটা বিষয়।
লেখা ভালো লাগছে।
ধন্যবাদ
হুমায়ুনে মুগ্ধতা ছিল মাঝা মাঝি ... তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও বলার কিছু নাই ... তবে তৃতীয় বিশ্বের সব চাইতে গরীব একটা দেশের নাগরীকদের এন্টারটেইনমেন্টের জায়গা খুব অল্প... সেখানে হুমায়ুন আহমেদ অনেকের আইডল ছিলেন... আমি যখন অনেক মানুষের আইডল হই তখন কিন্তু আমি আর আমার থাকিনা ... আমি মানুষের হয়ে যাই...
আপনি কাউলে আইডল ভাবলে সেই দায়টা বোধয় একান্তই আপনার যারে আইডল ভাবতেসেন সে সেই দায় নিতে না চাইলে কিছু করার নাই; আমার ব্যাক্তিগত পর্যবেক্ষন হু আ কখনোই নিজেরে আইডল হিসেবে দাঁড় করাইতে চায় নাই
একটা বয়সে হুমায়ুন আহমেদের প্রতি মুগ্ধতা ছিল। জহির রায়হানের পর সহজ গদ্যে সাহিত্য লেখার প্রধানতম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাঁর শংখচিল বা নন্দিত নরকে বা নিশিকাব্য অসাধারন সৃষ্টি। কিনে পড়া হয়েছে প্রথমদিককার এই বইগুলো। কিন্তু একটা সময়ে এসে প্রায় ছোটগল্পগুলোকে উপন্যাসে রূপ দিতে দেখে এবং বৃত্ত ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে না পারায় হুমায়ুন আহমেদের প্রতি মুগ্ধতা কমে যায়। তবে টিভি নাটকের জন্য হুমায়ুন আহমেদ অনবদ্য তার অয়োময় আর বহুব্রীহির সমতূল্য নাটক খুব সহজে পাওয়া যাবে না। তার রসবোধ সত্যি বিস্ময়কর। মমতাজউদ্দিন আর হুমায়ুন আহমেদের মধ্যে এই ব্যাপারটা প্রায় সমভাবে বিরাজ করে।
ব্যক্তিগত জীবনে তার ব্যাপারগুলো বাংলাদেশের সমাজের জন্য আসলেই খুব বিব্রতকর। তবে মানুষ মাত্রেই স্ববিরোধী, তার মূল্য তাকে কখনো কখনো দিতে হয় প্রবলভাবেই। বাস্তবতা হলো তার চমৎকার পরিবারটি মূল্য দিয়েছে প্রচুর অস্বস্তির মধ্য দিয়ে। এখনো দিচ্ছে হয়তো।
আমার মুগ্ধতাও কেটেগেছে ওনার চর্বিতচর্বনে একঘেয়ে লাগতো আর লেখায় অযত্নের ছাপ ও প্রবল।
ব্যাক্তিগত জীবনে তার ব্যাপারগুলো বাংলাদেশের সমাজের জন্য আসলে ততটা বিব্রতকর না যতটা বিব্রতকর সে হুমায়ূন আহমেদ বলে। সে তো শাওন কে বিয়ে নাও করতে পারতো শেষ পর্যন্ত তাহলে আমরা আস্তে আস্তে এটা ভুলে যেতাম, কেউ কেউ এই স্ক্যান্ডেল মিডিয়ার ক্রিয়েট ভাবতো কিন্তু সে যে তার ভালোবাসা কে স্বিকৃতী দিল এই দিকটা একটা পজিটিভ দিক
লেখা জোশ হইছে।
হুমায়ূন আহমেদ ভালু পাই।আমি অন্ধ ভক্ত।মুগ্ধ পাঠক।ঘুম, খাওয়া সব বাদ দিয়ে ডুবে থাকি।
কয়দিন আগে মাতাল হাওয়া পড়লাম..শেষ পাতায় এসে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।মনে হলো পুরো পড়াটাই বৃথা গেলো।
হুমম; আমিও একসময় মুগ্ধ হয়ে পড়তাম; আহারে সেইসব দিন গুলা
প্রতিবছর বইমেলা আসে। নানারকম সব বই কিনি। কিন্তুক হুমায়ুনের বই কিনিনা প্রায় ছয় বছর হৈলো। চামে থাকি, কারণ জানি যে কারো না কারো কাছে পাওন যাইবৈ। হুমায়ুনের বই আমি পাইলেই পড়ি সে যেরকমই হোক্না কেন। পড়ার পরে হয়তোবা কখনও মেজাজ খ্রাপ হয়, তাও পড়ি।
এইটা একদম ঠিক কথা না কিনাও সবচেয়ে সহজে যার ভই যোগার করতে পারবেন দেশে থাকলে সে হু আ
ব্যক্তি হুমায়ুনের সংস্পর্শে যারা আসেন নাই, তারা বুঝতে পারবেন না- এই মানুষটার মধ্যে কিরকম রসবোধ আর শিক্ষা আছে। খুব অল্পতেই মানুষকে কাছে টানার এক অসম্ভব ক্ষমতা আছে এই মানুষটার। তার লেখার মান নিয়ে কিছু না বলি। কিছু ব্যবসায়ী মানুষ তাদের স্বার্থের জন্য হু.আহমেদকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছে। এতে হু.আ এবং সেইসব প্রকাশকরা দু'পক্ষই কোটিপতি হয়েছে। বারোটা বেজেছে বাংলা সাহিত্যের। অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছে পাঠকরা...
শাওন অধ্যায় নিয়ে কিছু বলতে আমার রুচিতে বাঁধছে...
"কিছু ব্যবসায়ী মানুষ তাদের স্বার্থের জন্য হু.আহমেদকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছে।"- আপনার এই কথাটায় দ্বিমত জানাইলাম, হু আ কচি খোকা না সে যা করসে করতেসে
বুঝে শুনেই করতেসে, সে টাকার জন্য লিখে এই কথা সে কোন সময় অস্বীকার করে নাই,
বাংলা সাহিত্য হয়তো আরো কিছু পাইতে পারতো বাট যা পাইছে তাও কম না।
এত রুচিতে বাঁধাবাধির আসলে কিছু নাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার রা ছাত্রীদের সাথে অনেক কিছুই করে আমরা ছি ছি করি ভুলে যাই, হু আ তো সেই তুলনায় আইনসম্মত ভাবে ডিভোর্স দিয়া বিয়ে করসে।
ভালোবাসাবাসির কথায় ভালোবাসার রসায়ন বিষয়ক কিছু কথা বলতে মন চাইলো; নারী-পুরুষের যুগল ভালোবাসা আসলে নিঃস্বার্থ হওয়া সম্ভব না, আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে এজন্যই ভালোবাসেন কারন তাকে ভালোবাসতে আপনার ভালো লাগে, আপনি ভালো বোধ করেন। আপনি তাকে সুখী করতে চান কারন তাকে ভালোবেসে আপনি নিজে সুখী...
বুঝলাম ভাই জান ।।কথা গুলো খুব ভালো লাগলো...চরম সত্য...ভালো লাগে বলেই ভালোবাসি...কিন্তু কারন খুজে দেখিনি।।কেন ভালোবাসি...অনেকে আবার কারন দর্শাও নোটিশ চায়...কিন্তু ভালোলাগে বলেই যে ভালোবাসি তা সবাই হয়তো বুঝতে চায় না...কারন তাকে ভালবাসতে ভাল লাগে, তার কথা চিন্তা করতে ভালো লাগে আর যদি সুখের কথা বলেন ।। তাহলে কে কিসে সুখী বা খুশি তা হয়তো সে নিজেও জানে না ...হয়তো অনেকেই জানে।
ধন্যবাদ
৩ নাম্বার পয়েন্টের সাথে সহমত।
হু.আ.'র সায়েন্স ফিকশন, অতিপ্রাকৃত, মিসির আলি এবং অনুবাদ ক্যাটাগরির প্রায় সব লেখাই খুব ভালো লাগে (বলাই বাহুল্য পুরনোগুলো)। ওনার একটা উপন্যাস ছিলো 'সম্রাট' বিদেশী উপন্যাসের ছায়া অবলম্বনে লেখা, পড়েছেন নিশ্চয়ই। কি চমৎকার একটা লেখা, না?
ভেবু সম্রাটের নাম পোস্টে আছে কিন্তু ; ফাঁকিবাজ পাঠক
অদ্ভুত এক যাদুতে জড়িয়ে ফেলেছে হুমায়ুন আহমেদ ... এখনও তার "হাবিজাবি" লেখাগুলো পড়তে ভালো লাগে ... সস্তা পাঠকের মনের কথা আর কি
বিষয়বস্তু যাই হোক, লোকটার প্রকাশের ভাষা এখনও সেরকমই সাবলীল
সেটাই; ভালো থাকবেন
নীড়সন্ধানীর সাথে একদিক দিয়ে একমত। বাংলা সাহিত্যে জহির রায়হানের পর সহজ গদ্য দিয়ে শুরু হওয়া হুমায়ূন তার সহজ গদ্যের জন্যই সবার ঘরে ঘরে। তাঁর লেখায় বুঝা যায়, তিনি লেখলেই তা পড়তে দারুণ লাগে। সমস্যা হলো সময়, যেটা উনি তাঁর লেখার পেছনে দেন বলে মনে হয় না। তাই পড়া শেষে ছাইপাঁশ বলে তাকে দুয়েকখানা গালিও দিতে মন চায়। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় নাটক-সিনেমার জগতে না এসে শিক্ষকতা আর লেখালেখি নিয়ে থাকলে বাংলা নাটক-চলচ্চিত্র জগত যতোদূর ক্ষতিগ্রস্ত হত, সাহিত্যজগতে লাভ তা পুষিয়ে দিত। শিক্ষকতায় থাকলে তার গবেষণার স্বভাবটাও থাকতো, সেটা লেখালেখির জন্য পজিটিভ হতো।
অচিনপুর, অপেক্ষা হুমায়ূন আহমেদের লেখা বইগুলার মধ্যে আমার অনেক প্রিয়(এবং আপনি নাম নেন নাই
)। ছোটবেলায় মা কিনেছিল আত্মকাহিনী "আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই"। এই লোক আর যাই হোক...আত্মকথা লেখাতে অদ্ভূতরকম দক্ষ।
শাওন প্রসংগ লেখক হুমায়ূন আহমেদের বিশ্লেষণে আসলে ভীষণ বিরক্ত লাগে। শুধু তা-ই না, ব্যক্তি হুমায়ূন আহমেদকে বিশ্লেষণ করতে গেলেও এই প্রসংগ বিরক্ত লাগে। বাঙালি "কে কারে বিয়া করলো, কে কি আকাম করলো বিয়ার আগে আর পরে" এইসব টপিক নিয়ে রসালো আলোচনা খুব পছন্দ করে। তবে ইদানীংকার আত্মকাহিনীতে শাওনের ঘন-ঘন অকারণ উল্লেখ কিছুটা বিরক্তিরও উদ্রেক করে।
আমি অবশ্য যা পাইনাই তার আশায় "আগুনের পরশমনি", "বহুব্রিহী" বিষর্যন দিতে রাজি না বরং শুধু "আগুনের পরশমনি" যদি উনি বানাইতেন কোন বইটই না লিখা আমি তারে স্যালুট দিতাম।
অনেক বই এর নাম ই বাদ পড়ে গেসে তৎক্ষণাৎ যা মনে পড়ছে আর কি, অপেক্ষা,অচিনপুর,নির্বাসন,সাঁজঘর,জনমজনম--আমার নিজেরো অনেক প্রিয় বই।
হ
মধ্যাহৃ পইড়া চরম মেজাজ খারাপ।
মধ্যাহ্ণ প্রথমটা পড়ছিলাম, পড়ে মনে হইছিল যত্ন করে লিখলে অনেক ভাল হইতে পারত। দ্বিতীয়টা কেমন? মাথা ঠুকার মত?
ইতিহাস নিয়া সাহিত্য রচনা করতে চাইলে যে টুকু পড়ালেখা , গবেষনা করার দরকার সেটা করার ইচ্ছা সময় কোনটাই ওনার ছিল না, সুনীল এর প্রথম আলো থিকা অনুপ্রানিত হইয়া ঐ স্টাইলে কিছু একটা লিখার বাই উঠছিলো আর কি তাই মধ্যযহ্ন লিখে ফেলসে মনের মাধুরী মিসাইয়া
সহমত। অনেকেই বলছে ভালো লাগছে, কিন্ত আমি পইড়া মোটেও আরাম পাই নাই। হুদাই লেখা মনে হইছে। তয় সবি যখন পয়সার জইন্য লেখা, কিছু কওয়ার নাই। পাবলিক খাইছে, আর অহনো খাইতাছে। এইটাই আসল ঘটনা। এরাম ঘটনা ঘটানো এত সহজ ঘটনা না।
খুবি বিরক্ত লাগসে; কই ভুমিসূতা আর কই লাবুস; সুনীল এর স্টাইল নকল করার চেষ্টা টাই আমারে বেশি পীড়া দিসে
সুনীলের সেই সময় পড়ছেন? সিরাম একখান বই ছিল!
হুমম; সুনীল শীর্ষেন্দুর ব্যাপারে আমার অবজার্ভেশন হইল এদের মোটামোটা বইগুলো ভালো হয়, সম্ভবত মোটামোটা বইগুলা এরা মনের আনন্দে লেখে সময় নিয়ে আর টাকা-পয়সার জন্য ছোট ছোট বই লিখে
কথা সত্য না, শীর্ষেন্দুর কি একটা মোটা বই যেন শুরু করছিলাম। পুরাই সিরিয়াল মার্কা কাহিনী। ভাইয়ের বৌ এমন, আমি ওমন, মায়ের লগে ভাবী ঝগড়া করে টাইপ কাহিনী। দশ পৃষ্ঠার মতো পড়তে পারছি...তারপর দিছি আছাড়।
এরপর থেইকা শীর্ষেন্দুর বই পড়ি অন রিকমেন্ডেশন
কি যেন তাইলে আমি ঐটা পড়িনাই; আর দুই একটা ব্যাতিক্রম থাকবোই;
শীর্ষেন্দুর ছোট ছোট অনেক উপন্যাসও কিন্ত অনেক সুন্দর। গুহমানব, দ্বিচারিনী এরকম অনেকগুলা বই আছে পরে বেশ আরাম পাইছিলাম। শীর্ষেন্দুর এভারেজ বেশ ভালো। সুনীল অতিরিক্ত রকমের ফালতু লেখা লেখে। আর বড় বইয়ের ব্যাপারে কথা সত্য। ওদের বড় বই গুলা অনেক জোস হয়।
ছোট অনেক উপন্যাস ও ভালো তবে তার ভারী কোন উপন্যাস আমার খারাপ লাগে নাই
এই তালিকাতে হুমায়ূন আহমেদ সীমাবদ্ধ থাকলে আমরা চায়ের কাপ হাতে আহাউহু
করতে পারতাম, লোকছিলো একটা, সাহিত্যের যে শাখায় হাত দিসেসোনা ফলসে কিন্তু
এত অল্পতেই থেমে গেলেন বঞ্চিত হলো বাংলা সাহিত্য, চলচ্চিত্র, নাটক, ব্লা
ব্লা ব্লা.........আমি ভাবলাম, মাইরাই ফেল্লা কিনা...হা হা হা...
হুআ'র কথা কৈয়া কি লাভ, তারচেয়ে কই, তুমি ভাবানুবাদক হও...কিউ কি সাস বাহু'র যে ভাবানুবাদটা করলা, পোইড়া জেনুইন হাহাপগে হৈলো...
আমার মায়ের কাছে যখন আমার ভাইরা ধরা খাইত তখন মায়ে যে লুক টা দিত সেইটা দেখলে তুমিও কিউ কি কাভির ভাবানুবাদ ঐটাই করতা
জোস একটা পোষ্ট হইছে কাকুন
যাক অবশেষে তুমি কিছু একটা টাইপ করলা মন্তব্যে আমি তো ভাবছিলাম ফুটনোট দিমু পাক্না শুধু ইমো দিলে ব্লক করে দিব
ইমো দেওয়া ব্লগারকে ইমো না দেয়ার কথা মনে করায় দিতে নাই
হ; পাগলারে তুই নাও ডুবাইস না কাহিনী স্বরণে আছিল না; এই ভুল আর হইব না
১। এইখানে আপাতত কিছু যোগ করতে চাই। সব মনে পড়তেছে না। কোনো সন্দেহ নাই যে আরো অনেক ভালো কিছু লেখা আছে।
উপন্যাস
২০। জনম জনম
২১। সাজঘর
নাটক
৬। আজ রবিবার
ছোট গল্পের কথাতো কইলেনই না। হু আ ছোট গল্প গুলা অনেক জোস। এক সময় পড়ছি, দেদারছে পরছি হু আ। তখন ভালো লিখত, পড়তে ভালো লাগতো। এখন ভালো লিখে না পড়তে ভালো লাগে না। তাই পড়িও না। হিসাব একদম সোজা। তাই বইলা একসময় ভালো লাগতো, কিংবা সে ভালো লিখত সেইটা মিছা হইয়া যায় নাই। এখন সে পয়সার লাইগা বই লেখে। আমার তাতে কুনু সমস্যা নাই। তাই অহনো হু আ রে হ্যাটস অফ। তয় কখনোই হু আ রে কথা সাহিত্যিক মনে হয় নাই। মনে হইছে কথা শিল্পী, এমন কমুইনিকেটিভ লেখা সবাই লিখতে পারে না। তাই তার লেখারে যারা সাহিত্য দিয়া বিচার করে হেগো লগে কুনু আলোচনায় যাই না।
২। টাঈটেল দেইখাই মনে পড়ছে ঐ ঘটনার কথা।
৩। পাঠকের কাছে খোলা চিঠি আমারো পছন্দ হয় নাই। তয় ঐটা কি করবে না করবে বুঝতে না পাইরা লেখা মনে হইছে।
৪ আর ৫।
৬। অনুবাদের মাঠে যুগান্তকারী আবির্ভাব। কাঁকন্দি।
১) আসলে অনেক নাম ই বাদ পড়ছে সেই মুহুর্তে যে নামগুলো মনে পড়ছে সেগুলোই লিখসি আসলে, জনম জনম, সাঁজঘর, অপেক্ষা, অচিনপুর, নির্বাসন, তিথীর নীল তোয়ালে এগুলো আমার নিজের ও অনেক পছন্দের বই।
আজ রবিবার আমার অনেক পছন্দের নাটক অনলাইনে কিছুদিন আগে আবার দেখলাম খুবি মজা পেয়েছি কিন্তু কাহিনীর গভীরতা বা মেকিংএ এই নাটকটা আমার কাছে অন্যনাটকগুলোর চেয়ে লো স্কোরিং মনে হয়েছে তাই বাদ পড়েগেছে।
ছোটগল্প সে খুবি ভালো লিখে, বাঙালী লেখক ছোট গল্প তো লিখবেই এইরকম একটা ভাব থিকা মনে হয় আনকন্সাসলী বাদ পড়ে গেসে-সাদা গাড়, নীল বোতাম, নিশিকাব্য, (আর মনে পড়ছেনা)। আমি নিজেও তার এই কমিউনিকেটিভ বর্ননাটারেই সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করি, বিয়ের কনেরে এত স্নিগ্ধভাবে সাজানো তারে জবরজং লাগতেসে না আবার সেই যে বিয়ের কণে এটাও বোঝা যাচ্ছে সহজেই খুব কঠিন কাজ।
২) হুমম যারা জানে আগের থেকে তাদের মনে পড়বেই
৩)পাঠকের কাছে খোলা চিঠি লিখা কিন্তু সে পাঠকরে তার ব্যাক্তিগত জীবন নিয়া চর্চা করার লাইসেন্স দিয়া দিসে।
৪ আর ৫)
৬) আফসোস হিন্দী পড়তে পারি না তাইলে দুই একটা হিন্দী ছোট গল্প/কবিতা অনুবাদ কইরা স্বনামে চালাইয়া বিখ্যাত হইয়া যাইতে পারতাম মনে হইতেছে
আমিও আব্জাব পোস্ট লিখতাম
হ লিখা ফালাও তখন আমিও পোস্ট দিমু প্রতিভার কি নিদারুন অপচয়,
ভাল লিখেছেন...
ধন্যবাদ
#৩ নম্বর পয়েণ্ট বাদে ভালই ।
পার্সোনাল জিনিস নিয়া কথা না বলাই ভালো ।
৩ নম্বর পয়েন্টের কথাটা বোধয় আপনি ধরতে পারেন নাই; সে পাঠকের কাছে যে খোলাচিঠি লিখসে পাঠক হিসেবেসেই চিঠির কথা নিয়া আমার খারাপ লাগা জানাইছি; কোন লেখক পাঠকের কাছে খোলা চিঠি লিখলে আমার মনেহয় না সেই চিঠি ব্যাক্তিগত থাকে
আমার ভাগনা ভাগনিরে দুলাভাই একটা হুমায়ুন আহমেদের ছোটোদের বই আইনা দিছে(নামডাও দেখিনাই)...আমার ভাগনী আমারে ডাইকা কয় মামা দেখো...
বইডার মৈধ্যে নজরুলের ছড়ার কি বিকৃত রুপ, ছোটোদের বইয়ে...
"আমি হবো সকাল বেলার ঘুঘু
সবার আগে কুসুম বাগে
করবো আমি হাগু"
হাগু বা গু শব্দটার প্রতি হুআ'র মারাত্মক এয়ফিনিটি আছে....
বিলাই কোন বই নাপইড়া কোন পরিস্হিতিতে হু আ এইটা লিখসে সেটা না জাইনাকিছু কওয়া দুষ্কর; আর অনেক ছড়ার ই অনেক রকম প্যারডি হয় বাস্তবে এইটা অস্বিকার করাযায় না;
"একি কান্ড" আমার পছন্দের একটা বই; ঐখানেও একটা প্যারডি আছে
"আমাদের ছোট নদী চলে বাকে বাকে
বৈশাখ মাসে গাছে কাক বসে থাকে"
কথা সত্য, হৈতে পারে....কিন্তু ভাবতেছিলাম, পোলাপানের বই...অনেক বাপ-মা ই তাদের পোলা-মাইয়ারে এইসব শব্দ খোলামেলা ব্যবহার করাইতে পছন্দ করেনা.....কিন্তু হুআ, বই লেখছে, নিজের আনন্দের জন্যই লেখছে....কিন্তু ছোটোদের বইয়েও আলগা থাকবো?
তয় তোমার কথাও ঠিক..সবই হৈতারে...
ঐ টা পার্সোনালি আমারো পছন্দ হয়নাই কিন্তু কি আর করা কও
ভালোবেসে বিয়ে করা আর বিয়ে করে ভালোবাসা হওয়া, ব্যপারগুলা নিয়ে তর্ক থাকতে পারে কিন্তু সংসার প্রায় একই বস্ত্রুর নাম।
তবে আমি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানি, হু আ আর গুলতেকিন এর মাঝে খুব ভালো সম্পর্ক একটা পর্যায়ের পর থেকে ছিল না। শাওন না হলেও অন্য কেউ হতে পারতো। তবে মনে হয় নায়ক হলে এতো সমালোচনা হতো না ব্যপারটা নিয়ে লেখক হয়ে বেশি গাল খেয়েছেন। কিংবা নিঃসংগ জীবন কাটালে সমালোচনামুক্ত হয়তো থাকতে পারতেন।
কিংবা নিঃসংগ জীবন কাটালে সমালোচনামুক্ত হয়তো থাকতে পারতেন -- আমার মনে হয় না আপু ; এখন তো এক শাওন তখন নিয়মিত বিরতিতে একেকজন আমাদানি হইতো মুখরোচক গল্পের যোগান হিসেবে
হুমায়ুন আহমেদের বই পড়েছি কশোর বয়সে প্রায় আসক্তের মত।।... অনেক বছর যাবৎ আর না পড়লেও তাঁর বর্ণনা ভঙ্গী আমার কাছে এখনো আকর্ষণীয় মনে হয়। ।
হু-আ এর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি সবসময়ই আমার কাছে অরুচীকর মনে হয়েছে...।
ধন্যবাদ; একটা প্রজন্মের কৈশর আসলেই হুমায়ূন - জাফর ইকবাল এ আচ্ছন্ন ছিলো
হুমায়ুন আহমেদের লেখা একসময় টানা পড়েছি। এখন কারো কাছ থেকে পাইলে পড়ি। এইটা শুনে ভদ্রলোকের খুশি হওয়ার কারণ নেই, এখনো পড়ি মানে এই না এখনো তার প্রতি সেই আবেগটা কাজ করে। এখন বরং সময় কাটানোর একটা উপলক্ষের মতো লাগে তার বই পড়তে। উনার কথকভঙ্গি অসাধারণ, অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু ওটুকুই। এরচে' বেশি কিছু পাই না।
সুনীল, শীর্ষেন্দু নিয়েও কথা হয়েছে দেখতে পাচ্ছি। সুনীল, শীর্ষেন্দু, সমরেশ, শক্তি পড়ে আমার ভালো লেগেছে। এরকম একটা প্রজন্ম থাকলে সেদেশে প্রতিনিয়ত কালে-কালে অমর সাহিত্য সৃষ্টির চর্চা চলবেই। চলবে অমর সাহিত্যিক সৃষ্টির কর্মযজ্ঞও। তাঁদের অনেক রচনাই অসাধারণ। এবং তাদের নিয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্যতা আমার নেই। শুধু যেটা জানাতে পারি সেটা হচ্ছে বিনম্র শ্রদ্ধা।
কখনো শ্রদ্ধ কমা সম্ভব নয় তারাশংকর, অন্নদাশঙ্কর, মানিক, বিভূতিভূষণের প্রতিও। শুধু এখানে কোনরকম ক্রম মেনে তাদের নাম টাইপ করা হয় নি, এতটুকুতে যদি অশ্রদ্ধা প্রকাশ না পেয়ে থাকে।
বাংলাদেশের মধ্যে, একদম শুধু বাংলাদেশিদের মধ্যে হুমায়ুন আজাদ হচ্ছেন নাম্বার ওয়ান। পুরোমাত্রায় নাম্বার ওয়ান। হুমায়ুন আহমেদ বেশি না লিখলে তাকে নিয়ে আক্ষেপ হয়তো হতো, হয়তো হতো না; সে সম্ভাবনা তিনি নিজে নাস্যাৎ করে আক্ষেপ না হওয়ার বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। কিন্তু হুমায়ুন আজাদের অকালপ্রয়াণ বড় বেশি কষ্ট দেয়। আক্ষেপে পোড়ায়।
কাঁকন আপুকে অনেকগুলো কথা বলে ফেললাম।
মন্তব্য করুন