হাবিজাবি হাবিজাবি
বাঙালী জাতি হিসেবে খুবি ক্যাচাল প্রিয় এবং অভিমানি; এই অভিমান সম্ভবত ক্যাচালের বাই প্রোডাক্ট; ক্যাচল শেষে অভিমান করতে হয়, সবাই ঠোট ফুলিয়ে অভিমান করে আমি নাক ফুলিয়ে অভিমান করি, আমার মা আমাকে বলতো এই নাক ফোলায়া ফোসফোস করতে করতে নাকি আমার নাক মোটা হয়েগেছে। আমরা রাগ অভিমান করে পোস্ট ড্রাফট করি, আমাদের মাশরাফি-রকিবূল অভিমান করে খেলা ছেড়ে দেয়, আমাদের আসিফ আকবর কিছুটা অভিমান নিয়ে গান ছেড়ে দেন, আরো কতশত অভিমানি আছে মনে পড়ছেনা, সবাই আবার ঢাক-ঢোল পিটিয়ে অভিমান করে না। যাই হোক । কিন্তু এই অভিমানি বাঙালীর প্রতিনিধিত্বকারী রাজনীতিবিদরা অভিমান করে রাজনীতি ছাড়েন না কেন বুঝিনা।
কালকে হুমায়ূন আহমেদের একটা বই পড়লাম দেশিবইডটকম থেকে, "হিমুর নীল জোছনা"। এছাড়া আরো একটা নতুন বই এর নাম দেখলাম "শুভ্র গেছে বনে", বইটা এখনো পড়া হয়নি, পড়বো না সম্ভবত, শুভ্র আমার পছন্দের একটা চরিত্র, যাই হোক ঐ বইটা না পরলেও নামটা পড়ার পর থেকে মাথার ভেতর একটা নতুন পোস্ট উকিঝুকি মারছে , পোস্টের নাম "কানা বাবা গেছে জঙ্গলে"।
ছোটবেলা থেকে নামকরনের স্বার্থকতা লিখতে লিখতেই বোধয় আমি সব কিছুতে নাম করনের স্বার্থকতা খুজি।এখানে টিভিতে একটা সিরিয়াল দেখায় "হাউ আই মেট ইয়োর মাদার" -- আমি এটার ভাবানুবাদ করেছিলাম আমার শ্বাশুড়ির সাথে সাক্ষাৎ কিন্তু পর্বের পর পর্ব চলে্যায় কোথাও কোন শ্বাশুড়ি নাই অবশেষে কয়েক দিন আগে বুঝলাম নাম করণের স্বার্থকতা এইখানে শ্বাশুড়ি - টাশুরি নাই আমার হাজবেন্ড যডি আমার ছেলে-মেয়ের কাছে আমাদের দেখা হবার গল্প করে সেটাই "হাউ আই মেট ইয়োর মাদার"!!
টিভিতে আরেকটা সিরিজ শুরু হয়েছে "ভি" -- সাই ফাই, সিরিজের এড দেখে আমার অনেক পুরোনো আক্ষেপ হাত-পা ঝাড়া দিল; বিটিভিতে একটা সাই-ফাই দেখানো শুরু করেছিলো "বুন-আর্থ দ্যা ফাইনাল কনফ্লিক্ট"; আমার খুবি পছন্দের সরিয়াল, ভর সন্ধ্যেয় দেখাতো বলে কিছু রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সিরিয়াল টা দেখতে হত; খুবি ভালো লাগতো, টান-টান উত্তেজনা, হায় হঠাৎ করে সিরিজটা দেখানো বন্ধ করে দিল পেইন বিটিভি; সিজন-১ দেখিয়েই শেষ, পরের সিজনগুলো আর কন্টিনিউ করে নি; কত বিনিদ্র রজনী গেছে এরপর কি হয়েছে সেই চিন্তায়..........
এই ব্লগোস্ফিয়ারে ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে একটা কথা মনে হল আমরা আমজনতা বাস্তব জীবনে সজ্ঞানে অনেক অপছন্দের বিষয় এরিয়ে চলি বলা চলেসীমান মেনে চলি, সামনা মুখের ওপর কাউকে ছাগু বলা অত সোজা না যতটা সোজা ব্লগোস্ফিয়ারে তারপরো এরো একটা সীমা আছে এবং ব্লগে ব্লগে সীমানাটাও ভিন্ন। যাই হোক এই সীমানাটা আসলে কিসের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে, সাহিত্য সংস্কৃতিতে শ্লীল-অশ্লীলের মানদণ্ডটাই বা কি, "লেডী চ্যাটার্লিজ লাভার" আমার পড়া হয় নি, বই টা সম্ভবত বাংলাদেশে এখনো নিষিদ্ধ (আমি যখন ক্লাস টেনে আমি যার কাছে অংক প্রাইভেট পড়তাম তার কাছে বইটা ধার চাওয়ায় স্যার বলেছিলো এইচ,এস,সি পরীক্ষার পর ধার দেবে এখনো আমার বয়স হয়নি স্যার তার আগেই বদলি হয়ে চলে গেছেন তবে স্যারের মতে বইটা অসাধারন, আবার এইচ,এস,সি তে যে স্যার এর কাছে ইংরেজী পড়তাম সেই স্যার প্রায়ই বিশ্বসাহিত্যের বিভিন্ন বই নিয়ে আলোচনা করতো এরকম আলোচনায় একবার স্যারের কাছে এই বইটা আছে কিনা জানতে চেয়ে ব্যাপক ঝাড়ি খাইছিলাম , স্যারের কাছে ওটা নিছক আবর্জনা) কিন্তু দীর্ঘ ১৮ বছর অশ্লীলতার দায়ে নিষিদ্ধ থাকা প্রজাপতি পড়ে অবাক ই হয়েছিলাম, কে জানে যখন নিষিদ্ধ হয়েছিলো তখন পড়লে হয়তো নিষিদ্ধ হবার কারন বুঝতে পারতাম। এই যে মূল্যবোধগুলো বদলে যায় এই বদলানোতে সাহিত্য-সঙ্সকৃতির অবদান কি ব্যাপক নাকি মূল্যবোধ বদলে যায় বলেই সেগুলো গল্প-কবিতা-চলচ্চিত্রে উঠে এসে সেগুলো কে বদলে দেয়?





আমি ২ বার ছাগু ট্যাগিং খাইছি বড় ই আমোদের জিনিস উমর খাইলে আমি কোন ছাড়
একবার এক্কেরে ব্লগিং এর শুরুতেই খাইছিলাম
কুন উমর? বদরুদ্দিন উমর?
হুমম বদরুদ্দিন উমর । সে আওয়ামি লীগ না ত তাই
http://khareji.amarblog.com/posts/95147/
সচলে এইমাত্র ঘুরতেছিলাম অভিরে অইখানে মডু ছাগু কইছে
অভি এদিকে আসলে এক্তু পচানি দেয়া যাইত
আমি সামুতে ব্লগাইছি এখনো ব্লগাই সো সামু / সামুর ঘটনা প্রবাহ নিয়া এবিতে আলোচনা করতে ঠিক বাধে না, কিন্তু যেহেত আমার সচল পদচারণা খুবি সীমিত সামু/এবি/আমু তে সচলের কোন লেখা বা লেখক নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হলে বা লিংক থাকলে মাঝে সাঝে ঢু মারি তাই সচল নিয়া আলোচনায় ঠিক স্বচ্ছন্দ লাগে না; আর সামু-আমু তে যে অর্থে ছাগু ব্যাবহার করা হয় সচলরাও কি সেই একই অর্থে ছাগু ব্যাবহার করে তাহলে আমাদের আশরাফের জন্য সমবেদানা (এইখানেই উল্টাইন্যা হাসির অভাব অনুভব করতেছি )
সচল কিন্তু পড়ার জন্য বেশ ভাল জায়গা!
এইখানে দেখলাম ৪২ নাম্বার কমেন্ট এ
http://www.sachalayatan.com/aah/31063
হাহাহাহা জটিল মজা পাইছি
আমিও বাঙ্গালি। অভিমান তো করি অহরহ
তবে ক্যাচাল করি না। ক্যাচাল না করলেও অন্যদের ক্যাচাল দেখি।
লেডি চ্যাটার্লিস লাভার সিনেমা দেখছি
অনেক সুনাম শুঞ্ছিলাম কিনা!
সিনেমাও দেখি নাই; তবে সিনেমা সাধারণত বই এর ব্যাপকতা ধারন করতে ব্যার্থ হয়।
ক্যাচল জিনিষটা বড় উপাদেয়; ব্লগিং পানসে হয়ে যাচ্ছে ক্যাচালের অভাবে;
আসলেও, ক্যাচাল খউপ ভালু পাই, লেখাটাও ভালু পাইলাম। আর আমাগো আশরাফ ভাই দেখলাম চামে চিকনে সবাইরে মাফ কইরা দিলেন
ভালোই করছে - খালি খালি আজাইরা ক্যাচালে টাইম লস
আহা হাসিনা খালেদা যদি অভিমান করে রাজনীতি থেকে চলে যেত ...
যে দেশের জনগন যেমন তারা সেইরকম শাসন ব্যাবস্হাই নাকি পায় (পৌরনীতি তে পড়ছিলাম;ক্লাস টেন এর সামাজিক বিজ্ঞান বই এ ছিল); খালি তাগো দোষ দিয়া কি লাভ আমরাই খারাপ এবং আমাদের ভুলে যাওয়ার ক্ষমতা পর্বত প্রমাণ
এইটা একটা কথার মতো কথা কইসেন
রাজনীতি করতে বয়স লাগে না !
এইগুলোর বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া যেতো যদি !
দিবাস্বপ্ন ।
হ বাধ্যতামূলক অবসর হইবো মরণোত্তর
মেলাদিন অভিমান করা হয় না। অভিমান করার মতন সময়ো পাই না, আর কাছের মানুষজন গুলাও অনেক বিজি থাকে আফসোস। আমি নিজেও অবশ্য অনেক বিজি থাকি। হিমুর বইটা কেমন লাগছে সেইটা কইবেন ভাবছিলাম। দেখি পাশ দিয়া হাইটা চইলা গেলেন। লেডি চ্যার্টাজির বইটা পড়ি নাই। আসলে পাইও নাই। মুভিও দেখি নাই। নিষিদ্ধ বইয়ের মইধ্যে শুধু তসলিমার লজ্জ্বা পড়ছিলাম। ওই বইটা মনে হয় এখন পর্যন্ত ওর সেরা। নিষিদ্ধ কেন করছিল বুঝতে পারি নাই। 'হাউ আই মেট উইর মাদার' সেই রকম রুমান্টিক সিরিয়াল মনে হইতাছে।
সামুতে আজকাল ঢুকতে ইচ্ছা করে না। ঢুক্লেও পরিচিত কয়েকজনের ব্লগ পেইজ ঘুইরা বাইর হইয়া যাই।
হাবিজাবি পোষ্টে পারফেক্ট হাবিজাবি কমেন্ট করলাম।
অভিমান করতে ভালোই লাগে কিন্তু কেউ যখন আমারওপর অভিমান করে (যদি টের পাই; বেশির ভাগ সময় টের পাই না) অস্থির অস্থির লাগে।
"হিমুর নীল জোছনা" কেমন লাগসে সেইটা কওয়া আর "গরীবের রাণী" সিনেমার রিভিউ লেখা একি কথা।বুইঝা নেন।
আমিও পড়িনাই
; মুভিও দেখি নাই
লজ্জ্বা আমারো অনেক পছন্দের বই; আরেকটা পছন্দের বই "ভ্রমর কইও গিয়া"; তসলিমা লিখসে তাই নিষিদ্ধ করসে ইমদাদুল হক লিখলে মনে হয় করতো না।
"হাউ আই মেট ইওর মাদার" কমেডি সিরিজ
ওকে হাবিজাবি কমেন্ট হিসেবে আপনারকমেন্ট সত্বায়িত করলাম
"গরীবের রানী" আবার কুন সিনেমা? আমার তো রানী কেনো ডাকাইত সিনেমার নাম মনে পড়লো, চিত্রনায়িকা মুনমুনের সিনেমা.. বাংলাদেশের সিনেমায় অশ্লীলতা ঢুকানের একটা মাইলস্টোন হিসেবে ছিলো আরকি...
তসলিমার কথায় মনে পড়লো, মিলান ফারাবী নামে একটা লেখক " দ্বিখন্ডিত" নাকি কি নামে জানি একটা বই লেখছিলো....লেখা পৈড়া আমার মনে হৈছিলো, ঐডা তসলিমার ছদ্মনাম...কেউ কি কিছু জানে? জানলে একটু আলো মাইরো...
দ্বিখন্ডিত আর 'ক' এই নামে তো সম্ভবত তসলিমারই বই আছে। দ্বিখন্ডিত পড়া শুর করছিলাম। ধৈর্য্য হারাইছি কিছুদূর পইড়া।
দ্বিখন্ডিত তো তসলিমার নিজেরি লেখা জানি:
http://www.deshiboi.com/component/hotproperty/?view=property&id=597
ডোন্ট মাইন্ড বিলাই বাট তোমার একটা পিসি আছে তুমি ডিভিডি জোগার কইরা দেখতে পারো; তোমার হাই স্পিড নেট আছে তুমি জেজে এবং জেজে টাইপ সাইটে যাইতে পার সেটাও না গেলে তুমি তোমার ড্রইং রূমে কেটউইন্স্লেট অথবা বেলুচ্চির শারিরীক ভাজের নান্দনিকতা পরিচালক কতটা শৈল্পিকভাবে ফুটায় তুলসেসেইটা নিয়া বন্ধুর সাথে আলোচনাকরতে পার; কিন্তু বিনোদন এর সুবিধা বঞ্চিত বাংলা সিনেমার টার্গেট অডিয়েন্স এর সেই সুযোগ নাই সো তাদের আকৃষ্ট করাতেই আসলে সিনেমার পরিচালকরা এইসব মুনমুন - ময়ুরী আমদানি করে
আমিও ব্যাপক অভিমানী।
ঢং
...একটা গান শুনছিলাম, " আমার পাগলা ঘোড়ারে, কৈ থেইকা কৈ লৈয়া যায়...
হাবিজাবি কওতো হাবিজাবি....শুরু হৈছে, ঝগড়ার বাই প্রোডাক্ট অভিমান নিয়া, তারপর কানাবাবা'র জঙ্গল ঘুইরা ছাগুতে আটকাইলো ক্যাম্নে?এর মাঝেই শালীন-অশালীনের লিমিটের আলোচনাও আসলো...
এইটুকুন লেখার সময়ে এতকিছু খিচুড়ি বানাইয়া ভাবে ক্যাম্নে?কুনডা নিয়া কমেন্টামু বুইঝা পাইতাছিনা...
একটা ব্লগ ধারাবাহিক লিখার চেষ্টা করতেসি ঐটায় একটা ঝগড়ার দৃশ্য আছে, স্বভাবতই ঝগড়ার পর নায়িকা অভিমান করে সেইজন্য আর শালীন-অশালীন ও আসছে ঐ ধারাবাহিক লেখার চেষ্টা থেকে কারন কিছু ব্যাপার লিখতে গিয়ে বাঁধো বাঁধো লাগতেসে, লেখা আগায়তেসে না কিন্তু সেগুলা খুবি নর্মাল ব্যাপার, কমন কথা, যা পড়তে কোন সময় সেরকম কিছু মনে হয়নাই সেটা লিখতে কেন অস্বস্তি লাগতেসে সেটা ভাবতেসিলাম।
একজনের সাথে তর্ক করার সময় মনে মনে আইনস্টাইনের নাতি তালগাছে তোরে দিয়া দিলাম কইছি কিন্তু সামনা সামনি কিছু কইনাই তাই ঐ ছাগু প্রসংগ আসছে আরগুলা কেন আসছে ইয়াদ নাই
ধারাবাহুক কবে দেওয়া শুরু করবা? পুরাটা শেষ হৈলে? নাকি অখন থেইকাই দেওয়া শুরু হৈবো?
ঠিকাছে, অয়েট করা শুরু কর্লাম...
করতে থাকো; পুরাটা শেষ যদি করতে পারি তাহলে পোস্টাবো কারন আমার নিজের যারা ব্লগ ধারাবাহিক শেষ করে না তাদের প্রতি যথেষ্ট বিরক্তি আছে
খিচুড়ি হোক আর যাই হোক লিখতে থাকেন। খিচুড়ি খাইতে আসলে খারাপ না। এক সময় একটা বই বাইর কইরা ফালাইয়েন নাম "হাবিজাবি সমগ্র"
ওক্কে টকি; আপনারে প্রকাশক কাম স্পন্সর হিসেবে নির্বাচন করলাম;;)
আপনি নাম ভুল করছেস একজন শিল্পীর। এইটারে কি সাংবিধানিক ভুল কওন যায়? আসিফ আকবররে আসিফ ইকবাল কওনের লেইগা প্রতিবাদ জানাইলাম।
এইটা কি ক্যাচার হইলো? তাইলে এইবার অভিমানে যাই...
নামের বানান ভুল করা উচিৎ হয়নাই; সাংবিধানিক ভুল না হইলেও মনে করেন আসিফ আকবর রে আসিফ ইকবাল লিখলে সে নাহয় আসিফ আকবর না হয় আসিফ ইকবাল; ধন্যবাদ।
অভিমান তো আমার করার কথা আপনি করলে কেমনে হবে; কহেলুম না
আমরা ক্যাচাল করার জন্য সব পায়ে খাড়া, সেইটা বাসের ভিতর হউক, চা এর দোকানে হউক, লঞ্চে কিংবা ব্লগেই হউক।
হ ।
হ; ক্যাচালে ভাইটামিন আছে
হেহ্ আম্রার পলিটিশিয়ানে করবো অভিমান! "মান"যুক্ত সকল বোধ (মান-সম্মান-অভিমান-অপমান) টঙ্গে তুইলা "মানি"র পিছে ঘুরাটাই ওগো কাম।
রাজনীতির প্রথম পাঠ ডিকশনারীতে মান থাকিতে পারবে না; রাজনীতিবিজীবিদের জন্য মান একটি ভ্রান্ত ধারনা
"মান"যুক্ত সকল বোধ...
হি হি হি
এখানের দেখি অনেকেই অভিমানি >) >-)
এইটা কি অভিমানের ইমো; ডড়াইছি
ব্লগে ক্যাচাল আমারো খুব দিল পছন্দ। উপ্রে কমেন্ট থিকা লিংক নিয়া আমু সচুর কেচাল পইড়া বেহতর আমোদ পাইলাম।
এইখানে দেখলাম অনেকেই অভিমানি তুমি কোথায় হারিয়ে ...। আমি কিন্তু বেন খাওয়ার আগ পর্যন্ত অভিমান করিনা
ব্লগের ওপর অভিমান একটি ভ্রান্ত ধারনা; চোরের উপর রাগ কইরা মাটিতে ভাত খাওয়ার মতন
কথাটা পুরাপুরি মানলাম না,আপ্নে আমারে একটা গালি দিলে আমি আপ্নার লগে কথা বন্ধ করমু, কিন্তু ব্লগ ছাড়বো না। কিন্তুক আপ্নে আমারে একটা গালি দেয়ার পর মডুর লগে আরামসে ঘুরবেন, ব্লগের পলিসি ঠিক করবেন, আর আমি কিছু কইলেই লেফটেন্যান্ট জেনারেল হব, এরকম হইলে ঐখানে থাকাটা বেহায়ার মতো হইয়া যায়। অভিমান-রাগ-ক্ষোভ যাই বলেন... মাটিতে ভাত মাঝে মধ্যে এরকম সিচুয়েশনে খাইতে হয়।
গুরু একটা বানী দিছিলো
কুট্টিকালে একটা মেয়ে আমার একটা খাতায় লেখছিলো
তখন অবশ্য বুঝি নাই যে এইটা এক সময় কোট করা যাইবো
এই উক্ত যে আপনেই বালিকার খাতায় লেখসেন সেইটাস্বীকার যান; লইজ্জ্বা কইরেন না
নিজেরে পক্ষ বানাইলেন?
এহেম এহেম... কুটিকালটা কার আছিলো বস, আপনেরই মুনয়, যে লিখছে তার তো কুটিকাল পার হওনের কথা
আমিও তো তাই কইতে চাই কিন্তু প্রতু দা খালি পিছলায়
কোন গুরু?
আজম গুরুরে চিনেন্না?
আপ্নার্তো জরিপানা হপে
ডড়াইছি
আহারে ক্যাচাল মিস করি। নূরা ভাইরে মিস করি। মন্ডা উদাস হইছে।
নূরা ভািরে এবিতে দাওয়াত দিয়া আনা হোক
নানান ছড়ানো বিষয় নিয়ে বলছেন, তাই হয়তো বুঝতে পারি নাই কী বলতে চাইছেন। এইটা হয়তো আমার অজ্ঞতা।
কিছু বলতে চাই নাই নজরুল ভাই, হাবিজাবি যা মাথায় আসছে লিখসি;
ইংরেজিতে নাকি অভিমান এর যথার্থ শব্দ নাই। অভিমান শুধু বাঙ্গালিরাই করে।
হ যতসব বাইক্যা কামে বাঙালী ইউনিক;আছেন কেমন?
আমি তো আম্মার লগে ছাড়া জেবনে আর কুনু অভিমান ই করলাম না!! প্রেস্টিজ এর ব্যাপার!!!
অভিমান করতে হয়!
আর আমি ক্যাচাল এক দম লাইক্স দিস করি না!!!
আপনেরে চিমটি !!!
বুন ছিল না নামে ।
আর্থ ফাইনাল কনফ্লিক্ট আমি কিছুদিন আগে ডাউনলোড করে আবার সিজন ওয়ান এর কিছু এপিসোড দেখছি ।
অসাধাআআআআআআরণ বললে কম বলা হবে মেইন প্লট টাকে ।
তবে পরের সিজন গুলায় অবনতি হইছে । উইকিতে সব কাহিনী পইড়া ফেলছি । ভবিষ্যতে স্পিডি নেট পাইলে ডাউনলোডামু ।
আসলেই অসাধারন একটাসিরিজ বিটিভি কাজটা খুবি খারাপ করসেশেষ করবো না তাহলে শুরু করে কেন
ছাগু শব্দটার একটা আলাদা অর্থ ছিলো এতো দিন ।
ব্লগীয় রাজাকারদের বুঝাইতো । যারে তারে ছাগু ডাকার পরিনামে এখন
ছাগু তার উৎপত্তি স্থলে (ছাগল) ফেরত গেসে ।
মজার ব্যাপার হলো -- এখন কেউ কাউরে আন্দাজে ছাগু ডাকলে মনে হয় যে এক ছাগু আরেকটারে ছাগু ডাকছে।
ছাগুর সীমানা থেকে হঠাৎ লেডি চ্যাটার্লীজ লাভারে জাম্প করলেন কিভাবে ? !
-----
সচুতে ক্যাচালে লাগলে বেশ চেহারা চেনা যায়।
অনিকেতের দেয়া পোষ্টের ক্যাচাল থেকে অনেক কিছু শিখলাম।
ভালো থাকবেন; এই যারে তারে ছাগু ডাকা নিয়া ঐদিন সামুতে শয়তানের সাথে আলাপ হইছিলো;
অনিকেত এর পোস্ট থিকা আপনি কি শিখলেন আমি জানি না কিন্তু যে লিখা নিয়া এত ক্যাচাল এস, এম, মাহবুব, মোর্শেদ এর সেই মাই নেম ইজ খান থেকে আমি যেটা বুঝলাম সেটা হইলো যদি মাই নেম ইজ খান এর রিভিউ সুমন রহমান না লেইখা রাম-শ্যাম-যদু-মধু লিখতো আর এস,এম,মাহবুব, মোর্শেদ সেইটার ওপর এই পোস্ট লেখতো তাহলে কিছুই হইতো না, যেহেতু মোর্শেদ-সুমন তিক্ততার কথা অনেকেই জানে তাই তারা ঐখানে মোর্শেদ এর রাগ ঝাড়া খুজে বের করসে ; ঐ রিভিউ নিয়া রিভিউ লিখতে পূর্বসত্রুতা লাগে না এবং পূর্বশত্রুতার জের ধইরা লিখলেও সে ভুল কিছু লিখসে বলে আমার মনে হয়নাই; একজন একটা সিনেমা ভালোমতন না দেইখাই সেটা নিয়া উচ্চমার্গীয় উপসম্পাদকীয় লেইখা পাঠকের কাছে ধরা খাইছে সেটাই যথেষ্ট; মোর্শেদ এর রিভিউর রিভিউ এর কোন পয়েন্ট ইনভ্যালিড সেইটা নিয়া কাউরে আলোচনা করতে দেখলাম না হুদাই সুমন রহমান কত বড় হরিদাস পাল সেইটা নিয়া উচ্চমার্গীয় ত্যানাপ্যাচানি ।
ভালো থাকবেন ?
বুঝলাম না ।
----
সুমন রহমানের একটা গল্প পড়ে দারুন লাগসিলো সামু যখন প্রথম আসি।
পরে কোন এক পোষ্টে তার নাম দীনমোহম্মদ কিনা এটা জিগানে আমার কমেন্ত মুছে বেশ খানিক কথা শুনায় দিয়েছিলো।
তারপর থেকে ঐ লোকের ধারে কাছেও যাই না ।
----
রিভিউর সমালোচনা করে পোষ্টটা ঠিক জমে নাই । মানে মুভি না দেখে রিভিউ লিখে থাকলে আরো সুন্দর করে বাঁশ দেয়া যেতো।
আক্রোশটা ঐসব সূক্ষ ব্যাপারের চে বেশী হয়ে গেছে বলেই এতো কথা।
যাক আরেক ব্লগের প্যাচাল এখানে পেরে লাভ নাই।
ক্যাচাল কর্তে মন্চায়
start now
আমি ক্যাচাল বালা পাই। ক্যাচাল করতে মঞ্চায়।
ready steady start
ক্যাচাল কর্তে মন্চায়
start now
হিল্ললু ...খবর কিতা?
এইতো; আপনার কি খবর; কতদিন পর নেটে আসলাম ভাবলাম সাঁঝু না জানি কত কি লিখে ফেলসে সাঁঝহুতো দেখি কিছুই লিখে নাই
এই যে মূল্যবোধগুলো বদলে যায় এই বদলানোতে সাহিত্য-সঙ্সকৃতির অবদান কি ব্যাপক নাকি মূল্যবোধ বদলে যায় বলেই সেগুলো গল্প-কবিতা-চলচ্চিত্রে উঠে এসে সেগুলো কে বদলে দেয়?
ভাবনার ইমো
চিন্তাভাবনা কতদূর কী করলেন জানায় যায়েন
মন্তব্য করুন