ইউজার লগইন

টুটুল'এর ব্লগ

তুই রাজাকার তুই রাজাকার

উত্তাল শাহবাগে মিছিলে মিছিলে সায়লাব... চলছে স্লোগান...

আ-তে আবদুল আলিম - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
আ-তে আমার দেশ - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ই-তে ইসলামি ব্যাংক - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ই-তে ইবনেসিনা - তুই রাজাকার. তুই রাজাকার!
ক-তে কাদের মোল্লা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ক-তে কামারুজ্জামান - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
খ-তে খালেক - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
গ-তে গোআজম - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
জ-তে জামাত - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
দ তে দিগন্ত টিভি - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ন-তে নিজামি চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ন-তে নয়া দিগন্ত - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ফ তে ফোকাস - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ব-তে বাচ্চু চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ম-তে মুজাহিদ চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ম-তে মীর কাশেম - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
র-তে রেটিনা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
শ-তে শিবির - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
স-তে সাকা চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
স-তে সাইদি চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!

সুদুর কোলকাতায় বসে কবির সুমন লিখছে গান...

গণদাবি

এক টুকরো শাহবাগ

এক টুকরো শাহবাগ...
শাহবাগের গনজমায়েতে মানুষের নিরাপত্তায় পুলিস/আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন খবরই ছিল না। যেখানে রাজনৈতিক মীটিংয়ে মানুষের চাইতে নিরাপত্তার লোকজনই বেশী থাকে। থাকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বাহিনী।

কোন নারীকে কেউ টিজ করছে ... এটা কেউ বলতে পারবে না। নারীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য হারে। কিন্তু কোন ধরনের বিচ্যুতি... কেউ বলতে পারেনি।

মানুষের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ ছিল চোখে পরার মত। কোথাও কোন ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় নাই... লক্ষাধিক মানুষের এই জনসমাবেশ সুশৃঙ্খলভাবেই নিজ নিজ দায়িত্বেই সবাই অংশগ্রহণ করেছে।

যেখানে রাজনৈতিক দলের সভা/সমাবেশে লোক ভাড়া করে আনা হয় ... শাহবাগে ঘটছে তার উল্টা ঘটনা। নিজে রং কিনে ফেস্টুন তৈরি করছে... ব্যানার বানাচ্ছে... জাতীয় পতাকা তৈরি করছে। এ এক অভূতপূর্ব ঘটনা। ৯০'এর গনঅভ্যুত্থান, গনআদালতের পর... গনমানুষের এত বড় অংশগ্রহণ আর হয়নি।

সবশেষে একজন ব্লগার হিসেবে এই দিন অনেক গর্বের ছিল... এটা বোঝানোর নয়...

প্রিয় ব্লগ...
বেচে থাকো মানুষের জন্য... মানুষের মাঝে... মাতৃভূমি স্বার্থ রক্ষায় ব্লগের তারুণ্য সচেষ্ট থাকুক সব সময়।

যুদ্ধাপরাধের বিচারের আজকের রায়.. হতাশা :(

যুদ্ধাপরাধের বিচারের দায় আমরা বয়ে বেরাচ্ছি অনেক দিন। দীর্ঘ ৪১ বছর পর ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে ১৬ কোটি মানুষের আকাঙ্খা'র প্রথম রায় পায় বাংলার জনগন। বাংলাদশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চার দশক পর সেই যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। হাসি কান্নায় উদ্বেলিত বাংলার মানুষ... চার দশক ধরে বয়ে বেড়ানো এ দায়... আমরা ভুল রাজনীতির কারণে বয়ে বেরাচ্ছিলাম... প্রথম রায়ের পর স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের দৃষ্টি কেন্দ্রভূত হয় বাকি বিচারের। আজ কাদের মোল্লার অপকর্মের বিচারের রায় ঘোষনা হয়। আমরা মর্মামহত ... সত্যি মর্মাহত..

এক নজরে আজকের বিচারের রায়:
১ম অভিযোগ :
তিনি একাত্তরের ৫ এপ্রিল মিরপুর বাঙলা কলেজের ছাত্র পল্লবকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দেন
রায়: ১৫ বছর কারাদণ্ড

২য় অভিযোগ :
একাত্তরের ২৭ মার্চ তিনি সহযোগীদের নিয়ে কবি মেহেরুননিসা, তাঁর মা এবং দুই ভাইকে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের বাসায় গিয়ে হত্যা করেন
রায়: ১৫ বছর কারাদণ্ড

৩য় অভিযোগ :

ক্ষ ব্যান্ডের গান নিয়ে বিতর্ক

শুরু হইছে 'ক্ষ' ব্যান্ডের একটি গান নিয়ে সামাজিক গনমাধ্যমে ব্যাপক ঝড়। গানটা আমার কাছে শুনতে ভালোই লাগছে। যে আবেগ দিয়ে সে গানটা গেয়েছে ... তার সেই আবেগ আমাকে কিছুটা হলেও নাড়া দিতে পেরেছে।

কথা হচ্ছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে। জাতীয় সঙ্গীতের একটা প্যাটার্ণ রাষ্ট্র নির্ধারণ করে দেয়। তার বাইরে যাওয়াটা আসলে নিয়মের অনিয়ম বলা হয়ে থাকে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটির প্রথম দশ লাইনকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয় মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই। আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয় স্বাধীনতার পরে। ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে স্বরলিপিসহ জাতীয় সংগীত বিল পাস হয়। পরে সংগীতজ্ঞ সমর দাসের (প্রয়াত) তত্ত্বাবধানে ব্রিটেনের বিবিসি স্টুডিও থেকে জাতীয় সংগীতের অর্কেস্ট্রেশন তৈরি করে আনা হয়। এই সুরই বাজানো হয় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানাদিতে। কিন্তু অধিকাংশ শিল্পী জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় অনুমোদিত স্বরলিপি ও সুর অনুসরণ না করে তাঁরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত গায়কী অনুসরণ করছেন।

বিক্রমপুর ও কয়েকটি ছবি

কয়েক দিন আগেই আমরা এবি বাসি পিকনিক করে এলাম বিক্রমপুরে স্যার জেসি বোস কমপ্লেক্সে। পিকনিকের দুইটা পোস্ট পড়ার পর নতুন করে আর কিছু আর না বলি Smile ... তার চাইতে এলাকার জীবন জীবিকার হালচাল দেখি।

ছবি ০১। স্মৃতি... হারানো সম্রাজ্য

স্মৃতি... হারানো সম্রাজ্য
মুন্সিগঞ্জ ভাগ্যকুলের ভুতপূর্ব জমিদার যদুনাথ সরকারের বাড়ি।

ছবি ০২। চাষাবাদ

চাষাবাদ
শস্যক্ষেত্র প্রস্তুতি চলছে নতুন ফসলের জন্য। কি রোদ... কি বৃষ্টি... কি শীত ... কি গ্রীষ্ম... অবিরাম পরিশ্রম কৃষকের। হয়তো তার দুবেলা দুমুঠো খাদ্যের নিশ্চয়তা নেই... তবুও চলছে... প্রতিদিন... দেশটার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় একটি অংশ আসছে এইসব হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমী কৃষকদের কাছ থেকে।

তার পরেও জিডিপিতে অবদান রাখা এইসব মানুষদের আমরা নিচুতলার মানুষ ভাবি। অথচ ভাবিনা প্রবৃদ্ধিতে আমার অবদান কতটুকু... কি বিচিত্র আমরা।

ছবি ০৩। বয়ে চলা জীবন

ফাঁসির আদেশ :: মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার

অবশেষে ...
দায়মুক্তির পালা শুরু হলো... প্রথম রায়... যুদ্ধাপরাধের রায়... বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ... আশে পাশে মিছিল... এত এত মানুষের দাবী ... কেউ কর্ণপাত করেনি... স্বাধীনতার ৪ দশক পর... প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে যে অপরাধের বোঝা বয়ে বেরিয়েছি আমরা... আজকের শুরুটা তার কিছুটা হয়তো লাঘব হবে। শহীদদের রক্তের কাছে আমাদের অনেক ঋন... অনেক দায়...

আজ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের কথা মনে পরে।

"মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য (রুকন) আবুল কালাম আযাদের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। আযাদ পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে এ মামলা রায় ঘোষণা করা হয়।
আজ সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় দেন। এটি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলার প্রথম রায়।
আজ বেলা পৌনে ১১টায় রায় পড়া শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ১১টা পাঁচ মিনিটে রায় পড়া শেষ হয়। এ সময় ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম ছিলেন।

March 26, 1971 / Start of Bangladesh War of Independence

March 26, 1971 / Start of Bangladesh War of Independence
Magnum Photographers
40 Years since the start of the Bangladesh War of Independence.
Link

023
© Raymond Depardon/Magnum Photos
Near Jessore. December 1971.
The Pakistani army is routed.

022
© Raymond Depardon/Magnum Photos
BANGLADESH. November 1971.

021
© Abbas/Magnum Photos

চলে যাচ্ছে সময়....

কলরব হচ্ছে না কোথাও,
পায়ে পায়ে মৃত্যুর মরচে রঙ!
এই সময় আমি থাকবো ভালো?
.............................ঢঙ!!

#

সময় গড়ায়... বেলা ফুরায়... সন্ধ্যা নামে... ভুল পথ... সময়ের চলাচল... অসময়ের হাঁকডাক... হৃদয়ে ভাঙচুর... বিষাদ মুখ... হুহু বাতাস....

কিছুই তো হচ্ছে না ... Sad

#

ধুরো... সময়টাকে বাগে আনা যাচ্ছে না ... পুরাই ভাঙচুর মুড ... সরকারি আর বিরোধী দল সিনড্রোম। চাওয়া পাওয়ার দ্বৈরথ। শোকার্ত মুখ গুলো বার বার সামনে আসা ... অক্ষমতায় কুঁকড়ে যাওয়া... সীমাবদ্ধতা.... বিরক্ত।

০১৮১৯..... বন্ধু.. ... .... ? কান্নার ঝড়... হতবিহ্বল ... জুতসই শব্দ খুঁজি... নাই.. কোন শব্দই বিয়োগান্ত জীবনের সান্ত্বনা হয় না.... টেলপে ভাসে বিদায়ের সুর... করুন বিউগল... ভেতরটা মোচ্‌ড়ায়... অস্থির লাগে...

এ লজ্জা রাখি কোথায়?

সকালে সংবাদটি দেখে একটু ভয়ই পেলাম। কেউ ফেসবুকে ভুয়া কোন আইডি দিয়ে বিতর্কিত কোন ছবিতে আমাকে ট্যাগ করবে... এবং সেটা নিয়ে একদল উন্মাদ লোক আমার উপর ঝাপিয়ে পরবে। এ কোন অসভ্য দেশের পথে আমরা হাঠছি। এই অসভ্যতা বর্বরতার জন্য কি দেশটা স্বাধীন করা হয়েছে?

ইদানিং মানুষ জনের ধর্মীয় অনুভূতিইবা এত ঠুনকো হয়ে গেল ক্যান... যা বাতাসে নড়বড় করে? অনুভূতি যদি এত ঠুনকোই হয় তাহলে এমন অনুভূতির থাকার প্রয়োজনীয়তা কি?

কক্সবাজারের রামু উপজেলা সদরে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় একদল লোক বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের শত বছরের পুরোনো ১২টি বৌদ্ধবিহারে আগুন লাগিয়েছে। দুটি বিহারসহ বড়ুয়াপাড়ায় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া প্রায় ৩০টি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন আজ রোববার সকাল থেকে রামু সদরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=206403&cid=2
ছবি: বিডিনিউজ২৪ ডট কম

একটি ফটোওয়াকের গল্প

বছরের এই সময়টা কোন না কোন ভাবে কাশফুল দেখতে বের হওয়া হয়। শরতের এই ফুলকে খুব বেশী সময় ধরে পাওয়া যায়না যদিও। শেতশুভ্র সাদা সাদা ফুলে ছেয়ে যায় ধরনী... সাথে নীল আকাশ... মাঝে মাঝে সাদা মেঘগুলোর উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুড়ে বেড়ানো।

সুযলা সুফলা শষ্য শ্যামলার এই দেশ... দেশের প্রতিটা ঋতুরই আসা যাওয়া টের পাই... সময়ের গন্ধ ছড়িয়ে পরে বাতাসে... এখন যেমন সকালে ঘুম ভাংলে টের পাই শীত আসতেছে... শীতের আগমনী ঘ্রান চারিদিকে...

গত বছর ঠিক এমনি সময়ে ময়মনসিংহ একটা ঘুরন্তিস দিছিলাম। লিনা দিলরুবা আপার বাসায় (মানে দুলাভাইয়ের সেইখানে পোস্টিং)। রাজকীয় আয়োজন... আপ্যায়ন... চর্ব্য... চোষ্য... লেহ্য... Smile... সে এক বিরাট ইতিহাস

মেরেছ কলসির কানা... তাই বলে কি প্রেম দিব না?

000
ইউটিউব থেকে মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) কটাক্ষ করে তৈরি করা মার্কিন চলচ্চিত্র না সরানোয় ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) দেশে গুগলের ভিডিও সেবা ইউটিউব বন্ধ করে দিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে ইউটিউব ভিডিও দেখা যাবে না।

মেরেছি কলসির কানা... তাই বলে কি প্রেম দিব না?

এটা কোন কথা হইলো? কেউ ভুল কইরা কলসির কানা ছুইড়া মারতেই পারে... এই মারন না মারনটা তার বুঝের উপর নির্ভর করে। বুঝলে কি এম্নে কইরা আস্ত কলসি ছুইড়া মার্তো? তো? আম্রাও কি তাইলে অবুঝের মত আচরণ করবো? তাইলে আমার বিচক্ষনতা কৈ রইলো?

ব্লু-মুন = নীল চাঁদোয়া....

নীল চাঁদোয়া...
আকাশটাকে আজ লাগছে যেন,
মাঝে মাঝে কিছু কিছু তারা বোনা...
বৃষ্টি ধোয়া

এই গানটা দূর্দান্ত লাগতো এক সময়... শম্পা রেজা হয়তো সেই আমলেই জানতেন ব্লু মুনের বিষয়ে। আমরা জানলাম হপায় Sad

অধুনা ব্লু-মুনের একটা ক্রেজ দেখলাম। আমাদের বন্ধুদেরই দুইটা গ্রুপ দেশরে দুই প্রান্ত থেকে ব্লু-মুন দেখতেছে সদলবলে। এক দল সুনামগঞ্জে আর এক দল বরগুনা গেছে চাঁদ দেখতে। আজ পত্রিকায় দেখলাম ঢাকার আশে পাশেই নাকি দর্শনার্থীরা ভীর করেছে ব্লু মুন দেখার জন্য। অগত্য আমাদের তো আর দুরে কোথাও যাওয়ার নেই.. তাই মহল্লার চিপা অথবা বাড়ির ছাদই ভরসা। তাই মহল্লার কতিপয় উৎসাহী লোকজন শ্যামলীর কোন এক ছাদে বসছিলো চাঁদ খুজতে...

Blue Moon
ফটো ক্রেডিট: ফারহানা জেবীন

ফটো: ঋহান চাঁদ খুজতেছে

শুধু কি ঋহান একাই চাঁদ খোজে?
Blue Moon

নতুন টার্ম আইফনুগ্রাফার

নিজ দায়িত্বে তালা দিয়ে ঈদে বাড়ি যান : ঠিকাছে

তালা

‘নিজ দায়িত্বে তালা দিয়ে ঈদে বাড়ি যান’

হঠাৎ করে ঢাকা তালা শূন্য হয়ে পরেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি ঘোষনার পর মানুষ দিকবিদিক হয়ে ছুটছে হার্ডওয়ারের দোকান গুলোতে। কিন্তু কোথাও মিলছে না একটি তালা। ঢাকার সয়াবিন/চিনি সিন্ডিকেট পুরাই তব্দা আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন ক্রিয়েটিভিটি দেখে। এমন একটি হট আইটেমের কথা শোনার পর থেকে তারা এখন কি থেকে কি করবে কোন হুশ পাচ্ছে না। প্রচণ্ড আফসুস খেয়ে তারা বলছে, ১৫ দিন আগেই যদি মন্ত্রী মহোদয় একটু টাচ দিতেন তাহলে সিন্ডিকেট সকল তালা লগ্নি করে বসে থাকতে পারতে। আমদানী কারকরা এখন ব্যাপক সেন্টু খেয়ে ঈদের শপিং বাদ্দিয়ে তালার খোজে হন্যে হয়ে সারা দেশ ঘুরছে।

ক্যামেরাবাজী ...

বৈবাহিক সূত্রে শব্দটা কি ঠিক হইবো? ঠিক বুঝতে পারতেছি না ... তয় বউ এক্টা ক্যামেরা গিফট করছে। সেইটা লইয়াই ব্যাপক আনন্দে আছি... আগে যেইসব ফটুক তুলতাম সব কুয়াসায় ঢাকা থাকতো... আর এখন ক্লিক দিলেই ঝকঝকা ফটুক... কি যে তামশা বইলা বোঝানো যাইবো না Smile ... তয় চিকনে আপনাগো বইলা যাই... এখনো কিন্তু ক্যামেরার পুরা অপারেশন জানি না... কিন্তু ক্যামেরা বেটা একটা অটো অপশন দিয়া রাখছে আমাগো মত ফাউল পোলাপাইনের জন্য... এখনো সেইটার মায়া ছার্তারি নাই Wink

বর্তমান জামানায় ডিএসএলআরেএ ফটুক তোলা ৬০% আর পোস্ট প্রসেসিং ৪০%... সো পোস্ট প্রসেসিংয়ে ব্যাপক মজা ... ছবি তোলার পর ফটোশপ লাগে... সেইটা পারি না Sad ... সেই কারনে লাইটরুম ধরছি... কিছু পারি কিছু পারি না ... জনে জনে জিগাই... পড়তে আইলসামি লাগে Sad ... বুঝতেছিনা আমারে দিয়া ক্যামেরা হবে কিনা... সেইটা বুঝতে হইলে মাঠে নামতে হবে Smile ...

গফ শেষ Smile

প্রাইমারী স্কুলের স্যারদের কাছে জিজ্ঞাসা... "স্যার নীতি মানে কি?"

আমার প্রথম স্কুলে যাওয়ার কথা মনে নেই... ক্লাস ওয়ান/টুর কথা মনে করা আসলেই কষ্টকর। কিন্তু থ্রি কি ফোরে যখন পড়ি তখন আমাদের স্কুলের ফযল স্যার কোন এক ক্লাসের মাঝেই বলতে ছিল... "তরাতো এক দিন অনেক বড় হবি... আমাগো কথা মনে থাকবো না... রাস্তায় দেখলে ছালাম দিবি কিনা সন্দেহ"। ওই দিন ছোট সময়ের সেই আবেগেই হোক আর যাই হোক... স্যারকে বলছিলাম... "স্যার ... আপনারে ভুলমু না"। সত্যি স্যারকে আমাদের সেই ব্যাচের (যাদের চিনি) কেউ ভোলে নাই। আজ ফজল স্যার ক্যামন আছে জানি না...

শিক্ষা বিস্তারের একদম শুরুটা যেইসব মানুষের হাত দিয়ে.. তাদেরকে বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর... তাদের হাত দিয়েই জীবনের ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু... এইতো কয়দিন আগেই তেমনি একজন কারিগরকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো তাদের জিবন জীবিকার তাগিদে সামান্য কয়েকটা টাকা বেতন বাড়ানোর জন্য।