ইউজার লগইন

টুটুল'এর ব্লগ

বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড ম্যাচ :: ভালবাসা সাকিব বাহিনীর জন্য

হ্যালো সাকিব...
কয়েকদিন আগে তুমি একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলে না... একটা জাতীয় দৈনিকে? পত্রিকাটা হাতে নিয়েই ক্যামন একটা ভাললাগার আচ্ছান্নতার মধ্যেই তোমার সাক্ষাৎকার পড়েছি। তোমার কথা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমিই সাকিব। তোমাকে কে কি প্রশ্ন করে ছিল সেটা কিন্তু তখন বিবেচ্য হয় নি।

ক্যানো জানো?
বিশ্বকাপ নিয়ে এই আমাদের ... বাংলাদেশের... বাংলাদেশীদের স্বপ্ন এখন তোমার হাতে। তোমার দলের প্রতিটা সদস্যই মনে হয় এক একটি আমি। তোমার হাতেই বাংলাদেশের স্বপ্ন। তুমিতো সেটা জানো।

তুমিতো জানো...
আমরা তৃতীয় বিশ্বের সবচাইতে দরিদ্রতম দেশ। এই কয়েকদিন আগেই আমার প্রিয় ঢাকা হয়েছে বসবাসের অযোগ্য শহরের মধ্যে দ্বিতীয়। তোমরা সেই অযোগ্য শহরেই খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছে... আবার এই আসরের খেলা গুলোও খেলবে। এই অযোগ্য শহরের মানুষের জন্য... এই দরিদ্র দেশটার দু:খি মানুষের জন্য।

তুমিতো জানো...

দেখে এলাম টু জিরো জিরো ওয়ানের বিশ্বকাপ :: প্রথম খেলা :)

অনেক দিন ব্লগর ব্লগর করি না ... অনেক অজুহাতের আসল অজুহাত... যেটা সব্বাই সব সময় দেখায়.... সেটা হলো সময় Smile ... আমি অবশ্য ম্যাঙ্গো পাব্লিকের বাইরের কেউ না Smile ... আমিও সময়ের হাত দেখাইয়া গেলাম... যারা এইটা দেখতে পারেন না ... তারা দয়া কৈরা ণুঢ়ানি চুশমিশ দিয়া দেখেন Wink

সার্কেলটা আর ভাঙা গেল না...

ঘটনা এক

কতিপয় প্রশ্ন, সংজ্ঞা কি সম্ভব?

মীরের পোস্টে হুদা ভাইয়ের একটা কমেন্টসে আইসা দেখলাম নায়িকার মিথ্যা কথা হুদা ভাইয়ের ভালোলাগে নাই। স্বাভাবিক কারো কাছে কোন বিষয় ভালো লাগতে নাই পারে। তো এইটা বলার কি হইলো? আরে ঘটনা সেইটা না... তখন জয়ীতার সাথে ম্যাসেঞ্জারের বকর বকর করতে ছিলাম। দেশ-কাল-পাত্র শেষে জয়ীতা কৈল ..
জয়ী: ওই... প্রেম কি?
আমি: ক্যান এই শীতে আবার তোমার কি হইলো? বসন্ততো ম্যালা দুর? লাইক আম্রিকা Wink
জয়ী: না হুদা ভাই কইলো তিতলি মিথ্যা বলছে... প্রেমে কি মিথ্যা বলা যায়?
আমি: সেটা নির্ভর করে সিচুয়েশেনের উপর। যখন যেটা ডিমান্ড করে।
জয়ী: আরে তুমি তো জানো না ... প্রেমে পড়লে তো দুনিয়ার মিছা কথা কইতে হয়। নাইলতো ঘোড়ার আন্ডার প্রেম হয় না।
আমি: তাও ঠিক... তাইলে তো আগে বোঝা দর্কার প্রেম কি?

প্রেম কি?

একটি শোক সংবাদ

পত্রিকায় যখান ফেলানির সংবাদ পরি... ক্যামন যেন একটা চিনচিনে ব্যাথা বুকের বাম পাশটায়। ১৫ বছরের জ্বলজ্বলে এক কিশোরী। এইতো আর কয়েক দিন পরেই তার দুই হাতে ঝলমাল করবে লাল নিল চুড়িতে... পায়ে মাখা থাকবে রক্তিম লাল আলতা... পায়ে বাজবে রিমিঝিমি নুপুর.... লাল টুকটুকে শাড়ী পরবে... কপালে লাল টিপ দিয়ে আয়নায় নিজেকে দেখবে... আমাদের নিম্নবিত্তদের মাঝে এই স্বপ্নটা সব সময়ই মনের মাঝে লালন করে সকল মেয়ে... স্বপ্ন আসলে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নই... সেটা ফেলানি খুব যত্ন করে আমাদের দেখিয়ে দিল। আমরা ঠিক সকাল বেলায় ধোয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে দেখি আর আহা... বলে একটা দীর্ঘ্যশ্বাস ফেলি। এই পর্যন্তই... এর পর আবার নেক্সট কেউ। আমি এবং আমরা কেউ কেউ অবশ্য একটু বেশী ... দীর্ঘশ্বাস শেষে একটা ব্লগ ও লিখি। আমাদের দায় শেষ... আসলে এর বেশী কি কিছু করার আছে আমাদের? মাঝে মাঝে বুঝিওনা ঠিক মত

শুভ হোক নতুন বর্ষ... শুরু হোক নতুন করে

দেশবাসী সব্বাই জানে যে, যেকোন উৎসবে লাইক ঈদ/নববর্ষে কিছু দরদী ভাইয়ের হঠাৎ দরদ উথলাইয়া ওঠে। সমস্ত মহল্লায় পোস্টারে শায়লাব ... ওমুক ভাই ঈদের/নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাইছেন... কারন কি? সামনে নির্বাচন Smile ... আর তাই বিভিন্ন ভাইজানদের আমাদের জন্য দরদ উথলাইয়া ওঠে Smile

এবার কিন্তু সত্যি নির্বাচন সন্নিকটে... আবার ভাইবেননা যে আমি ইলেকশন সামনে দেইখা এইটা নির্বাচনী পোস্ট দিছি Wink ... লোকজন ভুইলা যাইতারে দেইখা এইটা একটা বাইচা আছি টাইপ পোস্ট Wink

কয়েকদিন আগেই আমরা একটি দুর্দান্ত পিকনিক কাটিয়ে এলাম। চমৎকার একটা দিন আমাদের ছিল। আর তাই পিকনিকের পেছনে থাকা কিছু অসাধারন মানুষকে একটু ধন্যবাদ না দিলে তো হপে না।

আজকের ডায়লগ : কত নাই?

পয়লাই একটা গফ শুনেন... ব্যাপক প্রচলিত... অনেকেই জানেন

শুভ জন্মদিন : শ্রদ্ধাভাজনেষু আহমাদ মোস্তফা কামাল

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের জাতক তিনি।
আহমাদ মোস্তফা কামাল। নব্বই দশকে লেখালেখির শুরু। তারপর অল্পদিনের মধ্যে সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছেন। ছোটগল্প ও উপন্যাসের পাশাপাশি তাঁর প্রবন্ধও বোদ্ধামহলে সমাদৃত হয়েছে।

পাঠকপ্রিয়তার দিক থেকেও পিছিয়ে নেই তিনি। ব্লগে খুব নিয়মিত না হলেও অন্তর্জাল-কেন্দ্রিক পাঠকদের মধ্যেও তাঁর বিপুল গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। ব্লগসহ অন্যান্য মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের লেখকদের সমর্থন প্রদানে তিনি অকুণ্ঠ। গল্পগ্রন্থ ঘরভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ-এর জন্য "প্রথম আলো বর্ষসেরা বই" এবং উপন্যাস অন্ধ জাদুকর-এর জন্য "কালি ও কলম শ্রেষ্ঠ তরুণ লেখক" পুরস্কারে ভূষিত আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিনে এবির বন্ধুদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

এবির এই সম্মানিত ব্লগারকে আমরা ব্লগিংয়ে নিয়মিত দেখতে পাবো, এই আশবাদ রইলো।

ক্ষুদ্র ঋণ : তুলো ধুনো ড: ইউনুস

সপ্তাহ জুড়েই বাংলাদেশে গ্রামীন ব্যাংক এবং মাইক্রোক্রেডিট হট আইটেম। কি চায়ের কাপে, কি পত্রিকার কলামে, অথবা কোন সাংবাদিক সম্মেলনে। তুলোধুনা মাইক্রোক্রেডিট। ক্ষুদ্রঋণ আজ সুদের ব্যবসা হিসেবে আখ্যায়িত। এটা কিন্তু বদরুদ্দিন ওমর অথবা আনু মোহাম্মদ এর বক্তব্য নয় Smile... কারো সাথে মিলে গেলে সেটা একেবারেই কাকতালীয় Smile

কয়েক দিন আগেই ক্ষুদ্র ঋণ মেলার আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সরকারের অঙ্গসংগঠন পিকেএসএফ এর উদ্যোগে। সেখানে পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ইউনুসকে বাদ দিয়ে দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ পাওয়া বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জনাব খলিকুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়ে যথারীতি উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে আসন অলংকৃত করালেন। ঘটনা এটা না... জনাব খলিকুজ্জামান মাইক্রোক্রেডিটের বিপক্ষের লোক.. লাইক বদরুদ্দিন ওমর। ক্ষুদ্রঋণের সহায়ক সংস্থা হয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়ে সেই সংস্থার বিরোধিতা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়?

ঈদের উপহারে অবশেষে হরতাল পাইলাম

ব্রেকিং নিউজ দেখাচ্ছিল টিভি চ্যানলে গুলতে:

আগামী রবিবার সকাল সন্ধ্যা হরতাল - দেলোয়ার

ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি... শহর ছাড়ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ... প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে.... একত্রে পবিত্র ঈদুল আযহা উদ্‌যাপন। স্বাভাবিক ভাবেই যোগাযোগ ব্যবস্থা এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিবারই তাই হয়... ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। প্রয়োজনের চাইতে দ্বিগুণ সময় ব্যয় করেও ঘড়ে ফিরছে মানুষ। এর মধ্যেই বাজ পরার মত খবর "আগামী রবিবার হরতাল"।

মি: দেলোয়ার... আপনি কি কখনো ঈদের এই সময়ে খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, চিটাগাং, কক্সবাজার গিয়েছেন? কি পরিমাণ দূর্ভোগ সহ্য করে মানুষগুলো ছুটে যাচ্ছে গ্রামের বাড়িতে ... আপনি কি বুঝেন মি: দেলোয়ার? দুষ্টজনেরা বলে আপনি নাকি সব সময় থাকেন নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন... সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু নেশাগ্রস্থ অবস্থায় দেশের জন্য আপনার কোন সিদ্ধান্তে আমার আপত্তি আছে মি: দেলোয়ার।

মি: দেলোয়ার... পারলে ঢাকা সেনানিবাসকে ঢাকার বাইরে পাঠান... ঢাকার যানজট নাই হয়ে যাবে। ঢাকার সকলে আপনাকে ঢাকার মেয়র বানিয়ে দেবে। আপনার সেই সাহস কি হবে মি: দেলোয়ার?

ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের স্রোত ছাড়াও ঢাকাতে আসছে কোরবানির জন্য পশুর চালান। শহরের সবটুকু যোগানই আসে ঢাকার বাইরে থেকে। এমন সময় এমন একটা হরতালের আহ্বান শহরবাসীকে বিপদে ফেলা ছাড়া আসলে আর কোন কাজে আসবেনা মি: দেলোয়ার।

এমন অপরিপক্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত একটা দেশের বড় একটা রাজনৈতিক দলইবা কীভাবে নেয়? আপনারা না মানুষের জন্য রাজনীতি করেন? মানুষের সুখ দু:খ ... সুযোগ সুবিধা নিয়ে জীবনের সবটুকু সময় ব্যয় করেন? এই কি তার নিদর্শন? একজন নেত্রীর বাড়ির জন্য এভাবে কোটি কোটি মানুষের দুর্ভোগ ডেকে আনা কোন ধরনের জনসেবা? শেখ হাসিনাকেও তো আপনার গনভবন থেকে বের করে দিয়েছিলেন... তখন কি একবারও মাথায় আসে নাই যে ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে? আমি শেখ হাসিনার গনভবন নেয়ার বিপক্ষে ছিলাম.. আমি আপনার নেত্রীর সেনানিবাসের বাসভবনে অবস্থানেও বিপক্ষে...

তোমাদের অবদান কোনদিন ইতিহাস থেকে মুছে যাবে না ....

চার নেতা

আজ জেল হত্যা দিবস।
ইতিহাসের আরো একটি কলংকজনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’এর অনুপস্থিতিতে যারা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই সূর্য সন্তানদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালী জাতীকে নেতৃত্বশূন্য করার একটি সফল চেষ্টা। যাদের হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে বাংলাদেশ নাম ধ্বনিত হতো সেই চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান। দেশকে ভালবাসাই ছিল যাদের অপরাধ... দেশের মানুষের জন্য ভাবনা ছিল যাদের প্রতিটি নি:শ্বাসে সেই ভাবনা/ভালবাসাই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়।

ভালাবাসার বাংলাদেশ

গিয়াস ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটা পছন্দ হইলো...

বুক ফাটাইয়া একটা চিক্কুর দেই... এমন হয়
এই জয় এই বিজয়
ও আমার বাংলার হৃদয় বলো, এত্ত আনন্দ রাখি কোথায়...!

আর কিছু বলার অবস্থা নেই.... আসুন কিছু ছবি দেখি।

Bangladesh

 

Bangladesh

Bangladesh 

Bangladesh

রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করো নি....

সময় বহিয়া যায়... ঘাট অঘাট হয়... চারদিকে কলিকাল.. ঘোর কলিকাল। মানবিকতা, মূল্যবোধ, ন্যায়, অন্যায় শুধু বাংলা একাডেমির ডিকশনারির পাতার নিচে চাপা পড়ে যায়। চারদিকে শরতের ফুরফুরে হাওয়া শুধুই বদ্‌লে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তবে এটা যদি পজেটিভ হতো... দেশের মানুষের কোন দু:খ থাকত না... কষ্টটা এইখানেই বাজে বারবার।

গতকাল সংসদেরর স্পিকার মানিক মিয়া এভিনিউতে স্পিড ব্রেকার দেবার জন্য সিটি কর্পোরেশনকে তাগাদা দিয়েছেন। অবশ্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। কেন? কারণ ন্যাম ফ্ল্যাট থেকে সংসদ ভবনে যাতায়াতে সাংসদদের প্রচুর সমস্যা হয়।

জাহানারার তহবিলের পূর্ণ হিসাব

জাহানারাকে নিয়ে ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকে যে চাঁদা উঠেছিল তার একটা হিসাব আমার নিজস্ব ব্লগে রেখে দিলাম। যে কেউ এইখানে তার হিসাবটা দেখে নিতে পারবেন।

TA – ১,০০০
MKL – ৫০০
BFR – ১,৫০০
ফাহিম – ৫,০০০
নাজ – ২,০০০
RUB – ৫,০০০
রাসেল – ৮,০০০
মোট ২৩,০০০ জমা হয়েছিল

জাহানারার পরিবারকে দেয়া হয়েছে
রায়হান ভাই ৩,০০০
রুবাই ২,০০০
মাসুম ভাই ২,০০০
জয়ীতা ১,০০০

শুভ জন্মদিন :: মেসবাহ ভাই ও শাশ্বত সত্য

ধরেন বিকালে ধানন্ডির ৫এর বিখ্যাত ফুচকা খাইতে ইচ্ছা হইলো? ০১৭১..... হ্যালো মেসাবাহ ভাই ... বিকালে আসতেছি Smile

আবার ধরেন ঝুম বৃষ্টি? বোঝেনইতো... বৃষ্টির সাথে খিচুরির একটা গভীর সম্পর্ক Smile... আর খিচুরি মানেই ল্যাব এইডের ক্যান্টিনের চমৎকার রান্নার খিচুরী... খাইতে মন আকুপাকু করে? ০১৭১..... হ্যালো মেসাবাহ ভাই ... বাইরে বৃষ্টি Smile.. বাকি কথা মেসবাহ ভাই বলবেন Smile