ইউজার লগইন

শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ১

থাকি ঢাকার বাইরে। আগে মতো আর প্রতিদিন বইমেলায় যাওয়া হবে না। এ এক বড় দুঃখ!

১৯৯৩ সাল, নবম শ্রেণীতে উঠেছি। পিসিরা খ্যাপায়- নাইনে নাকি ‘লাইন’ করে। শুনে কিছুটা লাজরাঙা হই; কৈশোর বয়স। দাড়িগোফ উঠতে শুরু করেছে। আভাস দিচ্ছে বড় হওয়ার কিংবা বড়ত্বের। পিসিদের কথার প্রবল প্রতিবাদ করি- না, না, লাইন-টাইন করবো না। তাহলে কী করবি?- পিসিদের প্রশ্নের উত্তরে বলি, কবিতা লিখবো। ইতোমধ্যে বেশ কিছু ছড়া লিখেছি, আস্তে আস্তে ভাবছিলাম কবিতার দিকে যাবো কিনা। কবিতা আমার কাছে তখনো বড়দের ব্যাপার। ভেবেছিলাম লাইনের বদলে পিসিদের কবিতার দিকে ডাইভার্ট করা যাবে; কিন্তু শুনে তারা বললো- মানুষ নাকি প্রেমে পড়লে কবিতা লিখে!

তাই কি?

বাড়ি মোহনগঞ্জে। ওটা নেত্রকোনায়। মোহনগঞ্জে শহীদ মিনারের পাশে একটা পাঠাগার আছে। মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগার। আমার শৈশব-কৈশোরের অন্যতম প্রিয় স্থান। পিসিদের কথা শুনে বেশ কিছু কবিতার বই পড়লাম পাঠাগারে- ব্যাপারটা আসলেই তাই। অধিকাংশ কবিতাই ‘তোমাকে’ নিয়ে। গ্রন্থাগারিককে বললাম, রাজনীতি বা সমাজ ইত্যাদি নিয়ে কবিতা নেই? তিনি কিছু বই ধরিয়ে দিলেন- পরিচিত হলাম অনেক স্বাদের নতুন নতুন কবিতার সাথে। নির্মলেন্দু গুণের ‘হুলিয়া’র সাথে প্রথম পরিচয় সম্ভবত তখনই। পাঠ্যবইয়ের বাইরে যে আরও অনেক নানা ধরনের দারুণ দারুণ কবিতা থাকতে পারে, সেই প্রথম পরিচয়- মানুষের এই ভিন্নতর মোহনভঙ্গীটির সাথে।

বাবা নানা কাজে ঢাকায় আসে। প্রায়ই। এরকমই একটি দিনে জানা গেল- দুদিন পরই বাবা ঢাকা যাবে। আবদার জানালাম- ঢাকায় নাকি বইমেলা হচ্ছে। আমার জন্য বই আনতে হবে। বাবা বলে, কী বই? উত্তর দিতে পারি না। সুনির্দিষ্ট কোনো বইয়ের নাম তো বলা হয় না, কারণ ওগুলো মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারে আছেই। তাহলে কী বলবো? বলি, যা হোক, একটা পছন্দ করে এনো। আর সাথে একটা কবিতার বই।

বাবা বই আনে নি। বইমেলায় যাবার সময় হয় নি। অবাক হয়ে ভাবি- বইমেলা হচ্ছে, আর একটা মানুষ কী করে বইমেলায় যাওয়ার সময় পায় না! তখন সম্ভবত ভোরের কাগজ কিংবা আজকের কাগজে মাঝেমাঝে বইমেলা নিয়ে খবর ছাপা হয়। সেগুলো পড়ি। বাবার কলেজের শিক্ষকরা মাঝে মাঝে ঢাকায় আসেন, তাঁরা বড়রা আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে বইমেলা নিয়ে আলোচনা করেন। আমি শুনি। শুনতে শুনতে বইমেলা সম্পর্কে আরেকটু আগ্রহ হয়। শোনা কথায় বইমেলাকে জানা তাই শুরু ১৯৯৩ সাল থেকে।

১৯৯৫ সালের শেষদিকে ঢাকায় আসি- উচ্চশিক্ষার্থে। তিতুমীর কলেজে ভর্তি হই। প্রথম বছর, ১৯৯৬ সালের শুরুতে, ঢাকার চাকচিক্য দেখে ভুলে যাই বইয়ের মেলার কথা। তাছাড়া আর্থিক সংকট ছিল, মাসে ১০০০-১২০০ টাকা দিয়ে চলতে হতো, এর মধ্যে ৫০০ টাকা মেসভাড়া। মহাখালী ওয়্যারলেস গেট থেকে ছয় নম্বর বাসে ফার্মগেট যাই আটআনা দিয়ে। বেরুবার সময় পকেটে নিই মাত্র দুই টাকা। এক টাকায় যাওয়া-আসা, আরেক টাকা বিপদের সহায় হিসেবে। বই তাই আর মাথায় আসে না। ১৯৯৭ সালটাও কাটলো এভাবেই- সামনে এইচএসসি- সুতরাং বইমেলা বাদ।

এরপর বোধহয় কোনোবছর বইমেলা বাদ যায় নি। ১৯৯৯ সাল থেকে তো রীতিমতো বইমেলার স্টলে বসি- বই বিক্রি করি- ‘শিক্ষাবার্তা’র স্টলে। আমি আর জগন্নাথ হলের অশোকদা। স্টল দিয়েছেন ‘শিক্ষাবার্তা’র সম্পাদক ও নটর ডেম কলেজের শিক্ষক এ. এন. রাশেদা আপা। বছর চারেক আমি আর আশোকদা- দুজন মিলে বইমেলায় শিক্ষাবার্তার স্টল সামলেছি। মূল আকর্ষণ নতুন নতুন বই পড়া। অশোকদা ছাড় দিতেন- তিনি বই বিক্রি করতেন, আমি বসে বসে নতুন বই পড়তাম, যেহেতু কেনার সামর্থ্য ছিল না। চার বছরে কতোগুলো নতুন বই যে পড়েছি, তার ইয়ত্তা নেই- এখনও তাই ঋণী হয়ে আছি ‘শিক্ষাবার্তা’র কাছে। সারা মাস স্টলে বসার পর রাশেদা আপা কিছু টাকা ধরিয়ে দিতেন, আমি আর অশোকদা শেষমেষ কাঁচুমাচু হয়ে বলতাম- আপা, অনেক বই তো বিক্রি হয় নাই, কিছু বই নিই? তিনি হেঁসে বলতেন, নাও, নিয়ে যাও। মেলার শেষ দিন দুজন মিলে ছয়-সাত হাজার টাকার বই মাথায় করে নিয়ে আসতাম, হলে।

বইমেলায় গতবছরও গিয়েছি- প্রায় প্রতিদিনই। গিয়ে কী করি? কিছুই না, আড্ডা দিই। বই দেখি। বড় কথা- আরাম লাগে ওখানে গেলে। না গেলে ছটফট লাগে। এই জানুয়ারি মাসের পাঁচ তারিখে চলে গেলাম রাজশাহীতে, পাকাপাকিভাবে, সুতরাং ১৯৯৩ সালের মতো এখন থেকে আমার বইমেলাগুলো কাটবে শোনা কথায়। শোনা কথায় বইমেলা খুব কষ্টের! চেষ্টা থাকবে ফেব্রুয়ারি মাসের ছুটির দিনগুলোতে ঢাকায় থাকার- যতোটা সম্ভব! একটা মাসই তো!

আজ, ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে, এ বছরের বইমেলা উদ্বোধন হলো। গতকাল রাতে ঢাকায় চলে এলাম। সারাদিন বিশ্রাম নিয়ে বিকেলবেলায় গেলাম বইমেলায়। বউসহ। ছুটির দিন বলে প্রচুর মানুষ। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে উদ্বোধন করে চলে গেছেন। সুতরাং নির্বিঘ্নেই ঢুকা গেল। দুজন মিলে ঘুরছি। আমার সম্পাদনায় একটি বই বের হবার কথা- ‘শুদ্ধস্বর’ থেকে- ওখানে গিয়ে দেখলাম বই আসে নি। অন্য স্টলগুলো একটু একটু করে চেখে দেখলাম। মূল রাস্তায় কোনো স্টল নেই। এনজিওদের নাকি স্টল দেয়া হয় নি, স্টল দেয়া হয় নি আলতুফালতু বইবিক্রেতাদের। এটা ভালো। কিন্তু ‘উন্মাদ’ স্টল পেল না কেন? বইমেলায় দু’দুটো ইউনিট দিয়ে দিস্তা দিস্তা কাগজ বিক্রি করছে বসুন্ধরা পেপার। তারা স্টল পেলে ‘উন্মাদ’ পাবে না কেন? শুদ্ধচারী বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষ শুদ্ধতা বাছতে গিয়ে লোমের বদলে উকুন রাখায় পক্ষপাতী কি? ধিক্!

ত্রিভুষাসম্ভাষ

লিটলম্যাগ প্রাঙ্গনেই মূলত পরিচিতজনদের দেখা মেলে। প্রথম দিন বলে পরিচিত মানুষ পেলামই না বলতে গেলে। দুজন বসে আসি, হঠাৎ করেই দেখি তৃষিয়া আপাকে। অনেকদিন পর দেখা। কিছুক্ষণ গুটুরগুটুর করে তিনিও চলে গেলেন। দেখি মুজিব মেহদী ভাই গল্প করছেন। তাঁর সাথে কিছুক্ষণ গল্প করলাম। তাঁর একটি বই বের হয়েছে- ‘ত্রিভুজাসম্ভাষ’ –‘শুদ্ধস্বর’ থেকে। সেখানে অনেকগুলো হাইকু, বাইকু আর সেনরু আছে। তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (অন্তত আমার কাছে) হলো, তিনি এগুলো নিয়ে বইতেই একটা বিশ্লেষণধর্মী লেখা দিয়েছেন। হাইকু, বাইকু আর সেনরু নিয়ে জানতে হলে বইয়ের ওই লেখাটি পড়া জরুরি। মুজিব মেহদীর মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে একটা ধারাবহিক লেখা ছাপা হচ্ছে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ ওয়েব সাইটে। সেটি নিয়েও আলোচনা হলো কিছুক্ষণ। একজন কবি যখন শিক্ষা নিয়ে লিখেন, সেটি নানা অর্থেই ভিন্নমাত্রা ধারণ করে। মুজিব ভাইকে তাই অনুরোধ জানালাম এ ধরনের লেখা চালু রাখতে।

কিছুদিন আগেই তিনি একটি পুরষ্কার পেয়েছেন- ‘লোক সাহিত্য পুরষ্কার’। এ উপলক্ষ্যে লিটলম্যাগ ‘লোক’ একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে যেখানে অন্য অনেকের সাথে আমারও একটি লেখা আছে মুজিব মেহদীর ‘মাদ্রাসা শিক্ষা: একটি পর্যবেক্ষণ সমীক্ষা’ বইটির ওপর। কথা বলতে বলতেই জানা গেল লোক-সম্পাদক অনিকেত শামীম আছেন সামনেই। আগে ইমেইলে কথা হলেও সরাসরি পরিচয় হয় নি। পরিচয়পর্বের পর হাতে পেলাম ‘লোক’–এর একটি সৌজন্য লেখক-কপি।

ওপাশে দেখি গল্প করছেন শিক্ষক-গবেষক-সাহিত্যিক মাসুদুজ্জামান স্যার। গিয়ে পরিচয় দিলাম, নাম বলতেই অবশ্য তিনি চিনে ফেললেন। তাঁকে আমি চিনি বহুদিন ধরেই- তিনি আমাদের ‘লালসালু’ পড়াতেন সরকারী তিতুমীর কলেজে। মাস তিন-চারেক পড়িয়ে তিনি চলে আসলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে- শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইআর)। এইচএসসি পাশ করে আমিও ভর্তি হলাম সেখানে। স্যারের ভাষায়- আমি তাঁর বিরলতম ছাত্রদের একজন; যাকে কিনা দুই জায়গাতেই আমি পেয়েছি। তবে আইইআরের স্যারের কোর্স পুরোপুরি পাই নি, কারণ তিনি তখন পড়ালেখার জন্য বাইরে- যা দেখতাম মাঝেমাঝে তিনি ঢাকায় এসে আইইআরে কাজ করছেন। দেখাসাক্ষাৎ না হওয়ায় মাঝখানে অনেকদিন কথাবার্তা ছিল না। সম্প্রতি ফেসবুকের সুবাদে সেই যোগাযোগটা আবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্যারের সাথে কথাবার্তা হলো অনেকক্ষণ। তাঁর বই নিয়ে, কাজ নিয়ে; আমার বই নিয়ে, কাজ নিয়ে। পেশাগত অর্থে আমি এখন স্যারের সহকর্মী, ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। সুতরাং কাজ নিয়ে কথা হবেই। তিনি যেহেতু জেন্ডার-সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে লিখেন, অনুরোধ জানালাম- হিজড়াদের নিয়ে কিছু লেখা যায় কিনা। জেন্ডার বলতেই আমরা সাধারণত নারী-পুরুষ, তাদের সামাজিক সম্পর্ক ইত্যাদি ইত্যাদি ভেবে ফেলি- কিন্তু হিজড়ারা কোন জেন্ডারের মধ্যে পড়ে? দেখলাম, স্যারের কিছু ভাবনাচিন্তা আছে এ নিয়ে। আমার ভাবনাগুলোও শেয়ার করলাম। আশা করা যায়, আগামী বছর কিংবা তার পরের বছর তাঁর কাছ থেকে এই বিষয়ে একটা বই পাবো। পাবো না?

সেলিনা হোসেনের কথাসাহিত্য

মাসুদুজ্জামান এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার শিক্ষক বরেন্দু মণ্ডলের যৌথ সম্পাদনায় 'সেলিনা হোসেনের কথাসাহিত্য: দেশ-কাল-জাতি' বইটি নেড়েচেড়ে দেখলাম, প্রকাশিত হয়েছে 'লেখাপ্রকাশ' থেকে। তিনি জানালেন, ভারতের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেলিনা হোসেনের লেখা পাঠ্য। বইটি হয়তো সেই চাহিদা মেটাবে অনেকটা, কিন্তু তার বাইরে গিয়েও একজন জীবিত লেখক ও তাঁর লেখার ওপর প্রকাশিত অন্যের আলোচনার আবেদন অনেক- মূল লেখক তাতে জানতে পারেন তাঁকে নিয়ে অন্যরা কী ভাবছেন, কী মূল্যায়ন করছেন। এ বছর হাতে টাকাপয়সা নেই, থাকলে বইটি আজকেই কিনে ফেলতাম।

অনেকটা সময় পার করেছি বইমেলায়। পরিচিত কেউ বোধহয় আর আসবে না। আমরা দুজন আস্তে আস্তে হাঁটা ধরলাম বাসার দিকে। জানি না আবার কখন আসা হবে বইমেলায়। ওই, শোনা কথায় দিন চালাতে হবে এখন।

দেশের বাইরে থাকার কারণে যারা বইমেলা মিস করছেন, তাঁরা সান্ত্বনা পেতে পারেন- আপনার মতোই আমিও মিস করছি বইমেলা- হয়তো আরও প্রকটভাবে- কারণ আমি তো আছি দেশেই, দেশে থেকেও শোনা কথায় পার করতে হচ্ছে আমার এই সুস্বাদু বইমেলাকে!

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


লেখা দারুন। আমি গত তিন চার বছরে বই মেলায় গেছি প্রথম দিনেই। এবার যাই নাই কারন প্রথমদিন কেমন জানি একটা প্রানহীন প্রানহীণ লাগে আর মন্ত্রী আমলাদের গাড়ীর ভীড়ে নিজেরে হালিমের ছাগল বলে মনে হয়। আপনার বই বেচার এক্সপিরিয়েন্সটা জোসিলা!

গৌতম's picture


আমি অবশ্য মন্ত্রী-এমপিরা যাবার পরই ঢুকেছিলাম। আর ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল ও বিকেল বেলার ভিড়টা ছাড়া বইমেলা সর্বোতবস্থায় আমার দারুণ লাগে।

শওকত মাসুম's picture


আগে বই কিনতে, আড্ডাইতে ও বই দেখতে যেতাম। এখন নিজের বই থাকে, অন্যরকম লাগে। কিন্তু এবার যে কি হবে! অফিসের যে ব্যস্ততা, তেমন যেতেই হয়তো পারবো না। আফসুস

গৌতম's picture


ঢাকায় থেকে বইমেলায় না যাওয়াটা উন্নাসিকতা! এদের জরিমানা করা উচিত। যা হোক, জরিমানা হিসেবে আপনার বইগুলো এক কপি করে আমার ঠিকানায় পাঠায়া দিয়েন।

সামছা আকিদা জাহান's picture


এবার বই েমলায় েযেত পারেবা িকনা জািন না । খুব ইেচছ করেছ এখুিন যাই ।
েলখা খুব ভেলা েলেগেছ।

গৌতম's picture


ধন্যবাদ আপা। চলে আসেন ঢাকাতে।

জ্যোতি's picture


দারুণ পোস্ট । গৌতমদা অবশ্যই সুযোগ পেলেই চলে আসবেন । বই বেশী কিনতে না পারি বইমেলায় গেলেই মন ভালো হয়ে যায় ।

গৌতম's picture


রাজশাহী টু ঢাকার ভাড়াটা যদি দিয়ে দিতেন, আপনার সাথে প্রতি শুক্রবারেই আড্ডা দিতে যেতাম!

জ্যোতি's picture


লাইন করার কথাটা থামিযে দিলেন যে! পরের কাহিনী বইলেন পরবর্র্তীতে ।

১০

গৌতম's picture


কারণ লাইন হইয়া যায় আকাবাঁকা, ভালো না হাতের লেখা...

১১

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


চমত্‍কার একটা লেখা।

উন্মাদ স্টল না পাওয়ায় খারাপ লেগেছে খুব।

১২

গৌতম's picture


উন্মাদ তো শুধু ম্যাগাজিন বের করে না, তাদের অনেকগুলো বইও আছে। একাডেমীর বিষয়টা ভাবা দরকার ছিল।

১৩

রন্টি চৌধুরী's picture


ওয়ারল্যাস গেইট থেকে ফার্মগেটের ছয়নম্বরের ভাড়া এখন কত?

১৪

গৌতম's picture


জানা নেই। ৮-১০ টাকার কম হবে?

১৫

লীনা দিলরুবা's picture


নাইনে উঠে লাইনের চিন্তা না থাকলে কি আর কবিতা লিখতেন? Tongue সে-বয়সে কবিতা মানেইতো লাইন Wink

লেখা স্বাদু। কিন্তু শেষে এসে বুঝতে পারলামনা, মেলায় গেলেন, না-কল্পনা থেকে লিখলেন!

১৬

গৌতম's picture


লাইনের চিন্তা তখন পর্যন্ত মাথায় আসে নি। কারণ জানতাম লাইন করার পরে বিয়ে করতে হয়, আর বিয়ে তো একটা লজ্জ্বার ব্যাপার (মানে তখন পর্যন্ত)! Tongue

লেখার শেষে আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পেরে আনন্দিত! Smile

১৭

জেবীন's picture


নাইনের লাইন করা কবি(!) আজকের শিক্ষাবিষয়ক এবং আরো দারুন সব বিশ্লেষন ধর্মী লেখার লেখক গৌতম। Smile
মেলায় যাওয়া হবে তবে মেহমানের মতোই Stare

১৮

গৌতম's picture


নাইনে কিন্তু শেষ পর্যন্ত লাইন করা হয় নাই।

আর মেলায় যাবেন না বেশি বেশি। শুধু আমি যেদিন যাবো, সেদিন যাবেন- ঠিক আছে?

১৯

মীর's picture


ভালো লাগলো গৌতমদা'। শুভকামনা Smile

২০

গৌতম's picture


ধন্যবাদ পড়ার জন্য। Smile

২১

তানবীরা's picture


দেশের বাইরে থাকার কারণে যারা বইমেলা মিস করছেন, তাঁরা সান্ত্বনা পেতে পারেন- আপনার মতোই আমিও মিস করছি বইমেলা- হয়তো আরও প্রকটভাবে- কারণ আমি তো আছি দেশেই, দেশে থেকেও শোনা কথায় পার করতে হচ্ছে আমার এই সুস্বাদু বইমেলাকে!

হুম, সংসারের চাকায় কেমন করে যেনো আটকে গেলাম। অনেকেই শিকল ভেংগে উড়াল দেন, আমার হলো না, শেষবার বইমেলাতে গেছি ২০০৮

২২

গৌতম's picture


আগামী ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসার ট্রাই নেন।

২৩

তানবীরা's picture


কোন আগামীতে ট্রাই দিবো কে জানে? এখন মেয়ে পালতেছি পরে নাতি নাতনী পালবো কে জানে Sad(

২৪

গৌতম's picture


ট্রাই করেন। ট্রাই করতে দোষ কী?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

গৌতম's picture

নিজের সম্পর্কে

অনিশ্চয়তার মধ্যে আমার বসবাস। পৃথিবীর কোনো কিছু সম্পর্কেই আমি নিশ্চিত নই। এমনকি যা লিখি, যা পড়ি, যা বলি, সেগুলো সম্পর্কেও নয়।
সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মোহ আছে, তবে সমাজের তান্ত্রিকদের কাছ থেকে দূরে থাকতে চাই।

আমার লেখার সব লাইসেন্স ক্রিয়েটিভ কমন্সের by-nc-nd-এর আওতায় রক্ষিত। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।

শিক্ষাবিষয়ক একটি ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করছি কিছুদিন ধরে - www.bdeduarticle.com