ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

আবেগ

আবেগ
এত আবেগ ঢেল না
আমি ডুবে যাব,
সেই সে ভয়ে
নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়
আমার আবেগের সীমানা থেকে।
কিন্তু পেরেছে কি?
আর একজন
চায় শুধু চায়...।
ঢালো আবেগ
আরো ঢাল
আবেগে
আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাও
ডুবিয়ে দাও
দিগন্ত প্রসারিত দু বাহু ভরে
তত টুকু আবেগ দাও
যা সমুদ্রের থেকেও গভীর
যে সমুদ্রে আমি সন্তরণ করব
কখনও ডুবে যাব।
আকাশের থেকে উঁচু
যেখানে আমি মনঃ হাওয়াই জাহাজে উড়ে বেড়াব।
ঝরনার চেয়েও স্বচ্ছ
যেথায় হংস হংসী হয়ে জলকেলি করব
নিঃশ্বাসের চেয়েও প্রিয়।
সেই সে তপ্ত নিশ্বাসে
আপন মনে তাপিত হব
যাপিত হব
হিমালয়ের চেয়েও শক্ত।
যাতে দুজনা দুজনাকে
এমননি ভাবে বেঁধে নিব
জনম জনমতক হব না...।

বৈশাখ,০৩,১৪২১
সিরাজগঞ্জ

শুভ নববর্ষ ১৪২১

শুভ নববর্ষ ১৪২১
গত সাতদিন থেকে বিরতিহীন অঝোর বৃষ্টি, আজ সন্ধায় থামবে। এমন ডাহা মিথ্যা কথা কেউ বলে, আজ বৈশাখের প্রথম দিন বৃষ্টি কোথায়? আর সাতদিন ধরে বৃষ্টি কেউ দেখলো না কোন মিডিয়াতে খবর নেই আর আপনি বলছেন, তবে মিথ্যা নয়ত কি?
আবার আবহাওয়াবিদ কবে হলেন যে বললেন আজ সন্ধ্যায় থামবে। আবহাওয়াবিদ কেন, জ্যোতিষিকেও হার মানানোর মত কথা।
ফেবু/ব্লগের বন্ধুরা,প্রকৃতি তাঁর আপন মহিমায় উজ্জল, বৃষ্টি তো দুরের কথা, বাহিরে তাপ ভিতরে গরমে সকল প্রানীকুলের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। শুধু আমার আংগিনা বাদে।
কেন?
কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টের কমিশনিং চলছে। বিশাল বিশাল তিনটি কুলিং টাওয়ার ৫০ ফুট উপর থেকে বিশাল ফেনের মাধ্যমে ঠান্ডা হওয়া পানি প্লাস্টিকের তৈরী কৃত্রিম মৌচাকের ভিতর দিয়ে বেস মেন্টেন্টে পড়ে টাপুর টুপুর শব্দে এক অসাধারন সুর লহরী তৈরী করেছে।

বহ্নি জ্বালা(পর্ব-২)

আমার ছেলেমেয়ের জন্য আমার অনেক দুঃখ হয় বিশেষ করে ছেলের জন্য। আমি যে নির্মল আনন্দ গুলো করেছি আমার ছেলে তা ভাবতেও পারে না। আমার ছেলে এখন অষ্টম শ্রেনীতে পড়ে, ঠিক একই বয়সে ফাগুন চৈত্র মাসে নিজ হাতে বানানো ঘূড়ি উড়িয়ে কি যে মজা পেতাম কিভাবে ব্যাখ্যা করব। উড়ানোর মজা এক, বানানোর মজা আরেক। আজ যখন মনে হয় ভাবি এত কষ্ট করতে হত, একটা ঘুড়ি বানানোর জন্য?
সে সময় মেলায় ঘুড়ি পাওয়া যেত। তা কিনেও আনতাম, তবে সে সব ঘুড়ি ছিল ছোট ও পাতলা কাগজের, কদিনেই ছিড়ে যেত। তাই ঘুড়ি বানানোর জন্য বাঁশের ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে শুকাতে দিতাম। বাতা করার উপযোগী হলে তা থেকে উপর নিচের ধনুকের মত দুটি শলাকা এবং মাঝের জন্য আর একটি শলাকা বের করে নিতাম। ঘুড়ির লেজ বানানোর জন্য আরও একটি শলাকা লাগত। সুতার সাহায্যে বেঁধে ঘুড়ির কাঠামো তৈরীর পর কাগজ দিয়ে তার ছাউনি তৈরী করা হত।

পচাশি বছরের যুবক যাবেদ আলী (প্রথম পর্ব)

আশি বা পচাশি বছরের যুবক। নাম যাবেদ আলী। আমার ড্রেইনেজ কন্ট্রাকটর। প্রথম যে দিন আমি তাকে দেখি রিতিমত আবাক হয়েছিলাম। লম্বায় প্রায় ছয় ফুটের কাছাকাছি, কাশ ফুলের মত দাড়ি গোফ ও মাথার চুল শরীরের রংগের সাথে মিলেমিশে একাকার। তদুপরি সাদা পাঞ্জাবি আরব্য উপন্যাসের জ্বিনের বাদশাহদের কথা মনে করিয়ে দেয়। পচাশি বছরের জাবেদ আলীকে ক্ষনিকে আমি ১৫ থেকে বিশ বছর বয়সের এক যুবকের প্রতিচ্ছবিতে দেখতে লাগলাম। আল্লাহ্ তায়ালা সকল মানুষকে সুন্দর অবয়বে তৈরী করেছেন। তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই জাবেদ আলীর যৌবনের দ্যুতি চলন্ত পথের সাথিদের বা অন্দর বাহির বা কোন আড়াল থেকে দেখা দৃষ্টিকে কি এলো মেলো করে দিত না। কেউ কি মহান সৃষ্টি কর্তার এই মহান সৃষ্টি দেখে বলত না
“তোমার সৃষ্টি পানে যদি চাওয়া হয় চোখ সুন্দর হয়।
তোমার নামে যদি গান গাওয়া হয় গান সুন্দর হয়।“

সময় যে বহে যায়

এখন রাত ২টা। ঢাকা শহরের এই এলাকাটা এমনিতে দিনের বেলাতেও তেমন কোলাহল মুক্ত থাকে। প্রাইভেট কার, সি,এন,জি, টেক্সিক্যাপ, রিক্সা ও পথচারীর চলাচল ছাড়া মাঝে মাঝে ফেরিওয়ালার হাকডাক শুনা যায়। আর এখন গভীর রাত, রাস্তার বৈদ্যুতিক আলো ও কাছে দুরের নির্মাণাধীন ইমারতের নিরাপত্তা বাতিগুলো রাতের নিকস কালো আধারের কিয়দংশ দুর করলেও বাকি জায়গাগুলোর অন্ধকার দুর করার কাজটি মহান সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে আজন্ম থেকে যে চাঁদ মামা করে আসছিলেন, আজও তিনি তাই করছেন।

জাতীয় পতাকার অবমাননা

আমি যদি ভুল বলি তাই প্রথমে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।কারন এটা জাতীয় ইস্যু। গতকাল জাতিয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও টিভির সামনে দাঁড়িয়ে সমস্ত সহকর্মীদের নিয়ে গলা ছেড়ে গাইলাম প্রানের চেয়ে প্রিয় জাতীয় সঙ্গীত।

স্বাধীনতা তুমি এসেছিলে বলে

স্বাধীনতা তুমি এসেছিলে বলে
দিনভর
প্রশান্ত মনে জীবিকার সন্ধানে ঘুড়ি
রাতে সুখ নিদ্রা যাই
তব দানে পাওয়া মাতৃভুমির ক্রোড়ে ।

সকালে নির্মল শীতল
সমীরণে, প্রশান্ত মনে
সূর্যি মামার রক্তিম আগমন পথে
যখন নজর পড়ে
মনে পড়ে যায়
উপরে বিধাতা, নীচে ১৮ বছর
জেল খানার অন্ধকার প্রকষ্ঠে কাটানো
জনকের কথা।

তুমি এসেছিলে বলে
আমি
লেখক, কবি, গীতিকার, গায়ক
কৃষক, গর্বিত গাড়ী চালক।
আরও আরও কত কি!!
তুমি এসেছিলে বলে
আমি কুদ্রাপি ছুটে চলা ঝঞ্ঝা।
আমি মুক্ত বিহঙ্গ,
আমি ঋদ্ধি, আমি ধন্য।
নিজের হাতে বানানো ঘূড়ি
পত পত করে উড়ে
ছুটে যেতে চায় সপ্তাকাশে,
তা না পারলেও আকাশের বাসিন্দাদের জানিয়ে দেয়
তার মুক্তির স্বাদ আস্বাদনের কথা
ডিগবাজি খেয়ে ইয়া আলী বলে
হুংকার ছুড়ে
আয় আয় হায়েনার দল,
আর একবার দেখি তোদের।

তুমি এসেছিলে বলে
আমার হাতে সবুজ পাসপোর্ট

বহ্নি জ্বালা

আজ বজ্র যেন হানিছে আঘাত
বহ্নি জ্বালায় জ্বলিছে দেহ মন
অবারিত অক্ষিদ্বয় যেদিকে তাকায় শুধুই শুন্যতা।
ক্ষনকাল অতীতেও যা ছিল
চাঁদ, তারা, নিহারিকা বা উদিয়মান সূর্যের
হাজারও আলোক রশ্মিতে আলোকিত,
ভোরের নির্মল শীতল সমীরণের পরশে
যেমন থাকে দেহমন পরিপূর্ণ।

এ কি কিছু হারানো ?
না কোন কিছু হারানো নয়
কখনও না হারানোর ব্যথাও যে বহ্নি জ্বালাকে হার মানায় আগে বুঝিনি।

দিন পনের ঢাকাতে হেড অফিসে ছিলাম বিভিন্ন কাজ নিয়ে, ডাইরেক্টার স্যার বললেন প্রজেক্ট তো শেষ প্রায়, মানষিক ভাবে প্রস্তুত থাক, অন্য প্রজেক্টে যেতে হবে,
জিজ্ঞেস করেছিলাম,কোথায় যেতে হবে, বললেন না,

পঞ্চাশ বছর পর আজকের সুন্দর পৃথিবী

সম্ভবত ২৪ বছর পর গতকাল বাবুল ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা হল। এই যান্ত্রিক ও সীমাহীন ব্যস্ত জীবনে স্বার্থ ছাড়া খুব কমই আমরা কেউ কারও খোজ করি।আমিও তেমনই একটি স্বাথের জন্যই বাবুল ভাইকে ফোন করেছিলাম।
বাবুল ভাইকে বাবুল ভাই হিসেবে হয়ত খুব কম জনই চিনবেন কিন্তু যদি বলি আমিনুর রশিদ, আমার বিশ্বাস ফেবুর সকল বন্ধুরাই চিনবেন। উনি আমাদের প্রিয় বাবুল ভাই হলেও আজ উনি দেশের একজন বিশাল বিজনেজ ম্যাগনেট আমিনুর রশিদ। দেশের সুবিখ্যাত ও সুবিশাল কম্পানি Energypac এর সেলস ও মার্কেটিং এর প্রধান আর এই কম্পানিটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে দেশের বাইরেও তার শাখা প্রশাখা বিস্তার করেছে।

আপনারা সবাই দোয়া করবেন

কার নামে আজ ঘুমিয়েছিলেম
চোখ খুলে ভাই দেখি,
শত পরীর মেলা বসেছে
রইল না কেউ বাঁকি।।
বউদি ভাবি গিন্নী শালী
আর যারা আছে সব মিলে
গোলাপ রজনী চম্পার সুবাস
নাড়া দিচ্ছে দিলে।।

কোন এক বসন্তের দুপুরে ঘুমিয়েছিলেম, উপরে বর্ণিত ডজন খানের পরীর কলকল ছলছল কলকাকলীতে নিদ্রার হল অকাল মৃত্যু। দরজার পর্দা গলিয়ে চর্ম চক্ষুর দৃষ্টি তাদের উপর নিপতিত হবার সাথে সাথে আমার কবিত্ব জেগে উঠল, লিখে ফেললাম উপরের কটি লাইন।
অতঃপর বের হয়ে লিখিত ক লাইন আবৃতি করাতে কেউ কেউ ভেঙচি কেটে উঠল, যাকে দেয়া হয়েছে তাঁর গন্ধই নেয়া হউক, অন্যদিকে যেন নজর না পড়ে।

পড়ার ছড়া

সকালে পড়ি বিকালে পড়ি
পড়ি রাতের বেলা
এত পড়ার পরেও মেলে
সবার অবহেলা।
সবার মুখে একই কথা
প্ড় পড় পড়।
লেখাপড়া করলেই তুমি
হবে অনেক বড়।

পড়তে হবে লিখতে হবে
এ কথাটা মানি।
তার পরেতেও সবার শুনি
হাজার উপদেশ বানী।

পড়লেই নাকি প্রকৌশলী
নয়ত হব ডাক্তার,
তা না হলে জীবন বৃথা
সবই ছাড়খার।

নজরুল রবি শরৎ বাবুর
পড়ার দৌড় কত?
তার পড়েতেও কজন আছে
বড়, তাদের মত।।
ফেব্রুয়ারী,২৩,২০০৫ খ্রীঃ

শরীর কাহিনী

Head মানে মাথা
Eye মানে চোখ
Ear মানে কান জেনো
Chest মানে বুক।।
চুলের বাহার দেখতে ভাল
Hair তাকে বলে
হউক না তা যত ই কালো
সাদা বুড়া কালে।।
Finger মানে আংগুল
Hand মানে হাত
পেটের ব্যাথজায় belly খারাপ।
সবাই কপোকাত।

Back মানে পিঠ
Leg মানে ঠ্যাং
শুদ্ধ বাংলায় পা বলে
নাচে ড্যাং ড্যাং।।

Nose মানে নাক
গন্ধ তাতে পাই।
Mouthমানে মুখ জানি
সকল কিছু খাই।।

Tooth মানে দাঁত
হাড্ডি মাংস খাই
Throat মানে গলা
মধুর গান গাই।

জোনায়েদ

ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, বন্ধু

ছিকল ছিড়িতে না পারে
খাচা ভাংগিতে না পারে
পাখি ছটফটাইয়া মরে,
পাখি, ধর ফরাইয়া মরে।।
যতদুর মনে পড়ে ফারুক ও কবরি অভিনীত ঘর জামাই ছবিতে মরহুম আব্দুল আলীম এ গানটিতে প্লে বেক করেছিলেন।
গানটি শুনলেই বুঝা যায় একজন মানুষ কতটুকু শারিরিক ও মানষিক চাপে থাকলে, আর যে গীতিকার গানটি লিখেছেন তার সাড়ে তিন হাত দেহের পরতে পরতে কত আবেগ থাকলে তবেই দৃশ্যের বাস্তবতায় বিলীন হয়ে এম্ন গান লিখতে পারেন।

দেখুন তো আপনাদের এম ন হয় কি??

আজ কিছুতে যায় না,
যায় না মনেরও ভার
এটা কবি গুরুর একটি গানে স্থায়ী তাও পুরোটা না।আমি জানি না তাই লিখতে পারলাম না।কবি গুরুর কেন মন খারাপ হয়েছিল জানিনা।
বিনা কারনে কারও কি মন খারাপ হয়, হয়ত বা হয়, হয়ত বা না।আমার কখনও কখনও বিনা কারণে মন খারাপ হয়।আমাকে তখন মনের গভীরে খুজে বেড়াতে হয়,কেন মনটা খারাপ।বউ ছেলে মেয়ের সাথে আছি তখনও হয়ত ভাল লাগছে না।
আবার হয়ত ওদের ছেড়ে দূরে আছি,অনেক চাপে আছি,কিন্তু মনে অনেক ফুর্তি।কাজ করছি, গাড়ী ড্রাইভ করছি, গান করছি,এম্ন কি একেবারেই নিঃসঙ্গ,রাত্রি গভীর, তা আলোময় বা অন্ধকারাচ্ছন্ন তাতে কি, আমার মনের অফুরন্ত অপ্রকাশাতীত আবেগ,আবেশ মহাকাশের গন্ডি পেরিয়ে কোন অজানা অচেনা গ্রহে বিচরন করছে।আমি তখন আমার মনের রাজা।এ পৃথিবী সম হাজারটা পৃথিবী যেন আমার করতলগত।
তখন ও আমার একটা অভাব থাকেই তা হল আমি কেন কবি গুরু বা কোন লেখক কবির মত লিখতে পারি না,

যখন থাকব নাকো অবনী পরে

আজি হতে বহু বছর পরে
আমি থাকব নাকো এ অবনী পরে
আমার রক্তহীন শরীর,হাড় মাংস
গলে পচে হবে সবুজ সার
খাটিয়ায় উপর দেয়া মাটিতে
ত্র তর করে বেড়ে উঠবে সবুজ ঘাস
হয়ত বা কোন বড় কোন বৃক্ষও
কবর নামক আমার ঘরটিতে
আমার এ সুন্দর দেহ খানি হবে বিলীন
কেউ জানবেও না আমার নাম ধাম।
আমার ও আছে ছবি, পোট্রেট, আছে লেখনী,
আমার গুলো কেউ কি এভাবে করবে সংরক্ষন?
না, কক্ষনো না।
কেন করবে?
আমি কি শেখ মজিব,
আমার কি আছে বজ্র কন্ঠ
আমার কি আছে দেড় যুগ জেলে
পচার সুখ অভিজ্ঞতা,
আমার চিত্ত কি তার মত নির্ভিক।
আমার জন্য ছাগল দোয়ানু এক গ্লাস দুধ,
চার আনা পয়সা নিয়ে কোন ভিখারিনী
রাস্তায় দাড়িয়ে কি অপেক্ষা করে?
আমার কন্ঠ শুনে লাখ লাখ মানুষ তো
দুরের কথা,
একটি পিপড়াও ছুটে আসে না।
আমি কে পেরেছি আমার উত্তসুরীর জন্য
একটি দেশ,
সে তো সুদুর পরাহত,
এক খন্ড নিরাপদ ভুমির ব্যবস্থা করতে।
না পারিনি।