ইউজার লগইন

আহমাদ আলী'এর ব্লগ

মিথ্যার বেসাতি

মোবাইল তো নয় যেন
মিথ্যার বেসাতি
ঢাকায় থেকেও বলি
আছি আমি রামগতি।

মোবাইলে বন্ধু খোঁজা
সহজ উপায়
ভালো নাকি মন্দ
বোঝা বড় দায়।

মোবাইলে করে কেউ
বাজার-সদাই
অর্থ নয়, সময় বাঁচে
ভাবনা কী তাই।

প্রযুক্তির নিত্যনতুন
শত আবিষ্কার
বিশ্বকে করেছে যান্ত্রিক
ব্যক্তিরা বেকার।

প্রতিদিন মোবাইলে
বলি শত কথা
অর্ধেক তার দরকারি
বাকি সব অযথা।

বিরক্তির রং নাম্বার
অভিজ্ঞতা সবার
FnFসুবিধায়
সারারাত কাবার।

মোবাইলে চলে প্রেম
হয় ভালোবাসা
আবেগতাড়িত জীবন
যেন শতভাগ খাসা।

মোবাইলে চলে কথা
চরম অশ্লীল
স্বপ্নে বিভোর হয়
হায়! বুজদিল।

পারা, না পারার দেশে

পুঁজিবাজারে পুঁজি কোথায়
বলতে পারেন, না-
পুঁজি হারিয়ে গলায় দড়িতে
ঝুলতে পারেন।

ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য কি
কিনতে পারেন, না-
বেশি দামে ভেজাল পণ্য
আনতে পারেন।

নিরাপদে সড়কপথ কি
চলতে পারেন, না-
নিসন্দেহে জীবনবাজি
রাখতে পারেন।

বিদ্যুতের লোডশেডিং কি
মানতে পারেন, না-
কুপি-হারিকেন জ্বালিয়ে
রাখতে পারেন।

ফুটপাতে নির্ঝঞ্ঝাটে কি
হাঁটতে পারেন, না-
মূল সড়কে হাঁটতে গিয়ে
প্রাণ দিতে পারেন।

জীবন চলার সংকট কি
সইতে পারেন, না-
না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে
মরতে পারেন।

আয় বুঝে ব্যয় কি কভু
করতে পারেন, না-
ভিক্ষার থালা হাতে রাস্তায়
নামতে পারেন।

সরকারের চৌদ্দগোষ্ঠী কি
ঝাড়তে পারেন, না-
বসে বসে বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখে
চুষতে পারেন।

খুন-সন্ত্রাসের বিচার কি কভু
পাইতে পারেন, না-
দুহাত তুলে সৃষ্টিকর্তাকে
জানাতে পারেন।

১১.১০.২০১১

চাঁদপুরে একদিন

১৯৭৬ সালের কথা। মেজো ভাইয়ের বিয়ের সুবাদে অন্যদের সাথে চাঁদপুর যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল আমার। তখন চাঁদপুর যাওয়ার সহজ বাহন ছিল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চ বা স্টিমার। ছোটবেলায় নৌকা-লঞ্চে ওঠার অভিজ্ঞতা অনেক, কিন্তু স্টিমারে প্রথম উঠেছিলাম চাঁদপুর যাওয়ার সময়। তখন এ রুটে ‘পাক ওয়াটার’ ও ‘বেঙ্গল ওয়াটার’ নামে দুটি স্টিমার সার্ভিস চালু ছিল। গিয়েছিলাম পাক ওয়াটারে এবং এসেছিলাম বেঙ্গল ওয়াটারে। পৃথক দুটি স্টিমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতাও ছিল ভিন্ন ধরনের। এ স্টিমার দুটি এখনো চালু আছে কি না জানা নেই। স্টিমারে ভ্রমণ লঞ্চের চেয়েও নিরাপদ মনে হয়েছিল। খুব মজা পেয়েছিলাম।

মডার্ন যুগের ছেলে

মডার্ন যুগের ছেলে রে ভাই
হাতে পরেছে চুড়ি
মেয়ে ভেবে সামনে গিয়ে
কেউ বলে ভাই সরি!

হাল ফ্যাশনের নায়ক
সেজে রাখে বড় চুল
মেয়ে ভেবে সামনে
গিয়ে হয় এবারো ভুল।

ভিলেন সেজে কেউবা
আবার পরে কানে দুল
মেয়ে সাজার শখটি বড়
নাম কিন্তু আবদুল।

পাঞ্জাবি নয়, কোর্তা যেন
সঙ্গে আছে ওড়নাই
মেয়ে সাজার শখটি বেশ
নাই যে তুলনাই।

সাজাসাজির এতো কথা
যায় না কভু ভোলা
ওই ছেলেটি ছিল নাকি
ঢাকাইয়া এক পোলা।

০৬.১০.২০১১

যুদ্ধকালীন স্মৃতির খন্ডচিত্র

দেশে যুদ্ধ চলছে। একদিকে সশস্ত্র পাক হানাদার বাহিনী, অন্যদিকে নিরস্ত্র মুক্তি বাহিনী। তখন দেশ এক চরম সংকটে। পাক বাহিনী যেন বাঙালির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। যখন-তখন যে কারো ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে ওরা। এ অবস্থায় মাকেসহ আমাদের গ্রামে পাঠিয়ে বাবা ও মেজো ভাই লালবাগের বাড়িতে রয়ে গেলেন। বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী ইসলামবাগ তখন চর এলাকা। গ্রামে যেতে হলে জিঞ্জিরা থেকে বাসে সৈয়দপুর, তারপর লঞ্চে শ্রীনগর গিয়ে নামতে হতো। একদিন মেজো ভাই গ্রামের উদ্দেশে ইসলামবাগের ভেতর দিয়ে রওনা হলেন। চাঁদনীঘাট ওয়াটার ওয়ার্কস পাম্পের কাছে আসতেই পাক সেনাদের নজর পড়লো তার ওপর। একজন মেজো ভাইকে দূর থেকে কাছে যাওয়ার জন্য ইশারা করলো, কিন্তু তিনি সাড়া না দিয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। ডুব সাঁতারে অনেকটা দূর গিয়ে ভেসে উঠতেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লো। গুলিটি তার চুল ঘেঁষে চলে যায়। রাখে আল্লাহ মারে কে? এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন তিনি।

ডিজিটাল বিড়াল!

ডিজিটাল বাংলাদেশে
বিড়ালগুলো হায়!
মাছ-মাংস কাঁটা রেখে
দুধ নাহি খায়।

আদ্যিকালের বিড়ালেরা
দিব্যি মানতো পোষ
ডিজিটাল যুগে এসে
মাছ-মাংসে বেহুঁশ।

আরাম প্রিয় বিড়ালের
নেই তো এখন সুখ
মাছ-মাংসেই অভ্যস্ত
সেজেছে রাজপুত।

বিড়ালের গোঁফ-দাড়ি
এখন যেমন নেই
চুক চুক দুধের শব্দ
আছে শুধু পুরাণেই।

ডিজিটাল বিড়ালের
হলো কি যে দশা!
গেরস্তের ঘুম হারাম
নতুন এক হতাশা।

পাল্টে গেছে বিড়ালের
আসল চরিত্র
ফরমালিনের ভেজালে
বিপন্ন ধরিত্র।

গরুর খাঁটি দুধ এখন
গল্পেতে কেবল
দুধ প্রিয় বিড়াল তাই
খুঁজে ফেরে জল।

৩০.০৮.২০১১

যোগ্য ছেলে সোহেল তাজ

প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ
মন্ত্রিসভায় নেইকো আজ
যোগ্য বাপের যোগ্য ছেলে
বড় গলায় সবাই বলে।

গেলেন তিনি ছুটিতে
কলঙ্ক দিয়ে কার টুঁটিতে
সবার জানা সে কথা
বলতে মানা অযথা।

পদটি ছিল স্বরাষ্ট্র
রর্য্যাব র্পুলিশের কারবার
জনতার অভিযোগে
করেন তিনি দরবার।

যোগ্য বাপের উত্তরসূরি
নয়তো ধোঁকাবাজ
অযোগ্যদের তাড়নায়
পেলেন তিনি লাজ।

রর্য্যাব-পুলিশের ক্রসফায়ার
ভুল ধরেছেন সাম হোয়ার
সত্য কথা বলতে মানা
ছিল না তো তার জানা।

খাঁটি কথা সহজভাবে
বলেন সোহেল তাজ
বিস্ময়ে ভাবেন উকিল
হলো এ কী কাজ।

মান-অভিমান নয়তো জেদে
রয়েই গেলেন দূরে
মন্ত্রিসভার কমলো সংখ্যা
এলেন না তিনি ফিরে।

শিরোনামহীন

প্রবাদ শুনেছি ছেলেবেলায়
উড়িয়ে দেইনি অবহেলায়
চোর-চোট্টা খেজুরের গুড়
আছে যতো ফরিদপুর।

লুটে নিচ্ছে চোরের দল
জনতার সম্পদ
আঁকড়ে আছে মন্ত্রিত্বের
বড় বড় পদ।

স্বাধীনতার বয়স কতো?
নিশ্চয় হয়েছে চল্লিশ
এতোদিনেও কি জনতা
রয়ে গেছে ফুলিশ।

সাধ ছিল এক সময়
সাধ্যও ছিল সমান
এখন কেবলই স্মৃতি
গোলাভরা ধান।

ভারতীয় জনতার যতো
আছে দেশপ্রেম
আমাদের দেশাত্মবোধ
বন্দী যেন ফটোফ্রেম।

বাংলাদেশের নাগরিক
তাই কি বাঙালি
বিদেশীরা দেয় কেন
হীন দৃষ্টিতে গালি।

ঋণ করে ঘি খাওয়ার
অভ্যাস যতো মোদের
প্রতিবেশীর দাদাগিরি
ঠেকায় সাধ্য কাদের।

বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন
মোরা এক জাতি
দুর্নীতিতে ঢের ভালো
আছে বহু কুখ্যাতি।

পুঁজিবাজারে পুঁজি নেই
যতো কেলেঙ্কারি
অর্থ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর
নিত্য আইন জারি।

পুঁজিবাজারে ব্যবসা নাকি
ফটকা এক কারবার
ভূঁতের মুখে রাম নাম
জপে সে বারবার।

মমতার ক্ষমতা!

ভারতের মমতা
বড়ই তোমার ক্ষমতা!
তিস্তার পানিবণ্টনে
হলো না তো সমতা।

মমতার নেই সমতা
বাংলাদেশের তরে
কথা দিয়ে চুপটি মেরে
থেকেই গেলেন ঘরে।

তিস্তা নদীর রিস্তা যেমন
আছে তোমার জানা
পানিচুক্তির সমাধান ছাড়া
ট্রানজিট যায় না মানা।

মনমোহন সিং নয়তো কিং
প্রধানমন্ত্রী তবে
পানি সমস্যার সমাধান
মমতা এলেই হবে।

ইন্দিরা আর শেখ মুজিব
করেছিলেন চুক্তি
এতো দিন গড়িয়েও
হলো নাকো মুক্তি।

গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর দাও
দেখায় নানান যুক্তি
সমঝোতার ৮ স্মারকে
হবেই এবার মুক্তি।

০৭.০৯.২০১১

সৈয়দ বংশের ছেলে

সৈয়দ বংশের ছেলে তিনি
নামটি আবুল হোসেন
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বটি পেলেন।

যোগাযোগে নেই যোগাযোগ
শত অভিযোগ
অহরহ মরছে মানুষ
কাঁপছে না তো বুক।

ভাঙাচুরা খানাখন্দক
নেইকো সংস্কার
আম-জনতার দাবি ওঠে
পদত্যাগ দরকার।

মানববন্ধন আর অনশন
হচ্ছে যার তরে
অযোগ্যের পদটি তিনি
আছেনই ধরে।

অঘটন আর দুর্ঘটনায়
বাড়লো শুধু বাজেট
শেষ হাসিটি হেসেই তার
ভারী হলো পকেট।

সংস্কারটি হবে কোথায়
হচ্ছে জায়গা খোঁজা
মন্ত্রীর পদ ছাড়বো
এতোই কি সোজা?

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ী
চলছে আরিচা
বরাদ্দটি থাক না পড়ে
ধরুক মরিচা।

ধনীর দুলাল জেনো আমায়
আছে ক্ষমতা
বোকার রাজ্যে বাস করে
তাই তো জনতা।

মিশুক গেলো মাসুদ গেলো
আরো কতো শত
গুণী লোকের মরণ যাত্রায়
বাড়লো বাজেট ততো!

২৭.০৮.২০১১

ঈদের দিনে

কালের পরিক্রমায় বছর ঘুরে
আবার এলো ঈদ
ধনী-গরিব নাই ভেদাভেদ
কণ্ঠে সবার গীত।

ভোর বিহানে গোসল সেরে
নতুন জুতা-কাপড় পরে
যাবে ঈদগাহে,
নামাজ শেষে খুতবা শুনে
ফিরবে উৎসাহে।

দান-খয়রাত, জাকাত-ফেতরা
বিলিয়ে দেবে আরেক মাত্রা
অন্তরে আজ ঈদ।

নতুন পোশাক আর টুপিতে
ঈদগাহ একাকার,
দোয়া শেষে কোলাকুলিতে
ব্যস্ত এক কারবার।

ফিরনি-সেমাই, কোরমা-পোলাও
পারো যতো মন ভরে খাও,
কদমবুছিতে হাত সালামি
উদার চিত্তে নাও।

আজকে সবাই মুক্ত মনে
পাড়া-পড়শি সবার সনে
করবে আলিঙ্গন,
ছেলে-বুড়ো সবাই মিলে
ঝগড়া-বিবাদ ভুলে গিয়ে
রচিবে বন্ধন।

খোকার ধোঁকা

সিটি মেয়র খোকা
বোকা সেজে জনগণকে
দিচ্ছে কেবল ধোঁকা।
মস্ত বড় অট্টালিকায়
বসেই প্ল্যান আঁকেন
কোনো কিছু জানতে গেলে
শুধুই তিনি বাঁকেন।
শহর ভর্তি আবর্জনার
গড়েছে এক পাহাড়
তিনি হলেন সাদেক হোসেন
‘খোকা’ খ্যাতি যাহার।
মশা মারতে কামান তিনি
দাগান নাহি কভু
মান-ইজ্জতের মাথা খেয়ে
মেয়র আছেন তবু।
বিএনপির সার্টিফিকেটে
মেয়র খোকা ভাই
সবকিছুতে ভাগাভাগি
কর্ম শুধু একটাই।
মতিঝিলের ফুটপাত বলো
হোক না টেন্ডারবাজি
সিটি মেয়র খোকা ভাই
তাতেও দিব্যি রাজি।
গাড়ির তরে গড়লেন তিনি
বিশাল সিটি সেন্টার
যানজটেরা পালিয়ে যাবে
টিপলে শুধু এন্টার।
নগর ভবনের কর্তা তিনি
আছেন মহাসুখে
যানজট আর দুর্ঘটনায়
মরছে মানুষ ধুঁকে।
বছর বছর বাড়ান বাজেট
বাড়ে খাজনা-ট্যাক্স
উন্নয়নের ছোঁয়া নেইকো
বলেন শুধু নেক্সট।

২৬.০৮.২০১১

ঘাতক!

ঘাতক মোরা যানকে বলি
আসল ঘাতক কে?
ঘাতক মূলেই বাস-ট্রাকের
চালক বনে যে।

প্রতিদিনই জীবন মোদের
হচ্ছে কতো সাবাড়,
এ জীবনকে রক্ষা করে
সাধ্য কার বাবার।

জীবনটাকে তুচ্ছ করেই
নিত্য পথচলা,
নিচ্ছে জীবন ঘাতক ট্রাক
যেন ছেলেখেলা।

এ জীবনটা জীবন তো নয়
নির্ঘাত মৃত্যুকূপ,
যাচ্ছে জীবন শত শত
মন্ত্রী থাকছে চুপ!

ভাঙাচুরা সড়ক রে ভাই
চলার তো জো নেই
উন্নয়নের জোয়ার বটে
কথার ফুলঝুরিতেই।

আইন আছে প্রয়োগ নেই
পুলিশি চাঁদাবাজি,
হাঁকছে গাড়ি যেমন-তেমন
যন্ত্রদানব সাজি।

আছে গাড়ি ফিটনেস নেই
চলছে অবাধে,
ট্রাফিক আছে ট্রেনিং নেই
সাধ্য কার বাধে।

এক আঙুলের ইশারায়
যন্ত্রদানব থামে,
টুপাইস বুঝিয়ে
কেটে পড়ে চামে।

নোট :
যান= যানবাহন, জো নেই= উপায় নেই,
বাধে= বাধা দেয়, চামে= সুযোগ বুঝে।

মাহে রমজান

রমজান এলো বলে-
আসবেই তো,
বিশ্ব মুসলিমের এবাদত
বন্দেগীর তরে,
ভ্রাতৃত্ববন্ধন সুদৃঢ় করার
অঙ্গীকার নিয়ে।

রমজান এলো
সিয়াম-সাধনা আর
আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে,
সাহরি-ইফতারের
বারতা নিয়ে।

রমজান এলো
পবিত্র আল-কুরআনের
মহিমা জানাতে
খতম তারাবি আর
বেশুমার এবাদত মানাতে।

রমজান এলো
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি
মজুদদারি ব্যবসা আর
জনদুর্ভোগ বাড়াতে(?)

রমজান এলো
বাঁকা চাঁদের হাসি আর
উৎসবের আমেজে।

*** পুনশ্চ : বিশ্ব পরিক্রমায় প্রতি বছরই পবিত্র রমজান এবাদত-বন্দেগীর বারতা নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয়। আর এ সুযোগকে পুঁজি করে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী চক্র নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। ফলে দুর্ভোগ বাড়ে সাধারণ জনতার। এ ব্যাপারে রমজানের আগে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের ঘোষণা এলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন লক্ষ করা যায় না। ফলে মাহে রমজানের উদ্দেশ্য অনেকটাই ক্ষুণ্ন হয়। ***

মন্ত্রী মোদের!

মন্ত্রী মোদের ফারুক খান
নিত্য নাকি বাজারে যান!
স্বপ্নে হাঁকেন পণ্য দাম
দেশচিন্তায় ঘুম হারাম।
কালোবাজারির জানের জান
পণ্য কী নিজের টাকায় খান
নাকি শুধুই দাম চড়ান\

মন্ত্রী মোদের ফারুক খান
রমজানেরই সুযোগ চান
বৈঠক হয় তার-ব্যবসায়ীর
দাম বেঁধে দেন তেল-চিনির।
বৈঠক তো নয় সিন্ডিকেট
মুনাফার টাকায় পূর্ণ পেট
দাম বেঁধে দেন যাচ্ছেতাই
ব্যবসায়ীদের বড় ভাই\

*************
প্রতিক্রিয়া

ব্যবসায়ীরা বলেন-
তাই রে নাই রে তাই..
প্রশংসিত ফারুক ভাই
পণ্যের দাম বাড়াতে
আপনার জুড়ি নাই।

মন্ত্রী বলেন-
হয়েছে জব্বর ভাই..
বিশ্ববাজারে বেড়েছে মূল্য
আমি কী ফারুক তার তুল্য,
বেড়েছে দাম অতি নগণ্য
জনগণ এবার হবেই ধন্য।

জনগণ বলেন-
মন্ত্রী ওহে ফারুক খান
দোহাই আপনার এবার যান
মন্ত্রিত্ব ছেড়ে হাল ধরেন
জনগণকে মাফ করেন।