নাঈম মামার জন্মদিনের সকাল
আমরা বন্ধুর ব্যানার গুলান বড়ই মনোহর সাথে আকর্ষনীয়। যেমন এখন যে ব্যানারটা ঝুলতেছে তাতে বলতেছে মে দিবস অমর হোক। মে দিবস অমর হয়েই থাকে আমার মতো বেকারের কাছে। মে দিবসের বন্ধের মতোই সব দিন ছুটিতে যায় আমার। আমার আম্মুও এক কাঠি সরেস তিনি বলেন তোর তো সব দিনই মে দিবসের মতোই আনন্দে কাটে। চারিদিকে এতো ঠেসমারা কথা বারতা শুনতে শুনতে কিছুটা ক্লান্ত আমি। কিন্তু তাতেও আমার খুব একটা ভ্রুক্ষেপ নাই। কারন নতুন একটা মাসের শুরু নতুন করে মাসের শুরুতেই পাওয়া যাবে হাত খরচ পকেট খরচের টাকা। দিনগুলো যাবে আশা করতেছি আনন্দেই। কারন মে দিবসের মেহনতী মানুষেরা মাত্র ১ প্যাকেট বিরানীর জন্য মিটিং মিছিলে যায় আর সারা বছর গাধার খাটুনি আমি সেই মানুষদের চেয়ে অনেক আনন্দে আছি। দিন যায় আড্ডা মেরেই সাথে নাম মাত্রের এমবিএতে।
যাই হোক আজকের সকালটাও আনন্দময়। কারন সকালেই ফেসবুকে আবিস্কার করলাম ব্লগীয় মামা নাঈমের জন্মদিন। আমার জীবনে মামা জাতির প্রভাব ব্যাপক তাৎপর্যমন্ডিত। কারন নিজের এই সাম্প্রতিক দিন যাপন গত দুই বছর যাবত খুবই আরাম আয়েশের হয়েছে আম্মূর ছোট ভাই মামার কারনে। দারুন দারুন চা খাই প্রতিদিন শেষ লীকারের কড়া চা তারো অবদান এলাকার দেলোয়ার মামার কারনে। কি যে পছন্দ করেন তা কিছু দিন না গেলেই আমি বুঝি। আর অবাক হই যে এতো সামান্য ভালোবাসার কারনে উনি আমাকে কী পরিমান পছন্দ করেন।
আর বাকি থাকলো নাঈম মামার কথা। নাঈম মামার কথা আসলেই আসে সামহোয়্যার ইন আমলের কথা। জীবনের সব চাইতে ভিন্ন মাত্রার সুখের দিন ছিলো তখন। সবাই বলে ব্লগিং নাকি বোরিং। তখন ব্লগের চেয়ে গুরুত্বপুর্ন আমার কাছে কিছুই ছিলো না। এমন না যে ব্যাপক লেখছি টেখছি অনেক কিছু উল্টাইছি কিন্তু এতো সিরিয়াস ভাবেই কমেন্ট করতাম এতো ভালোবাসতাম পছন্দের ব্লগারদের তা বলার মতো না। সেইরকম এক বন্ধু বড় ভাই আমার নাঈম মামা। আমার সব চেয়ে প্রিয় শহরেই তিনি থাকেন। আগে ঢাকায় থাকতো আসতো পিকনিকে পরিচয় সেই সুত্রেই ব্লগের বাইরে পরিচয়। পরিচয়ের সাথে সাথেই বন্ধুত্বতা। তখনি বুঝে গেছি কি অসাধারন মানুষ যার সাথে কারোরই তুলনা চলে না। মামার সাথে পার করা ঢাকার দিনগুলো আমি এখনো খুব মিস করি। তখন আমাদের আরেক সঙ্গী ছিলো খেকু শামীম। ব্লগের সম্পর্ক যে এতো অসাধারন হতে পারে তা কোনোদিনই ভাবি নাই।
যাই হোক সকালে না খায়া লেখতেছি কেককুক খাইতে মন চায়। কিন্তু ঢাকা চিটাগাং এর এই দুরুত্বে তা কেবলই দুরাশা। বিবাহিত জীবন দারূন কাটুক। অনেক ভালো থাকো মামা। অনেক আনন্দে থাকো। তুমার আমার যে সামান্য দুরুত্ব আছে তা মিটে যাক সহসাই। এই পোষ্টটা লিখতে চাঙ্কুর কথা খুব মনে পড়তেছে। ছেলেটা তুমাকে আমাকে বড়ই ভালো পায় হয়তো ব্যাস্ততায় মনে রাখতে পারে না! ভালো থাকুক ২০০৭-০৮ এর সামু জেনারেশন।





শান্ত.... এখন বিক্যাশ আছে না?
মোবাইলে মোবাইলে সব
শুভ জন্মদিন "উন্মাদ নাঈম"
ভাল কাটুক ... আনন্দময়তায় কাটুক
আমরা নাঈমরে উন্মাদ নাঈম কইতাম... কারণটা নাইমের প্রোফাইল পিকচারটা দেইখা আসেন
আমার মত চির অধম এই মানুষটার জন্মদিন মনে রাইখাও কেউ পোষ্ট দিতে পারে, এইটা শান্ত'র লেখা দেখলেই মনে পড়ে। এই মানুষটার আমার জন্য অনেক ভালবাসা দেখিয়েছে, এখনও দেখায়, সামনেও দেখাবে। সেই পুরানো দিনগুলো মনে পড়লে এখন আসলেই কষ্ট হয়।
ভাল থাক শান্ত। জীবনের সব চাওয়া পাওয়া পূরণ হোক।
নাঈম এবং শান্তর ফটুক

পোস্টটা খুব সুন্দর হয়েছে। নাঈম ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
আমি আগে শান্তকে দেখি নাই। টুটুল ভাইকে ছবির জন্য ইস্পিশাল ধন্যবাদ।
এইটা সামহোয়ারইনের প্রথম পিকনিকে তোলা
কুন জায়গায়? আপনার ফটুকও দেন, দুয়েকটা, দেখি @ টুটুল্ভাই
সামহ্যোয়ারইন ব্লগের প্রথম পিকনিক হয় ২০০৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। নারায়নগঞ্জের রূগগঞ্জে এই পিকনিক হয়। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মাঝেই এই পিকনিক সুসম্পন্য হয়... এবং পিকনিক শেষে ব্যাপক ক্যাচালও হয়
কি ক্যাচাল হৈছিল? আমার তো কিসু মনে নাই...

এইখানে পাইবেন... https://www.facebook.com/media/set/?set=a.12931355247.29681.610545247&type=3
উন্মাদের জন্মদিন ভালো কাটুক।
শুভ জন্মদিন নাঈম
লোহার দোকানের কামলারে শুভ জন্মদিন জানায়লাম।
শুভ জন্মদিন নাঈম
সবাইরে ধইন্যা

নাঈম ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন নাঈম
জন্মদিনের অনেকপরে শুভেচ্ছা জানানো কেমন যেন, তাও শুভেচ্ছা থাকলো।
শান্তর লেখা ভালো লাগে, কিন্তু তিনি যদি যতি ও বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের ব্যাপারে সজাগ থাকতেন, লেখাগুলো আরো দুর্দান্ত ফাইন হতো।
তাড়াহুড়ো করে লিখি সাথে থাকে ইউপিএসহীন পিসিতে কারেন্ট যাবার ভয় তাই এই ভুলগুলো বারবার হয়!
ওয়ার্ড ডকুমেন্টে লিখে পেস্ট করে দিবেন। ব্যস মামলা খতম!
ভালো থাকুক ২০০৭-০৮ এর সামু জেনারেশন।
নাঈম ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
ভাইজান নতুন লেখা কই?
লেখতাছি!
thanx dude
মন্তব্য করুন