দিন আসে দিন যায়!
আবারো ফিরে আসলো দিন আরেকটা পোষ্ট লেখার। তিনদিন আগ থেকে ভাবছিলাম যে লিখবো কিন্তু পিসিতে বসলেই এখন কাজ একটাই ফেসবুক আর ইউটিউবে গান শোনা। বিলি জোয়েল থেকে শুরু করে মুজিব পরদেশী কত ধরনের গান যে আছে শুনছি এই পাচ দিনে। আমি আগে দেখা যাইতো কেউ লিঙ্ক দিতো পছন্দ হলে সেটা কনভার্ট করে অডিও তে শুনতাম। বা কোনো গান শেয়ার করতে হলে গানটা আগে মেলা কষ্টে বাফারিং করে শুনতাম তারপর সবাইকে শুনাতাম। এখন সেই দিন নাই এসে পড়েছে ওলও তা দিয়ে ইউটিউবের যেকোনো ভিডিও টেনশন ছাড়াই দেখা যায় কোনো বাফারিং ছাড়া। কি যে শান্তি মনে হয় কল্পরাজ্যে আছি। যে গান শুনি আরো খালি শুনতে ইচ্ছা করে। এইভাবে ধারনা করি বাংলা হিন্দী ইংরেজী মিলায়া চারশো সাড়ে চারশো গান শুনছি। ইউরোর ফাইনালের দিন ফাইনাল খেলা দেখছি নেটে বসে। আহা কী শান্তি। ভালো নেট আসলে মনে প্রশান্তি এনে দেয়। জানি না কয়দিন এমন থাকবে তবে যতদিনই থাকুক ১৫০০ টাকা উসুল। এই জীবনে বঙ্গদেশে থেকে কোনওদিন ভাবি নাই যে নেটে টিভি চালাবো তারপর খেলা দেখবো। তখন খালি জুম আল্ট্রার এডের কথাই খালি মনে পড়ে-
"এমন যে হবে তা কেউ ভাবে নি আগে"
যাই হোক সব মিলিয়ে দিন খারাপ কাটতেছে না। এতো ভাল নেট পাবার পরেও নেট যে খুব ভালোবাসি তা না। দেখা যায় ভালো নেট থাকা সত্ত্বেও বাহিরে বাহিরেই সময় কাটে বেশী। কারন বাইরে মানেই রাস্তা ঘাট চায়ের দোকান বাজার মসজিদ এগুলা নিয়েই জীবন। তাই আগে সকালে ঘূম থেকে উঠেই কাজ ছিলো নেটে পত্রিকা পড়া। এখন তা আর করি না। রাতে নেট চালাতে চালাতে চারটা বাজাই ১০টায় উঠি। উঠেই বাইরে চলে যাই। পরিচিত চায়ের দোকান তিন চারজন বন্ধু, ক্লাস ফাকি দেয়া ছোট ভাই এই নিয়েই দিন কাটাই। কত মানুষের কত গল্প কত ভাবনা যে জানতে পারি সামান্য বসে থেকেই তা কেউ বুঝতেও পারবে না। গত পোষ্টেই বলেছিলাম কত মানুষের পরিচয়। তাদের জীবন বহুমাত্রার সব গল্প সব শুনি মন দিয়ে আর বন্ধু বান্ধবের সাথে তো আনন্দ আড্ডায় চলে যায় সময়। তার ভিতরে বিসিএস প্রিলিতে চান্স পাইছি অনেক পোলাপাইন সিরিয়াস হয়েও পায় নাই তাতে বন্ধু মহলে এখন ভাবমুর্তির শিখরে আছি। কিছুই জানি না খালি ভাব নেই লোকজন মনে করে ব্যাপক চিন্তাশীল লোক আমি। বিসিএস প্রিলিতে টেকার বিপদ হলো লোকজন স্বপ্ন দেখে আমারে নিয়া, আমি নিজেই নিজেরে নিয়া কোনো কল্পনা করি না আর অন্যদের কথা শুনে লাভ কি?
লঙ্কা বাংলা করপোরেট লীগ চলে। গেছিলাম খেলা দেখতে ইকবাল রোড মাঠে। বালের খেলা খেলে। কিন্তু ভাব আর অফিসের লোকজনের আনাগোনা। মনে চাইলো এদের চেয়ে ঢের ভালো খেলি আমি। গোলকিপিং করলে এদের বল ঢূকাতে খবর আছে। তখন পুলক বললো ভাই ভালো তো চাকরী পাবেন তখন খেইলেন অনেক নাম করবেন অফিসে। আমি খালি হাসলাম আর বললাম তা আর হবি না নে, আমি মফিজ মফিজই পরে রবো!
লিখিত পরীক্ষা যদি পিসিতে নিতো তাহলে খুব ভালো করতাম। কারন আমার বাংলা লেখার স্পীড ভালো খালি শাই শাই করে লিখতাম। এখন লিখতে হবে খাতায় যেখানে ইংরেজী লিখি খারাপ্না সেইখানে ছয়বছর পরে বাংলায় কিভাবে লিখবো টেনশনে চোখে পানি এসে যায়। ব্যাপক প্রাক্টিস ব্যাপক পড়াশুনা কবে করবো জানি না!





পোস্ট ভালা পাইলাম।
ধন্যবাদ ভাইয়া!
তোমার নেট তো ভালোই , আমার জিপি তো কুতকুত করে চলে।
ওল্লো ভালো চলে। ভালৈ আছি। দেখা যাক কি হয়!
ধন্যবাদ!
আপনার দিনগুলাও ভালো কাটুক। দোয়া রইলো!
ইয়াক! বিসিএস খুব বাজে চাকরী।
কোনো একটা পত্রিকায় ঢুইকা পড়েন।
পত্রিকায় ঢূকতে খুব মন চায়। কিন্তু কেঊ ডাকে না!
প্রথম আলোর আমাদের ঢাকা বা ডেইলী স্টারের ম্যাগাজিনগুলো কিন্তু এই লাইনে কাজ শুরু করার জন্য বেস্ট জায়গা। নিউ এইজেও আছে এমন সুযোগ। শুধু আপনাকে যোগাযোগটা করে নিতে হবে কোনো না কোনো ভাবে।
আপনের কি লেখালেখি করার বিশেষ কোন দিন তারিখ লাগে?!
আপনের লেখা অলওয়েজ ভালু পাই
আমার বিল্ডিঙে অল্লো কাজ করে না!
মন্তব্য করুন