টানাটানির এই সমাজ সংসারে!
পুরান কথা গুলাই নতুন করে বলতে হয়। ডিসের লাইন কেটে দিছে স্কাই ক্যাবল ট্রেডিং। শেখেরটেকের একমাত্র লাইন যাদের। তাই নেটে বসেই লাইভ খেলা দেখি। তাতে এমবি চলে যায় দেদারছে। কী আর করা মন তো মানে না। আশা ছিলো না জিতলেও ড্র হবে কিন্তু এসে পড়লো লজ্জাজনক পরাজয়। আমার স্কুল বন্ধু আবীর চিটাগাং থাকে। সে আমাকে ফোন করে বলেছিলো বেশী আবেগ্রাক্রান্ত হয়ে স্টেডিয়ামে যাস না কারন লাঞ্চের আগে যদি উইন্ডিজ আউট হয়ে যায় যদি বাংলাদেশ দুই আড়াই সেশন ব্যাট করতে হয় তবে হারবে বাংলাদেশ। আমি তার কথা শুনে বলছিলাম বাংলাদেশ নিয়ে তুই এতো নেগেটিভ কাল যদি জিতেও যায় তাও তুই বাংলাদেশের খারাপটাই খুজবি। আজ যখন ক্লাস শেষে আবীরকে ফোন দিলাম। সাধারণত কারো কথা ফলে গেলে খুব আনন্দ পায় আবীরের মনে আনন্দ নাই। বলতেছে তোদের কে নিয়ে কত ভালো ভালো কথা বলি একটাও ফলে না। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে যখন যা বলি তাই লেগে যায়। এতো এতো মানুষের এতো আশা নিমিষেই তলিয়ে গেলো ভাবতেই মন খারাপ। আমি তো অবাক ভুতের মুখে রাম রাম। যাই হোক কী আর করা ৬০ টেষ্টের অর্ধেক ম্যাচই যারা ইনিংস ব্যাবধানে হারে তাদের নিয়ে এতো আশা করাও ঠিক না। যাই হোক খেলা ভালো লাগে। খেলা নিয়ে কথা বলা আড্ডা ডিবেটও ভালো লাগে। কিন্তু দিন শেষে খেলা খেলাই। যেখানে ১৬ কোটি জনগনের ম্যান্ডেটওয়ালা শেখ হাসিনা খালেদা জিয়া এতো প্রশাসন যন্ত্র দিয়া কিছুই করতে পারতেছে না। সেখানে এই এগারো বারোটা তরুন আর কী করবে ক্রিকেট খেলে।
সেকেন্ড মিড চলে। ভালোই হচ্ছে। কিছুই পরে যাই না। খালি লোকজনের খাতা শীট একটু নাড়াচারা করি তাতেই হয়ে যায়। আর পাব্লিকের খাতা দেখে দেখে লিখি। প্রশ্নে কোনো ক্রিয়েটিভ কিছু নাই আর গার্ডও হালকা তাই দেখে লিখতে কোনো সমস্যাই নাই। আজ ছিলো স্ট্যাটেস্টিক্স এক্সাম। লোকজন অঙ্ক মিলাইছে কষ্ট করে আমি শেষ ২২ মিনিট তা মিলিয়ে মিলিয়ে লিখে ফেলছি। এই করেই এমবিএ জোর কদমে এগিয়ে চলছে। আজকে আবার আরসি মজুমদার মিলনায়তনে এম এম আকাশের লেকচার শুনার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ হারলো সেই দুঃখে দুপুরে দিলাম ঘুম। মামা রাতের খাবার খেয়ে গেছে বাংলা মোটর। একা বাসায় তাই লিখতেছি সেই পুরানো কথাগুলাই আবার। আজ বাসে যাবার সময় এক ঝাক ক্লাস নাইন টেনের ছেলে উঠলো। উঠেই তারা হায়রে প্যাচাল। তাদের কথার ভলিউমের তোরে বাসে টেকা দায়। কিন্তু আমার আবার দারুন লাগছিলো চিটাগাংয়ের ছোটো স্পেশাল সিটি বাস গুলাতেও আমরা বন্ধুরা উঠে একি কাজ করতাম। আমাদের কথার ভলিউমে বিরক্ত হতো সবাই। চিটাগাংইয়াদের স্বভাব সুলভ গালিগালাজ করছে অনেকে। কিন্তু তাতে আমাদের বিন্দু মাত্র ভ্রুক্ষেপ হয় নাই। এরাও তাই। আমার তাদের অবস্থা দেখে নিজেদের দিন গুলোর কথা মনে পড়ে গেলো। যদিও স্মৃতিকাতরতা আমার কাজ না তাও আবেগাক্রান্ত হলাম। আর মনে হলো বাংলাদেশে এতো বিপদ এতো সমস্যার ভিতরেও মানুষের কিশোর কালটাই সব চেয়ে আনন্দের। এই এক কিশোর কালের স্মৃতি আউরাতে আউরাতেই মানুষের যৌবন বুড়োর সমস্যা গুলো পার করে দেয়। আমিও তাদের দেখে নষ্টালজিক হলাম।
বাসায় এখন পিসিতেই টিভির বিনোদন খুজতে হয়। অনেক গুলান সিনেমা দেখলাম এই কয়দিনে। সবই মামার অবদান। অপুর সংসার, হীরক রাজার দেশে, গোপী গাইন বাঘা বাইন, ম্যাডলী বাঙ্গালী, ভুতের ভবিষ্যত, গেরিলা, জাপানিজ ওয়াইফ, ডুবসাতার। হিন্দী ছবি দেখলাম শয়তান। আর ইংরেজী ছবি দেখলা এগোরা আর অগাস্ট রাশ। সিনেমা দেখতে ভালোই লাগে খুব বেশী এন্টারটেইন হই না। টিভিতে যেমন চ্যানেল চেঞ্জ করার আনন্দ আছে পিসি তেতো তা নাই। তবুও কী আর করার স্বামী বিদেশ। তবে সিনেমা দেখেই সামনে বিনোদন পেতে হবে। এছাড়া উপায় নাই গোলাম হোসেন। আজ যখন বন্ধু আদনানের বাসায় বগুড়ার দই খেতে খেতে বাংলাদেশের খেলা দেখতেছি তখন আদনানের ৯০ টা চ্যানেল টিভিকার্ড ঝকঝকে অবস্থায় দেখেই হিংসায় পুড়লাম। শালার যারা টিভি দেখে না তাদের কপালেই টিভি। আর যারা টিভি দেখে বেশী তা নিয়ে আবার লিখেও তাদের জন্যেই ছাইপাশ লাইন। খারাপ লাইনের জন্য বিল না দেয়া সেই কারনে ঠিক করতে বলা আর তাতে লাইনটাই কেটে দেয়া। এই জন্য লালনের গান আছে কপালের নাম গোপালচন্দ্র।
রূম্পা আপুর কনসার্ট নিয়ে পোষ্ট পড়ে মনটাই খারাপ হয়ে গেলো। টাকা পয়সার জন্যে জীবনে যে কত কিছু মিস হলো। এমন না যে টাকা পয়সা আমাকে কম দেয়। বলা যায় ভাইয়া আমাকে যে পরিমান টাকা দেয় সেমিস্টার ফি সহ চাকরী করলে সে পরিমান বেতনই পাবো না। কিন্তু আমার মোটা হাতের গল্প তো আর তারা জানে না। আমি টাকা দেদারছে খরচ করি। নিজের টাকা শেষ হয়ে গেলে ধার নিয়ে খরচ করি তাও খরচ বন্ধ না। বন্ধু সাইফ বন্ধু এহতেশাম এরা হিসাব ছাড়াই মেলা টাকা পায় আমার কাছে। বেকারদেরই টাকা খরচ বেশী। যেমন ধরেন আমি সকালে নাস্তা খাই না। যেদিন খাই সেদিন তিন চার জনকে নিয়ে একত্রে হেভভী খানাদানা খাই। আমার কিছু খাবার ইচ্ছা যা বেশীর ভাগ দিনই জাগে তা একা কখনো খাই না। লোকজনকে সাথে নিয়েই খাই আর সাথে বাশটাও। এমন অনেক দিন গেছে যে খাওয়ানোর কথা অন্যের আমি বেশী লোক নিয়ে গেছি বলে বিল আমি দিছি। কি বিপদ। তাই বলে এমন না যে বন্ধুরা খাওয়ায় না। তারাও অনেক খাওয়ায় কিন্তু আমি লোকজনকে বাকীতে চায়ের দোকান আর নগদে হোটেলে যা খাওয়াই তাতে আমার টাকা সব গায়েব। আর নেটের বিল চায়ের দোকানের মাসকাবারী বাকী ব্যাপক রিক্সা ভাড়া মোবাইল খরচ এই সব দিতে দিতেই ১২-১৩ তারিখেই আমি টাকা শূন্য। তখন আর কাউকে খাওয়াতে পারি না। চায়ের দোকানের কলা কেক চা ই তখন আমার নাস্তা। ব্যাপক হাটি ঘামে ভিজে ঝপঝপ করি এই ভাবে টানতে টানতে যায় দিন গুলো। ভার্সিটি যাবার টাকা আলাদা রাখি না। তখন লোকাল বাস তেরো নাম্বারই সম্বল। কাউকে তখন মোবাইলও করার টাকা থাকে না। তবে ডায়লগবাজী বন্ধ না বলি কিভাবে চলি তা আল্লাহই চালায়। তবে দিন গুলো যায় মন খারাপ নিয়ে। তবে সেই মন খারাপ ভাব থাকতেই থাকতেই সময়গুলোকে দারুন ইঞ্জয় করি। কারন পকেটে টাকা নাই অথচ আমার কোনো কিছুই থামছে না এইটা ভাবতেই আনন্দ লাগে। এই ধুলা বালু ময় ঢাকা শহরে হাটার সুখ অনেকেই পায় না আমি পেয়ে যাই প্রতি মাসেই। যদিও আমি খুব জোরে হাটি আস্তে হাটা আমার পছন্দ না। আস্তে হাটলেই নিজেকে ক্লান্ত অসহায় লাগে। এই সব দিন যাপনের উপভোগ নিয়া খুব ভালো আছি। এই রিপিট শাপলের পথ চলাতেই আনন্দ। মামা বহুব্রীহি নাটকটা আনছে। নাটকটা এতো ফ্যানটাসটিক যে যত বারই দেখি ডায়লগ শুনি আমোদ পাই মনে। আলী জাকেরের দুলাভাই আপনার এই কথাটা ঠিক না কিংবা আফজালের ১ গ্লাস ঠান্ডা পানি খাবো অথবা আবুল খায়েরের আমি হইলাম পাকুন্দিয়া ইউনিয়নের বিখ্যাত এমদাদ খুনকার আরো কিছু আছে যখনই মনে মনে চিন্তা করি তখনই হেসে উঠি। ইস জীবনটা যদি বহুব্রীহি নাটকের নিরিবিলি বাড়ীটার মতোই পাগলামী করেই পার করা যেতো। তবে বহুব্রীহি নাটকের একটা ডায়লগ আজ সারাদিন ধরে ভাবছি যে ব্রিফকেস গেলে ব্রিফকেস পাওন যাইবো কিন্তু মামা গেলে মামা পাওন যাইতো না। আহ কী অসাধারন কথা। এই গত প্রায় তিন বছরে মামা যে ভালোবাসা দিয়ে সব কাজ করে দিছে পাশে থাকছে প্রতি দিন একবার এই ডায়লগ দিলেও সেই ভালোবাসার ঋন শোধ হবে না!
যাই হোক রাত বাড়ছে এই খানেই শেষ করি। এই একি কথা বারবার লিখি তাও সবাই বলে শান্ত ভালো লিখে। অথচ এই সব মালের কথা অনুযায়ী রাবিশ মার্কা লেখায় ভালোর কিছুই নাই। ভালো যা আছে তা হলো সবার ভালোবাসা। এই পোষ্টটা আইফোন মালিক ব্লগার জয়িতা আপুকে উৎসর্গ করলাম। আর জেবীন আপুর শরীর ভালো না। টনসিলের ব্যাথা, বাসা পাল্টানোর গেঞ্জাম, নেট ছাড়া অবস্থায় তিনি খুব কষ্টে আছেন। উনাত দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি!





হবে হবে, একসময় হবেই। এত পেরেশান হওয়ার কিছু নাই, এত ফাইট দিছে ছেলেরা সেটাতেই অনেক। বছরে ১টা টেস্ট খেললে এর চেয়ে ভাল কোন দলই করতে পারবেনা।
তো, শান্ত মিয়া, আছ কিরাম?
মাওলানা ভাই ভালাই আছি। আপনারে দেখাই যায় না আবার হুট করেই দেখি সব খানেই আপনি। ভালো মন্দ মিশিয়ে ভালো থাকেন!
জয়িতা আইফোনের মালিক হইছে নাকি?
খাওন চাই তার কাছ থিকা!
ঢাকা শহরে থাইকাই খাওন পাইলাম না আর আপনি বইদেশে থাইকা খাওন চান। যান লাইনে খাড়ান!
টাকা নাই তারপরও কেমনে কেমনে মাস চালাইতে হয়- এই ব্যাপারে আমারও পি.এইচ.ডি করা আছে।
ব্রিফকেস গেলে ব্রিফকেস পাওন যাইবো কিন্তু মামা গেলে মামা পাওন যাইতো না।- জটিল ডায়ালগ !! তোমার মামা এইজন্যই বোধহয় "বহুব্রীহি" নিয়া আসছে।
লেখা ভাল লাগছে। +
থ্যাঙ্কু বন্ধু। সামুতে এতো বিজি থাকো তার পরেও এই আধ মরা ব্লগে এসে কমেন্ট করোঁ ভাবতেই ভালো লাগে!
জয়ীতা খাওয়াইলো না
সকালবেলা শান্তর পোস্টের সাথে বোনাস হিসেবে উতসর্গ পেয়ে মন্টা খুশী ।
আমি খেলা তেমন দেখি না, তবে খূব উতসাহ নিয়ে যখন বসি তখন বাংলাদেশ হারলে চোখ ভিজে যায় রাগে দু:খে। কালও তাই হলো।
টিভিতে কিছু খুজে পাই না দেখার। বাংলা চ্যানেলে এত এ্যাড দেখায়! বিরক্তিকর ।
অপুর সংসার , ইচ্ছে দেখলাম। কাল দেখলাম Nathalie .দারুণ সময় কাটলো ।
তোমার সাথে জোরে জোরে হাটতে পারলে আমি একটু শুকাতে পারতাম ।
আসলেই ভালো লাগে তোমার লেখা পড়তে । অনেক বড় হও ভাইয়া । অনেক ভালো থেক সবসময় ।
ফোন দিয়ে বানান ঠিক লিখতে পারি না।
আর ফোনের খাওয়া তো আমিও পাইলাম না
জেবীনকে ফোন করতে হবে কমেন্ট শেষ করেই ।
থ্যাঙ্কস আপু। আইফোনের চেয়ে সিম্পোনী উত্তম। কারন সিম্ফোনী কেনার পরে কেউ খাইতে চায় না। যখন শুনে ধারে কেনা তখন সিমপেথীও দেখায়।
ভালো থাকেন আপু। অনেক শুভকামনা
অনেকদিন পর দেখলাম। আছেন কেমন ভালা নি?
আছি ভালোই। আপনি ভালো তো?
আজ থেকে ১০/১২ বছর পর যাপিত এই জীবন আপনারে ব্যাপক আনন্দ আর অণুপ্রেরণা দিবে এই ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নাই
জীবনের কষ্টগুলা নিয়া বেশী চিনতা কইরা লাভ নাই...মানুষ জীবনের প্রতিটা ধাপেই হাজারটা সমীকরণ অসমাপ্ত রাইখা পরের ধাপে যা্য়, যাইতে হয়....তখন আগের ধাপের হাজারটা অসমাপ্ত সমীকরণরে আর আগের মত অত অসস্তিকর লাগে না, লাগবে না কখনোই..বরং পরের প্রতিটা ধাপেই চলে আগের ধাপের পাওনা না পাওয়ার অদ্ভুত টক-মিস্টি স্মৃতিচারণ..মানব জীবন এমনই, প্রকৃতির ইচ্ছাতেই এমন মানব জীবন-বিন্যাস..কাজেই নো চিন্তা, ডু ফুর্তি...
আর আমাদের ক্রিকেট আছে এখন এক আজীব সময়ে...অনেকটা মানুষের বয়ঃসন্ধিকালের মত একটা সময়ে ........... সেন্সিটিভ অবস্থা...সামনে উল্লসিত যৌবনের হাতছানি, আবার তার মাঝেই দেখা যা্য হঠাৎই উচ্ছন্নে চলে যাওয়ার চোখ রাঙানি...বড়ই বিপদজনক সময়....................খাইছে, অনেক সময় ধইরা বেশী ভাবের কথা কইয়া ফালাইলাম মনে হয়
যাই হোক, লেখা চলুক..দিনলিপি আমার কাছে কিনতু ভালোই লাগতেছে....দেশের বাইরে বইসাও দেশের ভেতরকার একটা হাওয়া পাই আপনার লেখায়..আনন্দের ব্যাপার বৈকি!!
আপনার কমেন্ট পেলে খুব শান্তি লাগে ভাইয়া। কত যত্ন করে লেখেন কমেন্ট। আপনাদের জন্যেই এসব বেহুদা লেখা ইচ্ছা করে অনেক; লিখি। বাংলাদেশের ক্রিকেট যাই করুক তাই ভালো। আমরা আম জনতা তা নিয়ে কম প্রেশার নিলেই ভালো।
ভালো থাকবেন ভাইয়া। শুভকামনা থাকলো অনেক।
জয়িতা জানি কিমুন !
(
কৈলাম, তুমি আই ফোন ব্যবহার কর- আমারে পুরান নকিয়াটা দিয়া দেও...
দিলো না।
মিষ্টিও খাওয়াইলোনা
মানুষ এখন বড় পাষান মনের। কেউ কারো নয়রে বড় ভাই!
অনেক অনেক সুন্দর একটা লেখা।
আপু থ্যাঙ্কস অনেক
অনেক ভালো থাকেন। নিয়মিত এ পাড়ায় আইসেন!
আপনে কুন জায়গায় এম্বিয়ে করেন? বিয়ুপি?
না ডিইউ ইয়ের ইভিনিং এমবিএ!
ভালা আছেন ভাই?
ভালো আছি। আপনের ক্লাস বসে কবে কবে?
এখন চলে শুক্র শনি রবি!
হাহাহাহাহাহা। লেখা উপাদেয় হইছে। মীর ও মাগনায় তোমার থেকে চা-টা খাবেতো, তাই নাম ঠিকানা নোট করছে

আপু, আপনে বিষয়টা এমনে ফ্লাশ করে দিবেন জানলে আপনারে বলতামই না কোনো কথা
কোনো সমস্যা নাই ভাইজান আমি ধন্য হবো!
কাল থেকে জেতার টেস্ট শুরু, খুলনায়
এডুকেটেড পোলাপান হইয়া টিপসই মারন ঠিক না!
আল্লাহের দেওয়া আঙ্গুল লইয়া মশকরা করা উচিৎ নহে!
আবুল যা খেলিলো তাতেই হাফ জয়ের টেস্ট পাইলাম!
হ।
ওয়ানডেতে কি আপনের মাঠে যাওয়ার চান্স আছে কোন?
হ টিকেট মোটামুটি কনফারম। দুইটাতে যামু!
কেম্নে? টিকেট ই তো ছাড়ে নাই!
শুক্র শনি যাইবেন নাকি? কোন গ্যালারি? কে কে যাইবেন?
টিকেট ছাড়বে তো তিন তারিখে। লোক আছে আশা আছে পাবো। দেখা যাক!
ইনিংস ব্যাবধানে হারবো কিন্তা তাই এখন চিন্তা!
যাক, মাত্র দশ উইকেটে হারল।
অভারল দুই টেস্ট খারাপ যায়নাই। খালি কয়েকটা সেঞ্চুরি আর একটা জয় পাওনা ছিল।
ব্যাপার না। ওয়ানডেতে সারা মাঠ ভর্তি টাইগারদের চিল্লাচিল্লিতে উইন্ডিজরে দাড়াইতেই দিমু না! ইন শা আল্লাহ।
ওয়ানডে নিয়ে আমিও আশাবাদী। ২ টা ম্যাচ অন্তত জিততেই হবে সিরিজ না জিতলেও!
৩০৩% পারফেক্তো ব্লগ। শান্তের লেখা একটাও বাদ দেই না। এগুলোকে বলে ব্লগিং, টিনের বাক্সে
টাকা।
থ্যাঙ্কস ভাইয়া। আপনাদের উৎসাহ দেয়া দেখে মুগ্ধ হই বারবার!
দারুন একটা ব্লগ পড়লাম!
একের পর এক যা মন চায় সাজিয়ে কি সুন্দর লেখা করে ফেলতে পারো, কত্তো কি মাথায় ঘুরে সাজায়ে উঠতে পারি না।
ওয়েলকাম আপু!
খুব ভালো থাকেন শান্তিতে দিন কাটান!
আমরা আপ্নেরে অন্তর থেকে খুব ভালো পাই!
মন্তব্য করুন