ইউজার লগইন

ব্ল্যাক টিশার্ট

কালকের ঘটনা এক ছোটো ভাই চায়ের দোকানের। তার সাথে রিক্সায় গিয়েছিলাম আজিজে। সাধারনত আমি আজিজে গিয়ে বিদিত বাদে আর মনির সাহেবের চায়ের দোকান এইটুকুতেই যাত্রা মাঝে মধ্যে প্রথমাতে বই দেখা সেইখানে কিছু স্টার টাইপের লোকজনের আনাগোনা হজম করা এতোটুকুই কাজ আমার। আগে লিটল ম্যাগের ওদিকে খুব যেতাম একা একাই পড়তাম কিনতাম কিন্তু লিটলম্যাগ ওয়ালারাও যেমন সাহিত্যের ভরংবাজ আমিও তেমনি তাই আর যাই না। কিন্তু সাইফের সাথে গেলাম সাইফ কিনবে ব্যাগ। ব্যাগ পছন্দ করে রাখছে গ্রাসহুপারসের কিনে ফেলবে। সাথে তার কোর্তা কেনার খায়েশ হইছে আমি তাকে বুদ্ধি দিলাম আরটিস্টিতে গেলে ভালো পাবা সে কইলো ভাই ব্রাকে পড়লেও আমার অতো হেডম নাই তাই আজিজেই খুজি। আজিজে কোর্তা পাওয়া গেলো না। ব্যাগও শেষ লাভের লাভ হলো আমি একটা লেইড জ্যাপলিন মার্কা গেঞ্জী পাইলাম আর গ্রাসহুপারস থেকে কিছু খাতা আর কলম কিনলাম। ফেরার সময় ডিভিডি কিনলাম। দোকানদার আশস্ত করলো আমারে অন্তত সতেরোটা ছবি ভালো দেখতে পারবেন। আমি হাসতে হাসতে উনারে কই বাংলাদেশের চেয়ে সস্তা সিনেমা দেখার দেশ আর হয় না ৭০-৮০ টাকাতে গড়ে আটটা নয়টা ছবি কোনওরকমে দেখা যায় এরকম কপাল কয়দেশের আছে।

এলাকায় এসেই খবর পেলাম হালিমের দুলাভাই মারা গেছে। হালিম হলো দোকানদারের নাম। হালিমের দোকানের চা অতি অখাদ্য। তার পাচটা ছাগল আছে যার মধ্যে তিনটা কিছুদিন আগে চুরি হইছে। হালিমের ছাগলের অত্যাচারে চায়ের দোকানে মানুষের রুটি কলা খাওয়া দায়। আর ছাগল গুলা এতোই শিয়ানা যে হালিমের দোকানে ত্রিসীমানা দিয়েও যায় না। কারন হালিমের বাপের ইয়া বড় একটা লাঠি আছে যেইটা দিয়া এক বারি দিলেই ছাগল এক দৌড়ে শিয়া মসজিদ। কাচ্চি যতই ভালো পাইনা ছাগল আমার একদম পছন্দ না। লোকজনের ছাগলের প্রতি একধরনের বাংলা সিনেমার নায়িকা মার্কা মায়া আছে আমার তাও নাই। নান্নুর দোকানেও একটা লাঠি ছিলো ছাগল তাড়ানোর। হালিম সাহেব আমার এই ছাগল বিদ্বেষ দেখে দেখলেই বলে মামা আপনার বদ দোয়াতেই ছাগল গুলান হারায়। তাই হালিমের দোকানে চা কোনোদিন না খেলেও পরিচয় আলাপ থেমে নাই। তার দুলাভাই মারা গেছে ব্যাপারটা অতো কষ্টের না। মরনশীল মানুষ প্রতিদিনই কাউকে না কাউকে মরতে হবেই। তখনো জানি না কিভাবে মারা গেলো হালিমের বোন জামাই। কালকে বাসায় ফিরে মামার মুখে শুনলাম শান্ত জব খুজো সময় বেশী নাই। এই সব কথা শুনতে আমার মোটেও ইচ্ছা করে না। ভাবি কবে একটা চাকরী করবো আর মামাকে এক কারটুন বেনসনের প্যাকেট দিয়ে বলবো মামা এই নাও তোমার জন্য সামান্য উপহার। যাই হোক মাস্টারস ছাড়া জব নাই আর আমার মাস্টারস চলতেছে শেষ হলেই আমি ঝাপিয়ে পড়বো এই কথা মামাকে বুঝানো যায় না। যাই হোক দিন চলে যাচ্ছে বয়স বাড়ছে সময়ও ফুরিয়ে আসছে।

গত ছয় সাতদিন যাবত আমি দেরীতে ঘুম থেকে উঠি। নিজেরই বিরক্ত লাগে এই কারনে সকালটা যায় মেজাজ খারাপের। ভোরে না উঠতে পারলেও সাতটার দিকে উঠলেও কাজ হয়। কিন্তু ইদানিং নয়টা দশটার আগে টেরই পাই না যে সকাল হলো। অনেক বন্ধু বড় ভাইদের মুখে শুনি তাদের ঘুম আসে না জেগে থাকে রাতে এপাশ ওপাশ করে। আমি প্রত্যেক রাতেই নাক ডেকে ঘুমাই এ এক আনন্দের ব্যাপার। যাই হোক আজ তুলনা মুলক আগেই উঠলাম আটটায়। ফ্রেশট্রেশ হয়ে নেট গুতাগুতি আলো সমকাল মুখস্থ করা। ১০ টার দিকে বের হলাম পেটে খিদা কিন্তু নাস্তা খাওয়ার ইচ্ছা নাই গেলাম চায়ের দোকান। অনেক দিন পরে কালো হাফহাতা টিশার্ট পড়ছি নিজেরে কেমন জানি লাগতেছে। লম্বা সময় পড়ে টিশার্ট পড়ে আমি নিজেই রোমাঞ্চিত। সেই ভার্সিটি আমলে টিশার্ট স্নিকার পড়িয়া ভার্সিটি যাইতাম কি দিন ছিলো নিজেকে ভাবতাম তরুন। কত ধরনের বন্ধু বান্ধব ছিলো আমার। সারাদিন এতো ফোন আসতো এতো আড্ডা দিতাম নিজেকে তখন ভাবতাম বেডাই একটা। ভার্সিটি গেলো ইন্টার্নশিপ গেলো টিশার্ট আর ভালো লাগতো না। পড়া শুরু করলাম পাঞ্জাবী। এমন না যে দারুন দারুন সব পাঞ্জাবী আমার আছে তাও পড়ি বেশীর ভাগ পাঞ্জাবী আমার মতোই অতি সাধারন কয়েকটা রং জ্বলে গেছে। এই পাঞ্জাবী পড়া জীবন আমার দারুন যাচ্ছে। প্রথম প্রথম যখন ভার্সিটিতে পান্জাবী পড়া শুরু করি সবাই ভাবতো আজকে মনে হয় আমার জন্মদিন। উইশো পেতাম আর বলতাম এমনি পাঞ্জাবী পড়ছি জন্মদিন বা শুক্রবার মনে করে না। তারপর ইস্ত্রি ছাড়া ময়লা পাঞ্জাবী পড়েও মেলাদিন পার করলাম তা পরেই নানান জায়গায় যাওয়া শুরু খালি দরকার হলে শার্ট। আমার আম্মু আমারে বলতো ছোটোবেলাতে তুই যেইটা পড়তি সেইটার উপরেই থাকতি। অনেক দিন গেঞ্জী ইন করে থাকসোস, অনেকদিন কাবলী সেট আর পায়জামা পড়ে ছিলি, মধ্যে ফতুয়া জিন্সের দিন গেছে তারপর আসলো টিশার্ট জিন্স এখন চলতেছে পাঞ্জাবী পড় তোর যা ইচ্ছা। আমি বাড়ীতে যখন এই কথাটা শুনলাম তখন ভাবছিলাম মায়েরা কত দারুন হয়। ছেলেদের পুরা অস্থি মজ্জায় চিনে ফেলে। আজ ব্লাক টিশার্ট পড়ে আমার খুব ইউনির দোস্তদের কথা মনে পড়লো। যাদের ভেতরে নব্বই শতাংশের সাথেই আমার যোগাযোগ নাই। যারা এক কালে আমারে খুব ভালো পাইতো কিন্তু এখন সবাই ব্যাস্ত তাই ফোনের উপর দিয়েই খোজ খবর নেয়া। দিনগুলো সব চলে গেলো। এই জিনিস ভাবতেই মনে হলো আবার টিশার্ট পড়া শুরু করতে হবে। কে না চায় ইয়াং জেনারেশন হতে বয়স পচিশ হলো তাতে কি সময় তো আছেই। পাঞ্জাবীও থাকুক টিশার্টও উঠুক যাক দিন এইভাবেই।

যেকারনে মেজাজটা খারাপ হলো হালিমের দুলাভাই মারা গেছে বিএসএফের পিটুনি খেয়ে। বন্ধুদের সাথে গরু আনতে গেছিলো। বন্ধুরা দোড় ঝাপ দিয়ে চলে গেলেও নতুন বলে তার পা আটকে যায় বালুতে তাতে খান আছার। এই ফাকে চারপাচজন বিএসএফ এসে শুরু করে তুমুল লাথি দেয়া আর বেয়নেট চার্জ তাতেই মারা যান তিনি। আপনারা অনেকেই বলবেন সীমান্তে বেয়াইনী প্রবেশ করছে মরাই উচিত। কিন্তু কিসের টাকায় কিসের লোভে মানুষ যায় তা তো আমরা জানি না। তবে আনোয়ারদের মতো লোকেরা ব্যাপক টাকা খরচ করে মালোশিয়া গিয়ে কাজ পায় নি তাই ফেরত আসতে হয়। তাদেরকেই সীমান্তে ঝুকি নিয়ে ব্যাবসা করতে হয় তারপর তারাই এইভাবেই বোকামী দন্ডে মরে যায়। এইসব হত্যাকান্ডের বিচার হবে না কোনোদিন। সাঈদী কাদের মোল্লার রায় হবে যেকোনো দিন তাতে আমরা সবাই খুব খুশী হবো। এতোদিন পরে সেই বিচারটা পাবো বলতে পারবো দেরীতে হলেও গনহত্যাকারীদের বিচার হবেই। কিন্তু বিএসএফ কত বাংলাদেশীকে লাশ করে দিলো তার বিচার কি হবে? কে করবে? মখাদের মতো লোকেরা আরো কত দেখবো? নাকি আমরা এতো কিছুর পরেও মাল্টিপল ভিসা পাওয়ার আনন্দে বগল বাজাবো আর বলবো মেরা ভারত মহান!

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

টুটুল's picture


Sad

আরাফাত শান্ত's picture


Sad

হাসান মাহবুব's picture


কতো হাজার মরলে তবে মানবে তুমি শেষে
বড্ড বেশী মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে ..

.

হু। তবে বিএসএফ এর হত্যার বিচারের সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বিছরাইলেন কেন ঠিক বুঝলাম না। এইটা যদি সামুতে দিতেন তাইলে ছাগুরা লাফানো শুরু করত, যুদ্ধাপরাধের বিচার কতটা গুরুত্বহীন তা বলার মওকা পাইতো। এইখানে ছাগু টাগু নাই বলেই বিশ্বাস করি। তারপরেও এসব কথা বলার আগে ভেবে নেয়া উচিত।

আরাফাত শান্ত's picture


ওয়েলকাম আমাদের ব্লগে। হামা ভাই আমি মোটেও গুরুত্বহীন করি নাই যুদ্ধাপরাধ বিচারকে। বরং এইটা আমার আপনার প্রানের দাবী যা অনেক দেরীতে হলেও বাস্তবায়নের পথে। তার সাথে সাথে এই যে বিএসেফ সমানে মারছে তা নিয়াও আমাদের ভাবা দরকার। প্রতিকারহীন এই মরন ভালো লাগে না তাই জানাইছি। তা ইহা নিতান্তই দিনলিপির ভাবনা তেমন সুচিন্তিত কোনো বয়ান না এখানে কোনোটার সাথে কোনোটার মিলানো হয় নাই।

হাসান মাহবুব's picture


আমি বলি নাই যে আপনি গুরুত্বহীন করতে চাইসেন। আমি বলতে চাইসি যে, আপনার লেখাকে কেউ চাইলে অন্যদিকে ঘুরায় নেবার চেষ্টা করতে পারে। ছাগুদের যেমন স্বভাব আর কী।

বিএসএফ এর কর্মকান্ড নিয়ে অবশ্যই ভাবা দরকার, প্রতিবাদ হওয়া দরকার।

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস ভাইয়া। পরের বার থেকে সতর্ক থাকবো। কষ্ট করে এ পাড়ায় আসলেন আপনাকে অভিনন্দন।

জ্যোতি's picture


নেটের যন্ত্রণা নিয়ে একটা পোস্ট দে তো ভাই । জীবন অতিষ্ট ।
অামিও ডিভিডি কিনতে চাচ্ছি কবে থেকে ! সময়, সৃযোগ আর হয় না Sad
হালিমের দুলাভাইয়ের মত দুর্ভাগ্য নিয়ে আমরাই ভাবব। মখা, কখা কেউই ভাববে না ।

আরাফাত শান্ত's picture


আমার ওলো তো ভালোই চলে খালি ইউটিউব চলে না এই কষ্ট!
আপনার ভার্সিটির চারিপাশেই তো কতো দোকান কিনে ফালান। আমি কিনলাম কারন টিভি দেখি না কতো দিন কিছু বস্তা পচা হিন্দী মুভিও না দেখি তাহলে মনরে কি দিয়া শান্তনা দিবো।
ভালো থাকবেন আপু। শুভকামনা!

শওকত মাসুম's picture


কি কি ডিভিডি কিনলেন?

১০

আরাফাত শান্ত's picture


দুইটা। এক টাতে তালাশ, দাবাং টু, খিলাড়ী ৭৮৬ জব তাক হ্যায় জান আরো কি সব হাবিজাবি ভুলে গেছি।
আরেকটাতে তিনকন্যা, আবার বোমক্যাশ, দত্ত ভারসেস দত্ত, অপরাজিত তুমি বাপী বাড়ি আরো কিসব আছে। অনেক ছবি প্রিন্ট মাঝারী গোছের আশা করি দেখা শুরু করবো শুক্রবার থেকে!

১১

রাসেল আশরাফ's picture


রিসেন্টলি দেখা কলকাতার বাংলা ছবির মধ্যে তিন কন্যা মোস্ট ফালতু। ঋতুপর্না দিন কে দিন অসহ্য হয়ে যাচ্ছে।

১২

আরাফাত শান্ত's picture


তাই নাকি। আমার অবশ্য অনেক দিন পর্না আপার ছবি দেখা হয় না। শেষ দেখছিলাম মনে হয় পরমব্রতর বানানো জিও কাকা। আর চারুলতা ২০১১ এর কিছু সিন দেখেই সিনেমা দেখার আহলাদ মরে গেছে! দেখি কি হয়!

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


চারুলতা ২০১১ এর ট্রেলার দেখে আমি পুরাতন চারুলতাটা দেখেছিলাম। সেই হিসাবে এটা জঘন্যের উপরে জঘন্য হয়েছে।

১৪

আরাফাত শান্ত's picture


Puzzled

১৫

জ্যোতি's picture


অপরাজিত তুমি ছাড়া আর একটাও দেখা হয়নি।

১৬

আরাফাত শান্ত's picture


অপরাজিত তুমি সিনেমার গান গুলান ভালো। পুরা সিনেমা দেখি নাই। হাফ দেখছিলাম টিভিতে। তবে আমার এক বান্ধবী বলছে সিনেমাটা নাকি অতি ফালতু।

১৭

তানবীরা's picture


তিনকন্যা, দত্ত ভারসেস দত্ত, অপরাজিতা তুমি

একটাও আহামরি কিছু লাগে নাই, টাইমপাস।

তোমার পোষ্টটায় কিন্তু মহামূল্যবান অনেক কথা আছে। স্বাধীন দেশে যেভাবে হত্যা - ধর্ষন - লুটতরাজ চলছে তাতে মনে হয় কিজানি স্বাধীনতা কাকে কি দিলো?

কত ধরনের বন্ধু বান্ধব ছিলো আমার। সারাদিন এতো ফোন আসতো এতো আড্ডা দিতাম নিজেকে তখন ভাবতাম বেডাই একটা।

সহজ সরল ভাষায় তুমি যেভাবে মনের কথাগুলো সব লিখো, এটাই তোমার লেখার বিশেষত্ব

১৮

মীর's picture


বিএসএফ-কে আবার এইরকম একটা মার দেয়া ফরজ হয়ে পড়সে।

১৯

লীনা দিলরুবা's picture


তোমার পোস্ট পড়লে যা হয়, তা-ই হলো। হড়বড় করে অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করে।
দিনযাপনের সাথে, ঘটনাবলীর একটা চলমান চিত্র তুমি সাবলীলভাবে তুলে ধরো। বেশ লাগে এই স্টাইলটা। হাসান মাহবুব যে পয়েন্ট টা নিয়ে কথা বললো, গুরুত্বপূর্ণ। তবে তুমি কখনো কোনো বিষয়ে বায়াসড হওনা। এবং দেশপ্রেমটাও অটুট তোমার, এইটা এত কমবয়সী একটা মানুষের প্রেক্ষিতে অনেক বড় অর্জন।

২০

আরাফাত শান্ত's picture


আজকের তিরিশে জানুয়ারী ডেটটা আমার মনে রাখতেই হবে। কত দিন পর আপনি আমার ব্লগে কমেন্ট করলেন যদিও অন্য মাধ্যমে ভাবে যোগাযোগ ছিলো তাও ব্লগে আপনাকে আবার ফিরে পেলাম তাতে আপনার ভক্ত কুল হিসাবে আমাদের আনন্দের শেষ নাই। অনেক অনেক ভালো থাকেন আপু। অনেক অনেক শুভকামনা। গরম গরম পোষ্ট দেন তাড়াতাড়ি!

২১

লীনা দিলরুবা's picture


তোমার মত পাঠক/বন্ধু পাইলে আমার মত ব্লগারের আর কি লাগে !
লেখুম।

২২

আরাফাত শান্ত's picture


Party

২৩

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


বরাবরের মতই, একটানে পড়লাম।
আমি যে কবে এমন দিনলিপি লেখতে পারমু! Sad

২৪

আরাফাত শান্ত's picture


খুবই সহজ কাজ লিখে ফেলেন জলদি!

২৫

রাতিফ's picture


কথাটা শুনতে খুবই বাজে শোনাবে হয়তো, তারপরও বলি, যুদ্ধপরাধীদের বিচারের মুলা খাওয়াইয়া এই সরকার আরও হাজারটা কাজে নিজেদের উদাসীনতা বা অপারগতাকে ঢাকার চেষ্টা করতেছে, বিএসএফ এর হত্যাকান্ড তার মধ্যে অন্যতম, এই সরকারের মেনিফেস্টো তে শুধু যুদ্ধপরাধীদের বিচারের সংকল্প ছিলো না, আরও অনেক কিছুই ছিলো যার অনেকখানিই অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে বা যাবে, আমার শুধু একটাই দুঃখ লাগে, একচল্লিশ বছর আগের এক পাপের বিচারের ফেনা তুলতে তুলতে বর্তমান থেকে আমরা এতো বেশী বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছি যে একটা সময় আসবে যখন আমরা দেখবো যে একচল্লিশ বছর আগের এক জঘন্ন পাপের প্রায়শ্চিত্ত আমরা একচল্লিশ বছর পরে এসে করতে পারলেও বর্তমান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার প্রায়শ্চিত্ত আমরা আর পরের অর্ধশত বছরেও করতে পারছি না বা করার সুযোগই থাকছে না , এইটা নতুন পুরানো সব জেনেরেশনকেই বুঝতে হবে................

২৬

আরাফাত শান্ত's picture


দেখা যাক আগামী দিন গুলোতে কি হয়। এতো কষ্ট করে কমেন্ট লেখেন পড়েন থ্যাঙ্কসের শেষ নাই আপনার কাছে। ভাবীকে নিয়ে দারুন যাক প্রবাসে দিন গুলো!

২৭

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ইয়াল্লা! ইখানে আমার কমেন্ট নাই!

বি এস এফ নিয়া কিছু বইলেন না,
দেখবেন কোন ন কোন মামলার খপ্পরে পরে গেছেন!

২৮

আরাফাত শান্ত's picture


হ তুমি ভালো আছো তো?
রবিতে কল আসেও কম যায়ও কম তবু গুরু দেবের প্রেমে অন্ধ হয়ে ছাড়তে পারি না!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!