ইউজার লগইন

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ সাত!

পোষ্ট তো কেউ পড়ে না তাই কমেন্টও হয় কম। এরকম পরিস্থিতিতে পোস্ট কম দেয়াই ভালো। তাও অতো ভেবে লাভ কি? আরেকটা পোস্ট শুরু করি। জানালা খুলে বের হয়ে ছিলাম বাসা থেকে তাই এসে দেখি বাসা ভর্তি মশা। এখন পাব্লিক ডিমান্ডে আমার মশার কামড় খেতে খেতে লিখতে হবে, কি একটা বিপদ! কত কষ্ট করে একেকটা পোস্ট লিখি তা তো পাব্লিক বুঝে না তাই কমেন্টও করে না এই মরা ব্লগে। এই ছিলো আমার কপালে!

আজ ভ্যালেন্টাইন ডে। তাই সকালে উঠেই আমার ভ্যালেন্টাইন মুডের গান শুনতে চাইলাম। কিন্তু কোনো গানই এখন আর আমার ভালো লাগে না। কারন আমার কন্ঠে এখন শুধু স্লোগান গুলো ভাসে। জায়গা মতো স্লোগান না দিলেও আমি মনে মনে অন্তস্থ করে নিছি। তাই গান আর আসে না। কি আর করার! সকাল বেলা রংচা আর বিস্কুট খেতে খেতে লিখে ফেললাম একটা পোস্ট। লীনা আপু ছাড়া আর কেউ কমেন্ট করলো না। মেজাজ টা হলো খারাপ। এতো খাটাখাটনী করে সকালে নাস্তা না খেয়ে পোষ্ট লিখে এই প্রতিদান। চাইনা আমি পিঠ চাপড়ানো ভালো বলনেওয়ালা চাই শুধু যারা অতিথি থেকে পড়ে তারা যেনো লগইন করে কমেন্ট করে। এই ব্লগের সব পোস্টই আন্ডাররেটেড। এর চেয়ে অখাদ্য ব্লগ পোস্ট অন্য ব্লগে ব্যাপক হিট। আমরা ওতো হিট চাই না, চাই যারা ব্লগের মেম্বার তারাই পড়ুক লগ ইন করে!

আজ দিনটা গেলো অসাধারণ। সকাল বেলা পোষ্ট। একটার দিকে চায়ের দোকানে যাই। যেয়ে দেখি পুলকের মন খারাপ। বলে ভাই তাপসীরে নিয়া ঘুরতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু ওতো আমারে জোকার ভাবে। আমি য মেজাজ খারাপ করে যখন রাজবাড়ীর পাবনার টান দেই, তখন আমারে মনে করে সালাউদ্দীন লাভলুর নাটকের বেকুব অভিনেতা ভাবে, কি একটা বিপদ! আমি বললাম আপনি পাচ ফুট এগারোর ছেলে, গা য়ে গতরে সুঠাম, বাপের এতো বিশাল বড় জমিতে একতলা বাড়ী, ব্যাবসা, ল তে পড়তেছেন, আপনেরে যে জোকার ভাববে পাত্তা দিবে না সেই মেয়ে রসাতলে যাক। আপনার বান্ধবী সুমনা আপনে বলতে দিওয়ানা আর আপনি তা বাদ দিয়ে সাড়ে চার ফুটের ঐ পায়েল সরকার মার্কা চেহারার কাছে যান কোন কামে? আমার এই বয়ান শুনে পুলক বললো ভাই থ্যাঙ্কু, বাসায় যেয়ে একটা গোসল দেই। আমি আর কি ১ ঘন্টা থেকেই চলে গেলাম বাসায়। বাসায় বসে বসে বাইশে শ্রাবন মুভিটা দেখছি আর ভাত খাচ্ছিলাম। এমন সময় জ্যোতি আপু ফোন দিলো দৃকে আসতে হবে। টুটুল ভাইয়ের দুইখান ছবি আসে প্রদর্শনীতে। কি আর করা তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে চলে গেলাম রিক্সায়। যেয়ে দেখি টুটূল ভাই নাই। পড়লাম ফ্যাসাদে। এমন সময় মাসুম ভাইকে দেখলাম। উনি আসলেন এসেই টুটুল ভাইয়ের ছবি খোজা শুরু হলো। একটা পেলাম তখনি আশার আলো হয়ে জ্যোতি আপু হাজির। ছবি দেখলাম। দারুন দারুন সব ছবি। তবে এতো বেশী এডিটিংয়ের প্রভাব যা দেখে হতাশা লাগে। অনেক ফটোগ্রাফারের নাম চেনা জানা। এবি ফটোগ্রাফী ক্লাবের। খুজলাম সাইদ ভাই নাই কেন? কি আর করার আছে। জ্যোতি আপুর বুদ্ধিতে উপরে যাওয়া হলো। যেয়ে দেখি টুটুল ভাই নাজ ভাবী আর রিহান ঘুমায় রিহানের ঘুম থেকে মজা পেলাম। এই ছবি টবি দেখার কাজ শেষ করে আমরা সিএঞ্জি নিয়ে গেলাম শাহবাগ। মাসুম ভাই খাওয়ালো নারিকেলের শাস। আমার আর জ্যোতি আপুর ওতো রুচি নাই খেলো সব মাসুম ভাই। আমি চিন্তা করলাম এই জন্যই মাসুম ভাই তার মাসুমিয়াত বজায় রাখতে পারছে।

আন্দোলোন চলছে, সংগ্রাম চলছে, স্লোগান চলছে। কিছুই থেমে নাই। শুধু মানুষ আর মানুষ। এতো মানুষ যে ভীড় ঠেলে হাটাই যায় না। তার ভেতরে বাজে সাউন্ড সিস্টেমে রেকর্ড করা স্লোগান বিরক্তির এক শেষ। স্লোগানের সার্কেলের যে মুখরতা শাহবাগে ছিলো সব হারাচ্ছে একে একে। আমরা গেলাম বই মেলার দিকে। সেখানে গিয়ে মাসুম ভাই পেয়ে গেলো তার এক্স কলিগকে। যিনি বালিকা সুলভ চঞ্চলতায় খালি প্য্যচাল পারতেই আছেন। এরকম মুখরা বালিকা নাকি এবার তার বই বের হইছে নাম শ্বাশুরী পুরান। সেই বই একজন কিনতে আসছিলো লেখিকার এই চঞ্চলমতি চেহারা দেখে কেনা বাদ দিছে। তার বই মাসুম ভাই কিনলো না কেনো বুঝলাম না? কালপুরুষ দা থাকলে তার বই নিশ্চই কিনতেন। বালিকা সম্ভবত উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করেছে। তবে তার প্যাচালে এতো ঝাজ তা যখন মাসুম ভাই আমাদের কাছাকাছি আসে তখনি টের পাই। আর আমরা উনাকে নিয়ে কি বললাম তা শুনতেও উনার ব্যাপক আগ্রহ। আমি সেই বালিকা লেখক নিয়ে আর কিছু বলতে পারছি না। কারন আজ যদি জয়ীতা আপুর মাথা ব্যাথা না থাকতো উনি জানাতেন। উনি নিশ্চই পোস্ট দিয়ে জানাবেন বিস্তারিত। তবে একখান কথাই আমি ছোটো মুখে বলতে পারি সব দোষ শুধু কাল্লুদার উপরে দিয়েই বসে থাকার দিন শেষ!

মাসুম ভাইও বিরক্ত, আমরা আই মিন সামিয়া আমি জ্যোতি আপুও বিরক্ত। কিন্তু কি আর করা। এমন করুন সময়ে আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ ফিরে চাইলো। এক প্রকান্ড ভীড়ে আমরা হারিয়ে ফেললাম উনাকে। আমি বললাম সুবাহান আল্লাহ আর সামিয়া বললো আলহামদুলিল্লাহ। গেলাম একেবারেই টাইট সময়ে। ব্যাপক ভীড়ে কোনোরকমে পাব্লিক লাইব্রেরীর কাছাকাছি আসলাম। আর যাবার কোন পথ নাই। এদিকে আমাদের কাছে মোম নাই। দোকানে দোকানে খোজা হলো হালারাও আনে নাই। একজন বললো সামনে কিনতে পাওয়া যাবে। গেলাম সামনে। এমন সময় আমার এই দশা দেখে এক লোকের দয়া হলো। তার হাতে থাকা মোমের প্যাকেটটা আমাকে দিলো। আমি শুধু বললাম থ্যাঙ্কসের উপরে যদি কিছু থাকে তা আপনার প্রাপ্য। মোম ঝালানো হলো নীরবতায়। এ এক দারুনের দারুন সিন। এরকম মোমের আলোয় উদ্ভাসিত এলাকা কেউ বাপের জন্মে দেখে নি! কী যে স্লিগ্ধ আর কি যে মিস্টি তার তুলনা চলে না। আমার তখন মনে হলো এই অবরোধের শ্রেষ্ঠ অর্জন হলো প্রতিবাদের নানান রকমের ভাষা শেখা এবং তা তরুনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়া। জেবীন আপু আসছে জাদুঘরের সামনে দাঁড়িয়ে। কিন্তু যে বিশাল ভীড় তা ভেদ করে যেতে লাগলো বারো মিনিট। খুজতে লাগলো ১০ মিনিট। পরম করুনাময়ের দয়ায় পাওয়া গেলো আপুকে। আসলাম ফিরে আগের জায়গায়। জেবীন আপু চটপটি-ফুচকা খেলো, জ্যোতি আমি সামিয়া খেলাম চা। আর মাসুম ভাই চা পেলো না। কারন আজ অবধি উনাকে চায়ের অফার করার পরে চা খাবো বলতে শুনি নাই। আজকে হয়তো আশা ছিলো কিন্তু আমিই গোনাতে ধরি নাই।

চা শেষে আমাদের আবার বই মেলায় যাওয়া। উদ্যান দিয়ে গেলাম তাও হাজার হাজার মানুষ। মোটর সাইকেলের প্যা পু লেগেই আছে। বই মেলায় গিয়ে দেখি কামাল ভাই আর রাসেল ভাই। কামাল ভাইকে দেখলেই মনে শান্তি পাই। মাসুম ভাইয়ের বিকেলের স্ক্যান্ডাল নিয়ে আলোচনা পচা পচি চললো। সাথে সাথে অতীত ফিরে এলো। কে কবে কামাল ভাইকে বাদ দিয়ে মাসুম ভাইয়ের গাড়ীতে পিলপিল করে উঠেছে তার ফিরিস্তি জানলাম। কার ড্রাইভার এম এ পাশ আর কার কি ভাবমুর্তি তা নিয়ে হাসতে হাসতে গাল ব্যাথা। সন্দেশ আমি এতো ভালো মতোন চিনি তাও ঠিক ভাবে চেনাতে পারলাম না মেলায়। অটোগ্রাফ নেয়া হলো। ফেরার তাড়া কিন্তু আড্ডা ভাংছেই না। তাও আবার ফেরার জন্য হাটা শুরু। কিন্তু টিএসসি এসে দেখি রিক্সার বড় আকাল। জমিদারের সন্তানেরা কেউ যাবে না। অনেক কষ্টে একটা রিক্সা পাওয়া গেলো। সামিয়া আর আমি চলে গেলাম। কিন্তু নীলখেতের আগেই যে জ্যাম তা দেখে একটু ভয়ে ছিলাম। যাই হোক অল্প সময়তেই চলে আসলাম সামিয়াকে নামায় দিলাম। রিক্সা চলছে এমন সময় রিক্সাওয়ালা বলে মামা আপনি মোহাম্মদপুরেই কই নামবেন? আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। আমি চিল্লায়া বলছি শেখেরটেক ছয় ঠিক করার সময় তা জানালাম। তিনি দেখি মাথায় থাবড় দিয়ে বলে হায় হায় কি বলেন মামা? আমি তো মোহাম্মদপুর ভেবে আসছি। তার এই অভিনয় দেইখা বন্ধু অমিতের কথা মনে হইলো। আজ অমিত থাকলে রিক্সাওয়ালাটার কয়টা সেলাই লাগতো তা ভাবছিলাম। আমি তো অমিত না তাই সে শেকেরটেক নিয়ে যেতে চাইলো আমি বললাম মুড়ি খান। মোহাম্মদপুরে নেমেই দিলাম এক হাটা। তখন ভাবলাম হাটছি যখন চায়ের দোকানেই আগে যাই। গিয়ে দিলাম জম্পেশ আড্ডা। পুলকদের কালকে পিকনিক তার কথাবার্তা শুনলাম। লোকজন আসতেছে শাহবাগ নিয়ে কথা শুনলাম। পাচ ছয়টা ভাঙ্গারী জেনারেশনের পোলাপান শাহবাগে কি করছে তার আলাপ করছে পাশেই। এক ছেলে বলতেছে আজকে যে ভাই কত মেয়েরে আমি ইচ্ছা করে গায়ে হাত দিছি তার হিসেব নাই। কথাটা শুনেই পিত্তি জ্বলে গেলো। নান্নুর দোকান হলে এতোখনে দশ বারোটা থাবড় খাইতো। কিন্তু দেলোয়ার সাহেবের দোকান তারপর আবার তার বউ বসা বলা যায় না কিছুই। সেইম কাজ হইছে আজ দুপুরে এক মাঝ বয়সী লোক বলছে শাহবাগে তো টাকার খেলা চলছে, সবাই টাকা পায়। আমি আর পুলক তখন পকেটে যা আছে বের করা শুরু করলাম। আর খালি বলতেছি শাহবাগে কত টাকা দিলো, বাসায় তো ট্রাং নাই এতো টাকা রাখবো কই? লোকটার দেখি মুখ শুকায় গেলো। পুলক তখন বললো বাপের পয়সায় যাই শাহবাগ যাদের বাপের পরিচয় সমস্যা তারাই টাকার খোজে। আমি তখনি মামীকে বললাম পুলকের জন্য একটা সিগারেট আর একটা চা আমার তরফ থেকে উপহার!

এই পোষ্টটা নিবেদন করলাম সামিয়াকে! কারন তার পীড়াপীড়ি ছিলো!

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


ট্রাকে করে মোমবাতি এনে ফ্রি বিলি করা হইসে আজকে। আর আজকে কিছু মেয়ে এসেছিলো ইচ্ছা করে স্যাবোটাজ ঘটাতে। আগামীকাল আরো বড় কোনো ঝামেলা হতে পারে। ছাগুদের দুইটা প্রোপাগান্ডা মাথায় রেখে এই কথাটা বললাম। ওদের প্রথমটা ছিলো নারীঘটিত সিনক্রিয়েট করবে আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে কোরান শরীফ পোড়ানো হবে।

লীনা দিলরুবা's picture


লেখায় জম্পেস আড্ডার ছোঁয়া, হাসি-গান সবই পেলাম।

"শাশুড়ি পুরাণ" দেখেছি, পারভীন আপা আমাকে দেবার জন্য রীতিমত তাড়া করেছিলেন, উল্টায়ে দেখা উচিত ছিল। যাহোক।

শাহবাগে তরুণীদের গায়ে হাত দেবার ঘটনা মীর-এর মতো আমারও উদ্দেশ্যমূলক মনে হচ্ছে। আমি খুবই কম গিয়েছি যদিও, কিন্তু অনাহুত কিছুই দেখিনি, আর বন্ধু-পরিচিতরাও এমন কথা বলেনি।

জ্যোতি's picture


কেউ না পড়লেও লিখবা। পড়বে সবাই। এখন তুমি আমি যেমন রোজ শাহবাগ যাই, এটাই একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভাবি, অন্যরাও তাই করে। তারপর হয়ত ব্লগে খুব সময় দিতে পারে না। যদিও এখন ব্লগ লিখে রাখাটা জুরুরী। যারা যেতে পারে না সবসময় তারা এই লেখা পড়েই জানবে। ভবিষ্যতে আার্কাইভও হবে।
কাল যে কেলেংকারীময় দিনটা কাটলো সেই দু:খে ভয়াবহ মাথাব্যথায় আমি পড়ে গেছি। Sad
তবে দারুণ একটা দিন কাটলো। কি অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হলো মোমবাতি প্রজ্বলনের সময়। অসাধারণ।
তবে গায়ে হাত দেওয়ার বিষয়টা ইচ্ছাকৃত সেটা বুঝা যায়, কারণ আমি তো বলছিলাম যে কিছু ছেলে হেটে যাচ্ছে কেমন এলোপাথারি যেন গায়ে ধাক্কা দিতেই চায়। এসব কুলাংগারদের কুকামনা ঝলসে যাক।

শওকত মাসুম's picture


লেখা বন্ধ হইলে মাইর। খাওয়া দাওয়া বন্ধ। জেবীন একা একা চটপটি খুচকা খাইলো, একবারো কইলো না। শান্ত সবাইরে চা দিল আমারে দিল না। সবাই কামাল ভাইয়ের একমাত্র প্রেমের উপন্যাস কিনলো, আমারে নিলো না সাথে। তাও আমার নামে বদনাম।
আফসুস।

একজন মায়াবতী's picture


পোস্ট আগেই দেখসিলাম শান্ত। ভাবসিলাম পরে সময় নিয়ে বসে গতকালের আড্ডার রেশ রেখে খুব জমায়া একটা কমেন্ট করবো। কি থেকে কি হইলো দেখো। মনটাই ভেঙ্গে গেলো Sad

তবে অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। সারাদিন এতো ঘুরাঘুরির পর, রাত জেগে, মশার কামড় খেয়ে তুমি এত্ত সুন্দর করে পোস্ট দিলা আমাকে উৎসর্গ করে আর আমি ঠিক মতো একটা কমেন্টও করলাম না Sad

নুর ফয়জুর রেজা's picture


ভালো। আমিও ঘুরাঘুরিতেই ব্যস্ত।

তানবীরা's picture


আর খালি বলতেছি শাহবাগে কত টাকা দিলো, বাসায় তো ট্রাং নাই এতো টাকা রাখবো কই? লোকটার দেখি মুখ শুকায় গেলো। পুলক তখন বললো বাপের পয়সায় যাই শাহবাগ যাদের বাপের পরিচয় সমস্যা তারাই টাকার খোজে

মামীরে বলো আমার তরফ থেকেও তোমার আর পুলকের জন্যে চা-মিষটি, সামিয়ার থেকে টাকা নিয়ে নিবা Big smile

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


লেখা বন্ধ হইলে মাইর।

এমন একটা আড্ডায় থাকা হইল না, আফসুস! Sad

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!