ইউজার লগইন

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ নয়!

সকালে ঘুম থেকে উঠেই আজ আমার মন খারাপ। মাঝে মধ্যে সকাল গুলো কেমন জানি হয়ে যায়। কিছুই ভালো লাগে না। ক্লান্তিতে দেড়টায় ঘুমালাম সাড়ে সাতটায় উঠলাম। খারাপ সময় ঘুমাই নি কিন্তু কেমন জানি লাগছে। যদি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেই যে সকালে ঘুম থেকে উঠেই মন শরীর ভালো লাগছে না। তাহলে অবধারিত ভাবে লোকজন বলবে মেয়েলী স্ট্যাটাস দেয়। তাও ভালো লাগছে না। নাস্তা করি নাই কিছুই তাও লিখছি বসে। গতকাল ছিলো একুশে ফেব্রুয়ারী। ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় প্রশ্ন আসতো কেনো একুশে ফেব্রুয়ারী বলা হয়? কেনো ৮ই ফাল্গুন বা নয়ই ফাল্গুন বলা হয় না? জানি না প্রশ্নের কি উত্তর হতে পারে তবে একুশে ফেব্রুয়ারী আমার কাছে বাংলা সন তারিখের চেয়েও বেশী আপন। এরকম মহান দিন এই জাতির জন্য খুব বেশী আসে নাই। তবে একুশে ফেব্রুয়ারী ঘটে যাওয়ার পর তার সুদুরপ্রসারী তাৎপর্য বুঝতে পারছেীবং ফল পাইছে বাঙ্গালী। আমার মনে শাহবাগ আন্দোলনেরও এরকম সুদুর প্রসারী একটা ব্যাপার থাকবেই। আমাদের স্কুলে শহীদ মিনার ছিলো না নেভীর স্কুল বলে। তবে তাই বলে আয়োজনে ভাটা পড়ে নাই। সাংস্কৃতিক নানান অনুষ্ঠানে মুখরিত থাকতো দিনটা। বাসার পাশেই ছিলো স্কুল। তাই আমাকে যেতে হতোই। তাই এখনকার লোকজনের মতো আমরা অজানার ভীড়ে বড় হয় নাই। প্রত্যেকটা দিবসের মর্ম বুঝতে বুঝতে বড় হউছি। এইটা একটা বড় ওরিয়েন্টেশন আমার জীবনের।

শাহবাগ আন্দোলনটা আল্টিমেটামে চলে গেলো। সবার মুখে শুনতেছি শাহবাগ অবরোধ নাকি অফ। আমি জানি না বিস্তারিত। এই প্রসঙ্গে জানছি না যে শাহবাগে অবস্থান চলবে কিনা? তবে মনে হয় আগামী কয়েকদিনের ভেতরে শাহবাগ দিয়ে মেগাসিটি, এটিসিএল, শতাব্দী আরো নানান বাস চলা শুরু হবে। মেগা সিটি ড্রাইভার ও বিশিষ্ট চায়ের দোকানদার দেলোয়ার সাহেবের জন্য ভালো নিউজ। কারন এখন মেগাসিটি চালায়া উনি ঘরে আনতে পারে মাত্র ৫০০-৬০০ টাকা কারন এই শাহবাগ অবরোধের কারনে তার ট্রিপ কমে গেছে ১ টা কিন্তু জমা আগেরটাই তাই ইনকাম একেবারেই কম। আমারো লাভ হবে এতও রিক্সা ভাড়া দেয়া কমে যাবে। তবে দেশ জাতির কতটা লাভ হবে কিনা, আমি তা জানি না। আমার কাছে মনে হইছে নাস্তিক আস্তিক ইস্যুর কাছে ডিফেন্স খেললো শাহবাগ। আর আন্দোলনের আওয়ামীকরনের চাপায় পড়ে ফাসীর দাবি ও বিচারের জনদাবী কেমন জানি মাইর খেয়ে গেলো। তবুও সময় আছে আর আল্টিমেটামও অল্প দিনের মধ্যেই দেখা যাক কী হয়। তবে এই আন্দোলন নিয়ে আমি খুব আশাবাদী। আগামী দিনগুলোতে পাচ বছরের ইলেকশনে জিতে জনগনের ব্ল্যাংক চেক পাওয়ার দিন শেষ। ৪২ বছরের পুরানো ক্ষত সারাতে যদি এরকম সফল অবরোধ হতে পারে। তবে দৈনন্দিন নানা অনাচার লুটপাটের বিরুদ্ধেও আমরা মাঠে নামবো এইটাই ভরসার জায়গা জমি।

কাল সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি মামা নাই। ৫ মিনিট ভাবলাম কি হলো এইটা। পরে আবিস্কার করলাম মামা প্রভাত ফেরীতে গেছে। ঘুম থেকে উঠেই নেটে পত্রিকা তত্রিকার হেডিং দেখলাম। বার্সালোনার হারের খবর পেয়ে একটু শান্তি পেলাম। যে সব সময় আর জেতা যায় না কখনোই। ছুটির দিন তাই বের হলাম চায়ের দোকানে। আমার আশায় ছোটো ভাই সাইফ বসা। মামী চা বানাতে পারে না। তাও খেলাম আর কি কোনওরকমে। ভালো লাগছিলো না। বন্ধু এহতেশামের কথা মনে পড়লো। আমার আর এহতেশামের যখন আগে ভালো লাগতো না তখন রিক্সা দিয়ে অনেক দূর চলে যেতাম। আজ যেহেতু টাকা নিয়ে বের হয় নাই তাই কাছেই যাই। ধানমন্ডী ৮য়ে গেলাম। সেখানে দেখি মানুষ নাই। তবে শাড়ী পাঞ্জাবী পরিহিত প্রেমিক প্রেমিকারা। বাংলাদেশের সব দিবসই এখন লোকজন ভ্যালেন্টাইন্স ডে বানায় ফেলছে দেখতে তা ভালোই লাগে। রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠান চলছে হাতে খড়ির। কিন্তু বেচারা আয়োজকেরা এই কড়া রোদে বাচ্চা পাবে কই? তাই বাচ্চা খুজতে তারা পুরা এলাকা চক্কর মারছে কয়েকটা মেয়ে। ভাষা সংগ্রামী মতিন সাহেব আসছে। এই বুড়ো বয়সেও দেখলাম তিনি প্রান শক্তি ময়। সাইফ সিগারেট খাবে তার পকেটে টাকা নাই তাকে সিগারেট খাওয়ালাম। মনে হলো ভালো লাগছে না এদিক বরং বাসার দিক চলে যাই। রিক্সায় চলে গেলাম বাসা। বাসায় গিয়ে দেখি বুয়া আসে নাই। মেজাজটা হলো খারাপ। সকালে নাস্তা না করার খিদা আমার আবার চাঙ্গা হয়ে উঠলো। বসে ছিলাম গোসল করলাম তারপর বের হলাম। সেই আল মাহবুবেই যাওয়া। সেই একই খাবার কাচ্চি আর মাউন্ডেন ডিউ খেয়ে চায়ের দোকানের দিকে আসলাম। চায়ের দোকানে গিয়ে দেখি এক লোকের সাথে আরেক লোকের বিবাদ। মারামারির পর্যায়ে। তাদের বিবাদের গল্প শুনলাম। পুলকের বন্ধু আমার ওতো পছন্দ না চাল বাজারের সুমন মিটিয়ে দিলো ঝগড়া। একটু পরেই দেখি দুই ঝগড়াকারী এক সাথে চা সিগারেট খায়। আহ! কি মায়া মহব্বতের দুনিয়া। জ্যোতি আপু ফোন দিলো গেলাম ইকবাল রোডের মসজিদের সামনে। এই ঝগড়া ফ্যাসাদ থামাতে যেয়ে মনে হয় আমারো বুদ্ধি লোপ পেলো। মাসুম ভাইয়ের গাড়ীর সামনে দাড়ায়া আমি উত্তর দক্ষিন আসমান জমিন দেখতেছি। সামনে পিছনে যায়তেছি বিল্ডিংয়ে তাকাচ্ছি কিন্তু গাড়ি আর খুজে পাই না। জ্যোতি আপু বলতেছে ফোনে শান্ত এদিকে আসো। আমি তাও বুঝ পাই না। শেষে যখন পেলাম দেখি আমি গাড়ীর সামনে দাঁড়িয়ে। নিজের একটা প্রিয় ডায়লগ আছে বলদ গাছে ধরে। আমার মতো বলদ আসলেই গাছে ধরে। কি আর করার। গাড়ী কারওয়ান বাজারে রেখে যখন তিনজন এক রিক্সায় যাচ্ছি তখন মনে হলো তিন ব্লগার এক সাথে যায় যদি তৌহিদী জনতা এখন আক্রমন করে তাহলে কি করিবো? গেলাম কাটাবন। ঢুকেই দেখি ব্যাপক ভীড়। আমরাও এক চিপায় পড়ে গেলাম। মানুষের ঠেলা পারা খেয়ে যখন পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে। তখন দেখি লাখে লাখে মানুষ। তবে ছাত্রলীগের পোলাপানেরা এখন বক্তৃতা দিতেও পারে না নুন্যতম মানের ইহাই ব্যার্থতা। ভীড় দেখে গেলাম আর মানুষের এত মাথা দেখে গেলাম বই মেলার দিক ছবির হাট পেরিয়ে। ও মোর জ্বালা এখানেও দেখি ব্যাপক ভীড়। বই মেলায় ঢূকতেছি না ইস্তেমায় ঢুকতেছি বোঝা দায়। যাই হোক ২০ শতাংশ আগত মানুষও যদি বই কিনে তাহলে প্রকাশকদের মুখে অনেক হাসি থাকার কথা। যাই হোক লিটল ম্যাগে অন্তত দাঁড়ানো যায়। ভাস্কর দায়ের কথা শুনলাম আন্দোলন নিয়ে। বর্ণের সাথে দেখা হলো। তবে আনন্দ পাইছি বাপ্পীর সাথে দেখা হয়ে। বাপ্পীর সাথে আমার দেখা হয় খুব কম। তবে নিয়মিত খোজখবর জানা থাকে। বাপ্পীরে অনুপ্রেরনা দিয়ে কেনালাম কেলেংকারীর অর্থনীতি। বাপ্পীরা অবশ্য দারুন কাজ করতেছে। তাদের বই নিয়ে এবং পরিশ্রমী লেখক খুজতেছে যারা অনেক পড়ে জেনে বুঝে কোনো একটা বিষয় নিয়ে লিখবে। আমার তখন নিজেরে আবার বলদ মনে হলো কারন আমি পড়াশুনা করি সাথে অনেক বই ই পড়ি। কিন্তু পড়াশুনা করে লিখতে বসি না। তা আগে পত্রিকার জন্যেও না এখন ব্লগ লেখার জন্যেও না। আমি লেখি যা দেখি যা মনে হয়। ফেরার সময় অনেক হাটলাম। তার আগে ভাইয়া কিনে দিলো কামাল ভাইয়ের বই। উনি কিনলো মুক্তিযুদ্ধের দুইটা বই আর পাঠক সমাবেশ থেকে শাহাদুজ্জামানের বইটা। শাহাদুজ্জামানকে অবশ্য আমার ভালো লাগে সেই ক্রাচের কর্নেলের আমল থেকেই। তার সিনেমা নিয়ে লেখা গুলাও দারুন। এরকম লেখক বাংলাদেশে এখন কম যারা গল্প লিখে সাথে গবেষনা করে আবার সিনেমা নিয়েও লেখে। যারা বলে এডে কাজ হয় না বইমেলায় তারা আছে বোকার রাজ্যে। কারন কাফকা সমগ্র দেখি অনেক সেল। আমি এমন একজনকে এই বইটা কিনতে দেখলাম যার কাফকা দুরে থাক বাংলা ভাষার লেখক নিয়েই আগ্রহ নাই কোনো। যাই হোক আবারো লম্বা হেটে কাটাবন। সেখান থেকে রিক্সায় বাংলা মোটর। গাড়ীতে করে ভাইয়া নামায় দিলো বাসার সামনেই। রিক্সা ভাড়া বেচে গেলো আর মাসুম ভাই জ্যোতি আপুর সাথে দারুন ঘুরাঘুরিটাও হলো। কিন্তু শ্বাশুরী পুরানের লেখিকাকে আর আমরা পেলাম না। উনাকে পেলে মাসুম ভাইয়ের আবার কি হতো অবস্থা আর আমরা কি ফ্যাসাদে পড়তাম তা নিয়ে লেখা হলো না আর। তবে আমরা পেলাম এক দুলাভাইকে। মাসুম ভাইয়ের কারনে হয়তো তিনি আমাদের দুলাভাই হতে পারেন নাই। ভদ্রলোক হুমায়ুন আহমেদের ইতিহাস রচনায় বিরক্ত। কিন্তু যেভাবে সুনীল স্তুতি গাইলো তাতে তার প্যাচাল আমার ভালো লাগলো না। আল্লাহয় বাচাইছে তিনি আমাদের সত্যি দুলাভাই হয় নাই। হলে আমাদের ভগ্নীর জীবনটারে একেবারে মাছের বাজার বানায়া ফেলতো। সামনেই আমাদের সবার লিখতে হবে সলিমুল্লাহ খানের মতন করে যে মাসুম ভাইয়ের কাছে আমাদের ঋন। বাসায় ফিরলাম ভাত খেয়ে ফেসবুকে গপসপ করে ক্লান্তির ঘুমে।

পোষ্টটা ভালো হয় নাই জানি। বড্ড তাড়ায় এই লেখাটা লেখে ফেললাম। তাড়াহুরার কারন নাস্তা করি নাই সকালে। আর কারেন্ট যেতে পারে। আর যা লেখার কথা লিখে ফালাই কারন পড়ে আর লেখা হয়ে উঠে না। তাই আমার লেখা গুলাও ওতো মানের হয় না। কিন্তু যাদের লেখা মানের হয় তারা লিখেই না!

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জ্যোতি's picture


তোমার কালকের কাহিনীটা ভিডিও করে রাখলে বোঝানো যেত তুমি যে সামনে রেখে প্রায় ১০ মিনিট ধরে কিভাবে খুঁজলা। Rolling On The Floor
মাসুম ভাই যাকে দুলাভাই হতে দিলো না তার জন্য মাসুম ভাইয়ের কাছে আমরা ঋণী থাকলাম। যদিও জেবীন মনে কষ্ট পাইছে। Tongue

আরাফাত শান্ত's picture


গত কালকেও দেখলাম দুলাভাইকে। বউ নিয়ে ঘুরতেছে। এই দুস্কেই তো বোন আমার মেলায় আসে না Stare

একজন মায়াবতী's picture


আন্দোলনের ভীড়ে শ্বাশুরি পুরাণের লেখিকা আর মাসুম ভাইয়ের গল্প ঠিক মতো কেউই পোস্ট দিলো না। কেলেঙ্গারির ভ্যালেন্টাইন্স ডে সম্পর্কে মানুষজন অন্ধকারেই থাকলো। তুমি লেখা দিও। দিনলিপি ভালো লাগে। আর জ্যোতি আপু ব্যাপক ফাঁকিবাজ Stare

জ্যোতি's picture


আমি দিয়েছিলাম পোষ্ট। সেটা হারাো গেছে

জ্যোতি's picture


হারিয়ে গেছে

আরাফাত শান্ত's picture


ভ্রমন বিষয়ক পোস্ট চাই! Smile

তানবীরা's picture


তবে আমরা পেলাম এক দুলাভাইকে। মাসুম ভাইয়ের কারনে হয়তো তিনি আমাদের দুলাভাই হতে পারেন নাই।

আলোচ্য বিষয়টা আরো আলোকপাতের দাবী রাখে Wink

জ্যোতি's picture


আমিও দাবি জানাইলাম। সেসই যে বিবাহের প্রস্তাব, তারপর মাসুম ভাইয়ের ষড়যন্ত্র, তারপর তাহার বিবাহের ফটুক, হানিমুনের ফটুক দিয়া আবার বিরহকাতর মনকে উস্কাইয়া দেয়া...সব জানতে চাই।

আরাফাত শান্ত's picture


আপনি যদি থাকতেন তবে বুঝতেন ফ্যাসিবাদী ব্লগাররা কিভাবে নানান ইস্যু ধামাচাপা দেয়। বিদেশে থেকে বেচে গেছেন!

১০

শওকত মাসুম's picture


কামাল ভাইয়ের বই কে কিনা দিল এই নামটা আসে নাই Stare

১১

আরাফাত শান্ত's picture


কত সুন্দর ভাবে পোস্টে উল্লেখ আছে Shock ভাইয়া কিনে দিলো কামাল ভাইয়ের বই। ভাইতো ছিলেন শুধু আপনেই!

১২

পারু রহমান's picture


বই মেলায় গেলে আর আমাকে বললে না? Shock Stare Sad Sad(
.... যদিও আমি যেতে পারতাম না কিন্তু ঝাড়ি তো দিতে পারি Cool

১৩

আরাফাত শান্ত's picture


আপনাকে তো বলি আপনেই তো বিজি মানুষ।

১৪

লীনা দিলরুবা's picture


দারুণ কাটাইলা দিনটা। মেলার আর আন্দোলনের খন্ড খন্ড চিত্র দেখতে তোমার পোস্ট-এর অপেক্ষায় থাকা বিফলে যায়না Smile

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


লিখতেই তো পারিনা সেসব নিয়া। ঘটনা গুলোই বড় হয়ে যায়!

১৬

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ওইদিন আপ্নেদের সাথে থাকতে পারিনাই বলে খারাপ লাগছে অনেক।
এক আপু আসছিল চট্টগ্রাম থেকে, তাকে টাইম দিতে হইছে তাই।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!