১০০!
ব্লগে সাধারনত সংখ্যা পুরন হবার বা বর্ষপূর্তি পালনের পোস্ট গুলান হয় ন্যাকামি আর আদিখ্যেতায় পরিপুর্ন। তবে আমার প্রতি পোস্টেই যেহেতু দিন যাপনের ন্যাকামি থাকে এই খানেও তা থাকবে ভালো ভাবেই। আসলে এই জীবনে ভাবি নাই যে কোনো ব্লগে আমার পোস্ট থাকবে ১০০ টা। দীর্ঘ সামুর জীবনে মাত্র তিরিশ পয়ত্রিশটা পোস্ট দিছি। যার বেশীর ভাগই আড্ডা টাইপ কিংবা নিজের আপডেট জানানো। এরপর কেটে গেলো কত সময় আমি সাপ্তাহিক বুধবার, নিউএইজ, সমকালে সাপ্তাহিক, সাপ্তাহিক ২০০০ য়ে সমানে চিঠি/ পাঠকের লেখা লিখে কাটিয়েছি। নিজের লেখা ছাপাতে দেখে অনেক আনন্দ পেয়েছি। তবে সব চাইতে আনন্দ পাইছি যায় যায় দিনের নয়া ভার্সন মৌচাকে ঢিলে । এক বন্ধুর দুঃখের প্রেম কাহিনী নিজের নামে ছাপিয়ে দিছি। কি যে আনন্দ! অসংখ্য কল এসেমেসে ফোনই খুলতে পারি নাই কয়দিন। অনেকেই আবার তাদের জীবনের ডেসক্রিপশন দিয়া প্রেম নিবেদন করছে। বড়ই সুখ। ভাগ্যিস তখন জীবনে এতো বেকারত্বের হাহাকার ছিলো না এখন হলে আগ্রহ পুর্ন ভাবেই তাদের সাথে হয়তো যোগাযোগের চেষ্টা করতাম। তবে নিজেরে ঐ কয়েকদিন খুব সেলিব্রেটি মনে হয়েছে। পরে নিজেই চিন্তা করলাম এই সব ছাল বাকল লিখে এতো ভাবে থাকার কিছু নাই। আমি পাঠক হতে চাইছি লেখক হতে না। ক্লাস বাদ দিয়ে পাব্লিক লাইব্রেরীতে খালি পড়েই গেছি দিনের পর দিন। চায়ের পিপাসায় মুখ কেমন জানি লাগতো তাও বই শেষ না করে উঠি নাই। আর যা পড়তাম সমানে তার উপরে লিখতাম। পাশে বসা লোকজন ধারনা করতো আমার মনে হয় সামনে কোনো বড় এক্সাম বা এসাইনমেন্ট জমা দিবো। কিন্তু আমি বই পড়তাম নিজের ইচ্ছা মতো। আমি মনে করি এইটাই বেস্ট। নিজের মতো করে সব বই পড়াতেই আনন্দ। মাঝে সাঝে অতি জঘন্য অনেক বইও পড়ছি তখনও মনে হইছে খারাপ না পড়লে ভালোটা চিনবো কিভাবে? এখন চায়ের দোকানের আড্ডা, ফেসবুক, নানান কিছুর ঝামেলায় আর আগের মতো যাই না। কিন্তু এখনো আমার সকাল থেকে রাত ৮ টা অবধি সেই ক্লান্তিহীন খাইয়া না খাইয়া পড়তে খুব ইচ্ছা করে। কিন্তু আর হয় না!
এবি ব্লগের যখন দারুন সিজন চলতো তখন আমি স্রেফ লেখাই পড়তাম। যদিও একাউন্ট খোলা ছিলো। যেমন ছিলো চতুর্মাত্রিকেও। মাসুম ভাই, নরাধম, লীনা আপু, নুশেরা আপু, জ্যোতি আপু, ভাস্কর ভাই তাদের লেখা পড়তাম টুকটাক চিন পরিচয়ের সুত্রে। আর ফেসবুক শেয়ারে অনেক আড্ডা দেখতাম। টুকটাক কমেন্ট করতাম আর ভাবতাম সামুর পরে আর কোনো ব্লগেই লেখবো না আর। তখনো সামুতে লগ ইন করে অনেক কমেন্ট পড়ে- নতুন ব্লগারদের তাফালিং দেখতাম। সেই ঝঞ্চা বিক্ষুব্ধ সময়ে আমি কেবল মামার সাথে মেসে থাকার দিন শুরু। মেজাজ থাকতো খারাপ। সেই সময়ের কোনো এক ঈদের আগে আগে বাড়িতে যাবো বাসায় নেট নাই। নরাধমের এক পোস্টে কমেন্ট করলাম তোমার লেখা পড়ার জন্যই এই ব্লগে মাঝে মধ্যে আসি এই ধরনের একটা কথা। আর যাস কই জেবীন আপু, মেসবাহ ভাই, রায়হান ভাই দিলো হালকার উপরে ঢলা। আমি তো কমেন্ট করেই হাওয়া। দেখি রন্টি ভাই মেসেজ দিলো এবি তে তোমার উপর সবাই এতো বিলা কেন? আমি কইলাম কই? উনি কয় পোস্ট দেখো। জেবীন আপু পাঠাইলো মেসেজ। শান্ত রাগ কইরো না। আমি রাগ টাগ করি নাই। ঈদে বাড়িতে যাবার আগে দিয়া দিলাম একখান পোস্ট সাইবার ক্যাফেতে বসে। সেই থেকেই শুরু। দিনলিপি আর মনের কথা গুলান শুধু লিখে গেছি অবিরত। ৫০ পোস্টের আগ পর্যন্ত আমি মাসে ২-৩ টা পোস্ট কিংবা কোথা থেকে ঘুরে এসে পোস্ট দিতাম। আমার অনেক পোস্ট আছে জামালপুর বা চিটাগাং থেকে ঘুরে আসার কাহিনী কিংবা চায়ের দোকান বা বন্ধুদের আড্ডার দিনলিপি। তাও একটা বিরতি দিয়ে। কিন্তু গত দুই মাস ধরে আমি ফাটায়া পোস্ট দিতেছি। এই ঝিম ধরা ব্লগে আমারই পোস্ট থাকে প্রথম পেইজে তিনটা। কী আচানক কান্ড! ননকমিউনিকেটিভ ব্লগে ধুমায়া পোস্ট দেই আর পাবলিকও তা পড়ে। এই পোস্ট পড়ানোর আনন্দ নিজেরে পেয়ে বসলো। যেই শান্ত পত্রিকায় নিজেই লেখাই শেয়ার দেয় না সেই শান্ত ফেসবুকে নিজের ওগা মগা লেখা গুলান সমানে শেয়ার দিতে থাকলাম। মেসেজ পাঠাই। কিন্তু কিভাবে জানি আমার লেখা অনেকেই পড়ে ফালায়। যাদের কাউকেই আমি জানায় নাই তারাও এবির লেখা পড়ার লোক না। চিটাগাং থেকে ফোন আসে মামা তুই তো হেভভী লিখতাছোস! আমি আসমান থেকে পড়ি এই সব খবর কোন আসমান থেকে পায় এরা। তখন আমি বুঝে যাই ব্লগে লেখার শক্তি! নিজের যা মন চায় তাই লিখি। এই অদ্ভুত স্বাধীনতার আনন্দ আমাকে ইদানিং প্রতিদিন পোস্ট দিতে টানে। লেখা রসাতলে যাক, দুইদিন টানা পোস্ট না দিতে পারলে মনটা কেমন কেমন জানি করে! তবে আরো অনেক পোস্ট দেয়ার ভাবনা আসে কিন্তু এবিতে একদিনে দুই পোস্টের বেশী নিয়ম নাই তাই আর লেখা হয় না। আমি প্রচুর পোস্ট লিখছি যা দিতে পারি নাই কারেন্ট চলে গেছে, পিসি হ্যাং, লেখা সেইভ থাকে নি, ভেলিডেশন ইরোর দেখাইছে। কি যে মন খারাপ হইছে! পোস্ট লিখে না পড়াতে পারার কষ্ট আমার চেয়ে বেশী আর কেউ পায় নাই। এবির প্রভাবশালী মহলের কাছে আমার দাবি আমাকে একটা ল্যাপটপ আর এক কার্টুন মশার কয়েল দেয়া হোক যাতে লিখতে পারি। কিন্তু কে আর শুনবে ফরিয়াদ! তাই আমি এই স্লো ও মরা পিসিতেই লিখে যাবো আর পায়ে মশার কামড় খেতেই থাকবো যতদিন লেখার সময় পাচ্ছি। তাই এখন লেখা না দিতে পারলে আগের মতো মন খারাপ হয় না। খালি কয়েকটা এসেমেস দিয়ে জানিয়ে মন হালকা করি।
সাধারনত আমি নিজের লাইফে খুব ইতিহাস রাজনীতি এই সব নিয়ে পড়ি চিন্তা করি। কিন্তু ব্লগে তা কখনোই আমার জানানো হয় নাই। মাঝে মধ্যে টুকটাক মতামত দিয়ে নিজের অবস্থান জানাইছি এতো টুকুই। সাধারনত ব্লগাররা খুব বিপ্লবী চেতনার মানুষ হয়। লিখে টিখে জিহাদী জোস নিয়ে। আমি তেমন কিছু নিয়েই লিখি নাই। নিজের দিনলিপি, আটপৌরে মন খারাপের দিন আর ভালো এইসব লিখেই কাটিয়েছি। তবে কিছু কিছু পোস্ট লেখার পরে নিজেরই খুব ভালো লাগছে লোকজনের ওতো ভালো লাগছে কিনা জানা নাই। তেমন একটা হলো পোস্ট বুলডোজার!
http://www.amrabondhu.com/aliarafat/3782 এই পোস্টটা লিখে আমার মন খুব হালকা হইছিলো। মনে হচ্ছিলো লিখতে তো পারছি নিজের বেদনার কথা। এখন যখন দেখি মনে হয় খালটার অবস্থা সেই আগের মতোই। অনেক কাজ হচ্ছে দেখা যাক শেষ মেষ কি হয়? তবে নানকের এই উন্নয়ন ব্যাবসায় আমি তিন তিন বার চায়ের দোকান হারাইছি। কি আর করা তার পাশেই চেনাজানা আরেক দোকানে থেকে আরেক দোকানে এভাবেই বসছি। ইদানিং চায়ের দোকানে কম বসার চেস্টায় আছি। বন্ধুরা চিটাগাং থেকে আসছে বলে এখন যা বসি, কয়দিন পর তা দুই ঘন্টায় নামিয়ে আনবো। বাসায় অনেক বই পড়ছি আরো জোরসে সামনেই পড়া শুরু করবো!
আমার এই সব অতি সাধারন দিনলিপি ভাবনা যে লোকজনের যে ভালো লাগবে তা জানা ছিলো না। লোকজন প্রশংসা করে তখন খুব মন খারাপ লাগে কি আর লিখি তাতেই এই প্রশংসা, আমার তো আরো ভালো লেখা উচিত ছিলো। তবে ভালো খারাপ যাই লিখি এখন তা লিখে ফেলি। কারন জীবনটাই খুব অল্প দিনের। এখন সময় আছে তাই সকালে নাস্তা না খেয়ে লেখার মতো অবসর তাই খারাপ ভালো যাই হোক লিখে ফেলাই অবলীলায়। কয়জন কমেন্ট করলো তা নিয়ে ভাবি না। কারন কমেন্টের বাইরেও অনেকেই পোস্ট পড়ে, লাইক দেয় তা দেখে খারাপ লাগে না। তবে আমার ব্লগে বেশী বেশী লেখার অনুপ্রেরনা এই ৮-১০ জন চেনা জানা বন্ধুরুপী বড় ভাই বোন ব্লগাররাই। যাই লিখি বাকল-ছাল তারা তা পড়ে উৎসাহ দিবেই। উৎসাহ জিনিসটা খুব বড় আমার কাছে। এমনিতেই অন্য ব্লগ গুলার মতো এখানে কমেন্ট লাইকের বন্যা ছুটে না। সেই আশাতেও থাকি না। তবুও এই সব উৎসাহেই আমি লিখি। আর চেষ্টা করি বিনম্র থাকার। কারন বেশীর ভাগ ব্লগারদেরই দেখি বিনয়ের খুব অভাব। কোথাও দুই তিনটা পোস্টে ব্যাপক হিট দেখে তাদের আকিহ সিন্ড্রোমে ভুগে। আমি তেমন কিছুতেই ভুগি না। বানান ভুল, যতি চিন্হে সমস্যা, অগোছালো এই লেখা গুলো লিখছি মানুষ পড়ছে তাতেই সুখ। তবে আমি যতি চিন্হে বানান ভুলে খুব কেয়ার ফুল থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু তাড়াহুরায় অস্থির লেখা তাই প্রচুর ভুল-বাল থেকে যায়। কী আর করা। তাও হাল ছাড়ি নাই!
সামিয়া টেক্সট পাঠিয়ে বলছিলো বাহ তুমার তোহ ৯৯ পোস্ট। আমি বললাম আমিও দেখলাম আর অবাক হলাম ৯৯টা কিভাবে হলো, লিখবো একটা ১০০ নিয়ে। তখন ও টেক্সট পাঠালো স্পেশাল কিছু! আমি বললাম দেখি কি লেখা যায়। হরতাল নাই তাই কাজে ও বেড়াতে আসা দুই বন্ধু বের হইছে সকালেই। বাসায় একা বসে নাস্তা না খেয়ে, হুগো শ্যাভেজের মরনের কথা ভাবতে ভাবতে লিখলাম পোস্টটা। তবে আগামী দিন গুলাতেও আমি পোস্ট লিখতে থাকবো। সন্ধ্যায় ক্লাস আর সারাদিনই বেকার তাই পোস্ট লেখার অনেক সময়ই হয়তো পাবো। আর চাকরী পাওয়ার কোনো আলামতও দেখছি নাই তাই সামিয়াকে টেক্সট পাঠায়ছিলাম যে দেখবা জীবন ভর খালি ছাইপাস পোস্ট লিখে আর বাপের ভাইয়ের হোটেলে খেয়েই কাটাচ্ছি! দেখা যাক কি হয় তবে আগামী দিন গুলোতেও আমি এই ঝিম মারা ব্লগেই লিখে যাবো। এবি ছাড়া আমার আর লেখার কোনো জায়গা নাই। এই লয়েলিটির জন্য এবির উচিত তাদের জাকাত ফান্ড দেখে আমাকে ল্যাপটপ আর মশার কয়েলের ইন্তেজাম করে দেয়া। কিন্তু তা আর হচ্ছে কই!
এই শত তম পোস্ট নিবেদন করলাম তিন ক্যাটাগরির লোকদের জন্য!
যার মতো লিখতে চাইঃ মীর ভাই,
ব্লগে যে সারাদিন লগ ইনঃ রনি ভাই
ভগ্নীবৃন্দঃ জেবীনাপু, পারভীন আপু, রুনা আপু জ্যোতিপু, শাপলাপু, শর্মী আপু, নাজআপু, রুম্পাপু, দিশা আপু, সুমি আপু, মৌসুমআপু, ফাহমিদা আপু আর লিজা আপু
ভাতৃবৃন্দঃ গৌতম দা, রন্টি ভাই, বিষন্ন বাউন্ডুলে,সাঈদ ভাই, রাতিফ ভাই, শমসীর ভাই, বন্ধু রেজা আর সাইফ, শুভ ভাই, টুটুল ভাই, রাসেল ভাই, নাঈম মামা, বাফড়া ভাই, অকিঞ্চন দা, রায়হান ভাই, মেসবাহ ভাই, নিভৃত স্বপ্নচারী, স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, অনিমেষ দা, ভাস্কর ভাই, আরো কয়েকজন নাম মনে নাই
আর ভগ্নী রুপী ওস্তাদঃ প্রখ্যাত কাজী বংশের লীনা দিলরুবা আর প্রবাসী বিখ্যাত সেলিব্রেটি তানবীরা তালুকদার!
আর ভাই রুপী ওস্তাদঃ বিখ্যাত লেখক কামাল ভাই আর প্রখ্যাত সাংবাদিক মাসুম ভাই!
আমার ভাইয়া ভাবী ও তাদের চেনাজানা যতো বন্ধু ও মামাকে, যারা অতিথি থেকে নিরলস ভাবে লেখা পড়ছে সব শেষে তাদের জন্যেও যারা তানবীরা আপুর বই পাহাড় আর নদীর গল্পের উৎসর্গের গুরুদেবের ভাষায়
যে আমারে দেখিবারে পায়,
অসীম ক্ষমায় ,
ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি'-





অসংখ্য অভিনন্দন,
সুপ্রিয় শান্ত ভাই।
থ্যাঙ্কস!
সেঞ্চুরির শুভেচ্ছা
ধন্যবাদ ভাইয়া!
সবচেয়ে কম বল খেলে সেঞ্চুরি হাঁকালে যেন!
মা মার, কাট কাট!
লেখার কথা বলতে গেলে তো অনেক কথা বলতে হয়। সেই সামু...সামু এখন ইতিহাস। ব্লগিং করে মানুষের কতটা কাছে আসা যায় তা যারা ব্লগিং করে তারাই জানেন। তোমার এই দিনলিপি যারা পড়ে, তারা ভালোবেসে পড়েনা শুধু, ভালো একজন লেখকের লেখা পড়তে হবে ভেবে পড়ে। তুমিও তাই কেবল আর ব্লগার নও। ছোট ভাইটি নও। একজন পরিণত লেখক হয়ে উঠেছো। তোমার জন্য শুভকামনা অফুরান...।
চান্দাবাজিতে তোমার একটি ল্যাপটপ আর কয়েকডজন কয়েল জোগাড় হয়ে যাক এই প্রত্যাশাও রাখলাম।
ধন্যবাদ আপু। আপনাদের এতো অনুপ্রেরনাতেই তো এই সব পোস্ট টোস্ট লেখা। আপনার জন্যেও অনেক শুভকামনা। লেখা লিখেই যাবো সমস্যা নাই!
ল্যাপটপ মশার কয়েল পাইলে ভালো না পাইলে দরকার নাই!
সেন্চুরিয়ান শান্ত!!
এবি'র প্রভাবশালী মহলের জাকাত ফান্ডের লিষ্টে ল্যাপটপ আর কয়েলের নাম তোলার জোর দাবি জানাইলাম
পারসোনালি লবিং অব্যহত রাখলেই চলবে!
ধন্যবাদ আপু!
১০০ টা অভিনন্দন
। ভালো থাকুন লিখতে থাকুন.....।
-- আপনার দাবীর সমর্থন দিলাম।।
ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালো থাকবেন!
প্রভাবশালী মহল কই লুকাইছে? আমিও দাবীতে সাথে আছি
সেন্চুরিয়ান শান্ত!! আসল সেলিব্রেটি হলে তুমি

দোয়া কইরেন আপু! দাবীতে সহমত জানানোর জন্য থ্যাঙ্কস!
বান্দর ছিলা তো দেখি!!
তোমার দিনলিপি ভালো না লাগার কোন কারণ নাই। তোমার লেখা পড়তে আরাম। লিখে যাও নিয়মিত।
দাবীতে সমর্থন জানাইলাম জোরেসোরে। প্রভাবশালী মহল যেন উদ্যোগ নেয়। নাইলে কর্মসূচী নেয়া হবে।
হ হালকা পাতলা ছিলাম। এখন সত্যই খুব শান্ত হয়ে গেছি। থ্যাঙ্কু আপু নিয়মিত পড়ে শেয়ার দেন। আপনাদের জন্যই তো লেখা!
সেঞ্চুরীর অভিনন্দন!!
প্রভাবশালী মহলটাকে? দাবীর সাথে আমিও একমত।
আমাদের দাবী মানতে হবে, মানতে হবে!!
থ্যাঙ্কস বন্ধু। তোমাদেরকে পাশে পেয়ে আমি গর্বিত!
ওহ্!!!! আর সেঞ্চুরী পোষ্টে অভিনন্দন। তোমার জন্য আইসক্রিম। (ইমো না, সত্যি সত্যি)
আবার ধন্যবাদ আপু!
সেঞ্চুরিয়ান শান্তকে অনেক অনেক অভিনন্দন!!!


আরও অনেক অনেক লেখা চাই!
থ্যাঙ্কস ভাইয়া। রিয়াসার ছবি দেখে কাল সত্যি খুব ভালো লাগলো!
শুভেচ্ছা!
ধন্যবাদ আপু। ভালো থাকবেন!
নানা ধরনের সেঞ্চুরিয়ান আছে। যেমন, আশরাফুল এক সেঞ্চুরি করার পর খারাপ খেলে আরো ১শ ম্যাচ। আবার মানিক সেঞ্চুরি করার পর আর আওয়াজ পাইলাম না। কিন্তু শান্ত আগাইয়া যাক।
বয়সের সঙ্গে তুলনা করলে এ সময়ে সেরা লেখক শান্ত। এটা আমি মনে প্রাণে মানি। ভাল লেখা পড়তেই আসি। আর বলতে দ্বিধা নেই, যখন সবাই চুপচাপ, তখন শান্ত লিখেই গেছে। সেটা দেখেই আমিও আবার লিখছি।
জীবন আনন্দের হোক
কি বিশাল সার্টিফিকেট পাইলাম। আমি অবাক!
ভালো থাকবেন ভাইয়া। আপনার পোস্ট গুলা একেকটা এপিক হয়তেছে ইদানিং। এই ধারা চালু রাখেন!
শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন , শুভেচ্ছা ..
জীবনের নানান ঝামেলায় কোনো পোষ্টেই কমেন্ট করা হয়না তবে আপনার এই সহজ সরল দিনলিপির আমি নিয়মিত পাঠক , সেঞ্চুরি পোস্ট এ তাই জানিয়ে গেলাম
থ্যাঙ্কস আপু। ভালো থাকবেন। পারলে কমেন্ট কইরেন। আর না পারলে দরকার নাই। পড়েন এই কারনেই শুকরিয়া! শুভকামনা!
সেঞ্চুরী পোষ্টে, শুভেচছা আর অভিনন্দন।
কি তামশা আমার নামও আছে
!
থ্যাঙ্কস আপু।
ঠিক কথা।
তবে আমার নাম না থাকায় মাইনাস
না হয় একটু অনিয়মিত। 
আপনার জন্য একটা ল্যাপটপের আবেদন করে গেলাম এডমিনের কাছে।
সরি ভাই অত্যন্ত। মনে ছিলো না। এডিট করে ঢুকিয়ে দিছি
পোস্ট পড়েছি তিনদিন আগে আর কমেন্ট করতে আসছি এখন।


তোমার পোস্টটা পড়তে পড়তে মেসবাহ ভাইয়ের ঝাড়ি নিয়ে কমেন্ট করবো ভেবেছিলাম। কিন্তু তুমি নিজেই দেখি ভুলো নাই
একশ পোস্টের জনয় অভিনন্দন। আর ল্যাপটপ পাইলে বইলো আমিও একটা আবেদন জানামু।
আপনার সাথে তো প্রভাবশালী মহলের যোগাযোগ ভালো। আমার জন্যে একটূ লবিং কইরেন। আর আমি পাইলে আপনার জন্যেও জোর লবিং চালাবো!
অনেক কিছুই ভুলে যাই আবার অনেক কিছুই মনে থাকে। ভালো থাকবেন ভাইয়া। শুভকামনা!
শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন।
তোমার লেখার সরল ভঙ্গিটি খুব আকর্ষণীয়। পড়লে মন ভালো হয়ে যায়।
ইয়ে, মানে, আমি আবার ওস্তাদ হইলাম কবে?
এরকম জোরালো আবেদনের পরও প্রভাবশালী মহলের কোনো সাড়াশব্দ তো দেখলাম না! ধিক্কার
মন্তব্য করুন