ইউজার লগইন

বন্ধুত্বের বয়স বাড়ে না!

সেই ছোটোবেলা থেকেই আমার এই সমস্যার শুরু। আব্বুর চাকরীর সুত্র ধরেই আমাদের বাসাতে কোনো কালেই আত্মীয় স্ব্জনে ঠাসাঠাসি ছিলো না। এমন অনেক বছর গেছে যে কোনো মানুষ- তা রক্ত মাংসের আত্মীয় হোক আর যাই হোক কেউই ছিলো না বাসায়। যে ধরনের পরিবারে মানুষ গর্ব নিয়ে বড় হয় তেমন কোনো যুথবদ্ধ জীবন আমার ছিলো না। বাবা মা ভাই বাবা শেষ। এর বাইরে অনেক দূরে থাকার কারনে আর কোনো আত্মীয় বেড়াতেও আসতো না। কে আসে আর এই জামালপুর থেকে মরার খুলনা কাপ্তাই চিটাগাং বেড়াতে। আর আব্বু আম্মুর ব্যাস্ততার কারনে আমাদের বাড়ীতে যাওয়াও হয়তো কম। দুই বছর একবছরের মাঝখানে ১ বার অল্পকদিনের জন্য বাড়ীতে যাওয়া, মাস খানেক থাকা এই। তাই বাল্যকালে আমার বাড়ীর আত্মীয় স্ব্জন বা গ্রাম কিছুই আপন হয়ে উঠে নি। আমার ভাইয়া তখন আমার চেয়ে বড় বলেই অল্প বিস্তর তার সাথে গ্রামের একটা টান ছিলো। মামা আর ভাইয়া সমবয়সী তাই ভাইয়ার বাড়ীতে থাকার দিনগুলো ভালোই লাগতো। আমার ভালোও লাগতো না, খুব যে যেতেও চাইতাম তাও না। আমার মনে আছে এখন যে মামা রুমমেট তাকে আমি ক্লাস ফোর ফাইভে চিঠি লেখছিলাম যে মামা বাড়িতে আসলে তুমি আমার সাথেই তো থাকো না তাই আমার ভালো লাগে না। আজ হুট করে সেই চিঠি আর আমার নীল কালির কলমের ভাংগাচোরা লেখার কথা মনে পড়ে খুব হাসি পাইলো। ও আচ্ছা যে কথা বলছিলাম বাসায় আত্মীয় স্ব্জন খুবই কম আসতো। নানু যতদিন সুস্থ ছিলেন উনি প্রায়ই আসতেন। সম্ভবত তার বড় মেয়ের প্রতি তার অদ্ভুত একটা টান ছিলো। কত দূরে আমরা থাকতাম তা অতিক্রম করে উনি সাদা দারুন একটা পাঞ্জাবী পায়জামা ব্যাগ আর আমার জন্য কিছু নিয়ে হাজির হতেন। মিস্টি আনতেন বেশী আর মিস্টি জাতীয় চকলেট। কী যে আনন্দ লাগতো নানুকে পেয়ে। নানুর সাথে বসেই চা খাওয়ার শুরু। নানুর মুখে উনার অজস্র গল্প শুনতাম তবে নানু শ্রোতা হিসেবেও আমার গল্প শুনতে চাইতেন। কিন্তু আমি কি গল্প করবো ভেবে পেতাম না আর যা বলতাম তা বেশীর ভাগই শিশুসুলভ হাসির খোরাক। কিন্তু ৬-৭ দিন থেকেই নানু যেদিন চলে যেতেন সেদিন আমার চোখ ভাসিয়ে দেয়া কান্না পেতো। আমার এখনো মনে আছে তখন আমি ক্লাস টুতে নানু যখন মাথায় হাত বুলাচ্ছে আমি মাথা নিচু করে কাদছি। কি যে সিন একটা! তা দেখে আমার আম্মু বলতো আমার এই ছেলেটা যে মায়ার মানুষ হবে!

নানুর সাথে পাল্লা দিয়ে আসতো বছরে একবার বা দুই বছরে একবার খালু, কাক্কু, বড় মামা। বড় মামার জন্য ওতো মন খারাপ হতো না। কিন্তু খালু আর কাক্কুর জন্য খুব মন খারাপ হতো। চলে যাওয়ার পর অনেক সন্ধ্যা জুড়ে আমি বারান্দার দিকে তাকিয়ে থাকতাম আবার কবে আসে। কারন এই দুই ভদ্রলোকই আমাকে অসম্ভব আদর করতো। বাইরের হাবিজাবি যত খাবার খেতে চাইছি সব খাওয়াতো। তখন ক্রিকেট নিয়ে আমার খুব উন্মাদনা তাই ক্রীড়ালোক কিনে দেয়া আরো কত কিছু। মনে হতো স্কুলে যাওয়া বাদ দিয়ে ঘুরি সারাদিন। কিন্তু এই সামান্য সময় চলে যেতো দ্রুত। বছরের পর বছর জুড়ে আমার আর ভাইয়ার বেড়ে উঠা। তখন মনে হতো দরকার নাই ওতো আত্মীয় স্ব্জনের আদরের আমি আমার বন্ধু বান্ধব নিয়েই ভালো আছি। বড় হবার পর থেকে এই ভাবনা আরো বেশী করে মনে আসে। মনে হয় এই জীবনে বন্ধুর বাইরে আর কে আছে। কিন্তু মেট্ট্রিক ইন্টারে যা হয় অনেক বন্ধু থাকে আমারো তাই। আমার মনে আছে আমরা ২৫-২৬ জন একত্রে কলোনীতে খেলতাম আড্ডা মারতাম। একদিন আম্মু যদি বেশী সময় বাসায় রাখলো তখন শুধু মনে হতো হয়তো এই কষ্টেই মরে যাবো। নামায পড়ার উসিলায় রাতে বের হয়ে যে কত মার খাইছি তার হিসাব নাই। দোস্ত বলতেই তখন দিওয়ানা। আমরা খেলা আড্ডার মধ্যমনি। আমাকে যে বাদ দিতে চাইতো বা ইগনোর করতো তখন মনে হতো ওর চেয়ে খারাপ শত্রু আর জগতে নাই। কলেজে ভর্তি নিয়া বন্ধুদের প্রথম ব্রেক শুরু। কমার্স কলেজে চান্স পাওয়া সত্তেও আমি নেভী কলেজে পড়ছি তার মুলেও বন্ধুত্ব। কিন্তু এরপর থেকে রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ড খালি কমছেই। কমতে কমতে ৬-৭ জন রেখে আমি ঢাকায় আসলাম ফ্যামিলীর সাথে। ঢাকায় এসে আমার কি যে মন খারাপ লাগতো। এরকম মন খারাপ আমার জীবনে লাগে নাই। ভাইয়াই শুধু বুঝতো আমার সেই বন্ধুহীন জীবনের কষ্ট। এক সেমিস্টার পরেই আমার ব্যাপক বন্ধুর সার্কেল। সারাদিন হই হই করে ঘুরে বেড়াই। কিন্তু প্রাইভেট ইউনিতে যা হয়। হুট করেই সব উদাও হয়ে যায়। তিনজন বিদেশে পড়তে চলে গেলো, দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলো বাকী থাকলাম আমি আর দুই জন। দিন যেতে থাকলো এই দুইজন নিয়েই আরো সাতআটজন ফ্রেন্ড হয়ে গেলো ক্লাসে। ভার্সিটির দিন শেষ হয়ে গেলো বন্ধুরাও হারিয়ে গেলো। এখন খালি পারস্পারিক খবর আদান প্রদানই আমাদের বন্ধুদের একমাত্র এক্টিভিটি। চায়ের দোকানে পুলক, আদনান, শান্ত ভাই আর ছোটো কয়েকজন ভাই নিয়েই সার্কেল। কয়দিন পরেও হয়তো এরাও থাকবে এর আলামত স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি! দেখা যাক কী হয়।

তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে যে ছয় সাতজন বন্ধুকে আমি চিটাগাংয়ে রেখে আসছিলাম তারা এখনো সবাই আমার অসাধারন বন্ধু। এদের ভেতরে একজন আমার দুই সেমিস্টার পরে আমার কারনেই একি ভার্সিটিতে বিবিএতে ভর্তি হয়। আর বাকীরা কেউ চিটাগাং ইউনি, কেউ চুয়েট কেউ আইয়াইইউসি, কেউবা বিজিসি ট্রাস্টে। দূরত্বের কারনে সাধারনত বন্ধুত্বে ভাটা পড়ে কিন্তু আমাদের বেড়েছে। আমি চিটাগাং গেলে তারা সব টিউশনী, ক্লাস কাজ বাদ দিয়ে আমার পেছনে সময় দেয়। আর ওরা ঢাকাতে আসলে চেষ্টা করতাম সব সময় আমার বাসায় রাখার। এক সাথে থেকে খেয়ে দারুন আড্ডা হয়। আগে যখন ফ্যামিলী বাসা ছিলো তখন তো খাওয়া দাওয়ার টেনশন ছিলো না ওতো, আম্মুকে বলে দিতাম, আম্মু ব্যাপক আয়োজন করতো। আব্বু এসে বলতো এতো বন্ধু কেনো আসে বাসায়? এতো পিরীতি কিসের? কিন্তু এইসব কথা আমি পাত্তাই দেই নাই। বন্ধু আসছে সায়দাবাদ থেকে রিসিভ করছি, বন্ধু আসছে ভোর বেলা কমলাপুর চলে গেছি, একটা কাজ দিছে নিজের সময় নষ্ট করে তার ব্যবস্থা করছি। এই কারনে তারা সবাই আমারে অসম্ভব ভালো পাওয়া শুরু করলো। ফোন দিলেই আবদার চিটাগাংয়ে আয় বা নোয়াখালী কুমিল্লা(তাদের বাড়ী) সেখানে আয়। আমিও গেছি চিটাগাংয়ে সমানে। মন খারাপ হলেই, একটু অবষাদ লাগলেই চিটাগাং। কোনো ছুটি বা অনেকে আসবে এই ভেবে না। জানি গেলে আমরা পাচ ছয়জন থাকবেই। তারাও আমাকে সেই স্টেশন কিংবা অলংকার থেকে রিসিভ করতো। পালাক্রমে সবার বাসায় দাওয়াত খেয়ে, হয় হুল্লোর করে সময় পেরুতো। কোনো তুলনা চলে না এই ভালোবাসার। নেভী হাসপাতাল গেইট থেকে বাসে উঠতাম যখন বাস না ছাড়া পর্যন্ত সীওফ করতো। মন খারাপে মনে হতো বারবার কেনো যাই ঢাকাই। এই সমুদ্র এই বন্ধুদের ভালোবাসা আর কোথায় পাবো? ফোনো কথা হয় না ওতো এসেমেসেও যোগাযোগ কম তারপরও দুই শহরের পার্থক্যে এই যে বন্ধুত্ব তা ভাবতেই দারুন লাগে। কয়েক মাস পরে যখন দেখা হয় এতো কথা বলি প্রতিদিন যে গলা শুকিয়ে আসে কিন্তু কথা ফুরোয় না।

শুক্রবার জব ইন্টারভিউ থাকে নানান জায়গায় এই সুত্রে ওরাই আসে চিটাগাং থেকে। আমি চেষ্টা করি আতিথেয়তার। আমার অবস্থাও খুব বেশী ভালো না। একরুমের এক বাসায় থাকি। বাজার সদাইও ওতো ভালো না। তাও চেষ্টা করি নিজে যা পছন্দ করি সেভাবেই ট্রিট দিতে। কাজ কাম যাই থাকুক সময় দেই অফুরন্ত। সময় এই পরিমানে দিছি নানান জনকে। যে এইটা কথায় দাঁড়ায় গেছে যে ঢাকায় কেউ থাক না থাক আমি নাকি খুজে নিয়েই তাদের পেয়ে যাবো একবার শুনলেই। এই সব প্রশংসায় খুব মুগ্ধ হই। গতবার যখন আবীর চিটাগাং যাচ্ছিলো। যে মন খারাপে চোখ দিয়ে অযথাই পানি আসছে তা দেখে আবীর বলছিলো শান্তর চেয়ে ভালো মানুষ আমার দুনিয়ায় বিরল। যদিও প্রশংসা শুনতে ভালো লাগে না তাও এই প্রশংসায় কেনো জানি তৃপ্তি পাইছিলাম। যে এত ভালোবাসা মাঠে মারা যায় নাই। এবারো যখন নেভীর শর্ট কোর্সে এক্সাম দিতে আসলো প্রাইভেসি বিসর্জন, নতুন কেনা বই পড়া, ক্লাস টাসের পড়াশুনা সব বাদ দিয়ে দুই বন্ধু নিয়েই মেতে থেকেছি। খুব বেশী টাকা পয়সা আমি পাই না মাসে। তাও প্রতিদিন চা সিগারেট খাওয়ানো, গ্রিল খাওয়ানো, নেহারী দিয়ে নাস্তা, কাদেরের চাপ নিজে যা পছন্দ করি সব খাওয়াইছি। যার ফলে আজ মাসের ৯ তারিখেই আমার টাকা প্রায় শেষের দিকে। তাও আমি সন্তষ্ট। এই সাত আট দিন জান প্রান দিয়ে চেষ্টা করছি যেনো ভালো একটা আতিথেয়তা দিতে পারি এবং আড্ডা গল্পে দারুন যাক সময়। তাই গেলো। আমার বন্ধু অঞ্জনের বিয়ে আজ। খুব রিকোয়েষ্ট করছে যাওয়ার। কিন্তু গেলামই না। কারন চিটাগাংয়ের দুই বন্ধুকে বাসায় রেখে বা চায়ের দোকানে বসিয়ে বিয়েতে মোজ মাস্তি করবো ওরকম ছেলে আমি না। তিন বন্ধু মিলে আজ সন্ধ্যা পিয়াজু ছোলা মুড়ির মিক্সার খাইছি আর চায়ের দোকানের আড্ডা মারছি তাতেই আনন্দের শেষ নাই। পান্থপথে যখন বাসে উঠিয়ে দিয়ে আসলাম। তখন পুলক ফোন দিয়ে বললো ভাই মোহাম্মদপুরে ককটেইল ফুটতেছে সাবধানে আইসেন। কিসের ককটেইল কিসের কি? আমার মনে খালি এক রাশ মন খারাপ আর ভাবছিলাম চলে গেলো বন্ধুরা আবার কবে না কবে আসে? খুব জোড়াজুড়ি করলো চিটাগাং যাবার। গেলাম না ইচ্ছা করেই। তবে যেদিন চাকরী পাবো নিজের টাকা থাকবে তখন প্রতি সপ্তাহে আমি যাবো কারন এর চেয়ে ভালো শহর আর আমার বন্ধু ভাগ্যের স্বর্গ থাকার যে আনন্দ তার সাথে ঢাকা শহরের এই আল্ট্রা মর্ডান হ্যাং আউট পার্টি আড্ডাবাজী এই সবের কোনো তুলনাই চলে না!

এই অগাছালো ব্যাক্তিগত প্যাচাল সুলভ পোষ্ট নিবেদন করলাম বন্ধু সামিয়াকে। সুখে থাকো, সুখী হও! এক্সামের মওসুম ভালো কাটুক! জয় বাংলা।

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

একজন মায়াবতী's picture


ফার্স্ট কমেন্ট Laughing out loud
বন্ধুত্ব অটুট থাকুক। বন্ধু ভাগ্য সবার হয় না। যেমন আমার নাই Sad অনেক বন্ধু হয়ত আসছে, আবার সময়ের সাথে চলেও গেছে। যে যার কাজে ব্যস্ত। আবার কারো কারো সাথে আমিই আর যোগাযোগ রাখি নাই।

দিনলিপিও চলতে থাকুক। তোমার মত এমন দিনলিপি লেখা সোজা না। 'সহজ কথা যায় না বলা সহজে'। সারাদিনে কথা বলতে গেলে কত চিন্তা করা লাগে!! এরে এইটা বলবো? তারে ঐটা বলা যাবে না! বাসার মানুষের সাথেও চিন্তা করে কথা বলা লাগে। আব্বু-আম্মুর বয়স হইসে সব কথা বলা যায় না। ভাই-বোনরা নিজেদের চাকরী-বাচ্চা-সংসার নিয়া ব্যস্ত। নানান প্যাচ Puzzled

তোমার প্যাচহীন, সোজাসাপ্টা, বন্ধুত্বে ভরা জীবন আরো ভালো আর সুন্দর কাটুক। অনেক ভালো চাকরী করো আর বাবা-মা, বন্ধুদের নিয়ে সুখে দিন কাটাও

পোস্টের নিবেদনের জন্য অনেক অনেক ধইন্যা পাতা

তানবীরা's picture


ভাই-বোনরা নিজেদের চাকরী-বাচ্চা-সংসার নিয়া ব্যস্ত। নানান প্যাচ

মানে কি!!!!!!! Shock Sad(

আরাফাত শান্ত's picture


Puzzled

আরাফাত শান্ত's picture


দোয়া কইরো। মন দিয়ে পড়ো সময় বেশী নাই আর!
দোয়া করি ড্রিম নিয়ে অনেক সুখী হও Party

shamseer's picture


ন্তর চেয়ে ভালো মানুষ দুনিয়ায় বিরল - কথাটা মনে হয় ঠিক Smile

আরাফাত শান্ত's picture


ঠিক না Shock

জ্যোতি's picture


সকালেই পড়েছি এই পোস্ট। তোমার পোস্ট পড়ে অনেকদিন পর হঠাৎ নানুকে মনে পড়ছে। কত স্মৃতি থাকে জমানো! আহারে! আরো কত কথা!
তুমি তো মায়ার মানুষই। লেখা পড়লেই বুঝা যায়। মায়ার মানুষ থেকো আজীবন। Smile

আরাফাত শান্ত's picture


দোয়া করবেন আপু। অনেক ভালো থাকেন!

তানবীরা's picture


তোমার প্যাচহীন, সোজাসাপ্টা, বন্ধুত্বে ভরা জীবন আরো ভালো আর সুন্দর কাটুক। অনেক ভালো চাকরী করো আর বাবা-মা, বন্ধুদের নিয়ে সুখে দিন কাটাও

১০

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কু আপু!

১১

Reza's picture


ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা

১২

আরাফাত শান্ত's picture


কোক

১৩

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


আমার মনে হয় বন্ধুত্বের সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হচ্ছে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা, শ্রদ্ধা এবং দায়িত্ববোধ! এর ভিতরে দেনা-পাওনা যোগ হলে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়!
বন্ধুর প্রতি তোমার ভালবাসা আর দায়িত্ববোধ মুগ্ধ হবার মত! আশা করি চিরটা কাল এমনই থাক তুমি! লেখা খুব ভাল লাগলো।

১৪

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস ভাই। ভালো থাকবেন। রিয়াসার জন্য অনেক শুভকামনা!

১৫

শওকত মাসুম's picture


বন্ধু ও বন্ধুত্ব টিকে থাকুক

১৬

আহমাদ মোস্তফা কামাল's picture


পড়তে পড়তে -

যেদিন চাকরী পাবো নিজের টাকা থাকবে তখন প্রতি সপ্তাহে আমি যাবো

- এই লাইনে এসে আটকে গেলাম। সবাই এরকম ভাবে, কেউ পারে না। তুমি অন্তত না-পারার দলভূক্ত হয়ো না।

১৭

আরাফাত শান্ত's picture


দেখা যাক কী হয়।
আপনারে নিয়মিত এই ঝিমানো ব্লগে দেখে খুশী লাগতেছে!

১৮

লীনা দিলরুবা's picture


শান্তর চেয়ে ভালো মানুষ আমার দুনিয়ায় বিরল।

১৯

আরাফাত শান্ত's picture


আপ্নাগো এতো ভালুবাসা স্নেহ পাওয়াই সব চাইতে বড় জিনিস। অনেক ভালো মানুষই তা পায় না!

২০

কুহেলিকা's picture


ভাই দিলেন তো খুচিয়ে পুরনো বন্ধুদের কথা মনে করিয়ে! খুব নস্টালজিক হয়ে পড়েছি লেখাটি পড়ে।

২১

আরাফাত শান্ত's picture


সরি ভাই Sad

২২

নুর ফয়জুর রেজা's picture


উপরের ধইন্ন্যাপাতাগুলা আমি দিছি।

২৩

আরাফাত শান্ত's picture


Laughing out loud
থ্যাঙ্কু ফ্রেন্ড!

২৪

বন্ধু কুটির's picture


বন্ধুত্ত এর শুধু বয়স না আরো কনেক কিছু আছে।
বন্ধু মানে বলতে আমরা যা বুঝি
হোক সে ছেলে অথবা মেয়ে
বড় অথবা ছোট
কানা অথবা অন্ধ
চালাক অথবা চতুর
তবুয় তো সে ফ্রেন্ড

২৫

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


আপনার বন্ধুদের বন্ধুভাগ্য অসাধারণ।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!