ইউজার লগইন

ইমোশনাল এটাচমেন্ট!

মন মেজাজ খুব ভালো না। বন্ধু সামিয়া কইলো আমার নাকি বাতাস লাগছে মন খারাপের। আসলেই হয়তো তাই নয়তো বেহুদা মন খারাপের কোনো কারন নাই। তবে ভোরের দিকে একটা ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে মেজাজ খারাপ হলো। স্বপ্ন দেখার পর থেকে ঘুম আসছিলো না। খালি ছটফট করতে ছিলাম। তবে এইটা একটা সত্যি কথা যে একটু মন খারাপ, অবসাদ গ্রস্থ বিলাসি দিনকালই আমার বেশি যায় যাপিত জীবনে। পুরানো ডায়রীর পাতায় যখনি লেখা গুলো পড়ি দেখি যখনি মন খারাপ থাকতো তখনি পাতার পর পাতার খালি লিখছি। কিন্তু মন ভালোর তেমন অনেক কিছুই ঘটছে কিন্তু কিছুই লেখি নাই। মানুষই বোধ হয় এমন যে সুখের কথা মনেই রাখে না কিন্তু সামান্য কিছু দু;খের ঘটনা গুলো বারবার স্মৃতিতে আসে। আমার এই প্রবনতা বেশী আরো, ভালো আছি তাও কেনো জানি খালি বিষন্ন লাগে বারবার। আবার খুব যে বেশি বিষন্ন হই তাও না। মোহিত কামাল আগে টিভিতে বলে বেড়াতো বিষন্নতা একটা রোগ। আমি সেই রোগের ভালোই রোগী। আমার এক ইউনির বান্ধবী ছিলো রুপা। কোনো এক অজানা কারনে সে আমারে খুব পছন্দ করতো। আমিও বন্ধু সুলভ আচরনই করতাম। আমার এই বন্ধু সুলভতা দেখে সে আমারে কইছিলো তুমি মিয়া দুঃখু মিয়া মারকা ছেলে যা আমার একদম পছন্দ না। এই ধরনের দুঃখু মিয়ার সাথে কি কিছু করা যায়। আমি অট্টহাসি দিয়া বলছিলাম থ্যাঙ্কু বাচাইলা! আর মনে মনে বলছিলাম বয়েই গেছে। আমি অনেক ভালো আছি এই মন ভালো খারাপের দিনগুলো নিয়ে তাই একটু অবষাদ বিলাসী হতেই পারি!

তবে বন্ধু বান্ধবের ভিতরে আমি এই স্যাডিস্ট হয়ে বসে থাকাটা খুব অপছন্দ করি। আসছি আড্ডা মারতে খোশ গল্প করবো নানান কিছু শেয়ার করবো তাতেই আনন্দ। এসে ঝিম মেরে বসে থাকাটাও একদিক থেকে অন্যায়। কিন্তু নান্নুর চায়ের দোকানও ভাংছে, রাস্তার আর খালের ব্যাপক কাজ চলছে তাতে আমাদের চায়ের দোকানের সার্কেলের ঝিম মারা এক আড্ডা খানায় পরিনত হয়েছে। সবাই আসি কিন্তু তেমন কোনো কথাই হয় না। আমি ঝিম মেরে থাকি কারন নিজেরে ইদানিং খুব দিনহীন মানুষ মনে হয়। মনে হয় আমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না, হচ্ছেও না। তাও আমি চায়ের দোকানে বসলে এসব ভুলে থাকার চেষ্টা করি। সেই পুরানো ফর্মে ফিরে আসর মাতানোর ধান্দায় থাকি। কিন্তু পোলাপান সবার মুড অফ। এখন আলোচনা করি কার কি কারনে মুড অফ! এই পোষ্ট লেখার আগে আমি ফেসবুকে ভালো মতো দেখে নিছি যে কেউ আছে নাকি চায়ের দোকানের। যদি শেয়ার দেই তাহলে আবার আরেক জবাব দিহি!

আদনানের মুড অফ কারন আদনান আমার মতোই। আগেই কোনো এক পোস্টে বলছিলাম। ইএমবিএ করছে। চাকরীর খুব দরকার। ইন্টারভিউ দিচ্ছে কিন্তু হচ্ছে না। বান্ধবীকে বিয়ে করতে হবে। সময় এদিকে চলে যাচ্ছে। পাভেল আমার চেয়ে তিন বছরের জুনিয়র। আমার দেখা সব চেয়ে লজিক্যাল ও আমার চেয়ে ম্যাচিউরড। সে কোনো এই সব ইমোশন টিমোশনের ব্যাপারে নাই। তবে তার সমস্যা হইছে বলার মতো কথা খুজে পায় না। দেখা যায় আমি আর পাভেল বসে আছি। কোনো কথা নাই। আমি চা খাচ্ছি ও সিগারেট খাচ্ছে। টপিক একটা ধরায় দেয়ার পরে আলাপ হচ্ছে। তবে পাভেলের সাথে আমার ইদানিং শাহবাগ নিয়েই বেশী কথা হয়। তার বড় ভাই নোবেল চিটাগাংয়ে আর্কিটেক্ট সেখানে ছাগুরা কবে কি কয় তা নিয়ে হাসি ঠাট্টা। তবে আগে পাভেলের সাথে আমার কথা হয়তো বই নিয়ে। ওর প্রচুর বই পড়া তা নিয়েই খুটিয়ে প্রশ্ন করতাম। এখন আর সে অবকাশ হয় না। অনিকের কথা তো আগেই বলছিলাম। গ্যালাক্সি এস হারানোর শোক কাটিয়ে সে এখন নোকিয়া আশা চালায়। ভালো নাই হয়তো খুব একটা তাও হাসি খুশী। তবে সাংসারিক নানান টানা হেচড়ায় কেমন জানি বোরিং লাগে ওর সব কিছু। এসেই আমারে খুজবে আর পেলেই বলবে শান্ত ভাই চা খাওয়ান সিগারেট খাওয়ান। খাওয়াই দেদারসে। যে মেয়ের সাথে সে প্রেম করে তার মোবাইল নিয়ে নেয়া হইছে তাই মেয়ে কি করে জানি চিঠি লিখে পাঠায়। এই চিঠি পড়েই তার মুড অফ থাকে সারাদিন।

সব চেয়ে ইন্টারেস্টিং কেস সাইফের। সাইফ প্রেমিক পুরুষ। গায়ের রং কালো, হাইট কম নিয়েও যে প্রেম পিরিতের বাজার খারাপ না তা ওরে দেখলেই বুঝি। ব্র্যাকে বিবিএ করতেছে ৫ সেমিস্টার শেষ হবে। এর মধ্যেই সে তিনবার প্রেমে পড়ছে সম্পর্ক হইছে ব্রেক আপও। তরুন প্রজন্ম নিয়ে আমি চিন্তা করতে গেলে সাইফরে নিয়াই চিন্তা করি। মেটাল টেটালে আসক্ত এই ছেলে ইদানিং নতুন এক প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। এক মেয়েকে সে পছন্দ করে মেয়ে তার চেয়ে আড়াই ইঞ্চি লম্বা। সাইফ একটু ভুরিওয়ালা তাই লম্বু মোটু সিরিজ বলে আমি অনেক পচাই! মেয়ে সাইফরে খুব ভালো বন্ধু হিসেবে ফীল করে। সাইফও তাই। সমস্যা হলো মেয়ে তারও আগে থেকে এয়ার কমোডরের এক পোলার সাথে ইটিস পিটিস আছে। পোলাটা সাইফের ভাষ্যমতে রাম বলদ। আইসা খালি পাকিস্তানি ক্যাডেট কলেজে কিভাবে পালিয়ে পিতজা খেতো তার গল্প। কোথায় কোন বিফ স্টেকটা ভালো তা নিয়ে আলাপ এই সব নিয়েই পড়ে আছে। তবে এই বলদ নাকি লম্বুরে খালি বয়ান দিয়ে কাইত করে। লম্বু এই সমস্ত বয়ান সাইফরে দেয়। সাইফ আবার মেয়েরে খুব পছন্দ করে। বলদের বয়ান শুনে তার মনে হয় বলদটা সহজ সরল লম্বুরে বেহুদা ম্যানিপুলেট করতেছে। ক্রমাগত এদের গল্প শুনতে শুনতে আমার মনে হয় সাইফ লম্বুরে খুব পছন্দ করে সেই তুলনায় লম্বু আরো বেশী। কিন্তু কেউ কাউকে বলতেছে না। আমার ধারনা লম্বুর আশা সাইফ বলবে আর সে পাকিস্তানী বলদরে উস্ঠা মারবে। আর এদিকে সাইফের ভয় কোনো প্রেমই টেকে নাই তাই এখন এইসব প্রেম পীরিতির খেলায় আমি নাই। নিজে নিজে প্যারা খাবো। এর নাম সেলফ সেন্ট্রি প্যারা! একা একাই খায় আর লম্বুর সাথে এসেমেস বিনিময় করে!

সর্বশেষ ইমোশনাল এটাচমেন্টের কথা বলবো পুলকের। পুলকের কথা আমি বারবার বলি। কারন ওর ভেতরে যে সরলতা আছে তাতে মুগ্ধ হই বন্ধুতায়। পুলকের এক বন্ধু ছিলো নাম দিলাম কুমনা চৌধুরী। কুমনা পুলকের খুব ভালো বন্ধু। পুলক বলতে কুমনা অস্থির। বিপদে আপদে আড্ডায় অসুখে সুখে কুমনার ভরসা পুলক। কুমনা মডেল মানুষ। বিলবোর্ডে তার ছবি দেখা যায়। পুলক আর কুমনা অনেক সময় জুড়ে বন্ধু ভার্সিটির। আমি মানা করছিলাম পুলককে যে কুমনার সাথে কম মিশেন। পুলক শুনে নাই। ফাজলামি আড্ডার স্থল দিয়ে পুলকের মনে কুমনার জন্য বিশাল ভালোবাসার বাম্পার ফলন হইছে। যদিও কুমনার বয়ফ্রেন্ড সামরিক কর্মকর্তা। বিয়ে টিয়ে ঠিক হয়ে আছে। পুলকের সেই অসাধারন সরলতায় কুমনাকে জানালো ভালোবাসে। কুমনা হেসেই খুন গাধা বলে এড়িয়ে গেলো। তারপর ফোন ধরা বাদ দিলো। এখন পুলক এটাচমেন্টের উত্তেজনায় তীব্র মন খারাপ। বন্ধুও গেলো প্রেমও গেলো। সব হারিয়ে দিশেহারা। একটার পর একটা সিগারেট ধরায় আর খায়। কোনো কথা নাই। পুলকের অবস্থা দেখে আমারই খুব মন খারাপ। মোটা শরীর তাও চোখের নিচে কালি পড়তেছে কি একটা অবস্থা!

এইসব নানান কিছিমের ইমোশনাল এটাচমেন্ট দেখে আমিও খাই প্যারা। চায়ের দোকানে সেই প্রানখোলা আড্ডা নাই। এমনিতেই সকাল থেকে মেজাজ খারাপ তাই দিলাম এক হাটা। শিয়া মসজিদের ঢাল থেকে মিরপুর ১ পার হয়ে দুই চলে গেলাম হেটেই। বন্ধু হাসিনের বাসায় গেলাম। ওর বাসার ছাদটা আমার খুব পছন্দের ছায়া পড়ে। সেই ছায়া বসে থাকলাম। হাসিন আমার অবস্থা দেখে চিন্তিত। মামা তোমার কি হইছে এই বলতে বলতে ফেনা তুললো। আমি চা খেয়ে গল্প গুজব করে আবার দেড় ঘন্টা হেটে বাসায় আসলাম। আর লিখলাম এই পোস্ট। যদিও সকালে গৌতম দার বই নিয়ে লিখবো বলে ভাবছিলাম অর্ধেক লিখেই কারেন্ট গেলো। সেইভ করা নাই। আমি বের হয়ে গেলাম বাইরে। তবে বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে লিখতে গিয়েই আমি আজ এই শিক্ষা পাইলাম যে এইসব ইমোশনাল এটাচমেন্টে জড়ানোর কোনো মানে নাই। হুদেই সেন্ট্রিমেন্টাল হয়ে বসে থাকা আর দুনিয়া দারির ব্যাপারে একটা বোরিং ভাব আনা। এর চেয়ে আমি যা আছি তাই ভালো। বই পড়ি গান শুনি চা খাই আর বিষন্ন বিলাস করে বেড়াচ্ছি তাও মানা যায় কিন্তু এই ইমোশনাল এটাচমেন্টের কোনো পথেই আমি আর নাই। এইসবের ফ্যাসাদে পড়লে ঝিম মেরে বসে থাকা ছাড়া আর কোনো কাজ নাই। যা আমারে দিয়া পোষাবে না। কাল দুটা এতো ভালো খবর পাইলাম সেই হিসেবে খুব মন ভালো থাকার কথা হইছিলোও তাই। কিন্তু তাও মন খারাপ নিয়েই চলছে দিনকাল। এই অবষাদ নিয়েই আমার দিনগুলো ভালো যাক!

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

shamseer's picture


আহা জীবনের গল্প.......।

লীনা দিলরুবা's picture


এতো মন খারাপ যে হেঁটে দুনিয়া পার করে দিলা!

বন্ধুদের প্রেমের সম্পর্কগুলো এবং তোমার প্রেম নিয়ে কঠিন অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে, কোথাও বিভ্রান্তি আছে। সম্পর্ককে সহজভাবে নিতে পারলে তার ভার এতটা চেপে বসে না। সেটি যে সম্পর্কই হোক না কেন।

আরাফাত শান্ত's picture


আপু আমার কোনো সমস্যা নাই, ছিলোও না। সমস্যা হলো পোলাপানের। বেহুদা একটা কাজে জড়াবে তারপর আবেগাক্রান্ত রাত জেগে পড়াশুনা লাটে উঠবে আর চায়ের দোকানে ঝিম মেরে পরে থাকবে। এইটার কোনো মানে নাই। একটা মেয়ের জন্য এতো কষ্ট পাওয়ার কোনো যুক্তিতেই আমি মানি নাই তাই জানালাম।

লীনা দিলরুবা's picture


তাইলে কইতে হবে বয়সের দোষ Wink

আরাফাত শান্ত's picture


বয়সের দোষ সাথে চিন্তার দোষ।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


Sad

তানবীরা's picture


তোমার পোষট পড়তে পড়তে মনে হচছে ছেলেবেলায় ফিরে গেছিলাম Big smile এনজয়েড ইট ভেরি মাচ Big smile সর‌্যি তুমি যদি রাগ করো।

বাট শান্ত, তুমি যে হারে না না করছো, তাতে আমার মনে হচছে খুব তাড়াতাড়ি আমরা আবার অন্য ধরনের পোষট পড়তে পারবো। Wink Wink যদি তুমি তখন সময় পাও আর সত্যি কথা লেখো আর কি এখনের মতোই

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


Tongue

একজন মায়াবতী's picture


আমিও তাই বলসিলাম শান্ত ইদানিং প্রেম নিয়া এত টেনশিত কেনো? অবস্থাটা আসলে কি এরকম নাকি 'ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাই না'!! Tongue

১০

আরাফাত শান্ত's picture


কিছুই হবে না!

১১

আরাফাত শান্ত's picture


তেমন কিছু হবার কোনোই সম্ভাবনা নাই আপু। আর হলে অবশ্যই পোষ্টে তা পাবেন। কারন অনেক কিছুই পোষ্টে বলা হয় না কিন্তু যাপিন দিনকালে যা মনে থাকে তাই পোস্টে লিখে দেই। ভালো থাকবেন, শুভকামনা!

১২

জ্যোতি's picture


এই ছেলেটা সবাইকে নিয়ে ভাবে । সবার কথা লেখায় আনে । এইটা আমাকে মুগ্ধ করে । সম্পর্ক, বিষন্নতা নিয়ে আর কি বলব ! তবে বিষন্নতা কারো রোগ না হোক মনেপা্রাণে চাই ।
রোমান্টিক পোষ্ট সত্যি আসতেছে ? Smile

১৩

আরাফাত শান্ত's picture


লিখি আর কি। আপনারা পড়েন এতো যত্নে তাই লিখি। ভালো থাকেন। শুভকামনা!

১৪

কুহেলিকা's picture


জীবনে খালি প্যারা আর প্যারা। যাই হোক, ভাইয়া, আপনার পোস্ট পড়তে খুব ভালো লাগে। নেশাগ্রস্তের মত পড়ি। আশাkori প্রতিদিনই আমাদের এভাবে মোহগ্রস্ত করে রাখবেন।

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


অনেক অনেক ধন্যবাদ। অনেক ভালো থাকবেন। কমেন্ট পড়ে মুগ্ধ হলাম!

১৬

কুহেলিকা's picture


জীবনে খালি প্যারা আর প্যারা। যাই হোক, ভাইয়া, আপনার পোস্ট পড়তে খুব ভালো লাগে। নেশাগ্রস্তের মত পড়ি। আশাkori প্রতিদিনই আমাদের এভাবে মোহগ্রস্ত করে রাখবেন।

১৭

কুহেলিকা's picture


Shock

১৮

আরাফাত শান্ত's picture


Smile

১৯

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


ভাল লাগলো জীবনের গল্প। চলুক...
Smile

২০

আরাফাত শান্ত's picture


চলতেছেই তো। প্রতিটা দিনই তো পোষ্ট দেই Laughing out loud

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!