ইউজার লগইন

ফ্যানটাস্টিক ফ্রাইডে!

ফ্রাইডে আমার কাছে কখনোই খুব বেশী ফিল নিয়ে ধরা দেয় না। চাকরী বাকরী করি না তাই আমার কাছে শুক্রবার সাধারন দিনই। উলটা শুক্রবারের সকালটা আমার খুব পেইন লাগে। পত্রিকা পড়তে ইচ্ছা করে না, বাসায় ঘুমাতে ভালো লাগে না, বই পড়তে ইচ্ছা করে না। বেকুবের মতো বের হয়ে সকাল সকাল জনমানবহীন রাস্তা ঘাটে হাটি আর চায়ের দোকানে বসে থাকা। তারপর নামায পড়তে হবে আবার এই একটা গেঞ্জাম। ওয়াক্তের নামায আমি ঠিকঠাক ভাবেই পড়ার চেষ্টা করি কিন্তু জুম্মার নামায পড়তে আমার খুব আলসেমি লাগে। ছোটবেলায় বড় ভাইদের দেখতাম নামায না পড়ে গোল হয়ে বসে দোকানে আড্ডা মারতে, তখন দেখে মনে হতো এরা মনে হয় ধর্ম কর্ম মানে না! কিন্তু বড় হয়ে বুঝছি এই আড্ডার কি সুখ। তবে বেশীর ভাগ দিনই আমি জুম্মার নামাযে যাই, না পড়তে পারলে বাসায় যোহরের নামায পড়ি। আর যখন দেখি নামাযে যাবে না এরকম লোকের সংখ্যা পাচের মতো তখন বসে থাকি চায়ের দোকানেই। জুম্মার নামায মিস দেয়া নিসন্দেহে বড় গুনাহ কিন্তু কে আর চায় জমানো আড্ডা বাদ দিয়ে লোকজনের ঠাসাঠাসি পারা খেয়ে দু রাকাত নামাযে বাহাদুরি কামাতে। সবই শয়তানের কারসাজি। আমি দেখছি যেদিন আড্ডা হয় এমন সেদিন দুপুরের দিকেই এতো মজা লাগে যা অসংখ্য দিনে সচারচর লাগে না! আজ সেরকম হবার সম্ভাবনা ছিলো কিন্তু সম্ভাবনায় হাওয়া লাগায় নাই। মামীও দোকান বন্ধ করে দিছে তাই মসজিদে গেলাম। হুজুর ভয় পাইছে। দেখলাম গত দুই সপ্তাহ যে নাস্তিক মুরতাদ নিয়ে বয়ান ছিলো তা সরে এসে এখন ইসলাম কতটুকু মানলাম আর কতোটুকু মানলাম না তা নিয়ে বলে শেষে মসজিদের পাচ তলার কাজ নিয়ে টাকা পয়সা কেমন খরচা হবে তা নিয়ে দান খয়রাতের ব্যাপার স্যাপারের দিকে চলে গেলেন। আজ যদিও আমি সকাল সকালেই বের হইছি। কালকের মন খারাপের ব্যাপার বিষিয়ে তুলছে। আজকেও বেরিয়ে মন খারাপ ছিলো। চায়ের দোকানে এসেই দেখি পুলক হাজির। রাতে ঘুমায় নাই। গত পোষ্টে যা বলছিলাম তাই। আড্ডা হলো। আমি নাস্তা করছি হোটেলে। যদিও হোটেলে নাস্তা করতে গিয়ে আমার ব্যাপক সুযোগ ব্যায় নিয়ে ভাবতে হইছে। শেষে পকেট খালি করে নাস্তাই করলাম।

মামার কাছে টাকা দেয়া আছে তা নেই না- ইচ্ছা করেই, নিলেই খরচ। এদিকে বাড়ী যাওয়ার প্ল্যান আছে। হরতাল আর সেকেন্ড মিডের গেঞ্জামে যাওয়া খালি পেছাচ্ছেই। এই শুক্রবারেই যাবো ভাবছিলাম কিন্তু আর যাওয়া হলো না। এদিকে আব্বু আম্মু যাবে আমার কাজিনের শ্বশুর বাড়ী তাই শনি রবি যাওয়া অফ। সোম থেকে হরতাল, বুধ বিষুদ ক্লাস হবে বাকী থাকে শুক্রবার। তাই আজ ফিক্সড করে ফেললাম শুক্রবারেই যাবো। টিকেট কাটি নাই দেখা যাক কিসে যাই! বাড়ীতে যাওয়া জরুরী। কোনো কাজে না এমনিতেই মেলা দিন হয়ে গেলো বাড়ীতে যাই নাই। এতো কাছে বাড়ী তাও এতো কম যাওয়ার কোনো মানেই হয় না। এর একটা কারন হতে পারে আমি বাড়ীতে গিয়ে ২ দিন থেকেই রওনা দিতে পারি না। মিনিমাম ৮-১০ দিন না থাকলে ভালো লাগে না। ৭ দিন থাকার পর থেকেই বাড়ীর উপরে বিরক্ত লাগা শুরু করে আর তারপর কম দিনের জন্য গেলে মনে হয় বেহুদা আসলাম। তাই দেখা যাক এবার কী হয়। পোষ্ট লেখা বন্ধ হবে না। কারন ব্লগ লেখাতেই শুরু লেখাতেই শেষ/ আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ। অনেক ঘটনা ঘটে সেলফ সেন্সরশীপে লেখা হয় না যদি তা লিখতে পারতাম দারুন হতো। আর রাস্তা ঘাটে প্রচুর মানুষ দেখি যাদের প্রতিটা কথা ঘটনার বিবরনী একটা ব্লগ পোস্টের মতো কিন্তু তারা ব্লগের ২৮ সীমানার ভেতরেও নাই! আমি লেখি এইটা একদিক দিয়ে আমার সৌভাগ্য আরেকদিক থেকে নিজের একটা জায়গা যেখানে আমি আমার মতো করেই লিখে যাই। কিছু মানুষ ভালোবেসে তা পড়ে!

আজ দুপুরে দাওয়াত। ফাহাদ চানখারপুলের নান্নায় খাওয়াবে। সকালে তা মনে করেই বের হলাম। কিন্ত চায়ের দোকানে বিল টিল দিয়ে দেখি পকেটে টাকা নাই। পুলক আছে এমনিতেই সেন্ট্রিমেন্টাল হয়ে তার কাছে কেমনি টাকা চাওয়া যায়। ভেবে টেবে একটা মেসেজ দিলাম। মেসেজ দেয়ার পাচ মিনিটের মাথাতেই পুলক টাকা দিলো। নামায শেষে যখন বিদায়ের বেলা পুলক আমার প্ল্যান শুনলো। আমি বললাম লেগুনা দিয়ে শ্যামলী ওখান থেকে বাস। পুলক দিলো আরো ১০০ টাকা বললো আপনি রিক্সা ভাড়া দিতে দিতে আমাকে রিক্সাশক্ত বানাইলেন এখন নিজেই টাকার অভাবে রিক্সা বাদ দিবেন। আরো ১০০ দিলো। আমিও টাকা নিয়ে রিক্সা পেলাম। রিক্সায় উঠেই চোখটা চিক চিক করছিলো। ভাবছিলাম কত ভালোবাসে মানুষ আমাকে। এর চেয়ে ধন্য জীবন আর কার হয়! রিক্সাওয়ালা চানখারপুল চিনে না। তাকে নির্দেশনা দিতে নিতে থাকলাম। সাত মসজিদ মাদ্রাসার ছাত্ররা বিশাল মিছিল নিয়ে পার হলো। লোকজন খুব ভয় পাইতেছিলো। কিন্তু আমি মোটেও না। কারন ছাত্ররা এতো নিরীহ ভংগিতে স্লোগান দিচ্ছিলো ভয় পাওয়ার কিছুই নাই। শুক্রবারের দুপুর রাস্তা তো না যেনো গড়ের মাঠ। সা সা করে রিক্সা চললো। পৌঁছে কোনো কথা বারতা নাই। আমি রেজা আর ফাহাদ মিলে দিলাম এক খানা। পাচ সাত মিনিটে বিরিয়ানী বোরহানী সব খতম। খেয়ে দেয়ে চা খেলাম আরেক হোটেলে। সেইখানে চা ১১ টাকা করে। আমি দিলাম বিল কিন্তু এই চায়ের জন্য ১৫ টাকাই যথেস্ট তিন কাপে। অতি বিস্বাদ। চা পানি খেয়ে গেলাম রেজার বন্ধু মাহফুজের ক্লাস মেটের হলে। একুশে হল। একুশে হল নাম শুনেই আমার খালি লীনা আপুর ভাইয়ের কথা মনে পড়লো। আমিও জানালাম শরীফ ভাই নিয়ে। বলার সাথেই পচানো স্টারট বুদ্ধিজীবিতে কত লিয়াজো হাবিজাবি নিয়ে প্যাচাল। তবে আমার খুব মজা লাগলো। এই ব্লগের পরিচয়ে আমার কাছে কত গুলান সম্পর্ক অনেক রিয়েল রিলেশনের চেয়েও হাজারগুনে আপন। সেই হলের পাচ তালায় উঠলাম। উঠে কারন ছাড়াই আড্ডা জমে গেলো। শাহবাগ, চিটাগাংয়ে জমির দাম, ব্যাবসার আইডিয়া, রেজার জবে ঢুকা, হলে টেবিল ফ্যান, ছাত্রলীগ দলের হাঙ্গামা সব নিয়ে শুনলাম। আড্ডা এতো দারুন ছিলো যে সময় ভুলেই গিয়েছিলাম। পাচ তলার বারান্দা থেকে এশিয়াটিক সোসাইটির পিছন সাইড দেখা যায়। পোলাপান মশকারী করে বোতল ঢিল মারে ওইদিক রাতের বেলা। পাশে এক ছেলে তামান্না ভাটিয়ার মুভি দেখে। তেলেগু সিনেমা। এইখান থেকে মেরে দেয়া হলো কলকাতার ছবি জানে মান। তামান্নাকে দেখলেই আমার খালি বন্ধু মুক্ত বয়ানের কথা মনে পড়ে। কি দিওয়ানাটাই ছিলো তামান্নার প্রতি! তবে কলকাতার ছবিটা এতোই নকল যে সিন টু সিন কপি। যাই হোক কি আর করা সন্ধ্যার দিকে বের হলাম হল থেকে। নামায পড়লাম সায়েন্স ফ্যাকাল্টীর মসজিদে। সেখানেই ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কবর। কবরের ফলকে লেখা ভাষা প্রেমী। এই ভাষাপ্রেমী শব্দটা আমার খুব মেজাজ খারাপ করলো। এখানে অন্য কোনো শব্দ ইউস করা যেতো। তবে একুশে হলের যে জিনিসটা ভালো সব বাংলায় আর ভাষা শহীদদের নামে। চোখে শান্তি লাগে। আমরা মুসলিম হলে পুকুর পাড়েও বসলাম। চা খেলাম, পিয়াজু ছোলা জিলাপি খেয়ে হাটতে হাটতে দোয়েলের এদিকে আসলাম দেখি রাজধানী বাস যায় কোনোরকম বিদায় নিয়ে না নিয়েই বাসে। চায়ের দোকান ফিরে দেখি সাইফের মন খারাপ সেই লম্বুর কারনে। তারে মেলা সময় সান্তনা দিলাম মনটা ভালো ছিলো বানীর তুবরী ছুটালাম। বড় অনিকের বাসা থেকে আত্মীয় দ্বারা ২০ হাজার টাকা চুরি হইছে সেখানেও বড় সান্তনা দিলাম। আমার বয়ান শুনে সবাই আহলাদিত। বয়ান বাজি করে বাসায়। ক্লান্ত স্রান্ত হয়ে পোষ্ট লেখা। মশা খুব বিরক্ত করে কি আর করার লিখতে তো হবেই। তার ভেতরে ফেসবুকে নানান জনের সাথে আলাপ তাতে লেখা কনসেন্ট্রেশন হারায় বারবার। তবে আজ এই আড্ডাবাজি খানাদানা করে মনটা খুব ভালো। সব মন খারাপ ভুলে গেছি। রিফ্রেশ লাগতেছে। যদিও খুব জলদি সেই বিষন্নতার ঘেরা দিনগুলোতেই থাকতে হবে। তাও খুব ভালো লাগছে! জীবনে এরকম অনেক গুলান ফ্যান্টাস্টিক ফ্রাইডে কাটাতে চাই!

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

একজন মায়াবতী's picture


ব্লগ লেখাতেই শুরু লেখাতেই শেষ/ আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ

ভালো বলছো।
চা ছোলা বিরিয়ানী, জিলাপী, বোরহানি সব একদিনে!! Stare

ফ্যান্টাস্টিক ফ্রাইডে আরো অনেক আসুক জীবনে।

আরাফাত শান্ত's picture


আমার জানামতে তুমিও তো সেই দিন ভালোই দাওয়াত টাওয়াত খাইলা। কিন্তু আমার মতো বেকুব কম আছে যে খেয়ে দেয়ে আবার তা নিয়ে পোষ্ট দেয়। থ্যাঙ্কস বন্ধু। ভালো থাকো অনেক!

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


অসংখ্য ফ্যান্টাস্টিক ফ্রাইডেতে ভরে থাক আপনার রোজকার জীবন।

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস বর্ন!

তানবীরা's picture


অসংখ্য ফ্যান্টাস্টিক ফ্রাইডেতে ভরে থাক আপনার রোজকার জীবন।

আরাফাত শান্ত's picture


অনেক সুপার সানডে আর স্যাটারডে আসুক আপনার পরবাসী জীবনে। দাওয়াত খেতে থাকেন সমানে!

তানবীরা's picture


তা যা বলেছো Tongue

আরাফাত শান্ত's picture


দেশে আইসা আমগোরে ডেইলী খাওয়ায়েন Tongue

কুহেলিকা's picture


ব্লগ লেখাতেই শুরু লেখাতেই শেষ/ আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ Smile

১০

আরাফাত শান্ত's picture


Smile
ভালো থাকেন। অনেক শুভকামনা!

১১

কুহেলিকা's picture


ব্লগ লেখাতেই শুরু লেখাতেই শেষ/ আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ Smile

১২

জেবীন's picture


বেহুদা বিষন্নতারে তাড়ানোর জন্যে দৌড়ায়া দিনপার করা চেয়ে ওরে একদমই না দেখা করে সাথেই রাখলে, সেটা ত্যাক্ত হয়ে আপ্নাতেই মিলায়ে যাবে - এইটা নিজ থেকে বললাম Wink

অনেককিছু না পাওয়ার মাঝেও যে নিজে আনন্দে থাকতে জানো, এইটাই অনেক - ভাগ্যবান শান্ত

১৩

আরাফাত শান্ত's picture


অনেক কষ্ট করে কমেন্ট খান করছেন তার খবর গতকালকেই পাইলাম। লেইখেন এই ব্লগটায় আর তা না করলে নিয়মিত কমেন্ট কইরেন। আমরা আমরাই যদি না থাকি ব্লগে চলবে কেমনি? দিন ভালো যাক!

১৪

শাপলা's picture


আহা!!! ঘরে ঘরে যদি এমন ফ্যান্টাসটিক ফ্রাই ডে হত!!!!

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


আপনার দিনকাল আরো ভালো যাক। বিষন্নতা কমান!

১৬

জ্যোতি's picture


দারুণ দিন কাটাইলা। কতদিন এমন একটা দিন কাটাই না বন্ধুদের সাথে !Sad এমন দিন তোমার জীবনে বারবার আসুক। রোজ তো আর আসবে না, তাইলে তো আলাদা করে সুখের একটা দিন হবে না। Smile
তুমি কত ভালো, নিয়মিত নামাজ পড়। আমি ধরি, আবার অনিয়মিত হই। অথচ যখন নামাজ পড়ি মনটা যে কি পরিমাণ শান্ত থাকে!!
এখন বাড়ি গেলেই ভালো ছিলো। আমি কাল যাব, তাইলে তোমাকে বলতাম আমাদের বাড়িতে আস। কাছাকাছি তো, তাই।
ভালো থাক, ভালো কাটুক জীবন। ভালোবাসায় কাটুক। Smile

১৭

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস আপু। প্রতিটা পোস্টে আপনার এই অনুপ্রেরনায় মুগ্ধ হই।
সাবধানে বাড়িতে যান। অনেক ভালো থাকেন। অনেক অনেক শুভকামনা!

১৮

নুর ফয়জুর রেজা's picture


তেলেগু পার্টটা আরও লিখতা !! Crazy

১৯

আরাফাত শান্ত's picture


হ আরেকটু লিখতে পারলে ভালো লাগতো

২০

লীনা দিলরুবা's picture


কি মজার শুক্রবার। যা খুশি তা করা যায়। চাইলেই অনেককেই তা পারে, কিন্তু শান্তর মতো চমৎকার মন-তো সবার নয়। শান্ত মানে শুভ্র একটা খোলা পাতা।

২১

আরাফাত শান্ত's picture


ওরে বাবা ভয় পাইছি। যা কইছেন তাতেই কাজ হইছে Tongue
আপনার দিন গুলো আমার চাইতে দারুন যাক। হয়তো যাবেও তাই। কিন্তু আমার মতো তা পোস্টে আর কয়জন তা লিখে বেড়ায়, দুনিয়ার মাইনষেরে তা জানায়। সাত সকাল সকাল আপনেরে ব্লগে দেইখা শান্তি পাইলাম। জয় বাংলা!

২২

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


কি ফ্যান্টাস্টিক ফ্রাইডে তোমার, সেই সাথে মজার মজার খাবার সাবার! Big smile

আমার ফ্রাইডে হল অফিস ডে, সাটারডেটা ফ্যান্টাস্টিক!
মেয়ের সাথেই কাটে সারাদিন। সেদিন তার সবকিছুই বাবাকে করতে হবে-স্কুলে নেয়া, গোসল করানো, খাওয়ানো, ঘুম পড়ানো! Smile

২৩

আরাফাত শান্ত's picture


দারুন। রিয়াসা দারুন একটা বাবা পাইছে Big smile

ভালো থাকেন ভাইয়া। ভাবী মেয়ে নিয়ে দারুন যাক দিন!

২৪

শওকত মাসুম's picture


পোস্ট পড়েই ক্ষুধা লাগছে। বরাবরের মতো উপাদেয় পোস্ট

২৫

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস ভাইয়া। সুখে থাকেন দারুন!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!