ইউজার লগইন

মনের অতল গভীরে জলের গান!

চারিদিকে অশান্তি আর অশান্তির রাজ্য। পারসোনালী অনেকের মনে হয়তো শান্তি থাকতে পারে কিন্তু আমি কারো মুখেই শান্তির ছবি দেখি না। এক ফোটা সস্তিও নাই কারো ভিতরে। অনেক আগে মানুষ মুখে শুনতাম শান্তির মা মইরা গেছে। এখন দেখি শান্তির মা বাপ তো দূরে থাক, জেনারেশন সহই এখন গায়েব। আগামী দিন গুলোতে মানুষ শান্তির নামও কেউ মনেও রাখবেনা। এমনিতেই আমি নিজেই বিষন্ন বিলাসে আক্রান্ত থাকি সব সময়। এখন চারিপাশে মানুষদের দেখি এতো বেশী অস্থির আর অশান্তির বেদনাক্লিষ্ট মুখ অবাক হই। যদিও আমরা সবাই যে যেভাবেই থাকি নিজেরে সুখী প্রমান করতে ভালোবাসি। জাতি হিসেবেই এইটা আমাদের একটা বিশাল গুন। এই গুনের বিপরীতে আমার অবস্থান। কারন নিজেরে সুখী প্রমান করার ভেতরে কোনো সস্তি নাই। এইটা এক ধরনের ফাকি। এইসব ফাকিবাজী জীবন ফিলোসোফী আমার ধাতে সয় না। আমার ভালো লাগতেছে না তা আমি জানাবো সাহস করে। এই সাহসই যদি না থাকে তাহলে বেচে লাভ কি? কারো মন রক্ষার জন্য ভালো থাকার অভিনয় করতে আমার ভালো লাগে না। প্রতিদিন আম্মু যখন ফোন দেয় জিগেষ করে কেমন আছোস? আমি বলে উঠি আগের মতোই। খুব বেশী ভালো থাকার কিছু নাই। সুস্থ আছি খেয়ে পড়ে আপনাদের দয়ায় বেচে আছি এইটাই। আম্মু এইটা শুনে হতাশা পোষন করে খুব। তোর আর ভালোলাগেনা ভাল্লাগেনা রোগটা গেলো না। আসলেই ইদানিং আমার ভালো লাগে না কোনো কিছুই। দারুন ইর্ষনীয় আয়েশী জীবন লিড করলেও আমার কেনো জানি কোনো কিছুতেই মন বসে না। হতে পারে এইটা এক ধরনের রোগ। আমি এক কালে হিজবুত তাহরীরের পোলাপানের সাথে ঊঠাবসা করতাম। ছেলেগুলা এমনিতেই দারুন। তাদের বড়লোকী লাইফ স্টাইল, সিগারেট খেতে খেতে খেলাফতের কথা বলা, ইসলামী রাস্ট্র ব্যাবস্থা নিয়ে বয়ান সত্যিই মজাদার। এরা সবাই ছিলো দারুন দারুন সব প্রাইভেট ইউনি আর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে থেকে পাশ করা। এদের অনেকেরই মেটাল আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড ছিলো। কোনো এক অজানা কারনে তারা সালাফীস্ট ইসলামী খিলাফতের কথা বলে বেড়াতো সেই আমলে। এরা অনেকেই খুব অল্প দিনেই আমার ভালো বন্ধু হয়ে যায়। আমাকে তারা বারবার বুঝাতো শান্ত ভাই আপনি এতো স্যাডিস্ট? দেখেন কত মানুষ ইরাক ফিলিস্তিনে কত কষ্টের জীবনে আছে আর আপনি নিজের ব্যাক্তিগত হতাশা নিয়েই পড়ে থাকেন। আমি তখন বলতাম আমারে এই সব তাব্লীগী শুকরিয়া আদায় সিস্টেম শেখাবেন না। একজন লোকের পা নাই আমার পা আছে। আমি পা চালিয়ে হাটি অনেকে গাড়ীতে যায়। আমার স্বপ্ন পা হীন চলা না গাড়ীতে চলে কষ্ট কমানো। দুই তিন সপ্তাহ পড়েই তাদের সাথে মেশা ছেড়ে দেই। কারন এতো ইসলামের খেদমত করার মতো ছেলে আমি না। পাচ ওয়াক্ত নামায পড়ার চেষ্টা করি, মদ খাজা খাই না, কোনো খারাপ দিকে পা বাড়াই না এতোটুকু করেই বেশ আছি। ইসলামী রাষ্ট্র নির্মান করার দ্বায়িত্ব নিতে পারবো না আর। ছেড়ে দিলেও মোহাম্মদপুর থাকার কারনে সবার সাথেই দেখা হতো। হিজবুত তাহরীরের পোলাপান নিয়ম বছরে করে চার পাচ মাস জেল খাটে। জেলে থাকার অবর্ননীয় যন্ত্রনাতেও তারা হাসি ভুলে না। বিয়ে শাদী করে সন্তানও পয়দা করে কি সুখের জীবন। বাপ ঘরে থেকে বের করে দিছে তাতেও হু কেয়ারস? তাদের কাছে জীবনের এই অদ্ভুত ব্যাপারটা দেখছিলাম যে একটা ভ্রান্ত আদর্শে এরা কতো একাট্টা কতো ডিভোটেড। শালার জীবন কোনো আদর্শই নাই আছে খালি সকাল সন্ধ্যার বিষন্নতা। তাও ভালোই আছি নিজের মতো বিষন্নতা উদযাপন করতে পেরে!

হরতালের সকালটা খুব শান্ত সিস্ট থাকে। শুধু বসিলা গার্ডেন সিটি বা চন্দ্রিমা হাউনিংয়ের টাকায় প্রাপ্ত আদাবর থানার টহল গাড়ীগুলা প্যা পু করতে করতে যায়। রাস্তা শুনশান নীরব। একটা রিক্সাও নাই। এই ফাকা নিস্তব্ধ ভোর আমার খুব ভালো লাগে। তাই আমি সকালে হাটতে বের হই। সকালে হাটা আমার ওতো জরুরী না। এমনিতেই আমি প্রচুর হাটি। বাসা থেকে চায়ের দোকান ১৬-১৭ মিনিট লাগে। দিনে ছয় সাতবার সেই ১৭ মিনিট পথ হেটেই যাই। আগে রিক্সা ছাড়া চায়ের দোকানে গেলে মনে হতো গরীব হয়ে গেলো। এখন দেখি ৫০-৬০টাকা রিক্সা ভাড়া কতো সহজে বাচিয়ে ফেলি। আর লম্বা লম্বা হাটা তো চলেই মাঝে সাজে। অনেকে হাটাটারে খুব কষ্টের কাজ মনে করে। আমিও তাই মনে করতাম আগে। হাটতাম তাও ভাবতাম ঠেলায় পড়ে হাটতেছি। মন ভালো লাগিয়ে ইঞ্জয় করতে করতে হাটি নাই। কিন্তু জীবনে প্রথম মৌসুমী ভৌমিকের যশোর রোড গানটা শুনি তখন এতোই বেশী আবেগে পড়লাম মনে হতো আমি আমার সেই রক্ত নিয়ে বয়ে চলছি যারা হেটে হেটে খেয়ে না খেয়ে শরনার্থী হয়ে জীবন বাচানোর আশায় ভিটে মাটি ছেড়েছিলো। একটা নাটক দেখছিলাম ইরেশ তিশার। ইরেশ তিশা এক ভ্রমনে বের হইছে। দেখে এক লোক চিড়া গুড় খায় আর পথ হাটে। নাটকের শুরু থেকে শেষ অবধি দেখা যায় ইরেশদের ধনিক জীবন মানুষদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে পথ গাড়ীতে করে যাচ্ছে। আর সেই মানুষটা হাটছেই তো হাটছেই খালি গায়ে খালি পায়ে। নাটক শেষে দর্শক জানতে পারে তার মায়ের জন্য তার এই হাটা। তার মা মারা গেছে কিছুদিন আগে। সে আসলে চেষ্টা করতেছে বর্ডার পার হবার জন্য দিনের পর দিন শুধু শুকনা চিড়া আর পানি খেয়ে আর হেটে দিন পার করা যায়। এই অতি সাধারন সস্তা সেন্ট্রিমেন্ট্রের নাটকটা আমাকে খুব নাড়িয়ে গেছিলো। প্রতিটা গরমের দিনে আমি যখন হাটি শুন্য পকেটে তখন খালি মনে হয় এতো কিছুই না। কতো নিরাপদ হাটা। এর চেয়ে হাজার কষ্টে মানুষ হেটে বেড়িয়েছে। আমি জীবনে এই হাটার অভ্যাসটা রাখতে চাই। কানে হেডফোন চলতে চাই অনেক পথ। আমার ভাইয়ার এক পাল বন্ধু খুলনা থেকে হেটে ঢাকায় আসছিলো। খুব মনে চায় ইস যদি তাদের মতো দল বেধে হাটতে পারতাম। আমি আগে মনে করতাম আমি মনে হয় হাটি শুধু। আমার বন্ধু জেমস দাস যাকে আমি জেডি বলে ডাকি। সে সমানে মিরপুর ১ ব্লক সি থেকে ধানমন্ডি ১৫ হেটে যায় হেটে আসে। কোনো ব্যাপারই না। শাহবাগের আন্দোলনে অনেকদিন ও শাহবাগে আসতো হেটে যাইতো হেটে। আমি রিক্সায় লিফট দিতাম। ও বলতো শান্ত ভাই রিক্সা অনেক বিলাসীতা। শুনলাম এখন হাটার জন্য সঙ্গে গামছা নিয়ে ঘুরে, ঘাম মুছবে বলে। আমি অবাক হই তার হাটার এই স্পিরিটে। হাটতেছে ঘামতছে আর গোল্ডলীফ চা খাইতেছে দ্যা পারফেক্ট জেডি। অনেক কাল আগে যায় যায়দিনে একজনের গল্প পড়ছিলাম। সেই গল্পের নায়ক বা লেখক নাকি মিরপুর ১৪ সাগরিক সিনেমা হল থেকে শাহবাগ পাব্লিক লাইব্রেরী আসতো বই পড়ার জন্য। এই জিনিসটা আমাকে খুব মুগ্ধ করতো। ২০০৮-০৯ সালের অনেক দিন আমি অনেক টাকা নিয়ে হাটছি শাহবাগ থেকে হাউজিং সোসাইটির ৭ য়ের বাসা অব্ধি। অনেকে বলবেন বাস আছে খামাখা হেটে যাওয়ার মানে কি। হেটে গেলে খুব টায়ারড লাগে। ঘামতে ঘামতে মনে হয় আমি বই জিনিসটাকে কত ফীল করি। আমাকে আজ পড়ে শেষ করে বাসায় যেতে হবে তার আগে না। খাওয়া ঘুম কিছুই আমাকে চিন্তায় ফেলবে না। তাই সকালে যখন হাটি মনে হয় দুনিয়াটা আমার। আমি এই দুনিয়ার বাদশাহ। হেটে হেটে নিজের রাজ্য দেখে বেড়াও। রাতে এতো দেরীতে ঘুমাই যে সকালে উঠতে অনেক কষ্ট। তাও কষ্ট টস্ট কোনো ঘটনা না। আজ আবার আমার এক আপু আসার কথা। আপু শ্যাওরাপাড়ায় থাকে। হরতালের দিনের ভোর। কিচ্ছু নাই রাস্তায়। রিক্সা যায় কয়েকটা। ভাড়া চায় ৮০ টাকা। পকেটেই আছে ৮০ টাকা মাত্র। একবার ভাবলাম যাই। পরে ভাবলাম ৮০ টাকা অনেক টাকা। ১৩ কাপ চা খাওয়া যাবে। অনেক পরে একটা রিক্সা পাইলাম ৬০ টাকায় রাজী হলো। গেলাম কিন্তু সেই ঐতিহাসিক মাসুম ভাইয়ের গাড়ি কাহিনীর মতোই। খুজে পাচ্ছি না। রিক্সা ছেড়ে খুজতে থাকলাম। দেখি আপু সামনেই। লেগুনা করে জিয়া উদ্যান গেলাম। হাটলাম ভালোই। আপুর সাথে অনেক কথা হলো। ফেরার সময় বিদায় দিবো উনি বললো বাসায় চলো। রিক্সা দিয়ে গেলাম বাসায়। ঝটপট দারুন নাস্তা খেয়ে লেগুনা করে বাসার দিকে আসলাম। আমার জীবনে খুব লাকী একটা ঘটনা। নিজের আপন বোন না থেকেও দারুন কয়েকজন আপু পাইছি। কি যে আদর করে তারা আমায় মুগ্ধ হই। আপু অত্যন্ত আনন্দিত কারন যে তেতুলের শরবত খেয়ে উনার ওজন কমতেছে। ওজন কম দেখলে যে মানুষের এতো আনন্দ পায় তা আমি আগে ভাবি নাই। আমি চিন্তা করলাম যদি কোনোদিন টাকা হয় তবে নষ্ট মেশিন নিয়ে বসবো। যেখানে ওজন কম দেখায়। মানুষের আনন্দই বড় কথা। ওজন কম বেশী দিয়ে কি হবে?

জলের গানের সিডিটা শেষমেষ কিনে ফেললাম। দারুন সব গান। এই অশান্তির দিন গুলোতে আপনার জন্য মিস্টি একটা মুগ্ধতা আনবে। আর ফেসবুকে দেখি সবাই জলের গান খুব পছন্দ করেই। এতেই বুঝা যায় আমরা আসলে সবাই খুব অশান্তির ভিতরে থাকি। তাই ফোক ধাচের অন্যরকম নাগরিক হাসি আনন্দ বেদনার গান গুলো আমাদের সবাইকে মোহাবিষ্ট করে। কোন গানের কথা বলবো সব গানই অসাধারন। পাতার গান, বৃষ্টির গান, উড়ছি কেন?, এমন যদি হতো, বকুল ফুল, কাগজের নৌকা সব গানই মাইন্ডব্লোয়িং। আমার কাছে জলের গানের ৮ টা গানের মোবাইলে রেকর্ড করা ভিডিও ছিলো। তা অসংখ্যবার শুনতে শুনতে লিরিক মুখস্থ। এখানে আর লিরিক্স শেয়ার করলাম না। আপনারা শুনলেই বুঝবেন। আর কোনো কারন ছাড়াই এর প্রেমে পড়বেন। তবে আমার কাছে সব চাইতে বেশী ভালো লাগছে আয়না গানটা। আনুশেহ আনাদিল আর রাহুলের গাওয়া। জটিল কম্পোজিশন অসাধারন কথা। এই গানটা প্রেমে ছেড়াবেড়া অবস্থা, সারাদিন শুনি

আয়না আয়না
এখানে তুমি আমি
প্রথমবার পরিচয়
এবার কাহিনী
নিঃশুন্য প্রথিবী
একা বসে আকি
একলার ছবি
আয় আয় আয় চাঁদ
জ্যোৎস্না আলোয় মাখা আধার কালো রাত
আয় আয় আয় চাঁদ
জ্যোৎস্না আলোয় ভেজা আধার কালো রাত
আয় আয় আয় চাঁদ
চন্দ্রমীর আলোয় মাখুক আধার কালো রাত।।

আয়না আয়না
হরেক রংয়ের বায়না
এটা চাই তো ওটা চাই না
কোনটা যে ঠিক তাও বুঝি না
মনের ভেতরে উড়াল পাখি
গান গায় নাকি সেও জানিনা

আয় আয় আয় চাঁদ
জ্যোৎস্না আলোয় মাখা আধার কালো রাত
আয় আয় আয় চাঁদ
জ্যোৎস্না আলোয় ভেজা আধার কালো রাত
আয় আয় আয় চাঁদ
চন্দ্রমীর আলোয় মাখুক আধার কালো রাত!!

http://jolergaan.bandcamp.com/track/aayna

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

হাসান রায়হান's picture


আমি তোমার রোজনামচা লেখার ফ্যান। পড়ে ইচ্ছা করে আমিও এমন লিখি।

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস ভাইয়া। আপনাকে ব্লগে পাইয়া খুব আনন্দিত লাগতেছে। ভালো থাকেন। শুভকামনা!

হাসান রায়হান's picture


আমি তোমার রোজনামচা লেখার ফ্যান। পড়ে ইচ্ছা করে আমিও এমন লিখি।

আরাফাত শান্ত's picture


অনেক অনেক ভালো থাকেন!

জেবীন's picture


বইমেলায় সবার লাইন দিয়ে ওজন মাপার কথা মনে পড়লো! Laughing out loud

অতল্প জলের গান - সিডিটা অফিসের একজনে দিলো, কথায় কথায় কেবল গানগুলোর কথা বলছিলাম, দুপুরেই দেখি সারপ্রাইজ গিফট! মজাই আলাদা লাগছে

আরাফাত শান্ত's picture


হ ভালো অফিসে কাজ করেন ভালো ভালো কলিগ নিয়ে ভালোই আছেন!

রায়েহাত শুভ's picture


তোমার লেখা অলওয়েজ ভালো লাগে...

আরাফাত শান্ত's picture


ধন্যবাদ ভাইয়া। প্রশংসা শুনতে কারনা ভালো লাগে!

পজিটিভ's picture


নাটকট দেখেছিলাম, খুব ভাল ছিল, কাল করে বড় বড় চোখের ছেলেটা।:)
জলের গান ডাউনলিডাইতে হইবে।

১০

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কু বস!

১১

টুটুল's picture


অনেক গুলো গান নিয়ে ছোট ছোট করে একটা লেখা দেও Smile

লেখার লগে সিডিও দিও Smile

১২

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


Tongue Laughing out loud

১৩

পারু রহমান's picture


লেখার সাথে সিডি ফ্রী নাকি শান্ত? তাইলে আমিও আছি লাইনে। হাজার হইলেও বাঙ্গালী মানুষ। ফ্রী কিছুর নাম শুনলেই চোখ চক চক করে উঠে Stare

১৪

আরাফাত শান্ত's picture


কখন লাগবে কইয়েন কিনা দিমু!
কলিজা টেস্টে ফেইল করতে আসি নাই!

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


আইচ্ছা দিবো নি সিডি।

১৬

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


বিষণ্ণতা ভীষণ বাজে একটা নেশা,
তবে এর মাদকতা টা মাঝে মাঝে ভালোই লাগে! Tongue

জলের গান নিয়ে লেখায় থ্যান্কুস। Smile

১৭

আরাফাত শান্ত's picture


ভালো বলছো।
লিখলাম আর কই? প্রতিটা গান ধরে লেখা উচিত ছিলো!

১৮

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


আমিও তো সেটাই চাইছিলাম/বলছিলাম। Stare

১৯

পারু রহমান's picture


আমি চিন্তা করলাম যদি কোনোদিন টাকা হয় তবে নষ্ট মেশিন নিয়ে বসবো। যেখানে ওজন কম দেখায়। মানুষের আনন্দই বড় কথা। ওজন কম বেশী দিয়ে কি হবে?".তোমার মেশিনে জীবনেও ওজন মাপতে যাবো না শান্ত Tongue

তোমার এই রোজনামচা পড়ার সময় মনে হয় আমিও লিখি। পরে ভাবি নাহ, শান্তর মত এতো বর্নিল জীবন তো আমার না, শান্তর টা পড়তেই ভাল লাগে বেশি Smile

২০

আরাফাত শান্ত's picture


আর বর্নিলতা নাইরে আপু খালি আছে বিষন্নতা
আগের মতো চাপ চুপ বিরিয়ানী খাইতে পারি না!

২১

তানবীরা's picture


বকুলফুল গানটা আমারো পছনদ Big smile

২২

আরাফাত শান্ত's picture


আমার কাছে একটা দুইটা বাদে সবই খুব পছন্দ। এতো দারুন এলবাম মেলা দিন শুনি নাই! সুমি আপুরে দিলাম আয়না গানটা। উনিও খুব ভালো পাইছে!

২৩

শওকত মাসুম's picture


শান্তর সেই গাড়ি খোঁজার কাহিনী নিয়া একটা পোস্ট লেখার ইচ্ছা ছিল

২৪

আরাফাত শান্ত's picture


লিখেন:)

২৫

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


দিনলিপি যথারীতি ভাল লাগলো। গানের লিংক দিলে আরও ভাল লাগত Smile

২৬

আরাফাত শান্ত's picture


অনলাইনে শুনতে পারবেন!
http://jolergaan.bandcamp.com/album/otol-joler-gaan

২৭

সুমি হোসেন's picture


ধন্যবাদ শান্ত, গান আর লেখা দুটোর জন্য!

২৮

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাংকস আপূ। নিয়মিত কমেন্ট করবেন! Smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!