ইউজার লগইন

অস্থির অস্বস্তিকর দিনকাল!

ইদানিং চায়ের দোকানের উপর থেকে আমার মন গেছে উঠে কিছুই আর ভালো লাগে না আর। এভাবে যে কখনো প্রিয় চায়ের দোকান থেকে মন উঠে যাবে তা ভাবতেই পারি নাই। মন উঠে যাবার কোনো কারন নাই। এমনি এমনি মনে হলো ঢের হয়েছে চা খাওয়া আর চাবাজ আড্ডা এখন একটু অন্য কিছু করা যাক। আরেকটা বড় কারন হলো দেখলাম সবাই নিজের জগত লইয়া চিন্তিত আর পেরেশান। আমি সব পেরেশানি ভুলে চায়ের দোকানে পড়ে থাকি তাদের সেই অবকাশ টুকুও নাই। আর পুলক কোর্টে যাওয়া শুরু করছে, আদনান যায় অফিসে তাহলে ঠেকে গেলাম নাকি আমি! এই ভাবনা ভাবতে ভাবতে মনে হলো ওদের সময়ে আমি থাকি আবার আমার বেলায় কেউ নাই। তারপর সবাই সব কাজ সেরে চায়ের দোকানে আড্ডা মারতে আসে আর আমি সব কাজ ভুলে চায়ের দোকানে পড়ে থাকি এর আসলে মানে হয় না। অবশ্য মানুষের চিন্তা ওতো বেশী যে করি তাও না কিন্তু নিজের থেকেই ভালো লাগছে না। নান্নু বাড়ীতে গেলো দোকান বন্ধ ছিলো তিন চার দিন। প্রতিদিন নিয়ম করে আসা হয় কিন্তু ভালো চা আর খেতে পারি না। তখন মনে হয়েছিলো এতোই ঠেকার ঠেকে গেছি যে বিশ মিনিট হেটে ঘামে ভিজে চায়ের দোকানে যাই আর দেখি ভালো চা নাই কেউ নাই। নান্নু অবশ্য বাড়ী থেকে এসে দোকান খুলছে। যাই না এমন না। কিন্তু কারো সাথেই কথা বলি না। চুপচাপ মোবাইল হাতে নিয়ে ১ কাপ চা খেয়ে বাসার দিকে হাটা দেই। সবাই অবশ্য জিগেষ করে পুলককে শান্ত ভাইয়ের কি হইছে? বদলে গেলো কেন? পুলক বানিয়ে বানিয়ে বলে নেয় এমনিতেই ভাই একটু ডাউন আছে!

পিসি স্লো মনিটর নষ্ট তাই ব্লগে আর লেখে হয় না। কতো কী ঘটে গেলে ব্লগে তা নিয়ে কিছুই লেখা হলো না। প্রিয় লেখক প্রিয় মানুষ কামাল ভাই পুরুস্কার পাওয়ার ঘোষনা পেয়ে মনে হলো সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে লিখে আসি একটা পোস্ট। ক্যাফেতে গেলাম যে পিসিতে বসলাম সেখানে অভ্র নাই। মেজাজটা হলো খারাপ। আমি আবার একধরনের ছেলে যে অন্যকিছুর সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না। আগে যখন সামুতে ছিলাম। তখন সামুর কিবোর্ড ছাড়া আর কোথাও বাংলা লিখতে পারি না। এমন অনেক দিন গেছে যে স্ট্যাটাস দিবো ফেসবুকে তা আগে সামুতে লিখে পড়ে কপি করে ছেড়ে দিচ্ছি। এখন অনেকেই বলে ইউনিজয়টা শিখে রাখতে পরে নাকি কাজে দেয়। কিন্তু অভ্র ফোনেটিক ছাড়া আমি আর কোনো টাইপই পারি না। এ এক ব্যার্থতা। তবে আমি একটা জিনিস পারি তা সবাই জানে তা হলো দ্রুত মোবাইলে লিখতে পারি। নোকিয়া কীপ্যাডে তো কথাই নাই এখন মায়াবী দিয়েও বড় কিছু না লিখতে পারলে মাঝারী যেকোনো লেখাই লিখে দেয়া যায়। আমার এই প্রতিভার দেখে অনেকে ভাবে আমি খুব টেকি। কিন্তু এই জিনিসটা পারি কারন বাংলা লেখার প্রতি ভালোবাসা। দীর্ঘ ভার্সিটি জীবনে বাংলা লেখা হয় না। সমবয়সী অনেক বন্ধুরা বাংলা লিখতে গেলে এখন অজস্র বানান ভুল করে। আমিও তেমন হাত চলে না বাংলা লিখতে গেলে। তাই পিসি কিংবা মোবাইলে বাংলা লিখে তার আপসোস মিটাই। ভাই ভাবী খুব বলে ফ্রেঞ্চ জার্মান বা অন্য কোনো ভাষা শিখতে। আমি মনে মনে বলে নেই আমার দ্বারা হবি নানে। কারন তথাকথিত যে দুইটা ভাষা জানার বাহাদুরি করি সেই দুইটাই ঠিকঠাক মতো পেরে উঠি না। অজস্র ভুল হয়। আমাদের এমবিএর এক টিচার বলেছিলো আমাকে যে আপনার হাতের লেখাও খারাপ। ইংলিশ সেনটেন্স স্ট্রাকচারও ভালো না। কিন্তু অনেক জানেন কিংবা আইডিয়া আছে তা কষ্ট করে পড়লে বুঝা যায়। এই কথাটা সবাই প্রশংসা সুলভ হিসেবেই নিবে। কিন্তু আমার খুব গ্লানি অনুভুত হয়েছিলো। মনে হয়েছিলো হাতের লেখার কোর্সে ভর্তি হয়ে মুক্তোর মতো লেখি সব কিছু। কিন্তু এই বয়সে তা আর হলো না। তাই মোবাইলে যখন লেখি তখন আসলে একটা জেদ কাজ করে সবাই যেইটা পারে না সেইটাই করবো। যাই হোক কামাল ভাইকে নিয়ে পোস্ট লেখার জন্য এক বন্ধুর বাসায় গিয়ে ল্যাপটপ আনলাম ধারে। তাতেও নেট কানেক্ট হয় না। কি যে বিপদ। টানা পাচ ছয়দিন পিসিতে বা ল্যাপটপে নেট ছাড়া জীবন। আমার অস্থিরতা দেখে মামাই চিন্তিত। কোনো এক ব্লগে মামাকে নিকোলাস কেইজের সাথে তুলনা করছিলাম সেইটা শুনে ভাইয়া কয়েকদিন আগে বলছিলো নিকোলাস কেইজ কেনো ব্রুস উইলসও হতে পারে। আসলেই মামা তো অসাধারন। অফিসে নিয়ে সবাই ফেইল মারলো ওল্লো কানেক্ট করতে। তখন মামা অনেক ভেবে আবিস্কার করলো পুরানো ল্যাপটপ তাই টাইম ঠিকঠাক মতো আপডেট হয় না। প্রতিবার নেট চালানোর আগে টাইম ঠিক করে ওল্লো কানেকশন দিলেই নেট পায়। আহ কি শান্তি। কতোদিন পরে মোবাইল ছাড়া নেট পাওয়া। তবে ল্যাপটপের সমস্যা হলো ল্যাপটপ খুব সপিস্টিকেটেড। পিসির মতো ইউজার ফ্রেন্ডলী না। আর পুরানা দিনের জিনিস তাই কারেন্ট গেলে চলে না। তবে তাতে আমার কোনো সমস্যা নাই। কারন কারেন্ট গেলে যে তিন চার মিনিট চলবে তাতেই আমি লেখা সেইভ করে শান্তি পাবো। আগের চেয়ে পেরেশানী দশগুন কমবে। এই এতো হট্টগোলের ভেতরে আর কামাল ভাইকে নিয়ে লেখা হলো না। তবে সামনে লিখবো। সময়তো শেষ হয়ে যাই নি। আমিও আছি ব্লগটাও আছে!

ভাইয়া ভাবী চলে গেলো আঠার তারিখে। এতো তাড়াহুরায় আসলো আর দিনগুলোও চলে গেলো যে কথাই হলো না ব্যাস্ততার চোটে। মাত্র চোদ্দ পনেরোদিন কিভাবে যে চলে গেলো নিজেই টের পেলাম না। ভেবেছিলাম ভাইয়া ভাবীর চলে যাওয়া নিয়ে পোস্ট লিখবো। তাও হলো না। কারন লেখে কি লাভ? খামাখা আবেগের জানান বারবার দেয়া। এই সব তো জানা কথাই তা ব্লগে জানানোর মানে নাই। তবে ভাইয়া ভাবী যেদিন চলে যাবে সেদিন সকাল থেকেই আমার সিরিয়াস মুড অফ। আব্বু আম্মু আসছে ভাবীদের বাসায়। এতো আয়োজন তাও ভালো লাগে না। বারবার খালি মনে হচ্ছে আবার কবে না কবে আসে তখন কি বেচে থাকবো? এরকমই বেকার ছাত্রের ট্যাগ নিয়ে ঘুরবো এই সব ভেবে টেবে মন উদাস। ইদানিং আমার বেহুদা নানান কিছু নিয়ে অযথা চিন্তা আসে। এগুলার কোনো মানে হয় না। এখনো জীবনে কতো কি করার বাকী তাও মনে হয় কিছুই হবে না আমাকে দিয়ে। আমার এক বান্ধবী আছে রুপা সে আমার সমন্ধে এক জিনিস আবিস্কার করছে যে আমি নাকি আজ অবধি নিজেকে নিয়ে একটা পজেটীভ কথাও কোনোদিন বলি নাই। সারাদিন খালি নাকি নিজের নেগেটিভ যতো অভ্যাস আছে তার বিস্তারিত ব্যাখায় থাকি। জানি না এর কারন কী! তবে ব্যাপারটা পীড়াদায়ক। কেউ যখন আমার সমন্ধে ভালো ভালো কথা বলে তখন খুব মেজাজ খারাপ হয়। মনে হয় ধুর আমি তো ভালো না। আবার কেউ খারাপ ধারনা পোষন করলে মনে হয় তার বাপ দাদার ফোরটিন জেনারেশনের কপাল যে আমার মতো মানুষের সাথে মিশতে পারলো। আসলেই এক ধাধার জীবন।

বিসিএসের ডেইট পড়ে গেলো সামনের মাসে। সবাই বলতেছে মন দিয়ে পড় হয়ে যাবে। আমি আসলে পড়তেই এখন ভালো লাগে না। আর ভাইবার জন্য কি পড়লে উপকার তারা কি ধরনের প্রশ্ন করবে তা পড়েই লাভ কি? নানান জায়গা থেকে বন্ধু ও বন্ধুর বাপেরা বলে শান্ত লাইন ধরো মন্ত্রীর কোনো। এবারের বিসিএস নাকি পুরো আমলা আর মন্ত্রীদের খেলা। আমি তো কোনো লাইন পাই না চেষ্টাও করি না। আমার এক বন্ধু চিটাগাংয়ের এক মন্ত্রীর লাইনের কথা বললো। কিন্তু ছয় লাখের মতো লাগবে। গ্যারান্টি নাকি দিবে। আমি চিন্তা করে দেখলাম বাপের পেনশন বেচার টাকা ভেঙ্গে এরকম তাফালিংয়ের কোনো মানে হয় না। তাই বিসিএস নিয়ে স্বপ্ন আছে কিন্তু তা দুরাশা! ভাইয়া ভাবী চলে যাবার পর থেকে আমার এই কয়দিন দিন গুলো যাইতেছে খুব অস্থিরতায়। একেতো তীব্র গরমে থাকি তারপর সারাটা দিন কেমন জানি অস্থির লাগে। ক্লাস অনেক গুলা মিস হলো। মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দিয়ে রেহাই পেলাম জরিমানার খড়গ থেকে তাও মনে হয় কিছুই ভালো লাগছে না। কেনো যে হাতী ঘোড়ার এমবিএ করছি! প্রশান্তির জন্য বই পড়তে যাই দেখি পাবলিক লাইব্রেরীতে ব্যাপক ভীড়। বসার জায়গা নাই। মেজাজ খারাপ হয়। শালার এতো এতো বই শেলফে সাজানো তা বাদ দিয়ে নাইন্টি পারসেন্ট ছেলেমেয়ে চাকরীর পড়া পড়ে। চাকরীর ম্যাথ, চাকরীর ইংরেজী, বিসিসের বাংলা, সাম্প্রতিক বিশ্ব সিটের মতো কেটে এনে তা হজম করে। কী জীবন শালার এই দেশের তরুনদের! চাকরের মতো সব চাকরী তার জন্যও পড়ো লাটভিয়ার রাজধানীর নাম কি? আর যাযাবর কার ছদ্যনাম? কমার্সের ছাত্র এখন চাকরী পাওয়ার জন্য পড়ো ডিফারেন্সিয়েশন, ম্যাট্রিক্স ক্যালকুলাস! আর ফিজিক্সে অনার্স করা ছেলেরা করো সুদকষার অংক! জায়গা না পেয়ে শেলফের পাশে যে ধুলার আস্তরন যে ফ্লোর তাতেই পা বিছিয়ে বসে পড়া। নতুন বাংলা বই হালারা কিনেই না। যা কিনে সব জাতির পিতা বিশ্ব নেতা টাইপের আকাঠ মুর্খ লেখকদের বই। বেশীর ভাগ পাঠ উপযোগী বাংলা বইই আমার পড়া তাও বারবার চোখ বুলানো। কিছু নাম মুখস্থ করে যাওয়া আর ওখানে গিয়ে খুজে না পাওয়া। পড়লাম আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের রচনাবলীর এক খন্ড। যার ভেতরে আবার আছে ভালোবাসার সাম্পান। যেই বই আমার আবার অনেক আগেই পড়া। তাও পড়লাম। ভালোবাসার সাম্পান পড়তেও আবার খারাপ লাগলো না। উনার লেখার ভেতরে একটা সহজাত মানবিকতার গন্ধ আছে যাতে ডুবে থাকা যায়। তবে সেই লেখায় উনার মজাহার নিয়ে বক্তব্য আমার ভালো লাগে নি আগেও। যেমন ভালো লাগে নাই আহমদ ছফা নিয়ে অভিমত। আহমদ ছফার প্রচুর সমালোচনা আমি খুব মন দিয়ে পড়ছি। কিন্তু উনার টিচার সুলভ মতামত আর ওভারওল সমাজতান্ত্রিকদের একটু খাটো করে দেখার প্রবনতা ভালো লাগে নাই। তবে বইটা দারুন। বইটা পড়ার পরে আমার আরো একটা বই নির্মলেন্দু গুনের লেখা তা পড়তে ইচ্ছা করতেছে পাচ্ছি না। আরেকটা বই পড়তাম তার আগেই লাগলো লাইব্রেরীতে গন্ডগোল। গন্ডগোলের কারন তার সহপাঠিনীর জন্য রাখা সিটে আরেক আগন্তুক বসছে তা নিয়ে বচসা সেখান থেকে চেচামেচি। মেজাজটা হলো খারাপ প্রশান্তির জন্য আসলাম আর পেলাম না সিট এখন শুনি চেচামেচি। কেউ থামাতে পারে না। এই চান্সে লোকজন হাসাহাসি তামাশা কতো কি করতেছে! উঠে গেলাম বাসে করে বাসায়। এসে দেখি বুয়া নাই। তাড়াতাড়ি গোসল করে না খেয়েই বেড়িয়ে গেলাম আরেক কাজে। বর্ষা নামলো গরম একটূ কমলো কিন্তু আবার সেই গরমেরই ফেরত আসা। প্রশান্তি বা সস্তি কিছুই নাই। ভাইয়া ভাবীর জেটল্যাগ কাটে নাই। আমারো তাদের হুট সফরে কতো কি করা গেলো না কতো কি বলা গেলো না তা নিয়ে হা পিত্যেশ কাটে নাই!

এই পোস্ট নিবেদন করলাম ব্লগার টোকাই কে। উনার লেখা পড়তে শান্তি পাই!

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


কয়েকদিন টাইম ভালো গেলে
তার পরের কয়েকটা দিন বেশি বোরিং লাগে, ভাল্লাগে না।

আমারও হাতের জঘন্য আর ভয়ানক সব বানান ভুল করে বসে থাকি।

আরাফাত শান্ত's picture


ভালো একটা লজিক দিছো থ্যাঙ্কস!

টোকাই's picture


Dear shanto
Do you mind if i ask your email address ?

আরাফাত শান্ত's picture


অবশ্যই এতে মাইন্ড করার কি আছে! shanto_jaka@yahoo.com

টোকাই's picture


আরাফাত শান্ত, আগের কমেন্ট টা করেছি মোবাইল থেকে, তাই ইংরাজিতে করেছি কারণ মোবাইল থেকে বাংলা লিখতে গেলে সব ওলট পালট হয়ে যায় আমার। এম্নিতেই আমি এক আঙ্গুলের টাইপিস্ট, তার উপর বাংলা টাইপের অভিজ্ঞতা অলপদিনের, তাই এত ঝামেলা!

আমাকে আপনার লেখা নিবেদন করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আর সেটা নিলাম কিন্তু আমার হাসি আসতেসে আপনার পরের কথা শুনে

উনার লেখা পড়তে শান্তি পাই!

। হাসব না কাঁদব বুজতেসি না। আমার লেখা পড়ে আমি নিজেই বিরক্ত হয়ে যাই মাঝে মাঝে এত টাইপো আর বাক্যের সাবলীলতা না থাকায়।
যাক, তবুও আপনার ভাল লাগে শুনে আমি আনন্দিত।

আরাফাত শান্ত's picture


Laughing out loud

বাফড়া's picture


''কারন তথাকথিত যে দুইটা ভাষা জানার বাহাদুরি করি সেই দুইটাই ঠিকঠাক মতো পেরে উঠি না।'' ... ভাষা কি তথাকথিত হয় রে পাগলা??!!! যাউগ্গা কি কইতে চাইছো তা বুচ্ছি। কথাটা যে ভুল বলো নাই সেইটাও মানছি ... খেক খেক খেক...

বন্ধুদের কথা কইলে মনে দুষ্ক লাগে... আগে ভাবতাম বন্ধুরা পাশে থাকলে দিন-রাত গ্যাজায়া কাটায়া দিমু... এইম ইন লাইফ ঠিক করার সময় সবচে বড় ফ্যাক্টর ছিল কোনটাতে বন্ধুবাজির জন্য অফুরন্ত সময় থাকবে... পরে দেখলাম আমার হাতে জগতের সকল সময়... বন্ধুরা লাপাত্তা... সবার-ই মনে হয় এরকম হয়... খুব কষ্ট হয় ... অভিমান হয়... আবার মনে হয় বন্ধুরা এই অভিমান-টুকু-ও যদি দেখত... বন্ধু-পাগল মনের নখরামি-টাও আরেক লম্বা ইশটোরি...

আরাফাত শান্ত's picture


আপনারা বুঝলেই হইলো সবাইরে বুঝায়া কাম নাই!
আপনার মতো না হলেও প্রায় সেইম কাহিনী আমারো। কি আর করার। জীবন নাকি এমনি। নিজের উপরই নিজেই এখনো বিরক্ত!

ভালো থাকেন ভাইয়া। বেস্ট অফ লাক। ঢাকায় আসিলে খবর দিয়েন, চা বিড়ি খাওয়ায়া অতিথি আপ্যয়ন করানো হবে এনশাল্লাহ!

লীনা দিলরুবা's picture


এই পোস্ট পড়লে কামাল ভাই নিশ্চয়ই আনন্দিত হবেন, তাঁর পুরস্কার প্রাপ্তির খবরে তোমার পোস্ট লেখার যে বাসনা...! তোমার আবেগ, মাশাল্লাহ সেইরকম শান্ত !

আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের "ভালোবাসার সাম্পান"- নিঃসন্দেহে অসাধারণ একটি গ্রন্থ। একটা কাল, একটি সময়, কিছু প্রতিভাবান মানুষের গল্প পড়তে খুবই ভালো লেগেছিল। গুণের আত্মজীবনী ছাড়া অন্য গদ্যগ্রন্থগুলো সুবিধার লাগে নাই।

১০

আরাফাত শান্ত's picture


আমি গুনের আত্মজীবনীটাই খুজতেছি। উনার কবিতা পড়ছি অনেক না চাইতেই আর গদ্য পড়ার সখ নাই!
আবেগ তো আজকে থেকে না আপু সেই রক্সি পেইন্টের আমল থেকেই। কিন্তু পাবলিক বুঝে না। এইসব আবেগকে নিতান্তই ছেলেমানুষী হিসেবে ধরে নেয়। ভালো থাকবেন। আপনে ব্লগে আসেন কমেন্ট দেন দেখেই শান্তি!

১১

লীনা দিলরুবা's picture


নির্মলেন্দু গুণ-এর আত্মজীবনী "আমার কণ্ঠস্বর" আমার কাছে আছে। পড়তে নিও।

১২

আরাফাত শান্ত's picture


ঐটাই খুজতেছি আপু। নিলে হালি খানেক বইয়ের জন্য আসবো। এক বইয়ের জন্য এসে আপনার বই অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নাই আপু Big smile

১৩

লীনা দিলরুবা's picture


বই নিয়ে অক্ষত অবস্থায় ফেরত দিলে আমার কোনো অনুভূতিতেই আঘাত লাগবে না। তবে ফেরত না দিলে বুঝবা আমি কি জিনিস ! Crazy শুভ একবার দিতে দেরী করেছিল, ওরে ফেসবুক, ব্লগে জ্বালিয়ে মেরে বই ফেরত নিয়েছিলাম। Smile

চলে এসো একদিন। যত খুশী বই নিয়ে যেও।

১৪

আরাফাত শান্ত's picture


পড়া শেষ হলে অবশ্যই অক্ষত অবস্থাতেই ফেরত পাবেন। আপনি কি যত্নে বই রাখেন তা তো আমি জানি। পড়া শেষ হবার আগেই যদি বই ফেরত চান তাহলে মেজাজ বিগড়াবে সামান্য:(

বেকার মানুষ আমি সপ্তাহের অধিকাংশ সময়ই ফ্রী। ভাই ভাবীর আগমন উপলক্ষে এই মাসের শুরু থেকে আঠারো তারিখ অবধি একটু ব্যাস্ত ছিলাম যা। যখন ডাকবেন তখনি চলে আসবো। এখন চায়ের দোকানেরও মায়া নাই তাই বলা যায় একা একাই থাকা। কিন্তু আপনে তো কারো ফোনই ধরেন না ইদানিং Sad

১৫

লীনা দিলরুবা's picture


হে হে হে। ফোন আমিই করবো। অপেক্ষা করো।

১৬

আরাফাত শান্ত's picture


আপনি কবে না কবে ফোন করবেন সেই ফোন করার কথা শুনে মহীনের ঘোড়াগুলির গানই মনে পড়ে গেলো!
কখন তোমার আসবে টেলিফোন Tongue
http://www.youtube.com/watch?v=mpHfTiIaF9Q

১৭

শওকত মাসুম's picture


গুণের গদ্য সমগ্র চার খন্ডই আছে

১৮

আরাফাত শান্ত's picture


গূনের কবিতা ভালোই পড়ছি না চাইতেই আর গদ্য পড়ার ওতো আগ্রহ নাই ভাইয়া! আমি খালি উনার আত্মজীবনী আমার কন্ঠস্বরটাই খুজতেছি!

১৯

রাতিফ's picture


"বর্ষা নামলো গরম একটূ কমলো কিন্তু আবার সেই গরমেরই ফেরত আসা"

২০

আরাফাত শান্ত's picture


তার ভেতরে বিরামহীন কারেন্ট যাওয়া আসা বড়ই মুসিবতের দিনরাত্রী!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!