ইউজার লগইন

লাল মনিরহাটের প্রথম যুদ্ধ

মুক্তিযুদ্ধ বাংলার মানুষের এক অহংকার।আমরা আমাদের অস্তিত্বের সাথে এক রকম মিশিয়ে দিতে চাই মুক্তিযুদ্ধকে-যেন স্মৃতিতে অটুট থাকে তাদের কথা যাদের আত্মত্যাগের কারনে আজ আমরা লাল সবুজের এই পতাকা নিয়ে নির্বিবাদে হেটে চলি, যাদের কারনে বলতে পারি আমার একটা দেশ নাম বাংলাদেশ।সে সব মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আমার সারা জীবনের যাদের কারণে আমরা এদেশের সবকিছু আমাদের বলতে পারি।আর মুক্তিযুদ্ধ শুধুই একটা যুদ্ধ নয়।এটা এক অনন্যসাধারণ ইতিহাস।সমগ্র বাংলার প্রতি ইন্চি জুড়ে ব্যাপিত এ মহা সংগ্রামের অসংখ্য অধ্যায়ের প্রতিটি সমান ভাবে গুরুত্বময়।আর এসব যুদ্ধের মুল চালিকা শক্তি যারা –সেসব মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের অহংকার।আমরা বাঙালীরা যে কথা ও কাজে কতটা বিপরীত তার করূণ উদাহরণ এসব মুক্তিসৈ্নিকদের প্রতি আমাদের আচরণ।আমরা কথায় কথায় তাদের বেঁচি,রাজনীতিবিদরা পাঁচ বছর পর পর তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিশ্রুতিমালা নিবেদন করেন। আর পত্রিকায় দেখি খাদ্য,ঔষধের অভাবে একের পর এক মুক্তিসংগ্রামি মানুষদের করুন দশা।রাষ্ট্র তাদের জন্য কিছুই করেনি।শুধু করুন মৃত্যুর পর “রাষ্ট্রীয় সম্মান” ছাড়া।বলতে পারেন “দরিদ্র এ দেশ”;কিন্তু মন্ত্রিদের বেতন বাড়ানোর সময় বা বিশাল ও অপ্রয়োজনীয় টিম নিয়ে দেশের টাকায় বিদেশ ভ্রমণের সময় এ দেশ এ রাষ্ট্র যেন “আমেরিকা”।আমাদের নতুন প্রজন্ম জানেইনা এ সব মুক্তিযোদ্ধারা কে কোথায় ছিলেন কিভাবে তারা পাড় করেছেন বিশ্ব ইতিহাসের এক গুরুত্ব ময় অধ্যায়।ব্লগারদের প্রতি নিবেদন আপনাদের আশে পাশে যে সকল মুক্তিযোদ্ধারা আছেন বা আপনারা যারাই কোন বই পড়ে তাদের সম্পর্কে জানবেন তা শেয়ার করুন ব্লগে।রাষ্ট্র তো তার সেরা সন্তানদের জন্য একটা আর্কাইভ ও করতে পারলোনা(পারলেও তা নানা কারণে মানুষের কাছে সুলভ নয়)।আসুন আমরা চেষ্টা করি-সবাইকে হয়ত সামনে নিয়ে আসতে পারবনা কিন্তু আমাদের সবার চেষ্টায় হয়ত বেড়িয়ে আসবে নানা অজানা ইতিহাস।
তেমনি এক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বদরুজ্জামান মিয়া বীর প্রতীক।বাংলাদেশের স্বাধীনতা আনতে তার মত মানুষদের অবদান অমুল্য।সেদিন পড়া হল তার রচিত এক অসাধারন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণা মুলক বই “মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি”।ব্যক্তিজীবনে সফল সরকারী চাকুরে বলেই হয়ত তার পক্ষে সম্ভব হয়েছে এই বই বের করার।তারপরো আমি অনেক জায়গায় বইটি খোঁজ করেও পাইনি।এক দোকানীর সরল স্বীকারক্তি “এ সব বই চলেনা”।(এই কথাটা আমাদের পুরা জাতির জন্য একটা চড় নয় কি? )
তাই তাঁর রচিত এ বইয়ের সাহায্যে আমি তুলে ধরছি এক জন মুক্তিযোদ্ধার চোখে থাকা মুক্তিযুদ্ধের সময়কে।
১৯৭১ এ মোঃ বদরুজ্জামান মিয়া ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আই,বিএর ছাত্র।তিনি ছিলেন জিন্নাহ হলের ছাত্র। পয়লা মারচের দিকে ছাত্রেরা ভেংগে ফেলে জিন্নাহর ছবি।সেই ছবি মাড়িয়ে হাঁটতে চলতে লাগল ছাত্ররা।উত্তেজনার ঢেউ খেলে গেলো মোঃ বদরুজ্জামান মিয়ার হৃদয়ে।৭ই মার্চের বংগবন্ধুর জনসভায় থেকে কুড়িগ্রামের বাড়িতে চলে যান তিনি।১২ই মার্চ ঢাকার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অংশ নেন কুড়িগ্রাম আওয়ামিলীগের জনসভায়।কুড়িগ্রাম আওয়ামিলিগের সাধারন সম্পাদক প্রয়াত ইউনুস মিয়ার অনুরোধে বক্তৃতাও রাখেন তিনি।তিনি বলেন গন বাহিনি গঠনের কথা।আর আশঙ্কা প্রকাশ করেন পাকিস্তানি বাহিনির আক্রমনের ব্যাপারে।সেখানে পুড়িয়ে ফেলা হয় পাকিস্তানি পতাকা আর দেখানো হয় বাংলাদেশের পতাকা।কয়েকজন রাজাকার তার সম্পরকে বলেন

“অপরিণত বয়স,রক্ত গরম তাই এসব ভয়ংকর কাজ করেছে”।

২৬ মার্চ ঢাকা গণহত্যার পর তিনি ফুলবাড়ির ইদ্রিস মেকারকে নিয়ে সমস্ত থানা প্রচার করেন-পাকিস্তানি বাহিনি কিভাবে ঢাকায় গণহত্যা চালাচ্ছে।তিনি বলেন বীর পুলিশ আর ইপিআর দের প্রতিরোধের কথা।সম্ভাব্য আক্রমন থেকে প্রাথমিকভাবে রক্ষা পেতে প্রত্যেক মানুষ যাদের কাছে ব্যাক্তিগত অস্ত্র আছে তাদের থেকে তা সংগ্রহ করা হয়।এই সব অস্ত্র নিয়ে তৈ্রি হয় গণবাহিনি।কোন ট্রেনিং নেই,সুযোগ-সুবিধা নেই-শুধু দেশ মাতৃকার প্রতি এক বুক ভালোবাসা থেকে অজস্র যুবক যোগ দেয় গণ বাহিনীতে।
২৭শে মারচ হাইস্কুল মাথে তাকে খুঁজে বের করে ইপিআর এর ওয়ারল্যাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য।তাকে জানানো হয়-“হেডকোয়ার্টার থেকে নির্দেশ এসেছে বদরুজ্জামান স্যার যা বলেন সেভাবেই কাজ করতে”।তার উপদেশে অবাংগালী সদস্যদের থেকে অস্ত্র কেড়ে নেয়া হয়। তাদের বন্দী হিসেবে রাখা হয়।
২৮ মারচ খবর আসে একদল অবাংগালী ইপিআর সদস্য ভুরুংগামারী হয়ে লালমনিরহাট যাচ্ছে।তিনি আশংকা করেন এরা রঙপুর সেনানিবাসে গিয়ে নানা অতিরঞ্জিত ঘটনা শুনিয়ে হানাদার বাহিনীকে নিরীহ মানুষদের দিকে লেলিয়ে দিতে পারে।তাই যেকোন মুল্যে সেই ইপিআর দল কে আটকানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।তিনি(মোঃ বদরুজ্জামান মিয়া) সাইকেলে করে দ্রুত এক কিলোমিটার দুরের ঈপিআর ক্যাম্পে যান।তাদের কে তার সাথে আসার জন্য বলেন।তাঁকে অবাক করে সাথে সাথে ম্যাগাজিন লোড করে,অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত হয়ে গেলো ইপিআর জওয়ানেরা।উপরন্তু ক্যাম্প কমান্ডার তাকে জানালেন “আপনার একটা নমুনা সাক্ষর দিন।এই সাক্ষর দিয়ে কাউকে পাঠালে সাথে সাথে আরো গোলা বারুদ যা আছে পাঠানো হবে ”।
তিনি তাদের নিয়ে গিয়ে দেখেন কুলাঘাটে নৌকা চলছে এবং অবাঙালি ইপিআরেরা নদী পাড় হয়ে চলে গেছে।তিনি সবাইকে নিয়ে নদী পাড় হন এবং আরো ২ মাইল পর খান ইপিআর দের দেখা পান।তিনি দেখেন দলটিতে মাত্র চারজন অবাঙালী আর বাঙালী সদস্যরা নিরস্ত্র।এক বাঙালি যুবক গোলার ভার বহন করছে।ওদিকে অবাঙালি ইপিআরেরা টের পায় তাদের ফলো করা হচ্ছে তারা দ্রুত চলতে থাকে।চারপাশে মানুষ থাকায় ও সুবিধাজনক পজিশন না পাওয়ায় তাদের উপর হামলাও করতে পারছেনা বদরুজ্জামান ও তার সাথে থাকা বাঙালী ইপিআর বাহিনি।অবশেষে তারা পৌঁছায় বিহারি অধ্যুষিত লালমনিরহাট শহরে।সেখানে দেখা যায় খানদের সাথে হাত মেলাচ্ছেন কমউনিস্ট নেতা চিত্তরঞ্জন দেব।বদরুজ্জামান বীরপ্রতীক তার দলকে সেট করে দ্রুত দাঁড়িয়ে ঘোষনা করেন “খান রা খুনি তারা নিরিহ বাঙালীদের হত্যা করে রংপুর সেনানিবাসে যাচ্ছে।জনতা সরে যান।আমরা গুলি করবো।”সাথে সাথে খানেরা পজিশন নিয়ে নেয়।বৃষ্টির মত গুলি বিনিময় হতে থাকে। এরই মাঝে ম্যাগজিন ফুরিয়ে গেলে দেখা যায় এল.এম,জির চালক বদরুজ্জামান বীরপ্রতীক এর থেকে প্রায় ২০-২৫ গজ দুরে।তিনি ক্রস করে পেছনে গিয়ে দুইটা ম্যাগজিন পেলেন এক জনের কাছে।তা নিয়ে যে ক্রল করে মেশিনগানারের কাছে যাবেন সেই উপক্রম নেই।নিরাপদ দুরত্বে থকে বিরামহীনভাবে ব্রাস্টফায়ার করে যাচ্ছে খান সেনারা।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক কষ্টে মেশিনগানারের কাছে পৌঁছালেন এবং তাকে ব্রাস্ট ফায়ার না করে সিংগেল শট করতে অনুরোধ করলেন।সামনে নিশ্চিত মৃত্যু।কারণ ফুরিয়ে আসছে গুলি।
পিছনে এসে লাইন অফ ফায়ার পার হয়ে লুৎফর রহমান নামের এক যুবককে নিয়ে ছুটলেন লালমনিরহাট থানার দিকে।বিহারী রেলওয়ে কলোনী হয়ে যেতে হবে সেখানে।থানায় গিয়ে দেখেন এত গোলাগুলির মাঝেও সবাই থানায় বসে আছে।তাদের বলা হল বাঙালি ইপিআরদের সাথে খানদের লড়াই চলছে। আমাদের গুলি প্রায় শেষ।আপনারা আসুন।কিন্তু তাদের কোন ভাবান্তর না হওয়ায় লুৎফর ১০-১৫ জনকে টেনে হিচড়ে বের করে নিয়ে আসলেন।ইতিমধ্যে জানা গেলো খানরা গুলি বন্ধ করে রংপুরের পথে যাচ্ছে।জি,আর পি পুলিশ কে তিনি অনুরোধ করলেন তারা যেন দ্রুত গুলি করে খানদের থামিয়ে দেয়।জি,আর,পি পুলিশ রওনা হওয়ার ২০ মিনিটের মাঝে আবার গুলি শুরু করে।ওদিকে খবর পেয়ে ফুলবাড়ি থানার তিন ইপিআর ক্যাম্পে চৌকিদার বসিয়ে সকল লোক অস্ত্র আর গুলি নিয়ে লালমনরহাট শহরে চলে আসেন ফুলবাড়ি থানার ইউনুস মিয়া।তাদের দেখে দ্বিগুণ উৎসাহে চলতে থাকে যুদ্ধ।
জিআরপি পুলিশের সাহসী ভুমিকার কারণে খান ইপিআর সদস্যেরা লালমনিরহাট শহরের পশ্চিমে খুটামাড়া দোলায় মাঝখানে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়।খবর পেয়ে সপটিবাড়ির জনতা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে।খানেরা আত্মসমরপণ করল।কিন্তু বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাদের রক্ষা করা গেলোনা।উদ্ধার করা হল তাদের বন্দী ১১ বাঙালী ইপিআর সদস্যদের।লালমনিরহাট এসে বদরুজ্জামান সাহেব জানলেন লালমনিরহাট যুদ্ধে প্রথম শহীদ ইপিআর সদস্য লুৎফর রহমান।লুৎফর রহমান এর কবর হয় ফুলবাড়ি থানা সংলগ্ন মসজিদ প্রাংগনে।ফুলবাড়ির জনগন পরম স্নেহে বাঁধিয়ে দেয় দেশের প্রয়োজনের মুহুরতে বুক পেতে দেয়া এ সৈ্নিকের কবর।আজো নোয়াখালি থেকে শহীদের পরিবার-পরিজনরা ফুলবাড়ি আসে কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে।
(চলবে)

পোস্টটি ১৪ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

টুটুল's picture


প্রিয়তে ...
চলুক

আশফাকুর র's picture


অবশ্যই চলবে।মন্তব্য অনুপ্রেরণা হয়ে রইল

সামছা আকিদা জাহান's picture


মরা আমাদের অস্তিত্বের সাথে এক রকম মিশিয়ে দিতে চাই মুক্তিযুদ্ধকে- মিশিয়ে দিতে চাই নয় মিশিয়ে দিয়েছি। সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সশ্রদ্ধ সালাম।

লালমনির হাটে মুক্তি যুদ্ধের সময়ে যে হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় তা আর নতুন করে বলার নয়। বিশেষ করে রেল কলনীতে হত্যাযজ্ঞ ঘটেছিল তা সে সব শহীদদের পরিবারের সকলের স্মৃতি অম্লান। আমি তাদের কথা শহীদদের নিয়ে একটি পত্রিকা বের করেছিলাম ১৯৯৩সালে। "শণিত ধারার শানিত চেতনা নামে" এই বইএ রেলওয়ে কলনীর প্রায় প্রতিটি শহীদ পরিবারের সেই দুঃসহ স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছিল। আমি সেই সময় আবিষ্কার করেছিলাম যে এমন কোন বাড়ি নাই যে বাসায় হায়েনারা হানা দেয় নাই একটি মৃত্যুও নেই। ধন্যবাদ।

আশফাকুর র's picture


আপনার বই টার কোন পিডিএফ ভার্সন ঠাকলে ভালো হত।থাকলে আমাকে লিংক দিয়েন।ধন্যবাদ।

জেলাল শফি's picture


প্রিয় সামছা আকিদা জাহান,
"শণিত ধারার শানিত চেতনা নামে" প্রকাশিত পত্রিকাটির কপি আমি কিভাবে পেতে পারি? উল্লেখ্য আমার আব্বা এবং এক ভাইকেও পাকবাহিনীরা হত্যা করেছিল। তাদের নাম সেখানে স্থান পেয়েছে কিনা জানতে ভীষণ ইচ্ছা করছে। আপনার যোগাযোগের ঠিকানা বা ফোন নম্বার পেলে উপকৃত হবো। আমার মোবাইল ফোন নম্বর ০১৭২৪৪৪০৫৫৫

মাহবুব সুমন's picture


মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় ইতিহাস পড়তে চাই।
অবশ্যই চলবে...

আশফাকুর র's picture


পড়তে চাইলেই হবেনা।আপনার স্থানের ইতিহাস ও তার কুশিলবদের কথা মানুষকে জানাতে হবে।ধন্যবাদ ।

নীড় সন্ধানী's picture


এরকম টুকরো টুকরো ঘটনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। লেখা চলুক।

প্যারা গুলোর মাঝখানে একটু ফাক দিলে ভালো হয়।

আশফাকুর র's picture


ধন্যবাদ।
সামনের পর্বে প্যারাগুলার মাঝে কিছু গ্যাপ রাখব।

১০

নজরুল ইসলাম's picture


চলুক...

১১

আশফাকুর র's picture


ধন্যবাদ

১২

মডারেটর's picture


গ. "আমরা বন্ধু" তে শুধু নতুন লেখাই প্রকাশিত হবে। পুরনো লেখা রিপোস্ট করা যাবে না। অন্য কোনো কম্যুনিটি ব্লগে প্রকাশিত লেখা এবিতে প্রকাশ নিষিদ্ধ। এবিতে প্রকাশিত কোন লেখা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অন্য কোনো কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না। ব্যক্তিগত ব্লগ এবং পত্রিকা এই নিয়মের আওতার বাইরে।

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে কোন লেখার মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে কোন লেখার প্রতি আমাদের এক ধরনের দূর্বলতা আছে এবং থাকবেই। আর তাই এই প্রথমবারের মত কোন পোস্ট না সরিয়ে আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি নীতিমালাটা অনুসরন করে ভবিষ্যতে ডুয়েল পোস্ট না করার জন্য। আশা করছি অনুরোধের মুল্যায়ন হবে।

১৩

আশফাকুর র's picture


মক্কার মানুষ যেমন অনেকে হজ্ব পায়না।ঠিক তেমনি আমরা বন্ধু ব্লগের সদস্য হয়া সত্তেও নীতিমালা পড়া হয়নি।অথচ উচিত ছিল।সে যাই হোক মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়ে পোস্ট টা না সরানোর জন্য ধন্যবাদ।

আশা করছি অনুরোধের মুল্যায়ন হবে।

অনুরোধ সানন্দে রক্ষিত হোল।
কথা দিলাম আর কোন ডুয়েল পোস্টিং হবেনা।
ধন্যবাদ।

১৪

আশফাকুর র's picture


একটা ব্যাপার স্পষ্ট হলোনা।এই লেখাটি কিন্তু কোন পুরান লেখা নয়।যতটুকু জানি এ লেখাটা আমি ই প্রথম লিখলাম।কিন্তু এতে আমি এক কি ২টি বই আর স্মৃতি থেকে আরো কিছু লেখার সাহায্য নিয়েছি।তাই নীতিমালাটির প্রথম লাইনটা সম্ভবত আমার জন্য প্রযোজ্য ন্য়।আর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখা (যেকোন ) পড়া টা সব ব্লগারেরই উচিৎ।তাই এ বিষয়ে লেখা হোলে তা কি একটু Consider করা উচিৎ নয়?আমার মতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক যেকোন লেখা(মুক্তির স্বপক্ষের)
এই নীতির আওতার বাইরে থাকা উচিৎ।আশা করি এ ব্যাপারে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

১৫

তানবীরা's picture


লাইক লাইক লাইক

১৬

জেলাল শফি's picture


লালমনিরহাটের প্রথম যুদ্ধে আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম। ঐ দিনের সকল ঘটনা আজো আমার চোখের সামনে জ্বলজ্বল করে ভাসে। উভয় পক্ষের মধ্যে কথপোকথন আজো আমার কানে বাজে। ঐ যুদ্ধে শহীদ ইপিআর সদস্য লুৎফর রহমান আর আমার দূরত্ব ছিল রাস্তার এপাড়-ওপাড়। যুদ্ধের পূর্বাপর ঘটনা সম্পর্কে যদি কারো আগ্রহ থাকে বা কোন কাজে আসে আমি বিস্তারিত প্রকাশ করবো। প্রয়োজনে যে কেউ আমার মোবাইলে (নম্বর ০১৭২৪৪৪০৫৫৫) অথবা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। বর্তমানে আমি লালমনিরহাটে অবস্থান করছি।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আশফাকুর র's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বপ্ন দেখতে ভাল লাগে। নানা স্বপ্ন দেখতে দেখতে জীবন কাটছে। ছেলেবেলা থেকে স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের প্রথম ট্যাংক বানাবো। আমার জলপাঈ রঙা সে ট্যাংকে চড়বে বাংলার সেনারা...।সে স্বপ্নের খাতিরে প্রকৌশলী হলাম। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ হয়নি...।বানাতে পেরেছি একটা ছোট বহির্দহ ইঞ্জিন। জীবনে তাই আর বড় কিছু স্বপ্ন দেখিনা। একমাত্র অনেক টাকা কামাতে চাই...।সারা জীবন আমার মা টা অনেক ভুগেছে...।। আমি মার জন্য কিছু করতে চাই...।।স্বপম বলতে এটুকুই