ইউজার লগইন
ব্লগ
বেঁচে থাকাটাও যখন অমানবিক!!
আমার গ্রামের হতদরিদ্র আবদুল আলীম অনেক কষ্টে আমার বাসাটা খুঁজে যে ঘটনাটা জানালো, আমি লা জওয়াব ছিলাম অনেকক্ষন। তার তেরো বছরের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে কোথাও থেকে আসার পথে বাসের চাপায় তার স্ত্রীর তাৎক্ষনিক মৃত্যু হয় এবং ছেলেটা মারাত্মক আহত হয়। উরু থেকে নীচের অংশের হাড় গুড়িয়ে যায়।
বাঙালির গরব : বাঙালিই থামিয়ে দিয়েছিল বিশ্বজয়ী আলেক্সান্ডারকে
[বাঙালি গরব সিরিজের এই পোস্টটা আমার অন্যতম প্রিয়। এবির ব্লগারদের অনেকেই হয়ত পড়ে থাকবেন। এটা নিয়ে অনেক সুখ স্মৃতি আছে। বছর দুই আগে সামইন ব্লগে দেয়ার পর অনেকেই পছ্ন্দ করেছিলেন। ভালো লাগার কথা ব্লগে জানিয়েছেন, কেউ আবার ফোন করে জানিয়েছিলেন। মনে আছে ব্লগার বন্ধনহীনের কথা। সম্পূর্ণ অপরিচিত সেই ব্লগার আমার জন্য একটা বই ও রিমঝিমের জন্য এক প্যাকেট চকলেট সুদূর জার্মানি থেকে উপহার হিসাবে পাঠিয়ে কৃতজ্ঞতাপাশে
একটু হাসুন
গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড ঠান্ডা পড়েছে ঢাকায়। ঢাকার বাইরের কথা আর জানতে
চাইনা। আমি তো এক্কেবারে কাবু। কিন্তু, এতসবের মধ্যেও ছোটবেলার একটা মজার
ঘটনা মনে পড়ছে। আপনারা প্লিজ, ঠোঁটে ভেস্লিন লাগিয়ে একটু হাসুন।
তোমাকে হারিয়ে খুঁজি বার বার
কখনো ব্যাস্ত রাস্তায় চলতে হঠাৎই মনে হয় এই রাস্তা ধরেই তো একদিন তোমার সাথে হেঁটেছিলাম, কখনো ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টাতে গিয়ে কোন তারিখে নজর আটকে যায়, কতো গুলি বছর পেরিয়ে গেছে তোমাকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানো হয়নি, কখনো কোন কথা মনে পড়ে যায়, নিজের মনেই হাসতে থাকি, কখনো খুব বেশী মন খারাপ হয়ে যায় যখন মনে হয় তুমি আমার পাশে নেই। জীবন থেকে এভাবে হারিয়ে যাবে কখনো যে ভাবিনি আগে, তাই ভুলে থাকার মতো মনটাও তৈরী
ব্লগ এ্যাকসেসে সমস্যা
আমাদের হোস্টিং সার্ভারে কিছু সমস্যার কারণে অনেক বন্ধুগণ http://www.amrabondhu.com এ্যাকসেস করতে পারছেন না। তাদের জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে আমাদের আরও একটি বিকল্প ডোমেইন আছে http://www.amrabondhu.com.bd। আপনারা এই URL ব্যবহার করে আমরা বন্ধু ব্লগ এ্যাকসেস করতে পারবেন। সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
নতুন আসলাম......।।
ভাই-বোনেরা, আমি নতুন আসলাম। সবার জন্য লেখকীয় দোয়া রইলো......আর সবার কাছে সাহায্য ও দোয়া কামনা করলাম।
hi
kivabe je ki likhbo..bujhte parchi na..:(..ekhane aj e elam...
Sobai ektu plz help korbe?
রম্য গল্পঃ চামচাম বুদবুদ (হাসান রায়হান ভাইকে)
বিদেশ থেকে বিনোয়োগকারী এসেছে বাংলাদেশে। ইনভেষ্ট করার আগে দেশের অবস্থা সরেজমিন সার্ভে করতে চান। গভীর রাতে বিমান বন্দর থেকে সরাসরি ৫তারা হোটেলে পৌঁছে যান। তখন লোড শেডিং থাকায় বাইরে অন্ধকার ছাড়া কিছুই চোখে পড়েনি। বিনোয়োগকারীর নাম মিষ্টার মাইক।
শকুনের অপেক্ষা থাকে কখন গরু মরবে...পুঁজিবাদ গরুটাকে মারে
২০০০ সালে কোন এক কর্মশালায় বর্তমিন বিশ্বে তথ্যচিত্রের অগ্রগিত কদ্দূর গেছে তার উদাহরণ হিসাবে আমরা তখনো অখ্যাত মাইকেল মুরের রজার এন্ড মি দেখি। পৌনে দু’ঘ্টার এই প্রামাণ্য চিত্র সেই থেকে আমার এবং আরো অনেকেরই মনে দাঁগ কেটে যায়। আমরা যারা তথ্যচিত্রের গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে নতুন কিছু করতে চাইতাম মাইকেল মুরের এই ছবি আমাদের যেনো দিক নির্দেশনা দেখায়। তথ্য চিত্রের যেই্ ঘরানায় তিনি কাজ করেছেন বা এখনো করে
একটি প্রেমের গপ্প - ৩
রুদ্রকে ক্লাসে ঢুকতে দেখে অগ্নিলা একটু কেমন যেন হয়ে গেল। দেখলো রুদ্র কাকে যেনো খুজছে। ওর চোখে চোখ পড়ার পরে যখন হাসল অগ্নিলার মনটা অকারন পুলকে ভরে উঠল। নিজেই খুশীর পরিমান উপলব্ধি করতে পেরে অবাক হয়ে গেল। গত কয়েকটা দিন যে কিভাবে কেটেছে ওর সে শুধু ওই জানে। প্রতিদিন ক্লাসে এসে খুজে ফেরা কাঙ্খিত মুখ। রুদ্র কখন আসে সেইদিকেই ছিলো ওর সম্পুর্ন মনযোগ। শুধুই শুধুই অপেক্ষা করেছে ও রুদ্রর। কেমন জানি অভিমানও হচ্
হেলাল হাফিজের নির্বাচিত কবিতা
আজ চার দিন ধরেই তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রীর নিচেই। লেপের নিচ থেকে বের হয়নি, নিতান্ত খাওয়া আর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া ছাড়া। এত্তো ঠান্ডা যে মুত্র বিসর্জন করতেও ভয় পাচ্ছি, বেরিয়েই যদি জমে যাই !!!
মোবাইলে ব্লগে ঢু মেরেছি মাঝে মাঝে। এখন ঠান্ডায় লিখতে পারছিনা। হেলাল হাফিজের কিছু কবিতা কপি পেষ্ট মারলাম যদি কারো ভালো লেগে যায় এই আশায়।
১.প্রস্থান
এখন তুমি কোথায় আছো কেমন আছো, পত্র দিয়ো৷
পৌষের কাছাকাছি রোদমাখা সেইদিন ----- [মান্না দে]

হিম শীতল হিমেল হাওয়ায় গায়ে কাঁপুনি দিয়ে যাচ্ছে কয়েকদিন। আহা এই না হলে কি শীত? কি প্রভাতে কি সাঁঝবেলায়। হঠাৎ সূর্য বাবু যেন একটা লজ্জাবতী লাজুক লতা হয়ে গেলেন। কোথায় গেল তার গ্রীষ্মকালীন মস্তানি? হুহ!!!
? ! ? !!!!
হাসি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, আসুন
হাসি...
নিষ্পাপ
জল যদি পানি হয়, তুমি তাহলে কি?
গগন যদি আসমান হয়, তুমি তবে কি?
এস্ট্রে এর মত, আজ আমি শুধু ছাই ফেলা যায়;
মাথায় মুকুট পরলে, নতুন কেউ ফেলবে ছা্ই।
কত সোজা তাই না? ইচ্ছে হলেই ছাই ফেলা?
প্রতিটি রাতও অনেক সোজা, চোখ বুঁজে কাটিয়ে দেয়া।
জীবনটা ঘোরে ঘড়ির কাঁটার সাথে,
আর আমি যুদ্ধ করে যাই তার সাথে।
এখন কেন যেন পারছিনা,
পারছিনা তোমায় ছাড়া কিছু ভাবতে,
পারছিনা আজ
নিজেকে নিষ্পাপ রাখতে।