বাবার জন্য ভালোবাসা
বাবা দিবস নিয়ে আলাদা করে কিছু ভাবতে পারছি না। সন্তান জন্মের পর যেমন প্রথমেই মায়ের বুকের উষ্ণতা স্পর্শ পায়, তেমনি বাবাও মাথার উপর ছায়া হয়ে থাকে। কবে প্রথম কে বাবার আঙ্গুলটা ধরেছিলো তা হয়ত কেউ বলতে পারবে না কিন্তু বাবার সেই আঙ্গুলটা ছেলেমেয়েরা ধরেই থাকে আথবা ধরে থাকাটা ধরে থাকার স্মৃতিটা টের পায়।
মা যেমন পরম মমতায় সন্তানকে কাছে টানে, জড়িয়ে থাকে---- একটা সময় পর বাবারা সেটা সহজে আর করে না। মাঝে মাঝে আমার মনে হয় বাবার মধ্যে সেই দূরে থাকাটা বরং কষ্টের হয়। বাবারও ইচ্ছে করে সেই ছোটবেলার মত তার সন্তান তাঁকে জড়িয়ে ধরুক, কাঁধে মাথাটা রাখুক। এসব ভাবতে গিয়ে বাবারও বোধ হয় চোখটা ভিজে উঠে। তবু বড় হয়ে গেলে বাবার সাথে একটা শারীরীক দূরত্ব যেনো নিয়ম করেই মনে চলি। আমার বাবাকে দেখেই বুঝতে পারি এটা বাবারা মন থেকে খুব চায় না। বুকে আগলে রাখতে চায়। মা যেমন শত মানুষের মাঝেও চুমু দেয়, আদর দেয় বাবার চোখ বলে বাবাও তাই চায়।
আজ সকালে বাবাকে ফোন করে বললাম ”কি করেন? কেমন ঘুরলেন সিলেটে? কতণ হাঁটলেন সকালে? সুগার কি কন্ট্রেলে আছে? কাঁঠাল বেশী খান নাতো?” কিন্তু বাবাকে বলিনি তাঁকে কতটা ভালোবাসি। আমার বাবার একটা অংশই তো আমি। আমি আবার দেখতে, আচরনে অনেকটাই বাবার মতো। জীবনের পুরোটা জুড়েই তো বাবার ছায়া। খুব শান্ত, সরল একজন মানুষ আমার বাবা। নিজের মমতা, আবেগ যে খুব গোপন রাখেন তা না। বরং মাকে যতটা কাছে পেয়েছি বাবাকে তার চেয়ে কম পাই নি। পৃথিবীটাকে দেখতে শিখেছি বাবার হাত ধরে। গান শোনা, বই পড়া, ঘুরে বেড়ানো, আড্ডা সবই বাবার কাছ থেকে পাওয়া। মা’র কাছে বকা খেয়ে আমি সবসময় বাবাকে খুঁজেছি। মা বকা দিলে বাবা বলতো, ”মন খারাপ করো না, কাঁদো কেন? জানো তো মা রাগী। ” মেয়েরা মায়ের কাছে চায় তাদের যা প্রয়োজন, আমি চাইতাম আমার বাবার কাছে। পরীক্ষার সময় যখন রাত জেগে পড়তাম, বাবা জেগে থাকতো অথবা উঠে দেখতো কিছু লাগবে কিনা। সকালে নিজেই কিছুটা খাইয়ে দিতো। শুধুমাত্র যদি বলি ভালো লাগে না, তাহলেই অস্থির হয়---- কি হলো, কেউ কিছু বললো, কেনো ভালো লাগে না? লিখছি আর বাবাকে দেখছি, বড় বড় মায়াভরা চোখ নিয়ে তাকিয়ে আছে। বাবাকে নিয়ে লিখলে লিখা শেষ হবে না। কিছুই লেখা হবে না। প্রতিটা দিন, মূহুর্ত বাবা-মাকে ঘিরে। অস্তিত্ব, নিশ্বাস জুড়েই বাবা-মা। তাঁদের ভালোবাসতে আমার কোন দিবস লাগে না। বাবা-মা তো আমার ই। বাবা-মা এর পরম মমতায় আমি তো মমতা ছড়িয়ে তাঁদের মাঝেই থাকি। বাবার ছায়াটা না থাকলে আমি কি আমি হতাম? আমার মতো হতাম?
বাবা থাকুক ছায়া হয়ে, একাকী রোদে যেনো আমি পুড়ে না যাই। সব বাবাদের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। প্রত্যেক বাবা তাঁর প্রিয় সন্তানের মমতায় মমতা ছড়িয়ে থাকুক আজীবন।





A
আয় খুকু আয়..
বিলাই A তে লিংকু দিলা ক্যান? কেউ দেকপে না

বরং "আয় খুকু আয়.."তে দেও
আয় খুকু আয়
এইখানে ইউটিউব এমবেডেড না কিসব, সেডি হয়না কেন? মানে কমেন্টেই বা পোষ্টেই কেনো ভিডিউ ডা দেখা যায়না?
ডেভু ভাইরা, বিষয়টা একটু...
দিলাম টুটুল ভাই...আমি পেরেছি..
বিলাই থ্যাংকু। গানটা খুব প্রিয় সেই ছোটবেলা থেকে।
মা বকা দিলে বাবা বলতো, ”মন খারাপ করো না, কাঁদো কেন? জানো তো মা রাগী।”
জানো তো মা রাগী!!!!!!
গত সপ্তাহে বাবা- মা'র জন্য খুব খারাপ লাগছিল। অফিসে খুবই টাইট অবস্থা, আমার মনের অবস্থা আরও টাইট, কিচ্ছু ভাল্লাগেনা। স্যারকে বললাম ছুটি দেন স্যার, বাবা-মা'কে খুব মনে পড়ছে একটু দেখে আসি। স্যার বলেন নো এন্ড নো। এইমাসে আপনাকে আর কোন ছুটি নয়। আমি দাঁড়িয়েই আছি, স্যার দিন না প্লিজ। স্যার বলে, না। আমি বললাম, তাহলে ঠিকাছে, কাল আমি আন-অথোরাইজড ছুটি নিলাম:) স্যার বিড়িবিড় করে বলে, নাছোড়বান্দা!
সোমবার সকালে রওয়ানা দিলাম, পৌঁছলাম ১১টা নাগাদ, এই ভিড়ের শহরে ফিরে এলাম রাত নটায়। পেছনে রেখে এলাম প্রিয় শহর, প্রিয়তম পিতা-মাতাকে।
'বাবা, তোমাকে ভালবাসি' এক্ষুণি ফোন করছি বাবাকে!
খুবই ভালো কাজ করছেন...
আমি বাবার থেইকা শতহস্ত দূরে থাকা মানুষ...এই আবেগ বুঝনের যোগ্যতা আমার নাই...
আপনারে মাইনাস

আমি কি করলাম ভাতিজা?
কৃতজ্ঞতা বাবা, পৃথিবীর আলো-বাতাসে নিয়ে আসবার জন্য ।
বাবা, ভালো থেকো !
পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ।
বউ ফোনে কইলো - আজ তো বাবা দিবস! আমি বললাম হুমম, জানি আমাদের ব্লগে দেখেছি। তারপর কইলো - তুমিতো এইবার প্রথম বাবা হইলা, এতদিনতো তোমার বাবা'র ছেলে ছিলা আর এখন নিজেই বাবা! আমি বউকে বললাম দেশে তুমি আর আমার মেয়েটা কেমন আছ এই চিন্তায় আমি এতই বিভোর থাকি যে আজ বাবা দিবস সেটারও কোন অনুভুতি হচ্ছে না।
আমার বাবা'র সাথে ছোটবেলা থেকেই আমার যথেষ্ট দূরত্ব। মা' দিবস বললে যেমন একটা অনুভুতি হয় বাবা দিবসে কেন জানি তেমন কোন অনুভুতি হয় না। এটা হয়ত আমার বাবা তার স্নেহ কোনদিন আমাদের উপর প্রকাশ করতে পারেননি সেই জন্য।
আজ মা'র সাথে কথা বলার সময় মা বললেন - তোমার আব্বা তোমার সাথে কথা বলবেন। আব্বা ফোন ধরেই অভিযোগ করল - কেন আমি আমার শশুর বাড়ীতে ফোন করিনা। আমি উত্তর দিলাম - আব্বা আমার ফোন করার অভ্যাস নাই, আমার মেয়েটার জন্যই দেশে ঘন ঘন কল করি এছাড়া তেমন কারোও সাথে ফোন করে কথা হয় না।
প্রথম বাবা হবার অনুভুতিটাও কিন্তু আজকের বাবা দিবসে আমার মাথায় আসেনি, এসেছে শুধু আমার মেয়েটা এখন দেশে কি করছে? কেমন করে ও হাসে?! কেমন করে কাঁদে?!!
আচ্ছা বাবা'রা কি এমনই হয়?!
মেয়েকে মিস করছেন? বাবারা এমনই হয়। ভালো থাকেন মেয়েকে নিয়ে।
জয়িতা মেয়েটাকে দেখলেই বুঝা যায় ওর বাবা কত ভালমানুষ।
বাবা যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন বুঝি নাই বাবা জীবনের কত বড় ছায়া। এখন বুঝি কিন্তু বাবা আর নেই।
মাসুম ভাই, আপনার কথায় লজ্জায় কালো মেয়ে বেগুনী হয়ে গেলাম। তবে ভালোমানুষ বলতে যা বুঝায় সেটা আমি আমার বাবাকে দেখে চিনি।
বাবা নেই কিন্তু আপনার ছেলেমেয়েরা আছে। আপনার ছোট্ট বাবা-মা। আর দোয়া করি আপনি তাদের ছায়া হয়ে থাকেন আজীবন।
সবাই বাবাকে নিয়ে , মাকে নিয়ে লিখে ।
আমার কাছে ইতিহাস লেখার মত বাবা-মা। আর আমার ৭ বছর জীবন পর্যন্ত বাবা আমার কাছে মেহমানের মতই ছিলেন, দূরে দূরে , দেশের বাইরে থাকার কারণেই হয়তো।
সেই মেহমান হয়ে এখনও আছেন তবে এখন আছেন অস্তিত্বের সাথে মিশে, না থেকেও আছেন যেন চারপাশে।
সাঈদ ভাই, কি বলা উচিত জানা নেই আমার। কিন্তু বাবা-মা তো আছেন অস্তিত্বের সাথে মিশে, আপনাকে ঘিরে আপনার চারপাশে।ভালো থাকেন দোয়া করি।
আব্বুকে মনে পড়ে
বাবার আদর সেভাবে পাইনি বা বুঝতে পারিনি। আর এ অভাববোধ থেকে ছেলেদের সবসময় ভালোবাসা আর আদরযত্নে রাখার চেষ্টা করছি। আল্লাহ ভরসা... সব বাবারা ভালো থাকুক
কিছু লেখার ভাষা নেই, শুধু লাইক করলাম
আব্বু কে দেখি না অনেক দিন হলো ...........
রুবেল কেমন আছ? অনেকদিন পর দেখলাম এখানে।
জয়িপু তোমাদের দোয়াতে ঈশ্বর ভালোই রেখেছেন......
ব্যস্ততার জন্য আসা হয়না........
তোমার কেমন আছো ?
ভালোই আছি। ভালো থেকো। ব্লগে মাঝে মাঝে সময় করে দেখা দিও। খালি কিশোরীর কথা ভাবলে চলপে?
জয়িপু ভালো আছো জেনে ভালো লাগলো .......
এসে সবার লেখা পড়ি কিন্তু মোবাইল থেকে মন্তব্য করা যায় না যে .........
আরে কিশোরী ছাড়া কি এক দিনও চলে :
তা ঠিক। তুমার তো কিশোরী ছাড়া প্রাণ বাঁচে না। কিশোরী কিশোরী নাম জপো নাকি তসবীর মতো?
আমার বুঝি আর কুনো কাম কাইজ নাইকা ?
জয়িপা..আমিও দেখতে আব্বুর মতো..আমারে মাইনষে দেখলেই বুইঝা ফেলে আমি আব্বুর মেয়ে
কিযে ভাল্লেগে বলে বোঝানো যাবে না।সততা জিনিসতা কি সেটা আব্বুকে দেখে জেনেছি।আব্বুর এই গুনটার একটু হলেও যেন নিজের মধে্য ধারন করতে পারি....
সব ছেলেমেয়েরা বাবার জন্য ফিল করে, বাবা হিসেবে এটা আবারও জানতে পেরে ভাল লাগছে । মন্তব্যের সংখ্যা দেখে বুঝা যায় যে, বাবারা প্রিয়, কিন্তু এটা প্রকাশ হয়না । বাবাদের কাছেও সন্তানেরা প্রিয়, বাবারাও এটা তেমন ভাবে প্রকাশ করতে পারে না । সবার অনুভূতির সাথে একত্ববোধ ।
মন্তব্য করুন