শিরোনামহীন
বারান্দার গ্রিলের ফাঁকে, সামনের খোলা জায়গায় সোনালু গাছটায় চড়ুই পাখিদের ঘর। সকালবেলায় জানালায়, বারান্দার গ্রিলে উড়ে এসে বসে, ছুটোছুটি করে অনেক পাখি আর এদের মিষ্টি কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে প্রায় প্রতিদিন। তবু চোখ বুজে থাকি, খুব কম দিনই এমন হয় যে উঠে বারান্দায় যাই। তাই মিষ্টি সকালের দেখা পাই না খুব একটা। অফিস যেতে হবে বলে ঘুম ঘুম চোখে যখন বের হই বাসা থেকে তখন বাইরে প্রখর রোদ। চোখ মেলে তাকানো যায় না, একটু না এগোতেই অসহ্য ট্রাফিক জ্যাম, তারপর কাজ, ক্লান্তি। খুব শান্তির , স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলে দিনের শেষ হয় না অনেকদিন। সারাদিনের সব খুঁটিনাটি শেষ করে ঘুমোতে না গিয়ে টিভিতে চোখ বুলাই, গান শোনার চেষ্টা করি, না পড়া কোন একটা বই পড়তে চাই। কিন্তু ভালোভাবে কিছুই করা হয় না আসলে। চোখ ভেঙ্গে ঘুম আসে না বলে বারান্দায় বসি, অন্ধকার দেখি, একসময় জীবনের হিসাব মিলাতে চাই। কোন হিসাব কখনও মিলে না, কোন এক জায়গায় এসে থেমে যাই, শূন্য দৃষ্টিতে চোখ মেলে থাকি, নিজেকে ভাবি, আমি কত বেশী সাধারণ বলে জীবনের পাখায় রং ছিটিয়ে উড়ে বেড়াই না তা ভেবে দীর্ঘশ্বাস চাপি। এই একই রুটিনে ক্লান্ত লাগছে খুব। নগরজীবনের ব্যস্ততা, হতাশা সব ফেলে কোন খোলা জায়গায় গিয়ে শান্তির নিঃশ্বাস টেনে গভীর ঘুমে ডুবে যেতে ইচ্ছে করে। যখনই এমন ইচ্ছে হয় মন ছুটে যায় একটা শান্ত শ্যামল গ্রামে, গাছপালা ঘেরা ছোট একটা বাড়িতে। সেই বাড়ির ছোট ঘরে পা রাখলেই রাজ্যের ঘুম জড়ো হয় চোখে। যেখানে চোখ রাখি, যেখানেই হাত বুলাই শান্তির পরশ, শীতলতা আমাকে ছুঁয়ে থাকে। মন বলে আবার যদি জন্ম হয় আমি যেনো এখানেই আসি। এর চেয়ে সুখ, শান্তি আর কি কোথাও আছে? অনেকদিন পর সেখানে যাব, ভাবতেই কেমন একটা প্রশান্তিতে ভরে যাচ্ছে মন। তবে যেখানেই থাকি একটা পিছুটান থেকেই যায়। প্রতিদিন ভাবব আমার বন্ধুরা কেমন আছে? ভালো আছে তো! অনেকদিন দেখা হবে না, তারপর আবার দেখা হবে, কথা হবে।
অগ্রীম শুভেচ্ছা বিমার (বিষাক্ত মানুষ) জন্য। কাল গানওয়ালা বিমার জন্মদিন। বিমা যখন পোল্যান্ডে ছিলো, বিমার যখন একটা আইফোন ছিলো বিমা ব্লগে আমাদের গান শোনার জন্য লিংক দিতো, গভীর রাতে মজাদার খাবারের রেসিপি দিতো, গান শোনাতো। দেশে আসার পর ছেলেটা গান ভুলে গেছে, রান্না জানে বলে স্বীকারই করে না। বিমা এখন সেলিব্রেটি। ঢাকা শহরের অনেক বিলবোর্ডে বিমার হাসিমুখ দেখা যায়। সুন্দরীরা নাকি খুব ত্যক্ত করে বিমাকে। বিমার সিডিওল পাওয়া এখন খুব কঠিন। কাল কেক খাওয়াবে বলে এখনও কোন খবর পাইনি। কেক পাই বা না পাই আমাদের সুইটু কিউটু বন্ধু বিমার জন্মদিনে অ-নে-ক অ-নে-ক শুভেচ্ছা, শুভকামনা। মিষ্টি হাসির মিষ্টি বন্ধু বিমার এই দিনটা শতবছর ধরে ফিরে আসুক তার জীবনে।






বিমারে হেপ্পি বাড্ডে
ইয়ে হাসান ভাই, এইটা কি ঠিক হৈল? আমি পরথম কমেন্ট কর্লাম, কিন্তু ঝুলায় দিলো আপনের নিচে।
আপনার এই ধরনের লেখাগুলো দুর্দান্ত হয়।
আপনে যদি বিমাকে প্রথম শুভেচ্ছা জানান, তাইলে আমি জানাইলাম দ্বিতীয় শুভেচ্ছা। তৃতীয় শুভেচ্ছার স্লটটা জেবীন আপুর লিগা খালি থাকুক।
বিমা'র ছবিওয়ালা বিলবোর্ড দেখতে চাই, ঠিকানা দেন।
আপনাকে অনেক ধইন্যা। আসলে আমি মোটেও ভালো লিখি না। বিমাকে দেখতে পাবেন ফার্মগেট থেকে একটু সামনে গেলে বিজয় সরনীর নতুন রাস্তাটার মাথায় বড় বিল বোর্ডে। আরও কোথায় আছে বিমা ভালো বলতে পারবে।
আমি ২য়
আইচ্ছা, আমি তৃতীয়।
সমঝোতায় আসলেন? খুব ভালো।
মীর কিসের ২য়/৩য় আমি সবকিছুতেই লাড্ডুগুড্ডু... :(
রায়হান ভাই বলেছেন, আমি ২য়
মানে তিনি নিজ মুখে স্বীকার করলেন, তিনি ২ নম্বর...
উদীয়মান তরুন মডেল বিমা
মুরাদ ভাইয়ের (
) পাশে তো অন্য কাউরে কোনমতেই মানাইতেসে না।
বিমারে হেপি বাড্ডে। তয় শুনলাম সে নাকি খাওয়াবে না। বিমারে খুঁজতাছি মাইর দেওয়ার জন্য
কোন এক নিঝুম গ্রামে গিয়ে একটা দিন পদ্মপুকুরে পা ডুবিয়ে কাটিয়ে দিতে ইচ্ছা করতেছে। কিন্তু কই পাই নিঝুম গ্রাম। যেখানে যাই হৈ হল্লা ওয়াকা ওয়াকা শাকিরা বাজে। মোবাইল নেটওয়ার্ক বিহীন একটা গ্রামে যেতে চাই, জানেন কেউ?
বিমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। এ যে রীতিমতো সেলেব্রিটি!!!!
নীড়দা, আমাদের ওখানে পদ্ম পুকুর নেই,বিলের ধারে যে পুকুর আছে সেগুলো পানিতে টইটুম্বুর থাকে না । বুষ্টি ই তো নাই। তবে সন্ধ্যার পর ঝি ঝি পোকার ডাক শুনতে পাই।পূর্ণিমা হলে জোছনায় উঠান ভরে যায়। আহা! সে কি মায়াবী দৃশ্য! আমার নানুর বাড়ীর সামনে নদী আছে। বিকাল বেলায় নদীর পাড়ে বসলে মন উদাস লাগে। আর আগে যখন ওয়ারিদ ইউজ করতাম মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতো না ঘরের ভেতর।
হমম
বিমারে জন্মদিনের শুভেচ্ছা..।
বুঝতে পার্তেসি বিমা সেলিব্রিটি এবং বিলবোর্ডে কিছু হাসি-খুশি উচ্ছ্বল কিছু তরুণ-তরুণীর ছবি দেখছি..। কিন্তু বিমা কোনজন চিনতে পারছি না। :
:
:
বিমা কি প্রথমটায় বাম থেকে দ্বিতীয় আর দ্বিতীয়টায় বাম থেকে প্রথম?

মান সম্মান কিছু থাকলো না দেখি।

শাপলা, ১মটায় দুই নারীর মধ্যমনি হয়ে আছে বিমা, এটা বিলবোর্ডে দেখে ওর শ্বাশুড়ির সেকি উৎকন্ঠা, "জামাই'র পাশে এরা কারা!!"
হ্যা।বা।ডে

বাড়ি যাচ্ছো আজ? মজা করে ঈদ করে আসো... কবে ফিরে আসবা? :)
সেলিব্রেটিরে হ্যাপ্পি বাড্ডে...
আফা আজকে না। যাবো তো ৭ তারিখ সকাল/ দুপুরে। অফিস বন্ধ ৭ তারিখ থেকে।তবে মন তো অলরেডি ছোটাছুটি করা শুরু করে দিয়েছে।
বাহ্, দারুণ পোস্ট, দুর্দান্ত ছবি।
হ্যাপি বাড্ডে বিমা। জনগণরে তাইলে বলতে পারি, ঐ মডেল তারকা তো রেগুলার আমার কাছে চকোলেটের আব্দার করে
থ্যাংকু নুশেরাপু।চকলেক আমরাও কিন্তু খাইতে পারি।
শুভ জন্মদিন মুরাদ। আমিও সবাইকে বলতে পারি এই মডেলের সাথে আমি এক গাড়িতে চড়েছি
শুভ জন্মদিন...
শুভ ভূমিষ্ঠ দিবস, প্রিয় পিছলা বিমা...
ওরে...পুরা নায়ক!
কালে কালে কতো কি দেখবো...ছিনেমাহলে কবে দেখবো সেই অপেক্ষা...
কেকের ফটুকটা ভালৈছে!!
ইয়ে.... মানে... মুরাদের মডেল ছবিটা কি আসল নাকি?
হ। তাইতো! আমিতো দেখি কোন খবরই রাখি না! মুরাদ তো এখন জাতীয় ব্যক্তিত্ব হয়া গেছে!
খাইছে আমারে !!!
ফটুশপে আমার ফটুনিয়া এই কাজটা কে করলো !! যেই করুক তারে থ্যাংকু . আমি তো দেখি ছিলিব্রিটি হয়া গেছি
থ্যাংকু জৈতা
বিমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
লেখা অনেক সুন্দর হয়েছে এজন্য তোমাকে

ছেলেব বিমাদার জন্ন দ্বিতীয়দফা শুভেচ্ছা। জয়িতা আর জেবীন এই দুই নামে আমার খালি প্যাজগি লাগে গো
লেখা না পাওয়া কেকের(পোষ্টের কেক দ্রষ্টাব্য) মতই সুস্বাদু হইছে গো বইন 
ওরে জয়িতা, কি অদ্ভুত লেখছো তুমি এইটা?
আমি মুগ্ধ হৈছি, সেইরকম একটা বাড়ির, জায়গার লোভ হৈলো---যেনো পরের জন্মেও সেইখানেই যাইতে চাই, তেমন একটা জায়গার!!!
তোমারে হিংসা দিলাম---সেই জায়গা বাড়ি আর লেখার জন্য--
বিমার হাসিডা তো কিউট আসছে রে---খিকয, হ্যাপ্পী বাড্ডে, বিমা---
বিলাই, তোমারে এক বস্তা ধইন্যা,এত্ত সুন্দর কমেন্টের জন্য।খুব লেখতে পারি না, তাও কত্ত মধুর করে বললা। তুমার গল্প মিস করি অনেকদিন লেখ না।
এত সুইট করে হাসতে তো দেখি না।
হিংসা দিলা কেন? তুমরাও সবাই ঈদের পরে বেড়াতে আস আমাদের ছোট গ্রামের ছোট বাড়িতে।
বিমার এই হাসি রিয়েল কিনা কে জানে!
হিন্দি একটা গান ছিলো না, ম্যায় নায়ক নেহি! হেহে! বিমা ভাই খাওয়াইলো না! দিক্কার!
সোনালু গাছে ঘর বাঁধে এমন চড়ুই কোথায় পাওয়া যায় জানাবেন । আমার এক জোড়া দরকার । আমার বাড়ির সামনের সোনালু গাছটায় ওদের ঘর বাঁধতে দেব ।
আমার বাসার সামনের খোলা জায়গায়, সোনালু গাছে, ঘরের জানালায়, বারান্দায় এক ঝাঁক চড়ুই পাখি সারাদিন কিচিরমিচির করে।
"বারান্দার গ্রিলের ফাঁকে, সামনের খোলা জায়গায় সোনালু গাছটায় চড়ুই পাখিদের ঘর।" এমনটি না পড়ে তা'হলে পড়তে হবে "আমার বাসার সামনের খোলা জায়গায়, সোনালু গাছে, ঘরের জানালায়, বারান্দায় এক ঝাঁক চড়ুই পাখি সারাদিন কিচিরমিচির করে।" তাই তো ? আচ্ছা, ঠিক আছে !
মন্তব্য করুন