বৃষ্টি ঝড়ে ঝিড়িঝিড়ি, মন চায় খেতে খিচুড়ী
কাল ফেসবুকে দেখলাম একবছর আগে আমাদেরকে আমাদের মহান মেসবাহ ভাই দাওয়াত করে খিচুরী খাইয়েছিলেন। তারপর দিন মাস পেড়িয়ে বছর হয়ে গেলো। ফেসবুকে সেই খিচুরী খাওয়ার ছবি কাল থেকে আবার দেখতে পাচ্ছি।

ল্যাব এইডের মজার খিচুরী

একবছর আগের ছবি দেখছি কাল থেকে
আজ আকাশ মেঘলা, ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ে। এমন দিনে খিচুরী না খেলে কি প্রকৃতি আমাদের ক্ষমা করবে? কিন্তু কুনু জনদরদী তো খিচুরী খাওয়ার দাওয়াত দিলো না। আফসুস।কাওরান বাজারে কুকারস-৭ নামে একটা খাবারের দোকান আছে। সেই দোকানের সামনে প্রথম আলোর অফিস। আমাদের খুব প্রিয় এক বন্ধু সেই প্রথম আলোর সাংবাদিক। লোকমুখে শুনেছি তিনি সেখানে খিচুরী খান এবং লোকজনকে খাওয়ান। সেই লোকজনের কাছে শুনেছি কুকারস-৭ এর খিচুরী নাকি বেহেস্তি খানা। কিন্তু আজও খাইলাম না। আফসুস। দেশে যে হারে ভূমিকম্প হচ্ছে, কবে মরে যাব তার কুনু ঠিক ঠিকানা নাই। যদি মরে যাই তাইলে খিচুরি খেতে যে মন চাইলো তাতে না থেয়ে মরলে লোকজন কি আর শান্তিতে খিচুরী খেতে পারবে? পারবে না। খিচুরী খেতে নিলেই তো ভূত/পেত্নী হয়ে আশেপাশে ঘুরতে দেখবে। আহারে! এইটা ভেবে দুঃখই লাগতাছে। লোকজনের শান্তিতে থাকার কথা ভেবে আবারও খিচুরী খাওয়ানোর কথা মনে করিয়ে দিলাম।





আমার খিচুড়ি ডিপফ্রিজ রাইখা, বরফ মোড়ায়া, তারপর এসএ পরিবহনে পাঠায়া দিয়ো।
এহহহহহহহ।খাওয়ার খবর নাই আবার ডিপফ্রিজে রাখা খুঁজ!আগে দেখি কেউ খাওয়াইতে রাজি হয় কিনা।
ইয়াযিদ ভাইয়ের খিচুড়ির জেফৎ! আহা সে এক এন্তেজাম ছিল বটে।
কিন্তু এমুন যেফত আর কেউ খাওয়ায় না কেন? আফসুস
মেসবাহ ভাই মহান।
কুকারস-৭ এ কেউ খাওয়াইলে তারেও মহান বলব।দরকার হইলে আগের মতো ছড়া বানাবো তারে নিয়া।
আমার ধারণা উনি অনেক রোমান্টিক। এই বৃষ্টির দিনে উনাকে যদি বলো উনি নাকরতে পারবেননা।
উনি রোমান্টিক বলেই তো লোকজনরে খাওয়ায়। কিন্তু রোমান্টিক দিনে কি আমরা বললে রাজি হবে?
টাইমতো হইয়া যাইতাছে... কেউ রাজি হয় না ক্যান? আজ না নাহিদের জন্মদিন? নাহিদরে কও খাওয়াইতে
নাহিদরে অনলাইন দেখেই তো পোষ্ট দিলাম। কিন্তু কিছু তো কয় না।
প্রথম আলোর লোক তো আজ ব্লগেই ঢুকবে না মনে হয়।
এইসব খাইখোর পার্টিরে মাইনাস.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।

কারে বলেন? আমরা তো একবছর আগে খিচুরী খাইছি।
কারে আবার??????আপনাদের মতো খাইকোরদের।সারাদিন খাই খাই করেন।
আহা রে আফসোস এখনো কারো পটাতে পারলেন না।

আফসুস। আমগো দুঃখে আপনি হাসেন? আপনিও সেই এক সাংবাদিকের মতো পাষান?

রাসেল... হায়াত মউতের কথা কি কওন যায়? কখন কি হইয়া যায়...
আর আম্রা তো সারদিন খাই খাই করি না... কদাচিৎ
এই ধরেন যখন বৃষ্টি হয় ... তখন
আর যখন বৃষ্টি না হয়... এই দুই সময়ে রিকুশ করি
আল্লাহ আপনাগো কপাল দিসে.।.।।।

মেপে দেখলাম কপাল চার আঙ্গুল। আর আমাদের সবারই চুল পড়ে কপাল বেশ বড়ই আছে।
পোষ্টের আদর্শ নাম - "তাহাকে ডাকিয়া ছিনু খিচুড়ী'র নিমন্ত্রনে (উহ্য থাকলো কথাটা "নিম্নত্রন পাইবার আশায়")"
গ্যালারীতে বসলাম... দেখি কি হয়
আফা সকাল থেকে বসেই আছি।দুপুর হয়ে গেলো। বুঝলাম সবার অনুরোধে সব হয় না। ফেস ভেলু বলে কি যেন একটা কথা আছে।
কি হচ্ছে এখানে? কারওয়ান বাজারের লুকজন আওয়াজ দেয় না কেন?
মাসুম ভাই, কাওরান বাজারের কেউ আওয়াজ দিলো না দেখে মনের দুঃখে অফিন ফাঁকি দিয়ে বাসায় চলে আসছি, রায়হান ভাই দুঃখে অফিসে আজ কুনু কাজ করে নাই।
সবার কথায় আওয়াজ মিলে না। আফসুস।
আমি বাটি নিয়া আইসা পড়ছি, কেউ রাজী হৈলেই পাইতা বৈসা যামুনে------
আড়াইটা বাজে। মারাত্মক ক্ষিদা লেগেছে। এরমধ্যে খিচুরির কিসসা পড়ে পেটের অবস্থা...! কাওরানবাজারের একদম কাছে আমি, সেই সাংবাদিক যদি একটা আওয়াজ দেন, এক দৌড়ে চলে যাবো। ৫০% শেয়ার করবো। আছেন? একটা আওয়াজ দেন।
ভাগ্যিস ভরপেট খেয়ে এসে পোষ্ট পড়লাম.....নইলে খিচুড়ীর ছবি দেখে মেজাজ টং হয়ে যেতো। এত জেফত অলা লুকজন থাকতে গত বছরের ছবি দিয়ে স্মৃতিচারণ করার মানে কি.....কাওরান বাজার কি উঠে গেছে নাকি?
অতঃপর......কোন দয়ালু কি সাড়া দিয়েছেন? সর্বশেষ ফলাফল কি?

স্মৃতিচারণ করেও কুনু লাভ হয় নাই।
কেই সাড়া দিলো না। তাই সর্বশেষ ফলাফল হলো, বাসায় বসে কাঁচামরিচ আর লবণ মাখিয়ে জাম্বুরা ভর্তা খাই।
আহা রে এই প্রথম খাইখোর পার্টির লুকজন খাইতে মন চাইছে আর খাইতে পারে নাই।ভাবতেই ভাল লাগযে.।.।।।

আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যাকে খোঁচাইলাম তিনি দুপুরের আগেই বলেছেন যে খাওয়াবেন কিন্তু খাইয়া ফেললে তো শেষ তাই জমিয়ে রাখলাম অন্য কোন দিনের জন্য।
এই কথা শুনিয়া বড়ই পুলকিত অনুভব করলাম.।।

আমরা না খাইলে আপনার কি লাভ? আপনিও আসেন খাওয়াব।
কিন্তু খাইয়া ফেললে তো শেষ তাই জমিয়ে রাখলাম অন্য কোন দিনের জন্য।
বুদ্ধিমতি জয়িতা, জমায় রাখো সামনের জুলাই পর্যন্ত, এক সাথে খাবোনে আবার
খিচুড়ি খাইতে খাইতে জান কাবাব হবার অবস্হা( এইটা রান্না সহজ কিনা)। বইনটি কুক-১ এর খিচুড়ি খাইতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়া রওনা দেন আমার বাড়ির দিকে। তয় খিচুড়ি খাইয়া প্রাণ যায় যায় করিলে আমারে দুষ দিতারবেন্না
ঘটনা কী হইলো শেষতক? পারছিলেন খিচুড়ি খাইতে? রহমদিল লুকের সংখ্যাদি কমেই রে 
আপনের বাড়ি কি আমরা চিনি?চিনলে না হয় দিতাম রওনা। রহম দিলের লুকসংখ্যা কমে গেছে দুন্যাইত। কেম্মত হপে শীঘ্রই।তবে আজ কিন্তু দরদী একজন খাওয়াইতে চাইছিলো। ঝুম বৃষ্টির জন্য জমিয়ে রাখলাম।
বইনরে আমি তো মেলা দূরে থাকি। সাতটা সমুদ্র তেরোটা নদী পাড় হইয়া তারপর আসা লাগবে। তবে বেঁচে থাকলে দেখা হবে, আর দেখা হলে খিচুড়ি না কাচ্চি খাওয়াবোনি, কথা দিলাম। আল্লাহ না করুন, কিয়ামত দূরেই থাকুক। কতকিছুই বাকী আছে এখনো জীবনে
তয় রহমদিল যিনি খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিসেন তারে ব্রিরাট অভিনন্দন! এরাম আনন্দেই কাটুক আপনাগের সময়।
বি:দ্র: বইনটি একটা সাহায্য করেনদি। আগেও ভাঙা ভাইরে কইছিলাম হয়ত চোখ এড়িয়ে গেছে তার। আচ্ছা কনদি, কেম্নে পুষ্ট প্রাইভেট করে? কইলে কৃতজ্ঞ থাকতাম...
কাচ্চি তো খাই না।এইটা মনে রাইখেন।
পোষ্ট লেখার নীচে দেখেন ....প্রাইভেট করুন এক্টা অপশন আছে সেখানে ক্লিক করুন আর একদম নীচের "প্রথম পাতায় প্রকাশ করুন" অপশনটাতে ক্লিক করে টিক মার্ক উঠিয়ে দিন।
কইলজ্জার ভিত্রে গাঁথি রাখলাম গো বইন" আমরার জয়িতা বইন কাচ্চি পছন্দ করেন না!" কৃতজ্ঞ থাকলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ

খিচুড়ির দিকে মন চলে যাওয়াতে শিরোনামের বানান খেয়াল করি নাই আগে। ছন্দে মেতে বানান ভুল নাকি ইচ্ছা কইরা ????

দুলাভাইয়ের হৈয়া আমিই আওয়াজ দিলাম
নীড়দা, খিচুড়ি খাওয়ার লোভে বানাম খেয়াল করি নাই। থুক্কু।
বিমা, তুমি খাওয়াইবা? আসব বিকালে?
আসো, সাড়ে পাঁচটার পরে আইসো ... সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত আমার কামলা দেয়া লাগে ।
তো ...... কে খাওয়াইবো কিছু সাব্যস্ত হইলো >)
জয়িতা আপনি সামু ব্লগে কি নিকে লিখতেন? আপনার আপত্তি না থাকলে জানতে চাই।
আপত্তি কেন থাকবে?জয়িতা নিক ছিলো সামুতে।
দুমুঠ খিচুড়ির জন্য এই অবস্থা! কেউ জয়িতাকে খিচুড়ির একটা রেডিমিক্স প্যাক কিনে দিলেও তো পারতো
দুমুঠ খিচুড়ী!!!!!!!!!!!!!!!!!!

রাসেল ভাইয়ের এত হাসির কারণ কি? দু'মুঠ খিচুড়ীতে কি জয়িতা'পুর হবে না?
বেচারা ফুপি।ব্লগে পোস্ট দেয় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় এরে ধরে ওরে ধরে খিচুড়ী খাওয়ার জন্য।কিন্তু বেচারা খেতে পায় নি।
এই জন্য হাসতেছি।
রাসেল, খাওয়াইতে তো দুলাভাই চাইলো, বিমা চাইলো....জমিয়ে রাখলাম। আর খাওয়া কুনু বিষয় না। আমরা আমরাই তো। চাইলেই খাওয়া যায়। মেসবাহ ভাই এর খিচুড়ি আড্ডা ছিলো জম্পেশ এক আড্ডা। ফেসবুকে ইদানীং পুরানো ছবিগুলা সামনে আসে তো, এই ছবিগুলা দেখে মনে পড়েছিলো।
আমিও জানি খাওয়া দাওয়া(মানে আড্ডা) আপনাদের কনিষ্ঠ আংগুলের ময়লা।

আড্ডা মানেই খাড্ডা। খাওয়া ছাড়া কি আড্ডা হয় বলেন!সবচেয়ে মজার আড্ডা হলো ফুচকা খাওয়ার আড্ডা।
এতরাতে ফুচকার কথা মনে করায় দিয়ে মনটারে উদাস বানায় দিয়েন না।

থাক। আপনি মনে কইরেন না। আমরাও অনেকদিন ফুচকা খাই না। দেখি কাল বা শনিবারে খাইতে হবে।

নুশেরাপা, দুমুঠ খাবার কি কম? এই দুমুঠ খাবারের জন্যাই তো কত মানুষ আহাজারি করে।
রেডিমিক্স একটা কিনে রান্না করতে হবে। শুক্রবারেই একটা ট্রাই দিবোনে। আপনাদের যেফত।
আহা, জয়িতাকে এখন্ও কেউ খিচুড়ি খাওয়ালো না!
শরীর ভালো এখন? লিখছো না কেন???
হুমম। খাওয়া হলো না।
আপনি কেমন আছেন? আমি মোটামুটি। পুরোপুরি সুস্থ না। তাই পিসি তে খুব একটা বসা হয় না। লেখার মেতা এনার্জি পাই না নুশেরাপু। রাজ্যের উইকনেস। সুস্থ হলে লিখব।
'ঝিরিঝিরি' বৃষ্টি এখন আর 'ঝরছে' না, খিচুড়ির প্লেট হাতে কেউ তাই আসছে না । মাস 'পেরিয়ে' নুতন বছর আসবে আবার, ঝরবে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, সকলে তখন জয়িতার সঙ্গী হব 'খিচুড়ি' খাবার !
বাহ। দারুণ বলেছেন তো! অবশ্যই আসবেন খিচুড়ি থেতে।
জয়িতা, সুস্থ্য হৈছো, একটা পোষ্ট দেও আনন্দ কৈরা--
আমরা আড্ডাই--
মন্তব্য করুন