বৃষ্টির নাম জল হয়ে যায়
সে যে এসেছিলো আকাশ তো বলেনি
হায় সেই রাতে দীপ মোর জ্বলেনি
যেমন ছিলো সবকিছু তেমনই রইলো। বারান্দার সামনের সোনালু গাছটায় চড়ুই পাখিদের কিচিরমিচির, রাত বাড়লে দেয়াল ঘড়িটার টিকটিক শব্ধ করে রাত পাহাড়া দেওয়া, এলামেলো ঘর, রাতের আকাশের নিঃসঙ্গ জ্বলজ্বলে তারাটা....... কারো কোথাও এতটুকু ছন্দপতন ঘটেনি। কেউ আমাকে জানান দেয়নি আমার ভেতরে বদলে যাচ্ছে। দিনশেষে ক্লান্ত চোখে ঘুম আসে না, তাকে মনে পড়ে। কাকে? যার সাথে এই সপ্তাহ দুয়েক আগে মাত্র দেখা হলো। কি ভয়াবহ কথা! এভাবে কি সে আমার সমস্ত সত্তাকে গ্রাস করবে নাকি? এই ভাবনাকে চাপা দিতে হবে কঠিনভাবে। কিন্তু হচ্ছে না তো! রাতে মনে হয়, সকাল কখন হবে?তার সাথে দেখা হবে কখন? প্রতিদিন লেট করে যাওয়া আমি অফিস সময় শুরুর আগেই অফিস যাওয়া শুরু করলাম। তারপর থেকে অপেক্ষা শুধু, ঘড়ি দেখা বারবার। উফফ। এতদেরি করে কেন আসে সে প্রতিদিন? অপেক্ষার অবসান করে সে আসে।তাকে দেখতে পেলেই সকল অস্থিরতা দূর হয়।
তোমায় দেখলেই মনে হয়
হাজার বছর তোমার সাথে ছিলো পরিচয় গো ছিলো পরিচয়......
নিজেকে কেমন নির্লজ্জ লাগছে। একটা ছেলেকে দেখার জন্য, কাছাকাছি থাকার জন্য এত আকুলিবিকুলি কেন? নিজের আচরনে নিজেই অবাক এবং মনকে শাসন করার বৃথাই চেষ্টা। সে সামনে থাকলে আদেখলার মতো মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকা। অফিসই এখন সব, বাসায় যেয়ে কি হবে? কি বেশরম হলাম!
পোলা তো নয় সে তো আগুনেরই গোলা......
সে যা বলে তাই ঠিক। তা শুনতেই মধুর লাগে। আর কাউকেই তো ভালো লাগে না।
এ কি হলো?কেন হলো?.........
অফিস শেষে ঘন্টাব্যাপী রিক্সায় ঘুরা প্রতি সন্ধ্যায়। সে আরেক কাহিনী। তারপর বাসায় ফিরলে ফোনে কুটকুট করা শুরু হলো। কি করি, কি খাই, কি গান শুনি, কেমন আছি, কি দিয়ে ভাত খাই, করলা তিতা...এসব আগডুম-বাগডুম কথাবার্তা। দিন দিন ফোনে কথা বলার সময় বাড়তে থাকলো। রাত প্রায় শেষ হয়ে যায়। আগডুম বাগডুম এর সাথে যোগ হলো বাঁশি শোনা, গিটার শোনা। তারপরও মনে হয় কত কথা বাকী! আরো কিছু বলার আছে, জানার আছে।
তোমাকে চাই আমি আরো কাছে
তোমাকে বলার আরো কথা আছে
আমি বলতে পারি না মুখে উহু আহা
নিজের কথা ভাবি, কি মাইয়ারে বাঘে গিলে ফেললো!
দিনগুলো কেটে যাচ্ছে হাওয়ায় ভেসে, মনের ডানায় রঙ মেখে। জীবন যেনো এক হাজারো রঙ মাখা ক্যানভাস। স্বপ্নের মতো লাগে না , কারণ এমন স্বপ্ন তো আমি আঁকিনি। সে আমার হাতে একটা রঙের তুলি দিলো স্বপ্ন আঁকতে, জীবন রাঙাতে। যেখানেই তুলির আঁচড় দেই, যে রংটাই লাগাই শুধুই তাকে ভেবে। পৃথিবীটা যেনো শুধুই তাকে ঘিরে। আমার আমিত্ব বলে কিছুই নাই। তাকে ঘিরেই যখন বাঁচি....
মাঝে মাঝে কড়া নাড়ে সেই দিনগুলি
তুই ছিলি না যখন
তুই রবি আমারি তুই ছবি আমারি
তোকে ছাড়া বাঁচি আমি কেমনে
আমি যখন তার নিঃশ্বাসের মাদকতায় বুঁদ হয়ে থাকি সারাবেলা, সেইসময়ের এক বিকালে বারান্দার গ্রিলে মাথা ঠেকিয়ে তাকে আরো গভীরভাবে অনুভব করার অপেক্ষায় ছিলাম, হঠাৎ সে পেছন থেকে এসে ঘাড়ে মাথা ঠেকিয়ে থাকলো চুপচাপ। সুখের স্পর্শ। স্পর্শের নীরবতা ভাঙ্গলো সে, আমার স্বপ্ন আঁকার রঙ তুলি কোন এক সিন্দুকে আটকে রেখে গেলো। সে সিন্দুক ফেলে আমি এক পা নড়তে পারিনা। সৃষ্টিকর্তার কোন শক্তি হয়তো কোন একদিন সেই সিন্দুকটা আবার খুলে দিবে আমার সামনে, আমার বিবর্ণ পৃথিবীতে।
মেঘে মেঘে কত বেলা কেটে যায়
শুধু বিষাদের ভেলা
তুই ছাড়া একা একা দিন কাটে না
স্মৃতিরও ছায়ায়
তুই রবি আমারি তুই ছবি আমারি
তোকে ছাড়া বাঁচি আমি কেমনে
(উৎসর্গঃ প্রিয় তাতাপু আর মীরকে, যাদের লেখা পড়ার অপেক্ষায় থাকি প্রতিদিন কিন্তু তারা এই অনুভূতিটুকু টের পায় না।)
(শিরোনাম কৃতজ্ঞতাঃ মীর)





এইটা কি ভাবসম্প্রসারণ?
কিসের ভাবসম্প্রসারণ। এটা ভালুবাসা, কেরাবেরা ভালুবাসা।
বারান্দার সামনের সোনালু গাছটায় চড়ুই পাখিদের
কিচিরমিচির, রাত বাড়লে দেয়াল ঘড়িটার টিকটিক শব্দ করে রাত পাহারা দেওয়া,
এলোমেলো ঘর, রাতের আকাশের নিঃসঙ্গ জ্বলজ্বলে তারাটা....... কারো কোথাও এতটুকু
ছন্দপতন ঘটেনি।কেউ আমাকে জানান দেয়নি আমার ভেতরে বদলে যাচ্ছে।
আহা! আহা!
তোমাকে চাই আমি আরো কাছে
তোমাকে বলার আরো কথা আছে
আমি বলতে পারি না মুখ উহু আহা
নিজের কথা ভাবি, কি মাইয়ারে বাঘে গিলে ফেললো!
হায় হায় এদেখি বেশরম,ক্যারাব্যারা ভালোবাসা টাইপের ভাবসম্প্রসারণ।
কথা ছিলো ক্যারাবেরা ভালুবাসা টাইপ কিছু লেখনের, কথা রাখার চেষ্টা মাত্র। ভালুবাসা তো শরমেরই ব্যাফার।
কী শরম !! কী লজ্জা !!!
ছিঃ ছিঃ এইভাবে মানুষের কাছে ভালোবাসার
কথা বলতে হয়?
বেশরম!!! 
টাইপো ঠিক করলে আরও ভালো বলবো!!!
লেখা ভালো হয়েছে ।
টাইপো ঠিক করার চেষ্টা করেছি। আরো থেকে গেলে জানাবেন। খালি বানাম ভুল হয়।
আসো আগে গানটা শুনি
তোমাকে চাই আমি আরো কাছে/ তোমাকে বলার অনেক কথা আছে/ আমি বলতে পারি না মুখে তওবা তওবা/দিলে যখম হলো উহু আহা/ একি শরম লাগে লাগে উহু আহা
ফাইজলামি কমেন্ট দিমু ভাবছিলাম... কিন্তুক ক্যারাবেরা ভালুবাসা'র গল্প ভালো লাগছে তাই দিলাম নাহ...
বৃষ্টিরে গাম্লায়/বালতিতে ধরে রাখলেই জল হয়ে যায়, এটা আর এমন কি?... প্রশ্ন হইলো, নাম দেয়ার জন্যে মীর'রে পাইলা কই?...
তুমার ফাইজলামি কমেন্ট দাও। চুদুরবুদুর ছইলত না।
লীনাপার পোষ্টে মীর এক্টা গানের লিংকু দিছে, তার একটা লাইন এমন।
মুগ্ধ মানুষ তোমার লেখায় কালে কালে,
নিশ্চিন্তে কালার করো তোমার ... (হিন্দি চুলে)!!...
এটা বলতে চাইছিলাম, বলি নাই কিন্তু!!...
হিন্দি চুল না, চুলের হিন্দি ভার্ষণ।
জটিল বান্ধবী।জটিল।এই রোগে তোমারেও ধরছে। রায়হান ভাই এর দৌড়ানী খাইবা।
এহ! রায়হানভাই আমারে ভালো পায়...দৌড়াইবো না... আর ঐ কথা আমি বলি নাই তো!!... বলতে চাইছিলাম আরকি!!...
এখনো বলো নাই যেহেতু বাঁইচা গেলা।
কী বলো নাই তোমরা?
বুঝি নাই

আমিও বুঝি নাই, বুঝায়া কন!
আমি জানি না। আজব তো!
শরমের কথা আর কী কী আছে?
ইয়ে মানে, মাসুম ভাই কেমন আছেন? আমি তো ভালু। শরমের কথা কই না। পুলাপাইন উস্কাইলো দেখে আর কি টুকটাক।
সুমন ভাই, সালাম। আপনার পুলিশের সিরিজটা আর দেন না কেন?
ভালবাসার সব কথাই মনয় শরমের।
কত সুন্দর করে সহজে কথাগুলা বললে.।.। ।।
আনন্দের রৌদ্রচ্ছটায় আলোকজ্বল হয়ে উঠুক সবার পৃথিবী, কালোছায়াগুলো কে রাখলাম না হয় বুকের সিন্দুকের এককোনেই.।।
পড়ে মুগ্ধ হলাম। কতো সহজ উচ্চারণ, সরল স্বীকারোক্তি! এ শুধু জয়িতাকেই মানায়!
[যতিচিহ্নের পরে একটা করে স্পেস দিতে হয়, নইলে বাক্যগুলো গায়ে-গায়ে লেগে থাকে! এই লেখায় ওই লেগে থাকার কোনো গূঢ় অর্থ থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু সব লেখায় অমন হলে পড়তে অসুবিধা লাগে।]
একটা কমেন্ট দিতেই আমার জীবন তেজপাতা হয়ে যাচ্ছে।
নেটের এই দুরবস্থার কারণেই এডিট অপশনে ঢুকে ঠিকঠাক করতে পারছিলাম না। একজন অস্থির করলো --- যা লেখছস তাই দে। দিলাম। কিন্তু ভুল টুল ধরায়া না দিয়া মহিলা ঘুমায়।


সালাম কামাল ভাই। অনেক ধন্যবাদ যতিচিহ্নকে জ্যোতিচিহ্নের মতো করে পড়ে বুঝে নেয়ার জন্য।
একটা পোষ্ট দিয়া যে চান্দের দেশে গেলেন , আর তো খোঁজ নাই। এবার নতুন পোষ্ট দেন জলদি।
আপ্নেগো জ্বালায় আর চান্দের দেশে আর যাইতে পারলাম কই! খালি পিছন থেইকা ডাকেন, আমারেও তাই ফিরা আইসা কমেন্ট-টমেন্ট করতে অয়! এইগুলা কি লেখা না?
আরে যাইবেন কই?মানুষ কি যাওয়ার জন্য আসে? বসেন। কফি খান।
তারপর এক্টা উমদা পোষ্ট দেন।
লীনা আপু সেদিন একটা কথা বলসিলো। যেটা আজকে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।
তবে তানবীরা'প্পু আসলেই অনুভূতি টের পায় না। ঠিক ঠিক।
আমি পহেলা বৈশাখের প্রোগ্রাম নিয়ে একটু দৌড়াদৌড়ির মধ্যে আছি।
এই অনুভূতি টের পাই না, এই অপবাদের মানে কি? শয়তান পুলাপান।
কিন্তু আমি টুটুল ভাইয়ের সাথে একমত। এটা কি গানসম্প্রসারন? জইতা, গানগুলো তুলে দাও, পোষ্টে প্রেমের আমেজটা আরো জমুক।
যাক কেউ আমারে কিছু উৎসর্গ করলো
সেইটাই, গরীব মাইনষেরে কেউ গুণে না।
যাউক্গা, আদমশুমারি শুরু হইতেসে ১৫ তারিখ থিকা। আপ্নে কি গোণার মধ্যে আছেন?
আমি কি জানি, যে গুনতাছে তারে জিগাও
গুণতেসে সরকার। আপ্নের ফ্যমিলির লুক-জন মনে হয় ইনফো দিয়ে দেবে। ডোন্ট ওরি। এনআরবি হিসেবে কাউন্ট হবেন।
আমার ডাবল ন্যাশনালিটি। ভাইয়া অনেক বলেছিল ভোটার হতে, তখন আমি দেশে দিলাম আর জাতীয় পরিচয়পত্র না কিজানি একটা এসেছে নতুন সেটাও তুলতে। কিছু করি নাই, দেশে এত্তো গরম আর জ্যাম। বাসা থেকে বেড়োতে ইচ্ছে করত না
দিলে দিবে না দিলেও অসুবিধা নাই। বাসার লুকজনতো কবেই বেহুলা বানাইয়া ভাসাইয়া দিছে
একজন ধনী এনআরবি'র যা নাই, আমার তা আছে। ন্যশনাল আইডি কার্ড।

কি করেন? আপনের কথামতো আজ আমরা নেদারল্যন্ডের নেংটি খুলে রেখে দেবো।
এই ধনী এনআরবি ব্যাটা কে? শীগগীর ঠিকানা দাও
তেহারী খেয়ে বসলাম দেখি কিছু লিখতে পারি কিনা
ঠ্যাঙ্গের ব্যাথায় কলম ধরতে পারতেছি না, তোমার কি আজকেও নাইট ডিউটি? মাঝখানে দেখি নাই মনে হয়
এনআরবি আপনে। দেখেন তো কিছু করতে পারেন কি না। একটা ন্যশনাল আইডি'ও নাই। চিন্তা করসেন!
এখন আর নাইট ডিউটি দেয়া লাগে না। মাঝখানে দেখেন নি কেন? চোখ বন্ধ ছিলো?
বিরাট ভালবাসার কাহিনী।
ভালবাসা কিন্তু শরমের কথা, কাদিরা কইছরে।
তুমি কি বেশরম হতে চাও না?তাইলে তো জীবন বৃথা।
আপনার বয়ফ্রেন্ডের কি হইলো শেষ পর্যন্ত? সে কি আজকে অফিসে আসছে?
নাউজুবিল্লাহ মিন .....। অফিসে যদি আমার বয়ফ্রেন্ড থাকতো আমি কি-বোর্ড, মনিটরের দিকে তাকায় থাকতাম?
সেই সময় কই?পুলাপাই কিচ্ছু বুঝে না।গাবলুশ।
আপনেই তো লিখলেন, তার জন্য তাড়াতাড়ি যান। গিয়ে অপেক্ষা করেন। সে আসলে ভালবাসাপূর্ণ দৃষ্টি বিনিময় হয়। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে

আরে! এইগুলা কি আমার কথা নাকি? আমি তো দেরী করে অফিস আসি, আবার জলদি চলে যাই। কতগুলা আড্ডাবাজ উস্কায়, আর আমি উইড়া বেড়াই। বয়ফ্রেন্ড থাকলে তো তার দিকে তাকিয়ে থেকেই দিন চলে যেতো।
:\
শিরোনামের আগে, গল্প লিখতে শরম লাগে। কারণ আমি তো গল্প লিখতে পারি না। মনে যা আসে আগডুম বাগডুম লিখে চালায় দেই।
আকাশে বাতাসে আনন্দ নাই রে। শুধুই .......
অফিসের বয়ফ্রেন্ডের কথা স্বীকার করতে চায় না।
তোমার মাথার বুদ্ধি দেখে অবাক হচ্ছি!!

ভরা মজলিশে সে এইসব স্বীকার করবে??
আইছে সবজান্তা পীরসাপ।এইজন্যই পোলাউ রানলে জাউ হয়।
আমার অফিসে এমুন কেউ নাই রে। মনের দুঃখে নেটে খেলা দেখি। দীর্ঘশ্বাসের ইমো হপে।@মীর
আহারে আমার সেই পোলাও!!

জয়িতা'পু কি অবস্থা? বয়ফ্রেন্ড কিরাম আছে? আর নিজের সম্পর্কে ফোঁটা দিয়ে রাখছেন ক্যান? ভাবলাম ফোঁটায় ক্লিকাবো, কিন্তু সেই সুযোগও তো নাই।
মাত্র বাসায় ঢুকলাম। বুঝে নিন তাইলে আমার কি অবস্থা। আর বয়ফ্রেন্ড? সে তো ভালোই থাকে। পুরুষেরা ভালো থাকবে এটাই তো প্রকৃতির নিয়ম। ফোঁটার কথা পরে বলব। প্রতি ২৪ ঘন্টায় আপনার এক্টা পোষ্ট কিন্তু দেয়া হচ্ছে না।
পোস্ট দিতে পারতেসি না। টেকনিক্যাল কেরামতি


কোক খাবেন?
কাল থেকে কোক খাওয়ার সময়টুকু পেলাম না। ঘোরের মধ্যে কাটছে দিন। দৌড়ের মধ্যে। কি প্রব্লেম?পোষ্ট দেন। নাইলে কিন্তু
দেবো।
ইদানিং "কথা না বলা" রোগে ধরছে আমারে।

পোষ্ট পড়ি না যে তা না, কিন্তু পড়ে কিছু বলতে ইচ্ছা করে না। এখনো ভাবতেছি, কি কমু?
মহা জ্বালায় আছি
এই রোগটা কেমনে বানায়? বউরে তাইলে একটু............
জানিনা তো

তবে কথা কইলে যদি এতই দোষ হয়, তাইলে পোলারা মানুষরে বিয়ে না করে ঐ পয়সা দিয়া পছন্দ সই পুতুল কিনে না কেন?
বিয়া করে মাইনষে?
তাইলে আপনি কি? জ্বীন-ভূত?
ঐরকমই
আমিও তো তাই কই!!
কদিন কাজে কামে ব্যস্ত ছিলাম ব্লগে আসা হয়নি। জয়িতার লেখা ভালো লাগলো সাথে মন্তব্য গুলোও।
তুমি দেখি কুবিতা থুক্কু গান নিয়ে ভালুবাসার আলুচাষ করতেছ ।
জয়িতা, শেষের অংশটা খুব ভালো লাগলো।
আর এই গানটা তো কমেডি ক্লাসিক।
ধন্যবাদ @তানভীর
হ। তুমার লাগি আলুচাষ করলাম। যদি তুমার দেখা পাই, সেইটা ভাইবা। জীবিত আছ?@ চাংকু
ধন্যবাদ। এমন কত মজার হিট গান আছে! আপনি সেসব নিয়া একটা পোষ্ট দেন। আপনার লেখা ভালু পাই। @ শর্মি
মন্তব্য করুন