এক টুকেরা অনুভব
চা এর কাপটা দুহাতের মাঝখানে, চা এর কাপের উত্তাপ দু হাতের তালুতে। ছুটির দিনের প্রতিটা সকালের মত কাপটা নিয়ে বারান্দায় বসতেই সামনের খোলা জায়গায়?চোখে পড়লো অনেক ফুল ফুটেছে এই ক’দিনে।চোখে, মনে একটা মুগ্ধতার ছটা। ফাল্গুন আসছে। আবার ফাল্গুন এলো বলে। অদিতি এখনও অনুভব করে সেই উষ্ণতাটাকে। অদিতি সবে অনার্স পাস করেছে। মাস্টার্স শুরু হয়নি। অদিতির ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান একদিন ডেকে বললো একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াতে। খুব খুশি হলো সেদিন। বাবা বললো ”মাস্টার্স শেষ হোক।” অষ্ট্রেলিযার একটা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করেছে সে। বন্ধুরা অনেকে এম এস করতে দেশের বাইরে যাচ্ছে বলে এই ঝোঁক চাপলো মাথায়। চাকরিটা পেয়ে ভাবলো করে দেখি কয়েকদিন। বাবা আপত্তি করলেন না।
শুরু হলো নতুন জীবন, পড়াশোনার মাঝখানে চাকরী। অদিতির কলিগ অরিত্র , একটু খেয়ালী। অদিতি নতুন বলে খুব সাহায্য করে তাকে যদি প্রয়োজন হয়। কিছুদিনেই দারুন বন্ধুত্ব হলো দুজনের। দুজনের বাসাও কাছাকাছি। অরিত্র একদিন বললো ”আমরা দুজনে একসাথে যেতে পারি যদি আপনার আপত্তি না থাকে।”মাঝে মাঝে আরিত্রর ক্লাস শেষ হতে একটু দেরি হয়ে যায় কিন্তু অদিতি অপেক্ষা করে। রিক্সায় যেতে অনেক কথা হয় প্রতিদিন....দুজনের ¯ম্পর্কে জানা, চেনা। অদিতিকে বাসায় নামিয়ে অরিত্র চলে যায়... কিছুদিন পর থেকে বাসায় পৌঁছেই ফোন করে অরিত্র। অদিতি টের পেলো সে প্রতিদিন এই ফোনের জন্য অপেক্ষা করে...ভাবে কেন এমন হচ্ছে? মনকে শাসায়। কিন্তু তার মন যে চিরকালের বেয়াড়া। মনের উপর কখনো নিয়ন্ত্রণ নেই তার। এভাবে কাটছে সময় ... কাজ শেষে রিক্সায় করে এখন অকারণ কিছুটা সময় ঘুরাঘুরি। ফাল্গুনের সিগ্ধ, মায়াবী বিকেল , সন্ধ্যা। আজকাল ছুটির দিনগুলোতেও বিকেল হলে দুজনে বের হয় রিক্সায় ঘুরতে, রাত জেগে ফোনে কথা হয়। কত কথা যার হয়ত কোন মানে নেই কি›তু অনুভবে উষ্ণতা আছে। ফোনের জন্য, দেখা হওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকার সমযটায় কেমন ভয় নাকি দ্রুত হার্টবিট টের পায় অদিতি। ও ভাবে অরিত্রও কি টের পায় এমন? জানতে চাওয়া হয় না। অদিতির বারবার মনে হয় কেন এমন হলো?নিজেকে সে হারিয়ে ফেলছে নাকি হারিয়ে ফেলেছে পুরোপুরি, নিজেকে এমন প্রশ্ন করতেও ভয় পায় সে।আজকাল বন্ধুদের প্রাণমাতানো আড্ডায় খুব একটা যাওযা হয় না ওর। একটা ঘোর নাকি মায়া একটা কেমন যেন অনুভূতি তাকে আঁকরে রাখে সারাক্ষন। সেই অনুভূতি তাকে টেনে নিয়ে গেলো জীবনের এক অমোঘ পরিনতিতে। পাঁচটা বছর কেটে গেলো, কত কি ঘটলো, কত কি! তবু ছেড়ে যেতে পারেনি অদিতি অরিত্রকে। কাছেও পায়নি। দুজন এখন প্রথিবীর দুইপ্রান্তে। এখনও অদিতি আনমনে হাত বাড়ায় মাঝে মাঝে টের পায় কি ভীষন শূণ্যতা...হু হু করে বুকের মধ্যে। হঠাৎ টের পেলো গালে ঠান্ডা স্পর্শ। দেখলো জল গড়িয়ে পড়লো চায়ের কাপে। চা ও ঠান্ডা হয়ে জল হয়েছে। জানে ফাল্গুনের প্রতিটা বিকেলে ভয়াভহ শূণ্যতা তাকে আঁকরে ধরে থাকবে। অদিতি বিরবির করে বললো ”কেন এমন হলো?”





অবুঝ দু'হাত শুধু হাতরিয়ে ফেরে ফুল ওড়ে অকাল বাসরে ....
কাঁকনের কাঁকনটা সুন্দর।আমার মা এমন পরেন।কমেন্টের উত্তর জানা নাই।
এইসব ছেঁকুমার্কা গল্প আর ভাল্লাগেনা। মাইনাস!
ভালো লাগলো না জেনে খুশি হলাম। গাছের কথা নড়েচড়ে বউরে মনে পড়ে টাইপ কথা বলবা না ভেবে ভালো লাগলো
দিলা তো বউয়ের কথা মনে করায়া! তোমার দিক্কার!
বেচারা এক্ষনি নতুন ডায়ালগ বানাইতে বসবে... যে হারে পোলাপান মুখের কথা বলার আগেই বুঝে যাচ্ছে!!!
মুকুল্রে এরম কষ্টের মধ্যে ফেলার জন্য দিক্কার
মুকুল সবসময় বলে দুস্ত বউ এর কথা মনে পড়ে!বুকের মইধ্যে কেমুন লাগে!গাছের পাতা নড়ে, পড়ে, বৃিষ্ট পড়ে, শিশির পড়ে ...মনে পড়ে...
কেন আশা বেঁধে রাখি? কারণ আশাই ভরসা।
কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে.....
কী সর্বনাশ, এরা আমরা বন্ধুর অদিতি আর অরিত্র নাকি! তাহলে তো চিন্তার কথা
কি দুশ্চিন্তার কথা!আমি কইলাম কিছুই জানি না।নিরপরাধী।মানহানির মামলা করবে না তো!নুশেরাপু কি যে কইলেন!ডর দেখাইলেন।
তারা খুশিও হইতে পারে, কিছুই বলা যায় না
আক্কেল-গুড়ুম...
অদিতি@ আক্কেল-গুড়ুম হয়ে মাথার চুল খাড়া করা হয়ে গেছে ছবিতে...
কুন ছবিতে আপা?আমার চুল কিন্তুক ম্যালা লাম্ফা, খাড়া হইয়া গেলে ব্যাপক পগলেম।
আমারো আক্কেল তব্দা খাইছে।আমি জানতাম না অদিতি অরিত্র চরিত্র এ বি তে আছে।
কি কমু বুঝতাছি না, কারণ এমন ফাপরে পড়ি নাই কুনো দিন।
কি ফাপড়?বুঝিয়ে বলেন....কিছুই বুঝতেছি না।
অ-দি-তি?????
ছ্যাকামাইসিন গল্পে মাইনাচ।
হুমমমমমমমম। বুঝলাম।
অদিতি হাজিরা দিয়া গেসে অরিত্র কই?
ভাই অরিত্র আপ্নে একটা অন্তত পোস্ট লিখেন আপনারে খোচা ঠেলা দেয়ারো তো কোন উপায় নাই
আমি একটা অভিনব রোম্যান্টিক গল্পের সিরিয়াস সম্ভাবনা দেখতেসি কিন্তু... অরিত্র আপনি কোথায় চলে আসুন জয়িতার পোস্টে................
নুশেরা'পু@ আমিও সম্ভবনা দেখলাম... এটার সাথে মাসুমভাইয়ের পোষ্টের http://www.amrabondhu.com/masum/299 বালিকার অংশটুকু জুড়ে দিয়ে যেখানে অরিত্র অপেক্ষায় আছে অনেকদিন পর দেখা হবে অদিতির সাথে... কথার মালায় দুজনের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কাটা-ফুল আর তাদের এক করে গাথাঁ সম্পর্কের রজ্জুগুলোকে নিয়ে আরো একটা গল্প...
হেহে...জেবীন আপা, রজ্জুতে সর্পভ্রম
@জেবীন, মাসুম ভাই এর বালিকার সাথে কেন ২৫ বছর পর দেখা হবে তা উনি নিজে জানেন কিন্তু অদিতি কি ভাবে যে অরিত্রের সাথে ২৫ বছর পর দেখা হবে?সে ত অপেক্ষায় খাকে দেখা হবে বলে, তারপর-----
অরিত্র অদিতি এবি'র রোমিও জুলিয়েট।
জী
আমি হাজির
আমাকে কেন খোজা হচ্ছে?
ওহ অদিতির জন্য?





এইটাকি স্মৃতি তুমি বেদেনা টাইপ গল্প
গল্প ভাল্লাগিলো
ভাল্লাগিলো জেনে মোর মন ভরিলো।স্মৃতি ত বেদানার মতই মিষ্টি হয়। খাইছেন না?
যাক অবশেষে অদিতি-অরিত্রের দেখা হলো... বাচ্চালোগ তালিয়া বাজাও
বাপ্রে!!!
ডাকতেই হাজির
জনগন একটু ঝেড়ে কাশেন বুঝতে পারছি না ঘটনা।লিখে মফিজ হলাম কেমনে?
লিখা তো মফিজ হন নাই তবে এই মন্তব্য কইরা মনেহয় মফিজ হইলেন
কাকনের মন্তব্যে জাঝা
ব্যাপক আমোদিত
মডুগণ, তাড়াতাড়ি পোস্টে ক্যাটাগরি দেয়ার ব্যবস্থা করেন। এই পোস্টটা "ঐতিহাসিক" ক্যাটাগরিভুক্ত হওয়ার দাবী রাখে
মডুগণ, তাড়াতাড়ি পোস্টে ক্যাটাগরি দেয়ার ব্যবস্থা করেন। এই পোস্টটা "ঐতিহাসিক" ক্যাটাগরিভুক্ত হওয়ার দাবী রাখে
নুশেরার দাবীর সাথে আমিও একমত।
গল্পটা বড্ড তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলো যেনো, আরো একটু মিস করছি।
গল্পাটা লম্বা থেকে লম্বাতর বানানোর খায়েশ নিয়া লেখা শুরু করছিলাম। তারপর টাশকিত হইয়া চুপ হইয়া গেছি।
মন্তব্য করুন