টুকটুক গল্প-৪
এমনি করেই সব হারিয়ে যায়। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করি...কি বোর্ড থেকে চোখ তুলে দেখি স্ক্রিনে কিছু নেই। অনেকটা সময় ধরে নিজের মত করে যা লিখতে চাইলাম হারিয়ে গেলো।সবগুলো অপশন খুঁজে খুঁজে দেখি যদি কোথাও পাওয়া যায়! পাইনি কোথাও, আমি জানার, বোঝার আগেই হারিয়ে গেলো। এমন করে কত কি যে হারালো! একজন বলেছিলো, সবার অবস্থার পরিবর্তন হলো, আপনি তো যেমন ছিলেন তেমনই রইলেন, আপনার অবস্থার পরিবর্তন হলো না।ভেবে দেখলাম সত্যি তো!সবকিছু আগের মতোই আছে। ক্লান্ত দুপুরে সেই বারান্দায় সেই চড়ুইপাখিদের কিচিরমিচির, সেই দুটি কবুতরের একজন আরেকজনকে ঠোঁট দিয়ে আদর করে দেওয়া....কিছুই বদলায়নি।
আমার খুব প্রিয় বন্ধুদের একজন জেবীন। একসময় কারণে-অকারণে, সুখে-ভীষণ কষ্টে কত যে অকারণ গল্প করতাম ফোনে, মেসেঞ্জারে, ফেসবুকে। সে এখন দূরে থাকে, কথাই হয় না। তার একটা অফলাইন মেসেজ পেলাম একদিন। সে লিখেছে...কেমন আছি, কেমন থাকি, কি করি, কেমন কাটে দিন..সব যেনো তাকে জানাই। এমনকি হাঁটতে গিয়ে আচমকা বারান্দায় কারো সাথে ধাক্কা লেগে হোঁচট খেলাম কিনা তাও যেনো জানাই তাকে। আমি কিছুই জানাইনি। প্রায় ভাবি, কি লিখবো? সবই তো আগের মত, আনমেন যদিও বা চলি তবু চেনা পথে চলতে চলতে পাগুলোও অভ্যস্ত হয়ে গেছে, নিজেই ভারসাম্য ঠিক রাখে। সেই তো ভালো, তাই না? অচেনা পথে হাঁঠতে গেলে পা পিছলে যায়, হয়তো আনমনে গভীর কোন অন্ধকার কূপেই পড়ে হারিয়ে যাব! আর কারো সাথে হোঁচট না খাওয়াই তো ভালো। ব্যথা পেলেও কেউ একমুহুর্ত দাঁড়িয়ে এতটুকু মমতা নিয়ে জানতে চায় না কোথাও ব্যথা লাগলো কিনা। মানতে হয় আমারই তো ভুল। তবু ভুল শুধরে নিজেকে বদলে ফেলতে বলে না মন একবারও।
তবে, বদলেছে সময়। সময় বদলানোর সাথে কাছের মানুষেরা দূরে চলে যাচ্ছে। আপন গন্ডিটা শীতের হাওয়ার মতো কেমন হুহু করে উঠে।





হাহাকার মার্কা লেখা ভাল্লাগে না
আপনে যে কমেন্ট ছাড়া আরো কিছু কর্তে পারেন সেইটাই তো ভুলে গেসিলাম।
যাক্ লেখাটা খুবই ভাল্লাগলো। প্রিয়তে নিলাম।
অ.ট.: ইদানীং ব্লগে মনে হয় নতুন কিছু ফিচার যোগ হৈসে। কমেন্ট বক্সের পরে রায়েহাত শুভ নামে এক ভদ্রলোকের কমেন্ট দেখতে পাইতেসি। সেটা আবার আমাদের রেগুলার কমেন্টগুলার লাইনে আসে নাই। বিয়াপুক মজা পাইলাম এই জিনিস দেইখা।
ইদানিং লগিং কর্তে বড় আলসি লাগে
ও, আপনে নাকি? আমি তো বুঝতেই পারি নাই
এই জিনিস প্রিয়তে কেমনে নেয় আবার? কি যে বলেন!
অ.ট.শুভরে কই দেখলেন? আমি তো এবি তে এমন কিছু দেখি না! কেমনে কি!
সব ঠিক হবে।
কোথায় ব্যথা লাগলো আপু?
খালি মন খারাপের লেখা দেন কেনু? হাসিখুশি রোদেলা দিনের লেখা দিতে পারেন্না?
দুঃখবিলাস বাদ দেও!
এমনে চললে চলে না..
নিজেরে নিজের ভিতর এত বেশি হারিয়ে যেতে দিতে নেই।এই একলা চলার পথ টা বড় বেশি নিঃপ্রাণ,নিজস্ব স্বকীয়তা কেও তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়।
কে কি ভাববে,তা ভেবে নিজেকে এত গুটিয়ে রাখার কোন মানে হয় না।যে বোঝার সে বুঝবেই,যে থাকার সে পাশে থাকবেই।
ভাল থাকুন,আপু..
বুঝতেই পারছি সময়টা এখন আপনার প্রতিকুলে। আসলে কিছুই করার থাকে না। আমরা সবাই এই ক্রমশ বদলে যাওয়া সময়ের ইতিহাসের এক একটা চরিত্র মাত্র। পরিচালক সেখানে অন্য কেউ। তবে একটা খুশির সংবাদ দেই। মনের কথাগুলো যে এভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন সেটাই হয়তো হতে পারে খারাপ সময়ের ইতি হওয়ার শুরু। ভাল থাকেন।
খালি মন খারাপের লেখা দেন কেনু? হাসিখুশি রোদেলা দিনের লেখা দিতে পারেন্না?
দিলেন তো মনটা খারাপ করে
।
লেখা ভাল হৈছে। মন খারাপ ভাল হয়ে যাবে- এইতো আর মাত্র কয়েকটা দিন
কয়দিন পরে কি? শেয়ার মার্কেট চাঙ্গা হবে? ডিম পোচ খাইবেন?
একটু আগে কলিগ একটা সত্যি-কৌতুক বললেন- পরীক্ষা খাতা দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন এসেছে- কী করিতে হইবে বুঝিতে পারে না যে তাকে কী বলা হয়? আর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে যে পুরুষের তাকে এক কথায় কী বলা যায়?
একজন প্রথমটার উত্তর লিখেছে- আবুল। আর দ্বিতীয়টার উত্তর লিখেছে- শালায় গেছে!
হে হে হে... আপনারা সবাই হাসেন। বিশেষ করে জয়িতাপা। এই কৌতুক্মন্তব্য তাকে উতসর্গ করা!
রাসেল ভাইয়ের (পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি) কীর্তিকলাপ দেখতে খুবই মজা লাগে

ওই ইউনিভার্সিটিতে রান্না শিখানো হয়। রাসেল তো বিরাট বাবুর্চি হইছে। সারাদিন রান্ধে আর ফটুক পোষ্টায়।
জেবীইইইন! ফিরে এসো...! ফিরে এসো!
আমি তোমার জন্যে এনে দিব রোদেলা আকাশ .।.।.।.।.।.।.।।।
এক সময় ধপ্পাস কৈরা মানুষ মৈরাও যায়। তখন সব শেষ, এমন কি আফসুসও!!!
আপনের নতুন পোস্ট কৈ?
- যে কোন একটা ফুলের নাম বল
- দুঃখ ।
- যে কোন একটা নদীর নাম বল
- বেদনা ।
- যে কোন একটা গাছের নাম বল
- দীর্ঘশ্বাস ।
- যে কোন একটা নক্ষত্রের নাম বল
- অশ্রু ।
- এবার আমি তোমার ভবিষ্যত বলে দিতে পারি ।
খুব সুখি হবে জীবনে।
শ্বেত পাথরে পা, সোনার পালংকে গা।
এগোতে সাত মহল,
পিছতে সাত মহল।
ঝর্ণার জলে স্নান, ফোয়ারার জলে কুলকুচি।
তুমি বলবে 'সাজব'
অমনি বাগানে মালিনীরা গাথবে মালা
ঘরে দাসীরা বাটবে চন্দন।
তুমি বলবে 'ঘুমুবো'
অমনি বাগানে পাখোয়াজ তানপুরা।
অমনি জোত্স্নার ভেতরে এক লক্ষ নর্তকী।
সুখের নাগর দোলায় ভাসতে ভাসতে
এমনি অনেক দিন।
........................... কথোপকথন, পুর্ণেন্দু পত্রী ।
তোমাকে
পছন্দের কবিতার জন্য। পোষ্ট দেও না কেন?পোষ্ট দেও ভাষণ দিয়া।
প্রিয়তে দিলাম। কত কথা যে মনে করায়ে দিলেন।।
(
(
আর কয়েকটা দিন মাত্র
সেটাই ভুল কেবল আমরাই করি! যেটা না করি তাও আমারি ভুল, অন্যে কি শাস্তি দিবে নিজেই নিজেকে শাস্তি দিয়ে চলি, ভুলটাকে শুদ্ধ(!) ভেবে ভুল করেছিলাম বলে!
কতকথা জমে, শুধু জমেই চলছে .।্ যা চাই তার উল্টাটাই ঘটে চলছে ইদানিং, তাই নিজের জন্যে চাইতেও ভয় পাই! চারপাশের কত পরিবর্তন দেখলাম, দেখছি, জানিনা আরো কত কি আসবে সামনে!
মন্তব্য করুন