বেলা শেষে ফিরে এসে
অনেক জল্পনা কল্পনা, আড্ডার উছিলায় চটপটি ফুচকা খাওয়া , মেসেঞ্জারে কনফারেন্স, ফোনাফোনি সবকিছুর অবসান ঘটিয়ে ৫ ই ফেব্রুয়ারি এলো। আনন্দ উত্তেজনা, আর টেনশন নিয়ে ভালো করে ঘুমাতে পারলাম না, যদি আবার সকালে সময়মত উঠতে না পারি। সাঈদ ভাই বলছিলো সাজুগুজু করে যাবেন, না হয় ছবি তুলে দিব না। কিসের সাজুগুজু কিসের কি! এমনিতেই মেসবাহ ভাইকে যা জিজ্ঞেস করি তাতেই ঝাড়ি দিচ্ছিলো। আর যদি সময়মত পৌছতে না পারি তাহলে ত খবর আছে। মনে বিশ্বাস ছিলো পিকনিকটা গৎবাঁধা পিকনিক হবে না, হবে আনন্দ উৎসব। আমরা যে সবাই বন্ধু। যেন বিনি সুতোয় গাঁথা একটা মালা।
প্রথমেই বলি আমি খুব আড্ডাবাজ। যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম রেগুলার আড্ডার পাশাপাশি কোন না কোন উছিলায় আড্ডার আয়োজন করতাম। এই উৎসবটার আগে সেই কথাগুলো খুব মনে পড়ছিলো। প্রাণোচ্ছল দিনগুলোকে আমি প্রতিদিন মিস করি। সেই দিনগুলোকে পিছনে ফেলে যখন একঘেয়ে সময় পর করছিলাম তখন পা বাড়াতে বাড়াতে ব্লগের উঠোনে পরিচয় হলো কিছু সুন্দর মানুষের সাথে। সময়টা ২০০৭ সাল। প্রতিদিনে, দিনে দিনে একসময় যে বন্ধনটা গড়ে উঠলো সে বন্ধুত্ব। কি অদ্ভুত ব্যাপার। আমরা কেউ কাউকে চিনি না। অথচ কি তুমুল প্রাণ মাতানো আড্ডা। অচেনা বাঙ্গালী(রায়হান ভাই), প্রত্যু(টুটুল), উদাসী, জেবীন, রাশু, মানুষ, বিমা, মুকুল, আইরিন,মাশলুল, মাথু, ছালু আরো অনেকে। আমরা শুধু ব্লগে আটকে থাকলাম না, সিজনাল বন্ধুও হলাম না।
ব্লগ মেসেঞ্জার ছাড়িয়ে আড্ডা শুরু হলো রাশু যখন দেশে আসলো। সবার সাথে সেদিন প্রথম পরিচয়। রায়হান ভাই তখন বান্দর গ্রুপের বিরাট এক বান্দর। মিচকা শয়তান টাইপ মিষ্টি করে হাসে আর এমন কথা বলে যে আনন্দে দুঃখে চউখে পানি এসে যায়। যাকে আগে বুঝতেই পারতাম না যে বান্দর রানীর প্রতি তাঁর এত আগ্রহ। এত বিরহ। তবে সময়মত আড্ডায় চলে আসে, যদিও এখন বিশেষ কারো অবার অনুভব করে বলে কিঞ্চিত গাইগুই করে। তবে তাকে ছাড়া আড্ডা অসমাপ্ত মনে হয়। জেবীনকে প্রথমে দেখাতেই দেখলাম মেয়েটা মনে ঢেউ তোলার মত করে হাসে। ফোনে ওর কথা বলাটা এত সুন্দর যে মন ভালো হয়ে যায়। সবাইকে খুব সহজে আপন করে নেয়। যেন কত যুগ যুগ ধরে চেনা। মাথু কে ভাবতাম খুবই রাফ টাইপের একটা ছেলে পরে দেখা গেলো যে সে অতীব ভদ্র লেজ বিশিষ্ট টাইপের। খুবই অমায়িক এবং রোমান্টিক, নরম সরম । টুটুল কে ত সবাই বলবে সে অমায়িক মিষ্টি একটা ছেলে। সহজেই সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়। বন্ধু হলে যেমন ছোটখাট ভুলগুলি ধরিয়ে দিতে হয় সে তা করতে মোটেও দ্বিধা করে না। এখন ত ওর সাথে একটা মিষ্টি মেয়ে নাজ আছে । ওদের দুজনকে দেখলে যে কারোর মন ভরে যাবে। ছালু সবসময় ব্যস্ত থাকত ফোনে কথা বলা নিয়ে। এখন প্রানের মানুষ ঘরে তাই অফিস নিয়ে ব্যস্ত। ওকে আমরা মিস করি। মিস করি নাদানকে। মাশলুল আগের মাতো লালটু মার্কা। প্রতিদিন ছেঁকা খেতে খেতে সে এখন ভালোবাসার ওরস্যালাইন বানায়। আর বিমা! কত গানের যে বাহার ছিলো যখন সে পোল্যান্ড ছিলো। তারপর দেশে আসার পর মাথু আবিষ্কার করলো যে গান আসলে ওর রুমমেট গাইতো। আইরিন তো সবসময় হাস্যময়ী , লাস্যময়ী মেয়ে। মুকুল হা হুতাস করা নোয়াখালীর প্রত্যন্ত কোন জায়গার এক ছেলে যে শহরের মানুষদের উপর খুবই বিরক্ত।
তারপর মেসেঞ্জার থেকে নতুন করে ভাব হলো মেসবাহ ভাই আর মাসুম ভাই এর সাথে। মেসবাহ ভাই এর চাপাবাজির সাথে পরিচয় খুব অল্প সময়ের মধ্যে। কিন্তু যেদিন উদঘাটন হলো যে উনি আমার বড় ভাই এর বন্ধু সেদিন থেকে উনি আমাকে সুযোগ পেলেই মিষ্টি ধমক ধামক দেয়। এই মানুষটার এত আন্তরিকতা না থাকলে আনন্দ উৎসবের বেলা শেষে সবাই আমার মত এত মিষ্টি অনুভুতি, স্মৃতি নিয়ে ফিরে আসতো না, এভাবে হয়ত যাওয়াই হতো না। মাসুম ভাইকে প্রথম দেখলাম মেসবাহ ভাই এর খিচুরি আড্ডায়। মাসুমিয় এবং বিশিষ্ট ভাবিষ্ট ভাব। সবার প্রিয় এবং গণ দুলাভাই। তারপর পথ হাঁটতে হাঁটতে দেখলাম উনি খুবই অসাধারণ, আন্তরিক এবং চমৎকার একজন বন্ধু।
এই মানুষগুলোর সাথে ত উৎসবে গেলে সেটা আনন্দ উৎসবই হবে। সাথে আবার আমাদের রাজকন্যা যার গল্প আমরা অনেক পড়েছি। কিন্তু সাথে ছিলো আমরা বন্ধু পরিবারের আরো না চেনা সদস্য। যাদের মধ্যে সাঈদ ভাই , নজরুল ভাই, হেলাল ভাই, বৃত্তবন্দী, মামুন (পথিক), উদরাজী এর সাথে আগে অল্প সময়ের জন্য দেখা হয়েছে। এই সব বন্ধুরা যখন সবাই একসাথে হাত বাড়ালো চলো না ঘুরে আসি বলে তখন রোদ ঝলমলিয়ে উঠলো সবার মনে।এদের যে কারো অনুপস্থিতিতে হয়ত আকাশে কোথাও মেঘ জমত। যারা আমাদের সাথে উৎসবে না যেয়ে দোয়া করেছেন তারা সত্যি আমাদের সাথে ছিলেন। একেকবার একেকজনের মনে, গল্পে। তাদের সাথেও দেখা হবে কোন একদিন। সুন্দর কোন জায়গায়, সুন্দর মনের মানুষগুরি যেখানে পা বাড়াবেন সেখানেই রোদ ঝলমল করবে। এত সুন্দর, আনন্দময় একটা সারাবেলা কাটানোর পর বারবার মনে হচ্ছে আমরা বন্ধুরা যেন হারিয়ে না যাই ব্লগে লগ আউট হওয়ার মত। আমরা যেন কাছে থাকি, পাশে থাকি, হাতে হাত রাখি। চোখ বুঝলে যেন অনুভব করি বন্ধু আছি পাশে ছায়া হয়ে বিশ্বাসে........





ভালো লাগলো; বন্ধুত্বের ছায়া থাকুন সারা জীবন এই কামনা করি
কেমন আছেন আপু?আজকে আমি রাত জাগা পাখি...তাই এই ভোর হতে চলা সমযে আপনাকে পেলাম ব্লগে। ভালো লাগছে জেনে আমারো ভালো লাগলো।
আপনার কমেন্ট পড়ে একটা গান শুনতে মন্চাইছে "এ রাত জাগা পাখি কি গান যায় শুনিয়ে....."
গান শুনছি ।ভাবছি...বারান্দায় হাটছি।ঘুম হবে না। না হলেই বা কি?গান শুনেন।
জয়িতা আসছি আবার জুলাইতে, রেডি থাকেন এবার গ্রীষ্মকালীন পিকনিকের জন্য। আবার জমবে মেলা - বটতলা হাটখোলা। দরকার হলে নন্দনের পানিতে নেমে পিকনিক করবো কিন্তু পিকনিকতো ভাই করবোই করবো।
চলে আসেন খালি তাল তুলমু। মেজবাহ ভাই হাতের তুড়িতে প্রোগ্রাম সেট করবে।অপেক্ষায় থাকলাম।নন্দন লাগবো না।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।
পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।পুষ্কনির পানতে সমস্যা নাই কারো।
লাখ কথার এক কথা
হ।এতগুলা সুন্দর মানুষ যেখানে যাবে পাখি কিচিরমিচির করবে।দেখলে বুঝতেন সে কি আনন্দ সবার!রায়হান ভাই নারীদের নিয়ে ভালো মাঝি হয়।তবে পানিতে পইড়া গেলে কারো গলায় জড়িয়ে ধরে উঠতে হবে। সমস্যা কি!
সালাম , সবাই কে...। সে যাই হোক না কেনো...।পিকনিক এর উপর জয়িতা আপা তোমার লিখা টা বেশ ভাল লাগলো...আসলে আমরা নেটে কে কি রকম তা সবাই জানি না...বা যাদের সাথে আমরা এখানে ব্লগ এর মাধ্যমে আমাদের মনের কথা গুলো আদান প্রদান করছি খুব কথা বলার বা এক সাথে মিশে কোনো কাজ বা আড্ডা দিতে ইচ্ছা করলেও আমরা সবাই তা পারিনা।।কখনো তা হয়ে উঠে আমাদের কাজের জন্য বা হয়তো আমরা কেঊ থাকি দেশের বাহিরে...তো সে ক্ষেত্রে আপনাদের এই মুল্যবান লিখা গুলোই আমাদের এক মাত্র অবলম্বন...জয়িতা আপু একটা বলেছ ...শেষে...এত সুন্দর একটা দিন আমরা আনন্দে কাটানোর পর যেন আমরা হারিয়ে না যাই...আমরা যেন পাশে থাকি , কাছা কাছি থাকি একে অপরের...হাতে হাত রেখে চলি...।আর যেন চোখ বন্ধ করলে যেন সে অনুভুতি টুকু আনুভুত হয় আমি একা নই ...আমার একঝাক বন্ধু আছে...যারা আমার সাথে ছায়া হয়ে আছে...ঠিক এ কথাটাই আমি আমার প্রথম লিখা টাতে বলেছি...যেন আমরা হারিয়ে না যাই...এখান থেকে লগ আউট হওয়ার মত...ভালো থাকুন ...আর এমন করে লিখতে থাকুন আমাদের জন্য...আমদের বন্ধু দের জন্যে...
আপনার মন্তব্য পড়ে রাত জেগে লেখাটা সারথক মনে হচ্ছে।তবে কি জানেন কত কি যে আরো বলতে চেয়ে ভরতে পারি নি তাহলে যে বিশাল বড় উপন্যাস হবে। ভালো থাকেন।বন্ধুরা পাশেই থাকে সবসময়।হাত ধরে, কাধ ছুয়ে, কখেনা গভীর অনুভবে।
কাকন কি শুধু গান শুনে সময় কাটাও...তাহলে তোমার জন্য আজ এই গান তা বেশ ভাল হই...।নজরুল সংগীত ...প্রিও এমন ও রাত যেনো যায় না বৃথা...।অসুবিধা নাই ...। গান শুনতে থাকেন...আমিও শুনছি...
গান শোনা দিবস/নিশি নাকি?
আরে না জয়িতা আপা...গান শোনা দিবস বা নিশি কোনো টাই না...আমার এখানে মাত্র রাত এগারো টা বাজে...তো কি আর করবো...গান শুনছি , ফেসবুক আর চিঠি পত্র দেখছি কেঊ লিখেছে কিনা...না হয় পুরানো ডায়রির মত পুরানো সে চিঠি গুলো আবার নতুন করে পড়া...আর সাথে গান শোনা...
অসাধারণ লাগলো। ইশ, যদি পিকনিকে থাকতে পারতাম!
সারাজীবন এই আনন্দময় বন্ধুত্ব বজায় থাকুক।
নুশেরাপু, পিকনিকে গেছিলেন ত!নাইলে আপনার কথা সবাই এত বললো যে!এটাই ত শেষ পিকনিক না, আরো হবে আশা করি।
আর আপনার মত করে আমি সবসময় বলি সারাজীবন এই আনন্দময় বন্ধুত্ব বজায় থাকুক।
আফসোস, যাইতে পারি নাই।
আফসোস গেলেন না!পরেরবার যেতে ভুলবেন না।
দারুণ লেখা! আনন্দময় অনুভূতিগুলা জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠেছে লেখায়।
ধইন্যাপাতা ৫ কেজি।জাল বেশী দিয়া চাটনি বানাতে ভুলবেন না।
বহুত কিছু মিসাইলাম মনে হয়...এখন আক্ষেপ করি...তানবীরার প্রস্তাবে যদিও একটু আশা খুঁইজা পাই...
হা হা।মিসাইছেন ত!কত কইলো আপনারে যাইতে ।শুনলেন না।শুনলেন ভুট্রো সাহেবের কথা।ভুট্রো সাহেব লুক ভালা না।
কিন্তু আমি যেইদিকে গেছিলাম ঐটা মিসাইতাম এইখানে গেলে। এইটাও বুঝতে পারি। ঐরম বাংলাদেশ আর কোনোখানে নাই...একলগে একই সময়ে দুই জায়গায় যাওন যাইতো যদি...
হুমমম।তাইলে কি করা!আরেকজায়গায় পরে যাইতেন!!!অবশ্য কুন জায়গায় কেন গেছেন তা ত জানি না।পরে নিশ্চয়ই যাবেন।।লোকজন অাপনেরে মিসাইছে।ছবির ঐতিহাসিক পোজ দেয়ার জন্য।
গেছিলাম টাঙ্গুয়ার হাওরে...এমনিতেই ইন্ডিয়া পানি আটকাইয়া রাখনের লেইগা টিপাইমূখী বাধ বানাইতেছে, এর পরে আর ঐখানে পানি থাকবো কী না তা অনিশ্চয়তায় আছে। আর এইবার বাধ দেওনের আগেই পানি ছাড়ছে কম। আমি তো ক্যামেরা দেখলেই একটা পোজ দেই। খালি ঐ পোজের লেইগা আমারে মিসাইলে ঐ শখ পূরণ কইরা দেওন যাইবো আগামী কোন এক সময়ে...
হিংসিত হইলাম।পাখি দেখতে মন চায়।মন হইলো বদ।কত কি যে চায়!!!!!!!!!অারে খালি পোজ দেয়ার জন্য মিসায় নাকি?পোজ দেয়া ত কমর্কান্ডের একটা অংশ মাত্র।
চলেন আবার যাই...তয় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার মোটর বাইকে কইরা যাইতে হ্ইবো হাওরের উদ্দেশ্যে যদি সুনামগঞ্জ হইয়া যাইতে চান। নেত্রকোনার এইদিক দিয়া গেলে যাওনের রাস্তা কম...তয় ঐটা আবার রাস্তা না শুকাইয়া যাওয়া হাওরের উপর দিয়া যাইতে হইবো বালুঝড়ের মধ্য দিয়া। আমার মতোন ধুলায় এলার্জি থাকলে বেদুঈন হইয়া যাইতে হইবো ঐ খানে।
কিন্তু পাখি আর সূর্যোদয় দেখনের পর সব কষ্ট নাই হইয়া যাইবো নিশ্চিত কইরা কইতে পারি।
মেসবাহ ভাইকে বলেন দেখি কি ব্যবস্থা করেন।
এর মধ্যে আবার মেসবাহ ভাই কোন্দিক দিয়া আইলো...
ইভেন্টম্যানেজমেন্ট এর জন্য মেসবাহ ভাই
মানে কোনকিছুই আর ভাবতে হইবো না? তাইলে ঠিক আছে...
হ
তোমার লেখা পইড়া চোক্ষে পানি আইসা গেলোরে বইন...


ছুঁয়ে গেলরে ...
কিছুই বলার নাই... বন্ধুরা এরমি
মন ছুঁইতে ই তো চাই রে টুটুল।সবাই সবাই মন ছুঁয়ে থাকুক
সুলিখিত ঝরঝরে টপ ক্লাস লেখা! এমন লেখা পড়ে কিছু বলার থাকেনা..
আপনার এমন মন্তব্য পড়ে কিছুই বলতে পারছি না।কত কি যে লিখতে ইচ্ছা করছিলো কিন্তু পরিসর অনেক বড় হয়ে যাচ্ছিলো।
দারুন!...
শেষেরটুকু যে কি সুন্দর করে লিখছো...
তোমাদের মত সুন্দর মানুষদের নিয়ে সুন্দর কথা বলার ক্ষমতা দেয়নি বোধ হয় ঈশ্বর।
ইশ, এইসব কহুব ভালো লাগে....বন্ধুত্ব চমৎকার, লেখাটা চমৎকার....
ধন্যবাদ।ভালো থাকুন।
সব্বাই কিরম সিরিয়াস হৈয়া গেছে ...
"আমরা যেন কাছে থাকি, পাশে থাকি, হাতে হাত রাখি। " ... কথাডা শুইনা মনডা কিরম আনচান আনচান কৈরা উঠলো
এমন করে বললে আমার আবার সত্যি চোখে পানি চলে আসে।
এই মন্তব্যের সাথে আপ্নের সেই মন উদাস করা দাঁড়ানো ছবিটা দারুন মানাতো ...
এইটা হৈলনা বৈলাইতো মন উদাস
তোমার লগে আবার কবে পথ হাঁটলাম ?
যাউগ্গা, তুমি তো খুবই ভাল লেখো। নিয়মিত লেখো না কেন?
ভুলে গেলেন?পিকনিক থেকে আসার সময় সারা পথে গুটুর গুটুর করে কত গল্প করলাম ....।
ভালো লিখি না।লিখতে ইচ্ছা করে ।পারি না যে!
লিখতে হলে পরতে হবে আর পরতে হলে বই কিনতে হবে জয়ীতা দি.।তাহলে এক্ষনি বই মেলায় যান আর গিয়ে বই কিনুন.।.।।পড়তে পড়তে লিখার অভ্যাস গড়ে উঠবে.।আপনি নিজে বই কিনুন এবং অন্যকে বই কিনে উপহার দিন.*( উপহার দিলে অবশ্য আমি ও আছি( পরকালে অনেক সওয়াব হইব.।।
আপনি ত ভালা কথা কইছেন।আমারে একটা বই গিফট দেন। পরকালে ৭০ টা বই পাইবেন।
চলেন আবার একটা প্রোগ্রাম করি। সারাদিন খাই আর আড্ডাই।
হ।আপনি না কইছেন বাসায় সবাইরে যেফত দিয়া নিজে রাইন্ধা খায়াইবেন।তাইলে যেফত দেন।আড্ডানোর ব্রবস্থা আমরা করমু।
যেফত কি ?
দাওয়াত।
কতদিন পর তোমার কমেন্ট দেখলাম।আহা অনেকদিন পর আবার আমরা ব্লগে।
কাটা ঘায়ে এইরুপ নুনের ছিটা দিলে শুধু কমেন্ট না মাইরও দেখপা
আহারে।পুলাপান বদ।মজা করছে আবার এইডা কইয়া তোমগো দিলে আগুন জালাইতাছে।
মন্তব্য করুন