শকুন
ঘুম ভাঙ্গানী পাখিরা আজ সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গায়নি। চোখে, মনে, শরীরে রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে গভীর রাতে ঘুমাতে গেলাম। মনের সাথে, ধ্যান. ধারনা, ভালোবাসার সাথে যুদ্ধটাকে দমিয়ে রাখতে ক্লান্ত আমি। গভীর ঘুমে হারিয়ে গেলাম যেন কতকাল পর!!
৮.৪৫ মিনিটে মা এর ফোন পেয়ে ঘুম ভাঙ্গলো।কত শত প্রশ্ন.... শরীর খারাপ কিনা, গলার স্বর ভারী কেন, রাত্রে কি খেলাম, কেন খেলাম না, সারাদিন কি কি খাবো...কত কি! অবশেষে উঠতেই হলো। তড়িঘড়ি করে অফিসে আসার জন্য বের হলাম। ভালোই লাগছিলো সকালটা। সারা পথ আসতে আসতে কত কি স্নিগ্ধ ভাবনা!
অফিসে এসে খবরের কাগজ হাতে নিলাম। চোখ গেলো প্রথম পাতায় , প্রথম খবর "ভন্ড পীর, ভয়ংকর চিকিৎসা।" প্রথমে ছবিগুলা দেখলাম একদৃ্ষ্টিতে তাকিয়ে। চোখ সরছে না। কি ভয়ংকর!! কি বিভৎস!! কিভাবে সম্ভব?? মুন্সিগঞ্জে একটা লোক চিকিৎসা করার নামে ভয়ংকর
তান্ডব চালাচ্ছে প্রায় দুই মাস ধরে। অথচ প্রশাসন নাকি কিছুই জানে না!! নাকে তেল দিয়ে ঘুমায়। এই সুযোগে একটা ভয়ংকর পিশাচ আমার দেশের দুর্বল মানুষদের সরলতার সুযোগ নিয়ে তান্ডব চালাচ্ছে। ফেরেস্তার মতো শিশুদের উল্টো করে খুঁটিতে বেঁধে পিটাচ্ছে, লাথি দিয়ে উঠানের একমাথা থেকে আরেক মাথায় নিচ্ছে।
এটা আমার, আমাদের দেশ। আমার মায়ের দেশে কিছু জানোয়ার এখনো লোক চক্ষুর সামনে জানোয়ার হয়ে আনন্দে মেতে উঠছে। আমরা দেখছি। কি দুর্ভাগা আমরা। এ লজ্ঝা কোথায় রাখি? মাথাটা ঘুরছে। রাগে, দুঃখে, অপমানে মাথার ভিতরটা ফুঁসে উঠছে? এই লোকটাকে কি এমন করে খুঁটিতে বেঁধে পিটানো হবে না? আজও কি সে আরও কাউকে এমন করে নির্যাতন করবে? পৃথিবীটা দুলছে চোখের সামনে।





আজ সকালের পত্রিকায় ওই ছবি দেখে অন্যকোন খবর পড়ার আগ্রহই থাকেনি।, ছবি দেখেই ভয় পেয়েছি মারাত্নক!.।.।।
অবাক লাগছে যারা সামনাসামনি দাঁড়িয়ে ছিলো কি নির্বিকার ভাব.।। যেন স্বাভাবিক কাজ অগুলো!!! এইলোকের কঠোর বিচার হওয়া উচিত.।।
ওই বেটারে পায়ে দড়ি বাইন্ধা এইভাবে ঘাড়নোর দরকার
আমাদের জনতার দোষ ও কম না; ঐ পীরগো কিছু কইতে গেলেও ঐ জনতারই ুল্টা তেড়ে আসার সম্ভাবনা আছে
পীর পয়দা হইছে কৈত্থিকা? জনতা থিকাইতো। বর্বর জনতার মধ্যে থিকা বর্বর পির বারাইছে। যেই দেশে এখনো শতকরা ৫০ ভাগেরও বেশি মানুষ নিজের নাম পর্যন=ত পড়তে লেখতে পারেনা সেইখানে ..
পড়া-লেখা শিখাও এই দেশের মানুষের পীর-সাধু ভক্তি কমে না রায়হান ভাই; বেশিরভাগ উচ্চবিত্ত উচ্চশিক্ষিত পরিবারের বান্ধা পীর থাকে, মধ্যবিত্তরা অনেকেই নতুন নতুন পীরেরসন্ধানে থাকে যখন যার নাম ফাটে; বাদদেন এগুলা এই সুদূরঅস্ট্রেলিয়ায় একটা বাংলা মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয় দেশ-বিদেশ ঐটার এক সংখ্যায় এক পীরের এড দিছিলো পীরবাবার কাছে সব সমস্যার সমাধান আছে; বোঝেন তাইলে?
অভিজ্ঞতা থেকে বলি। আমার এক বোন অসুস্থ্য। সব ধরণের ডাক্তার শেষ করে ছোটবেলায় দেখেছি আমার মাকে কেউ যদি এসে বলতো ওমুক পীর এই অসুখ ভাল করে দেয় আমার মা তার কাছেই দৌঁড়াইতো। একবার ভয়ঙ্কর অসুস্থ্য হওয়ার পর আমার মা আর সেই পথে যায় নাই।
আমার নিজের অবজার্ভেশনও বলে মেয়ারা পীর-ফকিরে বেশি ভক্তি রাখে ছেলেদের তুলনায়
আমিও এই ছবি দেইখা তব্ধা খাইয়া ভাবতাছি কই আছি আমারা!
অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে......দুই দলরেই পিটিয়ে সোজা করা উচিত!!!!
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার খাসনগর গ্রামের সেই ভণ্ড পীর আমজাদ হোসেন বেপারিকে পুলিশ আজ সোমবার সকালে গ্রেপ্তার করেছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজদিখান থানার পুলিশ তাঁকে তাঁর আস্তানা থেকে গ্রেপ্তার করে।
যাক আরাম পাইলাম সুখবর শুইনা। ধন্যবাদ বাফড়া থুক্কু মাসুম ভাইরে।
আই লাভ বাফড়া
এইটা নিয়া একটা পোস্ট দিলে বিস্তারিট আলোচনা হইতে পারত। যেমন আপনের কেমন বাফড়া বেশি পছন্দ, কেন? এইরম নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত হইতে পারত।
বাফড়ার লেখা তো অসাধারণ। বয়স কম হলেও বাফড়ার লেখা অনেক উন্নত। ছোট হোক বা বড়-সব লেখাই আকর্ষণীয়। বাফড়ার লেখা একবার পড়লে বার বার পড়তে মন চাইবে। বাফড়া খালি কাছেই টানে।
না পড়ি নাই তো। লিঙ্ক দেন।
বাফড়া তো সামুতে একাউন্ট ডিলিট করাইছে ; লিংক কোত্থিকা দিমু আপনি বরং বাফড়ারে ফোনদিয়া বাফড়া শব্দের মানে জিগান
আপনেও রায়হান ভাইরে ফোন দিয়া বাফড়া শব্দের মানে জিগান।
কাকন, মনে হয় বাফড়া নামের নয়া মানে জানে না!!!.... যদি জানত...
কি আর কমু!! দুলাভাইরে দেখে রায়হান ভাই এর বাফরা র কথা মনে পড়লো। যে গরম পড়ছে সব দোষ আবহাওয়ার। ঠান্ডা মেজাজে কথা বলা মুস্কিল হয়ে দাঁড়ালো।
জানান নাকেন; তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এরকম তথ্য গোপন করার মনে কি
এখন সব দোষ আমার! কমেন্ট বিরতিতিতে গেলাম নির্দিষ্ট কালে জন্য ।
ব্যক্তিরে দোষী করলে এরপর আরেকজন গজাইবো, যে বাচ্চারে ঐরম নির্যাতন না কইরা একই ঘটনা ঘটাইবো আবার।
ছবি দেইখা তব্দা খাইছি। কি ভয়াবহ।
বেটারে পুলিশে ধরছে শুনে শান্তি পাইলাম। তবে এর আগে গণপিটুনি দয়ো দরকার ছিলো।গাছের সাথে বাইন্ধা পিটানি।
পুলিশ কিন্তু ধরার পরে পীররে পাড়াইছে। ডেমো দিছে আর কি...থানায় আরো কতো কিছু করছে কে জানে!
বাফড়া খালি কাছেই টানে। কি মাসুমীয় কথা!!!!!!!!!!!! আহা।
আপনের কেমন বাফড়া বেশি পছন্দ, কেন? এইরম নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত হইতে পারত। ...জনগুরুত্বপূর্ণ এই পোষ্ট কি আসিতেছে? কত গভীর আগ্রহ!!ভালোবাসা। কাছে টানা!!
মাসুম ভাই এর নাম ভুল কইরা বাফড়া কইছি তাতেই দোষ হইয়া গেল। ধুর, কমেন্টই করুমনা ; কমেন্ট বিরতিতে গেলাম।
দোষ কেন হবে? ভুল হইতেই পারে। আর কথা হইলো যা লাভ করেন তা করতেই পারেন না করলেই বরং অস্বাভাবিক। বেশি কিছু কইলে তো আবার কইবনে আমি কইছি।
হ, আমি লাভ করি। বাফরা ফুলাইয়া কই।
আল্লাহহহহহহহহহহহহহ। এইখখানে আপনার দলে আরও লোক আছে। মিলাদ দেন সবাই মিলে।
পত্রিকা পড়ার পর মনে হয় পুলিশ পীর বাবাজিরে ধরতে গেছে।
পুলিশ ধইরা লাভ নাই। শালার পীররে একখান গভীর, জনতা কর্তৃক ধোলাইয়ের অনুমতি দেয়া হোক....
আই অলসো লাইক বাফড়া...!!!!
আসছে আরেকজন। লাভ বাফড়া। একটা কথা মনে আসছে কিন্তু কইলাম না।
ইস! যদি পীর বেটারে আমরা ফুটবল বানাইতে পারতাম!!!!আফসোস।
বালকেরা বলেছিল, আগামী একমাস ব্লগে শুধু হাদিসের আলোচনা হবে। কিন্তু এ কী দেখলাম! জয়িতার এমন একটা জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্টে বালকদের দুষ্টকথাবার্তা দেখে লা-জওয়াব হয়ে গেলাম!
এ বিষয়ে কিছু কইতে গেলে বিশাল পোষ্ট দেয়া লাগবো....আর পোষ্টের অনেক কথাই হয়তো মাইনসের ভাল্লাগবোনা....মানুষ চেতাইতে ডর লাগে।
কিছুই কইবার নাই
আজ সকালে পত্রিকা দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেল ।ঃডঃড
হ
জনগন অভিযোগ না করলে পুলিশ ক্যান জানবে শুনি? তাদের একটা ইজ্জত আছে না
সারা শরীর শিরশির করতেছে রাগে ঘৃনায়
আজ (২০/০৪/২০১০) এক পেপারে দেখলাম, ও পিরের নাকি কোনো দোস নাই। ফুটো সামবাদিক নাকি তাকে দিয়ে এমন কাজ করিয়েছে। বুঝুন ঠেলা!!!!!!!!!!!!!!!!!!
অনেক কাল আগের ঘটনা ভাবতাম এইগুলা.....কিন্তু এখনো এরম হয়, কি অবস্থা..পীর ফকির সব কড়াইতে তেল গরম কৈরা চুবাইলে ভালো হয়, ওদের অলৌকিক শক্তি দিয়া তো বাইর হৈয়াই যাইতে পারবো।
মন্তব্য করুন