ইউজার লগইন

প্রথম পাহাড় দেখা, প্রথম সাগরে স্নান...

"দিল চাহতা হ্যায়" সিনেমাতে প্রীতি জিনতার প্রথমে যে ছেলেটার সাথে বিয়ে হবার কথা থাকে সে বিভিন্ন দিনের সময় উল্লেখ করে প্রীতিকে উপহার দিতে থাকে এবঙ এ ধরনের ক্যালেন্ডার ধরা ব্যবহারে প্রীতি ছেলেটার উপর দারুণ অসন্তুষ্ট থাকে।
আমার অবস্থা অনেকটা সেরকমই। আমি বছর দিন ছাড়া স্মৃতিতে ঝঁাপ দিতে পারি না। ৯৬ সালের জুন মাসে আমাদের এইচএসসি পরীক্সা হয়। তার আগে টেস্ট পরীক্ষা। জানুয়ারীর শেষের দিকে আমাদের টেস্ট পরীক্ষা হয়। টেস্ট পরীক্ষা কি দিয়েছি নিজে তো জানি। যা তা শব্দটা এখানে খুব প্রযোজ্য। তো সেইরকম একটা টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে মনের ভয়ে আমি দিশেহারা। নিজেকে হালকা করতে সাততাড়াতাড়ি একটা ঘুরবার পরিকল্পনা করি। তখন আমার বাবার পোস্টির কর্ণফুলী পেপার মিলে। আমি আমার আরো ২বান্ধবীকে বলতে তারাও সানন্দে রাজি হয়। আব্বুকে বললাম। আব্বু রাজি হলেন আমাদের নিয়ে যেতে। কারণ অভিভাবক ছাড়া তো আর ঘুরতে যাওয়া যাবে না! ও আমি লিখাটার শেষে আপনাদেরকে আমার টেস্ট পরক্ষীর ফলাফল জানাবো কথা দিলাম।

শুক্রবার ২রা ফেব্রুয়ারী ভোরবেলা হানিফ বাসে করে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। আব্বু আমাদের নিতে আসতে পারবে না, তাই আমার বড় ভাই আমাদেরকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত দিয়ে আবার সেদিনই চলে আসবে এমনটা হলো পরিকল্পনা। সেই সকালে আমরা বাসে উঠেছি, পৌঁছতে পৌঁছতে চট্টগ্রাম দুপুর হলো। আব্বু অফিসের গেস্টহাউজে আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছিলো। আমরা স্বাধীনতার উত্তেজনাতে অস্থির আসলে। এই প্রথম শুধু বন্ধুরা ঢাকার বাইরে আসতে পেরেছি, যা আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। কারণে অকারণে আমার হাসতে হাসতে একে অন্যের গায়ের উপর ঢলে পড়ছি কিশোরীসুলভ চপলতায়।

দুপুরের খাওয়ার পর পরই আমাদের কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে। ইতিমধ্যে আমাদের পুরো ভ্রমণে আব্বুর যে ড্রাইভার খাকবে তার সাথে পরিচিত হলাম। বাবলু। আমরা তো ভ্রমণের গাড়ীটা দেখে খুব খুশি। টয়োটা স্প্রিন্টার। হুম আমাদের ঘোরাটা খারাপ হবে না। চট্টগ্রাম মোটামুটি রক্ষণশীল এলাকা। রোজার মধ্যে আমরা খাচ্ছি, সবাই আমাদের উপর যারপরনাই বিরক্ত।ভাইয়াকে বাস স্টেশনে তুলে দিয়ে আমরা সড়কপথে কক্সবাজারের পথে এগোতে থাকলাম। রাস্তাতেই ইফতারের টাইম হলো। আব্বুর মাত্র ২মাস আগে ইন্ডিয়া থেকে গিয়ে গল্‌ব্লাডারের অপারেশন হয়েছে। আব্বুর তাই রোজা রাখা মানা। এদিকে আমাদের একটু ক্ষুধা ক্ষুধা ভাব। বাবলু ভাই একটা বাজারে থেমে আমাদের সবার জন্যে পেঁয়াজু, আলুর চপ, জিলাপি এসব কিনলেন। এত মজা জিলাপি মনে হয় কোনদিন লাগেনি। আমি নিজে মিষ্টি কিছু খেতে চাই না। সেই আমি বেশ কয়েকটা জিলাপি সাঁটিয়ে ফেললাম অতি আগ্রহে। আমাদের বাচ্চা হাতি মাবরুকা ফুরফুরে মেজাজে স্মিত হাসি নিয়ে যা পাচ্ছে তাই খেয়ে যাচ্ছে। সীমা সবকিছুতেই রয়েসয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। এদিকে দুই বান্ধবীর মাঝে বসে আমার অবস্থা খুব ভালো না, যার যখন ঘুম পাচ্ছে সে তখন আমার কাঁধে মাথা এলিয়ে দিচ্ছে।
রাত ৯টায় আমরা বনবিভাগের বাংলোতে গিয়ে পৌঁছে হাঁফ ছাড়লাম। কারে আসলে এতক্ষণ বসে থাকা বেশ কঠিন একটা কাজ। কোনমতে গায়ে পানি ঢেলে গোসল সারলাম ঝটপট তিন বান্ধবী। আব্বু দেখলাম নামাজ ও পড়ে ফেলেছে এরমধ্যে। খেয়ে এসে ঘুমানোর বন্দোবস্ত। আমাদের রুমে ২টা খাট। মাবরুকা ঘোষণা করলো সে একা এক খাটে ঘুমাবে, সে অনেক ক্লান্ত। এই বলে মাবরুকা তার অভিষ্ঠ বিছানাতে ঝাঁপ দিলো এবং মট্‌ করে একটা আওয়াজ শোনা গেল। মাবরুকার খাটটার মাঝখানের ছানিটা ভেঙ্গে গেছে। কি আর করা একরাতের ব্যাপার। চেপেচুপে এক খাটেই তিনজন শুয়ে গেলাম। শোবার সাথে সাথে ঘুমের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। সকালে সূর্য ওঠা আগে উঠতে হবে। তাই আর গল্প না করে ঘুমিয়ে পড়লাম।

শীতকালের সকালে সূর্য মোটামুটি দেরীতে উঁকি দেয়, তাই আমাদের সকালে উঠতে তেমন কষ্ট হলো না। তবে রোজার সময় হওয়াতে সৈকতে তেমন ভীড় ও নেই। আমরা তিনজন একদৌড়ে পৌঁছে গেলাম সৈকতে। আব্বু বেচারা আস্তে আস্তে হাঁটছেন। অপারেশনের ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি বিধায়।অনেক হেঁটে সূয্যি মামার উঠা দেখে আমরা এক সময় ক্লান্ত হয়ে বসে পড়লাম বালুতে। আমাদের পৌনঃপুণিক অনুরোধের পর আব্বু আমাদেরকে গোড়ালি শুধু ভেজাতে দিলো সমুদ্রের পানিতে।

বারোটার মধ্যে আমাদের চ্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতে হবে কারণ আব্বুর সেখানে খুব জরুরী মিটিং আছে ঠিক সাড়ে তিনটায়। সকালে বিরসবদনে পাউরুটি নাশতা করলাম। দুপুরের আগে আগে আমরা বের হলাম। ওমা, এত এক জামায়াত ইসলামের পুরী! পুরো শহরে কোন খাবার দোকান খোলা নেই। বাবলু ভাই অনেক ঘুরে একটা হোটেল পেল খোলা তাও এমনভাবে ঢাকা দেয়া! বাইরে থেকে বুঝবার কোন উপায় নেই। বিএনপি আমলের শেষ সময়, ১২ই জুন নির্বাচন। সবখানে টানটান উত্তেজনা। এদিকে আবার সামনে হরতাল।

যা পাওয়া গেল তাই খেয়ে আমরা আবার আমাদের গাড়তে উঠে গেলাম। চট্টগ্রাম পৌছেঁ আব্বু তার মিটিংয়ে চলে গেল আমাদেরকে আল ফালাহ গলিতে আমার ছোট মামার শ্বশুরবাড়িতে নামিয়ে দিয়ে। আমরা একটু ফ্রেশ হয়ে ছুটলাম পতেঙ্গা বিচের দিকে। বোল্ডারের উপর দিয়ে হাঁটা খুবই কষ্টকর।আমরা আমাদের ইয়াশিকা ক্যামেররটাতে ছবি তুলতে এমনই মগ্ন ছিলাম যে আমার হঠাৎ পা কাটলো আবার চোখ থেকে চশমা পড়ে গেল পানিতে।
সীমা আমার চশমা ভাঙ্গাতে খুবই খুশি আমাকে ইয়া কানাবুদু বলা শুরু করলো, মাবরুকার হাসি একান ওকান, আমি কোন গল্পের বই এ ক’দিন পড়তে পারব না বলে। আমি চিৎকার দিয়ে বললাম আরে ফাজিলের দল আমি তো ঠিকঠাক কোন জায়গাই দেখতে পাব না চশমা না থাকলে! বাবলু ভাই আমাকে বললো নানুর বাসায় যাবার পথে চশমা বানাতে দিয়ে যাবে কোন চিন্তা না করতে। আমি মনে মনে ধাঁধাঁ মেলাচ্ছি কারণ আমার কাছে চশমার পাওয়ারের প্রেসক্রিপশন নেই এ মুহূর্তে, বাবলু ভাই বিজ্ঞের মতো বললো গ্লাস টেস্ট করে পাওয়ার দোকানের লোকরা বের করে ফেলতে পারবে। আমি বিরাট ভরসা পেলাম। আব্বু জানলে বকবে তাই আমি স্বাভাবিকভাবে সব কাজ করার চেষ্টা করতে থাকলাম। মামার শ্বশুরবাড়ি মানে নানুর বাসা বেশ অদ্ভূত, আমরা সারাদিনের ঘোরাঘুরিতে ঘুমে পড়ে যাচ্ছি উনারা না কি রাত ১-২টায় রাতের খাবার খান! আমাদের অবস্থা দেখে আমাদেরকে দয়া করে রাত বারোটায় খেতে দিলেন। ঘুমের কারণে মোটামুটি খালি পেটেই ঘুময়ে গেলাম আমি আর সীমা, মাবরুকা মনোযোগ দিয়ে মাছি তাড়ানোর মতো করে ঘুম তাড়িয়ে খেতে লাগলো।
সকালে দশটার দিকে আমরা ফয়েজ লেক রওয়ানা দিলাম। ইস্‌, লেকটার মাঝকানে যদি যাওয়া যেত! আমাদের হাই পাওয়ার লেন্সের কোন ক্যামেরাও নেই। আমরা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে হেঁটে জায়গাটা দেখলাম, কি যে বন্য সৌন্দর্য ফয়েজ লেকের!
কাছেই মাবরুকার বাবার এক বন্ধুর বাসা, গেলাম। তারপর আব্বুকে তুলে আমাদের যাত্রা শুরু হয়ে গেল চন্দ্রঘোনা, আব্বুর কর্মস্থলের দিকে।
আজকে ৪তারিখ রাত, আমরা চন্দ্রঘোনার বাংলোতে এলাম। এখানে এসে আমরা একটু স্বস্তি পেলাম, আমরা যখন খেতে চাই, যখন ঘুমাতে চাই সব আমাদের মর্জি মাফিক হবে।
অতি আনন্দে গরম পানি দিয়ে খুব আরা করে গোসল করে শীত রাতে আমরা মজা করে রাতের খাবার খেলাম। মাবরুকা রুমে ঢুকেই কোন বিছানা তার সেটা গেঅষণা করলো, আমি মাত্র বলা শুরু করলাম দোস্ত ঝাঁপ...এটুকু বলার আগেই মাবরুকা তার পছন্দের বিছানায় ঝাঁপ দিলো এবং খাটটা শব্দ তুলো মাঝখান থেকে ভেঙ্গে গেল। এখানে আমার একটা অট্টহাস্যের স্মাইলি দেয়া উচিৎ। যাই হোক আমি আর সীমা আব্বুর অ্যাটেন্ডেন্টদের ডাকলাম আমাদের দুজনের খাট একসাথে করে দেবার জন্যে। খাট দুটো জোড়া দিয়ে তিনজনে শুলাম।
কর্ণফুলী পেপার মিল এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম কাগজের মিল। এটা কি একদিনে ঘুরে দেখা সম্ভব! আমাদের সাথে আব্বু বাহার নামক এক ভদ্রলোককে দিয়েছেন। উনি আমরা আংকেল ডাকাতে খুবই বিরক্ত, কি আর করব, আমরা তাকে ভাই ডাকা শুরু করলাম। আমি বান্ধবীদের কানে কানে বললাম ‌‌‌‌‌‍‍"বাহার না আপনি পাহাড় ভাই"। আমি আর সীমা আস্তে আস্তে পেছাতে থাকলাম, বাহার ভাই মাবরুকা পলিটেকনিকে পড়ে শুনে তাকে অতি উৎসাহে বিভিন্ন মেশিনের অ্যাক্টিভিটি বুঝাচ্ছেন, মাবরুকা বারবার আমাদের দিকে অসহায় দৃষ্টি দিচ্ছে, আমাদের খুশিতে সব ক'টা দাঁত বের হয়ে যাচ্ছে মাবরুকার অবস্থা দেখে।
কারখানা দেখার পর আমরা দেখলাম কত দূর দূরান্ত থেকে পানিতে ভেসে ভেসে বাঁশ আসে। দুপুরের পর আমরা বাই রোডে রাঙ্গামাটির দিকে গেলাম। ঝুলন্ত সেতু দেখে তো আমরা মুগ্ধ। আমাদের কাছে এটাই অন্যতম আকর্ষণ, একবার এপারে আরেকবার ওপারে আমরা অনবরত গেলাম। আমাদের সৌভাগ্যের কোন সীমা নেই- আজকে পূর্ণিমা, আমরা রাঙ্গামাটি থেকে স্পীডবোটে করে চন্দ্রঘোনা যাব, কাপ্তাই লেক দিয়ে। স্পীডবোটে উঠে সবাই পাংখা হয়ে গেলাম। জলের উপর চাদেঁর আলোর নক্‌শা, অতীত-ভবিষ্যত সব ভুলে বর্তমানে থাকাটাই তখন একমাত্র আরাধ্য। একধরনের ঝুম নেশা মনে নিয়ে আমরা আব্বুর বাংলোতে ফিরলাম।
পরেরদিন সকালে আমরা করাত কল দেখলাম। কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন কেন্দ্রে সবাইকে যেতে দেয়া হয় না। আমরা গেলাম। একদম মাটির নীচে নামলাম। বাংলাদেশে এমন জিনিস ভাবা যায় না। সীমা আমাদেরকে কাপ্তাই লেকের তৈরীতে কত আদিবাসীর বাসস্থান হারিয়েছে সেই কাহিনী বলতে থাকলো। মাঝেই মাঝেই সীমা আফসোস করছে পরীক্ষা নিয়ে, টেস্ট পরীক্ষাটা কত খারাপ হলো সেটা নিয়ে। আমার একবার ইচ্ছা করছিলো বলি দোস্ত তুই তো একশতে একশ অ্যান্সার না করতে পারার জন্যে আফসোস করছিস আর আমি পাস মার্কও অ্যান্সার করতে পারিনি, আমার কি হবে! বলি না মনের আশংকা মনের ভেতরই লুকয়ে রাখি। কারণ আমাদের ভিকারুননিসাতে টেস্টে ফেল করলে এইচএসসি পরীক্ষাতে না বসতে দেবার রেকর্ড আছে।
ওমা এদিকে চা বাগানও আছে! যাওয়া যাক চা বাগান দেখতে। কিভাবে যাব, পথ রোধ করে দাঁড়িয়ে আছে হাতি। আমরা আমাদের খেলনা ক্যামেরা দিয়ে হাতির সাথে ছবি দেখলাম। চা বাগানে বসে আমার এলার্জি শুরু হওয়াতে তাড়াতাড়ি আবার ফিরতি পথ ধরা হলো।
বাহার ভাই আমাদেরকে বলতে থাকলো এখানে শান্তিবাহিনী কিভাবে মানুষকে ধরে নিয়ে যেত। আব্বু এখানে বদলি হয়ে আসার পরে শান্তিবাহিনীর সাথে শান্তিচুক্তি করাতে অপহরণের হার কমেছে।
আব্বুর এমডির বাসায় আর আরো এক কলিগের বাসায় আমরা দাওয়াত খেলাম ৬তারিখে দুপুরে আর রাতে। এমডির এক ছেলের নাম জিয়া, তাকে নিয়ে সীমাকে আমরা বেশ খেপালাম।
৬তারিখ ভোর ৪টায় আমরা ঢাকার দিকে ফেরা শুরু করলাম কারণ হরতাল। কুমিল্লায় আমারে গ্রামের বাড়ি, কাকার বাসা হয়ে রসমালাই নিয়ে বেলা এগারোটায় ঢাকা পৌঁছে গেলাম ৭তারিখে। এসেই পেলাম রেজাল্ট আমি চার সাবজেক্টে ফেল করেছি। প্রথম পাহাড় দেলাম, সমুদ্র দেখলাম, প্রথম একসাথে এত সাবজেক্টে ফেল করার স্বাদ ও পেলাম।

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মেঘকন্যা's picture


কোন মুদ্রণ প্রমাদ থাকলে ক্ষমা করবেন। এটা ৩য় কিস্তি, এ সিরিজে আরো ২কিস্তি আগে আছে।
নেট স্লো তাই ছবি দিতে পারলাম না। স্ক্যান করা আগের ছবি কিভাবে বড় করা যায় কেউ কি জানেন??

রায়েহাত শুভ's picture


স্ক্যান করা ছবি বড় করলে ফেটে যায়। তাই যে সাইজ আছে, সেই সাইজের ছবিই দিয়ে দেয়া উত্তম।

ভ্রমণ কাহিনী ভালো লাগলো।

লীনা দিলরুবা's picture


এতো আগের ঘটনা... স্মৃতি হাতড়ে কি চমৎকার লিখলে!

বাকী দুই পর্ব পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম..., http://www.amrabondhu.com/riton/437, ফটোব্লগ টিউটোরিয়াল থেকে ছবি আপলোড করার তরিকা জেনে নাও Smile

মেঘকন্যা's picture


http://www.facebook.com/note.php?note_id=1015026975342668
http://www.amrabondhu.com/meghkanya/3697
তুমি তো পড়েছ, তবু লিংক দিলাম।
আচ্ছা চেষ্টা করব ছবি দিতে

লীনা দিলরুবা's picture


স্ক্যান করা ছবি আপলোড করে Width-420, Height-zero করে দিয়ে দেখো তো।

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


প্রীতি জিনতা কে কালকেই IPL এ দেখলাম ... সময় কাউকে ছাড়ে না Sad

~

মেসবাহ য়াযাদ's picture


হ, বেচারীরে বেশ বয়ষ্কই মনে হৈলো Tongue

মেঘকন্যা's picture


Report Card

Report Card marks

মেঘকন্যা's picture


১০

মেঘকন্যা's picture


ধুর ছবি দিতে পারি না, দুঃখিত

১১

রাসেল আশরাফ's picture


চার সাবজেক্টে ফেল? কী খারাপ ছাত্রী ছিলেন রে বাবা!! Big smile

১২

মেসবাহ য়াযাদ's picture


৬ সাবজেক্টে যে পাশ করছে সেটা দেখবা না রাসেল ? Tongue
বি পজিটিভ Wink

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


Tongue Tongue

১৪

লিজা's picture


লেখাটার সাথে শিরোনাম দারুণভাবে মানিয়েছে ।
আপনার বান্ধবী যে দুইটা খাট ভাঙল Tongue , ওকে কেউ কিছু বলল না?

১৫

মেঘকন্যা's picture


ঐসব কি আর পাবলিকলি বলা যায়!!! আরো অনেক ঘটনা চেপে যেতে হয়েছে... Wink

১৬

জেবীন's picture


দারুন ঘুরেবেড়ানি'ওলা পোষ্ট! ফেইলের কাহিনীতো মারাত্নক! ভিকারুন্নেসাতো সেইকালে অনেক স্ট্রিক্ট ছিলো, এহেন রেজাল্টের পরবর্তী ঘটনা কি হইলো? Laughing out loud

১৭

মেঘকন্যা's picture


হুম কড়াকড়ি তো ছিলই...হামিদা ম্যাডাম ডেকে বললেন গার্ডিয়ান নিয়ে যেতে, আমি বললাম গার্ডিয়ান আনতে পারব না, পরীক্ষা দিতে দিলে দেন না দিলে না দেন- পরে আরো কয়েক আপা বললেন ছাত্রী ভালো পড়ে না, পরীক্ষা দিলে পাশ করবে। সুতরাং পরীক্ষা দিত পারলাম, পাশ করলাম টায় টায়ে প্রথম বিভাগ, সায়েন্স থেকে.... Big smile

১৮

উচ্ছল's picture


আপনার রেজাল্ট কার্ড দেইখা মুগ্ধ Big smile । ভ্রমন কাহিনী ভালু হইছে। Smile

১৯

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


সুন্দর ভ্রমনলগ।

আপনের স্মৃতিকথার ডিটেইলস দেখলে মনে হয় গত সপ্তায় ঘুরে আসলেন।

স্কুলে থাকতে ফেল করা ছিল আমার ছেলের হাতের মোয়া। ক্লাস সেভেনের ফাইনালে ৬টায় ফেল মারছিলাম।

আসলে পরীক্ষায় পাশ ফেল বড়ই আপেক্ষিক ব্যাপার, অংশগ্রহণ ই বড় কথা! [গভীর দার্শনিক ইমো হপে! ]

২০

কামরুল হাসান রাজন's picture


দারুন ঘুরেবেড়ানি'ওলা পোষ্ট! ফেইলের কাহিনীতো মারাত্নক! ভিকারুন্নেসাতো সেইকালে অনেক স্ট্রিক্ট ছিলো, এহেন রেজাল্টের পরবর্তী ঘটনা কি হইলো? Laughing out loud

২১

মিতুল's picture


অবশেষে মেঘকন্যার দেখা পাওয়া গেল।

২২

লাবণী's picture


মাবরুকা ঘোষণা করলো সে একা এক খাটে ঘুমাবে, সে অনেক ক্লান্ত। এই বলে মাবরুকা তার অভিষ্ঠ বিছানাতে ঝাঁপ দিলো এবং মট্‌ করে একটা আওয়াজ শোনা গেল। মাবরুকার খাটটার মাঝখানের ছানিটা ভেঙ্গে গেছে।

মুহাহাহাহাহাহাহা Devil
======================
মেঘ আপুর রেজাল্ট কার্ডে দেখি ফিজিক্সে এসে মুমূর্ষু অবস্থা। নিশ্চয়-ই আপনার ফিজিক্সের টিচার ফাঁকি দিত! (স্টুডেন্টদের সবচেয়ে পছন্দের উক্তি)

২৩

জ্যোতি's picture


এতদিন আগের কথা মনে রেখে এত সুন্দর লিখলেন!
আপনে ইয়াকানাবুদু!

২৪

মেঘকন্যা's picture


হুমমম, চোখে মাইনাস চশমা আছে

২৫

মীর's picture


আরে এসএসসি'র টেস্ট পরীক্ষা দেয়ার পর আমারো এরকম একটা গল্প আছে। ভুলেই গেছিলাম একদম। Party

২৬

আরাফাত শান্ত's picture


দারুন!

২৭

তানিয়া বখশ's picture


লেখাটি পড়ে নিজের কৈশোর কে খুব মিস করছি ! ভালো লাগলো।

২৮

ফাহমিদা's picture


ফেল করতেও হিম্মত লাগে.. Steve

২৯

নীড় সন্ধানী's picture


একসাথে এতগুলো জায়গা ঘুরতে ঘুরতে পড়তে পড়তে মাথা চক্কর দিল আমার। আপনাদের দেয়নি? Smile
কাপ্তাই লেকের সবচেয়ে সুন্দর এলাকা বোধহয় কেপিএম। আমি একবার গিয়েই জমে গিয়েছিলাম। তবে রাতে থাকা হয়নি। রাতের সৌন্দর্য নিশ্চয়ই আরো মহিমাময়।

আপনার সাথে একটা জিনিস বেশ মিললো আমার। ইন্টার পরীক্ষার রেজাল্টের দিন আমরাও কয়েক বন্ধু কাপ্তাই গিয়েছিলাম। এবং সব বন্ধু দল বেধে জামাতের সাথে ফেল করেছিলাম, তারপর বিরিয়ানী খেয়ে ফেল উৎসব করেছিলাম। Cool

৩০

মেঘকন্যা's picture


আমি তো বোর্ড ফাইনালে ফেল করিনি, কলেজের টেস্টে ফেল করেছি..আমি ফাইনাল কোন পরীক্ষায় ফেল করিনি...আগে পরে কম বেশি নাম্বার পেয়ে পাশ করেছি...আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা একটা বোগাস বু তাই বারবার আমি পার পেয়ে গেছি অল্পের জন্যে..যদি বেঁচে থাকি, আরেকটু বয়স হলে লিখব আমার কাহিনী...নিজের অতীতের দিকে তাকালে বারবার চমৎকৃত হই, ঐটা আমি ছিলাম! এত মারাত্মক সব কাজ কিভাবে করতাম, এত ছোট বয়সে! এখনকার মেয়েরা দেখি খালি কাঁদে আর আত্মহত্যা করে....

৩১

বিষাক্ত মানুষ's picture


আহারে কত স্মৃতি মনে পড়ে গেল !!!
টেস্টে এক সাবজেক্টে ফেল মারছিলাম আমি Cool

আপনার লেখার শিরোনামে লোপামুদ্রার একটা গান আছে ....
নেন শুনেন -
http://www.youtube.com/watch?v=Z0FhXEtJ4P8

৩২

মেঘকন্যা's picture


হুম এই গানটা থেকেই এই শিরোনাম....

৩৩

তানবীরা's picture


আপনার রেজাল্ট কার্ড দেইখা মুগ্ধ । ভ্রমন কাহিনী ভালু হইছে।

৩৪

মেঘকন্যা's picture


হি হি ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মেঘকন্যা's picture

নিজের সম্পর্কে

ব্লগিং করছি 2005/2006 থেকে। এখানে এসে দেখলাম কেউ আগে থেকেই আমার "মেঘ" নিকটা নিয়ে নিয়েছে, যা আমি এত বছর ব্যবহার করছি।
ভালোবাসা লেখালেখি।নিয়মিত লিখতে চাই। জীবনের কোন একসময় শুধুই লেখক হিসেবে স্বীকৃত দাবী করব Smile এই আশায় বেঁচে থাকি...