ইউজার লগইন

গল্প: লি মোমেন্ত উ কিলকু শুঝ কমেন্স

দেখতে দেখতে চেহারাটা হনুমানের মতো হয়ে উঠলো।

মানুষের চেহারায় হনুমান ভাব ফুটে ওঠে অনিয়মিতভাবে বড় বড় দাঁড়ি রাখলে এবং সে সময় গালের হনু বেশিমাত্রায় উঁচু হয়ে গেলে। আমি এমন মানুষও দেখেছি যার পুরো শরীরটা পেটা, মুঠোর মধ্যে হাতের চ্যপ্টা হাড়গুলোর বেড় পাওয়া যায় না, দুই কাঁধ দুইদিকে নেমেছে তো নেমেছেই, সামনের দৃষ্টিপথ পুরোপুরি আড়াল করে তারপর থেমেছে। কিন্তু চোখের নিচে দু'টো হনু উঠেছে খাড়া পর্বতের মতো। সবকিছু ছাপিয়ে সবার আগে চোখে পড়ে।

সেই দুই গালের গর্তে এক কাপ করে পানি রাখা সম্ভব। পুরো চেহারাটাই মার খেয়ে গেছে ঐ এক কারণে। অতল গর্তের ভেতর থেকে জ্বল জ্বল করছে দু'টো চোখ। চুলগুলোয় ছোট ছোট করে ছাঁট দেয়া। সেগুলোর ধারালো প্রান্ত সোজা হয়ে আছে। আমার চেহারা যদিও অতোখানি পর্যন্ত মার খেয়ে যায় নি, তবু খুব বেশি হেরফের পাওয়া যাবে না খুঁজলে। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি যদি সিনেমার ভুতের চরিত্রে অভিনয় করি; তাহলে পার্ফেক্ট একটা কাস্টিং হবে। কোনো মেকাপ ছাড়াই একটু অন্ধকার-অন্ধকার পরিবেশে আলখেল্লা পড়ে ভুত হিসেবে কাজ চালিয়ে নিতে পারবো। নিজের প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করে খুব একটা খুশি হতে পারি না। আবার খুব একটা দুঃখী'ও হই না।

আমার সঙ্গিনী অবশ্য সবসময়ের আড্ডার মধ্যমনি। সবাই তাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। জাস্ট নিত্যউপহারের একটা লাল গেঞ্জি, বব মার্লের অমর বাণী 'নো উওম্যন, নো ক্রাই' খোদাই করা; কালো ঢোলা পায়জামা আর গলায় একটা কালো ওড়না- এই বেশভূষায় সোজা চিবুকে হাঁটতে হাঁটতে চলে আসেন। তিনি বেড়ালের মতো পা টিপে টিপে কিউট একটা হাঁটা দিতে জানেন, যেটা দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়; কিন্তু সেটা সবসময় দেন না। ঠুস-ঠাস এসে একদম আসরের মাঝখানটা জমিয়ে নিয়ে বসেন। সেটা তিনি পারেনও। ভক্তরা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে, ম্যাডামের মুখনিসৃত শব্দের ফায়ারোয়ার্ক্সএর দিকে।

একদিন বেলাশেষে আর দশটা দিনের মতো, একটা রাইট ক্লিকের রিফ্রেশ দেয়ার জন্য আলো-আঁধারি ছাওয়া মহল্লাটায় ঢুকছি; এমন সময় দেখি শম্পাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছেন। শম্পার সঙ্গে আমার পূর্বালাপ নেই। একবার শুধু পদ্ম চিনিয়ে দিয়েছিলো। আমি হালকা বাউ করেছিলাম, এটুকুই। নামটা মনে আছে সে কারণে। আমি বেশ খানিকক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টা খেয়াল করলাম। তারা অনেকক্ষণ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে থাকলেন। পরে শুনেছিলাম, শম্পার সেদিন খুব মন খারাপ ছিলো। খুব বেশিরকম।

আমি অবশ্য সবসময়ই দূরে দূরে থাকতাম। থাক পৃথিবী যেভাবে চলছে, চলুক। সবখানে নিজের অস্তিত্ব জানান দিয়ে কাজ নেই। তারচে' যে কাজটা ভালো পারি সেটা করি। দূর থেকে বিষয়টা দেখি। আমি কোনো কথা না বলে শুধুই দেখতাম।

তিনিও হয়তো আমাকে দেখতেন, খুঁজে নিয়েই। কোনো কোনো দিন হয়তো অনেক অন্ধকারের ভেতর থেকে, দূরের কারো সঙ্গে কথা বলার সময় আমার দিকে বড় বড় চোখ তুলে তাকাতেন। অল্প কিন্তু একটা পূর্ণ সময়ের জন্য। আমি দেখতাম, মায়াঘেরা আলো-আধাঁরির ভেতর থেকে একটা সাদা চোখ যেন আমার চোখের মণিতে এসে বিদ্ধ হতো। বিদ্যূতের চমকানি টের পেতাম বুকের ভেতর। এরকম কিছু বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ছাড়া আর কোনো কথা হয় নি উনার সঙ্গে। কখনো হওয়ার সম্ভাবনাও ছিলো না। আমাদের দু'জনের সার্কেল ছিলো ভিন্ন। ওই সার্কেলের পদ্মকে শুধু চিনতাম।

একদিন অবচেতন মনে লাল ইট বিছানো রাস্তায় নিচের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কামড়াতে কামড়াতে পায়চারি দিচ্ছি। হঠাৎ মুখোমুখি হয়ে গেলাম। কি আশ্চর্য, উনার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে একটুও সংকোচ লাগছিলো না! হাসিও পাচ্ছিলো না। তিনিও আমার চোখের ভেতর গভীরভাবে তাকিয়েছিলেন। কিছুই বলছিলেন না। আমি যেন খানিকটা আনমনা হয়ে গিয়েছিলাম। সম্মোহিত হওয়ার মতো অবস্থা। তবে সেটা খুব অল্প সময়ের জন্যই হবে নিশ্চই। মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা প্রত্যাশার মাত্রাকে অনেকদূর পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। ওই সামনা-সামনি হয়ে যাওয়াটা ছিলো তেমনই একটা ঘটনা। আমি প্রায় বলেই বসেছিলাম, তাই বলে একদম সরাসরি?

সেটা ছাড়া উনার সঙ্গে আমার আর কোনো ইন্টার পার্সনাল এ্যকশন ঘটে নি। যদিও হতে পারতো অনেক কিছু। একদিন সন্ধ্যার ঠিক আগে আগে বৃষ্টি এসে শহরটা একদম ঝা চকচকে পরিস্কার করে দিয়ে গেল। সেদিন গাছের পাতা থেকে টুপ-টাপ শব্দে পানির ফোঁটা ঝরছিলো অনেকক্ষণ পর্যন্ত। পুরো মহল্লায় আর কেউ ছিলো না। আমি নিঃসঙ্গ মনে আলমের দোকানে বসেছিলাম। পরিবেশটার ভেতরে মানবমন দ্রবীভূত হওয়ার খুব সুব্যবস্থা ছিলো। এমন সময় উনাকে দেখলাম পা টিপে টিপে মহল্লায় ঢুকলেন। বেঞ্চির ওপর পা তুলে বসে আলমের কাছে একটা চা চাইলেন। উনি বসেছিলেন আমার নিগেটিভ পজিশনে। আমি কেবল একবার ঘাড় ঘুরিয়ে উনাকে দেখার সুযোগ পেলাম। বারবার তো আর তাকানো যায় না।

বসার পজিশনটা নিয়ে কিন্তু একটা বাড়তি সুবিধাভোগের অভিযোগ করা যায়। কারণ তিনি আমাকে দেখতে পাচ্ছেন, অথচ আমি পাচ্ছি না। অবশ্য তাতে আমার খুব বেশি অসুবিধা হচ্ছিলো না। আমি সেই বাড়তি সুবিধার বিনিময়ে একটা আদুরে দিবাস্বপ্ন দেখতে পাচ্ছিলাম। কেউ একজন এসে আমার কাছে জানতে চাইছে,
-আপনার নাম কি আকাশ?
হ্যা আমার নাম আকাশ। আপনি কিভাবে জানলেন?
-পদ্ম বলেছিলো। ও তো আপনাদের বন্ধু, তাই না?
হ্যাঁ, মফস্বলবেলার বন্ধু। এখন অনেক চিৎকার-চেঁচামেচি করে। আগে খুব শান্ত ছিলো।
-ও চেঁচামেচি না, গান করে। আচ্ছা, আপনি একা কি করছেন?
বসে বসে একটা দিবাস্বপ্ন দেখছি। একটা মেয়ে এসে আমার নাম জানতে চাইছে।
-তাই, না? বিষয়টা কিন্তু আসলেও তাই। আমিও মাঝে মাঝে দিবাস্বপ্ন দেখি। একা একা বসে থাকা কোনো একটা ছেলেকে গিয়ে হয়তো তার নাম জিজ্ঞেস করলাম।
তখন ছেলেটা কি করে?
-আমি তো ছেলেটার নাম জানিই। সেটা দেখে অবাক হয়।
বাহ্ ঘটনা খুব পরিচিত মনে হচ্ছে।
-হ্যাঁ। দিবাস্বপ্নগুলো পরিচিতই লাগে। কারণ মানুষ সেগুলো নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এই যেমন আজকের বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় আমার আপনের সঙ্গে হাঁটতে ইচ্ছে করছে। এটা একটা দিবাস্বপ্ন। আপনি কি যাবেন?

স্বপ্নটা এখানেই শেষ হয়ে গেল। আমি অবশ্য বলতে চাচ্ছিলাম, স্বপ্নটা যেহেতু আপনার সেহেতু এরপরের ঘটনা কি ঘটবে সেটার নিয়ন্ত্রণও আপনার হাতে। সুতরাং প্লীজ স্বপ্নে আমাকে নিয়ে চলুন। আপনার সঙ্গে হাঁটি।

কিন্তু সেটা বলার সুযোগ পেলাম না। চারদিকে অনেক কোলাহল শুরু হয়ে গেল। পদ্ম-শম্পারা চলে এসেছে। ওরা হৈ চৈ আর গান গাওয়া শুরু করে দিয়েছে। চলে এসেছে মৈত্ররাও। ওরা আমার সঙ্গে বসে। আমরা আড্ডা দিই। এর মধ্যেই হয়তো হঠাৎ করে একটা নৈর্ব্যক্তিক নন-ভার্বাল ইন্টার পার্সনাল কমিউনিকেশন ঘটে যায়। সবকিছুর মধ্যে বিরাজ করতে থাকা আমার আমিকে একটা ছোট্ট মূহূর্তের জন্যে ঘিরে ধরে সাগরপাড়ের বিচ্ছিন্নতা।

একাকী সময়গুলোয় মেয়েটিকে নিয়ে এত ভাবতাম যে, নিজের দিকে কোনো খেয়ালই ছিলো না। শুধু দেখছিলাম দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছি। কেন যেন মনে হতো সেটা উনার চোখেও পড়ছে! সেদিন যখন তিনি মোবাইলে কথা বলার সময় বার বার সামনে দিয়ে পায়চারি করছিলেন, তখন আমার এ কথাটা প্রথম মনে হয়েছিলো।

একদিন অকল্পনীয়ভাবে রাতে ঘুমের ভেতর উনাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলাম। এ ধরনের স্বপ্নের ওপর আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। কি দেখছি, সেটা মোটেও আগ থেকে বুঝতে পারি না। আমার ভেতর ঢং ঢং করে আনন্দের ঘন্টা বাজে। সঙ্গে একটা রিমঝিম-রিমঝিম ছন্দের উত্তাল কামনা। কিন্তু স্বপ্নে কি দেখেছি, সেটা ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর আর মনে করতে পারি না।

সেদিন অনেক সকালে মহল্লায় গিয়ে দেখি কে যেন ঘাসের ওপর শাদা শাদা শিউলি ফুল বিছিয়ে দিয়ে গেছে। আলো আঁধারিতে এর আগে টের পাই নি যে এখানে একটা শিউলি গাছ আছে। সবুজ ঘাসের ওপর শিউলি ফুল, এরচে' সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে? আমি স্বপ্নের দৃশ্যগুলো হারিয়ে ফেলার দুঃখ ভুলে যাই। আনন্দে ভরপুর একটা মন নিয়ে নতুন দিনের পথে পা বাড়াই।

সন্ধ্যায় উনার সঙ্গে দেখা হবে, সে আশায় ঘড়ির কাঁটা গুণতে থাকি। এক-একটা দিন কত দীর্ঘ হতে পারে? কর্মব্যস্ত জীবন তা টের পেতে দেয় না অনেক সময়েই। কিন্তু কোনো একটা অপেক্ষার ঘড়ি মনের ভেতর চলতে থাকলে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়। একটু সুযোগ পেলেই অপেক্ষা করতে করতে হাঁপিয়ে উঠার ভঙ্গি করছিলাম। নিজের সঙ্গে নিজেই। একসময় আমার অনেক প্রণাম গ্রহণ করে স্থবির দুপুর-বিকেলগুলো সত্যি সত্যি মাতাল হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। হাতের কাজ গুছিয়ে বাইরের মুক্ত হাওয়ায় বের হয়ে এলাম।

আমি বের হতেই ঈশান আকাশে কালো একটা মেঘের দলা উঠে এসে সূর্যটাকে ঢেকে দিল। এত প্রবল সূর্যাস্ত অনেকদিন চোখে পড়ে নি। যেন আমার জন্যই কেউ সেই শেষ বিকেলটা মেঘলা করে দিয়ে গেল। চুপিসারে মহল্লায় নিজের জায়গাটিতে গিয়ে বসলাম। চারপাশে প্রাণের ছড়াছড়ি, মুক্তোর মতো ঝরে ঝরে পড়ছে।

উনাকে দেখে আমার মনে হলো আকাশটা আজ আমায় যা চাই, তাই দেবে বলে পণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সবসময়ই যেটা চাওয়ার কথা ভাবি সেটা হচ্ছে, আনন্দদায়ক মৃত্যূ। আকাশকে বলি জীবনটাকে কেবলমাত্র এখনকার এই সময়ের গণ্ডিতে আটকে দিতে। সে আমার কথা রাখে। আমি আজীবনের জন্য অনন্ত সময়ের পাকে বাঁধা পড়ে একটা না পাওয়ার তৃপ্তিচক্রে ঘুরতে আরম্ভ করি।

---

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

তানবীরা's picture


উনাকে দেখে আমার মনে হলো আকাশটা আজ আমায় যা চাই, তাই দেবে বলে পণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সবসময়ই যেটা চাওয়ার কথা ভাবি সেটা হচ্ছে, আনন্দদায়ক মৃত্যূ। আকাশকে বলি জীবনটাকে কেবলমাত্র এখনকার এই সময়ের গণ্ডিতে আটকে দিতে। সে আমার কথা রাখে। আমি আজীবনের জন্য অনন্ত সময়ের পাকে বাঁধা পড়ে একটা না পাওয়ার তৃপ্তিচক্রে ঘুরতে আরম্ভ করি।

এটুকু মারাত্বক।

ডিসক্লেমার জানানোত অনুমতি মিলছে? Big smile

নিশ্চুপ প্রকৃতি's picture


উনি টা কে?
Wink ?

হাসান রায়হান's picture


আাগের সাতযট্টিটা ডিসক্লেইমার ডিউ রইছে আবার আরেকটা! এইবার ডিস্কেইমার না কইলে গপ্প পড়ুমনা।

রাসেল আশরাফ's picture


হ।
এইজন্য আমিও পড়লাম না। Sad Sad

ভাস্কর's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম।

শাতিল's picture


পড়তেছি

শওকত মাসুম's picture


তিনি বয়সে বড়? বেশি?

একজন মায়াবতী's picture


Rolling On The Floor

কামরুল হাসান রাজন's picture


মীরের লেখা পড়ে আমার উনাকে 'চতুষ্কোণ' এর রাজকুমার মনে হয় :প

১০

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


এরপর থেকে যেই গল্পে ডিসক্লেইমার থাকবে না সেটায় বলবেন, ডিসক্লেইমারঃ আজকে কোনো ডিসক্লেইমার দিব না Wink

১১

জেবীন's picture


দারুন গল্পগুলা পড়তে পড়তে মনে হয়
গল্পের মাঝের মানুষটার কান্ডগুলো পড়ে মনে হয়
কত কত ছড়ানো ছিটানো কাহিনী পড়ে পড়ে মনে হয়
নানান স্বাদের মন লাগা গল্পগুলো পড়ে মনে হয়

মীরটা ক্যাডা রে!!

ছেলেটার বর্ননা পড়ে মজা লাগছে, আমার এক নেটফ্রেন্ডের সাথে মিলে যায়! নিজের বর্ননা সে নিজেই দিছে এমন করে!! তার মতে মাত্রাতিরিক্ত গাঞ্জার কারনে এই হাল তার আর মজাই লাগে নিজেরে এমন ভাঙ্গাচুরা হালে দেখতে!!! গল্পের পরিবেশটাও যেন তেমন কোন আড্ডার লাগলো!!

১২

টুটুল's picture


আমি

১৩

জেবীন's picture


না না নাআআআআআ Stare বিশ্বাস গেলাম নাহ! Stare

আবার কইয়েন না, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর! পুথিঁপুস্তকের বানী অসার আজকাল্কার যুগে.। Tongue

১৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মীরটা ক্যাডা রে!!

লাখ কতার এক কতা !!!

১৫

টুটুল's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম

১৬

জেবীন's picture


হয় নাই, দেখেন শাতিলরে দেখে কিছু শিখেন, ও চুপচাপ পইড়া গেছে, কিছু কি কইছে? Wink

১৭

টুটুল's picture


আমিওতো কিছু কই নাই.... আর শাতিল তো খালি পাতা উল্টাইতেছে Wink

১৮

জেবীন's picture


কি বলতে চান আপ্নে, শাতিল পড়তে পারে না, খালি পাতা উল্টাইয়া বইয়ের ছবি দেইখা যায়!! Wink

১৯

টুটুল's picture


শাতিল আবার ছবির বই ছাড়া কিছু চিনে?

২০

জেবীন's picture


আচ্ছা এই লেখার শিরোনামে কি মীর নিজের হাল জানাইছে? কথাটার অর্থ কি - লাল মূহুর্ত মানে চোক্ষে লাল বাত্তি দেখছে কিল খাইয়া (কি না কি মন্তব্য কইরা আর কি!) = লি মোমেন্ত উ কিলকু শুঝ কমেন্স চোখ টিপি

২১

জ্যোতি's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor

২২

একজন মায়াবতী's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor

২৩

মীর's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor
লি মোমেন্ত উ কিলকু শুঝ কমেন্স অর্থ হচ্ছে inception.

২৪

জ্যোতি's picture


চুপচাপপড়েগেলাম।
ভালো আছেন? ভালো আছি। দারুণ বৃষ্টি হলো তো!

২৫

বিষাক্ত মানুষ's picture


সারছে !

২৬

লীনা দিলরুবা's picture


গল্প ভালো লেগেছে Smile

২৭

নাজ's picture


(একটা ডিসক্লেইমার আছে, এর পরেরবার সেটা জানিয়ে দেয়া হবে।)

মাইর
গল্পের শেষে এইটা বলা কি আপনের ইস্টাইল? Stare

২৮

শাপলা's picture


বিষাক্ত মানুষ's picture
বিষাক্ত মানুষ | মে ১১, ২০১১ - ৫:৪৪ অপরাহ্ন

(নতুন মন্তব্য)

সারছে !

২৯

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


শেষটা অদ্ভুত ভাল।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!