ইউজার লগইন

গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (২)

মেয়েটির গলার স্বরে এক ধরনের আহ্বান আছে। সেই আহ্বানে আপনার শরীরের ভেতর থেকে আত্মাটা বের হয়ে চলে যাবে, আপনি নিথর শরীর নিয়ে পড়ে থাকবেন; কিন্তু টের পাবেন না। এহেন সিচুয়েশনে পেটে যদি মালপানি পড়ে তাহলে কি হবে, সেটা ভেবে আমি আতংকিত হয়ে পড়লাম। ছাপোষা চাকরীটা আমার মাসাকাবারি খরচ, সিগারেটের টাকা, বন্ধুদের সঙ্গে মৌজ-ফূর্তি আর অন্যান্য জরুরি পার্সনাল কাজগুলোর একমাত্র অবলম্বন। বস্ ব্যটা এসে যদি দেখে তার ডার্লিংয়ের সঙ্গে আমি শাদা ওয়াইন হাতে ঢলাঢলি করছি, তাহলে আমার সম্বল কেড়ে নেয়ার যে সামান্য অধিকারটুকু সে রাখে; সেটা খাটাতে নির্ঘাৎ বিপুল বিক্রমে ঝাপিয়ে পড়বে।

ওদিকে মীমের বকরবকর চলছেই।

আসলে কি জানেন? আপনার মামুন স্যার লোকটা খানিকটা খানকা কিসিমের। খানকা কি জিনিস জানেন না বুঝি? খানকা হচ্ছে খানকির মেল ভার্সন। খানকাটার নাকি একটা কলেজে পড়া মেয়ে আছে? তারপরেও সে রোজ আমার ফ্ল্যাটে এসে খানিকক্ষণ ঢলাঢলি করে যায়। আমি অবশ্য তাতে খুব একটা গা করি না। আমি আসলে সিরিয়াস মানুষ, বুঝলেন? গা করলে এতদিনে আপনাদের মামুন স্যারকে আর আপনারা চোখে দেখতেন না। ব্যটার সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো টিটলামি করি নাই, জানেন? ও আপনে তো বোধহয় টিটলামি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। আমার আসলে বদঅভ্যাস আছে, জানেন? কথার মধ্যে এখতিয়ার বা ওয়াকিবহালের মতো লম্বা লম্বা শব্দ ঢুকিয়ে দেবার। সচেতনভাবেই করি। আবার খানকি, টিটলামির মতো শব্দও ইউজ করি। কথা বলতে আমার যা ভালো লাগে। ইচ্ছা করে সারাদিন খালি কথাই বলতে থাকি। মামুনের সঙ্গে প্রথম যেদিন দেখা হলো, সেদিন খুব বেশি কথা বলা হয় নাই। তারপরেও ওর মনে হয়ে গেলো, আমি একটা টকেটিভ মেয়ে। আমি তাকে প্রথমদিকে আঙ্কল বলে ডাকছিলাম। ভালোই লাগছিলো। অনেক স্মার্ট একটা আঙ্কল উনি। কিন্তু লুচ্চাটা হুট করে আমার ঠোঁটে আঙুল চেপে ধরলো। বলে কিনা, উহুঁ আঙ্কল নয়, তুমি আমাকে শুধু মামুন ডেকো। আর ব্যাস্। আমি তো এইসব তক্কেই থাকি।

মেয়েটি এই কথাটি বলার সময় চোখ দু'টো বড় বড় করে মনিটা ৩৬০ ডিগ্রী কোণে একপাক ঘুরিয়ে আনলো। এই সময় আদুরে ভঙ্গিতে ঠোঁট দু'টো টিপে রাখার কারণে তাকে অনেকটা বলিউডি সিনেমার নায়িকাদের মতো লাগছিলো। আর সন্ধ্যার ঝিরঝিরে আবহাওয়াটা ধরার জন্যই বোধহয় সে সোনালী কাজ করা ছাইরঙা একটা কামিজ পরেছিলো। আর ছিলো চোস্ত সালোয়ার। আমরা ড্রইং রুমের মেঝেতে পা বিছিয়ে অনেকটা আনফরমাল ভঙ্গিতে বসে গল্প করছিলাম। শাদা ওয়াইনটা আসলেই মারাত্মক একটা জিনিস ছিলো। সঙ্গে নোনা সিরকায় ডোবানো মেক্সিকান কাজুটা একটা ধরনের ভূমধ্যসাগরীয় ফ্লেভার দিচ্ছিলো। ড্রইং লাগোয়া বেলকনির ওপর ঝরতে থাকা বৃষ্টির ফোঁটাগুলোকে মনে হচ্ছিলো সমুদ্রের ঢেউয়ের ছাঁট।

পৃথিবীর সবগুলো দুর্ঘটনা আসলে অনুমানযোগ্য। কোনো না কোনোভাবে। যেমন ওই সময়টায় আমি শুধু একটা বিষয়ই চাচ্ছিলাম। কোনোক্রমে যাতে ডোরবেল না বাজে। বৃষ্টির ক্রমবর্ধমান তেজ আমাকে আশ্বস্তও করেছিলো। কিন্তু দুর্ঘটনার অনুমান যেহেতু একবার করা হয়ে গেছে, সেহেতু সেটা তো ঘটবেই। ভয়াবহ কর্কশ স্বরে একসময় সেটা বেজে উঠলো। মেয়েটি তখন কেবল তার প্রথম জীবনের কথা শুরু করেছে। আমি সেই জীবনের সঙ্গে মিল পাচ্ছিলাম মেরিলিন মনরোর জীবনকাহিনীর। আর তাতেই আমার খানিকটা সন্দেহ জন্ম নিচ্ছিলো, কথাগুলো বানোয়াট নয়তো? সেটা জিজ্ঞেস করতে যাবো, আর অমনি কে যেন ফ্ল্যাটের দরজার পাশে লাগানো সুইচটার ওপর আক্ষরিক অর্থে হামলে পড়লো।

মেয়েটির কিন্তু ভাবান্তর হলো না। দু'বার বেল বাজার পর নিতান্ত অনিচ্ছাসত্বে সে উঠে গিয়ে পীপ হোল দিয়ে বাইরটা একবার দেখলো। তারপর আমার দিকে ঘুরে রজার মুরের মতো পিস্তল বাগিয়ে বললো, য়ু আর বাস্টেড। ভামটা হাজির হয়ে গেছে তাহলে? অবশ্য আমি কন্ডিশন ব্রেক করি নি। সো আসলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ততক্ষণে মেয়েটি দরজা খুলে দিয়েছে। ওপাশ থেকে যে গলার স্বর ভেসে আসলো, তা শুনে অবাক হলাম। মামুন স্যার নয়। লোকটা ভেতরেও ঢুকলো না। দরজাতেই কাজ সেরে বিদায় হলো। একটু পর দরজা লাগিয়ে দিয়ে আবার ড্রইং রুমে এসে ঢুকলো মীম।

কি পিলে চমকে গেছিলো? হাহা হালকা রসিকতা করলাম। আমার আবার হালকা রসিকতা খুবই পছন্দের জিনিস। আপনার মতো একটা স্পিকটি নট ভদ্রলোকের সঙ্গে হালকা রসিকতা করার মজাই আলাদা। কোনো এক বিচিত্র কারণে আপনাকে আমার ভালো লাগছে, জানেন? কিশোর বয়সে প্রথম যে ছেলেটি আমার প্যান্টের ভেতর হাত দিয়েছিলো, তাকে আমার অমন ভালো লাগতো। সে আমার প্যান্টের ভেতর হাত দেয়ায় আমি একটুও রাগ করি নি। অবশ্য ওই বয়সে রাগের চেয়ে যেটা আমার বেশি করার কথা ছিলো, সেটা হচ্ছে ভয়। কিন্তু কোনো ভয়ও লাগে নি। ছেলেটা নিশ্চিন্তে আমার প্যান্ট খুলে জায়গাটা হাতড়েছে, জিভ দিয়ে চেটেছে, তারপর সেই জিভ দিয়েই আমার গলা-ঘাড়-বুক চেটেছে, হাত দিয়ে অনেকক্ষণ ইচ্ছেমতো বুক দু'টো চটকেছে, কিন্তু আসল কাজটা করতে পারে নাই। হিহি আপনি জানেন, আমার প্রথম সেক্স এক্সপেরিয়েন্সে ইন্টারকোর্স হয় নাই? এটা যে সবার ক্ষেত্রেই হয়, এমন কিন্তু না।

আমি এতক্ষণ পর্যন্ত ঠিকই ছিলাম। কিন্তু হুট করে এরোটিক আলোচনা শুরু হয়ে যাওয়ায় খানিকটা চিন্তিত হয়ে পড়লাম। চিন্তিত মুখেই বড় বড় দু'টো পেগ বানালাম। একটা গ্লাস মীমের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললাম, আমারো ফার্স্ট এক্সপেরিয়েন্সে ইন্টারকোর্স হয় নাই। আসেন এই ঘটনায় একটা টোস্ট হয়ে যাক। কানপাই।

মেয়েটি টিং করে আমার গ্লাসে হালকা একটা বাড়ি দিয়ে, পুরো পানীয়টা একসঙ্গে গলায় ঢেলে দিলো। দৃশ্যটা খুবই সিনেমাটিক লাগছিলো আমার কাছে। এখন সিম্পলি তার শুধু হাত দু'টো বাড়িয়ে আমার গলা ধরে ঝুলে পড়া বাকী। কিন্তু সেদিন সন্ধ্যায় ওই ফ্ল্যাটটায় যেহেতু কোনো সিনেমা শ্যূট হচ্ছিলো না, তাই সেটা ঘটলো না। বরং মীম আবারো তার গল্পে ফিরে গেলো। আমি লাইটার খুঁজে একটা সিগারেট ধরালাম।

সেই ছেলেটা সেদিন কেন ওই কাজটা করতে পারে নাই, কে জানে। এমন না যে, কেউ সেখানে হুট করে চলে এসেছিলো বা আমি কিছু করতে বাধা দিচ্ছিলাম। আমার তখন কতই বা আর বয়স। ১২ বা ১৩। হয়তো আমার বয়সের কথা চিন্তা করেই ছেলেটা সেদিন ওই কাজটা না করে থাকবে। ছেলেটাকে আমার সত্যি ভালো লাগতো। বাবা-মা একসঙ্গে মারা যাওয়ার আগের দিন পর্যন্ত ওরা আমাদের মহল্লাতেই থাকতো। ওরা যেদিন বাক্সেপেটরা গুছিয়ে মহল্লা থেকে চলে গেলো, তারপরের দিন বাবা-মা মারা গেলেন। তারা দু'জন একটা দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। বিয়ের দাওয়াত। আমার মনে আছে, বিয়ের দাওয়াত পেলে বাবার মুখ শুকনো হয়ে যেতো। তার টানাটানির সংসার ছিলো। কোনো দাওয়াতে যেতে হলে যে উপহার কিনতে হয়, সেটা তার জন্য কষ্টকর ছিলো। তাই তার মুখ শুকনো হয়ে যেতো। তারা বিয়েতে যাওয়ার সময় শুকনো মুখে গিয়েছিলেন। আসার সময়ও হয়তো শুকনো মুখেই আসছিলেন। আমি জানি না।

আমি ক্লাইমেক্স বেশি একটা নিতে পারি না। মীম যখন বাবা-মা'র কথা শুরু করলো, তখন কেমন যেন অস্বস্তি লাগছিলো। মেয়েটির এনভায়রনমেন্ট সেন্স ভালো। চট করে প্রসঙ্গটা ঘুরিয়ে নিলো।

কিন্তু বাবা-মা মারা যাবার পর আমার খুব সমস্যা হয়ে গেলো। আমরা ভাড়া থাকতাম দুসম্পর্কের এক মামার বাসায়। মামা আমাদের বাসাটা ভাড়া দিয়ে দিলো। আর আমি মামাদের বাসায় উঠে গেলাম। স্কুলের কথা চিন্তা করেই ওই মামার বাসায় থাকা। মামা কিন্তু পুরো সুযোগটা নিলো। আমার প্রথম রক্তপাত ওই মামাই ঘটালেন। তিনি আমার বয়সের কথা চিন্তা করেন নি। আমার কি ভালো লাগতে পারে, কিভাবে করলে খুশি হতে পারি, সেসব কিছু তিনি ভাবতেন না। ওই ছেলেটা ভাবতো। কিন্তু সে তো চলে যাবার সময় আমার কথা ভাবে নি। আমি আজও মাঝে মাঝে তার কথা ভাবি।

একসময় মামার অত্যাচার অসহ্য লাগা শুরু হলো। মামীও বিষয়টা টের পেয়ে থাকতে পারেন। সেই ১৬ বছর বয়সেই আমার বিয়ে দেয়ার জন্য তিনি ব্যস্ত হয়ে গেলেন। আমিও পেয়ে গেলাম হাঁফ ছেড়ে বাঁচার উপায়। মামীর চেয়ে বেশি আগ্রহ তাই আমার ছিলো। বিয়ে করে ফেললাম ইউনিভার্সিটির এক মাস্টারকে। সেই লোকটা না ছিলো ওই ছেলেটার মতো রুমান্তিক, না ছিলো মামার মতো সাসটেইনেবল। পুরা কোলাপসিবল গেট একটা। একবার নিয়ে জায়গামতো ঢুকায় দিলেই ব্যস্। গলগল করে ঝরে পড়ে যায়। আমার ভালো লাগতো না ওই ব্যটাকে একটুও। তা ছয় বছর ছিলাম কষ্টে-সৃষ্টে। ভাগ্য ভালো বাচ্চা-টাচ্চা হয় নি। আমার অবশ্য এই এক মস্ত সুবিধে। কখনো এক্সপেক্টেন্সির ঝামেলা পোহাতে হয় নি জীবনে। মজা না, বলেন?

আমি ইতিবাচক ভঙ্গিতে মাথা ঝাকালাম। অবশ্যই মজা। বিস্তর মজা। কিন্তু মামুন স্যারের কি হলো? এতক্ষণেও দেখা নাই কেন?

মীম মামুন স্যারের প্রসঙ্গ একপ্রকার উড়িয়েই দিলো। আরে রাখেন তো। ও আসার আগে আমাকে ফোন করে বলবে, আ'ম রেডী ডার্লিং। সো ডোন্ট ওরি। আমি চিন্তামুক্ত হয়ে টি টেবিলে হেলান দিয়ে সামনে দুই পা ছড়িয়ে দিয়ে বসলাম। মাথাটা বেশ ভারী ভারী লাগছিলো।

অবশ্য একটা জিনিস বুঝতে পারছিলাম না। মেয়েটির সমস্যাটা কি? এমনিতে তো সবই ঠিকঠাক মনে হচ্ছে। একবার বিয়ে হয়েছিলো। সেটা টেকে নি। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা গেছে। এখন ইংল্যান্ডের প্রবাসীদের যোগসাজশে কিছু একটা করেও বুঝতে পারছি। কিন্তু এত রাফ কেন? সে সম্ভবত আমার ভেতরের কথাটা টের পেয়ে গেলো। তাই এবার শুরু করলো, তার অপকর্মের বয়ান।

মেইনলি ডিভোর্সটা হয়ে যাওয়ার পর আমার খুব সুবিধে হয়ে গেছিলো। ততদিনে ঢাকায় অনেক বন্ধু-বান্ধবও জুটে গেছে। তাদের কয়েকজনের পরামর্শেই ওয়েডিং প্ল্যানিংয়ের ব্যবসাটায় হাত দেয়া। এই ব্যবসার যাবতীয় কাজ-কারবার বড়লোকদের সঙ্গে। ওরা টাকা কামানোর প্ল্যান বানাতে যতটা ওস্তাদ, অন্যান্য প্ল্যানের ক্ষেত্রে ততটাই ভোন্দা। ভোন্দা মানে কি জানেন তো? না জানলে বলবেন। জানিয়ে দেবো।

আমি মাথা ঝাকালাম। জানি। মীম গল্পে ফিরে গেলো।

আমি গুলশানে কয়েকটা বড় বড় পার্টি অ্যারেঞ্জ করতেই সবাই চিনে ফেললো। সেই সুবাদে হাতে এসে গেলো এই ফ্ল্যাটটার চাবি। টুকটাক বিদেশ ভ্রমণও শুরু হয়ে গেলো সেইসময় থেকে। আর ভ্রমণের সময় পেয়ে গেলাম আরেকটা টাকার খনির সন্ধান। বিদেশে প্রচুর কনজারভেটিভ বাঙালি পরিবার আছে। যারা থাকে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডে আর চিন্তা করে থার্ড ওয়ার্ল্ডের নাগরিকদের মতো করে। পরিবারের মেয়েকে দেশের ছেলে ছাড়া বিয়ে দিতে তাদের অনেক আপত্তি। হাহ্ আমার জন্য তো ব্যপারটা সোনায় সোহাগা হয়ে গেলো। বুঝতে পারছেন এখন আমার ব্যবসাটা?

আমি মাথা ঝাকালাম। বুঝতে পেরেছি। সে কথা বলেই গেলো।

(চলবে)
---

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


চলুক।

লেখার চেয়ে লেখার ধরন বেশি ভাল লাগছে।
পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

মীর's picture


তারমানে লেখা ভালো লাগে নাই। বড়ই দুঃখের কথা।

হাসান রায়হান's picture


সুপার !

মীর's picture


আপনার মতো!

জ্যোতি's picture


tarpor?

মীর's picture


তারপর কি হইলো সেটা তো আপনে জানেন।

হাসান রায়হান's picture


মাসুম্ভাই এখনও কমেন্ট করে নাই কেন!!! সকাল থিকা ওয়েট কর্তাছি Cool

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


মাসুম্ভাই বাজে-কমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত, থুক্কু, বাজেট-কমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত Cool

~

মীর's picture


আসলে কমেন্ট করার কিছু নাই হয়তো.. Smile

১০

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


এই ধরনের লেখা পয়দা করতে কতটুকু বাস্তব অভিজ্ঞতা লাগে, কতটুকু কল্পনা? Thinking

~

১১

মীর's picture


আমার মনে হয়, পুরাপুরি কল্পনার উপর ভর করে এই ধরনের লেখাই কেবল পয়দা করা সম্ভব।

১২

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া এইরকম লেখা শুধু কল্পনায়... অসম্ভব ! অবশ্য অসম্ভবকে সম্ভব করাই মানুষের কাজ... বাস্তব আর কল্পনা যাই হোক, আপনেরে স্যালুট জানাই Big smile

১৩

মীর's picture


আমিও আপনারে স্যালুট জানাই। ছোটবেলায় নৌ-স্কাউট করতাম তো, তাই আমার স্যালুটটা আপনারটার চাইতে ভালো হইসে।

১৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ইয়াহুর পাতা-টাতা আজকাল আর খোলেন না নাকি ?

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


মীর ভাই রক্স এগেইন!
ব্যাপক!

১৬

মীর's picture


Embarassed ... ধইন্যা পাতা

১৭

ফাহমিদা's picture


লেখা সুন্দর হয়েছে, ভালো লেগেছে ... শেষে কি হবে ?

১৮

মীর's picture


থ্যাংকস্...শেষে আসলে দেখা যাবে মেয়েটি একজন সিরিয়াল কিলার- এই।

১৯

অনিমেষ রহমান's picture


ভালো লেগেছে লেখা।

২০

মীর's picture


আর আমার ভালো লেগেছে আপনাকে।

২১

শওকত মাসুম's picture


অনেক দেরি করলাম। বাজেট নিয়া আসলেই ব্যস্ত ছিলাম।
ব্লগ দুনিয়ার নতুন ধরণের গল্প। চলুক।

২২

মীর's picture


আমি জানি, অনেক ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয় মাসুম ভাই আমার পোস্টে আসে। একবার অন্তত চোখ বুলিয়ে যায়। এ আমার ছোট্ট জীবনের অনেক বড় একটা পাওয়া। এটা কি মাসুম ভাই জানে?

২৩

টুটুল's picture


পড়ছি কিন্তু.... Smile

২৪

মীর's picture


বিভিন্ন পুস্টে হাজিরা মিস্ হৈসে কিন্তু সাহেব... Crazy

২৫

৬ টি তার's picture


ভালো লাগা বাড়তই আছে।

২৬

মীর's picture


জেনে আমারো ভালো লাগা বাড়ছে, বাড়তেই আছে।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!