কবিতা: বিবেকের মাতৃবিয়োগের পর
বুর্জোয়া প্রান্তিকতায় আক্রান্ত
লুম্পেন আমি আজ
সুযোগ পেলেই মহাপরাক্রমে
গরীবের পেটে লাথি মারছি;
বিবেকের মা মারা যাবার পর থেকে
এ কাজে আমার পা, উঠতে দেরি করে না।
অথচ বিবেক নামের বন্ধুটি যতদিন মাতৃলগ্ন ছিলো
ততদিন এ কাজে আমায় বাধা দিতো,
অদ্ভুত সেই ছেলেটি আজকাল নিশ্চুপ হয়ে গেছে কেমন;
আমিও মাজুল হয়ে থাকি টুপভজঙ্গ অবস্থায়
আর অবিবেচক মনোভাব পুষে বেড়াই,
শালা দুনিয়াটাই আজ এরকম হয়ে গেছে।
তাই, আমি আলাদা থেকে মার খাই-
চাই না।
তারচে' বিবেকের মায়ের মৃত্যূতে মনে মনে খুশি আর
বাইরে মাছের মায়ের পুত্রশোক দেখাই,
বানোয়াট পৃথিবীটাকে এভাবেই মন্থন করা সম্ভব; এভাবেই
আমি পথ খুঁজে পাই,
পকেটে পয়সা খুঁজে পাই,
সংসারে ভোগের বস্তু খুঁজে পাই,
আর আয়নায় একটা জানোয়ার
খুঁজে পাই
জানোয়ারদের পালে যোগ করার জন্য।
তবে প্রসাধনচর্চিত এই জানোয়ারটি; বুনোদের চেয়ে
অপেক্ষাকৃত সুন্দর, অনন্য।
---





এভাবেই..
এভাবেই কি? আপনে কমেন্ট না করে ইমো দিয়া ফাঁকি মারেন?
হিঃ হিঃ
আসলে মাঝে মাঝে কথা খুইজা পাই না, তাই!
নিওয়ে-
কেমন আছেন ভাই?
নতুন গল্প চাই!
এভাবেই বিবেককে প্রতিনিয়ত গলা টিপে হত্যা করে চলি।
বাহ
একটু কেমন জানি কেমন জানি লাগছে...
জোর কইরা লেখছেন বৈলা মনে হইতেসে।
মন্তব্য করুন