ভাল লাগা ভাবনারা
১.
পূর্ণেন্দু পত্রীর কবিতা পড়ছিলাম। ভদ্রলোক কিন্তু দারুণ রুমান্তিক! 'কথোপকথন - ৭' তো এত ভালো লেগে গেলো যে বলার নয়। কবিতারা মাঝে মাঝেই আক্রান্ত করে মস্তিষ্কটাকে। তখন ভালো লাগে অনেক।
তোমার চিঠি আজ বিকেলের চারটে নাগাদ
পেলাম।
দেরী হলেও জবাব দিলে সপ্তকোটি
সেলাম।
আমার জন্যে কান্নাকাটি? মনকে পাথর
বানাও।
চারুলতা আসছে আবার। দেখবে কিনা
জানাও।
কখন কোথায় দেখা হচ্ছে লেখোনি এক
ফোঁটাও।
পিঠে পরীর ডানা দিলে এবার হাওয়ায়
ছোটাও।
আসবে কি সেই রেস্টুরেন্টে সিতাংসু যার
মালিক?
রুপোলী ধান খুঁটবে বলে ছটফটাচ্ছে
শালিক।
২.
আরেকজন অসাধারণ কবি হেলাল হাফিজ। মনের গুমোট ভাব কাটানোর জন্য উনার 'অচল প্রেমের পদ্য'- সমূহের কোনো বিকল্প নেই। অন্তত আমার কাছে। কেবল ৪ নম্বরটা তুলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম সবগুলো না দিলে আসলে পুরা আমেজটা আসতেসে না।
অচল প্রেমের পদ্য-১
যদি যেতে চাও, যাও
আমি পথ হবো চরণের তলে
না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব
ফেরাবো না, পোড়াবোই হিমেল অনলে।
অচল প্রেমের পদ্য-২
তুমি কি জুলেখা, শিরী, সাবিত্রী, নাকি রজকিনী?
চিনি, খুব জানি
তুমি যার তার, যে কেউ তোমার,
তোমাকে দিলাম না - ভালোবাসার অপূর্ব অধিকার।
অচল প্রেমের পদ্য-৩
আমাকে উস্টা মেরে দিব্যি যাচ্ছো চলে,
দেখি দেখি
বাঁ পায়ের চারু নখে চোট লাগেনি তো;
ইস্! করছো কি? বসো না লক্ষ্মীটি,
ক্ষমার রুমালে মুছে সজীব ক্ষতেই
এন্টিসেপটিক দুটো চুমু দিয়ে দেই।
অচল প্রেমের পদ্য-৪
তোমার হাতে দিয়েছিলাম অথৈ সম্ভাবনা
তুমি কি আর অসাধারণ? তোমার যে যন্ত্রনা
খুব মামুলী, বেশ করেছো চতুর সুদর্শনা
আমার সাথে চুকিয়ে ফেলে চিকন বিড়ম্বনা।
৩.
কবিতা যখনই আক্রান্ত করে তখনই খুঁজে বের করে যে কবিতাটি পড়ি সেটি হচ্ছে 'হায় চিল'। আমার প্রিয় কবিরা হচ্ছেন হুমায়ুন আজাদ, জীবনানন্দ দাশ আর হেলাল হাফিজ। হায় চিলের মতো কবিতা বাংলা ভাষায় খুব বেশি লেখা হয় নি।
হায় চিল, সোনালি ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে-উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে !
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে !
পৃথিবীর রাঙ্গা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে
বেদনা জাগাতে ভালোবাসে !
হায় চিল, সোনালি ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি, আর উড়ে-উড়ে কেঁদো নাকো ধানসিড়ি নদীটির পাশে।
৪.
হুমায়ুন আজাদ স্যার। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ভাষাশিল্পী। মৃত্যুর আগে চিকিৎসা ও পড়াশোনার উদ্দেশ্যে জার্মানিতে থাকার সময় তিনি জার্মান কবি হাইনরিশ হাইনে'র কিছু কবিতা অনুবাদ করেছিলেন। অনুবাদ যে সবসময় পাঠককে মূল সাহিত্যের রস থেকে বঞ্চিত করে না- তার প্রমাণ 'তুমি হাতখানি রাখো'।
প্রিয়তমা, তুমি হাতখানি রাখো আমার গুমোট বুকে।
শুনতে পাচ্ছো শব্দ? কে যেনো হাতুড়ি ঠুকে
চলছে? সেখানে এক মিস্ত্রি থাকে, যে বানিয়ে চলছে এক শবাধার ।
কার জন্যে জানো?—– আমার, আমার ।
উল্লাসে বিদ্বেষে নিরন্তর সে হাতুড়ি ঠুকছে দুই হাতে,
কিছুতে ঘুমোতে পারছিনা আমি, দিনে আর রাতে।
মিস্ত্রি, দ্রুত করো, তুমি কাজ শেষ করো তাড়াতাড়ি,
যাতে আমি অবশেষে বিঘ্নহীন ঘুম যেতে পারি।
৫.
অনেক দিন কিছু লিখতে পারছি না। কখনো অবশ্য পারতামও না। কিন্তু ইদানীং এসে যে সমস্যাটা হয়েছে, সেটা হলো- কিছু লিখলে সেটা এত জঘন্য একটা চেহারা পায় যে পরে নিজের কাছেই সেটাকে আর ভালো লাগে না। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বন্ধুবান্ধবের শুভকামনা কাম্য।
রোজা-রমজানের দিন চলতেসে। চারিদিকে সংযমী মানুষের ভীড়ে আমি অসংযমী-অসামাজিকটা কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গেছি। তারপরও এবি ব্লগের লোকজনের কীর্তি-কলাপ যে একেবারে দেখতেসি না, তা না। যারা ফাঁকিবাজিকে পেশা হিসাবে নিয়ে ফেলার চিন্তা করসেন, তারা রিথিংক করেন। আর যারা অলরেডি নিয়ে ফেলসেন, তারা পেশা চেঞ্জ করেন। এবি ব্লগটারে আরো জমজমাট দেখতে চাই। এখনকার এই চেহারায় না। আর যারা ওরকম কিছু ভাবেন নাই, তাদের জন্য আছে শুভেচ্ছা আর ভালবাসা।
---





আমি ইদানিং শুধু আবুল হাসানে হাবুডুবু খাইতাছি।
পত্রীর কবিতাটা কি এটুকুই?
হেলাল হাফিজের ৩ নাম্বার টা বেশি ভাল্লাগছে। আর এন্টিসেপটিক চুমুর ব্যাপারটাও বেশ মজার।
আমার মতে আজাদের বেস্ট লেখা,
আব্বুকে মনে পড়ে।
জীবনানন্দ তো জীবনানন্দই।
আর একটা কথা,
অযাচিত বিনয় জিনিসটা লেখকদের সাথে মানায় না।
আবুল হাসান জোস্। আমারও দারুণ লাগে। আর অযাচিত (যাচাই-বাছাই বিহীন) বিনয় কই করলাম? যদি করেও থাকি, তাহলে আপনার কথানুযায়ী (লেখকদের সঙ্গে অযাচিত বিনয় মানায় না) আমার কোনো দোষ নাই। কারণ আমি তো লেখক না
হ্যাঁ, পত্রীর 'কথোপকথন-৭' অতোটুকুই। আমার মতে এই সিরিজের বেস্ট কবিতা হচ্ছে 'কথোপকথন-৪'। এগুলা ছাড়াও আরো অনেকগুলা পর্ব আছে এ সিরিজটার। ৪ নং টা পড়ে দেখেন-
- যে কোন একটা ফুলের নাম বল
- দুঃখ ।
- যে কোন একটা নদীর নাম বল
- বেদনা ।
- যে কোন একটা গাছের নাম বল
- দীর্ঘশ্বাস ।
- যে কোন একটা নক্ষত্রের নাম বল
- অশ্রু ।
- এবার আমি তোমার ভবিষ্যত বলে দিতে পারি ।
- বলো ।
- খুব সুখী হবে জীবনে ।
শ্বেত পাথরে পা ।
সোনার পালঙ্কে গা ।
এগুতে সাতমহল
পিছোতে সাতমহল ।
ঝর্ণার জলে স্নান
ফোয়ারার জলে কুলকুচি ।
তুমি বলবে, সাজবো ।
বাগানে মালিণীরা গাঁথবে মালা
ঘরে দাসিরা বাটবে চন্দন ।
তুমি বলবে, ঘুমবো ।
অমনি গাছে গাছে পাখোয়াজ তানপুরা,
অমনি জোৎস্নার ভিতরে এক লক্ষ নর্তকী ।
সুখের নাগর দোলায় এইভাবে অনেকদিন ।
তারপর
বুকের ডান পাঁজরে গর্ত খুঁড়ে খুঁড়ে
রক্তের রাঙ্গা মাটির পথে সুড়ঙ্গ কেটে কেটে
একটা সাপ
পায়ে বালুচরীর নকশা
নদীর বুকে ঝুঁকে-পড়া লাল গোধূলি তার চোখ
বিয়েবাড়ির ব্যাকুল নহবত তার হাসি,
দাঁতে মুক্তোর দানার মত বিষ,
পাকে পাকে জড়িয়ে ধরবে তোমাকে
যেন বটের শিকড়
মাটিকে ভেদ করে যার আলিঙ্গন ।
ধীরে ধীরে তোমার সমস্ত হাসির রং হলুদ
ধীরে ধীরে তোমার সমস্ত গয়নায় শ্যাওলা
ধীরে ধীরে তোমার মখমল বিছানা
ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টিতে, ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টিতে সাদা ।
- সেই সাপটা বুঝি তুমি ?
- না ।
- তবে ?
- স্মৃতি ।
বাসর ঘরে ঢুকার সময় যাকে ফেলে এসেছিলে
পোড়া ধুপের পাশে ।
আবার!
উফ! আপনার সাথে কথায় পারা যায় না!
এইটা আগেও পড়েছি, চমত্কার।
ধন্যবাদ, খুঁজে দেখি আর কোনটা কোনটা আপনারে দেয়া যায়।
মাসুম্ভাই দিয়েছিলেন বেশ আগে এটা, দারুন গায়ে কাটাঁ দিয়ে উঠে কিছু কবিতা পড়েলে এটাকে তেমন লাগে।।,
মীর, পারলে আরো দিয়েন প্লিজ
সব জায়গায় সংযমী হবেন তা আমরা চাই না!
হ্যাঁ, বিশেষ করে ব্লগিংয়ে যারা সংযমী তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে জ্বালাময়ী কর্মসূচি।
ব্যাপারটা বুঝলামনা । ভদ্রমহিলা কে?
হুম!
পত্রীকে তো এতদিন ভদ্র'লোক' বলেই জানতাম!
আয়হায় আমি এতদিন মনে করতাম ইনি বোধহয় ভদ্রমহিলা ~X(
যাউক্গা, মিসটেক এডিটেড। ধন্যবাদ লিজা। বহুতদিন পর আপনারে দেখলাম এবং যারপরনাই খুশি হইলাম। আপনার বাবুটা কেমন আছে?
ভালো লাগা ভাবনাদের ভালো লাগলো...
শুভ ভাইরে পোস্টে পেয়ে সবচে' বেশি ভালো লাগলো।
দেখেন, এখন ব্লগে বইসা আছি খালি আমি আর আপ্নে। বুঝতেসিনা, বাকি সবাই মনেহয় অতিরিক্ত ভয়াবহ টাইপের বিজি
রোযায় ধরসে মুনয়। এইবার কিন্তু লম্বা রোযা হচ্ছে একেকটা যাহোক।
কিন্তু সেই লেভেলের গরমও তো পড়তেছেনা যে রোজায় ধইরা ফেল্বো? সব আসলে আমার মতো ফাঁকিবাজ হইয়া গেসে
আরে না। কি যে বলেন, আপনে নাকি ফাঁকিবাজ। আপনাকে আমার খুব ভাল্লাগে ভাইজান। লাভিউ প্রায়
ডায়লগ দেন, আমিও শুনি
এই সাত সকালে কবিতাদের দেখে এবং পড়ে যারপর নাই মুগ্ধ। আহা !! মনটাই ভাল হইয়া গেল।
বাহ্ দারুণ তো। আমিও খুশি হয়ে গেলাম।
মীর... একটা প্রিয় কবিতার সংকলন বানান
ক্যামন আছেন? ম্যালাদিন কথাকথি হয় না
আপনে আমারে ভুলে গেছেন
কোপাল, সবই কোপাল!
কবিতা সংকলনের কথাটা অবশ্য খারাপ বলেন নাই। অন্তত দুই-চারটা পর্বতো বের করাই যায়। প্রিয় কবিতা আর প্রিয় কবিদের নিয়ে। থ্যাংক য়ু টুটুল ভাই, আইডিয়ার জন্য।
আর হ্যাঁ, ব্যাংকক কেমন ঘুরলেন?
আরে... আপনেতো দেখি সব খবর রাখেন
ভালো মন্দ মিলাইয়া...

ভালো: ব্যাপক ঘুরন্তিস দিলাম
মন্দ: রমজানের কারনে পরান ভইরা স্ট্রিট ফুড খাইতে পার্লাম্না
আফসুস কৈরেন্না। ঈদের পর আরেকবার যাইয়েন।
এই দফা যেইসব ছবি তুলছেন সেইগুলি শেয়ার করেন।
@মীর,
আপনিওতো ব্যাংকক ছিলেন। ব্যাংককের গল্প বলেন
আমি আবার কবে ব্যাংকক থাকলাম? চেহারা খারাপ বইলে এমুন অপবাদ দিলেন
আমি বিজি না কিন্তু ব্লগের চেয়ে ফেসবুক ইউটিউবে গুতাইতে এখন বেশি ভালো লাগে~
সেইটা গুতান, যদি এমবি'তে পোষায়। কিন্তু এবি'র ভুড়িটারেও বাদ দিয়েন না ভাইজান। জানেনই তো, আপনারে আমরা সবাই প্রচুর লাভিউ করি।
ভাল লাগলো কবিতা সংকলন।
হেলাল হাফিজের ৪ নম্বটা বেশী ভাল লাগলো।
থ্যাংকুস ভাইয়া। ৪ নম্বরটা আমার অল টাইম ফেভারিট। আর বাউন্ডুলের কথা শুনে এখন ৩ নম্বরটাকেও দূর্দান্ত লাগতেসে। কোনটা ফেলে যে কোনটায় যাই
পূর্ণেন্দু পত্রী সিনেমাও বানাইছিলেন কয়েকটা। এরমধ্যে স্ত্রীরপত্র মুভিটা দারুণ।
ভুতের ভবিষ্যতের সিঙ্গেল ডিভিডি পাইতেসি না মাসুম ভাই। রাইফেলসে খুঁজছি। এছাড়া একবার ডাউনলোড কৈরে ধরাও খাইছি। দৃশ্যের সঙ্গে ডায়লগের প্রায় ১০ সেকেন্ডের ব্যবধান! কোনো একটা দোকানের নাম দেন।
হেই! ভূতের ভবিষ্যত আমি রাপা প্লাজা থেকে কিনেছি। সিঙ্গেল ডিভিডি। ভালো তো।
আজ একটা মুভি দেখলাম।দৃষ্টি। হয়ত দেখেছেন। দারুণ লাগলো। মুগ্ধ হয়েছি।
আচ্ছা, থ্যাংকুস, আমিও তাইলে রাপা প্লাজায় ঢু দিবো, প্রায়ই তো সামনে দিয়ে পার হই, ধইন্যাপাতা..
দৃষ্টি দেখি নাই। আমার একবার কলকাতার মুভির ডালি নিয়ে বসতে হবে। অটোগ্রাফ আর মাটির মানুষ ছাড়া তেমন কিছুই দেখি নাই
না দেখার তালিকায় একজনরে পাইলাম
শীঘ্রই দেখেন তাহলে।দারুণ।
ওক্কে হানি। দেখে ফেলবো।
আর ঐ কথাই থাকলো তাহলে, আপনে অচিরেই আড্ডা পোস্ট দিতেসেন
এতগুলা কবিতা একসাথে পেয়ে দারুণ ভালো লাগলো। মীরকে দেখে যে ভালো লাগলো, সেটা আর নতুন করে কি বলবো! আছেন কেমন? ব্লগে আ্ড্ডাইতে মন্চায়। আপনারা এখন নাই কেন?
ব্লগাড্ডা ডাকেন না তো আর আড্ডা কেমনে হবে? আপনে একটা আড্ডা কল করেন একদিন। দেখেন লাইভ আড্ডা দেবো। আপনাকে দেখে আমার আরো বেশি ভালো লাগলো। এখন আমাদের আরেক বন্ধুকে কি কোনোভাবে খবর দেয়া যায় আপাজান?
আমারে আড্ডা ডাকতে বলেন যে! আমারে এরম আড্ডাবাজ বানায় দিলেন! আমি আড্ডা ডাকি না, বদনাম হপে ,পরে পাত্রপক্ষ আমার নিন্দামন্দ করপে।
আপনার কুন বন্ধুরে খবর দিতে হপে ভাইজান?
ম্যান! দ্য গ্রেট লীনা আপু, আর কে? তাকে অনেকানেক দিন দেখি না। চিটাগাংয়ে একটা কথা চালু আছে- পেট পুড়ানো। আমার উনার জন্য সেটা হচ্ছে ভীষণ।
আর আপনারে আড্ডাবাজ কই বানালাম? খালি বললাম যে আপনি তো ভালো আড্ডা দিতে পারেন। প্রায় আড্ডা-কুইন আরকি
আমার কিন্তু অসাম লাগে।
পেট পুড়ে চিটাগাং এর কথা নাকি? আমি তো ছোটবেলা থেকেই শুনেছি, আর শিখেছি..কারো জন্য মন পুড়ে।
লীনাপুকে জানায় দিবো।
আড্ডা না দিয়ে কেমনে থাকে মানুষ? ক্যাচাল লাগাই...আর বলি---আর আড্ডামু না, ডাকবো না---আবার ভুলে যাই। কিন্তু এরম আড্ডা কুইন কইলে তো ভবিষ্যত আন্ধাইর আমার।
বহুদিন পর আপনার সাথে কথা হলো।প্রিয়জনদের দেখা পাওয়া সত্যি ভালো লাগার।
আপনার আন্ধাইর ভবিষ্যতে এই অধমের জইন্য একটু জায়গা-টায়গা রাইখেন। বিয়ার পর সবকিছু একদম বেমালুম ভুইলা যায়েন্না আবার।
হবে না। ট্রাই এগেইন। এমনকি ইমোর মধ্যে লুকায়ে কোনো গানও দেন্নাই
আচেন কেমুন? লেখা পরে সব সময়ের মতই ভালো লেগেছে এজন্য শুধু ইমো দিচি
ওক্কে দ্যান। ভালো আছি। আপনের কোনো খবরাখবর পাই না ক্যান?
আমি দৌড়ের উপর আছি....দেশে যামুতো তাই
পোস্ট যখন পড়ি তখন পত্রী ভদ্রমহিলা ছিলো বড়ই বেকায়দাতে পড়েছিলাম এই ভেবে কারন আমি জানতাম উনি ভদ্রলোক। কারন যখন সবে পাকতে শুরু করেছি তখন কিছু কথোপকথন পড়েছিলাম উপহার পাওয়া সাপেক্ষে। কিন্তু পরে আর পড়া হয় নাই।
আছেন কেমন?
আপনে কবে পাকতে শুরু করছিলেন ভাইজান? আপনে কি এখন পাকা আপেল? খাওয়া যাবে?
আলসেমির প্রেস্ক্রিপশন দিয়েন তো, এত্তো দারুন ভালো লাগার পরও এদ্দিন সময় লাগাইলাম কমেন্ট করতে! আসলেই দিন ভালো করে দেবার নতোন পোষ্ট। থ্যাঙ্কু মীর
আলসেমির বিরুদ্ধে প্রেসক্রিপশন দিমু আমি? কি যে বলেন! আই লাভ আলসেমি। আমার নীতিই হইলো দুইটা- আলসেমিতে কখনো আলসেমি না করা আর আর ফাঁকিবাজিতে কখনো ফাঁকি না দেয়া।
আপনের কমেন্টটাও দারুণ হইসে জেবীন আপু। আমার মন ভালো হয়ে গেসে কমেন্টটা পড়ে। সেইজন্য হিউজ এক বাক্স ধইন্যাপাতা পাঠানো হইলো অস্ট্রেলিয়ায়।
হুদাই ইএমএস খরচ দিলেন। উনি তো এখন দেশে
খুশিতে সবগুলা দাঁত বাইর হয়ে আসচে লুক্টার
দাঁড়ান দেখতাসি কি করা যায়।
অনেক দিন কিছু লিখতে পারছি না। কখনো অবশ্য পারতামও না। কিন্তু ইদানীং এসে যে সমস্যাটা হয়েছে, সেটা হলো- কিছু লিখলে সেটা এত জঘন্য একটা চেহারা পায় যে পরে নিজের কাছেই সেটাকে আর ভালো লাগে না। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বন্ধুবান্ধবের শুভকামনা কাম্য।
আমার মনে হচ্ছে শুভ কামনা কামনা করেও কোন লাভ হবে না। লেখালেখি আর আমাকে দিয়ে হবে না।
ভালো থাক মীর/ লেখা খুব ধীর/ বাড়াও তার গতি/ফিরুক তোমার মতি/ অসামাজিক ক্ষতি নেই/ লেখায় কোন সামাজিক-অসামাজিক নেই/
আমি মনে মনে আপনের উপর একটু রাগ করতেসিলাম। কিন্তু এই কমেন্টটা পেয়ে সব রাগ চলে গেলো। লাভিউ শাপলা'পু
শুভকামনা কামনা করেও লাভ হবে না? তাইলে তো আপনারেও আমার তরিকায় আসার জন্য বলতে হয়। কয়েকদিন গান-কবিতা-ছবি ইত্যাদি যা ভাল্লাগে পোস্ট করে দেখতে পারেন। বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া হলে দেখবেন আস্তে আস্তে লেখালেখি সংক্রান্ত সমস্যাটা কেটে যাবে। আমার এখনো সমস্যা কাটে নি। তারপরেও এই সিরিজটা (ভালো লাগা ভাবনারা) চালাতে গিয়ে এখন আগের চেয়ে অনেক হেলদি ফিল করতেসি। এইটা কিন্তু গোপন টিপস্ গো আফামনি, লুকায় রাইখেন আর নিজেই পইড়েন কেবল, অন্য কাউরে পড়তে দিয়েন্না।
ইশ! কত্তদিন পর এবি'র কোন লেখায় মন্তব্য ৫০ পার হইতে দেখলাম!
আরেকটা ইস্পিশাল থ্যাঙ্কস এই লেখার জন্য।
মন্তব্য করুন