ইউজার লগইন

গল্প: অক্ষিপ্রশান্তিদায়ক দৃশ্যকল্প

১.

দিনটা শুরু হয়েছিল প্রখর সূর্যতাপে পোড়ার মধ্য দিয়ে। গরমের সময় বিষয়টা বিরল নয় যদিও। মাঝে মাঝে তাপমাত্রার পারদ চড়তে চড়তে প্রায় চল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসও যে ছোঁয় না- তা না। ছোঁয়। আর না হলেও অন্তত ৩৮ তো হয়-ই।

সেদিনের সকালটাতেও তেমনি ছিল তাপমাত্রা। কিছুক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকলেই চামড়ায় হুল ফোঁটার মতো অনুভূতি। যেন ম্যাগনিফাইং গ্লাস ধরে পুড়িয়ে দিচ্ছে শরীরের চামড়া কেউ একজন। আমাকে সেদিন এক জায়গায় বসেই কাজ করতে হচ্ছিল। পেরেক ঠুকে জোড়া লাগাতে হচ্ছিল বড় বড় কাঠের তৈরি পাটাতন। খোলা পিঠে টের পাচ্ছিলাম সূর্যরশ্মির তপ্ত ছোঁয়া। দিনটা শুরু হয়েছিল তখনই।

তার আগে ছিলাম যেন একতাল ঘুমন্ত রক্তমাংসের কাদা। ঘুম থেকে উঠেও চোখ ভরে ছিল তন্দ্রায়। কফির কাপ সে তন্দ্রার ওপর এক প্রস্থ ভারী কর্মোদ্যম লেপে দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল শুধুই মস্তিষ্কে আগে থেকে দিয়ে রাখা অটোসাজেশনগুলো পালনের জন্য। যেমন- কাপড় পরা, হেঁটে কর্মস্থলে যাওয়া, হাতুড়ি-পেরেক দিয়ে পাটাতনগুলো একটা অপরের সাথে জোড়া লাগানো; যেসব দিয়ে গড়ে তোলা হবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যুদ্ধ-কবলিত উদ্বাস্তুদের বাসভবন, ইত্যাদি।

হাতুড়ির তালে তালে আমি যখন পুরোপুরি জেগে উঠেছি, তখন চামড়ায় সূর্যকিরণের মেলা বসেছে। লোমকূপদের ত্রাহি ত্রাহি দশা। কপাল থেকে ঘাম ছোট ছোট নালায় নেমে এসেছে। আবিস্কার করেছি নিজেকে সে সময় আরও একটি নতুন দিনের জন্মলগ্নে। পাশে কাজ করছে বন্ধু প্যানিক।

কাজের পাশপাশি আমার মাথার ভেতর চলছিল নানাবিধ চিন্তা। একদম ফুলস্পীডে। কিছু কিছু চিন্তা আছে যেগুলো মনকে একরাশ অনাবিল আনন্দের ঝর্ণাধারার নিচ থেকে ধুইয়ে-মুছিয়ে নিয়ে আসে। চিন্তা শেষে লিটার‍্যালি নিজেকে অনেক সতেজ লাগতে থাকে। আবার কিছু কিছু চিন্তা আছে যেগুলো মনকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসে পাতালের গহীনে লুকিয়ে থাকা অশরীরী ভয়দের আঙিনা থেকে। সেখানে ইতস্তত ঘুরে ফিরে বেড়াতে দেখা যায় গম্ভীরমুখো হতাশার দেব-দেবীদের। সেদিন সকালের চিন্তাগুলো ছিল প্রথম ক্যাটেগরীর। মিষ্টি আর সতেজ। হাতুড়ি দিয়ে পাটাতনে পেরেক ঠুকতে ঠুকতে ভাবছিলাম- আমার জীবনে পরবর্তী লক্ষ্যটি কি?

দ্রুত একটি ব্যবস্থা করতে হবে পরিবারের সবার সাথে একবার দেখা করার। বিশেষ করে ছোট্ট ভাগনীটা, যার জীবন একটা নতুন বইয়ের মতো কেবল শুরু হচ্ছে। নতুন বইয়ের গন্ধের মতো এখনও যার সংস্পর্শ বর্ণনাতীত আনন্দে মন ভরিয়ে দেয়। ওর প্রায় দুই বছর বয়স হতে চললো, এখনও ওকে একবার ছুঁয়ে দেখার সুযোগ পাই নি। ওর জন্মের পর থেকে এখন পর্যন্ত যে একবারও আমার দেশে ফেরা হয় নি।

অ্যাড্রিয়াটিকের পাড়ে আমি একবার একটি পরিবারকে দেখেছিলাম, নিজেদের ছোট্ট নৌযানে পার্টি করতে। সাগরের নীল ঢেউ গিয়ে আছড়ে পড়ছিল পাড়ে বেঁধে রাখা সেই নৌযানের গায়ে, আর দূরে সূর্যটা সোনালী থেকে ধীরে ধীরে গোলাপি রং নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছিল অস্ত যাবার। কাঁচের গ্লাসের টুং-টাং আর প্রায় নিয়মিতই ছিটকে আসা টুকরো হাসির শব্দে ভরা সেই মুহূর্তটি এক অনিন্দ্য সুন্দর ছাপচিত্র হয়ে আমার মাথার ভেতর রয়ে গেছে।

সেদিনই ঠিক করেছিলাম, আমার জীবনের পরবর্তী লক্ষ্যটা হচ্ছে পরিবারকে নিয়ে এমন এক ছুটিতে পূর্ব কিংবা মধ্য ইউরোপের কোনো সমুদ্রঘেরা শহরে অল্প ক'দিনের জন্য পাড়ি জমানো। সমুদ্রতটে তাঁবু খাঁটিয়ে সবাই একসাথে এক রাত থাকা। রাতের আকাশের তারা দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়া। সকালে ঘুম থেকে উঠে সমুদ্রের নীল জলে ঝাপিয়ে পড়া। তারপর সাগড়পাড়ের কোনো ক্যাফেতে খ্রোঁসা (Croissant) আর কফিযোগে নাস্তা সারা।

কোন একদিন হবেই রকি, শুধু কাজ করে যাও সেদিনটা আসা পর্যন্ত- বলছিলাম নিজেই নিজেকে আর ঠুকছিলাম হাতুড়ি পেরেকে।

২.

পাশে কাজ করছিল আমার বন্ধু সুজি। ওর নামের স-এর উচ্চারণটা ঠিক স নয়, বরং অনেকবেশি ছ-এর মতো। আসল নাম সুজান প্যানিক। প্রথমবার শুনে বেশ হাসি পেয়েছিল আমার। প্যানিক কারও নামের শেষাংশ হতে পারে? ও হেসে বলেছিল, দেখতেই পাচ্ছো হতে পারে। আমরা প্যানিক ফ্যামিলি!

মিস্ প্যানিকের ওই কথাটাই যথেষ্ট ছিল ওকে আমার গুডবুকে নিয়ে নেয়ার জন্য। বিষয়টা ভাল না খারাপ জানি না, কিন্তু মানুষের সম্পর্কে আমি খুব বেশি জাজমেন্টাল না। প্রায় সবাইকেই প্রথমে আমার গুডবুকে ঢুকিয়ে নেয়ার একটা চেষ্টা আমি করি। প্রথম দেখায় মূলত ওটাই খুঁজি, এমন কোনোকিছু যেটার ছুঁতোয় মানুষটাকে গুডবুকে নিয়ে নিতে পারি।

মাঝে মাঝে সম্ভব হয় না। কিন্তু সুজিকে নিয়ে নিতে সমস্যা হয় নি একদমই। ওর সাথে আমার প্রথম আলাপটা হয়েছিল মিউনিখ শহরের এক রোডক্রসিং-এ দাঁড়িয়ে। সবুজ বাতির অপেক্ষায় থাকার কালে। আমি খুঁজছিলাম নিকটবর্তী মেট্রো-রেল স্টেশনের ঠিকানা। আশেপাশে একমাত্র সুজি-ই ছিল। ওকে জিজ্ঞেস করতেই রাস্তাটা দেখিয়ে দিল। ততক্ষণে লাল থেকে সবুজে পাল্টে গেছে বাতির রং। দেখলাম সে-ও একই দিকে পা বাড়িয়েছে।

রাস্তা খুঁজে বের করা এই গুগল-ম্যাপের যুগেও আমার কাছে কেন যেন কঠিন লাগে সবসময়। সুজিকে বললাম তুমি কি স্টেশনের দিকে যাচ্ছো? সে বললো, হ্যাঁ, স্টেশনেই যাচ্ছি। তারপর জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমি কি তোমাকে অনুসরণ করতে পারি?

হাসিমুখে সায় দিয়েছিল মেয়েটি। তারপরের সময়টা ছিল নাম-ধাম জানার মাধ্যমে প্যানিক পরিবারের এক সদস্যের সাথে পরিচয়ের পর্ব। যথারীতি যখন আমি কাউকে গুডবুকে নিয়ে নিই, তখন নিজের কথাও কিছুটা বলি। যেমন, কি করি, কোথা থেকে আসছি, কোথায় যেতে চাই ইত্যাদি। সেসব কথা-বার্তার মধ্যেই আমরা স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছিলাম।

আমাদের গন্তব্য একই দিকে থাকলেও, ওর পথ ছিল আমার চেয়ে সংক্ষিপ্ত। অর্থাৎ আমার আগেই সে ট্রেন থেকে নেমে গিয়েছিল সেদিন, কিন্তু তার আগেই আমাদের কথা হয়ে গিয়েছিল নিজেদের প্রিয় শখ নিয়ে। পাহাড়ের হাতছানির প্রতি দু'জনেরই প্রবল আগ্রহ নিয়ে। সমুদ্রের বিশুদ্ধ বাতাসের নেশা নিয়ে। যাবার বেলায় যেটা বাকি ছিল, সেটা শুধুই যোগাযোগের যেকোন একটা সূত্র বিনিময়।

এই একটা পয়েন্টে পৌঁছুলে আমি প্রায়ই পিছুটান-মুখো হয়ে যাই। এটা একটা চারিত্রিক সমস্যা আমার, যেটার ওপর এখনও কাজ করছি। এটার কারণে অনেক অনেক অচেনা মানুষের সাথে প্রবল আগ্রহে আলাপ-আলোচনা করেও শেষ পর্যন্ত তাদের সাথে আমার কোনো স্থায়ী যোগাযোগ স্থাপন হয় নি।

মিস্ প্যানিক অবশ্য সেবার সে ঘটনা ঘটতে দেয় নি। যাবার আগে ঠিকই ফেসবুকের ঠিকানাটা নিয়ে গিয়েছিল, আর কিছুক্ষণ পরই পাঠিয়েছিল বন্ধুত্বের আহ্বান। তারপর তো বেশ অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এখন আমরা দু'জন পার্টটাইম কাঠুরে হয়েছি।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাঠে পেরেক ঠুকে ঠুকে পাটাতন বানাই। দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত ঘুরে বেড়াই। বন-জঙ্গল, পাহাড়, ঝোপ-ঝাড়, হ্রদ, এমনকি হাইওয়ে, কোনোকিছুতে আমাদের অরুচি নেই। হাঁটতে হাঁটতে অচেনা কোথাও হারিয়ে যাওয়া, নাম না জানা ফুলের ছবি তুলে মোবাইলে সাজিয়ে রাখা, গাছের পাতার ফাঁকে সূর্যরশ্মির লুকোচুরি দেখা- সবই ভাল লাগে আমার।

এক বিকেলে সুজিকে ওর কেমন লাগে এই সবকিছু জিজ্ঞেস করেছিলাম। সেদিন প্রায় ঘন্টা তিনেকে পাহাড় বেয়ে আমরা এক নতুন চূড়ায় উঠেছিলাম যেটা শহরের অন্যান্য চূড়াগুলোর চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম জনপ্রিয় ছিল দুর্গম পথের জন্য। প্রকৃতি সেখানে ছিল অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত। উঠতে উঠতে হাঁপিয়ে উঠেছিলাম দু'জনই। চূড়ায় গিয়ে তাই চার হাত-পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিয়ে শুয়ে পড়েছিলাম ঘাসের কার্পেটেই। তখন জিজ্ঞেস করেছিলাম কথাটা।

ছোট বাচ্চাদেরকে তাদের প্রিয় কোনোকিছু দেয়া হলে যেমন ওদের মুখের প্রত্যেকটা বাঁকে আনন্দের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় ঠাহর করে দেখলে, ঠিক তেমনই দেখাচ্ছিল সুজান প্যানিককে, যখন সে আমাকে বলছিল- কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দু'হাত দু'দিকে যতো দূর যায় ছড়িয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে শূন্যে হারিয়ে যাওয়া আর সেখান থেকে নিজেকে মহাশূন্যের ছোট্ট একটা টুকরা হিসেবে ফিরে পাওয়া আমার সবচেয়ে প্রিয় অনুভূতি রকি। তোমাকে বোঝাতে পারবো না আসলেই আমি কেমন বোধ করি। বুকের পাটার ভেতর আমার হৃদয়টা তিরতির করে কাঁপতে থাকে যখন অনুভূতিটা ধরা দেয় আমার কাছে।

মেয়েটা কবি একটা! লেখালেখির বদ-অভ্যাসটা অবশ্য ওরও আছে। আমার মতোই, ক্যাজুয়াল রাইটার। ওর লেখালেখির বিষয়বস্তু মূলত পাহাড়-বাওয়ার অভিজ্ঞতা এবং মাইক্রোওয়েভে কেক বানানো-কেন্দ্রিক। তারপরও, ও যখন কোনোকিছু ব্যাখ্যা করে, তখন সেটা অটোম্যাটিক ভাল লেগে যায়। দৃশ্যকল্প বুননে ওর পারদর্শিতা অসাধারণ।

৩.

সেদিনের সেই সূর্যকরোজ্জ্বল সকালবেলায় যখন আমরা দু'জন কাজ করতে করতে মোটামুটি হাঁপিয়ে উঠেছি, তখন মিস্ প্যানিক জিজ্ঞেস করেছিল, কাজশেষে সাঁতার কাঁটতে যেতে চাই কি না আমি। কাছেই এক পাহাড়চূড়ায় একটা ঝর্ণাধারা আছে। যেখান থেকে ঝরে পড়া পানি জমে এক ক্ষণজন্মা দীঘী দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর গরমের পর দীঘীটা দেখা যায়, শীতকালের আগেই শুকিয়ে যায়। আমি মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিয়েছিলাম, যাওয়া যায়। পেটের মধ্যে ডন-বৈঠকে ব্যস্ত ছুঁচোদের একটা হিল্লে হলেই আমার পক্ষে যেকোন জায়গায় যাওয়া যায়।

শুনে খানিক হেসে সুজি বলেছিল, সমস্যা নাই। আমি কিছু স্যান্ডউইচ আগেই প্যাক করে এনেছি। আর সঙ্গে আছে পাকা কমলার জুস।

শুনে যে ভাবনাটা প্রথমে আমার মনে ঢুঁ দিয়েছিল তা ছিল- এরকম একটা দিনকেই জীবনের স্বার্থকতা হিসেবে উল্লেখ করা যায় কিনা? যে দিনটায় হয়তো স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপ নেয় নি, কিন্তু সব প্রেরণা একসাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে; স্বপ্নের পথের হাঁটার জন্য সেদিন একটু বাড়তি রসদ জোগাবে বলে।

সুজিকে বলেছিলাম, স্যান্ডউইচ আর কমলার জুস পেলে আমি যেকোন পাহাড় বাইতে রাজি। শুনে সে হেসে জানতে চেয়েছিল, আর যদি সাথে আমি থাকি? বলেছিলাম, তাহলে তো কথাই নেই।

সুজি একটা ছোট্ট বিরতি নিয়ে বলেছিল, তোমার সাথে প্রথম দেখা হওয়ার দিনটা আমার সবসময় মনে পড়ে রকি। তুমি স্টেশনে যাবার পথ খুঁজছিলে। আমি পথ দেখিয়েও দিয়েছিলাম, কিন্তু তুমি যখন দেখলে যে আমিও একই পথে যাচ্ছি, তখন জিজ্ঞেস করেছিলে আমাকে অনুসরণ করা যাবে কিনা। ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই আমি জানি, আমি একটি নতুন বন্ধু পেয়েছি। এখন পর্যন্ত তোমার বন্ধুত্ব আমার কাছে একটা দারুণ উপহারের মতোই, জানো?

আমি উপর-নিচ মাথা ঝাকিয়ে বলেছিলাম, জানি। তুমিও একটা উপহার আমার জন্য। আর তোমার স্যান্ডউইচগুলো হচ্ছে জিংগো, একইসাথে জ্যাকপট ও বিংগো।

শুনে হাতের হাতুড়িটা তুলে আমার মাথায় কপট এক বাড়ি দেয়ার ভঙ্গি করেছিল মিস্ প্যানিক। আর আমি করেছিলাম ভয় পাওয়ার ভঙ্গি। তারপর হাসিতে ভেঙ্গে পড়েছিলাম দু'জনেই।

দূর থেকে নাকি দৃশ্যটা খুব অক্ষিপ্রশান্তিদায়ক ছিল। কথাটা বলেছিল এক বণিক। যে কিনা সে সময় আমাদের বানানো কাঠের পাটাতনগুলো কেমন হচ্ছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিল। সেই বণিক প্রতি মাসে একবার এসে আমাদের বানানো পাটাতনগুলো কিনে নিয়ে যায়। পৌঁছে দেয় যেখানে যুদ্ধে দেশ হারানো উদ্বাস্তুদের জন্য সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে সারি সারি কাঠের বাড়ি বানানো হচ্ছে- সেখানটায়।

---

পোস্টটি ২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম, আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। এটি একটি মৌলিক ব্লগ। দিনলিপি, ছোটগল্প, বড়গল্প, কবিতা, আত্মোপলব্ধিমূলক লেখা এবং আরও কয়েক ধরনের লেখা এখানে পাওয়া সম্ভব। এই ব্লগের সব লেখা আমার নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত, এবং সূত্র উল্লেখ ছাড়া এই ব্লগের কোথাও অন্য কারো লেখা ব্যবহার করা হয় নি। আপনাকে এখানে আগ্রহী হতে দেখে ভাল লাগলো। যেকোন প্রশ্নের ক্ষেত্রে ই-মেইল করতে পারেন: bd.mir13@gmail.com.

ও, আরেকটি কথা। আপনার যদি লেখাটি শেয়ার করতে ইচ্ছে করে কিংবা অংশবিশেষ, কোনো অসুবিধা নেই। শুধুমাত্র সূত্র হিসেবে আমার নাম, এবং সংশ্লিষ্ট পোস্টের লিংকটি ব্যবহার করুন। অন্য কোনো উপায়ে আমার লেখার অংশবিশেষ কিংবা পুরোটা কোথায় শেয়ার কিংবা ব্যবহার করা হলে, তা
চুরি হিসেবে দেখা হবে। যা কপিরাইট আইনে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। যদিও যারা অন্যের লেখার অংশবিশেষ বা পুরোটা নিজের বলে ফেসবুক এবং অন্যান্য মাধ্যমে চালিয়ে অভ্যস্ত, তাদের কাছে এই কথাগুলো হাস্যকর লাগতে পারে। তারপরও তাদেরকে বলছি, সময় ও সুযোগ হলে অবশ্যই আপনাদেরকে এই অপরাধের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনার ব্যবস্থা নেয়া হবে। ততোদিন পর্যন্ত খান চুরি করে, যেহেতু পারবেন না নিজে মাথা খাটিয়ে কিছু বের করতে।

ধন্যবাদ। আপনার সময় আনন্দময় হোক।