ইউজার লগইন

গল্প: তুমি আমার কাছে তুমি যা বলবা তাই (পর্ব-২)

মিসিসিপি নামটা শুনে এক লহমায় অনেক কথা মনে পড়ে গেল। বগুড়ায় থাকাকালে একটি বিশেষ-বাহিনী পরিচালিত কলেজে এক বছর পড়েছিলাম। সেই কলেজের নিয়ম-নীতির বাড়াবাড়ির সঙ্গে তাল মিলাতে পারি নি বলে, পরে আমায় অন্যত্র ভর্তি হতে হয়। তবে যে এক বছর ওখানে ছিলাম, সেখানেই দেখা হয়েছিল মিসিসিপির সাথে।

আমাদের ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে ছিল সে। প্রতিটা ছেলে পছন্দ করতো ওকে। কলেজে ভর্তির প্রথম কয়েক সপ্তাহ ছেলেমহলে শুধু একটা বিষয় নিয়েই কথা শুনতাম আমি চারিদিকে। আর সে বিষয়টা হলো মিসিসিপি, যেমন, মিসিসিপিকে আজ কেমন লাগছে, কিভাবে ওরা ওকে প্রেমের প্রস্তাব পাঠাবে ইত্যাদি। প্রতিদিনই কেউ না কেউ আসছে মিসিসিপির বাসার ঠিকানা নিয়ে কিংবা ওর সম্পর্কে কোন একটা গুজব নিয়ে। একদিন একজন এসে জানাল, মিসিসিপির নাকি তার নিজের এলাকারই গুন্ডামতো একটা ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

কথাটা শুনে মুষড়ে পড়লো অনেকেই। তবে, বিষয়টা গুজব না সত্য- তা প্রমাণের জন্য ছেলেমহলে এক ধরনের প্রতিযোগিতাই হয়ে গিয়েছিল সেবার। কিন্তু সঠিক তথ্যটা কেউ বের করে নিয়ে আসতে পারে নি। না নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল- আসলেই মিসিসিপির সঙ্গে কোন ছেলের সম্পর্ক আছে কিনা; না নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল- মিসিসিপি সিঙ্গেল কিনা! ছেলেমহলের অনেকেরই সে সময় মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার দশা। কারো রাতে ভাল ঘুম হয় না। কারো ধূমপানের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে। কারো পড়াশোনা হচ্ছে না। কলেজের প্রথমবর্ষ সমাপনী পরীক্ষার তখন খুব বেশি দিন বাকি ছিল না। তাই ওসব উপসর্গে কাতর ছেলেদের জন্য মায়াও হচ্ছিল আমার।

তবে মায়ার চেয়ে হতাশা আসতো বেশি। ভাল ভাল মেধাবী ছেলেগুলো সব ওই এক বিষয় নিয়ে সারাদিন পড়ে আছে- ভেবে যেমন হতাশ হতাম, তেমনি মিসিসিপি যে আসলেই বুকে ব্যাথা দেয়ার মতো সুন্দর এবং সে কারণেই কোনদিন আমার উপর ওর চোখ পড়বে না- সেটা ভেবেও হতাশ হতাম। পরের হতাশাটা মিলিয়ে যেতে বেশি সময় লাগতো না। যে বিষয়ে আমার কোন হাত নেই, সে বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোও আমার বেশি একটা ধাতে নেই। হতাশ হওয়া বাদ দিয়ে কতকিছু করার আছে!

এই তো কলেজের সামনের বড় রাস্তা পেরিয়ে উল্টো দিকের মেঠোপথ ধরে কিছুদূর হাঁটলেই গ্রাম। মায়াভরা ধানক্ষেতেরা সবুজ রংয়ের একটা নিবিড় চাদর হয়ে যেন শুয়ে আছে মাটির ওপর। মাইলের পর মাইল জুড়ে। ধান কাটা হয়ে গেলে সেই দীর্ঘবিস্তৃত সবুজ চাদর হয়ে যায় ন্যাড়া-ক্ষেত। তাও তার সৌন্দর্য কোথাও একটুও কমে না! তখন দেখা যায়, হলদে মাটিতে সোনালী ধানের গোড়া মাথা তুলে রেখেছে একটু পর পর। আর মাঝে মাঝে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কবিতার চরিত্রের মতো গ্রামীণ বালকেরা সেই ন্যাড়া মাঠে হাডুডু, ডাংগুলি কিংবা ফুটবল খেলছে।

গ্রামের মেঠোপথ ধরে সেই চষাক্ষেতের পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে আমি আরো দেখি, একটা শীর্ণ পানির ধারাও এগিয়ে চলছে আমার পাশ দিয়েই। কাছে-পিঠের কোন নদীর শুকনো একটা ধারা হয়তো বেরিয়ে এসে এই লম্বা মেঠোপথ আর ধানের জমিনগুলোর মধ্যে বিভাজন রেখা সৃষ্টি করেছে। আসলেই কি বিভাজন রেখা সৃষ্টি হয়েছে? কে জানে? আমার তো মনে হয় উল্টো।

আশপাশের সব গ্রামের মানুষের কত রকম চাহিদা মেটায় এই ছোট্ট চিকন জলের ধারাটি। কয়েক ফুট পরপরই দেখা যায় নানান রকম জাল বিছানো রয়েছে। তাতে দিনভর টাকি, পুঁটি, খলসে, মলা, ঢেলা, চেলা, বাঁশপাতা, কাঁচকি, বেলে, ডগরি, গুঁচি, চ্যাং, কই, মাগুর- আর কত রকমের মাছ যে ধরা পড়ছে! তাই দিয়েই তো মূলত এলাকার ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের জীবন চলে।

আবার শুধু জেলেরাই সুবিধা নিচ্ছে এ জলের? তা তো নয়। এ জলধারা থেকে জল নিয়ে সেচ দেয়া হয় ওই জমিগুলোতে। তাই দিয়ে ফলে জমির ফসল। তাছাড়া ওই জলাধার নানাবিধ জলজ প্রাণেরও আধার। নানা রকমের মাছতো আছেই, ব্যাং, জলজ উদ্ভিদ, শ্যাঁওলা, প্ল্যাঙ্কটন-ও রয়েছে ভুড়ি ভুড়ি। সবাই মিলে ওদের একটা নিজস্ব খাদ্যচক্র তৈরি হয়েছে। তাই তো আমার মনে প্রশ্ন আসে, যে জলে মানুষ, প্রকৃতি আর বাস্তুসংস্থানের এত উপকার হয়, সে কি আসলেই বিভাজন সৃষ্টি করে? নাকি জীবনের নকশিকাথাঁয় সুই আর সুতার ফোঁড়ে রঙিন গল্প লেখে?

আসলে আমার ভাবনার রোগ আছে। ছেলেবেলা থেকে আমি দৃশ্যকল্প ভাবতে ভালবাসি। এই রোগের উৎপত্তি ঘটেছিল আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদের একটা লেখা থেকে। লেখাটার নাম আজ আর মনে নেই। হুমায়ুন আহমেদ কোন একটা কনটেক্সট-এ লিখেছিলেন, 'লেখার জন্য লেখকের বিশ্বভ্রমণ জরুরি নয়। কল্পনাই যথেষ্ট।' একদম উনার শব্দে শব্দে কথাটা আমার আর মনে নেই। কিন্তু যা লিখেছিলেন তার সারবস্তু হিসেবে অতোটুকু মনের ভেতর রয়ে গেছে আজও।

লেখাটা যখন আমি পড়েছিলাম তখন কতইবা আর বয়স ছিল? ১২ বা ১৩ হবে হয়তো! লেখাটা পড়ার পর থেকে আমি সুযোগ পেলেই মনে মনে বিভিন্নরকম কল্পনার রাজ্যে ঘুরতে চলে যেতাম। বাস্তবে হয়তো ক্লাসেই বসে আছি, কিংবা কলেজের সামনে বড় রাস্তাটা পেরিয়ে ঢুকেছি উল্টোদিকের গ্রামীন জনপদে। আর কল্পনায় হয়তো ক্লাসশিক্ষকের লেকচারের ভেতরে কিংবা গ্রামের মেঠোপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে কত যে অলীক কল্পনার রাজ্যে আমি ফড়িং-এর মতো মনে মনে নেচে বেড়াচ্ছি- তার আজ আর কোন ইয়ত্তা নেই।

তবে সবসময় কল্পনাই যে আমার চলার পথের সঙ্গী হতো এমন নয়। মাঝে মাঝে অবাক করে বাস্তব জীবনের মানুষেরাও সঙ্গী হয়ে পড়তো। এই যেমন, একবার কলেজের সামনের বড় রাস্তা পেরিয়ে উল্টোদিকের মেঠোপথে কিছুদূর হাঁটতেই দেখি মিসিসিপি একা বসে আছে পথের ধারে। মাথাটা নিচু। দুর থেকে দেখে ওকে কোন কারণে ব্যাথিত লাগছে।

আমার ভাবনার রোগের পাশাপাশি আরও একটি বিশেষ রোগ রয়েছে, তাও আবার সেই ছেলেবেলা থেকেই। মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে ভয় লাগে। স্কুলের সমবয়সীদের সাথে, পাড়ার ছোট-বড়দের সাথে, কিংবা কোচিং-এ আসা সুন্দরী ক্লাসমেটের সাথে; কারো সাথেই আমি সহজ হতে পারি না। অনেক চেষ্টা করে ছেলেবেলায় পিপি আপু শুধু তার জন্য আমার এই ভয় ভাঙাতে পেরেছিলেন। পিপি আপু আমার এক বছরের বড় স্কুলের বন্ধু। জীবনে একবারই কারও প্রতি ক্রাশ খেয়েছিলাম। তাও তাকেই চেষ্টাচরিত্র করে আমাকে তার সঙ্গে মেলামেশার জন্য প্রস্তুত করতে হয়েছিল। আমাকে যদি নিজে থেকে তার সঙ্গে পরিচিত হওয়া কিংবা কথাবার্তায় স্বাভাবিক হওয়া লাগতো, পারতাম না কখনো। পিপি আপুর পর কেউ সেভাবে চেষ্টাও করে নি আর। তাছাড়া কারই বা অতো সময় আছে বলেন? ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবার?

মিসিসিপিকে দেখে অবধারিতভাবেই সেই একই সংকট সৃষ্টি হলো। আমি ওকে প্রায় ৩০-৪০ মিটার দূর থেকেই চিনে ফেলি এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাস্তার যে পাশে ও বসে ছিল, তার উল্টোপাশে চলে যাই। হাঁটার গতি কমিয়ে দিই, যাতে কোন শব্দ না হয়। ওর পেছন দিয়ে যখন পার হয়ে যাচ্ছিলাম, তখন প্রায় বেড়ালের মতো পা টিপে টিপে পার হচ্ছিলাম আর মনে মনে খুব নিজেকে নিয়ে হাসছিলাম। বলছিলাম, রে সীমিতক্ষমতার মন্দবুদ্ধি মানবসন্তান, তোকে তো সে চেনেও না! এভাবে না গিয়ে যদি হল্লা করতে করতে এখান দিয়ে যাস, তাও ওর ভ্রুক্ষেপ হবে না।

যদিও নিজেকে আমি ওসব বলছিলাম, তথাপি কোনমতেই সাবধানী হাঁটা বন্ধ করতে পার‍ছিলাম না। এরমধ্যেই হুট করে মিসিসিপি চোখে-মুখে ওর সেই 'আপন করে নেয়া' ঝকঝকে হাসিটি ফুটিয়ে আমাকে ডাক দিয়ে বসেছে, এই ছেলে! এই সিদ্ধার্থ!

প্রিয় পাঠক, মাঝে মাঝে একটা-দুইটা হৃৎকম্পন আমাদের সবারই মিস্ হয়ে যায়, অনেক কারণে। আমি যেমন চমকে গেলে, ভয় পেলে, হঠাৎ খুব আনন্দের মুখোমুখি হয়ে গেলে কিংবা কোন কারণে মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠলে- এমনটা অনুভব করি। সেদিন মিসিসিপির মুখে আমার নামটা শুনে হৃৎকম্পন প্রায় মিনিটখানেকের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আমার। অবাক হয়ে শুধু একটা কথাই ভাবতে পারছিলাম, মেয়েটি আমার নাম জানে!

মাথার ভেতরের সবক'টি নিউরণ সেসময় তাদের নৈমিত্তিক প্রতি মুহূর্তের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। গালে হাত দিয়ে বসে পড়েছিল সব, মিসিসিপির দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকার জন্য। আর থাকবে নাইবা কেন! সবুজ ঘাসের জমিনে শাদা শাড়ি আর হাতকাটা লাল একটা ব্লাউজে ওকে যেন লাগছিল পৃথিবীর সবকিছুর ধরা-ছোঁয়ার বাইরে একটা তারা। সেই তারাটা যদি হঠাৎ হেসে ওঠে আপনার দিকে তাকিয়ে, ডেকে বসে একেবার নাম ধরে, কেমন লাগবে বলুন তো? আর তখন যদি আপনার বয়স হয় ১৬ কিংবা ১৭!

সম্বিত ফিরলো সেই মিসিসিপির ধমক খেয়েই। আমাকে ওভাবে স্থানুর মতো অচল দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অস্বস্তি বোধ করে থাকবে হয়তো। তাই খানিকটা অধৈর্য হয়েই আবার আমায় ডাক দিলো সে, অ্যাই সিদ্ধার্থ, কি হয়েছে তোমার?

এবার আমি ধড়মড় করে ঘুম ভেঙ্গে খাটে উঠে বসলাম।

কী ভীষণ জীবন্ত আর রঙিন একটা স্বপ্ন দেখলাম! আহা কি আনন্দ এমন একটা স্বপ্ন দেখতে পারার!

সেদিন আমি মনে মনে ঠিক করলাম, মিসিসিপি'কে গিয়ে নিজের নামটা বলে আসবো। পরিচিত হয়ে নেবো ওর সাথে। ভাবছিলাম, এটাই আমাকে ওর অন্য সব পাণিপ্রার্থীর চেয়ে আলাদা করে ফেলবে। কেননা অন্যরা চৌপর দিনভর ওকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে আর গুজব ছড়াতে ব্যস্ত! কিন্তু কেউ আজতক সাহস করে সামনে গিয়ে ওকে কিছু বলেছে, কিংবা নিদেনপক্ষে পরিচিত হয়েছে, বন্ধুত্বমতো কোনকিছু গড়তে পেরেছে- এমন দেখি নি।

বগুড়া শহর থেকে একটু বাইরে অবস্থিত ছিল আমাদের কলেজটা। কলেজের বাসেই যেতে হতো আমাদেরকে। নিয়ম-কানুনের কড়াকড়িটা একটু বেশিই ছিল ওখানে। যে কারণে আমার সঙ্গে কলেজের শিক্ষকদের বনিবনা ছিল না খুব একটা। তারপরও ভেবেছিলাম, দুই বছরই তো। চোখের পলকে পার হয়ে যাবে।

তবে সেদিন কলেজে গিয়ে আমি মিসিসিপি'কে খুঁজে বের করার আগে, কলেজের দপ্তরী কাকা আমাকে খুঁজে বের করে। জানায়, প্রিন্সিপাল স্যার দেখা করতে বলেছে। ওই কলেজের প্রিন্সিপাল স্যারটি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলেই, তাকে দেখা করতে ডাকতেন। আমি তাই খানিকটা শঙ্কা মনে নিয়েই তার কক্ষে গেলাম। কেননা অনেক কিছুই অভিযোগ করা সম্ভব আমার বিরুদ্ধে। কে যে কোনটা করেছে, সেটাই তো জানা নেই। দেখা যাক কি হয়। এসব ভাবতে ভাবেত সেদিন প্রিন্সিপালের রুমে ঢুকেছিলাম আমি। আর যখন বের হয়েছিলাম, তখন আমার হাতে ধরা ছিল একটা টিসি'র কাগজ। টিসি মানে হলো ট্রান্সফার সার্টিফিকেট, যা সাধারণত কোন শিক্ষার্থীকে প্রতিষ্ঠান থেকে শাস্তিমূলকভাবে বের করে দেয়ার সময় দেয়া হয়।

আমাকে ওই কলেজ থেকে টিসি দেয়া হয়েছিল সেই স্বপ্ন দেখার দিনটিতে।

---

(চলবে)

পোস্টটি ২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!