একজন অতিসাধারন ছেলের উপাখ্যান
ছেলেটি রাতে জানালা ধরে বসে থাকে। ঘুমের আগ পর্যন্ত জানালাই তার আশ্রয়।
মাঝে মাঝে জানালার বাইরে ঝড় হয়। প্রচন্ড ঝড়। ঝড়ের তান্ডবে পৃথিবীর অনেক কিছুই লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সে ঝড় ছেলেটিকে স্পর্শ করতে পারে না। কিন্তু ওই বেহায়া বৃষ্টি!!! সে তো পিছু ছাড়েনা। ছুটে চলে আসে জানালার ফাকাঁদিয়ে। ভিজিয়ে দেয় ছেলেটির চিবুক। মাঝে মাঝে ঠোঁটের উপরে এসে পরে। তাতে ছেলেটি বিরক্ত হয় না। আসলে বলদ টাইপের ছেলে তো ? তাই সহজে রাগ হয়না।
কখনোবা দক্ষিণের দমকা হাওয়ায় ছেলেটির চোখ বুজে আসে। সে বৃষ্টির এই সব মানষিক অত্যাচার সহ্য করে যায়। দিনের পর দিন বছরের পর বছর। মুখে কোনোরূপ বিরক্তির চিনহ আনেনা। তাতেও বৃষ্টি থামেনা , অবিরাম ঝরতে থাকে।
ইদানিং বৃষ্টির এইসব ছেলেমানুষি ছেলেটা উপোভোগ করে। সে চোখ বুজে অনুভব করে দমকা হাওয়া। আর ছিটে আসা জল থেকে নেয় বৃষ্টির ছোঁয়া ; এই অনুভূতি অপ্রকাশ্যই থেকে যায়। সর্বদা সবার কাছে।
অপ্রকাশিত আবেগের এক অন্যধরনের সুখ আছে। স্বার্থপর ছেলেটি এই সুখ কারও সাথে ভাগ করেনা। এতে মনের শান্তি আসে। যা ছেলেটির হৃদয়কে ভরিয়ে তোলে। এই সুখের কোনো সংজ্ঞা হয়না। কোনো মাপকাঠিতে এটা মাপা যায় না। ষোল আনাই আপেক্ষিক এই সুখেরই নাম হয়তো ইংরেজীতে "ইনার পিস"!
ইনার পিস নাকি মহামানবের মহামানবীয় গুণ। তাহলে কি জানালার ধারের ওই স্বার্থপর , বোকা , নির্লিপ্ত, অতি সাধারন ছেলেটির মাঝে ধীরে ধীরে একজন মহামানব জন্ম নিচ্ছে ?





কি জানি
হইলেও হইতে পারে!
সুন্দর শুরুর পর এমনে শেষ কইরা দিছেন ক্যান?!
হঠাত মনে হলো মহাপুরুষ বানিয়ে দেই তাই দিলাম, তবে এটাকে টানবো
হুম ভালি বলেছেন , কিন্তু ভাল করে বুজলাম না কী বুজাইতে চাইতেছেন
পরের বার বুঝিয়ে দেবো
কি জানি
হইলেও হইতে পারে!
না হইলে খেলমু না
হাহাহা ভাই আমিও সহজে রাগ করিনা। এতো দিন এটি হয়তো আমার কোনো ভালো গুন। এখন আপনার কথায় সেই ভুল টা ভাংলো .নিজের সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা পেলাম।:)
আর ওই ছেলেটির মাঝে মহামানব নয় , একটি মহামানবীয় গুনের সৃষ্টি হচ্ছে .
এই গানটা আমার খুব প্রিয়... শুনেছেন নিশ্চয়ই...
মন্তব্য করুন