ইউজার লগইন

ফিফটি!

মন মেজাজ যে খুব একটা ভালো তা বলা যাবে না। তবুও চলছে ৬ তারিখে আরেকটা পরীক্ষা তার পরেই সেমিস্টারটা শেষ। এই সব নিয়ে সাধারন পোলাপানদের মতো আমার ওতো টেনশন নাই। পাশ করার জন্য এক্সামে যাই এবং সেভাবেই ফেরত আসি। সময় থাকতে পড়াশুনাটা করি নাই মন দিয়ে এখন এই সময়ে মন দিয়ে কি করবো। আর টেক্সট বুক পড়াশুনা আমার ভালো লাগে না। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ৪-৫ টা পত্রিকা পড়া সহজ ১ পেজ পড়ার চাইতে। যাই হোক কথা ছিলো টিভি নিয়ে লেখাটা কমপ্লিট করবো তা আর হলো না অল্লোর প্রতারনার কারনে। ভাবছিলাম টাকা লোড আর করবো না কিন্তু বন্ধু ফারজানা লতা টেকা দিলো এই বিপদের কথা শুনে সেই টাকা তেই ওল্লো রিচার্জ করলাম। বন্ধুরা কত সুইট আমার। তারপর থেকে নেটে বসায় একটু অনীহা জন্ম নিলো। লোকজন টেক্সট করে ফ্রীল্যান্স বুদ্ধিজীবি মরছে নাকি? এখন বসতাম না। ঘুম আসতেছে না আর কিছুই ভালো লাগতেছে না তাই বসে বসে এই লেখাটা লিখলাম।

গত পোষ্টে ঈদের টিভি দেখা প্রসঙ্গে পোষ্ট দিছি। এই পোষ্টেও সেই সম্পর্কিত কথা বার্তাই বলি! বিকেলে ঈদের তিন নম্বর দিনে নানু বাড়ি থেকে গেলাম চায়ের দোকান। বৃষ্টির দিন তাই সব সময় ভেজার আতংক নিয়ে। তার ভেতরে কাপড় চোপড় কিছুই আনি নাই তাই সাবধানে যত দ্রুত চা খেয়ে বাড়িতে আসা যায়। যদিও বাড়ীতে বলার আগেই চা এসে পড়ে কিন্তু বলে বলে চা খেতে ভালো লাগে না। গেলাম থেমে থেমে বৃষ্টি পড়ছে তার ভেতরেই। যেয়ে দেখি বাজারে আব্বু খালু মামা তিনজনই আছেন। খালু মামা বয়সে বড় হলেও বন্ধুর মত আচরন কিন্তু আব্বুর সাথে চায়ের দোকানে শব্দ করে চা খাওয়া বিরক্তিকর। তবুও উপায় নাই বসলাম এক হোটেলে। সেখানে চলছে শাকিব রিয়াজ পুর্নিমার সিনেমা নাম বাধা। গল্প সহজ মাদ্রাজী মার্কা। ডিপজল গুন্ডা তার ভাই রিয়াজের প্রেম মেনে নেয় না। পূর্ণিমা এদিকে রিয়াজ ছাড়া বাচবে না। শাকিব আবার পূর্ণিমা বলতেই অস্থির। কিন্তু কোনোদিন জানাতে পারে না। শাহিন সুমনের ডিরেকসন খারাপ না। আর দেখি দোকান ভর্তি লোক এটিএনে এই সিনেমা দেখতেছে। কিন্তু ইংরেজী সংবাদ, এডের জালা, জেলার খবর নানা উপাদেয় বিরক্তিতে দিশে হারা। পরে খোজ নিয়ে জানলাম এই সিনেমা শেষ হয়েছে সাতটার সংবাদের আগে। কি বিপদ এক সিনেমায় পাচ ঘন্টা পার। ভাগ্য ভালো ডিপজল শেষে নিজের ভুল বুঝতে পারে বলে উঠে আমি হার মাইনা গেলামরে রিয়াজ তোগো ভালোবাসার কাছে আমা্রে হারতেই হলো। এদিকে শাকিব খান অন্যের ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে পারায় অশ্রু সজল চোখে তাকিয়ে থাকে। না হলে সিনেমা দেখতে এগারোটা পর্যন্ত বসে থাকতে হতো। বৃষ্টি কমলে বাড়িতে ফিরি। সন্ধ্যায় হালকা আলোয় নদী পারের পাশ দিয়ে হাটার যে মুগ্ধতা আছে তাতে বিমোহিত হই।

ঈদের পঞ্চম দিন তেমন একটা টিভি দেখি নাই। সোমলতার গান হচ্ছিলো আরটিভিতে। তা দেখলাম। সমলতার গান সেই ২০০৯ য়েই শুনছিলাম একটা এলবাম নামিয়ে। তখন আমি ব্রডব্যান্ডে সমানে গান নামাই আমাদের জোন থেকে। ইতি সুকান্ত নামে মনে হয় ছিলো। টাইটেল ট্রেকটাই ভালো। কিন্তু মেয়েটার উচ্চারন ভারী বিশ্রী। অঞ্জন দত্তের গান বা মায়াবনো বিহারিণী অনেক জনপ্রিয় হলেও অতো মনে ধরে নাই। তারা মিউজিকে যখন তারে দেখি তার চেহারা সাধারন কলকাতার মেয়েদের মতোই। কিন্তু বাংলাদেশে টিভিতে দেখি মেকাপ টেকাপে পুরা মিলা স্টাইলে। গান গুলা যা গাইলো তার পরিবেশনা পুরাই পিসিতে যে গান গুলা আছে একী রকমের। উপস্থাপকের মে বি নির্ঝর। রিদয় খানের সাথে হিট গান আছে। জঘন্য মানের তা। এনটিভিতে হিল্লোল নওশিনের টেলিফিল্ম হলো দেখি নাই। তবে নওশীন আর হিল্লোল নাকি এখন এক সাথে থাকে এইটা ভেবে মন খারাপ হলো। যুগের চাহিদায় আমাদের চাহিদাও এখন বহুমাত্রিক। নেভার মাইন্ড নামে একটা কমেডি টকশো হলো খারাপ না। অভিনেতাদের পারস্পারিক পচানী দেখতে আম জনতাদের ভালোই লাগে। আর টিভিতে এয়ারটেল ইয়ং স্টার নামে এক অনুষ্ঠান হলো। এক উজবুক ভুলবাল সুরে গাওয়া শুরু করলো চেনা জানা পল্লী গীতি। তাদের এই এক্সপেরিমেন্ট দেখে গা জ্বলতেছিলো। দেশটিভিতে মীর আসলো। মীরকে এখন সবাই চিনে কিন্তু তারে আমি চিনি সেই আলফা টিভির বাংলায় এক গেমশো থেকে। এখন মীরের জনপ্রিয়তা আকাশ ছোয়া। কিন্তু এই অনুষ্ঠানটা দেখা হলো না সাজু খাদেমের জন্য। কি জঘন্য কথা বারতা প্রশ্ন তেলে অস্থির করে ফেলছে টিভি। আমিও আর সবুর করলাম না টিভি বন্ধ করে নিজের রুমে চলে গেলাম। তারপরের দিন অনেক সকালে ঘুম থেকে উঠেই এনটিভিতে একটা নাটক দেখলাম মেডেল। কি অসাধারন নাটকের গল্প। আলী জাকের রওনকের ভালো অভিনয় না করে উপায় ছিলো না কারন গল্পটাই ভিন্ন রকমের। এক স্কুল মাস্টার তার চাকরী শেষে শহরে আসে একটা ফাইলের কাজ করাতে। রওনক সেই অফিসের কর্মচারী। প্রথমে একটু খারাপ ব্যাবহার দিয়ে শুরু করলেও তার মায়া জন্ম নেয়। কিন্তু এদিক সেই ছাত্র যে একজন বড় কর্মকর্তা সে তার স্যারের ফাইল আর খূজে পায় না কোন বিষয়ে ফাইল তাও উনার মনে নেই। বারবার প্রতিশ্রুতি দিতে দিতে রওনক ক্লান্ত। কাজ না হয়ে যেদিন চলে যাবে আলি জাকের সেই দিন তাকে বাসায় নিয়ে যায় খাওয়াবে বলে। তখনি জানা যায় সত্য রওনকও সেই স্কুলের ছাত্র ছিলো। ক্লাস এইটে থাকতে তাকে স্কুল থেকে বের করে দেয় এই মাস্টার। আর যা কে অনেক বড় হবে ভেবে ফার্স্ট হবার কারনে পিতলের মেডেল দেয় সেই ছাত্রই সেই বড় অফিসা্র যে কীনা অবহেলায় ফাইলটা হারায়। জানা যায় ফাইলটা কোনো বৈষয়িক ব্যাপারে ছিলো না। পেনশন হবার পরে মাস্টার তার স্কুলের পাঠদানের পদ্ধতি নিয়ে একটা বই লিখেন। তার উপরে একটা ভূমিকা লেখতেই ছাত্রকে পান্ডুলিপিটা দেয়। ভালো করে বর্ননা দিতে পারলাম না কিন্তু নাটকটা অসাধারন বললেও ভুল হবে। সকাল সকাল এরকম নাটক দেখে সাথে সাথেই এফবিতে স্ট্যাটাস দিলাম। দেখলাম মেহরাব শাহারিয়ার ভাইও নাটকট অনেক দিন পর দেখছে। তিনিও আমার মত উচ্চসিতো। এই নাটকের ডিরেক্টর মনিরুজ্জামান লিপনকে ধন্যবাদ। এত ভালো নাটক বানানোর জন্য। সেই দিন রাতেই দেখলাম দেশ টিভিতে নাটক নাজনীন হাসান চুমকীর যে জীবন দোয়েল ফড়িংয়ের। ভালো লাগছে নাটকটা। গল্পটা সাধারণ কিন্তু তার উপস্থাপনা স্মার্ট ভাবে। মৌসুমী নাগের অভিনয় অনন্য। এডও হইছে কম এক ঘণ্টা দশ মিনিটে নাটকটা শেষ করছে। দেশটিভিতে হুমায়ূন আহমেদের লেখা শাওনের ডিরেকশনে আর জাহীদ হাসানের পর্বের নাটক কোনোটাই ভালো লাগে নাই। শাওনের এখনো অনেক শিখতে হবে আর জাহীদ হাসানের এই সব ছ্যাবলামি রোমান্টিক নায়ক হওয়া বন্ধ করলেই ভালো। সারিকা রোমানাদের অভিনয় এখনো নিম্নমানের। চেহারা ভালো আর চোখ পিটপিট করে হাসলেই অভিনয় হয় না। তবে সিরাজগঞ্জে যমুনা পারের লোকেশন খুব ভালো লাগছে। তারপরের দিন ছিলো ফুলবাড়ি দিবস এই নিয়ে টকশো সংবাদ ভালোই লাগছে। খালি ভালো লাগে নাই একাত্তর টিভির টকশো গুলান। কারন এইখানে এক ভজঘট সব অনুষ্ঠান হয়। প্রযুক্তির ভালো ইউস থাকলেও আওয়ামিলিগের রাজনৈতিক এজেন্ডা ও কাজ কারবারকে যুক্তির ফাপড়ে তুলে ধরাই একাত্তরের টার্গেট। তবে টকশোর অতিথির ভেতরে ঝগড়া যে ব্যাক্তিগত লেভেলে চলে তার শুরু মনে হয় একাত্তরেই। পিয়াস করীম বলে নাইমুল আপনি যথেষ্ট ভালো সাংবাদিক না আপনি যা বলছেন তা উদ্দেশ্যমুলক ভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আবার এদিকে টিভির স্ক্রীণে কারওয়ান বাজারে বসা নাইমুল চিল্লায় জাতির কাছে মাফ চাইতে হবে আপনাকে। সামনা সামনি না থাকার কারনে হাতাহাতিটা হয় নাই। সামনে এই সমস্ত বিনোদন আরও আসবে। তবে একাত্তরের ফিউচার ভালো। লাইন্সেন্স দিয়ে আওয়ামিলিগ নিজেদেরই উপকার করছে।

এই পোষ্টটা ফিফটি নাম্বার পোষ্ট। সামুতে ৩ বছরে মাত্র ২৫-২৬ টা ছিলও। আমি আসলে লেখার লোক না। পড়তে ভালো লাগে। কিন্তু এই ব্লগে ঐতিহাসিক ভাবেই পোষ্ট কম কম আসে তাই লেখার ইচ্ছা জাগে। জেবীনাপু, লীনাপু, মেজবাহ ভাই, রায়হান ভাই,সাঈদ ভাই,মীর ভাই, তানবীরাপু, রুম্পাআপু, লিজা আপু, ফাহমিদাপু, রাসেল ভাই, জ্যোতিয়াপু, মৌসুম আপু, মুক্ত বয়ান, বিষাক্ত মানুষ ভাই, বিষন্ন বাউন্ডুলে, বাপ্পি একজন মায়াবতী, জোনাকী, স্বপ্নচারী, শুভ ভাই, টুটুল ভাই, রন ভাই, প্রিয় নাইম মামা, গৌতম দা, আর যাদের নাম বাদ পড়ছে এদের জন্যই মুলত লিখে যাই। বেহুদা সব পোষ্টকে এরা এতো ভালো বলে নিজেই অবাক হই। এই সব ভালোবাসার উস্কানীতেই রাত জেগে মশার কামড়ে খেয়ে কখনো মোবাইলে পোষ্ট লিখি। বেচে থাক এই ভালোবাসা। যেনো লিখতে পারি এইভাবেই। জয় হোক বন্ধুদের বেচে থাক আমরা বন্ড়ই!

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


কনগ্র্যাটস্ শান্ত ভাই।
আমার নাম রাখায় থ্যান্কু, লা ভিউ ম্যান! Smile

ওলো বড়ই বাজে জিনিস!
এত্ত স্পিড খাওয়াইয়া অভ্রাস করাইতাছে,
লাইফে আর কিছু ইউজ কইরা শান্তি পামু না! Confused

সোমলতার গান ভালু পাই! Sad

আরাফাত শান্ত's picture


ধন্যবাদ ভাই। অল্লো খারাপ না আর নেটে বসা সফল ভাবে কমায় দিছি!

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ক্যান?!

রাসেল আশরাফ's picture


সকালবেলা আমরাবন্ধু খুলে তোমার এমন মুচমুচে পোস্ট পড়ে ভাল লাগলো। Smile

আরাফাত শান্ত's picture


দেশে ঠিক ঠাক ভাবে ফিরে আসায় মুবারকবাদ!

নাঈম's picture


আমার মত মাকাল ফলের নাম নিলা বইলা তুমারে ধইন্যা.....লিখা যাও এইভাবে প্রাণ খুইল্যা......বৃষ্টির মত পোষ্ট আসুক......

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস মামা। ভালো থাকো অনেক!

মেসবাহ য়াযাদ's picture


তোমার এই লেখাগুলান মারাত্বক ভালো পাই, এইটা কি তোমারে আগে বলছি ?
বললেও ক্ষতি নাই, আবার বললাম।
ভালো কথা বার বার বলতেও ভালো লাগে Big smile

আরাফাত শান্ত's picture


ভাল থাকেন ভাইয়া। নতুন নতুন ভ্রমনে্র গল্পে ভরে উঠুক ব্লগ!

১০

প্রিয়'s picture


লেখা ভালো হইসে। Smile

১১

আরাফাত শান্ত's picture


ধন্যবাদ!

১২

অনিমেষ রহমান's picture


সাজু খাদেমেরে দেখলেই রাইতটা খারাপ যায়। কারন দিনে টিভি দেখা হয়ে উঠেনা; শান্ত রিভিউ ভালো হয়েছে।

১৩

আরাফাত শান্ত's picture


ভাল হোক খারাপ হোক রিভিও লিখে যাবো!

১৪

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


চলুক...শচীনের মত চালিয়ে যাও...সেঞ্চুরী...ডাবল...ট্রিপল..

~

১৫

আরাফাত শান্ত's picture


ধন্যবাদ ব্রাদার। অনেক অনেক ভালো যাক দিন রজনী!

১৬

তানবীরা's picture


লেখা সটপ করা যাবে না। তোমরা লেখো বলেই আমরা পড়তে আশি ভাইডি Big smile

১৭

আরাফাত শান্ত's picture


চেষ্টা করবো আপু।

১৮

জ্যোতি's picture


তোমার পোস্ট পড়তে এত ভালো!সত্যি।৫০তম পোস্টের জন্য অভিনন্দন ।লেখা চালিয়ে যাও ভাইজান।

১৯

আরাফাত শান্ত's picture


আপ্নার লেখাও পড়তে ভালো লাগে। চালানোর চেষ্টা করবো!

২০

শওকত মাসুম's picture


সাজু খাদেমরে আমিও সহ্য করতে পারি নাই সেদিন।

২১

আরাফাত শান্ত's picture


এই জন্যেই তো দেখলামই না প্রোগ্রামটা!

২২

রন's picture


লেখা চলতে থাকুক! এবি ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে আপনাকে এক প্যাকেট মশার কয়েল গিফট করার আবেদন জানাইলাম Big smile

২৩

আরাফাত শান্ত's picture


কয়েলে কাজ হয় না। আর কয়েলের গন্ধ অসহ্য, এরোসলে কাজ হয় এই ভাবেই চলতেছে। তবে মশার কামড় খাওয়া নিয়তি কিছুতেই ঠেকানো যাবে না হয়তো!

২৪

মীর's picture


অল্প কয়েকটা বলে ভালো একটা ফিফটি মারসেন ভাইজান। এরকম গতিতে খেলা চালায়ে যান। দুই ভাই মিলে লট অভ সেঞ্চুরি মারবো Party

২৫

আরাফাত শান্ত's picture


ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালোবাসা অব্যাহত থাকুক!

২৬

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ও ভাই, আপ্নে গেলেন কই?!

২৭

আরাফাত শান্ত's picture


বেচে আছি ভাই। জুকারবারগের ফেসবুকে আপনাকে পেয়ে খুশী আমি!

২৮

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


আমি-ও..! Big smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!