ইউজার লগইন

বেদুইন মন যেন ওয়েসিস চায়, কতো দূরে সে দুরের নগর!

আবার লিখতে বসলাম। যদিও লেখার জন্য খুব একটা উপযোগী মন বা পরিবেশ নাই। গরমের দিন গুলোতেই আমার বেশী ভালো লাগে। এই কথা যখনই কাউকে বলে সবাই অট্টহাসি দেয়। গরমের দিন কারো প্রিয় হতে পারে তা কেউ কখনো ভেবে পায় না। কিন্তু মানুষের ভাবাভাবিতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না। এই তীব্র গরম দাবদাহ বা কালবৈশাখীর দিন গুলোই আমার কাছে অসাধারন লাগে। ঝকঝকে দিনে রোদ উঠবে আকাশ কাপিয়ে, এমন দিনে আমি হেটে বেড়াবো নগর বন্দর একা একা এমন সব স্বপ্ন দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে। কখনো সখনো যদি এরকম দিন পার করি মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় গুলো পার করে আসলাম। তবে গরমের দিন আমার ভালো লাগার আরেকটা বড় কারন হতে পারে ছোটবেলা থেকেই এই লম্বা দিন গুলোতে খুব বাইরে বাইরে থাকতাম। সারাদিন খেলা আর খেলা। আমার বয়সী আমার বন্ধুরা যখন বাসায় যেতো তখনও আমি চলে যেতাম কলোনীর বাইরে। তখন কেউ বাইরে বাস্তোহারা কলোনীর ছেলেদের সাথে খেলতো না একি স্কুলে পড়লেও। কিন্তু দেখা গেলো সারাদিন বাইরে বাইরে থাকার কারনে আমার প্রচুর বন্ধু চারিদিকে। রোদে পুড়ে চেহারা তামাটে কালো, শুকিয়ে কাঠ তার ভেতরেই আমার বাহির অভিযান অব্যাহত। আমার আম্মু আব্বু ভাইয়া মেরেও আমাকে সাইজে আনতে পারে নাই। অল্প বয়সে বখে যাওয়ার সব উপাদানই তখন আমার জীবনে। সেই যে সেই আমল থেকে গ্রীস্মকাল রোদে রোদে ঘুরা আমার প্রিয় তা চলতেই থাকলো। চিটাগাংয়ে গিয়েও সেই একি ধারার আমি। ঘামতে ঘামতে অস্থির তাও আমার বাইরে থাকার নেশা কাটে না। মেট্রিক ইন্টারমিডিয়েট শেষে সবাই যখন চান্স পাচ্ছে আর পাচ্ছে না। তখন আমি পড়লাম রোদেলা দিনে সাগরের প্রেমে। চকচকে রোদের দিন সমুদ্রের সামনে বসে থাকার যে কী সুখ তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারিনা। ঢাকায় এলাম প্রথম প্রথম ভার্সিটিতে মনই টেকে না। হেটে হেটে সব রাস্তা ঘুরে বেড়াই। একা একা উপভোগ করা। তারপর বন্ধু জুটে গেলো। নানান কাজে অকাজে ভার্সিটির নাম করে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি আর রাস্তার বহুবিধ খাবার দাবারে দিন পার করার দিন। একবার প্ল্যান হলো বসুন্ধরা সিটিতে ছবি দেখবে সবাই। সবাই গেলো আমরা গেলাম ওইদিক তবে ছবি আর দেখা হলো না এই পান্থপথের আশে পাশে নানান জায়গায় শুধু হেটে বেড়িয়েছি চার পাচজন মিলে। ঘাম নিয়ে সবার টেনশন। আমি ব্যাপক ঘামাই, পাঞ্জাবী শার্ট টেকে না বেশী দিন তাও আমার হাটা বন্ধ হয় না। এখন তো দুই বছর ধরে চায়ের দোকান কেন্দ্রীক দিন যাপন। হাটা আগের মতো হয় না। তাও গরমের দিন মানেই আমার এখনো বাইরে বাইরে নানান বাহনে নানান কাজে ঘুরে বেড়ানো।

গত তিন চারদিন ধরেই আছি অনেক ভালো। বন্ধুদ্বয় এসেছে আমার বাসায় চাকরীর এক্সাম দেয়ার উসিলায়। খুব ছোট্ট একটা এক রুমের বাসা আমার। তারপরও ঢাকায় যখন কেউ আসে তখন খুব চেষ্টা করি যাদের আমার পছন্দ তারা যেনো আমার বাসাতেই থাকে। এবং তা সব সময়ই হয়ে আসছে। এই ছোট্ট বাসাটাই বন্ধুদের ঢাকায় একমাত্র অবস্থান কেন্দ্র। আর কার্যালয় আমার চায়ের দোকান। এমন কি আমি যখন ঢাকাতে থাকি না, তখনো ওরা আসে থাকে চলে যায়। এরজন্য মামার বিশাল অবদান। ভাগিনার সব বন্ধুকেই মামা হাসি মুখে বিগলিত ভাবে মেনে নেয়, আদর আপয়্যন করে সাধ্য মতো। আর আমি তো বন্ধুদের জন্য জানকোরবান। নিজে এক্মাম দেই না, ওদের সাথে তেজগাও কলেজ, ঢাকা কলেজ, বোরহানউদ্দিন ডিগ্রী কলেজ কতো অজস্র জায়গায় যাওয়া। যে অল্প কয়দিনই থাকুক না কেনো আড্ডায় খাওয়ায় মাতোয়ারা। নিজের পকেটে টাকা নাই তো টাকা ধার করে হলেও বন্ধুদেরকে নানান কিছু খাইয়ে দেই। নিজে যেগুলা জিনিসের ভক্ত সেগুলাই বন্ধুদেরকে ট্রাই করাই। ওদের কারো কোনো কাজ থাকলে তার সংগে যাই এইতো। এর জন্য ক্লাস সাথে নিজের অনেক কাজ মিস হয় তাতে কি? বন্ধুই বড় কথা বাকী সব আজাইরা। আমিও চিটাগাং গেলে তারা যখন ঝাপায়া পড়ে, অফিস টফিস বাদ দিয়ে চলে আসে তখন মনে হয় নিতান্তই অপাত্রে যায় নাই ভালোবাসা। অবশ্য পাত্রময় ভালোবাসার আশাতেও থাকি না। কারন গিভ এন্ড টেক দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। দারুন সময় উদযাপন ও পাশে থাকার নামই আমার কাছে ফ্রেন্ডশীপ।

আমার দুই প্রিয় বন্ধু আবীর আর সোহেল আসলো এই থার্স ডেতে। উদ্দেশ্য শুক্রবারের অগ্রনী আর পুবালী ব্যাংকে এক্সাম আর রবিবার থেকে নেভীর শর্টকোর্সে কমিশন অফিসারের পরীক্ষা আইএসএসবি তে অংশগ্রহন। যাই হোক তাদের আগমনে আমার মনে আনন্দের ফল্গুধারা প্রবাহিত হচ্ছে যথারীতি। কিসের এক্সাম কিসের কি! চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছি খাচ্ছি দাচ্ছি যাচ্ছে দিন। শুক্রবারে এক্সাম ছিলো তা দিয়ে আসলো এর বাইরে সারাদিন আড্ডা। আবীর অগ্রনীর এক্সামে ইচ্ছে করেই যাই নি বিকালে। আচ্ছা মতো দুই বন্ধু শুক্রবার বিস্টিতে ভিজে ভিজে রিক্সায় নিউমার্কেটে গেলাম। কেনাকাটা করলো দেখলাম হাটলাম। আউলাপু আমাকে আগে বলতো তুমি খালি অন্যের শপিংয়ের পিছপিছই ব্যাগ টানো আমি হাসতাম। আসলেই কপাল তাই। আমি নিজে তেমন কিছুই কিনি না। খালি অন্যের সাথে ঘুরি দেখি বাজার ঘাট। শুক্রবারে প্রচুর মানুষ। মেয়ে আর মেয়ে চারিদিকে। এতো মেয়ে এই ভোগান্তিময় বর্ষার দিনে কেনাকাটাতে কেনো বের হলো তা বুঝলাম না। তবে নিউমার্কেট আমার ভালো লাগে না এর লোকজনের আয়োজনে। ইচ্ছে করেই মেয়েদের গায়ে ধাক্কা লাগানোর যে ট্রাডিশন তা এখনো চলমান। আমি অবাক হই মেয়েরাও কিভাবে মেনে নিছে তা। আমি লেগুনাতে উঠি না এই একটা কারনেই যে মানুষের গায়ে গা লাগিয়ে উঠতে বসতে আমার তীব্র বিরক্ত লাগে। ভীড় বাসের চেয়ে রিক্সা বা হাটি কারন এতে নিজের মতো যাওয়া যায়। যুগের পর যুগ চেঞ্জ হলো তাও নিউমার্কেটে ধাক্কাধাক্কি আর মেয়েদের চোখের সেই তীব্র বিরক্ত হচ্ছে চাহনি বন্ধ করা গেলো না। এইজন্যই এক শুধুমাত্র মেয়েদের কাপড়ের দোকানের এডে লেখা দেখছিলাম " আর নয় গাউছিয়া নিউমার্কেটে দম বন্ধ করা ভীড়ে কেনাকাটা, এবার শুরু হলো হাতের কাছেই দেখে শুনে সুলভ মুল্যে দারুন সব পন্য ক্রয়ের আকর্ষনীয় সুযোগ"। ব্যাপারটা যে মেয়েদের আন্ডার গারমেন্টস তা বুঝতে আমি একটু দেরী করে ফেলছিলাম। যাই হোক আইএসএসবিকে কেন্দ্র করে দারুন সব শার্ট, সাদা গেঞ্জী, প্যান্ট, কেডস কেনা দেখলাম। দামাদামি তে খুব সিদ্ধহস্ত বন্ধু। তাই প্রতিটা জিনিস কেনার পরই বিজয়ের হাসি। আমি অবশ্য দামাদামি করতে পারি না কখনোই। তবে কেউ দামে জিতলে আনন্দ লাগে। আর তখন মনে হয় ইস টাকা থাকলে কতো কি হাতি ঘোড়া কেনা যেতো এখন! আমাকে এতো এতো শপিংয়ের ব্যাগ ঝুলিয়ে দিয়ে আবীর চলে গেলো ধানমন্ডি ৮। তার বিশাল ছোটোভাই বড়ভাই সার্কেল সেখানে উপস্থিত তার আশায়। আমি চলে আসলাম একাই। পূর্বনির্ধারিত খানাদানার আয়োজন ছিলো আদনানের বাসায়। মামা সহ আরো অনেকে রান্না বান্না করে অস্থির অবস্থা। আমি খালি খবরদারী করলাম আর প্রথম আলো মুখস্থ করলাম। খেয়ে দেয়ে দেখি নড়তে পারি না, ব্যাপক টেস্ট। বাসায় এসেই বিছানায় শুয়ে পড়া। পরের দিন সকালেই দেখি আবীর হাজির, মিরপুরে ছিলো দারুন আড্ডা দিলো। বেরুলাম চায়ের দোকানে সেখানেও মজার আড্ডা। আবীর খুব দারুন বক্তা। পোলাপান ভার্সিটি যায় নাই শুধু আড্ডা মারার লোভে। রাতে তাদের আইএসএসবি প্রস্তুতি তার আগেও ক্যাম্পের বাজারে হানা দিয়ে খেয়ে আসা সবাই মিলে। দুইজনই খুব সিরিয়াস। চাকরী ব্যাডলি নিডেড দুইজনেরই। আশা ভরসা দিলাম। তারা ঘুমালো আমি পিসিতে বসে ছিলাম। ভোর হতে না হতেই তাদের চলে যাওয়া। কারন সাতটার সময় নাকি সেন্টারে থাকতে হবে। জিয়া কলোনী মেলা দূর। আমি আর কি সকালে উঠেই এমন রোদেলা দিনে বেড়িয়ে পড়লাম। চায়ের দোকান হয়ে পাভেলকে নিয়ে ওকে ইউয়াইইউতে ড্রপ করে দিয়ে চলে গেলাম কাটাবন। বিদিততে বসলাম অনেক দিন পর। অনেক নতুন বই আসছে। পড়তে ইচ্ছা করে না। ফ্ল্যাপ দেখি আর ভুমিকা পড়ি। বইপড়ুয়ার মেম্বাররা যেরকম রিডিং দেয় তেমন যদি পড়তে পারতাম তাহলে না হতো একটা কাজ। আমি আজকে অনেক বই নাড়াচাড়া করলাম। একটা বই কেনার চিন্তা করলাম দাম চায় সাতশো। আমার ধারনা ছিলো পকেটে সাতশো টাকা আছে। দেখি ৬০০। কি আর করা। আজিজে দোতালায় মনিরের দোকানে রং চা খেয়ে নিচে নামলাম। পাঠক সমাবেশের বইয়ের দোকানের সামনে দেখি একটা স্ন্যাক্স কর্নার। অবাক হলাম এতো বাশ দেয় প্রতিটা বইয়ে বাধাই আর প্রিন্টের মুলা ঝুলিয়ে তাও তাদের পুষে না এখন চা নাস্তার দোকান গ্যাস বারনার এইসব নিয়ে বসতে হয়। আজব দুনিয়া। আগের মেগাসিটি মানে এখনকার দীপন বাংলা বাসে উঠলাম ড্রাইভার দেখি আমার আগের চায়ের দোকানদার দেলোয়ার। কি কপাল দিলাম ডাক বললাম ড্রাইভার সাব আমি আপনার বাপের শালা চিনছেন? বাসভ্রতি মানুষ আমার দিকে তাকিয়ে আর মামার সে কি হাসি। আসলাম রাস্তায় অনেক মানুষ। বাসে তিল ধারনের জায়গা নাই। বাসায় এসে গোসল করে ভাত খাবো তখনি শুনলাম আমার দুই বন্ধুই প্রথম দুপুরেই আউট। এরা দুইজনই ইন্টারমিডিয়েট লেভেলে আইএসেসবিতে একবার চারদিন করে ছিলো। স্ক্রীন আউট হবে তা ভাবনারও বাইরে। আমার নিজেরই মন হলো অনেক খারাপ। নিজে পারি না তা অন্য জিনিস। কিন্তু বন্ধুরা যখন পারে না তখন মেনে নিতে পারি না সেই ব্যার্থতা। আসলো তারা দুইজনেরই মন খারাপ। সোহেলের ভাষ্যমতে তার মনে হচ্ছে ব্যার্থতার এতো ওজন যে সাথে থাকা ১০ কেজি ওজনের ব্যাগটাকে ৫০ কেজি মনে হচ্ছে। আবীর যখন বের হলো তখন চারিদিকে গারজিয়ান তাকে ধরেছে কয়জন আছে? আশয় বিষয়। ১৩৪ জনের মধ্যে ২৫ জন টিকলো আর বাকীরা স্ক্রীন আউট। কি বাজে অবস্থা। আমি আর আবীর ৫ টা থেকে মনের দুঃখে চায়ের দোকানে। আমার ভার্সিটি যাওয়া হলো না। বসে ছিলাম অনেকেই এসে শান্তনা দিলো। কিন্তু তাতে কি আর বন্ধুদের মন মানে? খিদা লাগলো টাউন হলের নাদিমে গিয়ে সবাই মিলে গ্রীল খেয়ে আসলাম। গ্রীল ট্রিল খেয়ে বাসায়। সেই দুঃখভারাক্রান্ত মন তিনজনের। কেনো বাদ পড়লো তা নিয়ে আলাপ। আমার কিছুই ভালো লাগছিলো না। স্বপ্ন ভাঙ্গার জ্বালা দেখতে আর ভালো লাগে না।

এই শিরোনামটা হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের নামের মতো। উপন্যাসের সাথে শিরোনামের কোনো মিল নাই। শিলাজিতের বাবার লেখা গান প্রেম যেনো ওয়েসিস থেকে নেয়া। গানটা শিলাজিতের কন্ঠে খুবই ভালো লাগে শুধু আমার না কবীর সুমনেরও। আজ সমকালে দেখলাম এক মেয়ের ব্লগ ছাপাইছে নেটিজেন শিরোনামে হাসি পেলো। কারন শ্রমে ঘামে আলসেমীতে আড্ডার অজস্র দিনলিপি লিখে ভরিয়ে ফেললাম ব্লগ আর পত্রিকায়, দিনলিপি ছাপায় ওমুক প্লেসে ওমুকের সাথে দেখা হয়ে কি কি করছে সেই মেয়ে তার আলাপ! সংগে কয়েকটা কমেন্ট। পেলো অট্টহাসি!

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


আপনের মত বন্ধু পাওয়া কট্ঠিন ভাগ্যের ব্যাপার। দোয়া করি এমনই যেন থাকতে পারেন সবসময়।

ভালো থাকেন সুপ্রিয় শান্ত ভাই, অনেক অনেক ভালো। সবসময়।

আরাফাত শান্ত's picture


লাখো লাখো থ্যাঙ্কস বিষণ্ণ!

শাফায়েত's picture


অনেকক্ষণ হারিয়ে ছিলাম এই লেখাটায়।

আরাফাত শান্ত's picture


তাই নাকি?
ভালও থাকবেন!

লীনা দিলরুবা's picture


তোমার বন্ধুপ্রীতি অসাধারণ লাগে।

আরাফাত শান্ত's picture


আপনারও ভাতৃপ্রেম অসাধারণ! Steve

সাঈদ's picture


একটা অনুরোধ - প্যারা গুলো একটু ছোট ছোট করে দিলে পড়তে সুবিধা হয় আমার জন্য।

আরাফাত শান্ত's picture


ওকে বস! Big smile

সামছা আকিদা জাহান's picture


খুব সাধারন ঘটনার অসাধারন বর্ননা।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই মন্তব্য করেছিলাম এখন দেখি নাই।
যাই হোক ভাললাগার সাক্ষর রেখে গেলাম।

১০

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস এ লট আপু!
আনন্দে থাকেন Smile

১১

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


তোমার বন্ধুর প্রতি ভালবাসা আটুট থাকুক আর এবারের শিরোনামটা খুব ভাল লাগলো Smile

১২

আরাফাত শান্ত's picture


দোয়া কইরেন ভাইয়া!
ভালো থাকেন রিয়াসা আর তার মা কে নিয়ে!

১৩

তানবীরা's picture


আজ সমকালে দেখলাম এক মেয়ের ব্লগ ছাপাইছে নেটিজেন শিরোনামে হাসি পেলো। কারন শ্রমে ঘামে আলসেমীতে আড্ডার অজস্র দিনলিপি লিখে ভরিয়ে ফেললাম ব্লগ আর পত্রিকায়, দিনলিপি ছাপায় ওমুক প্লেসে ওমুকের সাথে দেখা হয়ে কি কি করছে সেই মেয়ে তার আলাপ! সংগে কয়েকটা কমেন্ট। পেলো অট্টহাসি!

Cool Steve Cool

১৪

আরাফাত শান্ত's picture


Steve

১৫

শওকত মাসুম's picture


বাধ্য হয়ে আইএসএসবি দিছিলাম, সেইটা মনে পড়লো

১৬

আরাফাত শান্ত's picture


ক্যাডেট কলেজে পড়ে সামরিক অফিসার হন নাই তাই একটা বড় আশ্চর্য ঘটনা!

১৭

আহসান হাবীব's picture


বেদুইন মন যেন ওয়েসিস চায়, কতো দূরে সে দুরের নগর।@ শান্ত ভাই এখন আর ওয়েসিস দুরের কোন নগর নয় । বেদুইনরাও কি আর দেদুইন আছে? সবই অতীত।

১৮

আরাফাত শান্ত's picture


তাই নাকি? Puzzled

১৯

টোকাই's picture


আরাফাত শান্ত, আপনার বন্ধু প্রেম দেখে নিজের জীবনের মধুর দিন গুলির কথা মনে পড়ে গেলো। বন্ধুর সান্নিধ্যে গেলেই উল্লসিত ভাব জাগতো মনে যা আর কোন কিছুতেই হয় নাই, আর হবেও না। প্রিয় বন্ধু জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার, তার কোন ই তুলনা নাই।
এমন লেখা লিখে আপনি অন্তত আমাকে জাগিয়ে তুললেন, মধুর স্মৃতি রোমন্থনের সুযোগ দিলেন।

অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা আপনার জন্য। Smile

২০

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস ভাইয়া। আপনাদের ভালো লাগলেই লেখার উদ্দেশ্য সফল। কারন আমি লিখি আমার মতো করেই তা যদি কারো ভালো লাগে তখন নিজের কাছেই খুব শান্তি লাগে। আপনিও ভালো থাকেন ভাইয়া। উপভোগ করেন দিনযাপন!

২১

অকিঞ্চনের বৃথা আস্ফালন's picture


আড্ডাবাজেরা মনে হয় বেশী লিখতে পারে Laughing out loud

"বেদুইন মন যেন ওয়েসিস চায়, কতো দূরে সে দুরের নগর!" গানটা আমার প্রিয় গান।

তবে একটা কথা ভাল বলেছেন "গিভ এন্ড টেক দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। দারুন সময় উদযাপন ও পাশে থাকার নামই আমার কাছে ফ্রেন্ডশীপ।"

২২

আরাফাত শান্ত's picture


ভালো আছেন দাদা? Smile
আপনার সময়ও ভালো কাটুক!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!