যেভাবে যাচ্ছে দিন, যা দেখছি।
মন মেজাজের হাল সুবিধার না বিশেষ। সারাদিন বেহুদা দোড় ঝাপ করলাম তাতে আরো বেশী টায়ার্ড লাগছে। অন্য কেউ হলে শুয়ে থাকতো। কিন্তু আমি তো অনন্ত জলিলের ফ্যান তাই অসম্ভবকে সম্ভব করাই আমার কাজ না হলেও তাঁর কাছাকাছি কিছু করা তো যায়ই। তাই প্রচন্ড ক্লান্ত শরীর নিয়ে পোষ্টটা লিখছি অন্ধকারে। আজ কারেন্ট কত শত বার গেছে তার হিসেব জানা নেই। জানি না কতদুর লিখতে পারি। বাবাখোরদের শুনছিলাম নাকি তাদের এমন দশা হয়ে যায় আসক্তিতে যে খাবারে টেবিলেই ঘুমিয়ে পড়ে ঠাস করে। আমি বাবা না খেয়েই পিসিতে ঘুমিয়ে পড়তে পারি যেকোনো সময় এই ব্লগ লিখতে লিখতে। তবে শরীর থেকে কম চে কম দুই তিন লিটার খালি ঘামলাম সারাদিনে। তাই ঘুমানোর আশা দুরাশা!
আজ অবশ্য সফল দিন বলা যায় আরেকভাবে। কারন আজ অনেকগুলা বই কিনলাম। বই কিনতে পারার চেয়ে আর কোনো আনন্দের কাজ আমার এই জীবনে নাই। আর তা যদি হয় নিজের জন্য তাহলে তো সুমহান আল্লাহ। কারন টাকা পাই হাত খরচের তা যখন বই খরচ হয়ে যায় তখন টান পড়ে পুরো মাসে। আমি অবশ্য প্রতিমাসেই বই কেনার চেষ্টা করি কিন্তু সব মাসে হয় না। তবে হিসেব করে দেখলাম বারো মাসের ভেতরে নয়মাসেই কিনি কিছু না কিছু। নিজের যে দুটো অভ্যাসকে রেসপেক্ট করি সবসময় তার একটা হলো চা পান আরেকটা হলো বইয়ের প্রতি ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা বড় লেখকদের মতো না হলেও তাদের ধারে কাছে যে হবে এতটুকুতে শিউর!
ইউপিএলের মেলা চলছিল তা আমি জানি। কিন্তু টাকা নাই তাই ধান্দা ছিল সামনের মাসের একদম শুরুতে যাওয়ার। কিন্তু রাসেল ভাই ফেসবুকে জানালো সময় নাকি আছে একদিন। এদিকে আমার পকেটে চা খাওয়ার টাকাই আছে, বই কেনার টাকা নাই। একজনের কাছে চাইলাম সে দিতে রাজী হয়ে গেল সাথে সাথেই। তবে তাঁর থেকে নিতে হলো না। হুট করে এক বন্ধুকে টাকা ধার দিয়ে তা ফী সাবিল্লিল্লাহ করে দেয়ার কথা মনে পড়লো। কার মুখে জানি শুনছিলাম ও বাংলালিংকের কেয়ার লাইনে জবে ঢুকছে কিছু না পেয়ে। ফোন দিলাম সকালে খোজ খবর নেয়ার উসিলায় জানিয়ে দিলাম টাকা আছে সেই যে ১০এ নিয়ে ছিলি। ওতো আকাশ থেকে পড়ার ভান নিলো। বললো দেই নি তোকে, আগে বলবি না আজকেই নিয়ে যা। আমাকে আর পায় কে খুশীতে! নান্নুর দোকানে গিয়ে সোজা রিকশা নিলাম তাতীবাজার- ভাড়া ১০০। জ্যাম গরম ঠেলে গিয়ে ডাচ বাংলার নিচে দাঁড়ালাম। পাচ মিনিট আড্ডা ও টাকা প্রাপ্তি। সেখান থেকে গেলাম বাংলাবাজার একটা কাজে রিকশায়। পুরান ঢাকার অলিতে গলিতে জ্যাম এখন। জ্যাম আর মানুষের এত হল্লা দেখতেই ক্লান্ত লাগে। তবে সেই ক্লান্তি কাটিয়ে দেয় কোন স্কুলের দিকে তাকালেই। সব স্কুল কলেজ প্রতিষ্টা ১৮শ সালের। দেখলেই শান্তি লাগে। প্রাচীন এই জনপদের এখন সব কিছুই এত গিঞ্জি তাঁর ফাক গলে এইসব দেখে অবাক হই। যেমন অবাক হই বাহাদুর শাহ পার্কের পাশ দিয়ে যেতে। এই সেই পার্ক কত বইতে কত কথা জেনেছি এই নিয়ে। পাশে থাকা ময়লার এক খোলা ডাস্টবিনের গন্ধ নিতেই নিতেই আমি রোমান্টিসিজমে ভুগি। বাংলাবাজারে কাজ শেষ করে আবার পুলককে ফোন দেই। সে ত্রিশ মিনিট পরে ফ্রী হচ্ছে। আমি হাটলাম এই কড়া রোদে। এক জায়গায় দেখি মশলা রং চা বিক্রি করে। বসার জায়গাটা খুব ভালো। যা হবার তাই হলো জিহবার ছাল তুললাম সেই গরম চা খেয়ে। বসে বসে চায়ের দোকানীর সাথে আলাপ করলাম। বিক্রমপুরের ছেলে, তিন বছর ধরে এখানে তার মামার দোকানে। পুলক ফোনে বললো সিএমএম কোর্টের সামনে আসেন। আমি বলি আমি মহানগর দায়রা জজের গেইট চিনি, সিএমএম চিনি না। পুলক আসলো আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে গেল। গেলাম সিএমএম কোর্ট। লিফট দুটো একটা সাধারণের জন্য একটা আইনজীবিদের জন্য। দুটোতেই লম্বা লাইন। পাঁচ তলায় কাজ। চওড়া শিড়ি বেয়ে উঠলাম। উঠে পুলক গেল নকলখানায় গেল আমি কোর্টরুমের বারান্দায় বেঞ্চিতে বসে থাকলাম। কত গরীব গরীব মানুষ যে পায়চারী করছে বারান্দায় তার হিসাব নাই। আসামীদের হাত কড়া খুলে দিয়েছে তারা সবাই বিরিয়ানী খায়, পুলিশকে ঘুষ দিয়ে মোবাইলে দুই তিন মিনিট কথা বলে, আইনজীবি বুঝ দেয় এইসব দেখতে দেখতেই সময় কেটে গেল। তবে একটা সিন দেখে মন খারাপ হয়ে গেল খুব। আসামী ছেলে বিরিয়ানী খাচ্ছে মা তা দেখে অঝোরে কাদছে। আমার নিজেরই পানি এসে গেল। জীবনে যেনো কোন সন্তানের মায়ের সামনে যেন আসামীর বেশে বিরিয়ানী খেতে না হয়। পুলককে বললাম নান্নায় যাই চলেন। পুলক ইচ্ছুক না। নিয়ে গেল কোর্ট কেন্টিনে, ডিম ভাজি আর পরোটাই নিয়ম করে খেলাম। এক পুরান ঢাকার স্মার্ট আংকেলের সাথে পরিচয় হলো। আংকেল ঢাকাইয়া টোনে আমাদের সাথে অমিতাভ বচ্চনের নসীব ছবির গল্প জুড়ে দিল। উনার কথা বলার স্টাইল দেখে পুরা মুগ্ধ আমি। হুমায়ুন আহমেদের সাথে দেখা হলে উনার পাঁচ মিনিটে একটা উপন্যাস লেখার কাজ শুরু করতেন। আংকেল আমাদেরকে বিরিয়ানীর স্বাদ নিয়ে বয়ান দিচ্ছিলো। উনার কথা শুনতে আমি শিউর বিরিয়ানীর মতোই স্বাদ পাওয়া যায়। যাই হোক রিকশা নিলাম। টার্গেট শাহবাগ। শাহবাগ গিয়েই পাবলিক লাইব্ররীতে ঢুকলাম মাসুম ভাইয়ের কাছে লেখক মওদুদের প্রশংসা শুনেছিলাম। কিন্তু আজ যদি সব বই কিনি ওই বেটার তাহলে টেকাই থাকেনা আর! মওদুদের একটা বই কিনলাম গনতন্ত্র আর সুশাসন নিয়ে, মুলধারা একাত্তর কিনলাম একজনকে পড়াবো বলে, চিরায়ত বাংলা সিরিজ থেকে আমার প্রিয় উপন্যাস অপরাজিত কিনলাম বিভুতিভুষনের মামাকে দিবো বলে, রবীন্দ্রনাথের জীবন স্মৃতি কিনলাম, রাজনীতিবিদ আবদুল হকের চার দশকের রোজনামচা কিনলাম, সিদ্দিক সাল্লিকের ইংরেজী বইটা কিনলাম, আর্চার কে ব্লাডের টাও, মুনতাসীর মামুনের পাকিস্তান একাত্তর বিষয়ক দুইটা বই কিনলাম, সোস্যাল সাইকোলজিস্ট মেহতাব খানমের একটা বই কিনলাম বন্ধুদেরকে পরামর্শ দিতে শিখবো বলে আর রাসেল ভাইয়ের মুখে শোনা ইকবাল আনসারীর বইটা পেলাম না খুজে। দেখলাম ১২৪০ টাকা শেষ। চিন্তা করলাম আরেক অধিবেশনে এসে আরো কিছু কিনে যাবো। যা শুনেছিলাম আজকেই শেষ না। আরো দুদিন আছে পাক্কা।
এবার আলাপ করি এই নতুন ল্যাপটপে কি কি দেখলাম তা নিয়ে। দেখলাম তিগমাংসু ঢুলিয়ার বিখ্যাত ছবি সাহেব বিবি গ্যাংগস্টার রিটার্ন্স, দারুণ লাগছে। গতানুগতিক হিন্দী ছবির অনেক বাইরের ভাবনা। শেষ পর্যন্ত কি হবে তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা আছে মুভিতে। ভালো লাগছে মাহি গিল আর ইরফান খানের দারুন অভিনয়। http://www.youtube.com/watch?v=U4sOaE94IqE এছাড়া গুগলে সার্চ দিলেই ডাউনলোড করতে পারবেন। এরপর দেখলাম হলিউড ছবি গ্রেট গেটসবি। মামা নিয়ে আনলো। দুর্দান্ত ছবি। ভাল্লাগছে খুব। লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর যে অভিনয় আর যে স্টোরী লাইন তা চোখে লেগে থাকে।
http://www.mydownloadcity.com/4087/english-movies/the-great-gatsby-full-movie-free-download-2013/
তারপর দেখলাম হিন্দি আরেক ছবি নাম বাজাতো রাহো। হিন্দী ভাষায় চুলের ছবি। স্পেশাল ছাব্বিশের মতোই গল্পটা কিন্তু পুরো থার্ডক্লাস। রনবীর শোরে, বিনয় পাঠক, রবি কিষান এত বড় বড় সব অভিনেতা সব ডাউন খাইছে। আর তুষার কাপুরকে তো আমার দেখলে মনে হয় ইন্ডিয়ার অনন্তজলিল। কিছুই পারে না অভিনয়ের। দেখলাম ব্রাড পিটের ওয়ার্ল্ড ওয়ার জেড। ওতো ভালো লাগে নাই। খালি কামড়া কামড়ির সিন আর তা থেকে পালানোর চেষ্টা ভুয়া লাগছে। দেখলাম স্টারট্রেক টু ডার্কনেস। লাগলো মোটামুটি। কলকাতার দু তিন খান ছবি দেখলাম খারাপ না। যেমন ডামাডোল। আইটেম গান আর নায়িকাদের অভিনয় ব্যার্থতা ছাড়া ছবিটা খারাপ না। দেখতে পারেন http://www.youtube.com/watch?v=WPvj0i-wHsw
হাসানোর চেষ্টা আছে ছবিতে, মাঝে মাঝে হাসি আসে। আরেক ছবি দেখলাম গোলেমালে পীরিত করো না। ভালো না বেশী। তাও টাইমপাস করার জন্য দেখা যায়-
http://www.youtube.com/watch?v=5pIufZMKjeA
দেখলাম দুই তিনটা নাটক। যেমন ইরেশের কবির জন্য পাত্রী খোজা হচ্ছে। সরল সোজা গল্প খারাপ না দেখতে। ভালো পরিচালনা করছে দীপংকর দীপন। এনটিভি একটা ভালো কাজ করতেছে। তারা তাদের নাটকে অভিনয় করার জন্য অডিশন দিয়ে নতুন মুখদের নির্বাচিত করছে। তাদেরকে এই নাটকে পাওয়া যাবে।
http://www.youtube.com/watch?v=1mViQJ2OYRs
আরেকটা নাটক দেখলাম নাম হারুন বনাম ব্যাস্ত শহর। বেশী মেসেজ দেয়ার চেষ্টা তাও ভালো লাগছে-
http://www.youtube.com/watch?v=QgTySX_YHZo । এই টাইপের নাটক আগে বিটিভিতে খুব হতো এখন হয় কিনা জানি না। তাহসানরে ভালো লাগে না তাও দেখলাম http://www.youtube.com/watch?v=ntxfbmTmNpg।
নাটকের নাম এলিয়েন ও রুম্পার গল্প। আজাইরা! দেখলাম ইংরেজ ছবি থেকে মেরে দেয়া কনসেপ্টে নিশো আর তিশার নাটক অপেক্ষায় থাকুন। খারাপ না টাইম কাটে আর কি দেখলে-
http://www.youtube.com/watch?v=yzNvlpOO9dQ ইউটিউবে তো এডের ঝক্কি নাই তাই দেখতে আরাম। দেখলাম তিশা ও নিশোর আরেকটা নাটক নাম -কিছুটা গল্পের মতো-
http://www.youtube.com/watch?v=86erOcxSqpo
এইটা ভাল্লাগছে আগেরটার চেয়ে। দেখলাম কলকাতার ছবি 'কানামছি'। ভালোই লাগলো। তামিল 'ক্যু' থেকে মেরে দেয়া। প্রকাশ ঝার হিন্দী ছবি সত্যাগ্রহও নাকি একি গল্প কিনে নতুন ভাবে বানানো। ভালোই লাগে ছবিটা। একটা উত্তেজনা আছে। হলিউড স্টাইলের একশন ও সাসপেন্স আছে। চাইলে দেখতে পারেন গুগলে সার্চ দিয়ে নামিয়ে বা এখানে
http://www.youtube.com/watch?v=Ptjv1ubo9ao বিশেষ করে সিনেমার ডায়লগ ও আবীরের অভিনয় অসাধারণ। প্রথম দেখলে খুব দারুন লাগে। মনে হবে কলকাতার ছবি এত ভাল এখন! পরেরবার যখন জানবেন কাহিনী কনসেপ্ট নকল তখন বিরক্ত লাগতেই পারে আমার মতো!
আজ এখানেই থাক। রাত অনেক হতে চললো। আর কত লিখবো?





তোমার ব্যান্ডউইথ কি আনলিমিটেড নাকি? ইউটিউব দিয়ে সব চালিয়ে দিচ্ছো !
নাটকের ব্যাপারে অনেকদিন পর কারও লেখা দেখলাম। মুভি, ইংরেজী টিভি সিরিজের ডামাডোলে নাটকরা আজকাল কোণঠাসা হয়ে পরেছে।
বিরিয়ানী খাওয়ার ঘটনাটা বেদনাদায়ক। কিন্তু প্রতিটা অপরাধীই কারো না কারও সন্তান।
মুভি যা দেখেছ এর মধ্যে শুধু স্টার ট্রেক টা দেখা হয়েছে, আমার কাছেও খারাপ লাগে নাই তবে অত্যাধুনিক মুভি। কেমন জানি লাগে।
আনলিমিটেড না ৬ জিবি। এই মাসের শেষের দিকে রিচার্জ করলাম তো তাই টেনশন ছাড়া দেখতেছি। তোমার মতো সিরিয়াল খোর হইতে পারলাম না, খেতই রয়ে গেলাম
থ্যাঙ্কস বন্ধু। আসলে কমেন্ট মারলে ভালো লাগে!
ইউটিউবে মুভি দেখেন?
এত লম্বা টাইম কারেন্ট না গিয়া থাকে নাকি?!
আপনে এত বই পড়ার টাইম কই পান?যা বিজি শিডিউল!
ল্যাপটপে তো আর কারেন্ট যায় না সাথে ওলো মডেম তো আছেই। সারাদিন চালাই! বই পড়া হয়ে যায় কারন আগের মতো চায়ের দোকানে থাকি না!
জ্বর ভালো হয়ে যাক!
পারলে "মেঘে ঢাকা তারা" মুভিটা দেখবেন। ঋত্বিক ঘটকের জীবনী নিয়ে করা। আর দেখে থাকলে তো হয়েই গেল। নির্মাণ শৈলী আর উপস্থাপন সুন্দর। মুভিটা ঋত্বিক ঘটকের একটা মুভির নামে করা হইছে।
দেখবো অবশ্যই। থ্যাঙ্কস বন্ধু কষ্ট করে আসো পড়ো আবার সাজেসনও দেও!
আমি চোরাবালি দেখলাম, খুব ভাল লেগেছে, বাংলাদেশি হিসেবে খুবই ভাল
সত্যাগ্রহ ভাল লাগেনি। এর থেকে অনেক ভাল ছবি অজয় করেছে। Madras Cafe দেখলাম। খারাপ না। আরো কি কি জানি দেখেছি, মনে নাই
হলে গিয়ে দেখলাম চেননাই Express. হোয়াট এ মুভি। Brain ইউজ করার কোন দরকার নাই। ফিদা হয়ে গেলাম।
আমি তো চোরাবালি দেখছি সেই বলাকা গিয়েই, পোষ্টও দিয়ে ছিলাম।
সত্যাগ্রহ দেখবো সামনে। মাদ্রাস ক্যাফে খুজতেছি কোথাও নাই। ছবিটার গান দুইটা এত সুইট শুনলেই মন ভালো হয়ে যায়! অজয় দেবগনরে আমার শুধু রাজনীতি আর গংগাজল ছবি দুটোতেই ভালো লাগছিলো। এরপর ওরে দেখলেই গা জ্বলে! ঈদে বাড়ীতে গিয়ে হিম্মতওয়ালা দেখার চেষ্টা করলাম। বালের সিনেমা বানাইছে সাজিদ খান!
চেন্নাই এক্সপ্রেসের ডায়লগে এত তামিল এক্সেন্ট বুঝা কষ্ট, দেখছি আপনাগো আগে। মাসালা ইন্টারটেনমেন্টের নামে যত কিছু করা সম্ভব সব করছে রোহিত শেট্টি। কোথায় থ্রি ইডিয়টস আর কোথায় চেন্নাই এক্সপ্রেস। অথচ থ্রি ইডিয়টসের সব রেকর্ড ভাংছে, অলটাইম ব্লক ব্লাস্টার
http://kickass.to/usearch/madras%20cafe
মামারে বলতে হবে যেন অফিস থেকে নামায় আনে
informative post .... দেখার তালিকায় কিছু কিছু জিনিস নিয়ে নিলাম এই পোস্টের ...
" বই কিনতে পারার চেয়ে আর কোনো আনন্দের কাজ আমার এই জীবনে নাই।" .. মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এটা।
অনেক দিন পর আইলেন তাই লাল সালাম!
আমি আপনি তো একই চিন্তার লোক!
আমার ফেভারিট অ্যাক্টরের সিনেমা গ্রেট গেটসবি, অথচ এখনো দেখার ফুসরত হয় নাই। আচ্ছা, ঘড়ির কাঁটা ইদানীং পাগলা ঘোড়ার মতো দৌড়ায় কেন? ক্যালেন্ডারের পেজ উল্টাতে উল্টাতে কাহিল হয়ে যাচ্ছে জীবন।
আহারে এই তাহলে অবস্থা!
আমি ইউ টিউব এ প্রথম ছবি দেখেছি মনের মানুষ, এরপর আরও বেশ কিছু কিন্তু এত্ত সময় লাগে ফ্রি টাইম নাই।
তোমার এই ঘোরাঘুরি র গল্পগুলি খুব মজা করে পড়ি। এ ভাবে আসামী দেখিনি তবে কলেজগেটে বাংলাদেশ মানসিক ইন্সটিটিউট এ ডান্ডা বেড়ি পরা দুই দুর্ধর্ষ আসামী কে দেখেছি। তাদের কোন বোধ নেই কেমন যেন গা শিউরে উঠা চাহনি। ওদের চোখ দুটি আমি আজও ভুলি না। কি হিংস্র তাদের চাহনি।
এরপর ঢাকায় আসলে খবর দিয়েন আপা
অনেক বই শেষ করার তাগিদে আছি . হয়ে উঠছে না . শান্ত'র মত সময় নাই যে !
আমারও সময় কম তাও বই পড়ার সময় পেয়ে যাই
বই কেনার মত আনন্দের বিষয় বোধহয় খুব কমই আছে, তোমার বই কেনা আর পড়ার অভ্যেস দেখে খুব হিংসে হয়। যদিও মাঝে মাঝে বই কেনা হয় আমারও তবে পড়ার সময় হয়না তেমন। বাসায় পৌছালে বউ-মেয়ে অনেকটা সময় নিয়ে নেয়, বাকি সময়টা, বই পড়া, ব্লগ, ফেসবুক আর টুকটাক লেখা...
ভালোই তো রিয়াসা আর ভাবীকে সময় দেন। ওতো পড়ে আর কি হবে?
মন্তব্য করুন