ইউজার লগইন

এই অসময়ে জলপাইপুরে ধ্রুপদী সংগীতের রাতগুলো!

শিরোনামটা একটু বেশী বেশী হয়ে গেল, তাও দিয়ে ফেললাম। কিচ্ছু করার নাই এই আগুনে পোড়ার অসময়ে, এতকাল শুনেছি দাহকাল- যা একটি শব্দ হিসেবে ধরে নিয়েছি, কিন্তু এখন দেখি আসলেই দহনের সময়। কেউ পুড়ছে কিংবা কেউ পোড়াচ্ছে, আমরা শুধু সব তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি। তবুও এর প্রতিকারে আমাদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস লেখা ছাড়া আর কোনো কিছু করার উপায় জানা নেই। আমি ৯৫-৯৬ এর আমলে ছিলাম নিতান্তই ছোট মানুষ, হরতালে বাসার পাশেই স্কুল থাকতো বন্ধ, সারাদিন খেলা আনন্দ আর আনন্দ। বিটিভিতে নাটক হতো আর খবরে দেখতাম খালেদা জিয়া নানান কিছুর ফলকের সামনে দলবেধে দোয়া করছে। তখনই আমার মনে প্রশ্ন আসছে- ক্যামেরার সামনে দোয়া করে কেন? তখনো আমি বুঝি না, পলিটিক্যাল কলহের এত কার্যকারন, এত সহিংসতার গল্প। এরপর চলে গেল অনেক সময়। কিন্তু এত বছরেও আমি এই সময়ের চেয়ে বাজে সময় আর দেখি নাই, সারা দেশ জুড়ে এত মানুষ মারা যাচ্ছে কিংবা মরণ প্রায় অবস্থা তার চেয়েও এত আতংকিত সমাজ ও মানুষ ও আমার দেখা হয় নাই। নুরুল কবীররা টকশোতে গলা ফাটান বলেন 'রাজপথেই বাংলাদেশে পলিটিক্যাল সমাধান হয়।' কিন্তু এই ভাবে নির্বিচারে হত্যাকান্ডে মানুষ মরে ও মেরে সমাধান আর কোন দেশে হয় দুনিয়ার তা আমার জানা নাই। এই তীব্র অসময়ের ভেতরেই আমি গিয়ে ছিলাম টানা তিনদিন জলপাই মাঠে ধ্রুপদী গানের জলসায়। সুশীল মানসিকতার মানুষ আমি তাই সেই জলসার গল্পই বলি, কারন কম মানুষই আছে যারা আত্মকেন্দ্রিকতার বাইরে গিয়ে চলে, আমি তেমন না!

আমার আসলে আর্মি স্টেডিয়ামে যাওয়ার কথা ছিল না, যেমন গতবার ভাইয়ার অফিসের পুরো ব্যাচ চলে গেছে কিন্তু আমি যাই না। খালি গল্প শুনতাম শান্ত কি দারুণ জিনিস মিস করেছো। নিজেকে সান্তনা দিছি এই বলে যে আমি এইসব রাগ রাগিনী বা খেয়াল টপ্পা শোনার লোক না, যাই নি ভালোই করছি। এবার তাই রেজিষ্ট্রেশন করে রাখছিলাম একদিন হলেও ঘুরে আসবো। প্রথমদিন ইচ্ছা করেই যাই নি ভালো লাগে নাই আর সন্ধ্যায় ক্লাস ছিল। পরের দিন সকাল থেকে মেকাপ ক্লাস দুপুরে গেলাম উত্তরায়। মামার শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত ছিল, বোরিং লাগছে তাও দিলাম এক ব্যাপক খানা। বিকাল বেলা বসে সিদ্ধান্ত নিলাম যে যাই ঘুরে আসি। বন্ধু পরিবহনে দাঁড়ানোর সিট নাই তাও উঠলাম। নামলাম আন্দাজ মতো, নেমেই দেখি পিপীলিকার মতো মানুষ খালি হাটছে সামনে। আমি আর্মি স্টেডিয়ামে আগেও আসছি চার পাচবার তা ছিল কনসার্টে, তবে এবার পুরোই আলাদা টাইপের অনুষ্ঠান। গিয়েই বসলাম সিটে, সেকেন্ড দিনের সন্ধ্যা তো মানুষ কম। দেখি আলার্মেল ভাল্লির ভরতনাট্যম। পেছনে বসলো এক দল বাতেন রা। ইংরেজীতে তারা বলতেছিলো এরা কত ভালো নাচে আর বাঙ্গালীরা নাচতে পারে না, এক্সপ্রেশন থাকে না হেনতেন। এইসব শুনলে মেজাজ খারাপ হয় কি আর করা। আমার পাশে বসছে এক পরিবার তাদের দুই মেয়ে, কিশোরী। তারা নাচ দেখতে দেখতে বলতেছেন কেমন জানি তামিল তেলেগু ড্যান্স না, আমি নেটে সার্চ দিয়ে দেখলাম আসলেই তাই। উনার জন্ম চেন্নাইয়ে। তখন বুঝলাম সিনেমার ব্র্যান্ডিং কত কাজের জিনিস। এরপর আসলো বেহালা নিয়ে সংকেট সাহু। বোরিং লাগতেছিল বসে থাকতে ভাবলাম হেটে আসি। ফুডকোর্ট ঘুরলাম দেখি পাতি আর পাকা নানাবিধ সেলিব্রেটিদের আখড়া, আর যারা সেলিব্রেটি না তাদের চেহারার দিকে তাকালেই বুঝে যাই স্টেডিয়ামের পাশেই এদের দামী গাড়ী গুলা পার্ক করা। আমি আর কি বাইরে গেলাম, পাড়ার ছোট ভাই ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তার প্রেজেন্টেশন ছিল। যা চকচকে ফর্মাল। দুইজনে বসে ডিম ভাজি আর পরোটা খেলাম। তাও তা পাওয়া যায় না কারন ডিজে রাহাত সাহেবরা ১৮ টা ডিম আর ৩৬টা পরোটার অর্ডার দিয়ে সমানে খাচ্ছে। চা খেলাম বসে। ভালোই চা বানাইছে খোলা আকাশের নীচে। গেলাম দেখি মঞ্চে বোম্বে জয়শ্রীকর। ভালোই লাগলো। নেট ঘেটে দেখলাম উনি বিখ্যাত মানুষ, লাইফ অফ পাইয়ের জন্য অস্কারের নমিনেশন পেয়ে ছিলেন। তারপর আসলো অসিত দে। ইনিও বেহালা বাদকের মতো বোরিং। গ্যালারীতে গেলাম সাইফ সিগারেট ধরালো। দেখি ধুমছে গাঞ্জা খাচ্ছে পুলাপান। ছেলে মেয়ে বিভেদ নাই। ছোট ছোট গ্রুপে আসর বিভক্ত। এদের ভেতরে আবার ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলে মেয়ের এক বিশাল গ্রুপ আছে, যারা কথায় কথায় বন্ধুকে গালি দিয়ে বলছে 'ফাকিং স্টুপিড এস" আর কত কি। আমি অবাক হলাম চায়ের দোকানে রিক্সাওয়ালার ভাষা আর এখানের ভাষা দেখি এক। খালি পার্থক্য বাংলা ও ইংরেজীর। একটু পর আর্মি আসলো দিলো সার্চ, গাঞ্জা পাওয়া পোলাপানরে থাবড়ালো হাউশ মিটায়া, ফরহাদ মজাহার থাকলে ভাষায় বলতে শোষিত সেনাদের শ্রেণী সংগ্রাম, যাই হোক এইসব রঙ ঢং দেখে শুনে নিচে নামলাম। দেখি পুর্বায়ন চ্যাট্টার্জী উঠলেন মঞ্চে। শেষের দিকে বসেছিলাম আমাদের পাশেই আরেক বিশাল বুর্জোয়া গ্রুপ। তাদের এক ভাই আসছে সে তার এক বন্ধুর জন্য পাত্রী দেখতে বলতেছে। পাত্র ওকলাহামা ইউনিভার্সিটিতে এম এস শেষ করে দেশে আসবে ক্রিসমাসের আগে। আমাকে সাইফ তখন বলতেছে দেখছেন আমরা বলি ছয় ঋতু আর এরা বলে ফল সামার ও উইন্টার। আমি বললাম ভালো তো আমার তো এই জীবনে আর ওকলাহামা তো দূরে থাক কোনো ইউনিতেই পড়া হবে না! আমরা যখন এইসব দেখছি তখন পাশে বসা সাইফের ফ্যাকাল্টি। দেখি এক ছেলের কথায় উনারা হাসতে হাসতে কাহিল। ছেলে মনে হয় ঘরোয়া পরিবেশে স্ট্যান্ডিং কমেডিয়ান। সব জোকসই হরতাল নিয়ে, আমি মনে মনে গালি দিচ্ছিলাম যদি মোহাম্মাদপুরে হতো তবে দিতাম আল্লাহর নামে মাইর। মানুষ পুড়ে মরে আর তা নিয়ে এরা করতেছে মশকারী। যাই হোক পুর্বায়ণ চ্যাট্টার্জী দারুণ বাজাইছে সেতার। বিমুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। তবলায় যে ছিল উনিও দারুণ তুলছে, দর্শক এই জিনিস দেখে খুব খুশি। আবার বাইরে গেলাম চা পানি খেলাম। ওয়াশরুমের অবস্থা করুণ। এত মানুষ সিরিয়াল দিতে হয় দাঁড়িয়ে, বিশ্রী রকমের এক ব্যাপার। পন্ডিত অজয় চক্রবর্তী আসলো। শুনলাম। ভালো লাগে নি তেমন। এরপর আসলেন রইস খান। দুর্দান্ত উনি। নিজেই বললেন সুগার লেভেল হাই খুব- মরে যেতে পারেন যখন তখন, হাটা চলা মানা করে দিয়েছে ডাক্তার। দারুণ বাজাইছেন। আমি তেমন বুঝি না এই সব তাও অদ্ভুত এক জাদুর নেশায় পড়েছিলাম। সব চেয়ে বড় কথা উনার এক্সপ্রেশন দুর্দান্ত/ বাজাচ্ছেন এমন এক ভঙ্গীতে মনে হয় সেতার বাজানো দুনিয়ার সব চাইতে সহজ কাজ। সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান জানালো। ফেরার সময় হাটলাম, ইচ্ছা করেই বাসে উঠি নাই। পেটে এসিডিটির ফ্যাক্টরী তা নিয়ে হাটতে পারছিলাম না আরাম করে। হাটতে হাটতে মহাখালী আসলাম। দেখলাম এই শীতে অগনিত মানুষ পথে শুয়ে আছে, আর আমরা কাক ডাকা ভোরে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শুনে বাসায় ফিরছি। হিপোক্রেটের দল আমরা সব। রিকশা পেলাম তা আড়ংয়ের মোড়ে নামিয়ে দিবে ১০০ টাকা। উঠলাম ঠান্ডা বাতাস , আলো এখনো ফুটে নি- দারুণ এক সময়। বাসায় এসে দেখি গেইট বন্ধ। আমার কাছে খালি বাসার চাবিটাই আছে, ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরে বাসায় এসেই ঘুম!

পরের দিন চৌরাসিয়া আসবে। তাই ইচ্ছে করেই নটার দিকে রওনা দিলাম রাত। আমি সাইফ আর অর্ক। রাস্তাঘাটে পুরো কবরস্থানের মতো নীরবতা। মাত্র ১৪ মিনিটেই জলপাইপুর মাঠ, হাজারে হাজারে মানুষ বিশাল লাইন। ঢুকেই দেখি শিব কুমার শর্মা। সান্তুর বাজাচ্ছেন। দারুন লাগলো ভদ্রলোককে। অর্ক গিটারিস্ট এক ব্যান্ডের, ওর মুখে নোট টোটের ব্যাপার ও রেয়াজ- রিয়ারসেল এই সব নিয়ে আলাপ করছিলাম। বের হলাম হাটতে- দেখি অনেক পরিচিত মুখ, কিন্তু কারো সাথেই কথা বলি নাই। কথা হলো শুভ ভাইয়ের সাথে। উনার গোফটা এখন অস্থির হইছে, হালহাকিকত জিগেষ টিগেষ করলো। বাইরে গেলাম আবারও তিনজন মিলে ডিম ভাজি আর পরোটা খেলাম। এসেই দেখি স্বপন চৌধুরী মঞ্চে। অস্থির লাগলো উনার তবলার প্রেজেন্টেশন সাথে উনার আলাপচারিতা। ইতিমধ্যে আমার মামা আসছে তার দল নিয়ে। হালকা কথা হলো। আমার সামনেই বসে ছিল অম্লান। চিনি জানি কিন্তু কথা বলা হয় নাই, ইচ্ছা করেই। চা কফি খেলাম। বড় বড় সেলিব্রেটিদের দেখে আসলাম আবার। তারা সব আড্ডার মত করে গল্প করছে। সাইফ চাপ খাবে ওখানের এক দোকানে, দোকানের নাম 'চাপ ইষ্টিশন' গরু মুরগীর চাপের দাম দেখে আমি আকাশ থেকে পড়লাম। তিনজন মিলে খেলে হাজার খানেক টাকার বিল আসবে, আমার পকেটে টাকাই আছে গোটা চারশো। কি আর করা চিপস খেতে খেতে আসলাম ও লাইনে দাঁড়িয়ে কফি কিনলাম। চৌরাসিয়া মঞ্চে উঠলেন। দেখি পুরো স্টেডিয়াম শুনছে। অদ্ভুত সুন্দর। টানা এক ঘন্টা খালি শুনছি আর তালি দিচ্ছি। কিন্তু শেষ হয়ে গেল। ফেরার সময় সেইদিনও সিএঞ্জি নাই, আবার দাও হাটা। মহাখালী থেকে রিকশা পেলাম। আমার পাশের রিক্সাতেই ছিল তারেক রহিম। বইমেলায় দেখেছিলাম মনিকা রশীদের সাথে। নিজে থেকে আর কথা বলতে যাই নাই। মামারা ঐদিকে সিএঞ্জিতে আসলো। এক সাথেই বাসায় এসেই ঘুম। শেষ দিন যাবার কথা ছিল না কারন দিনে আমি ঘুমাতে পারি না, দুপুর বাদে। দুপুরে ঘুমালে খারাপ লাগে না তা স্বর্গীয় সুখ। তাও পুলক যাবে তাই আমি পুলক আর সাইফ দিলাম রওনা নয়টায়। সিএঞ্জি চললো উড়োজাহাজের গতিতে। গিয়ে দেখি রাহুল শর্মা সান্তুর বাজাচ্ছে। তাঁর বাবার মতোই দারুণ। ওস্তাদ বাহাউদ্দিন ডাগারের রুদ্রবীণা শুনলাম। নেটে সার্চ দিয়ে উনাকে নিয়ে জানলাম। আমাদের দলটাও তখন ভারী- দ্বীপ আসছে, রিফাত আসছে, এক সাথে বসে আমরাও দিলাম আড্ডা। উলহাস কসেলকারের ভোকাল ভাল লাগে নাই। অপেক্ষায় ছিলাম রশীদ খানের। দুর্দান্ত গাইছে উনি। ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলীর ইয়াদ কি পিয়া যখন গাচ্ছিলেন তখন মনে হলো আকাশ থেকে সুর ভেসে আসছে। পারভীন সুলতানাও দারুণ। উনার হিন্দী সিনেমার গান পুলক আমাকে গেয়ে শুনাচ্ছিল। দেখি উনিও গাইলেন। সিএঞ্জি নিয়ে বাসায় ফিরলাম ভাড়া ৫০টাকা কমে। এসেই দেখি এখনও ভোর হয় নি। এক দোকানে চা খেলাম। যে চিনি দিছে আমি আরেকটু হলেই ফিট খেতাম। বাসায় এসে আবার ঘুম। শেষ হয়ে গেল সঙ্গীতের জলসা। চারদিনে ৯৩ হাজার মানুষ আসছিল জলপাইপুর মাঠে। অনেকে তীব্র ভাবে বিরক্ত যে এই রাজনৈতিক কলহের দিনে সঙ্গীতের জলসার কি মানে? অনেক ইসলামিক বন্ধুদের দেখলাম ক্ষিপ্ত যে দেশের মানুষ খেতে পায় না আর এরা জলসায় গিয়ে ফেসবুক চেকইন দেয়। এইসব নিয়ে আমার কিছু বলার নাই। আমার বিশ্বাস হলো- এমন অস্থির সময়ে মানুষ শুদ্ধ জিনিসই শুনতে চাইবে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও মানুষ পোড়ার ভেতরেই তো আর হিন্দি সিরিয়াল দেখা, টিভিতে ক্যাটরিনার নাচ কিছুই তো দেখা আর বাদ দিচ্ছে না মানুষ। তাহলে সব দোষ বেঙ্গলের গানের জলসায় গিয়ে পড়ে কেন? চৌরাসিয়া আগে যখন ঢাকা ক্লাবে বাজাতো তখন তো তার টিকেট সাধারনের নাগালেই ছিল না। এই অনুষ্ঠানের কারনে উপমহাদেশের বরেন্য সব ক্লাসিক্যাল শিল্পীকে পাওয়া যাচ্ছে ফ্রিতে। যতই কর্পোরেট হওক, সঙ্গীত তো হচ্ছে আদি ও অকৃত্রিম! তা শুনতে পাওয়াও কপালের ব্যাপার!

মন ভালো না। আজ দিন কাটলো হাসপাতালে হাসপাতালে, পরিচিত এক বন্ধুর ছোট ভাই বাইক এক্সিডেন্ট করে পায়ের বাজাইছে বারোটা, আলামীন নামের যে ছেলে ছিল যাকে নিয়ে পোস্টও লেখেছিলাম ব্লগে- তাঁর বাবাও অসুস্থ গলায় নাকি ক্যান্সার, রাতে স্বপ্ন দেখি ভুলবাল তাতে মেজাজ থাকে চড়ে। তাই পোস্ট লিখলাম যেন কিছু একটা করি। আজকাল আমার ব্লগ লিখতেও বিরক্ত লাগে!

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


আসলেই। শুদ্ধতাই দিতে পারে এই অস্থির সময় থেকে মুক্তি।

আরাফাত শান্ত's picture


ইয়েস বস Laughing out loud

তানবীরা's picture


যারা কথায় কথায় বন্ধুকে গালি দিয়ে বলছে 'ফাকিং স্টুপিড এস" আর কত কি। আমি অবাক হলাম চায়ের দোকানে রিক্সাওয়ালার ভাষা আর এখানের ভাষা দেখি এক। খালি পার্থক্য বাংলা ও ইংরেজীর।

আমার বিশ্বাস হলো- এমন অস্থির সময়ে মানুষ শুদ্ধ জিনিসই শুনতে চাইবে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও মানুষ পোড়ার ভেতরেই তো আর হিন্দি সিরিয়াল দেখা, টিভিতে ক্যাটরিনার নাচ কিছুই তো দেখা আর বাদ দিচ্ছে না মানুষ। তাহলে সব দোষ বেঙ্গলের গানের জলসায় গিয়ে পড়ে কেন? চৌরাসিয়া আগে যখন ঢাকা ক্লাবে বাজাতো তখন তো তার টিকেট সাধারনের নাগালেই ছিল না। এই অনুষ্ঠানের কারনে উপমহাদেশের বরেন্য সব ক্লাসিক্যাল শিল্পীকে পাওয়া যাচ্ছে ফ্রিতে। যতই কর্পোরেট হওক, সঙ্গীত তো হচ্ছে আদি ও অকৃত্রিম! তা শুনতে পাওয়াও কপালের ব্যাপার!

অসাধারণ লাগলো

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস এ লট। এই ব্লগের প্রতিটা পোষ্ট আপনে এত যত্ন নিয়ে পড়েন কমেন্ট করেন, এই জন্য আপনাকে পাঠক অফ দ্যা ইয়ার দেয়া উচিত!

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


যতই কর্পোরেট হওক, সঙ্গীত তো হচ্ছে আদি ও অকৃত্রিম!

টিপ সই

আরাফাত শান্ত's picture


Smile

টুটুল's picture


এইবার যেতে পারলাম না Sad

আরাফাত শান্ত's picture


চাকরী ব্যাবসা এক সাথে করেন, সময় কই?

সামছা আকিদা জাহান's picture


গান শুনে বেড়াও আর কমি অবরুদ্ধ।

১০

আরাফাত শান্ত's picture


Laughing out loud

১১

জ্যোতি's picture


এই অস্থির সময়ে দারুণ সময় কাটাইলা শান্ত। লেখাটা পড়তেও ভালো লাগলো, নিজে যেতে পারিনি বলে আফসোস হচ্ছে।
শোন, মেজিস্ট্রেট হওয়ার আগেই পেটে এসিডিটির ফ্যা্কটরিকে বিদায় দাও।

১২

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কু ম্যাঙ্কু আপু!
এই অসময়ে এইসবে না যাওয়াই ভালো, নিজে যাবেন থাকবেন ঘন্টা খানেক তারজন্য ফ্যামিলী সহ টেনশনে রাখার কোনো মানে নাই!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!