ইউজার লগইন

পেছনে অশরীরি হাত

একটা মাস চলে গেল। চুপচাপ কোনোকিছুর পরিবর্তন না ঘটিয়ে, কেটে পড়লো কোনো দুঃখ-কষ্ট ছাড়াই। আমিও নির্লিপ্ততার দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। মাথার ভেতর খেলছিলো শুধুই অনগ্রসরতার খতিয়ান; কিছুক্ষণ টানা ঘুষালাম, শক্ত কংক্রীটের মেঝেতে।
টাইএর নটটা পর্যন্ত খুলতে চাচ্ছে না। একটা জড়বস্তুও গলায় ফাঁস হয়ে আটকে বসতে চাইছে। খুব করে অনুভব করছি জীবনের দেয়াল বাওয়ার সময়টির অনুপস্থিতি। জীবনে একটা পর্যায়ে দেয়াল বাওয়ার মতো উচ্চমানের একটি কাজ করতাম। এখন চেষ্টা করলে হয়তো অমন পারবোও না। কিন্তু ওয়ান্স আপন আ টাইম, পারতাম।
শিশুকালটা সম্ভবত আমাদের সবারই জীবনের খুব ও খুবই প্রিয় একটা সময়। একেকদিন বিকেলে যখন ঘুড়ি উড়াতাম, আমার মনে হতো আমিও উড়ছি। লাঠিখেলার মতো নাটাই ঘুরাতে হতো, আরেকটা ঘুড়ির মাঞ্জা দেয়া সুতোকে কাটার জন্য নিচে থেকে পেঁচিয়ে ধরতে চাইলে। ঘুড়ি ওড়ানোর মৌসুমে কখনোই আনন্দের সীমা থাকতো না আমার। আর কোনোদিন ঘুড়ি ওড়ানোর দিন ফিরে পাবো কি না, জানি না।
মিসরে হোসনি মুবারক বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গস্পর্শী পর্যায়ে পৌছে গেছে। লোকটা গত ২৯ বছর ধরে সেখানকার প্রেসিডেন্ট। আজ তার গদি খুবই টলোমলো অবস্থায়। ঘোর দুর্দিন চলছে। চোখে নিশ্চই সর্ষে ফুল দেখছেন ভদ্রলোক। তাকে এখন সত্যিকারের সর্ষে ক্ষেতে নিয়ে গেলে যে খুবই মর্মাহত হবেন, সে ব্যপারে আমি নিশ্চিত।
তবে একটা জাতির জন্য এ সময়টা খুবই কঠিন সময়। সেই ভুখন্ডের সাধারণ মানুষেরা এ সময়ে খুব জটিল একটা সময়ের ভেতর অবস্থান করেন। বিবিসি একটা লাইভ পেইজ চালু করেছে তাদের ওয়েবসাইটে। একদিকে চলছে লাইভ টিভি আরেকদিকে পাঁচ মিনিট অন্তর অন্তর টেক্সট আপডেট দেয়া হচ্ছে বিক্ষোভের। সাংবাদিকতার এই মানের উৎকর্ষ সাধন দেখে কিছুটা খুশি লাগলো।
অক্টোপাসের মতো সময়ের গতিশীল বাহুগুলো আমাকে প্রতি মূহুর্তে আরো শক্ত করে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরছে, আর আমি সর্বশক্তি দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি; এরকম একটা স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙ্গে যায় প্রতিদিন। আমার ঘরটায় সূর্যের আলোও সরাসরি এসে পড়তে পারে না। দুই-তিনটা প্রতিফলন ঘটিয়ে আসতে হয়।
নিজেকে হাউজ অভ দ্য ডেড' গেমটার জম্বি নিধনকারী খেলোয়াড় মনে হয়। নাহলে ওগুলো এগিয়ে এসে আমাকেই নিধন করবে। মাউসের ওপর তড়িৎগতিতে নির্যাতন চালাতে থাকি। এক মূহুর্তের বিরামের লোভ না ছাড়তে পারলে, রয়েছে অতলস্পর্শী খাদে চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবার প্রবল হাতছানি।
এরমধ্যেই কয়েকটা সংখ্যা সারাক্ষণ পরিবর্তিত হচ্ছে। ১ ৩ ৫ হয়ে যাচ্ছে ২ ৪ ৭, ৫ ৫ ৪ হয়ে যাচ্ছে ৭ ৩ ২, ৯ ৩ ১ হয়ে যাচ্ছে ১০ ৪ ৫; চক্রটা চলছেই। আমি মাঝে মাঝে সংখ্যাগুলোর দিকে পিস্তল তাক করি। ওগুলো ভ্রুক্ষেপও করে না। কিভাবে কবে সংখ্যাগুলো চলা শুরু করেছিলো জানি না। কিন্তু সব কিছু শুরুর মূলে ছিলো ওগুলোই।
আমাদের পায়েচলা পথের পাশের নধর ডগাটিতে ফুটে থাকা ঘাসফুলের ভেতরকার হরটন'স্ ওয়ার্ল্ড থেকে নিয়ে বিগ ব্যংএর আগের সুপার এটম পর্যন্ত, সবকিছু শুরু হয়েছে সংখ্যাগুলো চলে ওঠার সাথে সাথে। এবং কেউ এক সেকেন্ডের জন্যও ওগুলোকে ধরে রাখতে পারি না। সীমাবদ্ধতাটা আবিস্কার করে আমি দু'হাতে নিষ্ফল মুঠো পাকিয়ে বসে থাকি।
জীবনে পরিচিত চায়ের দোকানের অপরিহার্যতা দেখা দিয়েছিলো ক্লাস এইটে ওঠার পর। কিছু কিছু বিষয়ের অপরিহার্যতা মানুষের জীবনে ধীরে ধীরে আসে। এসে যুগ যুগান্তের স্থায়িত্ব গড়ে তোলে। এবং সবচে' মজার বিষয় হচ্ছে, সেই আপাতদৃষ্টিতে মনে হওয়া অপরিহার্যতাও একসময় ফুরিয়ে আসে। মানুষের কাছে তার নিজের প্রাণটি ছাড়া আর কোনো সম্পদ নেই, যেটা আসলেই অপরিহার্য।
পৃথিবী থেকে একটা মানুষ হারিয়ে গেলে কতটুকু বেশ-কম হয় জানি না। দৈনিক জনতার সিনিয়র সাব-এডিটর সাংবাদিক ফরহাদ খান নিজের বাসায় নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। খবরটা মাথায় আঘাত করেছে। একই রকম অন্য খবরগুলোও মাথায় আঘাত করে। কিন্তু কয়েকদিন পর সেগুলো আমরা ভুলে যাই। যেমন, গুলশানের সাদেকুর রহমান ও রোমানা নার্গিস দম্পতি নিজের মেয়ের প্রেমিকের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ২৪ মার্চ ২০১০-এ। আজ সে হত্যাকান্ডের কি বিচার হলো, ভুলে গেছি সবাই। এরপরে এরকম ঘটনা আরো ঘটেছে। প্রত্যেকবার পুরোনোগুলোর কথা মনে পড়েছে কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয় নি। পৃথিবী থেকে একটা মানুষ হারিয়ে গেলে আসলেই কি কোনো বেশ-কম হয়?
অক্ষম আমি নিজের ভেতর ভীষণরকম তাড়িত হই। পৃথিবী বড় নিষ্ঠুর জায়গা। যেকোন সময় যেকোন কিছু ঘটে যেতে পারে। মানুষের জীবনের ধাঁচটাই ভীষণ রকমের ঠুনকো। প্রতিটা মূহুর্তে সাবধান থাকা উচিত। সাবধানতার মার নেই।
শহরে একটা ঘটনা ঘটছে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে সেনাবাহিনী রাস্তাঘাট ঠিক করছে। প্রতিদিন রাতে দেখি একেকটা রাস্তা বন্ধ করে কাজ করা হচ্ছে। গর্ত বুজে দেয়া হচ্ছে, ভঙ্গুর চেহারাটা ঢেকে দেয়া হচ্ছে। এমনকি যেখানে রাস্তার কার্পেট ঠিকই আছে, সেখানেও দেয়া হচ্ছে নতুন পালিশ।
এটার দরকার ছিলো। তবে কাজটা সরকারী কন্ট্রাক্টরদের মতো না হলেই হয়। সেনাবাহিনী দিয়ে রাস্তা ঠিক করানোর কারণে যদি দেখা যায় আসলেই রাস্তাগুলো টেকসই হয়েছে, তাহলে আমি সড়ক ও জনপথের রাস্তা মেরামতের টেন্ডারগুলো সব এরপর থেকে ওদেরকে দিয়ে দেয়ার সুপারিশ করতে চাই।
লেখা-লেখির অপচেষ্টা চালাই মূলত আনন্দের খোঁজে। ইদানীং আনন্দ বড় দুর্লভ এক বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে মানুষের বুদ্ধি আর ক্ষমতাবলে বাগানের প্রজাপতির মতো আনন্দে উড়ে বেড়ানোর কথা, তারা জড়িয়ে আছে হাজারো সমস্যার বেড়াজালে। তাই একেকজনকে আনন্দের খোঁজে একেকদিকে ফন্দি-ফিকির করতে হয়।
আমার মনে হয়; মানুষের ভেতরেই রয়েছে রূপকথার সেই ঘুমন্ত দৈত্য, যার প্রাণভোমরা লুকিয়ে আছে পানির নিচের সোনার কৌটায়। কোনো এক অচিনদেশের অচেনা রাজপুত্র যেদিন সেই ভ্রমরের প্রাণহরণ করতে পারবে, একমাত্র সেদিনই পৃথিবীর সব অনাচার বন্ধ হবে। সেদিন থেকে হয়তো আবার একটু স্বস্তিতে নিঃশ্বাস নেয়া যাবে এখানে।
---

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

উলটচন্ডাল's picture


প্রথম মন্তব্য আমার Big smile

উলটচন্ডাল's picture


খবরে পড়লাম মিসরে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়েছে - সব স্বৈরশাসকের মাঝে কী অদ্ভুত মিল!

ভাস্কর's picture


বাংলাদেশের আওয়ামি লীগ সেইটার বড় প্রমাণ...

মীর's picture


এরশাদ ক্ষমতা ছাড়ার পাঁচ মিনিট আগ পর্যন্তও বিটিভি'তে তার গুনবয়ান চলছিলো।

নীড় সন্ধানী's picture


মওদুদ জাতির উদ্দেশ্যে হেদায়েত করছিল ভাষনে.... মনে আছে Smile

নাজমুল হুদা's picture


আমার মন সম্ভবত বিক্ষিপ্ত, লেখাটাকে কেন যেন কিছুতেই একটা বা একক লেখা বলে মনে হচ্ছেনা । মীর কি দিয়ে শুরু করলেন আর কি ভাবে শেষ করলেন তা ঠাহর করে উঠতে পারছিনা । পরে আবার পড়ে দেখবো ।

জ্যোতি's picture


ওয়ান্স আপন আ টাইম, পারতাম।....আজকাল পারি না অনেককিছুই।
ভাবনাগুলো মীরের লেখায় দেখতে পাই। কয়েকদিন ব্লগে কম দেখছি । ব্যস্ত?

লীনা দিলরুবা's picture


আমরাতো এইভাবেই সবাই বেঁচে আছি, অনেক খবর নিয়ে, মাঝে মাঝে নিজেও খবর হয়ে।

মীর's picture


আপনাকে আরো একটা খবর দিই তাহলে; আস্তে আস্তে একটা কুণ্ডলী এগিয়ে আসছে। যার অমোঘ চৌম্বকীয় আকর্ষণকে চাইলেও অস্বীকার করতে পারি না। ভীষণ যন্ত্রণা হয়, কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। শুধু নিঃশব্দ জলকণাদের ছোটাছুটি গ্রাউন্ডে উত্তাপ ছড়ায়। আমি একা একা উঠে দাঁড়াতে পারি না, বসতেও না, হাঁটতে তো পারিই না। এমনকি হাতের উল্টোপিঠ দিয়ে যে ভেজা গালটা মুছে ফেলবো, তাও পারি না।
একদিন এক জনাকীর্ণ শেষ বেলায়, একজনের কপালের কোণে জমে আসা চিকমিক ঘামের বিন্দুগুলো মুছে দিয়েছিলাম। হাঁটার ক্লান্তিতে তুলতুলে গালে খানিকটা গোলাপী আভা ধরে এসেছিলো। হঠাৎ তাকে শূন্যে তুলে আলতো দু'টি পাক দিয়েছিলাম। সেই সময়কার হাসির শব্দটা, আজো কান পাতলে শুনতে পাই।

১০

জ্যোতি's picture


যার অমোঘ চৌম্বকীয় আকর্ষণকে চাইলেও অস্বীকার করতে পারি না। ভীষণ যন্ত্রণা হয়, কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। শুধু নিঃশব্দ জলকণাদের ছোটাছুটি গ্রাউন্ডে উত্তাপ ছড়ায়।

একদম ঠিক।মীর গ্রেট।

১১

লীনা দিলরুবা's picture


ভীষণ কঠিন কিন্তু আমি একটা প্রেমের গল্প লিখতে চাই Smile সাহস করে একদিন লিখে
ফেলবো। আমার নিজের গল্প লিখলেই সেই গল্প মহাকাব্য হয়ে যাবে, সাহসটা পাই তারপর এমন পাক খাওয়ার গল্প কয়েক দিস্তা ভরিয়ে লিখবো।

১২

জ্যোতি's picture


লেখেন। আপসুস। পাক খাওয়ার কুনু গল্প নাই জীবনে। Sad

১৩

মীর's picture


সাহস পাচ্ছি না বলে আমিও অনেক কিছু করতে পারছি না। ঐদিন রাস্তায় হঠাৎ করে দেখা পেলাম। ইচ্ছে হলো চলন্ত সাইকেল থেকেই লাফ দিয়ে নেমে দৌড়ে গিয়ে জড়ায় ধরি। মনে মনে যখনই কাজটা ঠিক হলো না বেঠিক, সে পরে ভাবা যাবে -বলে ঠিক করে ফেলেছি; তখনই দেখলাম কালোস্যূট পরা ঝা চকচকে এক ভদ্রলোক এসে সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন।

১৪

জ্যোতি's picture


এভাবে বলতে হয় না মীর। জীবনের অনেকটা এখনো বাকী।রঙ্গীন হোক সবকিছু।

১৫

মীর's picture


আমার লগে পেচ্ছাপেচ্ছি করে কিডায়? তার লিগা একটা ইমো আছে, Crazy

১৬

জ্যোতি's picture


আমি কি পেচ্ছাপেছি করলাম? Nail Biting আমি না। ডর দেখাইতে হয় না।

১৭

মীর's picture


একা একা মেহেরজান দেখে আসচে, আবার আমারে জিগায় আমি কি খোঁজ দ্য সার্চ দেখছি কি না...
আর শুনেন, এগুলা হৈল মুক্তগদ্য; বাস্তবের সঙ্গে যার কোনো সম্পর্ক নাই, বুঝছেন?

১৮

জ্যোতি's picture


যাহ বেটা!
আজকে আমারে সবাই ভুং চুং বুঝাইতেছে।আমি আর থাকপো না।
মীর, একা দেখি নাই মেহেরজান। দেখে যে কি বিপদে পড়ছি! এখনো টিকেটের টাকা ফেরত পাই নাই।
আরেক্টা কথা,রাসেল চকলেট খাওয়াইছে। আর আপনেরে আমরা মিসাইলেও তো আপনেরে আসতে বলার সুযোগ নাই।

১৯

লিজা's picture


লেখা-লেখির অপচেষ্টা চালাই মূলত আনন্দের খোঁজে। ইদানীং আনন্দ বড় দুর্লভ এক বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে মানুষের বুদ্ধি আর ক্ষমতাবলে বাগানের প্রজাপতির মতো আনন্দে উড়ে বেড়ানোর কথা, তারা জড়িয়ে আছে হাজারো সমস্যার বেড়াজালে। তাই একেকজনকে আনন্দের খোঁজে একেকদিকে ফন্দি-ফিকির করতে হয়।
আমার মনে হয়; মানুষের ভেতরেই রয়েছে রূপকথার সেই ঘুমন্ত দৈত্য, যার প্রাণভোমরা লুকিয়ে আছে পানির নিচের সোনার কৌটায়। কোনো এক অচিনদেশের অচেনা রাজপুত্র যেদিন সেই ভ্রমরের প্রাণহরণ করতে পারবে, একমাত্র সেদিনই পৃথিবীর সব অনাচার বন্ধ হবে। সেদিন থেকে হয়তো আবার একটু স্বস্তিতে নিঃশ্বাস নেয়া যাবে এখানে।
---

আনন্দ রে আনন্দ তুই কোথায় থাকিস বল? কার কবিতার লাইন মনে নেই , কিন্তু আমারো যে একই জিজ্ঞাসা !!

২০

নুশেরা's picture


চট্টগ্রামেও পেনিনসুলা হোটেল থেকে সাগরিকার স্টেডিয়ামে যাবার রাস্তাটা হঠাত করেই মসৃণ হয়ে গেছে

২১

মাহবুব সুমন's picture


পারফেক্তো ব্লগিং মাইট

২২

শওকত মাসুম's picture


লেখা-লেখির অপচেষ্টা চালাই মূলত আনন্দের খোঁজে।

আমি তো ব্লগে এইজন্যই আসি।

২৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


গতকাল অনেক রাত ধরে মিশরের মানুষের বিক্ষোভ দেখেছি। পুরা আমাদের এরশাদ কাকার দশার মত মনে হচ্ছে। তবে, আমার মনে হয় এটা কঠিন কাজ।

২৪

তানবীরা's picture


আমি আজকাল কিছু খুঁজি না। খুঁজে কিছু পাওয়া যায় না Sad(

সবার জন্যে

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!