ইউজার লগইন

প্রিয় প্লে-লিস্টের গভীর থেকে উঠে আসা একটি উপলব্ধি

আজকাল বা পরশু যদি সে এসে দাঁড়ায়
ছায়ার মতো আমার ছায়ায়
ছায়ারো ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্য মন...

গানটা মনে পড়ে গেলো যখন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সামনে দিয়ে পার্কে ঢুকছিলাম তখন। কানে হেডফোন গোঁজার জন্য খানিক যাত্রাবিরতি নিতে হলো। তারপর মনে হলো পার্কে ঢুকে কি লাভ? এমন না যে, নীলা ভেতরে কোথাও আমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। ও অনেকদিন আমার জন্য কোথাও গিয়ে বসে অপেক্ষা করে না।

একটা সময় দিনের বেশিরভাগ সময় সে লাইব্রেরীতে বা কমন রুমে বসে আমার জন্য অপেক্ষা করতো। সে সময়গুলোতে স্মার্টফোনও বাজারে নামে নি। ছিলো না ফ্রুট নিনজার মতো কোনো গেম। সে কিভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা আমার জন্য বসে থাকতো আমি বুঝতাম না। মাঝে মাঝে ওর কাছে জানতে চাইতাম, কিভাবে পারো তুমি? ও কিছু বলতো না এবং শুধু নিঃশব্দে হাসতো।

আমি এখন বুঝতে পারি, ও সেটা কিভাবে পারতো। কারণ ও ভালোবাসতো। ভালোবেসে ঘন্টার পর ঘন্টা কারো জন্য কোথাও বসে থাকা অসম্ভব না। বিশেষ করে ভালোবাসার প্রথম দিককার দিনগুলোতে তো একেবারেই না। যেকোন ভালবাসারই প্রথম দিককার দিনগুলো একেবারে ইউনিক। আমার অসাধারণ লাগে!

যখন ধোঁয়া মেঘে ঢাকা আমার মন
যখন ক্লান্ত ভেবে ভেবে সারাক্ষণ
তখন ধোঁয়া জাল ছিড়ে, চেনা সুখের ভীড়ে
নিয়ে আমায় যাবে বলো সে কোন...

নীলার কথা ভাবতে ভাবতে কখন পার্কে ঢুকেছি, কখন ওবায়েদ ভাইয়ের দোকানে গিয়ে বসেছি, কখন ওবায়েদ ভাই চা দিয়ে গেছে- কোনোকিছুই খেয়াল করি নি। টের পেলাম সিগারেটে শেষ টান দিয়ে যখন ঠোঁটে আলতো করে ছ্যাঁকা খেলাম তখন।

খানিকটা হাসি পেলো। যে চলে গেছে, তাকে নিয়ে এমন করে ভাবার স্বভাব আমার কখনোই ছিলো না। কিন্তু আজ কেমন যেন ভাবনায় পেয়েছে। নীলার অপেক্ষা শেষ হওয়ার পরের সময়গুলো আমাদের আসলেই দারুণ কাটতো! তখন আমরা শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে বেড়াতাম। নীলা, আমি আর মেলমিন। আমাদের কত সহস্র ঘন্টা যে কেটেছে ওই দ্বিচক্রযানটির পিঠে চড়ে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। আমাদের সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিলো সাইকেলে চেপে হারিয়ে যাওয়া। আমাদের একমাত্র প্রস্তুতি ছিলো রূপসী বাংলার উল্টোদিক বা চানখাঁর পুল মোড় থেকে ছয়-পাচশো' টাকার তেল ভরে নেয়া। আমাদের জীবনের একমাত্র চাওয়া ছিলো এই হারিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন কোনো জীবনের ঠিকানা খুঁজে পাওয়া।

অবশ্য এসবের কিছুই শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়ে উঠতে পারে নি।

যাও ছেড়ে চলে ভাবনা আমার
চাই না কাছে পেতে তোমাকে আর
কেন আসো ফিরে বারে বারে রাত গভীরে
না পারি যেতে স্বপ্নে ভেসে চলে দূরে...

একবার সাইকেলে চেপে গাজীপুর চলে গেলাম। হোতাপাড়া খুঁজে বের করলাম। খুঁজে বের করলাম রানডম ও নিরিবিলি ধরনের একটা খামারবাড়ি। সেই বাড়িটার সামনে বসার জন্য বাঁশের মাচা বাঁধা ছিলো। মাচায় বসে দুইজনে পা তুলে গল্প জুড়ে দিলাম। ওই বাড়িটার কেয়ারটেকার, যিনি একজন গুঁফে ভদ্রলোক, একবার এসে জানতে চেয়েছিলেন আমাদের পরিচয়। আমরা নিজেদের মানুষ বলে পরিচয় দিয়েছিলাম। নীলা তথ্য সংযোজন করেছিলো 'আমাদের মধ্যে মানুষের দুই প্রজাতিই বিদ্যমান' বলে। গুঁফে ভদ্রলোক হয়তো আমাদের পাগল ঠাউরেছিলেন। বেশি কথা বাড়ান নি। আমরা বেলা পর্যন্ত গল্প-গুজব করে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ওই মাচাটার ওপর ঘুমিয়ে পড়ি এবং যখন ঘুম থেকে উঠি তখন ঘড়িতে বাজছিলো রাত ৯টা।

দেখলাম গুঁফে চেয়ে আছেন আমাদের দিকে। সঙ্গে একজন মনিবমতো লোক। যিনি গুঁফের কাছে জানতে চাচ্ছিলেন, ওরা কারা। আমরাই উত্তর দিয়েছিলাম। ওই মনিবমতো লোকটিকে আমরা দু'জনে খুব ভালো করে চিনতাম। আমাদের আশৈশব বন্ধু সে লোকটিকে দেখে আমরা খানিকটা হতবিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম। আমরা জানতাম না ও খামারবাড়িটা তাঁর ছিলো।

সেই মনিবটিকে বেশি বিরক্ত করতে চাই নি বলে, তার আপত্তি সত্ত্বেও আমরা ওই রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলাম। মনিবমতো লোকটি পই পই করে বলে দিয়েছিলেন, 'মেইন রোড পর্যন্ত রাস্তায় কোনো সমস্যা নেই। সে নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। মেইন রোডে ওঠার পর সাবধানে যাবে এবং অবশ্যই কোনো অপরিচিত লোকের ডাকে সাড়া দেবে না।' আমরা সে নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলাম। নানা কারণেই সেই লোকটির প্রতি বোধহয় আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো আজীবন। নিজেদের সম্পর্কের প্রতি কৃতজ্ঞ না থাকলেও।

চিলেকোঠায় বসা বাদামী বেড়াল বোনে শুন্যে মায়াজাল
ছাইরঙা পেঁচা সেই চোখ টিপে বসে আছে কত না বছর-কাল
কালো দরজা খুলে বাইরে তুমি এলে, বাগানের কাছে হাসি ছড়াবে বুনোফুলে
সেই বাড়ির নেই ঠিকানা, শুধু অজানা লাল সুড়কির পথ শুন্যে দেয় পাড়ি...

আর একবার রাতে আমার নীলার সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছে করছিলো কিন্তু কোনো উপায় ছিলো না। আমরা একই শহরে থাকি কিন্তু আমাদের মধ্যে যোজন যোজন দুরত্ব। দুরত্ব তৈরি করে সবাই। ঘড়ির কাঁটায় ভর করে ছুটতে থাকা সময় নামের দৈত্যটা দুরত্ব তৈরি করে, যানজটে স্থবির হয়ে থাকা গাড়ির চাকাগুলো দুরত্ব তৈরি করে, সামাজিক নিয়ম নামক ঠাসবুননে বাঁধা অদৃশ্য বেড়াটা তো সবসময়ই দুরত্ব তৈরি করে, নীলার বাবা-মাএরাও প্রায়শই কোনো কারণ ছাড়া দুরত্ব তৈরি করেন; অথচ তারপরেও কেউ আমাদের সঙ্গে পেরে ওঠেন না। আমরা দেখা করি। আমি নিঝুম রাতে তিনতলার কার্ণিশ পর্যন্ত ১০ ইঞ্চি ডায়ামিটারের প্লাস্টিকের পাইপ বেয়ে বেয়ে উঠে যাই। আমার প্রাণে কোনো ভয়ডর থাকে না। মুখে কামড়ে ধরে থাকি একটা তরতাজা গোলাপ। যেটা মুহসীন হলে আমার রুমের মেটে রঙয়ের টবটাতে ফুটেছিলো। যেটাকে ফুটতে দেখে আমার নীলার সঙ্গে দেখা করার অদম্য ইচ্ছে তৈরি হয়েছিলো। তারপর কোনো বাধাকেই আর বাধা বলে মনে হয় নি। আমি ঠিকই আমার নীলার কাছে পৌঁছে গিয়েছিলাম। তখন রাত ৩টা বাজছিলো।

পরদিন ভোর থেকে আবার নীলার অপেক্ষার শুরু, আর আমার ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়া। প্রতিদিনের মতো তুমুল ঝগড়া-কথা কাটাকাটির মধ্য দিয়ে আরো একটি নতুন দিনের শুরু হওয়া। এভাবে আমাদের জীবনের সুন্দরতম সময়গুলো বেশ কেটে যাচ্ছিলো। আমরা পড়াশোনার পাশাপাশি একে অপরকে ভালোবাসতাম। আমরা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া করে সময় কাটাতাম। আমরা মারামারি করতে করতে রিকশায় করে প্রতিদিন বিকেলে নীলাদের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হতাম। মারামারি শেষ হলে আমি নীলার হাতটা শুধু শক্ত করে ধরে রাখতাম। আমার হাতের ভেতর যখন ওর হাতটা ধীরে ধীরে ঘেমে ভিজে উঠতো, তখন অযথাই এক অজানা আনন্দে বারবার শিউরে উঠতাম। এভাবে আমাদের বছরের পর বছর কেটে যাচ্ছিলো।

ও ঝরাপাতা ও ঝরাপতা
তোমার সাথে আমার রাত পোহানো কথা গো
তোমার সাথে আমার দিন কাটানো কথা...

হেমন্তের পর যেমন গাছের পাতা ঝরে যায়, তেমনি আমার সুখের দিনগুলো শেষে নীলাও ঝরে গেলো জীবন থেকে। কিভাবে ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা শেষ হয়ে গেলো সেটা আজকাল আমার আর বিশেষ মনে নেই। আমি একটা সময় ওকে নিয়ে ভয়াবহ রকম অবসেসড্ হয়ে পড়ি। সে সময় নীলা হয়তো আমার অবসেশন টের পেয়ে ভীত হয়ে থাকতে পারে। ও সবসময় বলতো, অবসেশন নাকি ভালো না। ওই একই সময়টাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করার পরের বেকারত্বও আমাকে গ্রাস করে ফেলে। আমি একটা বড়সড় ধরনের হতাশার লুপে আটকা পড়ে যাই। জীবনের সেই মেঘাচ্ছন্ন সময়টায় আমার আসলে নীলাকে অনেক বেশি দরকার ছিলো। আর সেই সময়টাতেই নীলা আমার পাশ থেকে হঠাৎ করে হারিয়ে গেলো!

এক সুখের ভ্রমণ শেষে ফিরে এসে টানা তিন দিন সে আমার সঙ্গে দেখা করলো না এবং ফোন ধরলো না। আমি ভেবেছিলাম, হয়তো ব্যস্ত আছে এবং সময় পেলেই সে দেখা করবে। আমার ভাবনার প্রহর সপ্তাহ ছেড়ে পক্ষ ছুঁয়ে ফেলে কিন্তু নীলার দিক থেকে কোনো সাড়া আসে না। আমি অভিমানে আক্রান্ত হই।

আমার অভিমান নীলাকে ছুঁতে পারে না। অসহায়ের মতো একদিন নীলাদের বাসায় গিয়ে হাজির হই। আমি জানতাম নীলার বাসায় আমার এনট্রান্স জুটবে না। আমাকে অবাক করে দিয়ে নীলার বাবাই ভেতরে নিয়ে বসিয়েছিলেন। আমার, নীলার, আমাদের সব খবরাখবর নিয়ে তারপর এক দীর্ঘ বক্তৃতায় তিনি বুঝিয়েছিলেন, কেন তিনি চান না নীলা আর আমার সঙ্গে মিশুক। তার বক্তৃতার মূল কথা বোধহয় ছিলো, আমার মতো অনিশ্চিত একটি জীবের হাতে তার ফুলের মতো ফুটফুটে মেয়েটি তুলে দিতে তিনি পারবেন না। আমি কথাগুলো শোনার সময় নীলার দিকে কয়েকবার চোখ তুলে তাকিয়েছিলাম। নীলা তখন ওই ড্রইংরুমটাতেই এক কোণায় দাঁড়িয়ে গভীর মনোযোগ সহকারে নিজের পাএর নখ পর্যবেক্ষণ করছিলো। সে একবারো মুখ তুলে তার বাবার কথার প্রতিবাদ করে নি। আমি তখন নীলার মৌনতাকে তার বাবার প্রতি সম্মতি হিসেবে ধরে নিয়ে বের হয়ে এসেছিলাম। ওটাই ছিলো নীলার সঙ্গে শেষবার দেখা হওয়া। এরপর আর কোনোদিন নীলার সঙ্গে আমার দেখা হয় নি।

বকুল ফুল বকুল ফুল
সোনা দিয়া
হাত কেন বান্ধাইলি...

গানটা গাচ্ছিলো তিতাস। গাইতে গাইতে আসছিলো ওবায়েদ ভাইয়ের দোকানের দিকে। আমি হঠাৎ ওর গলা শুনে প্রায় চমকেই উঠলাম। ততক্ষণে ওবায়েদ ভাই আর তিতাস খুব কাছাকাছি হয়ে গেছে। ওবায়েদ ভাইকে গলা নামিয়ে বলতে শুনলাম, 'ভাইয়ের কি জানি হইসে। সকাল থেকে আইসা বইসা আছে। খালি চা আর সিগারেট খাইতেসে।'

নীচু গলায় বললেও আমি কথাটা শুনে ফেললাম। আমি কথাটা শুনে এদিক-ওদিক তাকিয়ে হেসে দিলাম। সেই কখন এসে এখানে বসেছি। অন্তত ঘন্টা তিন-চারেক তো হবেই। এই পুরোটা সময় আমি নীলার চিন্তায় এত বিভোর হয়ে ছিলাম যে আশপাশের কিছুই টের পাই নি।

তিতাস পাশে বসলো এবং আমাদের মধ্যে স্বাভাবিক আলাপচারিতা শুরু হয়ে গেলো। আমার বুকের এক কোণায় চিনচিনে একটা ব্যথা কাজ করছিলো। সেটাকে বেশি পাত্তা দিচ্ছিলাম না। আমি খুব পছন্দের একটা গান শুনছিলাম। হেডফোনের একটা পিস তিতাসকেও দিলাম। আমি বুঝতে পারছিলাম, মানুষের স্বাভাবিক জীবন আসলে কারো জন্যই থেমে থাকে না।

দূরে থাকা মেঘ তুই দূরে দূরে থাক
যতটুকু পারা যায় সামলিয়ে রাখ
মন মন মন সে তো পাল ছেঁড়া দড়ি
যতদূরই যাক সে সবটুকু তোরই...

---

লেখার ভেতরের চার লাইনগুলো মহীনের ঘোড়াগুলি ও জলের গানের কাছ থেকে ধার নেয়া। ধার-কর্জ অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। কখনো শোধ দিতে পারবো কিনা জানি না। আপাতত শুধুই ভালোবাসা দেয়ার সামর্থ্য রাখি। তাই দিলাম প্রিয় দু'টি ব্যান্ড দলকে।

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

টুটুল's picture


হ্যালো স্যার
আছেন কিরাম? ম্যালাদেন বাদে Smile

মীর's picture


আছি ভ্লো। আপনি কিরামাছুইন? ব্লগে নিয়মিত দেখি না কেন?

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ফটোগফুররা সবাই ভাব ধরতেছে আজকাল!ব্লগে আসার টাইম পায় না। তার ওপর ইনি তেকলা বইসা বইসা খালি আইসকিম খায়!

মীর's picture


আমি সেইদিন দুই ফটোগ্রাফারকে দেখেছি ছবির হাটে একটা টং দোকানের উপর উঠে (বেঞ্চে না কিন্তু, ডাইরেক্ট দোকানের উপরেই!!!) বসে বসে গল্প করতেছিলো। রাশু ভাই আর হারা ভাই।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


তেনারা কারা?
চিনলাম না তো!

টুটুল's picture


রায়েহাত শুভ আর হাসান রায়হান ভাই Smile

টুটুল's picture


আইসক্রিম খাওন ভালু না Smile

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


গুল্লি মাইর

টুটুল's picture


আরে ঠান্ডালাকপে তো Wink

১০

মীর's picture


আমার কখনো আইসক্রীম খেয়ে ঠান্ডা লাগে নি। সাধারণত বেশি গরম পড়লে আমার ঠান্ডা লাগে। উল্টা সিস্টেম!

১১

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


লেখার সাথে গানের লাইন গুলা চমত্‍কার মানাইছে,
লেখা ভালো হইছে। এজ অলওয়েজ।

১২

মীর's picture


কমেন্টও দূর্দান্ত হইসে। অ্যাজ য়্যুঝুআল।

১৩

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


www.amrabondhu.com/barna/6471

লেখাটা একটু পইড়া নিয়েন।
আপনার ফিরে আসার অপেক্ষার নিবেদন!

১৪

মীর's picture


লেখাটি পড়েছি। ভালো লেগেছে অনেক। অশেষ কৃতজ্ঞতা ভাইজান।

১৫

টুটুল's picture


পুরাই বাফড়া'র ওয়ার্ড মার্লেন Wink

১৬

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


Tongue Big smile

১৭

মীর's picture


Big smile Big smile

বাফড়া বস্ তো অলওয়েঝ বস্।

১৮

মীর's picture


Big smile Big smile

বাফড়া বস্ তো অলওয়েঝ বস্।

১৯

এ টি এম কাদের's picture


আমাদেরও অভিমান হয়েছিলো ! তো কেটে গেছে ! আপনি যে এসে গেছেন ! ভাল থাকুন এবং লিখুন নীলা না থাকলে আর কেউ থাকুক ! ধন্যবাদ!

২০

মীর's picture


আচ্ছা কাদের ভাই, নীলা না থাকলে অন্য কেউ থাকবে।

কিন্তু আপনি লেখালেখি ছেড়ে দিলেন কেন সেটা তো বুঝলাম না?

২১

আরাফাত শান্ত's picture


ঘুম থেকে উঠেই দারুন এক লেখা পড়লাম!
হ্যাটস অফ টু ইউ Glasses

২২

মীর's picture


হ্যাটস অফ টু য়ু ব্রাদার। ঘুম থেকে উঠে ব্লগ পড়ার জন্য যে আগ্রহ আর ভালবাসা ব্লগের প্রতি দরকার, তা ধারণ করার জন্য Smile

২৩

আহসান হাবীব's picture


আমি আপনার লেখা আগে পড়েছি কি না মনে পড়ে না। তবে আপনি যে নতুন পাগল না তা সবার কমেন্ট থেকেই বুঝলাম। আপনি আজ আমার অনেক ক্ষতি করলেন। লেখাটা পড়লাম দুবার। অনেক ভাল লাগার কারনেই। আমার একটা লেখার সময়টা তাতে গেল। তবে আফসোস নেই। আপনাকে পেয়ে। গানগুলো জায়গা মত সেটেছে।

নীলা নাই তয় অইছে ডা কি? যার এত সুন্দর নেকার হাত। কত নীলা আইতাইন যাইতাইন। যাওগ্যা এইডা লইয়া ভাবতাইন না। মা ছালাম। বালা থাকবেন।

২৪

মীর's picture



কত নীলা আইতাইন যাইতাইন

কোনো নীলাই এরপর আর আসে নাই Crying

যাই হোক, সদয় মন্তব্যের জন্য ধইন্যা পাতা আহসান ভাই। ভালো থাকেন, সুস্থ থাকনে, দুশ্চিন্তামুক্ত থাকেন।

২৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


চমতকার লাগল লেখাটা। গানের লাইন গগুলি আগে ঠিক করা নাকি কাহিনী আগে। মিলটা দারুন। ভোরের ঘুম ভাল হবে নিশ্চিত।

২৬

মীর's picture


গানগুলো শুনতে শুনতে এইটা লেখা। চিন্তারাজি ও গানের কলিরা নিজেরাই নিজেদের মিলিয়ে নিয়েছে। যাই হোক, আপনাকে একটি ছড়া নিবেদন করা হচ্ছে এখন-

রুনা আপু রুনা আপু রুনা আপু
পড়ি না'পনার লেখা বহুদিন
এই বেলা করজোড়ে নিবেদন
একখানা চকচকে লেখা দিন।

২৭

রাসেল আশরাফ's picture


যখনই ভাবি কিছু হাবিজাবি লিখবো ব্লগে তখনই এই সব লেখা হাজির করে লোকজন। শরমে কুকড়িমুকড়ি হয়ে যাই। আর লেখা হয়ে উঠে না। এই দোষ আমার না সব এই সব লেখকের।
লেখাটা পড়ে কেমন জানি উদাস উদাস লাগতেছে Sad

২৮

মীর's picture


রাসেল ভাই, যা একটা লজ্জা দিলেন। ভুলবো না।

যাই হোক অঢেল শুভেচ্ছা আপনার জন্য। ভালো থাকেন, আরামে থাকেন, সুস্থ থাকেন।

২৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


অফলাইনে লেখাটা পড়ে কেমন জানি উদাস উদাস লাগতেছে...
থাকতে পাললাম না, লগ-ইন করলাম।
আপনাকে দেখি কনক-রাহুলদের গানের কথা বলতে,
শাহবাগ, রমনা, আজিজ, ছবির হাটে হাঁটতে-
আমার প্রিয় জিনিস আর জায়গাগুলো ছুঁয়ে যান অপনি।
খুব কাছের , আবার অধরা...
টের পাই আপনার অস্সিত্ব, আবার পাই না...
পাগলামী স্বভাবটা রয়েই গেল আপনার। যা আমার নিজের বলেই
জানতাম। পারেনও আপনি।
আমার কিসস্যু বলার নেই...

৩০

মীর's picture


আমারো কিছু বলার নেই। গান গাই বরং---

গভীর রোদে পোড়া পিঠ
আগুনের কুন্ডে সেঁকা হাত
শিশির ছোঁয়া পাবে হাসি
অন্ধকারে কেটে যাবে রাত,
ভালোবাসা তারপরে দিতে পারে গত বর্ষার সুবাস
বহুদিন আগে তারাদের আলো শুন্য আঁধার আকাশ...

৩১

সাঈদ's picture


মীরের লেখা - তোফা ।

৩২

মীর's picture


সাঈদ ভাইয়ের কমেন্ট- অমূল্য উপহার।

৩৩

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


তিনদিন পর আজকে ব্লগে ঢুকার সুযোগ পেলাম। যাক, মীরকে শেষ পর্যন্ত নিয়মিত পাচ্ছি। এটা একটা ভাল খবর, ঘুমন্ত ব্লগটা আবার প্রাণ ফিরে পাক....
লেখা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই.. মীর স্পেশাল! Laughing out loud

৩৪

মীর's picture


অসংখ্য ধন্যবাদ নিভৃতদা'। আপনি একটা গল্প লিখুন। অনেকদিন আপনার গল্প পড়ি না।

৩৫

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


মাঝখানে বেশ কিছু গল্প দেয়া হয়েছে, এখন মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী বন্ধুদের অবদান নিয়ে একটা সিরিজ লিখছি। আট পর্ব দেয়া হয়েছে, সামনে আরও কিছু পর্ব আসবে.. Smile

৩৬

মীর's picture


দেখেছি, দেখছি এবং ভবিষ্যতের গুলোও দেখার ইচ্ছে রাখি। দুর্দান্ত একটা কাজ হচ্ছে নিভৃতদা', আগেই বলেছি Smile

ভালো থাকুন, শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৩৭

আরাফাত শান্ত's picture


নতুন লেখা কই?

৩৮

মীর's picture


নতুন লেখা গুদামঘরে।

৩৯

জেবীন's picture


অনেকদিন পর সেই চেনা মীর, তার দ্বিচক্রযান সাথে একজনা আর নানান খানে ঘুরেবেড়ানো, ঝুপ করে আনা অবশ্যম্ভাবী বেদনা আর তাকে ঘেরা বিষাদ - আহ, সব সেই চেনা, তাও কি কুড়কুড়ে লাগে, মনে লাগে।

থ্যাঙ্কস মীর আগের মতোন ফিরে আসার জন্যে, ডুব দিয়েছিলেন কই সবার অন্তরালে?

৪০

মীর's picture


ডুব দিয়েছিলাম দখিনা নিঝুম বন্দরে। আপনে কেমন আছে প্রিয় জেবীন আপু?

৪১

মীর's picture


#আছে = আছেন

৪২

জেবীন's picture


আল্লাহ ভালোই রাখছেন Smile

আর আপ্নের কত্তো ভালো খবর জানলাম সেদিন! আরে, কোন পোষ্টে আপ্নে বিয়ে নিয়ে বয়ান করছিলেন কন তো? আমি কেম্নে মিস করলাম!! Stare

৪৩

রায়েহাত শুভ's picture


মীর, আপনি একটা খ্রাপ। ১৩৫% খ্রাপ... ৩৮৭% খ্রাপ... দুরে থেকে আমাদের দেখেন, কাছে আসেন না। হয়ত আমাদের কাছের মানুষ ভাবেন না তাইই কাছে আসেন না... Sad

৪৪

মীর's picture


আসলে এ ধারণাটা ঠিক না শুভ ভাই। আমি আপনাদেরকে খুবই আপন মানুষ মনে করি। কাছে যেতে সাহস পাই না তাই যাই না। সাহস সঞ্চয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। অচিরেই হয়তো কাছে চলে যাবো।

৪৫

শওকত মাসুম's picture


এতোদিন কইছিলেন মিয়া? আপনাকে দেখতে ভাল লাগছে। আর লেখাটাও দারুণ

৪৬

মীর's picture


হেহে বস্, ছিলাম কাছেপিঠেই, ঝিমাচ্ছিলাম। আছেন কেমন মাসুম ভাই?

৪৭

জ্যোতি's picture


কারো কারো কাছে সবদিনই ভালোবাসার সেই প্রথম দিনের মতই থাকে ।
হঠাৎ করে উধাও হয়ে যান কোথায় ?

৪৮

মীর's picture


সেই কেউ কেউদের একজন কি আপনে নাকি জয়িতা'পু? Tongue

৪৯

তানবীরা's picture


গানের জন্যে লেখা না লেখার জন্যে গান ............ কে কার অলংকার Big smile

৫০

দূরতম গর্জন's picture


জলের গানের গান গুলো নাগরিক লোক সঙ্গিত মনে হয়। কথাগুলো কেমন যেনো সেইসব সোঁদা ভালোবাসার কথা বলে

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!