ইউজার লগইন

আর সবকিছু ডুবে আছে আগ্রহহীনতায়

১.
পার্কে একটা কুকুর বাচ্চা দিয়েছে। ছোট ছোট বাচ্চাগুলো রাস্তার ওপর শুয়ে থাকে। খুব মায়াজড়ানো দৃশ্য। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায়। একটা পরিবার বাচ্চাগুলোর দেখাশোনা করে। তাদের অবশ্য নিজেদের দেখাশোনা করারই সামর্থ্য নেই। ওই পরিবারেও কয়েকটা শিশু আছে। তারা রাস্তার পাশেই পেতে রাখা ছোট ছোট চাটাইয়ে শুয়ে থাকে। মাঝে মাঝে কুকুরের বাচ্চাগুলোকে কোলে নিয়ে বসে থাকে। কুকুরগুলোর গায়েও কোনো কাপড় নেই, বাচ্চাগুলোর গায়েও কোনো কাপড় নেই। কুকুরগুলোর লোম আছে, বাচ্চাগুলোর তাও নেই। মানুষ এখান থেকে হয়তো কুকুরগুলোকে বড় করার জন্য নিয়ে যাবে কিন্তু পরিবারটাকে সচল রাখার কাজে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসবে না। বরং পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি রুটি-রুজি জোগাড়ে বের হয়ে নানা উপায়ে মানুষেরই প্রতারণার শিকার হবে। আমার কুকুরের পরিবারের প্রতি যেমন মায়া লাগে, মানুষের পরিবারটির প্রতিও ঠিক তেমনি মায়া লাগে। কুকুর আর মানুষকে এক পর্যায়ে দেখে নিজের প্রতিও খানিকটা মায়া হয়।

এই ফাঁকে রাজধানীটা একটা যন্ত্রণার বাক্স হয়ে উঠেছে। আমরা সে বাক্সে বন্দি হয়ে পড়েছি। রাজধানী প্রতিনিয়ত যন্ত্রণা দিয়ে যায়। আমরা তাই নিয়ে দিন পার করি। আর প্রতিদিন নিজের অস্তিত্বটির প্রতি আমাদের মায়া একটু একটু করে বাড়তে থাকে। অস্তিত্বকে আমরা এক ঘনফুট পরিশুদ্ধ বাতাস দিতে পারি না। কারণ বাতাসের কণায় মিশে থাকে ক্ষতিকর সীসা। অস্তিত্বকে যত্ন দিতে পারি না কারণ বাক্সের ওপর কেউ এসে ঢেলে রেখে গেছে এক গামলা ফরমালিন। সেই ফরমালিনগুলো চু্ইয়ে চুইয়ে পড়ছে বাক্সের সর্বত্র। অস্তিত্বকে শান্তি দিতে পারি না কারণ বাক্সের বাতাসে ভেসে বেড়ায় বিরোধীতার বীজ। আমরা নিঃশ্বাসের সঙ্গে সে বীজ শরীরে নিই। তারপর পরিবারে, রাস্তায়, পাবলিক বাসে, অফিসে, চায়ের দোকানে ও সবখানে সেই বীজ থেকে নির্গত নির্যাস ছড়াতে থাকি। অস্তিত্বকে এমনকি দু'দণ্ডের বিশ্রামও দিতে পারি না কারণ সে সুযোগে অন্য কেউ আমার জায়গাটি নিয়ে নেবে। ভয় ঢুকে গেছে রক্তের অনুচক্রিকা পর্যন্ত। বাক্সটা আমাদের ভিতু করে তুলেছে ভীষণভাবে।

আর ধীরে ধীরে আমরা এগোতে থাকি এক্সিকিউশনের পথে। বাক্সে আমার কাজ ফুরোলেই ছাঁটাই হয়ে যাবো। ব্যস্ শেষ। সৌভাগ্যবান নই কেউ-ই প্রায়, যে বাক্স থেকে ছিটকে বেরিয়ে অন্য কোথায় চলে যাবে। প্রায় সবাইকে সত্যি সত্যি ছাঁটাই'ই আসলে হতে হবে। তাই সবাই আমরা বাক্সটাই ভালোবাসি। যত কষ্টই হয় হোক, তবু এই বাক্সেই ফিরে আসি।

মাঝে মাঝে স্বপ্ন দেখি বাক্স থেকে বের হবার। রাতে ভেজা নিঃশ্চুপ রাজপথে, লাল-সবুজ আর হলুদ সিগন্যাল বাতির প্রতিফলনে আতশবাজি ফুটতে দেখে, আশাবাদী হই। সারাদিনের বাসি বাতাস শরীরে মাখি আর পরদিন যেনো বৃষ্টি হয় সে প্রার্থনা অজানা কারো উদ্দেশ্যে করতে থাকি। বৃষ্টির দিনেও করি। রোদের দিনেও করি।

আর পরের দিন প্রখর রোদে পিঠ পোড়াতে পোড়াতে রাজপথে ছুটতেও আমার খুব একটা খারাপ লাগে না। সে সময় ভাবনার রাজ্যের লুকোনো দরজাগুলো খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। তেমনি এক পিঠ পোড়ানো দুপুরে ভেবেছিলাম, একটা মানুষ গড়ার কারখানা খুলবো। সেখানে প্রকৃত মানুষ গড়া হবে। ছোট ছোট ক্ষুদে মানুষদের হাতে বই তুলে দেয়া হবে, রংতুলি তুলে দেয়া হবে, খাতা-কলম তুলে দেয়া হবে, ভিডিও গেম তুলে দেয়া হবে- যার যা লাগবে তাই তুলে দেয়া হবে। সেখানে পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার জন্য কাউকে পড়তে পড়তে পাগল হতে হবে না। কাউকে ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদতে হবে না। সেখানে কারো মধ্যে হিংসা থাকবে না, বিদ্বেষ থাকবে না, ক্ষুদ্রতা থাকবে না, নিরানন্দ থাকবে না- কোনো খারাপ কিছুই থাকতে পারবে না। ক্ষুদেদেরকে দেখা হবে একেকটা ফুলের কুঁড়ি হিসেবে। সেখানে কোনো পড়ার চাপ থাকবে না কিন্তু সেখানে কেউ পড়ার জন্য কারো আদেশের অপেক্ষা করবে না। তাদের হাতের মুঠোয় পুরো পৃথিবীর একটা মিনিয়েচার তুলে দেয়া হবে। তাদের চোখের সামনে পুরো পৃথিবীটা খুলে দেয়া হবে। তারা নিজেদেরকে নিজেদের মতো করে বড় করে তুলবে। কিভাবে নিজেদেরকে বড় করতে হবে, সে সিদ্ধান্ত তারা নেবে। তাদের কার কোনদিকে ঝোঁক ও মেধা আছে, সেটা গবেষণা করে বের করা হবে। তাদের কেউ প্রকৌশলী, কেউ বৈমানিক, কেউ কবি, কেউ ছড়াকার, কেউ রাজনীতিক, কেউ ঐতিহাসিক, কেউ শিক্ষক, কেউ শিল্পী, কেউ গিটারিস্ট, কেউ আমলা হবে। যে কিছু হতে চাইবে না সে মানুষ গড়ার কারখানার কারিগর হবে। কারখানাটায় পার্কের ওই পরিবারটির কনিষ্ঠ সদস্যদের, প্রিয়প্রাঙ্গন-ইস্টার্ন প্যানারোমা বা ডম-ইনো ভিনটেজের অণুপরিবারের কনিষ্ঠ সদস্যদের, এজিবি কলোনী, টিএন্ডটি কলোনী, ওয়াপদা কলোনী বা অন্য যেসব কলোনী আছে সেসব কলোনীর কনিষ্ঠ সদস্যদের কিংবা শহরের তাবত কনিষ্ঠ সদস্যদের নতুন পৃথিবীর যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তখন আমার পার্কের কোনো অচেনা কুকুরের ছোট ছোট বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে থেকে আনন্দ হবে। হয়তো কোলে নিয়ে খানিকটা সময় ওদের সদ্যফোঁটা চোখের দিকে তাকিয়ে থাকারও ইচ্ছে হবে। তার আগে ওদের প্রতি মায়ার নামে আদিখ্যেতা দেখানো পোষাবে না। তাই সামনের দিকে পা বাড়ালাম।

২.

ভুল হয়ে গেলো কি? আমি তো সামনে পা বাড়াই নি। ক্লাচ ছেড়ে এক্সিলারেটর টেনেছি। কপ্টার নিজে নিজে সামনের দিকে এগিয়েছে। বাচ্চাগুলোকে পেছনে ফেলে রেখে উবায়েদ ভাইয়ের দোকানে গিয়ে বসলাম। কড়া গুড়, ঠিকমতো গুলে নি, সঙ্গে কনডেন্সড মিল্ক; চা'য়ের নামে উবায়েদ ভাই যেটা সামনে রেখে গেলো সেটাকে আসলে চা না বলে এক ধরনের জলজ মিষ্টান্ন বলা যেতে পারে। এ ধরনের চা খেতে ভালো লাগে ফেন্সিডিল সেবনের পর। অন্যসময় এ ধরনের চা খেলে মাথা ধরে। পেট গুলায়। গুড়ের গা থেকে ভেসে আসা গন্ধ নাকে ঢুকলে বমিও হতে পারে। আমি নির্বিকার চিত্তে সেই চা'য়ে চুমুক দিই। বিড়ি ধরাই এবং আশপাশের মানুষের গতি-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকি।

শাড়ি পড়ে খুব চিকন একটা আত্মবিশ্বাসী মেয়ে মাথা নিচু করে হেঁটে যাচ্ছিলো। ঠিকমতো পড়তে না পারলে লম্বা আর চিকন শরীরে শাড়িটা সাধারণত মানায় না। ওই মেয়েটি ঠিকমতো শাড়ি পড়তে পেরেছিলো যে কারণে তার উপস্থিতিতে কোথাও অসামঞ্জস্য ছিলো না। চলাফেরায় ছিলো না কোনো অস্বস্তিবোধের নিদর্শন। আপনমনে মেয়েটি হেঁটে যাচ্ছিলো। আশপাশের খেয়াল করার দরকার মনে করছিলো না। আর দশটা অল্প বয়সী শখের শাড়ি পড়ুয়াদের মতো বারবার ব্লাউজের পেছনে হাত ঢুকিয়ে সেটাকে নিচের দিকে আর কোমরে পেচানো শাড়ির আচলটাকে উপরের দিকে টানছিলো না। পিঠের অনেকখানি অনাবৃত অংশের দিকে মেয়েটির আসলে যথাযথই কোনো খেয়াল ছিলো না। ওর শাড়ির পাড় একবারের জন্যও স্যান্ডেলের নিচে চলে যাচ্ছিলো না আবার শাড়ির কারণে স্যান্ডেলটাকেও কোনোবারই পুরোপুরি দেখা যাচ্ছিলো না। হাঁটতে হাঁটতে এক সময় মেয়েটি আমার ঠিক এক হাত সামনে দিয়েই পার হয়ে গেলো। আমি দমবন্ধ করা অনুভূতি নিয়ে ওর পেটের মসৃণ চামড়াকে আমার চোখের সামনে দিয়ে পার হয়ে যেতে দেখলাম। চামড়ার ওপর জেগে থাকা প্রায় অদৃশ্য রোমগুলো হঠাৎ যেন কোনো কারণ ছাড়াই খানিকটা উদ্বেলিত হলো। কাশবনের উপর দিয়ে বাতাস বয়ে গেলে যেমন ঢেউ খেলে, তেমনি একটা ঢেউ উঠলো।

দৃশ্যটা না দেখলেও কিছু আসতো কিংবা যেতো না, দেখেও খুব বেশি কিছু হলো না। তবে একটা ঘটনা যেহেতু ঘটে গেলো তাই এরপর আমি আর উবায়েদ ভাইয়ের দোকানে বসলাম না। নিজের ডেরায় ফিরে এলাম।

সেটা একটা পরিত্যক্ত গ্যারেজ। কিছু নারকেলের ছোবড়া ইতস্তত ছড়ানো-ছিটানো। আছে দুনিয়ার সব ধরনের ময়লার নমুনাও। গাঁজায় দম দিয়ে ভুত হয়ে বসে থাকা কয়েকজন নিনজা অ্যাসাসিন হৈ হৈ করে ছুটে এলো। ওদেরকে আমার মোবাইল ফোনটা দিলাম। ওরা আমাকে চরের দুর্গম অঞ্চল থেকে আনা জমাটবাঁধা কলিসমৃদ্ধ দেশাল দিলো। পর্যাপ্ত পরিমাণে।

খুব বেশি বাছাবাছির কিছু ছিলো না। মোহনগঞ্জ থেকে আনা হয়েছে তামাকপাতা। গাঢ় বাদামী তার রং। প্রায় আড়াই মিলিমিটার পুরু। হাতে নিলেই পাতার ধক টের পাওয়া যায়। নাকের কাছে নিতে হয় না। এ ধরনের পাতা দেড় প্যাচের বেশি দেয়া অনুচিত। আমি দিলামও না। লোহার তৈরি কাটনী ছিলো, কাঠের ছোট তক্তি ছিলো, চিনেমাটির কল্কি ছিলো, ইতস্তত ছোবড়া ছিলো। অতি দ্রুত আমার বাঁশি প্রস্তুত হয়ে গেলো। ধরিয়ে ডানপাশ দিয়ে ঘুরিয়ে দিলাম। ধোঁয়ার মেঘে আমাদের পরিত্যক্ত গ্যারেজটা ভরে গেলো এবং অল্প সময়ের মধ্যে আমিও ওই নিনজাদের মতোই টুপভুজঙ্গ হয়ে বসে গেলাম। নিউরণে ঘুরতে থাকলো বিভিন্ন গানের সুর। কোনটাকেই বের করে আনা যাচ্ছিলো না। তাই পিঙ্ক ফ্লয়েডের কাছে আশ্রয় খুঁজতে হলো। মোবাইলের স্পিকার হয়ে আমার কানে এসে প্রবেশ করছিলো- সো য়ু থিঙ্ক য়ু ক্যান টেল…।

আসলেই কি বলা সম্ভব সব কথা? কথায় কি প্রকাশ করা সম্ভব সব অনুভূতি?

গানটা শোনার সময় আমি পার্কের শাড়িপড়া মেয়েটি আর সিড ব্যারেটের কথা একই সঙ্গে ভাবছিলাম। একসঙ্গে দু’টো কাজ সাধারনত সঠিকভাবে করা সহজ না। তাই একসময় আবিস্কার করলাম, আমি পরিত্যক্ত গ্যারেজ ছেড়ে রাতের কোনো এক পর্যায়ে আমার ৮ বাই ৮ ফুটের খোপে এসে প্রবেশ করেছি। মাঝখানে আর কোনো কাজ না করেই।

পেটে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিলো ক্ষুধা। শরীরে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিলো আলস্য। মনে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিলো বৈকল্য। মস্তিষ্কে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিলো শূন্যতা।

আমি তার মাঝেই হাত আর পা গুলো যে যতদূরে যায় তাকে ততদূরে পাঠিয়ে বিছানায় শরীর ছেড়ে দিলাম। শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম, প্রচুর পরিমাণ পেয়াজ আর কাঁচামরিচ কেটে কড়াইয়ে সরিষার তেলে ভাজছি। কেন যে ভাজছি জানি না। ভাবতে ভাবতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়লাম। আঙুলের ফাঁক গলে বের হয়ে গেলো আধখাওয়া সিগারেট।

৩.

স্বপ্নে দেখলাম, একজন বন্ধু লিখেছেন, আই উইশ আই ওয়াজ ইনভিজিবল!

পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। সবার মনের আশা একই রকম থাকে কেন? আমার তো সেই কবে থেকে ইচ্ছে করে অদৃশ্য হয়ে যেতে। ইচ্ছেগুলো পূরণ হয় না। শুধু বিভিন্ন রকম ফর্ম পূরণ হয়, বছরজুড়ে।

আমার মনে হচ্ছিলো, দেউলিয়াত্ব ক্রমে খুবলে খাচ্ছে শরীর। মনটাকে সে খেয়েছে প্রক্রিয়াটির শুরুর দিনে। আর মগজ খেয়েছে অনেক আগে। স্পাইডার ম্যান থ্রি সিনেমার বালুমানবকেই মনে পড়ে শুধু আজকাল।

আরও মনে হচ্ছিলো, চলছে জীবন নিজের গতিতে। আশপাশে ঘটে যাচ্ছে ছোট-বড় অসংখ্য ঘটনা। একটা আড়াই বছরের বাচ্চা তিনতলা থেকে পড়ে যাবার সময় তাকে ধরে ফেলেছে কয়েকজন কারখানা শ্রমিক। ইন্দোনেশিয়ায় বন পুড়ানোর কারণে সিঙ্গাপুরের বাতাসে কার্বনের মাত্রা বেড়ে গেছে। জীবন বাজি রেখে যে শ্রমিক পৃথিবীর বড় বড় ইমারতগুলো নির্মাণ করেছে, সে কোনোদিনও পায় নি ওই ইমারতে বসবাসের আস্বাদ। অথচ তারপরও প্রতিটি মানুষের কাছে তার জীবনই মুখ্য। নিজের জীবনটাকে পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসে এমন মানুষের সংখ্যা কি কখনো গুণে শেষ করা যাবে?

৪.

পামগাছেরা পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশে জন্মায়, অ্যান্টার্কটিকা বাদে। আর আপেলের ২৫ শতাংশ বাতাস বলেই ওগুলো পানিতে ভাসে। আমি কাঁচা আনারস হাতে নিয়ে বসে থাকি কারণ ওগুলো বিষাক্ত। একসময় আনারস নাকি খুব বিরলপ্রজ ফল ছিলো তাই ওটিকে ফলের রাজা বলা হয়। এইসব পড়ি আর মোবাইলে ফল কাটি। এই একটা কাজেই এখন আমি শুধু আগ্রহ পাই। আর সবকিছু ডুবে আছে আগ্রহহীনতায়।

---

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাঈদ's picture


টিপ সই

হাহাকার কইরা উঠলো ভিতরে

আরাফাত শান্ত's picture


অদ্ভুত বিষণ্ণ একটা লেখা।
দোয়া করি আবার সব কিছুতে আগ্রহ পান, মন ভাল থাকুক!

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


কি অদ্ভুত বিষন্ন লেখা..

তানবীরা's picture


মোবাইলে ফল কাটি। এই একটা কাজেই এখন আমি শুধু আগ্রহ পাই। আর সবকিছু ডুবে আছে আগ্রহহীনতায়।

বিয়ে করে ফেলো, সংসারের ক্যাড়াব্যাড়ায় ফল কাটার টাইম পাবা না Smile

টুটুল's picture


আর সবকিছু ডুবে আছে আগ্রহহীনতায়

Sad

সামছা আকিদা জাহান's picture


এমন লেখা সবসময়ই খুব ভাল খুব সহনাভূতি পায় কিন্ত আমার ভাল লাগে না কষ্ট হয়। সারাদিন এটাই মাথায় ঘুরঘুর করবে। মনে হয় কত কষ্টে আছ রে ভাই। আসলে ব্লগ সবাই কে খুব কাছের মানুষ করে দেয়।

জ্যোতি's picture


মাঝে মাঝে স্বপ্ন দেখি বাক্স থেকে বের হবার। রাতে ভেজা নিঃশ্চুপ রাজপথে, লাল-সবুজ আর হলুদ সিগন্যাল বাতির প্রতিফলনে আতশবাজি ফুটতে দেখে, আশাবাদী হই। সারাদিনের বাসি বাতাস শরীরে মাখি আর পরদিন যেনো বৃষ্টি হয় সে প্রার্থনা অজানা কারো উদ্দেশ্যে করতে থাকি। বৃষ্টির দিনেও করি। রোদের দিনেও করি।

ঘুরেফিরে এই কথাগুলি খুব ঠিক।
কেন যেন সবকিছুতেই আগ্রহহীনতা। আবার যদি কয়েক বছর আগে ফিরে যাওয়া যেত! যদি ওই সময়টাই শুধু থাকতো জীবন জুড়ে!!!

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


অদ্ভুত বিষণ্ণতায় ভরা একটি লেখা। এমন লেখা মন খারাপ করে দেয়। Sad Sad Sad

নাজনীন খলিল's picture


মাঝে মাঝে এইরকম সর্বগ্রাসী বিষন্নতা আমাদের পেয়ে বসে।

যতই বিষন্নতায় ভরা থাক অদ্ভুত সুন্দর লেখা। Star Star Star Star Star Star Star Star

সব মন খারাপ কেটে যাক। ভালো থাকো । আনন্দে থাকো।

১০

দূরতম গর্জন's picture


বিষন্নতা ইদানিং আমাকেও পেয়ে বসে। প্রমাদ গুনছি হয়তো একাকী না হলেও পারতাম!

১১

উচ্ছল's picture


Sad

১২

দূরতম গর্জন's picture


ব্যস্ত কি?
নতুন লেখা কবে আসবে?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!