শুধু মাঝে মাঝে মন খারাপ লাগে
আজ খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাবার পর জানালার পর্দা সরিয়ে দেখি ঝকঝকে রোদ উঠেছে। আর তাপমাত্রার কাঁটাটা প্রায় ১৩ ছুঁইছুঁই করছে। হাতছানি দিয়ে ডাকছে দোয়েল, ফিঙে, চড়ুই, বকুল এবং সুবজ পাতারা। জানালার ফাঁক গলে ঝিরঝিরে বাতাস প্রবেশ করছে ঘরে। আর মাঝে মাঝে আলতো টোকা দিয়ে যাচ্ছে লোমের গোঁড়ায়। হালকা শিরশিরে অনুভূতি। কফি মেশিন তাকিয়েছিল ড্যাবড্যাব করে। তাড়াতাড়ি ওটায় পানি আর কফি ভরে সুইচ অন করে দিলাম। প্রায় সাথে সাথেই খুটুর-মুটুর শব্দ শুরু করে দিলো সেটা। জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কি আমার সঙ্গে কথা বলছো কফিমেশিন? কোনো উত্তর দেয় নি যন্ত্রটা।
টেবিলের ডানদিকের কোনাটা, যেখানে একটা প্রায় উপচে পড়া অ্যাশ-ট্রে, কিছু সুগন্ধী মোমবাতি এবং টিস্যুপেপারের একটা বিশাল বাক্স আছে, সেখান থেকে উঁকি দিচ্ছিল কলম্বিয়ান তামাকের প্যাকেট পিইল রোয়া। নামটা যেমন সুন্দর, গন্ধটাও তেমন জমকালো। অল্প সময়ের মধ্যে রিজলা পেপার আর ফিল্টারের ব্যাগদেরও দেখা মিললো। ওরা যেন আমাকে শুভসকাল জানানোর অপেক্ষাতেই ছিল। দিনের প্রথম সিগারেটটা বানাতে বানাতে হঠাৎ সেই প্রথম জীবনের কথা মনে পড়ে গেল। তখন আমি বগুড়ায় থাকি, সদ্য ধূমপান শিখছি। প্রায়ই বিকালবেলা বেজোড়া ব্রীজ পার হয়ে নাম না জানা এক সবুজ গ্রামের মেঠো পথের ধারে বসে ধূমপান করতে চলে যাই। মিশু, সাবু, আশিক, রকি ভাই আর আমি। মাঝে মাঝে অন্যান্য বন্ধুরাও আসতো। মিশু অল্প দিনের মধ্যেই মিলিটারি-পার্সন বনে গেল। আর সাবু ক্লাস নাইনে স্কুল ছেড়ে চলে গেল ভোকেশনাল লাইনে। আমি হয়ে পড়লাম বন্ধুহারা ও বাউন্ডুলে। তবে সেই সময়টা আসলেই দারুণ ছিল। বাড়ি ফেরার আগে হাত আর মুখ থেকে সিগারেটের গন্ধ দূর করার জন্য সেই যে কতোরকমের বুদ্ধি বের করার দিন, হারিয়ে গেল বড়ো জলদি! কিছু বুঝে ওঠার আগেই। তখন আমি সুত্রাপুরে থাকতাম। দোতলা একটা বাড়িতে। অসাধারণ একটা ছাদ ছিল সেই বাড়িটার। আর ছিল সর্বদা আমার জানালা ফুঁড়ে ঘরে ঢুকে যাওয়ার প্রচেষ্টায় থাকা একটা লিচু গাছ। কম্পিউটার, টেলিফোন সেট, আব্বুর মানিব্যাগসহ জগতের প্রায় সব জরুরি জিনিস থাকতো আব্বু-আম্মুর লিভিং রুমে।
তবে সত্যি কথা বলতে কি, আমি সবসময় একটা গতিময় জীবনই চেয়েছি। এখনও চাই। এখনও লাস ভেগাসের লিমিটলেস হাইওয়েতে ১৮৯ কিলো পার আওয়ার স্পীডে ড্রাইভিং করতে করতে, তোমার গালের ওপর নেমে আসা চুলগুলোকে আলতো হাতে সরিয়ে, একটা ছোট্ট হাসি দেয়া হয় নি। আমি জানি। ভুলে যাই নি।
সিগারেট বানানো শেষ হতে হতে অবশ্য সাত-পাঁচ ভাবনারা বুদবুদের মতো বাতাসে মিলিয়ে গেল। চোখে পড়লো ফেসবুকের হোমপেজ জানতে চাচ্ছে, হোয়াট’স অন ইওর মাইন্ড? তোমার মনে কি চলে? দেখে হাসলাম। আমার মনে সবসময় তুমি চলো। কিন্তু সেটা ফেসবুককে জানিয়ে কি লাভ? আমরা এবার ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নিয়ে গবেষণা করছি, জানো? মানুষ বিজ্ঞাপনগুলোকে কিভাবে নেয়, সেটা দেখার উদ্দেশ্যে। অবশ্য টিচারটা ভাল না। খুব সমস্যা করছে। আমি সম্ভবত জীবনে প্রথমবারের মতো এমন একজন শিক্ষক দেখলাম, যে তার নিজের ছাত্র-ছাত্রীদের পছন্দ করে না। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, শকুনের বদদোয়ায় গরু না মরলেও, এই দফায় বেচারী ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। যে কারণে চলতি সপ্তাহ থেকে আমাদের ক্লাস নিচ্ছেন আরেকজন। প্রফেসর ইয়েন্স ভোলিং। তিনি শিক্ষক হিসেবে ওই কেউটে মহিলার চেয়ে অনেক ভাল, তবে গ্রেডিং-এর সময় কোনোকিছুর ধার ধারেন না। এটা অবশ্য আমার জন্য কোনো সমস্যা না।
জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে কুড়েঘরের মডেলে বানানো জাম্বো সাইজের অনেকগুলো দালান দেখা যায়। ওগুলো স্টুডেন্ট ডর্ম। আমি ওরকম একটা ডর্মেই থাকি। ছোট্ট একটা ঘরে। যেটার নাম দিয়েছি গুহা। একটা বেবি টুথব্রাশ আছে আমার। নাম মি. ব্রাশো। আর আছে একটা পর্ণকাউচ। যেটার নাম কুইন। সাধারণত টমি গান আর সানি লিওনি’র চল্লিশ মিনিটের অসম্ভব পর্ণ ভিডিওগুলোতে ওই ধরনের কাউচ চোখে পড়ে। ওরা বিছানায় দৌড়-ঝাপ, চিৎকার-চেঁচামেচি আর লাফালাফিতে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়লে, কাউচে গিয়ে আশ্রয় নেয়। বেশিক্ষণের জন্য না অবশ্য।
এইতো, এদের সবাইকে নিয়ে ভাল আছি। মেতে আছি। মাঝে মাঝে অবশ্য খারাপ লাগে। মনে হয়, এই সবকিছুর সাথে তোমাকেও আমি পেতে পারতাম। হাত ধরে ঘুরতে পারতাম আরও একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্তব্ধ দুপুরগুলো রাঙিয়ে দেয়া যেতো তোমার গোলাপি ঠোঁটের রঙে। আমার সব বোকামীগুলো তুলে রাখা যেতো সেই মানুষটার জন্য, যে তার হৃদয়ে ওই বোকামীগুলোর জন্য বিশাল একটা জায়গা রেখেছিল। আর মানুষটার সব শিশুতোষ কাজ দেখে দেখে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যেতে পারতো ঠিক সেই পুরোনো সময়ের মতো করে। পৃথিবীর কয়টা মানুষ জীবনকে দুইবার যাপন করার সুযোগ পায়? আমার জানা নেই। শুধু জানি আমি সেই বিরলতম সুযোগপ্রাপ্তদের একজন। তবে ব্যাপারটার পুরো কৃতিত্ব পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দু’জন মানুষের। জানো তারা কে? আমার আব্বু আর আম্মু। অবশ্য তুমি পাশে না থাকায় দ্বিতীয়বারের এই জীবনটা ততোটা দুর্দান্ত হচ্ছে না, যতোটা আশা করেছিলাম।
সেদিন পলিনাকে সুপারমার্কেটে বাচ্চাদের মতো কাজ করতে দেখে একটু হাসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সফল হতে পারি নি। হবো কিভাবে? যখনই কোনোকিছুকে পুরোনো জীবনের সঙ্গে মিলে যেতে দেখি, তখনই আমার তোমার কথা মনে পড়ে। মাঝে মাঝে রবার্ট আর আমি, মেনসায় (ক্যাফেটেরিয়া) দুপুরের খাবার খেতে যাই। ওখানে সবসময় চার-পাঁচ রকমের খাবার পাওয়া যায়। লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিতে হয়। রবার্ট কোনো লাইনে বেশিক্ষণ দাঁড়ায় না। বারবার লাইন চেঞ্জ করে। ওর নাকি খাবার সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে সবসময়ই সমস্যা হয়। একটা খাবার নিয়ে ফেলার পর মনে হয়- আরে, অন্য লাইনে আরও সুস্বাদু খাবার পাওয়া যাচ্ছে।
আমার মনে পড়ে যায়, একটা সময় প্রতিদিন দুপুরে কোথায় খেতে যাবো, আজিজ মার্কেট নাকি গাউছুল আজম, কাটাঁবন নাকি চাঁনখার পুল, আইবিএ নাকি বুয়েট ক্যাফেটেরিয়া, ধানমন্ডি না বনানী, ভাবতে ভাবতে অনেকটা সময় পার হয়ে যেতো আমাদের। আজকাল আমি কখনোই খাবার সম্পর্কে দুইবার ভাবি না। মেনসাতে সবচেয়ে ছোট যে খাবারের লাইনটা থাকে, সেটায় টুপ করে দাড়িঁয়ে যাই। পরশুদিন ক্লাস শেষে কথা হচ্ছিল মার্টার সাথে। বেচারী নিজের হাত ঘেমে যাওয়ার বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। কথাটা শুনে আমার বুকে ধাক্কার মতো লাগলো। হাত ঘেমে যাওয়াটা যে কতো চমৎকার একটা বিষয় হতে পারে, সেটা আমার চেয়ে ভাল আর কে জানে? তোমার হাত ধরে থাকতে থাকতে একসময় ভিজে উঠতো আমার হাতও। সেই দিনগুলোও কত সহজে, কত অনায়াসে এবং কত দ্রুতগতিতে ফুরিয়ে গেল। ভাবতে বসলে, স্মৃতির ঢেউ সুনামির মতো আছড়ে পড়ে আমার হৃদয়ে।
সেদিন ক্রো-ব্লগে লিখেছিলাম কাল্পনিক একটা ক্রাশের কথা। যাকে দেখলে আমার বুক ঢিপ ঢিপ করে। লেখাটা পড়ে পলিনা বলেছিল, ‘মেয়েটাকে গিয়ে তোমার মনের কথা খুলে বলো। সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে।’ আমি ওকে বিশ্বাস করাতে পারি নি যে, ওরকম কেউ আসলে নেই। তোমার পর আমি আর কারও ওপর ক্রাশ খাই নি। মাঝে মাঝে অনেককে পছন্দ হয়েছে কিন্তু শুধু মানুষ হিসেবেই। তারচে’ বেশি কিছু অনুভূত হয় নি।
আমি আজকাল ঝগড়াও করি না কারও সাথে। গত বছর দু’য়েকে কারও সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়েছে বলে মনে পড়ে না। মোটর সাইকেল অ্যাক্সিডেন্টে বাম হাতটা পুরোপুরি ভেঙ্গে অকেজো হয়ে যাবার পর একবার রচির সাথে ঝগড়া হয়েছিল। সেই রাতে আমি আটাশি পেগ হুইস্কি পান করেছিলাম। যেটা এ পর্যন্ত আমার সর্বোচ্চ হুইস্কি পানের রেকর্ড। মজার বিষয় হচ্ছে, ওই পরিমাণ মদ্যপানের পরও, নিজের পায়ে হেঁটে বাড়ি গিয়েছিলাম। ঘরে ঢুকতেই আম্মু বলেছিল, তোর মুখ দিয়ে ভুড়ভুড় করে মদের গন্ধ আসছে!
যাহোক ছোটবোনদের সাথে ঝগড়াকে গোণায় ধরা যায় না। ওরা আসলে এক টুকরো শৈশবের মতো। আজীবন অস্তিত্বের সাথে মিশে থাকে। তবে এছাড়া আর কারও সাথে ঝগড়া হয়েছে বলে মনে পড়ে না। অথচ একটা সময় প্রতিদিন তোমার সঙ্গে ছোট ছোট ঝগড়াগুলো না করতে পারলে নিজেকে অসহায় লাগতো। আহরার ভাইয়ের কথা মনে আছে? ভদ্রলোকের বেশ খানিকটা আলুর দোষ ছিল। এটা অবশ্য আমার কথা না। উনার বন্ধু-বান্ধবরাই বলতো। তোমাকে উনার সঙ্গে কথা বলতে দেখলেই আমার মাথা গরম হয়ে যেতো। আর সেটা বুঝতে বলেই কিনা কে জানে, তুমি বেশি বেশি করে উনার সঙ্গে কথা বলতে। আজকাল ঝগড়াগুলোকে সন্তপর্ণে চাপা দিয়ে রাখি নিজের শ্বাসনালীতে। মনে আছে, আমি শ্বাসনালী খুঁড়ে একটা কবর বানিয়ে রেখেছিলাম বহু আগেই? সেটা যে কখনো সত্যি সত্যি কাজে লাগবে বুঝতে পারি নি। অথচ কি আশ্চর্য দ্যাখো, এখন সেটা দিব্যি সুফল দিচ্ছে। এজন্যই বোধহয় জ্ঞানী-গুণীরা বলে গেছেন, নিজের ভাললাগার কাজকে কখনো অবহেলা কোরো না।
ল্যাপটপটা বুড়ো হয়ে গেল দ্রুতই। ওর কথা আমি সারাজীবন মনে রাখবো। সে তার জীবনের সেরা সময়টা আমাকে দিয়েছে। তবে এটা আমার কৃতজ্ঞতার কারণ না। আমি কৃতজ্ঞ কারণ এখনও সে তার সবটুকু সামর্থ্য আমার পেছনেই ব্যায় করছে। আমি আমার জীবনের সেরা সময়টুকু তোমাকে দিয়েছিলাম কিন্তু এখন কিছুই দিতে পারি না। এটা আমার অনেক বড় একটা কষ্ট, তুমি কি জানো?
চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের সদস্যরা ঘাপটি মেরে থাকে ঠিক এই মুহূর্তটির জন্য। যখনই আমি তোমার কথা ভাবি, তখনই ওরা গিটার বাজিয়ে গেয়ে ওঠে, আর একবার, যদি তোমাদের দলে নাও খেলায়...। আর ঠিক সেই সময়টাতেই এক ঝাঁক শাদা বকপাখি আমার আকাশে ডানা ঝাপটিয়ে উড়ে যায়। মাঝে মাঝে কি মনে হয় জানো? হয়তো ওই পাখিদের একটা পালক হয়ে জন্মালেও ভাল হতো। একটা শুভ্র রঙিন আকাশের দিনে, কোনো ভাবনা-চিন্তা ছাড়া টুপ করে ঝরে যেতাম। তার আগ পর্যন্ত খুব উষ্ণ একটা জীবন যাপন করা যেতো।
ঝরা পালকটা হয়তো উড়ে উড়ে তোমার কাছে পৌঁছে যেতো। ফরেস্ট গাম্প সিনেমার প্রথম দৃশ্যের মতো। তুমি হয়তো বুঝে কিংবা না বুঝে, সেটাকে যত্ন করে তুলে রাখতে। কোনো এক প্রিয় বইয়ের ভাঁজে। পেজমার্কার হিসেবে। আর সেভাবেই চিরকাল বন্দি হয়ে থাকতাম আমরা। একে অপরের বন্ধনে, পাওয়া আর না পাওয়ার এক সুষম মাঝখানে।
ভালোই হতো, তাই না?
---





আহ্ অনেক দিন পর.......ভালো আছেন তো ?!
..........
........
গতিময় জীবন ভালো তবে সেটা নিজের আয়ত্তে রাখতে পারলে
আর ১৮৯ কিলো পার আওয়ার স্পীডে ড্রাইভিং মনে হয় একটু বেশীই....
ভালো থাকবেন!!
ধন্যবাদ উচ্ছল ভাই। ভাল লাগলো কথাগুলো।
ভাল থাকবেন আপনিও।
শেষের প্যারাটা মনে কেঁড়ে নেয়া।
ভাল থেকো
থ্যাংকিউ তানবীরা'পু। আপনিও ভাল থাকেন, সবসময়
যথারীতি মীর মীরের মতই। আমিও একখান যা-তা পোস্ট করেছি আজ।
ধন্যবাদ ভাইসাব।
আপনের পোস্টটা মোটেও যা-তা নয়, অনেক দারুণ।
চক্সুত্রাপুর বাদুরতলা অর্থাত বগুড়া ষ্র চষে বেড়িয়েছি, ৯০ এর দশকে। অনেক অনেক মজা। দেশে এলে মীর যদি চায় দেখা হতে পারে। অনেক ভাল লেখা চালিয়ে যান।
চকসুত্রাপুর, বাদুড়তলা এলাকায় প্রাইভেট পড়তে যেতাম। করোনেশন স্কুলের মাঠে ক্রিকেট খেলাও কম হয় নি। একবার তো খুব একচোট মারপিট হয়ে গেল স্থানীয় ছেলেদের সঙ্গে। তারপর কয়েকদিন সাবধানে চলাফেরা করতে হয়েছিল। সবশেষে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা মধ্যস্থতা করে দিল। ওইসব দিনগুলোর কথা মনে পড়লেই নস্টালজিক লাগে। ওই এলাকা পার হয়ে খানিকটা এগোলেই আমার কলেজ। সরকারি আজিজুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। বগুড়া একটা অসাধারণ শহর।
থ্যাংক্স আহসান ভাই, দেশে ফিরে অবশ্যই দেখা করবো।
আরররররররেরর! মীর য়ে! কেমন আছেন? কোথায় আছেন? ছিলেন কই?থাকেন কই? এইখান থেকে ডুব কেন দিলেন?
বহুদিন পর মীরময় পোষ্ট
থ্যাংকিউ জ্যোতি আপু। আমি ভাল আছি। আমি থাকি জার্মানী।
ডুব দিইনি কখনো। হয়তো এখানে আসা হয় নি সেভাবে কিন্তু সবসময় আপনাদের কথা মনে ছিল।
আপনে কেমন আছেন? ফুপা কেমন আছে?
ওহ্! আপনিও বৈদেশী!! যাওয়ার আগের পার্টি ওর্টি দিলেন না যে!
মনে তো কত কিই থাকে কিন্তু মন থেকে সেসব সামনে না আনলে কোথায় কোন চিপায় পড়ে যাবে!
আমি আছি গরমে কাহিল অবস্থায়। ফুপা কেডায়!
পার্টি না দেবার জন্য স্যরি আছি ফুপি। থাউজ্যান্ড অ্যাপোলজি।
গরমে বেশি বেশি পানি পান করতে ভুইলেন্না আবার।
ফুপা কেডা সেটা তো আপনে জানেনই
এরকম বিষাদছোয়া লেখার মতন মতন নেশা আর কিছু নাই।
এই লেখাটার জন্য আপনের এতদিনকার অনুপস্থিতির অপরাধ মাফ করা হইল।
তবে শর্ত প্রযোজ্য - আর ডুব দিতে পারবেন না।ব্যাস!
শর্ত শুনে মাথা ঘুরছে।
আপনের অবস্থা কি? নতুন লেখা কই?
পুরান মানুষজন দেইখা আবার কমেন্টিং শুরু করতেছি। আমি আছি মোটামুটি ব্যারাছ্যাড়া! মাথায় লেখার মতন লাইন আসেনা আর আজকাল।
না আসলে কোনো কথা নাই কিন্তু আসলে লিখে রাখতে ভুল কইরেন্না
আয়েশ করে আয়েশিভাব নেয়া লেখাটা পড়লাম, কেমন জানি চেনাজানা গন্তব্যহীন ভাবের কিন্তু তাও আগ্রহজাগানিয়া এক গল্প পড়লা্ম
থ্যাংক ইউ জেবীন আপু। কেমন আছেন? লেখালেখি কি ছেড়ে দিলেন? আপনে যে কতো ভাল লেখেন, সেটা কি জানেন?
মন্তব্য করুন