সম্রাটের মৃত্যু, গাড়ি ভাংচুর এবং সুশীলদের প্রতিক্রিয়ার জবাবে দু'পয়সা
১।
বাসের নীচে পিষ্ট হয়ে সম্রাটের মৃত্যু, বুয়েট ছাত্রদের গাড়ি ভাংচুর এগুলো নিয়ে প্রচুর কথা পড়ছি। গাড়ি ভাংচুরের পক্ষে বিপক্ষে কথা হচ্ছে।
যদিও ভেবেছি আমরা বন্ধুতে আর লিখবো না, তবু এই বিষয়ে আমার মতটা জানিয়ে যেতে চাই। [কেন লিখবো না, সেটা ব্যক্তিগত, এই পোস্টে সেই আলোচনা না তোলার অনুরোধ জানাচ্ছি সবাইকে]
সম্রাটের মৃত্যু বিষয়টাকে সামনে আনলেও শুধু এই কারণেই এই আন্দোলন এবং গাড়ি ভাংচুর তা না। বুয়েটিয়ানদের দীর্ঘদিনের দাবী ক্যাম্পাসের মাঝখান দিয়ে যে সড়ক প্রবাহিত। তা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে সরকার নিষেধাজ্ঞা জারী করুক। আমার জানামতে এটা অন্তত বছর দশেক আগেকার দাবী। সবসময় দাবীতে আন্দোলন করা না গেলেও, একটি দুর্ঘটনা সেই দাবীকে প্রতিষ্ঠা দেয়। আর তখন আন্দোলন পূণগঠিত হয়।
একটা কথা এখানে বলে রাখা ভালো, বুয়েটিয়ানরা কখনো শখ করে রাস্তায় গাড়ি ভাংতে নামে নাই আজতক। কেন তারা গাড়ি ভাংতে বাধ্য হচ্ছে, সেই দিকটি দেখা প্রয়োজন বলেই আমি মনে করি। তাদের ক্ষোভের বিষয়টা অনুধাবন না করে, খালি নৈতিকতা চাপিয়ে দিতে চাইলে হবে না।
যাহোক, একজন সম্রাটের মৃত্যুতে আবারো সেই দাবী বুয়েটিয়ানদের সামনে এসে দাঁড়ায়। আন্দোলন হয়। সঙ্গে যুক্ত হয় সম্রাট হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবী।
প্রথমত দেখা যাক এই রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল বিরোধী আন্দোলন যৌক্তিক কি না?
বাংলাদেশের আর কোনো প্রতিষ্ঠানের মাঝখান দিয়েই সম্ভবত ভারী যানবাহন চলতে পারে না। [আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকলে শুধরে দেওয়ার অনুরোধ রইলো]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝখানের রাস্তায় ভারী যানবাহন চলার অনুমতি নেই।
ক্যান্টনমেন্টের মাঝখান দিয়ে ক্যান্টনমেন্টের ছাড়পত্রধারী বাহনই কেবল ঢুকতে পারে। ভারী হালকা কোনো বাহনই ছাড়পত্র ছাড়া প্রবেশ করতে পারে না।
বিডিয়ার সদর দপ্তরের মধ্য দিয়েও পারে না।
সচিবালয়ের মাঝখান দিয়েও পারে না।
এত বড় যে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়, তার মাঝখান দিয়ে কোনো পাবলিক ভারী যানবাহন ঢুকতে পারে?
দেশের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পারে?
ক্যাডেট কলেজ গুলোতে পারে?
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মাঝখান দিয়ে পারে?
ভুল না হয়ে থাকলে সবগুলোর একটাই উত্তর- পারে না।
তাহলে বুয়েটের মাঝখানের রাস্তা কেন উদাম থাকবে? বুয়েট কি মগের মুল্লুক? ভাইসা আসছে?
শুধু উদাম রাখেনি, যতদূর শুনলাম এই রাস্তা নাকি এশিয়ান হাইওয়ের অন্তর্ভূক্ত!
ক্যাম্পাসের সীমানা নির্ধারণ একটা সমস্যা। অন্য বেশিরভাগগুলোর ক্যাম্পাস সীমানাচ্ছাদিত। কিন্তু বুয়েট না। আমি তো মনে করি এটাও বিমাতাসুলভ। বুয়েটকে কেন একটি স্বতন্ত্র ক্যাম্পাস দেওয়া হবে না?
ঢাবির রাস্তায় ভারী গাড়ি চলাচলে সরকার অনুমতি দিতে পারে না, কারণ সাহস নাই। কারণ সরকার জানে ঢাবিতে আন্দোলন শুরু হলে সরকার পতন পর্যন্ত গড়াতে পারে। ক্যান্টনমেন্ট বিডিয়ার সচিবালয় ঢাকা থেকে সরানোটাই উচিত। কিন্তু কোনো সরকারের সেই হেডম নাই। গাড়ি চলাচলের অনুমতি দিলে তো ক্যু হয়ে যাবে। কিন্তু বুয়েটের দাবী না মানলেও চলে, কারণ এখানকার পোলাপান উচ্চবাচ্য করে না। তারা নিরীহ প্রজাতির। এই জন্যই কি তাদের প্রতি এই আচরণ!
বুয়েটিয়ানরা কি তবে মরতেই থাকবে!
২।
রাস্তার প্রয়োজনীয়তার কথা তোলা যেতে পারে, যানজটের কথা তোলা যেতে পারে। কিন্তু এসব হাস্যকর যুক্তির কোনো মানে হয় না। এক ক্যান্টনমেন্ট উন্মুক্ত করে দিলেই ঢাকার জানজট অনেক কমে যাবে। বিডিয়ার উন্মুক্ত করে দেন, ঢাবির রাস্তাও কম গুরুত্বপূর্ণ না। বাসগুলো শাহবাগ থেকে সোজা হাইকোর্ট দর্শন করতে পারবে, মৎস্য ভবন ঘুরে আসতে হবে না।
যানজট আর রাস্তার সীমাবদ্ধতা কি কেবল বুয়েটের কপালেই জুটবে?
৩।
এই ভাংচুরের ফলেই সবার সুশীল মন লাফ দিয়ে উঠেছে। দেশে এখন ধর্মীয় অনুভূতি আর সুশীল অনুভূতি সমান পর্যায়ে অবস্থান করছে ধারণা করি। যত্রতত্রই তারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
অথচ রাস্তায় গাড়ি ভাংচুর এদেশে নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। পান থেকে চুন খসলেই গাড়ি ভাংচুর হয়। তারেক রহমান বাথরুমে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেলে গাড়ী ভাঙ্গা যাবে, কিন্তু সম্রাট মারা গেলে টু শব্দটি করা যাবে না। সেলুকাসের চেয়ে বিচিত্র দেশে আমরা বাস করি!
৪।
অনেকেই দেখা যাচ্ছে বুয়েট বিষয়ে সোচ্চার। বুয়েটের ছাত্র মারা গেলে তা মানুষ হয়ে যায়, বুয়েটিদের আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
বুয়েটের ছাত্ররা অন্য কোথাও মারা গেলে তা নিয়ে কয়টা গাড়ি ভাংচুর হয়েছে? সমুদ্রে ডুবে বুয়েটের একাধিক ছাত্র মৃত্যুবরণের খবর পেয়েছি আমরা। বুয়েটিয়ানরা তখন বঙ্গোপসাগর সরিয়ে দেওয়ার আন্দোলনে নামেনি। কিছুই করেনি।
অন্য অনেক জায়গাতেই বা রাস্তাতেই বুয়েটের ছাত্ররা অতীতে মারা গেছে, তা নিয়ে বুয়েটিয়ানরা গাড়ি ভাংচুর করতে নামে নাই।
আজকে গাড়ি ভাংচুর করতে নামছে, কারণ সম্রাট মারা গেছে ক্যাম্পাস সংলগ্ন রাস্তায় গাড়িচাপায়। এই জন্যই এই আন্দোলন। বুয়েট, ঢাবি, ইডেন, বদরুন্নেসা... সবকিছু মিলিয়ে এটা একটা ক্যাম্পাস জোন। এটা মনে রাখতে হবে সরকারকে। এই রাস্তায় গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের কর্তব্য। স্কুলের সামনের প্রধান সড়কেও গতিরোধক থাকে অথবা গতি নিয়ন্ত্রণ আইন থাকে।
শুধু সম্রাটের মৃত্যুর সঙ্গে যারা এই ভাংচুরকে মিলিয়ে ফেলছেন, তাদের অনুরোধ করবো একটু দূরে তাকানোর জন্য।
৫।
বলা যেতে পারে কোনোভাবেই গাড়ি ভাংচুর জায়েজ হতে পারে না। এই কথায় আমি সহমত। গাড়ি ভাংচুর কোনো অর্থেই কোনো শুভ ফল বয়ে আনে না। কিন্তু সহনশীল আন্দোলন চালু রেখে রেখে বুয়েটিয়ানরা আর কতোকাল উপেক্ষা সইবে? দেয়ালে পিঠ কি তাদের ঠেকেনি?
পাদটীকা: একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন বোধ করছি, আমি বুয়েটের ছাত্র না, কোনোদিন ছিলাম না। আমার মেধার যোগ্যতা ছিলো না কোনোদিন সেখানে ভর্তি পরীক্ষা দেবারও। আমি মোটে একজন এইচএসসি পাস মানুষ। তারপর আর আমার লেখাপড়া আগায় নাই। আমার চোদ্দ পুরুষের কেউও বুয়েটের স্টুডেন্ট না। কিন্তু তবু আমার মতো একজন অশিক্ষিত মানুষ মনে করে, বুয়েটের ক্যাম্পাসের সুরক্ষা প্রয়োজন। এটা কোনো বারোয়ারি জায়গা না।





এইটা একমত।
বাংলাদেশের প্রশাসনের দুর্বলতার জন্যই ভাংচুর, ঘেরাও, ধর্মঘট ছাড়া আর কোনও রাস্তাও নাই। আর যার যায় সেই বোঝে হারানোর মর্ম। আমি থাকলে আমিও যাইতাম। এবং গেছিও। তেজগা কলেজে পর্তে বেলা শত শত পোলাপাইনের সাথে ইটা মাইরা গ্লাস ও ভাংছি।
তারপরও এই ভাংচুর সাপোর্ট করি না।
বাহ্, খুব ভালো বলছেন, নিজে করতে পারবেন, তেজগাঁ কলেজের পোলাপান করতে পারবে কিন্তু বুয়েটিয়ানরা করলেই দোষ!
আপনের মোটা মাথারে মাথায় তুলে নাচা দরকার
হ গেছিলাম। কিন্তু এখন মানি যে সেইটা ভুল ছিলো।
একযুগ পরে মনে হয় সেইটা ছিলো একটা পাপ।
তাই চাই না আমার মত আর বাকি সবাই একই ভুল করুক।
আমি বিয়া করার আগে সবাই বলছে, বিবাহিত মানে মৃত।
তবু আমি বিয়া করছি।
আমার ধারণা আমার বাপেরও একই অভিজ্ঞতা।
আমার দাদারও।
তবু আমার বিয়ে করি, ভুল করি। এই ভুলটাই চলবে আজীবন। আমরা সবাই একটা সময় মুরুব্বী হয়ে যাই।
আমরা সবাই ছাত্র ছিলাম একসময়। আমরা বড় হয়ে ভাবি ঐ বয়সে আমি যা করছিলাম তা ভুল করছিলাম। আমরা বড় হয়ে মুরুব্বী হয়ে যাই।
আমি এইসব মুরুব্বীপনারে ধিক্কার জানাই।
আমিও একযুগেরও বেশি সময় আগে ঢাকা কলেজে পড়তাম। আমিও গাড়ি ভাংছি। আমি এখনো মনে করি না আমি ভুল করছিলাম। অসহযোগ আন্দোলনে আমার সাপোর্ট আছে। কিন্তু অসযোগরে যদি কেউ দূর্বলতা মনে করে, তখন তার লাঠি হাতে তুলে নিতেই হয়। বাধ্য হয়।
আমি বিশ্বাস করি বুয়েটের এই আন্দোলন একজন সম্রাটের মৃত্যুকেন্দ্রিক না। এইটা দীর্ঘদিনের উপেক্ষার ফসল। অনুরোধ থাকবে একে আবারো উপেক্ষা না করে সমস্যাটা কোথায় সেইটা অনুধাবনের।
আবারো বলি, আমি মনে করি না বুয়েটের পোলাপান আজাইরা গাড়ি ভাংতে নামছে। তাদের ক্ষোভটা বুঝতে হবে। এবং আমি এখনো মনে করি এটা যৌক্তিক
আপনি শুধু উদ্ধৃতিই দিচ্ছেন, কিন্তু কারণটা বুঝতে পারছি না। আপনার নিক মাথামোটা। আমার আর কী বলার থাকতে পারে?
ব্লগের নিক নিয়া ব্যাংগ করলেন। সেইটা ব্যক্তিগত হিসাবে নিলাম না।
তবে ব্রাদারহুড জোশে সামনে আসলে লাঠি দিয়া বাড়ি দিয়েন না।
তবে বুয়েটের মাঝখান দিয়া রাস্তা বন্ধ কইরা দুর্ঘটনা এড়ানোর চে, ঢাকা শহর রে বসবাসের উপযুক্ত বানানোর জন্য ধাকা শহর থিকা ঢাবি, বুয়েট, ক্যান্টমেন্ট, বিডিআর উপড়ায়া নিয়া শহর তলীতে পাঠানো উচিৎ।
---------------
পর পর তিনটা কমেন্ট মিসিং হইলো।
আপনার লিখার স্টাইল দেইখা মনে হইতাছে আমি কইছি বুয়েটের পোলাপান আজাইরা গাড়ি ভাংতে নামছে। যেইটা আমি কইনাই।
অনলাইন ব্লগ। সামনে কি বোর্ড। মনে ব্রাদার হুডের জোশ। কে যানে হয়তো মাত্র গর্ভধারিনী বই পইরা আসছেন। কিংবা কোনো একশন হলিউডি মুভি।
শুধু ধিক্কার না আরও কিছুও জানাইতে পারেন।
শুধু বুয়েটের ছাত্রদের না। আন্দোলন সব খানেই দরকার। তবে তা চিন্তা ভাবনা কইরা সঠিক পথেই হওয়া চাই। নইলে এই আন্দোলন ঢাকা শহরের অতীতের শত হাজার বাস পুড়ানির মত পুরানা পেপারের ধুলার নিচেই চাপা পরবো।
আমার প্রতি আপনার ধারণা দেখেই বুঝলাম, আপনার ধারণা শক্তি কতোটা প্রখর!
আমি গর্ভধারিনী লাস্ট পড়ছি সম্ভবত প্রায় ১৮/২০ বছর আগে। আর আমি সাধারণত কোনো হলিউডি এ্যাকশন মুভি দেখি না। সারাজীবনে একটা দুইটার বেশি দেখি নাই।
আপনে আমারে নিয়া যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করলেন, অনুরোধ একটাই, সবকিছু নিয়া এরকম ভ্রান্ত ধারণা পোষণ কইরেন না। বিষয়টা বুঝার চেষ্টা করেন। নিজের ভ্রান্ত ধারণার চেয়ে অনুধাবন করার চেষ্টাটা অনেক কাজে দেয়।
আপনার সুধারণা ছাড়া আর কিছুই কামনা করতে পারছি না।
আপনি এই বিষয়ে কী কইছেন তা আমি জানি না। কারণ আপনার কোনো লেখা পড়ে এই পোস্ট নাজেল হয় নাই। এই বিষয়ে আপনার কোনো লেখা এখনো পর্যন্ত আমি পড়ি নাই। আপনার প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে ঠাকুরঘরের কলাচোর না হওয়ার।
এইটা আমার হেদায়েতের জন্যই কমেন্টে লিখছিলেন। পোষ্টে সার্চ দিলে নিজ দুই চোখ মেইলা দেখতে পাইবেন।
আপনার মত আন্দোলনের পুরোধা মহামানবদের সম্পর্কে ধারনা কম হওয়ায় লজ্জিত। ভবিষ্যতে আপনার জীবনি নিয়া পু্স্তক পাঠের আশা রাখিয়া ক্ষমা চাহিতেছি।
১।
আমি ধরে নিচ্ছি আপনি কোথাও না কোথাও এই বিষয়ে পোস্ট দিছিলেন। আর আমার পোস্ট আপনার গায়ে লাগছে।
কিন্তু এটুকু নিশ্চিত করছি, আমি এই বিষয়ে আপনার কোনো পোস্ট পড়ি নাই। এখন পর্যন্ত। পড়তে আগ্রহীও না।
এই পোস্ট আমি লিখছি মুলত বাফড়ার পোস্ট পড়ে। আপনি অযথাই নিজেকে দোষী ভাবছেন। আপনারে হেদায়েত করার বিন্দুমাত্র আশা আমি পোষণ করি না। মাথা যার মোটা, তার সঙ্গে তর্ক করার কী আছে?
২।
আপনি এর আগে আমার সম্পর্কে কিছু অনুমান করেছিলেন, আপনার কল্পিত আমি হলিউড এ্যাকশন মুভি অথবা গর্ভধারণ পড়ে বা দেখে এসেছি।
আপনার এই অলীক কল্পনার যে কোনো সত্যতা নেই তাই আমি বলতে চাইছি।
সবকিছুকে আপনার অলীক কল্পনার জগৎ ভাববেন না। পৃথিবীটা বাস্তব। এটা আগে বুঝতে চেষ্টা করুণ।
আর আপনি ভুল ধইরা নিছেন। আমি এসম্পর্কে কোনো পোষ্ট দেই নাই। সেই হিসাবে আপনার পোষ্টে আমার গায়ে লাগার প্রশ্নই আসে না।
তবে আপনার ব্যক্তিগত আক্রমন করা দেইকহা মনে হইতেছে আমার কমেন্ট গুলা আপনার লাগছে। তবে আমি এখনো কিছুই মনে করি নাই। ধমনী-শিরায় প্রবাহিত লোহিত কনায় এলকোহোলের পরিমান বিশি হইলে অসংলগ্ন কথা বলাই স্বাভাবিক। পেটে পড়লে আমারও হয়।
ভবিষ্যতে আরো লিখবেন সেইটাই কামনা করি।
আপনার নাম নজরুল ইসলাম (যদিও কাজী নাই) বইলা আমরা দাবি কর্তেই পারি আপনি আপনার মনগড়া সাহিত্য দিয়ে আমাদের আরও বিনোদন দেবেন।
মাথামোটা
আপনার সঙ্গে অযথা তর্কে আগ্রহী না। আপনি পোস্টটা আবার পড়েন দয়া করে। যদি মূল বক্তব্যটা ধরতে পারেন, তাইলে সেটা নিয়া কথা বলেন। অযথা ফাল পাইরেন না
আর আমি মনগড়া সাহিত্য রচনা করি না ব্লগে। আবারো আপনি আমার সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণাই প্রকাশ করলেন। এবং অযৌক্তিভাবে এ্যালকোহলের প্রসঙ্গ তুললেন।
আপনাকে আবারো অনুরোধ করছি কল্পনার জগত থেকে বের হয়ে আসার। এ্যালকোহল ছাড়াই এই অনুরোধ করছি।
ভাইয়া, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই কথাগুলাই গুছায়ে বলা হয়ত আমাদের উচিত ছিল। কিন্তু, এই সব উত্তেজনায় এই কথাগুলো মাথায় আসে নাই কারো। তাই, নিজেদের অনুভূতিগুলো বলেই মনে করছে, সব বলা হয়ে গেল। সবাই বুঝে যাবে। কিন্তু, সবাই কেন যেন ভাংচুরকেই হাইলাইট করে ফেললো।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ, ভাইয়া। লেখাটা শেয়ার করলাম।
ভাইয়া, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই কথাগুলাই গুছায়ে বলা হয়ত আমাদের উচিত ছিল। কিন্তু, এই সব উত্তেজনায় এই কথাগুলো মাথায় আসে নাই কারো। তাই, নিজেদের অনুভূতিগুলো বলেই মনে করছে, সব বলা হয়ে গেল। সবাই বুঝে যাবে। কিন্তু, সবাই কেন যেন ভাংচুরকেই হাইলাইট করে ফেললো।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ, ভাইয়া। লেখাটা শেয়ার করলাম।
সেটাই বলছিলাম,নৈতিকতার ঠুলি পড়িয়ে যারা ব্যাপারটাকে দেখছেন ,আশা করি তাদের বোধোদয় হবে।
আপনার আশাবাদকেও ধিক্কার... দেখতেছি তো লোকজনের মানসিকতা! মানুষের চেয়ে যেহেতু গাড়ির দাম বেশি, আর দেশে যেহেতু মানুষ অনেক বেশি, আর মেধাবী পোলাপানও আজকাল এভেইলেবল, তাই দুই চারটা সম্রাট মরার চেয়ে গাড়ির দুঃখই বেশি এই দেশে...
লোকজনের বোধোদয়ের প্রতি আপনার আশাবাদের প্রতি তাই আমার কোনো সমর্থন নাই।
নজরুল ভাই,আপনার এই রিপ্লাই আমাকে বেশ একটা বড় ধাক্কা দিল।যে দেশে গাড়ির জন্য মানুষ মায়াকান্না কাঁদে সেই দেশে আশা করাটা আসলেই অনুচিত।
অদ্রোহ... আমি আজকে বিকেল থেকে মানুষের আচরণে স্তব্ধ। গাড়ির প্রতি মানুষের এতো দরদ, অথচ লোকেন বোস আগেই জানাইছে যে এগুলা সব ইনসুরেন্স করা গাড়ি। গাড়ির ক্ষতিপূরণ পাবে মালিকরা। তাদের এক টাকাও লস হবে না।
অথচ একটা সম্রাটের ক্ষতিপূরণ কীভাবে সম্ভব!
এইটা এই জাতি ভাবতেছে না। আমি ক্লান্ত অদ্রোহ... ভীষণ ক্লান্ত...
আজকাল তর্ক করতে ভীষণ ক্লান্তি লাগে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিছি, আর ব্লগিং করবো না। ভালো লাগে না।
আজকাল তর্ক করতে ভীষণ ক্লান্তি লাগে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিছি, আর ব্লগিং করবো না। ভালো লাগে না।
আপনার একথাটায় খুবই আশাহত হলাম। আপনার কাছ থেকে এটা আশা করছি না, আপনারা ছেড়ে দিলে কাদের উপকার হবে, ভেবে দেখেছেন?
আপনি ছেড়ে দিলে এই রকম নিরপেক্ষ পয়েন্ট অব ভিউ থেকে কে লিখবে?!
লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
বুয়েটের ক্যাম্পাসের সুরক্ষা প্রয়োজন। এটা কোনো বারোয়ারি জায়গা না।
@মাথামোটা ভাই আপনার নামের সার্থকতা প্রমাণের কোন দরকার আছে বলে তো মনে হয় না!! উলটা পালটা এজুম করতেছেন আর মুখে যা ইচ্ছে তাই বলতেছেন! বাফড়াদার পোস্টে দেখলাম সহমত লিখছেন , তার বলা ভুল গুলা নিয়ে একটা কথাও তো বললেন না !
পোস্টের ভাব দেইখা মনে হইতাছে, আর বিশ পচিশেক বাস ভাংলেই বুয়েট নিরাপদ হয়ে যাইতাচে।
আর তার পর যদি বুয়েটের ইউনিভার্সিটির বাসের চাপায় কেউ মারা যায় তখন কি করবেন? কিংবা উইনার না হয়া যদি সেইটা বুয়েটের গাড়ি হইতো তকহন কি কর্তেন?
একটা ব্যাপার মজাই লাগলো, অবস্থা দেইকহা মনে হইতাছে, যে যত গাড়ি ভাংচুরের পক্ষে সে তত বুয়েটিয়ান। সে ততই আদর্শবান।
আর আমরা যারা ভাংচুরের বদলে আন্দোলনের স্টাইল নিয়মতান্ত্রিক করার কথা কইতাছি, তারা উইনারের দালাল-শুশিল।
ভাল্লাগে নাই কথাটা। মূল ব্যাপারটা এরকম ছিল না। আপনি হুট করেই এরকম ধারণা কই থেকে পেলেন সেটাই কথা। বাংলাদেশে প্রতিদিন কয়টা এক্সিডেন্ট হয়, সেটার কোন ধারণা আছে? প্রতিদিন পত্রিকায় কয়টা সংবাদ আসে, সেটার কোন ধারণা আছে?? ধরে নেই আছে। কিন্তু, সেগুলোর কয়টা নিয়ে মানুষের মাঝে আলোচনা হয়, কয়টায় মানুষ প্রতিবাদি হয়, কিছু করার ব্যাপারে সোচ্চার হয়? "নিরাপদ মানুষ চাই" বলে যে কমিটিটা আছে, সেটার মিছিলে বা মানব-বন্ধনে কয়জন যায়? আর, আজ বুয়েটের ছেলেরা বাস ভাংলো দেখেই সেটা হাইলাইট হল। মানুষজনে জানলো।
দরকার ছিল হয়তো, এরকম একটা ভাংচুরের। এখন তো আফসোস। আহা, ২/- চুরি করলেও চুরি, ১০০০/- চুরি করলেও চুরি। কেন আরো ১০টা বাস ভাংলো না!!
কেউ তো বলে নাই, বাস ভাংগা খুব ভালো? সবাই বলছে, বার বার বলছে, হুজুগের বশে ছেলেরা দুপুরের ভেতরেই খালি বাস ভাংছে আর ২টা বাস পোড়াইছে। কেউ কি এতদিন হয়ে গেল, বলতে পারছে, বুয়েটের ছেলেরা গিয়ে একটা চলন্ত বাস থামায়ে তারপরে ভাংছে, বাসের হেল্পার-ড্রাইভারকে মারছে?? হোক সেটা একই উইনারের। বলতে পারে নাই। কারণ, সেটা ঘটে নাই।
ভাংগাভাংগিতেও যথেষ্ট সহনশীলতার পরিচয় দিছে তো, উন্মাদ হয়ে যায় নাই। তাই, সবাই সম্রাটের মৃত্যু দেখলো না, বাস ভাংলো সেটাই দেখলো।
এই প্রসঙ্গে আপনার জ্ঞাতার্থে একটা তথ্য দেই.. বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকেও যদি বুয়েটের প্রতিষ্টাকাল ধরি, তাহলেও এই ৩৮ বছরে এখনো বুয়েটের কোন বাসে কোন পথচারি মানুষ আহত হইছে, সেরকম কোন ঘটনা আমি শুনি নাই।
আর কোন প্রশ্ন?
আপনাদের ইমোশন কে শ্রদ্ধা জানাই। কিন্তু এই আন্দোলনের লক্ষ্য কি হওয়া উচিৎ?
বাস ভাংচুর? নাকি নিরাপদ সড়ক?
অনর্থক কেন কথা বলতেছেন? আপনি কি বুঝতেছেন কি উদ্ভট একটা প্যাটার্ন ধরে আপনি তর্ক করতেছেন?
আন্দোলনের লক্ষ্য যদি বাস ভাংচুর হতো, তাহলে এই ৩ দিনে আর একটা বাসও কেন ভাংচুর হল না? বার বার বলা হচ্ছে, সাময়িক প্রতিক্রিয়ায় বাস ভাংছে, সেটা কেন আপনি হাইলাইট করছেন??
অনুরোধ রইল, যদি সম্ভব হয়, আমার পোস্টটা এবং সেখানকার মন্তব্যগুলো একটু পড়ে আসবেন। তাহলে যদি কিছু বুঝতে পারেন। নাইলে আপনার সাথে আর কোন কথা নাই।
মাথামোটা নীতিবান মানুষ। উনি নিপাট ভদ্রলোক এবং কিছুটা গোঁয়ার-গোবিন্দও বটে। জানি না কেন, উনি বাস ভাংচুরের বিরুদ্ধে আদা-জল খেয়ে লেগেছেন। আপনার এ পোস্টের মূল বক্তব্যটা এড়িয়ে এটাই কি শুধু তার চোখে পড়লো?
"সম্রাট মারা গেছে ক্যাম্পাস সংলগ্ন রাস্তায় গাড়িচাপায়। এই জন্যই এই আন্দোলন। বুয়েট, ঢাবি, ইডেন, বদরুন্নেসা... সবকিছু মিলিয়ে এটা একটা ক্যাম্পাস জোন। এটা মনে রাখতে হবে সরকারকে। এই রাস্তায় গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের কর্তব্য।"
এই জ্বলজ্বলে আগুন কি তার চোখে পড়ছেই না? আজব্
শতভাগ সহমত পোস্টের সঙ্গে। এবং কিছু করা যায় কি না ভেবে দেখার অনুরোধ করছি।
তবু আমার মতো একজন অশিক্ষিত মানুষ মনে করে, বুয়েটের ক্যাম্পাসের সুরক্ষা প্রয়োজন। এটা কোনো বারোয়ারি জায়গা না।
বক্তব্য এটাই
আমি এত বেশি বুঝি না। খুবই সাধার মানুষ। তবে এতটুকু বুঝি দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্ররা বুয়েটে পড়তে আসে। তারা এই দেশের মূল্যবান সম্পদ।আমার মতো সাধার মানুরো কেউ ই চায় না সম্রাটের মতো কেউ এরকম অকালেই চলে যাক। কোন ক্যাম্পাসের ভিতর দিয়াই ভারী যানবাহন, আথবা বেপরোয়াভাবে যানবাহন চলতে দেয়ার পক্ষপাতীও আমি নই।ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা প্রয়োজন।আন্দোলনের, দাবী আদায়ের উপায় গাড়ী ভাংচুর ছাড়াও আরো অনেক কিছু হতে পারে।
সব মানুষের মতামত এক হয় না। সবার সাথে সবার মতের মিল হবে এটা আমরা আশা করতে পারি না। আমার নিজস্ব মতামতকে আমার মত যুক্তি দিয়ে প্রকাশ করছি।
আপনারে হেদায়েত করার বিন্দুমাত্র আশা আমি পোষণ করি না। মাথা যার মোটা, তার সঙ্গে তর্ক করার কী আছে?
মাথামোটা একজনের নিক। সে তার মতামত বলেছে। তার নিক মাথামোটা বলেই যে তার মাথাটা মোটা এমন ধারণা করাটাকে আমি অযৌক্তিক মনে করলাম। মোটা মাথার লোকজন বলতে আমরা যা বুঝি আমি মনে করি না মাথু সেভাবেই কথা বলেছে।
এবং প্রথমেই " আপনের মোটা মাথারে মাথায় তুলে নাচা দরকার "
এই ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণ এবিতে আশা করি না । খারাপ লাগলো ।
ঠিক আছে, মাথামোটা সংক্রান্ত আমার কথা আমি বলেছি আলাদা মন্তব্যে। আশাকরি পড়েছেন।
কিন্তু একটা ব্যাপার খুব আজব লাগলো, মাথামোটাকে মাথামোটা বললে সেটা এবির জন্য আশাতীত হয়ে যায়, আর ভ্রাতৃত্ববোধের মতো একটা সুন্দর জিনিসরে কেউ 'ফাক্ডআপ ভ্রাতৃত্ববোধ' বললে সেইটার সঙ্গে সবাই সহমত পোষণ করে!
আমার "আশা"র পূজা হয়নি সমাপন
ব্যক্তিগত আক্রমন দেখা খুব খারাপ লাগলো, আশা করিনি
আমাদের নামগুলো বাপ চাচারা ঠিক করেন, সেখানে আমাদের কোনো দায় থাকে না। তাই কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন হয়ে যায়।
কিন্তু যখন নিজে জেনে বেছে একটা নিক নেই, তখন সেটা আমার পরিচয়বাহীই হয়। এটা আমার ধারণা ছিলো।
এখন ধারণা পাল্টালো। বুঝলাম যে মাথামোটাকে মাথামোটা বলা যাবে না। আমি জানি না তাহলে তাকে কী বলে সম্বোধন করবো? জয়িতা দেখলাম মাথু বলেছে। তাহলে সে নামেই ডাকি।
মাথু, আমার ধারণানুসারে আমি বুঝতে পারিনি যে এটা ব্যক্তি আক্রমণ হয়ে গেছে। সেজন্য দুঃখিত।
মাথামোটা যখন কারো নিক হয়, তাকে আপনি সেই নামেই সম্বোধন করবেন।তাতে তো কারো আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু আক্রমণ বা ব্যঙ্গ করাটাতেই আপত্তি।আর আমি মাথু বলেছি সংক্ষেপে। সেটাতে যদি তার আপত্তি থাকে সে অভিযোগ করতে পারে। আমাদের অনেক প্রিয় ব্লগার বিষাক্ত মানুষ। যাকে সবাই বলি বিমা। কখনও মনে হয়নি তার নিক বিষাক্ত মানুষ বলেই সে মানুষটা বিষাক্ত।
আপনার মনে হয় নাই বলেই যে অন্য কারো মনে হবে না তা কীভাবে বলছেন? নিজের মনে হওয়া না হওয়াটা অন্যের উপর কেন চাপাতে চাচ্ছেন?
কখনওই না। আমার মনে হওয়াকে প্রকাশ করছি। কারো উপরে চাপাতে চাইনি। এটা কেন আপনার মনে হলো জানি না। আপনি বরং আপনার যুক্তি, অযুক্তি যে মানছে না তাকেই ভাবছেন যে সে অযৌক্তিক কথা বলছে।তার মাথায় ঘিলু নাই।
মাথামোটাকে আপনার মাথামোটা মনে হয় নাই, অন্য কেউ মনে করলেই সেটা নিয়ে মন্তব্যের ঝড় তুলে দিচ্ছ্নে। চাপাতে না চাইলে বিরত থাকুন। মাথুর সঙ্গে আমাকে কথা বলতে দিন।
আমার যুক্তি যে মানছে না তার মাথায় ঘিলু নেই এটা আমি কোথায় বলেছি দেখান দয়া করে।
মাথু নিজে গাড়ি ভাংছে, তেজগা কলেজের পোলাপানে গাড়ি ভাংছে, কিন্তু বুয়েটের পোলাপানে গাড়ি ভাংতে পারবে না। এইখানে যুক্তি কোথায়? দেখিয়ে দিন দয়া করে
আমি কোথাও বলিনি যে কেউ একজন গাড়ি ভাংতে পারবে আর অন্য পক্ষ পারবে না।তবে দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলনের অনেক পথ আছে। সেটা সবার জন্যই। সব ক্যাম্পাস সুরক্ষিত খাকুক সেটা সবাই চায়।
আপনার পোষ্টে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলাম।
আরেকটা কথা... আপনি বলছেন বিষাক্ত মানুষ আপনাদের অনেক প্রিয় ব্লগার। ব্যক্তিগতভাবে তাকে আমিও অনেক পছন্দ করি। কিন্তু যখন একটা ওপেন প্লাটফর্মে আলোচনা হয়, তখন প্রিয় অপ্রিয় ধোপে টিকবে কেন? অচেনা কেউ, যার প্রিয় ব্লগার বিষাক্ত মানুষ না, তার কথাটা চিন্তা করার অনুরোধ করছি। আপনার চোখ দিয়ে সে নিশ্চয়ই বিষাক্ত মানুষ বা মাথুকে দেখবে না?
অচেনা সেই ব্লগারের রাস্তাটা খোলা রাখুন। আপনার প্রিয় অপ্রিয়র জোয়াল তার কাধেঁ না চাপানোর অনুরোধ রইলো।
আমি তো প্রিয় অপ্রিয়র জোয়াল কারো কাঁধে চাপাইনি! একটা উদাহরণ দিলাম। মাথামোটা নিক বলেই যে সে মোটা মাথার মানুষ না সেটাই বলতে চাইলাম। আমার যুক্তি আমি দিলাম। সবাই আমার কথাই মানবে , ধোপে টিকবে সেটা নাও হতে পারে।
আর বিষাক্ত মানুষকে এখানে আর টানব না। উদাহরণ দিতেই বলেছিলাম শুধু। তবে প্রথম দিনই সে আমার বা আমাদের প্রিয় বা পরিচিত ছিলো না। প্রথম দিনেই মনে হয়নি নিকের কারণে তাকে বিষাক্ত ভাবা যায়।
"আমার যুক্তি আমি দিলাম। সবাই আমার কথাই মানবে , ধোপে টিকবে সেটা নাও হতে পারে।"
এটাই বলছিলাম। আপনি যা দিয়েছেন সেটা যুক্তি না, আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ। ব্যক্তিগত পছন্দকে যুক্তির মোড়কে ঢাকা যায় না।
আপনি হয়তো দীর্ঘদিন বিমা বা মাথুকে দেখে আসছেন, প্রথম পরিচয়েই এই সিদ্ধান্তে আসেন নাই। কিন্তু আপনার দীর্ঘদিনের ব্লগাভিজ্ঞতা আমার নাই। আমি এখানেই প্রথমবারের মতো বিমা বা মাথুর ব্লগ পড়েছি। আপনার পরিচিতি আর আমার পরিচিতির মধ্যে তফাত থাকবেই তাই না?
আমি আবারো বলছি, আপনার ব্যক্তিগত পরিচিতি এবং ব্লগাভিজ্ঞতা আমার জন্য প্রযোজ্য না।
আপনার কথাই মেনে নিলাম, আমি যা বলেছি তা যুক্তি না।আপনার সব কথাই আপনার কাছে যৌক্তিক অতএব সেখানে আপনার কথার বিরোধিতা ধোপে টিকবে কেন?
তবে এখানে ব্যক্তিগত পছন্দটাকেই শুধু গুরুত্ব দেই নি। কারো নিক নিয়ে আপনার আক্রমনাত্নক কথাগুলো ভালো লাগে নাই সেটাই বলেছি।
ক্যাম্পাস জোনে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের দায়িত্ব । - একমত ।
এই পোস্টের মূল বক্তব্য ছিলো বুয়েটিয়ানরা দীর্ঘদিন ধরে একটা দাবী জানায়ে আসছে, কিন্তু কোনো সরকারই তাকে পাত্তা দিচ্ছে না। জোর যার মুল্লুক তার তরিকায় চলছে দেশ।
তখন বাধ্য হয়েই বুয়েটিয়ানরা গাড়ি ভাংচুরের পথ বেছে নেয়। কারণ সহনশীল আন্দোলন তাদের দাবীকে উপেক্ষাই করে আসছে। তখন তাদের কী করার থাকতে পারে?
এইটা নিয়া কথা না বলে সবাই ব্যক্তিগত কথা বলছে। বিষয়টা দুঃখজনক।
আজকে সারাদিনে আমার প্রতি কিছু প্রশ্ন এসেছে। আমি লগিন করতে আগ্রহী ছিলাম না, তাই অতিথি হিসেবে সেগুলোর জবাব দিয়েছি। তার মধ্যে একটাই মাত্র প্রকাশ পেয়েছে। বাকীগুলো হয়নি। হয়তো মডারেটরদের পছন্দ হয়নি।
যারা আমাকে প্রশ্ন করেছেন, তাদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, আমি প্রতিটা প্রশ্নের জবাব দিয়েছি। মডারেটর কর্তৃপক্ষ যদি তা প্রকাশ না করে, তবে সেই দায় আমি নিচ্ছি না।
আমি ব্যক্তিগত কারণে ব্লগ থেকে একটু দূরে থাকতে চাই, তাই লগিন করছি না আপাতত।
দূরে থাকতে চাই বলেও দায়িত্বগুলো অস্বীকার করতে পারি না। তাই শুধু এই পোস্টে মন্তব্যগুলোর জবাব দেওয়া আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে জবাব দিচ্ছি।
ধন্যবাদ সবাইকে
পুরা পোষ্টে যেসব ক্ষুরধার মন্তব্য করছেন, তাতেই বোঝা যাচ্ছে অপ্রকাশিত মন্তব্যগুলোতে কি মহার্ঘ্য বস্তু ছিলো।
নিজে নিক থাকতেও লগিন কইরা মন্তব্য দেন নাই, আর সেই অপ্রকাশিত মন্তব্যের দায়-দায়িত্ব চাপায়া দিলেন মডারেটরদের ঘাড়ে!!!
দেখা যাচ্ছে মূল পোস্ট নিয়ে আলোচনার চেয়ে মাথামোটা সংক্রান্ত আলোচনাতেই সবাই উৎসাহী। কিন্তু আমার এব্যাপারে উৎসাহ কম। মাথামোটাকে কেন আমি মাথামোটা বলেছি, সে ব্যাখ্যা আমি দিয়েছি। আর কিছু বলার নেই।
তাই আপাতত এই পোস্টে আর কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছি।
কোথাকার আলাপ কোথায় চলে গেল। এই জন্যই বিতর্কে উৎসাহ পাই না একেবারেই। আশাকরি বিতর্কের নিচে মূল ইস্যু চাপা পড়ে যাবে না।
বুয়েটের ক্যাম্পাসের সুরক্ষা প্রয়োজন। এটা কোনো বারোয়ারি জায়গা না।
নজরুলভাই, ক্যান্টনম্যান্টের রাস্তা যে এমনভাবে শেকল সেটা খোলা থাকলে সবাই কি পরিমান উপকৃত হোত এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, তাই আরেকটা ক্যান্টনম্যান্ট কেন বানাবো আমরা, আর বারোয়ারি আমাদের মাঝে বুয়েটকে রক্ষাকবচে বেধেঁ রেখে বুয়েটিয়ানদের আলাদা করে ফেলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত আমি বুঝি না। প্রতিবছর শেরেবাংলা বয়েজ স্কুলের সামনে আগারগাঁও এর রাস্তায় বাস দূর্ঘটনার ছাত্র মারা যায়, এখন যদি ওরা দাবী করে ওই রাস্তায় বাস চলাচল বন্ধ, তখন কি হবে ভাবতে পারেন? তাই এর চেয়ে বারোয়ারি আমাদের মাঝেই থেকে, ওনারা এখন যে আন্দোলনটা করছে, সেটাই ফলপ্রসু হোক, আর যেন কোন সম্রাট দূর্ঘটনার স্বীকার না হয় সেটা নিশ্চিত হোক, ট্রাফিক সিষ্টেমটা কার্যকরী করা যায় সে ব্যবস্থাটা করা উচিত। কিন্তু এভাবে ভাঙ্গাচূরা করে নয়। এটা মানতে পারিনা, ওই এক ভাঙ্গাচুরায় কতোজন সাফার করলো এটা ভুক্তভোগীরাই বলতে পারে। আর বাস ইন্সুরেন্সের ব্যাপারটা, যতই ভাঙ্গা হোক ইন্সুরেন্সতো আছেই তাতে কি হইছে, এই চিন্তাতে গেলে, নতুন বাস কিনতে সেই আমাদের দেশ থেকেই পয়সা বিদেশে যাবে, লাভে লাভ কার? এখানে আবার কেউ বাসের টাকার সাথে সম্রাটের জীবনের মূল্যের তুলনা করলাম বলে ভাববেন না। দ্বিমতকারী কেউ কিন্তু বলছে না, সম্রাটের মৃত্যুটা তুচ্ছ, কেউ ওর চলে যাওয়াকে উপেক্ষা করছেনা, অনেকেরই আপনজন হারিয়েছে দূর্ঘটনায়, তাই কষ্ট কারো কম নাই এতে। সুরক্ষাতো সবারই দরকার, তেমনি চলাচলের সুবিধাও।
আর একটা বিষয় নিয়ে সবারই কিছু দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু সেটা যদি প্রকাশ করা হলে প্যাচেঁ পড়ার সম্ভবনা থাকবে, কিবা মাথায় কথার বাড়ি পড়বে, এমনটা হয় তবে তো কখনোই কেউ কারো মতামত দিবে না, সবাই সহমত দিয়েই চলে যাবে। আপনি একটা সুন্দর মত দিছেন, অন্যের সেটা নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ আবার কেন সেটা দ্বিমত তা জানানোর মাঝেই, যদি সে ভুল হয় তার কিবা আপনারটা সঠিক হবার সম্ভবনা তৈরী হবে। এক সময় আমি ভাঙ্গাচুরা করলাম, পরে উপলব্ধি করলাম ওটা খারাপ কাজ, এখন সেটা কি আমি আমার অগ্রজদের বলব না? ওদেরকে কি আমি আবার একটা পাপের মাঝে ঠেলে দিবো?
বাফড়া, মুক্ত ওরা পোষ্ট লিখছে, কেউ লিখছে নিজের ভাবনা থেকে, কেউ নিজের কষ্ট থেকে, যার যার সে মত দিছে, কেউ কিন্তু ওরা রাগ দেখাইয়া নিজের মত চাপায় নাই। আপনারটা পড়ে লাগছে রাগ নিয়ে লিখছেন, যদিও এমনটা না’ও হতে পারে।
@ মুক্ত, বোহেমিয়ান ..
তার চিন্তা চেতনা কতটা নোংরা , আর বুয়েট বিদ্বেষ তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে কতটা বেশি মিশে আছে , সেটা জানলে তার সাথে তোমাদের কথা বলার রুচিও হত না । আর বিস্তারিত বলতে ইচ্ছে করছে না , কারণ তাকে নীতিবান বলার লোকও জুটে যেতে সময় লাগেনি । তার নোংরামির সবচেয়ে বড় শিকার ফারহান । পুরুজিত , হিল্লোল , সঞ্জীব ব্লগ ছেড়ে গিয়েছিল শুধু তার আর তার সমমনা তিন চারজনের অকথ্য গালিগালাজের শিকার হয়ে । কখনও দেখা হলে তার পরিচয়টা পুরনোদের কাছে জেনে নিও । বুয়েটিয়ানের মৃত্যুতে ভাঙচুর দেখে তার খারাপ লেগেছে বললে আমার বড্ড মিথ্যে কথা বলা হবে , বরং বলব এ ধরণের মৃত্যু নিজের অজান্তেই তাকে পুলক দেয় , সে হয়ত নিজেও বোঝে না ।
@মডারেটর,
আশা করি সত্য কথা বলার সুযোগ রাখবেন , আর কারও নাম উল্লেখ করছি না । সে কারণে স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারবে না কার কথা বলছি
এই পোষ্টে কারো কমেন্টে বুয়েট বিদ্বেষ এর কোনো প্রমান পাইছেন? নাকি গাড়ি ভাংগা সাপোর্ট না কর্লেই বুয়েট বিদ্বেষ!!!
আর আকাশের দিকে তীর না ছুইড়া সরাসরি বলেন। পুতু পুতু কইরা গ্রুপিং কর্তে চাইলে পারসোনাল মেইল/মেসেন্জারে নক করেন গিয়া।
জামাত ঘেষা ফারহান দাউদরে সবাই চেনে। সামুতে কিক খাইতে খাইতে ব্লগিং কর্তো।
মেহরাব ভাইয়ের কমেন্টের পর আরেকজনের গাত্রদাহ দেখে একটা কথাই বলব,
ঠাকুর ঘরে কে রে,আমি কলা খাইনা।
পুরা পোস্টে আমার ১৩ খানা কমেন্ট আছে। পোষ্টে নজরুল ভাই আর আমার মাঝেই কমেন্ট বিতরন হইছে। আর ফারহান দাউদরেও আমি কিকাইছিলাম।
মাথায় টিকটিকির সমান ঘিলু থাকলে আপনেও বুজতেন যে আমার গাত্রদাহ (আপনার ভাষায়) কারন।
যদিও মেহরাব শাহরিয়ারো ব্যাপক প্যাদানি কহেয়েছিলেন সামু তে।
এই পোষ্টে আর কমেন্ট করার আশা রাখি না।
শেষ কথা এইটাই বলতে চাই, ছাত্রদের জন্য সড়ক নিরাপত্তা চাই। আর চাই এই আন্দোলন হোক নিয়মতান্ত্রিক আর কার্যকর। অতীতের শত শত ভাংচুর এর মত না।
এবিতে আশা করি মডারেটর আছেন । মডারেটর এর কাছে আপত্তি রাখছি
উপরের করা মন্তব্য গুলোর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি । ব্যক্তি আক্রমণ । মেহরাব শাহরিয়ার এবং ফারহান দাউদকে নিয়ে ।
নজরুল ভাই, আপনের পোস্টে সহমত জানাইলাম...
খালি ৩নংয়ে যে বলছেন তারেক রহমান বাথরুমে পইড়া কোমর ভাংলেও ভাংচুর করা যাবে... নাহ এইরকম শুনি নাই... ভাংচুর সব গুলাই সমান..। খালি এই ভাংচুর নিন্দনীয় এইটা তো বলি নাই.। সব গুলাই নিন্দনীয়... এছাড়া পোস্টে সহমত...
নীচে আড়েকটা কমেন্ট দিলাম...
এই কমেন্ট টা ইচ্ছা কইরাই আলদা কইরা দিলাম...
কারো পোস্টের প্রেক্ষিতে একটা পোস্ট লিখলে সেইটা জানানো বা উল্লেখ করা সাধারণ ভদ্রতা... এইউ ভদ্রতা টা করেন নাই দেইখা আমার সুশীল মন খুবই ক্ষুব্দ...। পরে এক চিপায় উল্লেখ করলেন এইটা আমার পোস্টের প্রেক্ষিতে লেখা... । আজীব আপনার কর্মকান্দ... আপনে পারবেন...
==
এই পোস্টে আপনের এক কমেন্টের রিপ্লাইয়ে ফটো এড করতে চাচ্ছিলাম.। দেখি হয় কি না.।
২১
নজরুল ইসলাম | মে ৩০, ২০১০ - ১:৫৪ পূর্বাহ্ন
অদ্রোহ... আমি আজকে বিকেল থেকে মানুষের আচরণে স্তব্ধ। গাড়ির প্রতি মানুষের এতো দরদ, অথচ লোকেন বোস আগেই জানাইছে যে এগুলা সব ইনসুরেন্স করা গাড়ি। গাড়ির ক্ষতিপূরণ পাবে মালিকরা। তাদের এক টাকাও লস হবে না।
অথচ একটা সম্রাটের ক্ষতিপূরণ কীভাবে সম্ভব!
এইটা এই জাতি ভাবতেছে না। আমি ক্লান্ত অদ্রোহ... ভীষণ ক্লান্ত...
আজকাল তর্ক করতে ভীষণ ক্লান্তি লাগে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিছি, আর ব্লগিং করবো না। ভালো লাগে না।
=====
এইটা একটা ভুল আইডিয়া করলেন.। দরদ টা গাড়ির প্রতি না... বরং নিন্দা টা ভাংচুরের প্রতি.। সেইটা যেকোন ভাংচুরই হোক না কেন...
===
যাই হোক ইন্স্যুরেন্স পাওয়া যায় বইলা মালিকের লস নাই এই তো.. হ্য মালিকের লস নাই একমত.. কিন্তু লস কি নাই?
===
এই অংশটা বুয়েট বা আর কোন ভাংচুরের সাথেই রিলেটেড না... এবং আর কাউকে উদ্দেশ্য করেও না... কমেন্ট টা খালি নজরুল ভাইয়ের কোট করা লোকেন থিওরির প্রেক্ষিতে করা... কমেন্ট করা হইল নজরুল ভাই আর লোকেন বোস কে...
কি বলেন নজরুল ভাই, এখণ আর যাত্রী থাকলেও আপনার বা লোকেনের বাধা থাকবে না..।
আমি ব্লগার নাহ!!!!!! শুধুই একজন পাঠক...তারপর ও কিছু মন্তব্য না করে পারলাম নাহ
@ মাথামোটা , আপনি বিষয় তা দেখতেসেন আপনার ভিউ থেইকা, আপনি বুয়েটিয়ান নাহ, তার উপর বুয়েট বিদ্বেষ আপনার শিরা উপশিরা তে...এইটা বুঝতে খুব উর্বর মাথার দরকার হয় নাহ......নাইলে এত্ত গুলান অযথা মন্তব্য পোস্ট মারতেন নাহ ... যেখানে আপনি নিজে স্বীকার করে নিসেন আপনি নিজেও ভাং চুর করছেন ...কাজেই এইসব পরিস্থিতে যা কাজ করে তা হইল আবেগ এইটা আপ্নেও ভাল বুঝেন ...... তারপর ও কন্টিনিউ কইরা গেছেন
আপ্নে বহু ভেবে চিন্তে এই নিক নিসেন তা বলার অপেক্ষা রাখে নাহ ... আপ্নের পারফেক্ট প্রতিফলন আপ্নের এই নিক
@ সুশীল সমাজ যারা বলতেছেন ভাং চুর ছাড়া ও অন্য উপায় আছিলো তারা দয়া কইরা কিছু সাজেশন দেন , শুনি আমরা , শুনে আমাদের কান জুড়াক !!!!!! কি বলবেন আপ্নারা ????? নিয়ম তান্ত্রিক উপায়ে প্রশাসনের কাছে দাবি দাওয়া পেশ ???? এইসব ঠুনকো উপায়ে কোন দিন এই দেশে কিছু হয় নাই, হবে ও নাহ
@ নজরুল ভাই রে সালাম...... আমাদের ফিলিংস্ টা বুঝতে পারার লাইগা
এইটা কি মেহরাব নিকি?
ব্লগ মানেই বিনোদন।
এনিওয়ে -
একটা ভাংসে বইলা আমি ওগো অপরাধী কইতাছি না। পোষ্টের ভাংচুর বাদে বাকি অংশের সাথে একমত প্রথমেই প্রকাশ কর্ছি।
আরে আজিব? এই পোস্টটা আমি নিজে সহ আরো দুই-তিনজনে ফেইসবুকে শেয়ার করছে। তাদের যেকেউ এসে পড়ে মন্তব্য করতে পারে।
কেন একজনকে ট্যাগ করে পাল্টা মন্তব্য করছেন?
[বিরক্ত লাগল।]
আবেগরে যুক্তির বেড়া দিয়া আটকানো যায় না। ভাংচুর হইছে আবেগে। ওইখানে যুক্তি দিয়া লড়াই করার কি কাম? যারা গাড়ী ভাঙছে মাথা ঠান্ডা হওয়ার পর তারাও বুঝবে কাজটা ভালো হয় নাই। কিন্তু যখন মাথায় রক্ত চড়ে তখন কিছু না কিছু ভাংতেই হয়। বুয়েট নন বুয়েট ব্যাপার না।
এখানে সবাই বুঝদার মানুষ। কিন্তু আবেগের সাথে যুক্তি দিয়া লড়াই করতেছেন ক্যান বুঝলাম না। ইগো ইগো ইগো। এটা থেকে সরে আসা খুব দরকার। জাতীয় স্বার্থেই। এই বিতর্কটা অর্থহীন লাগলো। সরি।
নীড়দার এই বক্তব্যের পর আশাকরি এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এখানেই শেষ হবে।
মাসুম ভাই আপনের এই কমেন্টটা বুঝলাম না।
আজকাল সাধারণতঃ ব্লগ পড়া হয় না ফেইসবুকে লিংক না পাইলে...ফেইসবুক ব্লক করনের পর যখন পোস্ট লেইখা ফেললাম ক্ষোভ(?) থেইকা, তারপর নিজের পোস্ট দেখনের দায় থেইকাই কয়েকবার আমরা বন্ধুর পেইজ খুলছি মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখতে। তারই অবসরে এই পোস্ট আর তার কমেন্ট পড়ছি। আমি ভাঙচূড়ের পক্ষের লোক চীরকাল, এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেইকা আজ পর্যন্ত কম গাড়ি ভাঙচূড়ের ঘটনায় ইনভলভ ছিলাম না। অতীতের এইসব অভিজ্ঞতারে আমি কখনোই ভুল মনে করি নাই, এখনো করি না। কিন্তু এই পোস্ট পড়নের পর আমার মনে হইছে ইন্টেনশনালি ভাঙচূড়ের বিরোধীতাকারীগো আন্দোলনের বিরোধীতাকারী বানাইয়া ফেলনের চেষ্টা করা হইছে। ভাঙচূড়ের পক্ষে না থাকলেই বুয়েটিয়ানগো বিরোধীতা করা হয় এইরম ট্যাগিং কইরা শুরুতেই ব্যক্তি আক্রমণের নজীর রাখা হইছে এই পোস্টে। তারপর থেইকা তো এর পরতে পরতে ব্যক্তি আক্রমণ ঘটছে। এমনকি আপনে যেই কমেন্টরে আল্টিমেট বইলা ঘোষণা দিলেন সেইটারে আমার আল্টিমেট ব্যক্তি আক্রমণ না মনে হইলেও ব্যক্তি আক্রমণের থেইকা দূরের কিছু মনে হয় নাই। দুই পাতা বেশি বুঝনটা সবসময়েই খারাপ বইলা মনে করি...নীড় সন্ধানী বুয়েটিয়ানগো গাড়ি ভাঙচূড়ে যুক্তি খুঁইজা পান না, এইটারে কেবলি আবেগের ফুলঝুড়ি মনে করেন...এইরম বিশ্লেষণরেও আমার একটা আন্দোলনকামী অংশের প্রতি আক্রমণ বইলাই ধারণা হয়।
মাথামোটা নিকে বুয়েটিয়ানদের আক্রমণ করা হইছে কি না জানি না, তয় এই নিকরে সামহোয়্যার ইনে দেখছি বায়াস্ড হইয়া ত্রিভূজরে আক্রমণ করতে, মডারেট ইসলামিস্টগোরেও পঁচাইতে দেখছি অনেকসময়। ফারহান দাউদ তার ভূক্তভোগী। ফারহান দাউদের উপর এই নিকের আক্রমণরে আমার বেশিরভাগ সময়েই জ্বালাতন মনে হইছে...কিন্তু এই পোস্টে সেই মাথামোটা নিকরে যখন দেখলাম বেশ ঠান্ডা মাথায় যুক্তি করনের চেষ্টা করতে তখন অবাক হইছি। অথচ তারেও আক্রান্ত হইতে হইলো...ডিভাইড এন্ড রুল খেললেন মেহরাব শাহরিয়ার, তার থেইকা বরং এই আচরণ অপ্রত্যাশিত লাগছে আমার কাছে।
সবশেষে কই এই পোস্টের অনেক কমেন্টরে আমার এক বিশেষ ব্লগ ব্যক্তিত্যের স্টাইল কপি করনের চেষ্টা মনে হইছে...যিনি মানুষের নিক নিয়া স্যাটায়ারের নামে নোংরামীতে সিদ্ধহস্ত...
মাথামোটা ,
অতিথি নিকে কথা বার্তা বলার মত ফালতু কাজে টাইম নাই । কথা বলার রুচি নাই । এটাই শেষ কমেন্ট
ব্যক্তিগত ব্লগে একটা লেখা লিখেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিলো কেবল বুয়েটিয়ান পরিবারের সাথে খোমাখাতায় শেয়ার করবো। সরকারের প্রচেষ্টায় সেই আশায় গুঁড়ে বালি....
তাই এখানেই শেয়ার করলাম আপাততঃ....
মাথুর ব্যাপারটা প্রথমে আমার বোঝার ভুল ছিলো। সেজন্য পরে দুঃখপ্রকাশও করেছি।
বাফড়া, আপনার পোস্টে লিঙ্ক দিয়ে আসিনি, আসলে এটা যে শুধু আপনার পোস্টের প্রতিক্রিয়া তা না। এই ব্লগে আপনার লেখাটা, কিছু ব্যক্তিগত যোগাযোগ, অন্য ব্লগের লেখা, সবগুলো মিলিয়ে দিয়েছিলাম। এই ব্লগে নিজের প্রকাশভঙ্গি এখনো ধরতে পারছি না। তাই প্রকাশগুলো জুতসই হচ্ছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুল বুঝাবুঝি হচ্ছে। স্যরি সেজন্য।
জয়িতা, আপনার সঙ্গে দূর্ব্যাবহার করতে আগ্রহী ছিলাম না। কিন্তু আলোচনাটা ক্রমশ সেদিকই চলে গেলো। দুঃখিত।
ভাস্করদা, ব্যক্তি আক্রমণের বিষয়গুলো বুঝিনি। যদি হয়ে থাকে, সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।
এখন থেকে সতর্ক থাকবো।
সবাইকে ধন্যবাদ
নজরুল ভাই, ব্যক্তিগত রাগ ক্ষোভের বিষয় এখানে নাই। মাথু আমার বন্ধু হলেও ও যদি গালি দিতো ও কে সাপোর্ট করতাম না।আর এসবই কথার পৃষ্টে কথা উঠে আসা। তার মানে এই না যে কারো উপড় ক্ষোভ পুষে রেখেছি।ভালো থাকেন।
ধূর, নজু ভাই... সমস্যা নাই.। ইরাম হয় ই.।..
..।
হ্যাপি ব্লগিং।
প্রিয় নজরুল ভাই, কিছুদিন ব্লগের অনিয়মিত পাঠক ছিলাম। আজ এসে দু'তিনটা লেখা পড়লাম। তারপর পর আপনার লেখাটা এবং সংযুক্ত মন্তব্যগুলো পড়ে একটু কনফিউজড হয়ে গেলাম। হয়তো কোন কারনে আপনার মনটা একটু বিক্ষিপ্ত আছে। নতুবা আপনার লেখাসূত্রে আপনাকে যতটুকু জানি এ লেখার মন্তব্যগুলো আপনাকে ততটুকু প্রকাশ করে না বলেই আমি অনুমান করি। এবং শেষে ৭১ নং মন্তব্যে তা প্রমাণও হয়েছে।
সামহয়্যারইনের ক্যাচাল আমার একদম ভালো লাগে না। তাই আমরা বন্ধুতে আমি প্রতিদিন একবার হলেও ঢু মারার চেষ্টা করি। হয়তো কখনও রেজিস্টার করার মত দুঃসাহসও অর্জন করে ফেলবো। কিন্তু আজ প্রথম বারের মত আমি সাজানো বাগানে কিছু বিশৃঙ্খলা দেখতে পাচ্ছি। হয়তো এটা আমার দেখারই ভুল।
অনেক অনেক ভালো থাকবেন।
মাথামোটা ভাইএর মন্তব্য সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই।
মধুরেন সমাপ্তেন ।
সকাল সাকাল সুন্দর দেখে মন ভইরা গেল। ধন্যবাদ।
মধুরেন সমাপ্তেন ।.....এইডা কি ভাষা? এর মানে কি?
মন্তব্য করুন